Friday, August 17, 2012
আমি সত্যিই ভীষণ জটিল: কাজল
বলিউডে কাজল এমন এক অভিনেত্রী যিনি আজ অবধি কোনো বিতর্কে জড়াননি।কিন্তু তার এই ‘ক্লিন ইমেজ’ এর বাইরেও রয়েছে বেশ কিছু নেতিবাচক দিক।একদিকে তার কথাবার্তায় যেমন রযেছে হেঁয়ালি প্রবণতা, তেমনই তার মিডিয়ার সঙ্গে সম্পর্কও ততটা মসৃণ নয়।সম্প্রতি কাজল ভারতের একটি বহুল প্রচারিত ফ্যাশন ম্যাগাজিনে নিজের ব্যাপারে বেশ কিছু তথ্যের রহস্যভেদ করেছেন।
দক্ষ এই অভিনেত্রীর কথা শুনলে হতবাক হবেন আপনিও।দুই সন্তানের মা, অজয়-পত্নী তার দীর্ঘ ১২ বছরের দাম্পত্য নিয়ে মুখ খুলেছেন।তার মতে, একটি আদর্শ বিবাহিত জীবনের পথ কখনোই শুধু কুসুমাস্তীর্ণ হতে পারে না।পথ চলতে গিয়ে অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়।কিন্তু সেখান থেকেই নিজের সঠিক রাস্তা খুঁজে নিতে হয়।সময়ের সঙ্গে নিজেকে আরও পরিণত করে তোলা এবং বিবাহের প্রতি নিজের কর্তব্য পালন করে চলার মধ্যেই খুঁজে নিতে হয় দাম্পত্যের আনন্দ।
তবে কাজল অন্য অভিনেত্রীদের মতো তথাকথিত ‘গুডনেস’-কে হাইলাইট করেননি।বরং তিনি অকপটে বলেছেন, “আই অ্যাম আ মিন বিচ অর্থাৎ আমি সত্যিই ভীষণ নোংরা।এছাড়া তিনি নিজেকে খুবই জটিল প্রকৃতির বলেও আখ্যায়িত করেন।
স্বামী অজয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে কাজল বলেন, “সে আমার থেকে অনেক বেটার মানুষ।কখনোই একজনের পক্ষে সবসময় সচেতন থাকা সম্ভব নয়।কিন্তু অজয় সত্যিই খুব ভালো মানুষ।যখন আমি রেগে যাই তখন ও আমাকে শান্ত করার চেষ্টা করে।ও সবসময়েই বোঝে কখন কি করা বা বলা উচিত।আমি সত্যিই ওর থেকে অনেক কিছু শিখেছি।”
বিদ্যাকে দেখে আমি ঈর্ষান্বিত: সানি
চার বছর আগে `টশন` ছবির জন্য `সাইজ জিরো` ফিগার বানিয়ে বলিউডের নতুন `ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিক্স` সৃষ্টি করেছিলেন কারিনা। সেই থেকেই `সাইজ জিরো`কেই আইডল মেনেছিল বলিউডে থেকে আসমুদ্র হিমাচলের কিশোরী ও সদ্য যৌবনে পা রাখা নারীরা। `সাইজ জিরো` ফিগার বানাতে প্রায় আমরণ অনশনের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিলেন তারা। সেইসঙ্গেই শুরু হয়েছিল তথাকথিত মুটকীদের হীনমন্যতায় ভোগা।
এহেন পরিস্থিতি থেকে ভারতীয় ললনাদের উদ্ধার করতে ডার্টি সিল্কের সঠিক সময়ে পর্দায় অবতীর্ণ হওয়া প্রায় অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠেছিল। যাকে দেখে অর্ধেক বলিউড কমপ্লেক্সে ভুগলেও বুকে বল পেয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ বছর ধরে হীনমন্যতায় ভোগা সাড়ে তিন লক্ষরও বেশি মহিলারা। আর এইসব নারীদের মধ্যে রয়েছেন এই মুহুর্তে বলিউডের `মোস্ট ভলাপচুয়াস` সানি লিওন!
`ডার্টি পিকচার` দেখে মুগ্ধ হয়েছেন সানি। বিদ্যার প্রশংসায় পঞ্চমুখ সানি বলেছেন, "আমার ডিকশনারিতে এতদিন ফ্যাট শব্দটাই ছিল না। কিন্তু মেদবহুল চেহারা যে এত সুন্দর ভাবে, গ্ল্যামারাসলি ক্যারি করা যায় বিদ্যাকে না দেখলে বুঝতাম না। আমি ওকে দেখে প্রায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়েছি। হ্যাটস অফ টু বিদ্যা"।
`ডার্টি পিকচার`-এ বিদ্যাকে সেক্সি বানিয়েছিলেন একতা কাপুর। সম্প্রতি একতার ছবিতে সই করেছেন সানিও। আর সেখানেই সোনা ফলার আশায় রয়েছেন সানি। সূত্র: জিনিউজ।
প্রথম দিনে সর্বকালের রেকর্ড গড়লো ‘এক থা টাইগার’
টাইগার চুপিসারে শিকার খুঁজে বেড়ায়। একটা বড় দলে মধ্যে একটা মাত্র উপাদানকে সবসময় সে নিজের লক্ষ্যবস্ত্ত নির্ধারণ করে। যে কোনো পন্থায় সেটা তাকে বাগে আনতেই হবে! কথা হচ্ছে সালমান খান অভিনীত এক থা টাইগার ছবি প্রসঙ্গে।
ছবির টাইগার সালমান খান তার লক্ষ্যবস্তু ঠিক রেখেছেন। বাগেও আনতে পেরেছেন। বাসত্মবের টাইগারের লক্ষ্যবস্তুটা যদি হয় রেকর্ড! তবে! এখানেই ব্যাতিক্রম ঘটেছে। সালমান খান হন্য হয়ে রেকর্ড খোঁজেন নি, রেকর্ড নিজে এসে তার কাছে ধরা দিয়েছে।
সালমান খান অভিনীত ‘এক থা টাইগার’ মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসের সব রেকর্ড ব্রেক করেছে। এমনকি সালমান নিজেই নিজেকে হত্যা করেছেন। নিজের করা আগের অনেকগুলো রেকর্ড তিনি ভেঙ্গে ফেলেছেন। প্রথম দিনেই ‘এক থা টাইগার’ ব্যবসা করেছে ৩০ কোটি রূপির উপরে। ঋত্বিক রোশনের ছবি ‘অগ্নিপথ’ সালমান খানের ‘এক থা টাইগার’য়ের কাছাকাছি রেকর্ডধারী। অগ্নিপথ প্রথম দিনে আয় করেছিল ২১.৫ কোটি রূপি।
সালমান খান ও ক্যাটরিনা কাইফের বহুল প্রতিক্ষিত ‘এক থা টাইগার’ এখন বড় বড় প্রেক্ষাগৃহে আপাতত অনির্দিষ্ট কালের জন্য সাঁটা থাকবে। ‘এক থা টাইগারে’র শুরুটা যতটা না আন্দাজ করেছিলেন তার থেকে অনেক অনেক বেশি সাফল্যমণ্ডিত হয়েছে। বক্স অফিস কর্মকর্তারা এখন অপেক্ষা করছেন দেখতে পুরো সপ্তাহান্তে ছবির আয় কি পরিমাণে গিয়ে দাঁড়ায়।
মুম্বাই গেটি গ্যালাক্সির অফিসিয়াল মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘এক থা টাইগারের বড় সড়ো মুক্তি নিয়ে এখন কারো কোন সন্দেহ নেই।’ সূত্র: এনডিটিভি
‘রোগা’ ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে গুঞ্জন
মাদার বচ্চন এখন কেমন আছেন? অনেক দিন হয়ে গেল; কোনও খবরই পাওয়া যাচ্ছে না তার! মাদার বচ্চন বলতে এখানে জয়া বচ্চন ভাবলে কিন্তু ভুল হবে। আমরা বলছি ঐশ্বরিয়ার কথা! কিছুদিন আগেও তিনি ছিলেন বহু বচ্চন; এখন প্রোমোশন পেয়ে গর্বিত জননী! তা, খবর কী তার? কোলজোড়া কন্যারত্ন পেয়ে কি আর সিনেমা-টিনেমা করবেন না নাকি? এখন থেকে কি তিনি শুধুই রয়ে যাবেন মায়ের ভূমিকায়?
বি টাউন গ্ল্যাম গার্ল, বিগ বি-র ছেলের বউ কিম্বা আরাধ্যা জননী- যে নামেই ডাকুন না কেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন-এর মোহিনী আদা একটুও মলিন হয় না যেন! সদ্য নভেম্বর মাসে মা হওয়া ঐশ্বরিয়া, প্রেগনেন্ট থাকাকালীনই সরে গিয়েছিলেন রুপোলি পর্দার আলো ঝলমলে জগৎ থেকে একটু দূরে। আসলে মাতৃত্বের আভায় তিনি এমনিতেই জাজ্বল্যমান ছিলেন তো, তাই আর অন্য কোনও দীপ্তির প্রয়োজন পড়েনি হয়ত। তাছাড়া সেই সময় মধুর ভান্ডারকর তার কাছে ছবির জন্য যা সব আবদার জুড়েছিলেন; গর্ভবতী অবস্থায় তা কি মেটান সম্ভব? কোন গর্ভিণী পারেন ঝরনার জলে সাঁতার কাটতে, দৌড়াদৌড়ি করতে এবং ধোঁয়া ছাড়তে? পরিচালকদের এসব খাঁই মেটাতে না পেরেই তিনি সরে গিয়েছিলেন টিনসেল টাউন থেকে।
কাজেই ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শেষ তাকে দেখা গিয়েছিল একটি অ্যাড ছবির শ্যুটিংয়ে। তারপরে লং ব্রেকের পরে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে তাঁর উপস্থিতি লক্ষ্য করেন সকলে। তবে নায়িকার এই সামাজিকতায় খুশি হননি কেউই; বরং দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে সমালোচনার ঝড়। কেন?
মা হলে ফিগারের তেরোটা বেজেই যায়; শরীরে জমে কিছু বাড়তি মেদ। নায়িকাও একটু বেশিই মুটিয়ে যাওয়ায় নিন্দুকমহলে গুজব-গসিপের ছড়াছড়ি শুরু হয়ে যায় সেই সময় থেকেই। মা হওয়ার কয়েক মাস পরেও আগের ফিগারে ফিরতে না পারার জন্য যেমন কেউ সমালোচনা করেন, তো কেউ ধরে নেন ঐশ্বরিয়ার বাজার দর আর কোনও দিন উঠবে না এমন ফিগার নিয়ে। তবে নিন্দুকের কথায় কান দিতে নারাজ রাই বচ্চন এবার অবশেষে মুখোমুখি হলেন ক্যামেরার। দিন কয়েক আগে সেরে ফেললেন হাল্কা একটু শ্যুটিংও। একটি গয়না সংস্থার জন্য অ্যাড ছবির শ্যুটিঙে ঐশ্বরিয়াকে দেখা গেল সেই অবিকল পুরনো ফিগারে ঝলমলাতে। বিজ্ঞাপনে সোনালি জলের মাঝে কিম্বা হাল্কা সোনালি রঙের এফেক্ট দেয়া জলের মাঝে ছিপছিপে মানবীটিই ঐশ্বরিয়া।
ক্যামেরার সামনে কামব্যাক করলেও এরই মধ্যে ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে শুরু হয়ে গেছে আরও এক গসিপ। শোনা যাচ্ছে; অ্যাডের ছবিগুলো নাকি খুব নিখুঁতভাবে ফোটোশপ ফিনিশ করা। আর এক কড়াই গরম তেলে এটুকু ফোড়ন পড়তেই চড়বড়িয়ে উঠেছে নিন্দুকের দল। উড়ো খবরে মন দিলে মেনে নিতেই হয় কদিন আগের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে দেখতে পাওয়া ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে এই ছিপছিপে মহিলার কোনো মিলই নেই। টিনসেল টাউনে নিজের মান রক্ষার জন্য তাহলে কি সত্যিই অ্যাশের ছবি এডিট করে পেশ করা হয়েছে জনসমক্ষে? নাকি নিছকই খুঁত ধরার জন্যে ‘ওরা’ গুজব রটাচ্ছেন? ঐশ্বরিয়া অবশ্য এগিয়ে চলেছেন নিজের পথে; মন্দ লোকে দু-এক খারাপ কথা বললেই বা কী আসে যায় তার?
বলিউডে দেশপ্রেম: নির্বাচিত সেরা ছবি
বলতে দ্বিধা নেই ভারত পৃথিবীর অন্যতম গণতান্ত্রিক দেশ। ভারতীয় জনসাধারণের মধ্যেও দেশপ্রেম লক্ষ্য করার মতো। বলিউডে দেখা যায় দেশপ্রেমের শক্ত প্রভাব। দেশপ্রেমকে উপজিব্য করে বলিউডের মেধাবী নির্মাতারা নির্মাণ করেছেন অসাধারণ সব ছবি।
১৫ আগস্ট ছিল ভারতের স্বাধীনতা দিবস। বলিউডপ্রেমী দর্শকদের ভোটাভুটির ভিত্তিতে কিছু অসাধারণ ছবি সেরা দেশাত্মবোধক ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে। আসুন সেই ছবিগুলো এক নজরে দেখে নেই।
রাগ দে বাসন্তী: দেশপ্রেম বোধের ছবির তালিকা পূর্ণ হবেনা যদি রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার ক্লাসিক ছবি ‘রাগ দে বাসন্তী’ সেখানে না থাকে। আমির খান, কুনাল কাপুর, শারমান যোশী, সিদ্ধার্ত ও সোহা আলী খান এই পাঁচ দুরন্ত তরুণ বন্ধুকে নিয়ে গল্পের কাহিনী। এক বন্ধুর করুণ মৃত্যু তাদের মধ্যে বাস্তবতা জাগিয়ে তোলে। দেশপ্রেম মূর্ত হয়ে ওঠে ছবির প্রতি সিকোয়েন্সে।
এ ওয়েন্সডে: পরিচালক নিরাজ পন্ডিতের ডেব্যু ফিল্ম ‘এ ওয়েন্সডে’। এই ছবিটি ৭/১১ মুম্বাই বোমা বিস্ফোরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ছবিতে অভিনয় করেছেন নাসিরউদ্দিন শাহ্ ও অনুপম খের। ছবিতে ভারতীয় সরকারের কিছু আইনগত ফাঁক তুলে ধরা হয়েছে।
সরকারের কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করে অপরাধ থেকে পার পেয়ে যায়ার নজির এ উপমহাদেশে নেহাত কম না। নৈতিকতার এই বিষয়টি উঠে এসেছে ‘এ ওয়েন্সডে’ ছবিতে। দেশপ্রেমভিত্তিক ছবি সবসময়ই মানুষের মনকে ছুঁয়ে দেয়। ভেতরকে আলোড়িত করে। কিছুটা তো শেখায়ই। এ ওয়েন্সডে ছবিটিও আমাদের মর্মমূল কড়া নেড়ে জাগিয়ে দেয়ার মতো একটি ছবি।
কাহানি: থ্রিলার ধর্মী গল্প অবলম্বনে নির্মিত ছবি ‘কাহানি’। ছবিতে দেখা যায় অন্তঃসত্ত্বা বিদ্যা বালান তার হারিয়ে যাওয়া স্বামীকে খুঁজতে কলকাতার পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু ছবির অন্তরালের মূখ্য বিষয় হলো দেশাত্মবোধ। ছবিতে প্রধান নারী চরিত্রটি গোয়েন্দাদের দ্বারা প্রশিক্ষিত। তাকে ব্যবহার করা হয় ভয়ানক এক সন্ত্রাসীকে উচ্ছেদে সাহায্য করতে। বিদ্যা সবসময়ই গতানুগতিকতা থেকে বাইরে হাঁটা একজন অভিননেত্রী। এ ছবিতেও তিনি নিজেকে ব্যতিক্রমি উপস্থাপন করেছেন। সহঅভিনেতা হিসেবে কলকাতার অভিনেতা পরমব্রত চ্যাটার্জি সত্যিকার অর্থেই ছবির মান রেখেছেন।
চাক দে ইন্ডিয়া: এই ছবিতে শাহরুখ খান একজন হকি খেলোয়াড় যিনি ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় কামব্যাক করেন কোচ হিসেবে। তিনি মেয়েদের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন। এই ছবিতে দেখানো হয়েছে একটা দলের পেছনে থেকে কিভাবে সবাইকে উদ্যাম জোগানো সম্ভব। ধর্মকে উর্দ্ধে রেখে দেশের সম্মান রক্ষা করা যে কারো জন্যেই নৈতিক দায়িত্ব। ছবিতে হকি দলের কোচ একজন মুসলিম, কিন্তু তিনি পাকিস্তানি মুসলিম দলকে পরাজিত করে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে সমর্থ হন।
লাকস্য: লাকস্য ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঋত্বিক রোশন। একেবারে অনিচ্ছাকৃতভাবে তিনি নিজেকে সেনা জওয়ান হিসেবে দেশের কাজে নিযুক্ত করেন। সেনা জীবন তার কাছে একপর্যায়ে অর্থহীন হয়ে ওঠে। বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন ঋত্বিক কিন্তু কারগিল যুদ্ধ তাকে অন্য মানুষে পরিণত করে। জীবন ও দেশ সম্পর্কে তার ধারণা মুহূর্তেই বদলে যায়।
দাস: ইন্টেলিজেন্স এজেন্টদের কখনোই অতি উত্তেজিত হলে চলে না। সঞ্জয় দত্ত, অভিষেক বচ্চন, জায়েদ খান ও শিল্পা শেঠীকে এন্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের অফিসার হিসেবে অভিনয় করতে দেখা যায়। যারা নিজ পরিবারের চেয়ে দেশকে সামনে রাখতে উদ্যোগী। এটিএস অফিসার টরেন্টোতে আসেন দুর্ধর্ষ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে। প্রধানমন্ত্রীর টরেন্টো ভিজিট কালে সেই সন্ত্রাসী প্রধানমন্ত্রীকে গুপ্ত হত্যার পরিকল্পনা করেছে বলে গোয়েন্দা সংস্থা অবহিত হন। ‘দাস’ হাই অকটেন থ্রিলারধর্মী একটি ছবি। ছবির কাস্টিং ও গান খুব দর্শকপ্রিয়তা লাভ করে। ‘দাস’ ছবির সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব এর দর্শক ধরে রাখার ক্ষমতা।
সারফারোজ: সারফারোজ ছবিতে জনপ্রিয় গজল গায়ক এবং একইসঙ্গে পাকিস্তানি আইএসআই এজেন্ট অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহ। এদিকে আমির খান এসিপি র্যাথোরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। মূলত এই দুজন ডাকসাইটে অভিনেতার অসাধারণ অভিনয় শৈলী সারফারোজের প্রাণ। ছবিতে ভারত পাকিস্তান সম্পর্কের চূড়ান্ত বাস্তব চিত্র এখানে তুলে ধরা হয়েছে। দেশপ্রেম প্রত্যেকের ভেতরে স্বাচ্ছন্দময় গতিতে চলে, এটি কখনো আরোপিত বিষয় নয়। প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে অবশ্যই সুসম্পর্ক বজায় রাখা সবার নৈতিক দায়িত্ব কিন্তু নিজ রাষ্ট্রের ক্ষতি করে নয়। সবমিলিয়ে অসাধারণ একটি দেশপ্রেমের ছবি সারফারোজ। ছবিতে আরো আছেন মিষ্টি মেয়ে সোনালী বেন্দ্রে। ছবির গানগুলো ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায়।
মিশন কাশ্মির: আদিম উপত্যকা কাশ্মির সৌন্দর্য ও শান্তির অপর নাম। কিন্তু কাশ্মির নিয়ে দখল পাল্টা দখলের খেলা যেন কখনোই শেষ হয়না। এই দখলদারিত্ব নিয়ে বিধু বিনোদ চোপড়ার ছবি মিশন কাশ্মির। বিধুর শৈশব কৈশোর কেটেছে কাশ্মিরে। বিধু বিনোদ স্থানীয় সন্ত্রাসবাদকে জীবন থেকে তুলে এনে মিশন কাশ্মিরে বাস্তব ছাঁচে ঢেলে সাজিয়েছেন। অন্যদিকে টগবগে দুরন্ত যুবক ঋত্বিককে দুর্দান্তভাবে পরিশীলতার সঙ্গে ব্যবহার করে মেধার পরিচয় দিয়েছেন। পরিবার ও দেশ এই দুই নিয়ে চিরন্তন সংঘর্ষ। দেশপ্রেমিক আর্মি অফিসার সঞ্জয় দত্ত সন্তান ঋত্বিককে ফিরে পেতে আঘাত হানেন দেশের প্রতি। গতিশীল একটি দেশপ্রেমের ছবি মিশন কাশ্মির।
ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট সেণা-হোয়াইট সিক্যুয়াল থেকে বাদ
টুইলাইট সাগা স্টার ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট যাকে ভালোবাসতেন ইতোমধ্যে তার ভালোবাসা হারিয়ে ফেলেছেন। প্রিয়জন হারানোর কারণ হিসেবে অবশ্য নিজেকেই দায়ী করেছেন স্টুয়ার্ট। চার বছর ধরে তিনি প্রেম করে আসছিলেন অভিনেতা রবার্ট প্যাটিনসনের সঙ্গে। সম্প্রতি এই জুটির ব্রেকআপ ঘটে। তাদের ব্রেকআপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
কিন্তু ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের প্রেম প্যাটিনসনের প্রতি নিবেদিত ছিল না। হঠাৎ করেই প্রকাশ হয়ে পড়ে ভেতরে ভেতরে চলতে থাকা স্টুয়ার্টের অন্যরকম প্রেমের এক উপাখ্যান। প্যাটিনসনের জেরার মুখে একপর্যায়ে স্টুয়ার্ট স্বীকার করেন সেণা-হোয়াইট এন্ড দ্য হান্টম্যানের পরিচালক রুপার্ট স্যানডারের সঙ্গে তার সম্পর্কের কথা।
সঙ্গে সঙ্গে পৃথিবীব্যাপি সোড়গোল ফেলে দেন স্টুয়ার্ট। আলোচিত হন, নিন্দিত হন। ক্ষমা চান প্যাটিনসনের কাছে কিন্তু হারিয়ে ফেলেন তাকে। নিজের করা ভুলের মাশুল হিসেবে স্টুয়ার্টের জীবনে একের পর এক দুর্যোগ আসছে। তার জন্যে মন খারাপ করা আরেকটি খবর হলো- সেণা-হোয়াইট এন্ড দ্য হান্টস্ম্যান সিক্যুয়ালের কাস্টিং থেকে সম্প্রতি তাকে বাদ দেয়া হয়েছে। সেণাহোয়াইট অফিসিয়াল কর্তৃপক্ষ খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
রুপার্ট স্যানডার একজন বিবাহিত পুরুষ। রুপার্ট নিজেও এই ঘটনার জন্য তার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। রুপার্টের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই স্টুয়ার্ট হারালেন সেণাহোয়াইটের কাজ। রুপার্ট নিজের সংসার বাঁচাতে এই কৌশল অবলম্বন করেছেন বলে ধারণা হলিউডবাসির।
২২ বছর বয়সী আমেরিকান অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্টের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো- প্যানিক রুম, জাথুরা, ইন দ্য ল্যান্ড অব ওমেন, দ্য ম্যাসেঞ্জারস্, দ্য রুনাওয়েজ, দ্য সেণাহোয়াইট এন্ড দ্য হান্টস্ম্যান, দ্য টুইলাইট সাগা ব্রেকিং ডন- পার্ট টু এবং অন দ্য রোড।
সালমানকে মাধুরীর প্রশ্ন - হাম আপকে হ্যায় কন!
মাধুরী-সালমান জুটি ‘হাম আপকে হ্যায় কন’ ছবিতে জাদু সৃষ্টি করেছিলেন। সেই জাদু এখনো দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে। সম্প্রতি ‘ঝালাক দিখলা জা’ ডান্স রিয়েলিটি শো’য়ের কল্যাণে ফের এক হন এই মানিকজোড়। আর সেই সুবাদে উপস্থিত দর্শকরা আরো একবার হাম আপকে হ্যায় কনের মোহময়ী জাদু দেখতে পান। ছবির হিট ট্র্যাক ‘দিদি তেরা দেবর দিওয়ানা’ গানের সঙ্গে মঞ্চে অভিনয় করেন সাবেক এই জুটি।
সালমানের শুরুটা গরপরতা অন্যান্যদের মতোই ঢিমেতালের ছিল। ক্যারিয়ারকে চাঙ্গা করতে তিনি সেসময় মনেপ্রাণে চেয়েছেন সমসাময়িক দর্শকনন্দিত নায়িকা মাধুরীর সঙ্গে অভিনয় করতে। মাধুরী তখন কোটি কোটি প্রাণে মাধুরী ছড়াচ্ছেন। হঠাৎই সালমান অসাধারণ এই ছবির অফার পেয়ে যান। ১৯৯৪ সালে করা ‘হাম আপকে হ্যায় কন’ ছবিটি সালমানের ক্যারিয়ারের অনন্য যোগ। সালমান ওই ছবিতে অভিনয়ের পর থেকেই ঘুরে দাঁড়ান। রোমান্টিক ছবির জন্য ক্যারিয়ারকে পোক্ত করেন। পরে অনেকগুলো ছবিতেই এই জুটি অভিনয় করেছেন কিন্তু দুজনের কেউই ‘হাম আপকে হ্যায় কন’র আবেদনকে ছাড়িয়ে যেতে পারেন নি। সূত্র: জিএন
কাঁধে ব্যথা হলে
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির প্রতি পাঁচজনের একজন জীবনের যে কোনো সময়ে কাঁধের ব্যথায় ভোগেন। অল্প বয়স্কদের ব্যথার মূল কারণ হলো আঘাত এবং ব্যবহার জনিত ক্ষয় ও আঘাতের জন্য বয়স্কদের কাঁধে ব্যথা হয়।
গঠনগতভাবে কাঁধ তিনটি হাড় দ্বারা গঠিত তিনটি জোড়ার সমন্বয়ে তৈরি এবং ৩০টি মাংসপেশী জোড়ায় বিভিন্ন ধরনের নড়াচড়ায় অংশ নেয়।
চিকিৎসকরা জানান, কাঁধে সাধারণত দুই ধরনের ব্যথা হয়।একটি দূরের ব্যথা বা রেফার্ড পেইন (Reffered Pain) ও আরেকটি স্থানীয় ব্যথা বা লোকাল পেইন (Localaized Pain)।এরমধ্যে উভয় ব্যথারই কিছু কারণ রয়েছে।
এরমধ্যে রেফার্ড পেইনের কারণগুলো হলো, কাঁধের হারনিয়াটেড ডিস্ক ও পিনচড নার্ভ (স্নায়ু), সারভাইকেল স্পোনডাইলাইসিস, ডায়াফ্রাম (বুক ও পেটের মাঝখানের পর্দা) ইরিটেশন, পিত্তথলির পাথর ও অন্যান্য অসুবিধা, হ্রদ রোগ ও ফুসফুসের রোগ ও কার্পাল টানেল সিনড্রোম।
অন্যদিকে কাঁধে লোকাল পেইনের কারণ সমূহ হলো, টেনডন প্রদাহ (টেনডিনাইটিস), ক্যালসিফিক (ক্যালসিয়াম ডিপসিশন) টেনডিনাইটিস, কাঁধের মাংসপেশী বা টেনডন ছিড়ে যাওয়া, বার্সার প্রদাহ (বার্সাটিস), জয়েন্ট ইনফেকশন, ফ্রোজেন শোল্ডার বা জমানো কাঁধ, জোরার প্রদাহ (আর্থ্রাইটিস), জোরায় নতুন হাঁড় গজানো, জয়েন্টের স্টাবিলিটি নষ্ট হয়ে যাওয়া, জয়েন্ট ডিসলোকেশন (ডিসপ্লেসমেন্ট) একবার বা একাধিকবার, ক্যাপসুল বা লিগামেন্ট টিয়ার বা ছিড়ে যাওয়া, বরাল টিয়ার বা ছিড়ে যাওয়া, লিগামেন্ট বোনে (ক্যালসিফিকেশন) পরিণত হওয়া ও জোরার হাঁড়ের গঠনগত পরিবর্তন।
কাঁধের চিকিৎসা বা প্রতিকার নির্ভর করে এর কারণ সমূহের উপর।অধিকাংশ কাঁধের রোগ সমূহ মেডিকেল বা কনজারভেটিভ চিকিৎসায় ভালো হয়।তবে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে রোগের লক্ষণ সমূহ, রোগীকে ভালোভাবে পরীক্ষা এবং কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষা প্রয়োজন।যেমন- এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাফি, রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা, জয়েন্ট ফ্লুইড পরীক্ষা, এমআরআই ইত্যাদি।
অবশ্য কাঁধে কনজারভেটিভ ব্যথার চিকিৎসা বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে, যেমন- বিশ্রাম, গরম ও ঠাণ্ডা সেক, স্ট্রেসিং বা ব্যায়াম, ফিজিক্যাল থেরাপি- এস ডব্লিউ ডি (S.W.D), ইউ এস টি (U.S.T), ব্যথানাশক ওষুধ ও স্টেরয়েড
দীর্ঘদিন র্কাঁধ বিনা চকিৎসায় থাকলে র্কাঁধের পেশী দুর্বল হয়, র্কাঁধ শক্ত হয়ে যায় এবং আর্থ্রাইটিস হয়ে জয়েন্ট নস্ট হয়।বর্তমানে আর্থ্রোস্কোপ, ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে র্কাঁধে প্রবেশ করিয়ে অনেক রোগের চিকিৎসা করা হয়।আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির পর নিয়মিত এবং উপযুক্ত রিহেবিলিটেশনের মাধ্যমে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে
গঠনগতভাবে কাঁধ তিনটি হাড় দ্বারা গঠিত তিনটি জোড়ার সমন্বয়ে তৈরি এবং ৩০টি মাংসপেশী জোড়ায় বিভিন্ন ধরনের নড়াচড়ায় অংশ নেয়।
চিকিৎসকরা জানান, কাঁধে সাধারণত দুই ধরনের ব্যথা হয়।একটি দূরের ব্যথা বা রেফার্ড পেইন (Reffered Pain) ও আরেকটি স্থানীয় ব্যথা বা লোকাল পেইন (Localaized Pain)।এরমধ্যে উভয় ব্যথারই কিছু কারণ রয়েছে।
এরমধ্যে রেফার্ড পেইনের কারণগুলো হলো, কাঁধের হারনিয়াটেড ডিস্ক ও পিনচড নার্ভ (স্নায়ু), সারভাইকেল স্পোনডাইলাইসিস, ডায়াফ্রাম (বুক ও পেটের মাঝখানের পর্দা) ইরিটেশন, পিত্তথলির পাথর ও অন্যান্য অসুবিধা, হ্রদ রোগ ও ফুসফুসের রোগ ও কার্পাল টানেল সিনড্রোম।
অন্যদিকে কাঁধে লোকাল পেইনের কারণ সমূহ হলো, টেনডন প্রদাহ (টেনডিনাইটিস), ক্যালসিফিক (ক্যালসিয়াম ডিপসিশন) টেনডিনাইটিস, কাঁধের মাংসপেশী বা টেনডন ছিড়ে যাওয়া, বার্সার প্রদাহ (বার্সাটিস), জয়েন্ট ইনফেকশন, ফ্রোজেন শোল্ডার বা জমানো কাঁধ, জোরার প্রদাহ (আর্থ্রাইটিস), জোরায় নতুন হাঁড় গজানো, জয়েন্টের স্টাবিলিটি নষ্ট হয়ে যাওয়া, জয়েন্ট ডিসলোকেশন (ডিসপ্লেসমেন্ট) একবার বা একাধিকবার, ক্যাপসুল বা লিগামেন্ট টিয়ার বা ছিড়ে যাওয়া, বরাল টিয়ার বা ছিড়ে যাওয়া, লিগামেন্ট বোনে (ক্যালসিফিকেশন) পরিণত হওয়া ও জোরার হাঁড়ের গঠনগত পরিবর্তন।
কাঁধের চিকিৎসা বা প্রতিকার নির্ভর করে এর কারণ সমূহের উপর।অধিকাংশ কাঁধের রোগ সমূহ মেডিকেল বা কনজারভেটিভ চিকিৎসায় ভালো হয়।তবে সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করতে রোগের লক্ষণ সমূহ, রোগীকে ভালোভাবে পরীক্ষা এবং কিছু ল্যাবরেটরি পরীক্ষা প্রয়োজন।যেমন- এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাফি, রক্তের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা, জয়েন্ট ফ্লুইড পরীক্ষা, এমআরআই ইত্যাদি।
অবশ্য কাঁধে কনজারভেটিভ ব্যথার চিকিৎসা বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে, যেমন- বিশ্রাম, গরম ও ঠাণ্ডা সেক, স্ট্রেসিং বা ব্যায়াম, ফিজিক্যাল থেরাপি- এস ডব্লিউ ডি (S.W.D), ইউ এস টি (U.S.T), ব্যথানাশক ওষুধ ও স্টেরয়েড
দীর্ঘদিন র্কাঁধ বিনা চকিৎসায় থাকলে র্কাঁধের পেশী দুর্বল হয়, র্কাঁধ শক্ত হয়ে যায় এবং আর্থ্রাইটিস হয়ে জয়েন্ট নস্ট হয়।বর্তমানে আর্থ্রোস্কোপ, ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে র্কাঁধে প্রবেশ করিয়ে অনেক রোগের চিকিৎসা করা হয়।আর্থ্রোস্কোপিক সার্জারির পর নিয়মিত এবং উপযুক্ত রিহেবিলিটেশনের মাধ্যমে রোগী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে
অ্যাসাঞ্জকে আশ্রয় দেবে ইকুয়েডর, বৃটেনের সঙ্গে উত্তেজনা তুঙ্গে
উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়া হবে বলে ইকুয়েডর সরকার ঘোষণা করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে থেকেই অ্যাসাঞ্জকে কেন্দ্র করে বৃটেন ও ইকুয়েডরের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে উঠেছে। খবর বিবিসি’র।
বৃহস্পতিবার বৃটিশ সরকার জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশকে তারা এমন ক্ষমতা দিতে পারেন যাতে ইকুয়েডর দূতাবাসের ভেতর ঢুকে তারা সেখানে ঠাঁই নেয়া অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতার করতে পারে।
কিন্তু ইকুয়েডরের বক্তব্য, সেটা হবে কূটনৈতিক রীতিনীতির চরম লঙ্ঘন।
অ্যাসঞ্জ তার সুইডেন প্রত্যার্পণ এড়ানোর জন্য লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে গত দুমাস ধরে আশ্রয় নিয়ে আছেন।
উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা যখন লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে ঢুকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন, বৃটেনের কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন যে তিনি পুলিশের আওতার বাইরে চলে গিয়েছেন। জামিনের শর্ত ভঙ্গ করার দায়ে দূতাবাসের বাইরে বেরুলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতো।
সুইডেনে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত এক মামলায় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানা জারি রয়েছে, এবং বৃটেন ও সুইডেনের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণের চুক্তি রয়েছে।
এখন বৃটিশ সরকার বলছে, ১৯৮৭ সালের একট স্বল্প পরিচিত আইনের আওতায় দূতাবাসের মধ্যে ঢুকেই তাকে গ্রেফতার করা যায়।
ইকুয়েডর সরকার এই সরাসরি হুমকিকে একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অনুপযুক্ত পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে। ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো প্যাটিনো বলেছেন, বৃটিশ পুলিশ তাদের লন্ডন দূতাবাসে জোরপূর্বকভাবে প্রবেশ করলে একে তারা শত্রুতামূলক কাজ বলে বিবেচনা করবেন।
রিকার্ডো প্যাটিনো বলেছেন, অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনের হাতে তুলে দেয়া হলে সুইডেন তাকে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করতে পারে বলে তাদের আশংকা।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তার মা ক্রিস্টিন তার ছেলেকে সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয় সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলছেন, আমি মনে করি এই মুহুর্তে অন্যান্য দেশের উচিত ইকুয়েডরের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানানো।
‘ইকুয়েডরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে’, বলেন ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সরকার বলছে, বৃটেনের আদালতের ওপরে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল নিকোলা রক্সন বলছেন, তারা কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
‘‘অস্ট্রেলিয়ার কোনো নাগরিক যখন ভিন্ন একটি দেশের কাছে নিরাপত্তা চায় তখন আইনগতভাবে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ থাকে না। ফলে আমাদের এখনকার কাজ প্রধানত কূটনৈতিক এবং কনসুলার সহায়তা দেওয়া, আইনগত নয়’’, বলছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল।
বৃটিশ পররাষ্ট্র দফতরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন তারা এই সমস্যার একটি কূটনৈতিক সমাধানের আশা করছেন।
ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন তারা অ্যাসাঞ্জের পক্ষে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। কারণ, তারা একে ইকুয়েডরের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন বলে মনে করেন।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, তারাও জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার পক্ষে, একই সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং যেসব দেশ সে ব্যাপারে হুমকি দিচ্ছে কিংবা ইকুয়েডরকে তাদের নতুন উপনিবশে বলে মনে করছে, তারও প্রতিবাদে তারা সোচ্চার হতে চান।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনেক গোপনীয় দলিল অ্যাসাঞ্জের প্রতিষ্ঠিত বিকল্পধারার গণমাধ্যম- উইকিলিকসে প্রকাশিত হবার পর থেকে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক তৈরি হয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির বর্তমান সরকার বামপন্থা ঘেষা নীতি অনুসরণ করে।
বৃহস্পতিবার বৃটিশ সরকার জানিয়ে দিয়েছে, পুলিশকে তারা এমন ক্ষমতা দিতে পারেন যাতে ইকুয়েডর দূতাবাসের ভেতর ঢুকে তারা সেখানে ঠাঁই নেয়া অ্যাসাঞ্জকে গ্রেফতার করতে পারে।
কিন্তু ইকুয়েডরের বক্তব্য, সেটা হবে কূটনৈতিক রীতিনীতির চরম লঙ্ঘন।
অ্যাসঞ্জ তার সুইডেন প্রত্যার্পণ এড়ানোর জন্য লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে গত দুমাস ধরে আশ্রয় নিয়ে আছেন।
উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা যখন লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে ঢুকে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করেন, বৃটেনের কর্মকর্তারা তখন বলেছিলেন যে তিনি পুলিশের আওতার বাইরে চলে গিয়েছেন। জামিনের শর্ত ভঙ্গ করার দায়ে দূতাবাসের বাইরে বেরুলেই তাঁকে গ্রেফতার করা হতো।
সুইডেনে যৌন হয়রানি সংক্রান্ত এক মামলায় অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি প্ররোয়ানা জারি রয়েছে, এবং বৃটেন ও সুইডেনের মধ্যে বন্দী প্রত্যর্পণের চুক্তি রয়েছে।
এখন বৃটিশ সরকার বলছে, ১৯৮৭ সালের একট স্বল্প পরিচিত আইনের আওতায় দূতাবাসের মধ্যে ঢুকেই তাকে গ্রেফতার করা যায়।
ইকুয়েডর সরকার এই সরাসরি হুমকিকে একটি সভ্য গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অনুপযুক্ত পদক্ষেপ বলে বর্ণনা করেছে। ইকুয়েডরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো প্যাটিনো বলেছেন, বৃটিশ পুলিশ তাদের লন্ডন দূতাবাসে জোরপূর্বকভাবে প্রবেশ করলে একে তারা শত্রুতামূলক কাজ বলে বিবেচনা করবেন।
রিকার্ডো প্যাটিনো বলেছেন, অ্যাসাঞ্জকে সুইডেনের হাতে তুলে দেয়া হলে সুইডেন তাকে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করতে পারে বলে তাদের আশংকা।
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তার মা ক্রিস্টিন তার ছেলেকে সাহায্য করার জন্য অস্ট্রেলিয় সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
তিনি বলছেন, আমি মনে করি এই মুহুর্তে অন্যান্য দেশের উচিত ইকুয়েডরের অধিকারের প্রতি সমর্থন জানানো।
‘ইকুয়েডরের সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানাতে হবে’, বলেন ক্রিস্টিন অ্যাসাঞ্জ।
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার সরকার বলছে, বৃটেনের আদালতের ওপরে তাদের কোনো বক্তব্য নেই। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল নিকোলা রক্সন বলছেন, তারা কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
‘‘অস্ট্রেলিয়ার কোনো নাগরিক যখন ভিন্ন একটি দেশের কাছে নিরাপত্তা চায় তখন আইনগতভাবে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ থাকে না। ফলে আমাদের এখনকার কাজ প্রধানত কূটনৈতিক এবং কনসুলার সহায়তা দেওয়া, আইনগত নয়’’, বলছেন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল।
বৃটিশ পররাষ্ট্র দফতরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন তারা এই সমস্যার একটি কূটনৈতিক সমাধানের আশা করছেন।
ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোতে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা বলছেন তারা অ্যাসাঞ্জের পক্ষে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। কারণ, তারা একে ইকুয়েডরের সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন বলে মনে করেন।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, তারাও জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার পক্ষে, একই সঙ্গে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং যেসব দেশ সে ব্যাপারে হুমকি দিচ্ছে কিংবা ইকুয়েডরকে তাদের নতুন উপনিবশে বলে মনে করছে, তারও প্রতিবাদে তারা সোচ্চার হতে চান।
প্রসঙ্গত, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অনেক গোপনীয় দলিল অ্যাসাঞ্জের প্রতিষ্ঠিত বিকল্পধারার গণমাধ্যম- উইকিলিকসে প্রকাশিত হবার পর থেকে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক তৈরি হয়। দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির বর্তমান সরকার বামপন্থা ঘেষা নীতি অনুসরণ করে।
পুলিশি প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি দেবেন লিমনের মা
ঝালকাঠিতে পুলিশের র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র্যাবের বিরুদ্ধে লিমন হোসেনকে হত্যাপ্রচেষ্টার অভিযোগ এনে তার মা হেনোয়ারা বেগমের দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেবার পর লিমনের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে তারা এই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে ‘নারাজি’ আবেদন করবেন।
রাজাপুর থানার পুলিশ আদালতে তাদের যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে তাতে লিমন হোসেনকে র্যাবের হত্যাচেষ্টার অভিযোগ থেকে বাহিনীটিকে নিরপরাধ ঘোষণা করেছে।
এই প্রতিবেদনে লিমনকে গুলি করে পঙ্গু করার ব্যাপারে র্যাবের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল সে ঘটনার সঙ্গে র্যাবের অভিযুক্ত ছয়জন সদস্যের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায় নি বলে বলা হয়েছে।
ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে গত মঙ্গলবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয় ।
প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম।
বৃহস্পতিবার বার্তা২৪ ডটনেটকে তিনি বলেছেন, “ঈদের পর আদালত খুললে আমি ওই প্রতিবেদনের বিপক্ষে নারাজি দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাবো।”
চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বলেন, “যেদিন হালিম স্যার (মামলার তদন্ত কর্মকর্তা) মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছেন সেদিনও তার সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। সে বলেছে, মামলার চার্জশিট দিলে আপনার সঙ্গে অবশ্যই কথা বলে দিব। কিন্তু তিনি আমাদের কোনো বক্তব্য বা মতামত ছাড়াই প্রতারণা করে র্যাবকে বাঁচাতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।”
গত বছরের ২৩ মার্চ নিরপরাধ লিমনকে গুলি করা পর ১০ এপ্রিল লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বরিশাল র্যাব-৮ এর তৎকালীন ডিএডি লুৎফর রহমানসহ ৬ র্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজাপুর থানার উপ-পরিদর্শক হালিম তালুকদার গোপনে গত মঙ্গলবার ঝালকাঠির জ্যৈষ্ঠ বিচারিক হাকিম নুসরাত জাহানের আদালতে এ মামলায় র্যাবকে নির্দোষ দাবি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
রাজাপুর থানার পুলিশ আদালতে তাদের যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে তাতে লিমন হোসেনকে র্যাবের হত্যাচেষ্টার অভিযোগ থেকে বাহিনীটিকে নিরপরাধ ঘোষণা করেছে।
এই প্রতিবেদনে লিমনকে গুলি করে পঙ্গু করার ব্যাপারে র্যাবের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল সে ঘটনার সঙ্গে র্যাবের অভিযুক্ত ছয়জন সদস্যের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায় নি বলে বলা হয়েছে।
ঈদের ছুটির আগে শেষ কর্মদিবসে গত মঙ্গলবার আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি জমা দেয়া হয় ।
প্রতিবেদনটি জমা দেওয়ার ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম।
বৃহস্পতিবার বার্তা২৪ ডটনেটকে তিনি বলেছেন, “ঈদের পর আদালত খুললে আমি ওই প্রতিবেদনের বিপক্ষে নারাজি দিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাবো।”
চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বলেন, “যেদিন হালিম স্যার (মামলার তদন্ত কর্মকর্তা) মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেছেন সেদিনও তার সঙ্গে আমার ফোনে কথা হয়েছে। সে বলেছে, মামলার চার্জশিট দিলে আপনার সঙ্গে অবশ্যই কথা বলে দিব। কিন্তু তিনি আমাদের কোনো বক্তব্য বা মতামত ছাড়াই প্রতারণা করে র্যাবকে বাঁচাতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।”
গত বছরের ২৩ মার্চ নিরপরাধ লিমনকে গুলি করা পর ১০ এপ্রিল লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বরিশাল র্যাব-৮ এর তৎকালীন ডিএডি লুৎফর রহমানসহ ৬ র্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে ঝালকাঠি আদালতে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজাপুর থানার উপ-পরিদর্শক হালিম তালুকদার গোপনে গত মঙ্গলবার ঝালকাঠির জ্যৈষ্ঠ বিচারিক হাকিম নুসরাত জাহানের আদালতে এ মামলায় র্যাবকে নির্দোষ দাবি করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
যাকাতের কাপড় নিতে গিয়ে নিহত ৩
রাজধানীর ফকিরেরপুলের এক বাড়িতে ‘যাকাতের কাপড়’ নিতে গিয়ে প্রচণ্ড ভিড়ে পদপিষ্ট হয়ে মারা গেছেন ৩ দরিদ্র নারী। আহত হয়েছেন আরো অন্ততপক্ষে ১০ জন। গুরুতর আহত একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। বাড়িটির তত্ত্বাবধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
সন্ধ্যা ৭ টার কিছু পরে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক বেলায়েত জানিয়েছেন ফকিরেরপুলে বড় মসজিদের কাছে মরুহুম আব্দুল মালেক’র বাড়ির সামনে থেকে নিহত তিনজনের মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।
তিনি জানান, ফকিরেরপুলের ১০৫ নম্বর ওই বাড়িতে যাকাত হিসেবে কমদামি কাপড় বিলি করা হচ্ছিল।
নিহতদের দুজনের নাম পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন ময়না বেগম (৪০) ও জরিনা বেগম (৩৫)।
ময়না বেগমের গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুরের রায়পুর, জরিনা বেগমের লালমনিরহাটে। অপর একজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ধারণা করছে তার বয়স ষাটের কাছাকাছি হতে পারে। আহত নারীর নাম রেনু বেগম (৩৫)।
পরে রাত ৯ টায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: হায়াতুজ্জামান জানান, আব্দুল মালেকের বাড়িটির তত্ত্বাবধায়ক মো. আকতার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, সাততলা বাড়িটির মালিকরা যাকাতের কাপড় বিলি করছিল। ওই ভবনের তিন তলা পর্যন্ত বিপণি বিতান, ওপরের তলাগুলোজুড়ে আবাসিক হোটেল।
‘লাকি সেভেন’ নামের হোটেলটির মালিক ছিলেন মরহুম মালেক, তার ওয়ারিশরা এখন হোটেলটি পরিচালনা করেন। গ্রেফতার আকতার হোসেন এর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন।
সন্ধ্যা ৭ টার কিছু পরে মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক বেলায়েত জানিয়েছেন ফকিরেরপুলে বড় মসজিদের কাছে মরুহুম আব্দুল মালেক’র বাড়ির সামনে থেকে নিহত তিনজনের মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেছে।
তিনি জানান, ফকিরেরপুলের ১০৫ নম্বর ওই বাড়িতে যাকাত হিসেবে কমদামি কাপড় বিলি করা হচ্ছিল।
নিহতদের দুজনের নাম পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন ময়না বেগম (৪০) ও জরিনা বেগম (৩৫)।
ময়না বেগমের গ্রামের বাড়ি লক্ষীপুরের রায়পুর, জরিনা বেগমের লালমনিরহাটে। অপর একজনের নাম পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ধারণা করছে তার বয়স ষাটের কাছাকাছি হতে পারে। আহত নারীর নাম রেনু বেগম (৩৫)।
পরে রাত ৯ টায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: হায়াতুজ্জামান জানান, আব্দুল মালেকের বাড়িটির তত্ত্বাবধায়ক মো. আকতার হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
তিনি জানান, সাততলা বাড়িটির মালিকরা যাকাতের কাপড় বিলি করছিল। ওই ভবনের তিন তলা পর্যন্ত বিপণি বিতান, ওপরের তলাগুলোজুড়ে আবাসিক হোটেল।
‘লাকি সেভেন’ নামের হোটেলটির মালিক ছিলেন মরহুম মালেক, তার ওয়ারিশরা এখন হোটেলটি পরিচালনা করেন। গ্রেফতার আকতার হোসেন এর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করেন।
Sunday, August 12, 2012
বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর মামলার ভবিষ্যৎ জানা যাবে সোমবার
ঢাকা, ১২ আগস্ট: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে বিএনপি’র শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ঢাকার পাঁচ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতে পুলিশের দায়ের করা মামলাটির কার্যক্রম চলবে কি না- তা জানা যাবে সোমবার।
আদালতটির বিচারক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি না করার অভিযোগে এর বিচার কার্যক্রমের ওপর হাই কোর্ট বিভাগের দেয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকার পক্ষ আবেদন করেছে রোববার। আবেদনের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক নাঈমা হায়দার ও মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত যুগ্মবেঞ্চে সোমবার এবিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
বিভাগের এই বেঞ্চই গত ৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর সব কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং এ আদালতের বিচারক হিসেবে মহানগর হাকিম হারুন অর রশিদকে দায়িত্ব দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
দুই সপ্তাহের মধ্যে আইন, মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি, সিএমএম ও ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ওই মামলার আসমি হিসেবে আবেদনে ওই আদেশ দেয়া হয়।
সরকারের পক্ষে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদনের ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালতে আটজন বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত ২০০৯ সালের ১৯ মার্চ জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকারের দাখিল করা আবেদনের সঙ্গে ২০০৯ সালের ১৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন দাখিল করা প্রসঙ্গে আবেদনকারীর আইনজীবী আহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, সরকার প্রজ্ঞাপন দাখিল করলেই হবে না। প্রজ্ঞাপনে ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে হারুন অর রশিদের নাম আছে কিনা তা দেখতে হবে।
গত ৬ আগস্ট আদেশের পর আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম এবং সরকারপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত। একারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বিরুদ্ধে ওই আদালতে বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
গত ২৯ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। গত ১০ মে মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ২৭ মে ছাত্রশিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বারকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করা হয়।
পরে গত ৭ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু হাই কোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশের কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।
আদালতটির বিচারক নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি না করার অভিযোগে এর বিচার কার্যক্রমের ওপর হাই কোর্ট বিভাগের দেয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকার পক্ষ আবেদন করেছে রোববার। আবেদনের প্রেক্ষিতে হাই কোর্ট বিভাগের বিচারক নাঈমা হায়দার ও মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত যুগ্মবেঞ্চে সোমবার এবিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
বিভাগের এই বেঞ্চই গত ৬ আগস্ট ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালত-৫ এর সব কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন। এছাড়া ঢাকা মহানগর ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং এ আদালতের বিচারক হিসেবে মহানগর হাকিম হারুন অর রশিদকে দায়িত্ব দেয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন।
দুই সপ্তাহের মধ্যে আইন, মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি, সিএমএম ও ম্যাজিস্ট্রেট হারুন অর রশিদকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ওই মামলার আসমি হিসেবে আবেদনে ওই আদেশ দেয়া হয়।
সরকারের পক্ষে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের আবেদনের ঢাকা মহানগর দ্রুত বিচার আদালতে আটজন বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত ২০০৯ সালের ১৯ মার্চ জারি করা একটি প্রজ্ঞাপন সংযুক্ত করা হয়েছে।
স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য সরকারের দাখিল করা আবেদনের সঙ্গে ২০০৯ সালের ১৯ মার্চের প্রজ্ঞাপন দাখিল করা প্রসঙ্গে আবেদনকারীর আইনজীবী আহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, সরকার প্রজ্ঞাপন দাখিল করলেই হবে না। প্রজ্ঞাপনে ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক হিসেবে হারুন অর রশিদের নাম আছে কিনা তা দেখতে হবে।
গত ৬ আগস্ট আদেশের পর আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক ও অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম এবং সরকারপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত। একারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বিরুদ্ধে ওই আদালতে বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
গত ২৯ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় মির্জা ফখরুল ইসলামসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। গত ১০ মে মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর ২৭ মে ছাত্রশিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বারকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। মামলায় ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করা হয়।
পরে গত ৭ আগস্ট এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহনের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু হাই কোর্ট বিভাগের স্থগিতাদেশের কারণে সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।
পরীক্ষা নয়, মেডিকেলে ভর্তি জিপিএ’র ভিত্তিতে
ঢাকা, ১২ আগস্ট: মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজগুলোতে ভর্তি পরীক্ষা হবে না। ভর্তি করা হবে জিপিএ’র ভিত্তিতে।
রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, স্বাস্থ্যসচিব মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা, বিএমএর প্রতিনিধি ও বেসরকারি মেডিকেলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভর্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, স্বাস্থ্যসচিব মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা, বিএমএর প্রতিনিধি ও বেসরকারি মেডিকেলের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভর্তিসংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
সুদানে গুলিতে বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী নিহত
খার্তুম, ১২ আগস্ট: সুদানের দারফুর অঞ্চলে শনিবার গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে এক বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন। দারফুরে আফ্রিকান ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের যৌথ শান্তিরক্ষী মিশন ইউএনএমআইডি’তে কর্মরত ছিলেন নিহত আজগর আলী।
দারফুর অঞ্চলের আল ফাসের-এ অবস্থিত ইউএনএমআইডি কার্যালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘের একটি স্থাপনায় পাহারা দেয়ার সময় শনিবার রাত তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে আজগর নিহত এবং আরো দু’জন আহত হন।
এ শান্তি মিশনে এই নিয়ে বিভিন্ন দেশের মোট ১১৮জন সদস্য নিহত হলেন।
সর্বশেষ নিহত আজগর বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। গত মাসেই বাংলাদেশ পুলিশের একটি দলের সদস্য হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে সুদানে যান।
দারফুর অঞ্চলের আল ফাসের-এ অবস্থিত ইউএনএমআইডি কার্যালয় জানিয়েছে, জাতিসংঘের একটি স্থাপনায় পাহারা দেয়ার সময় শনিবার রাত তিনটার দিকে দুর্বৃত্তরা গুলি চালায়। এতে আজগর নিহত এবং আরো দু’জন আহত হন।
এ শান্তি মিশনে এই নিয়ে বিভিন্ন দেশের মোট ১১৮জন সদস্য নিহত হলেন।
সর্বশেষ নিহত আজগর বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। গত মাসেই বাংলাদেশ পুলিশের একটি দলের সদস্য হিসেবে তিনি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে সুদানে যান।
Friday, August 10, 2012
Fwd : Weather Alert: Narayanganj
--- On Friday, August 10, 2012 1:13 AM, Yahoo! Alerts <alerts@yahoo-inc.com> wrote:
Yahoo! Weather Forecast Alert.submitLink {color:#0066cc;background-color:transparent;text-decoration:underline;cursor:hand;margin:0px;padding:0px;font-size:85%;text-align:left;}Yahoo! Alerts
Yahoo! Weather-My Alerts-Edit Alert
Narayanganj,at 11:20 pm BDTHaze,F
Hi: 88Lo: 79
View:extended forecast and maps|records & averages
You received this email because you subscribed to Yahoo! Alerts.Usethis link to unsubscribefrom this alert.To change your communications preferences for other Yahoo! business lines, please visit yourMarketing Preferences.To learn more about Yahoo!'s use of personal information, including the use ofweb beaconsin HTML-based email, please read ourPrivacy Policy.Yahoo! is located at 701 First Avenue, Sunnyvale, CA 94089.
Yahoo! Weather Forecast Alert.submitLink {color:#0066cc;background-color:transparent;text-decoration:underline;cursor:hand;margin:0px;padding:0px;font-size:85%;text-align:left;}Yahoo! Alerts
Yahoo! Weather-My Alerts-Edit Alert
Narayanganj,at 11:20 pm BDTHaze,F
Hi: 88Lo: 79
View:extended forecast and maps|records & averages
You received this email because you subscribed to Yahoo! Alerts.Usethis link to unsubscribefrom this alert.To change your communications preferences for other Yahoo! business lines, please visit yourMarketing Preferences.To learn more about Yahoo!'s use of personal information, including the use ofweb beaconsin HTML-based email, please read ourPrivacy Policy.Yahoo! is located at 701 First Avenue, Sunnyvale, CA 94089.
Friday, July 20, 2012
Fw: ১০০০ বছর বাঁচার সাধ ছিল
২০১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দৈনিক প্রথম আলোকে দেয়া এক সাক্ষাৎকালে বলেছিলেন, তিনি এক হাজার বছর বাঁচতে চান। মানুষের স্বল্প আয়ু নিয়ে তার দুঃখবোধ ছিল। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলেছিলেন।
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিল বইয়ের ভূমিকায় আপনি লিখেছেন, 'বলপয়েন্ট', 'কাঠপেন্সিল' সহজিয়া ধারার লেখা। শেষপর্ব 'ফাউনটেনপেন' হবে কঠিনিয়া। কঠিনিয়া ব্যাপারটা আসলে কী?
হুমায়ূন আহমেদ: কাঠপেন্সিলের লেখা রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায়। ফাউনটেনপেনের লেখা মুছে ফেলা কঠিন। বোধ হয় সে অর্থে বলা। ফাউনটেনপেন ধরনের লেখা লেখার জন্য বয়সটা মনে হয় আরেকটু বেশি হওয়া দরকার। দেখি কতদিন টিকে থাকা যায়।
প্রশ্ন: বৃদ্ধ বোকা সংঘের প্রসঙ্গ অনেকবার এসেছে কাঠপেন্সিল-এ। এই সংঘের শুরুটা কীভাবে?
হুমায়ূন আহমেদ: ধানমন্ডির দখিন হাওয়ায় তখন আমি একা থাকি। আগের গিন্নির সঙ্গে একটা সমস্যার কারণে আমি ছিলাম একরকম পরিবার থেকে বিতাড়িত। সেই সময়ে একাকিত্ব কাটানোর জন্য আমি আমার বন্ধুবান্ধবদের কাছাকাছি নিয়ে আসার একটা চেষ্টা করলাম। আলমগীর রহমান, মাজহার, করিম—ওরা সবাই আমার কাছাকাছি বাসায় থাকতে শুরু করল। সন্ধ্যা হলেই ওরা সবাই আমার এখানে এসে বসত। বাড়িতে গৃহিণীরা থাকলে তারা তো আড্ডা দিতে দেয় না। আমার এখানে সে অসুবিধে নেই। আড্ডায় প্রায় সবাই মোটামুটি বৃদ্ধ। তাই নাম দিলাম বৃদ্ধ বোকা সংঘ বা ওল্ড ফুলস ক্লাব। বৃদ্ধ বোকা সংঘের সদস্য হওয়ার বিশেষ কোনো শর্ত নেই। শুধু বৃদ্ধ আর বোকা হওয়াটা জরুরি।
প্রশ্ন: বলপয়েন্ট এবং কাঠপেন্সিল দুটো বইই সুখপাঠ্য। আত্মস্মৃতি উপভোগ্য করে লেখার কৌশলটা কী?
হুমায়ূন আহমেদ: কোনো সূত্র তো বলতে পারি না। লেখালেখির কৌশল জেনে যদি বড় লেখক হওয়া যায় তাহলে রবীন্দ্রনাথের পরে সবচেয়ে বড় লেখক হতেন রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর ছেলে। সেটা হয়নি। সহজ এবং আন্তরিকভাবে যদি লেখা যায় সে লেখা অবশ্যই ভালো হবে। যেটা লিখছি, সেটা বিশ্বাস করে লিখতে হবে। লেখায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করাটা জরুরি। এটা আমার ব্যক্তিগত ধারণা। আমার ছেলেবেলা এবং কিছু শৈশব-এ দুটো স্মৃতিকথা লিখে আমি নিজে খুব আনন্দ পেয়েছি।
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিলে রাইটার্স ব্লক নিয়ে একটা অধ্যায় আছে। আপনার কখনো 'ব্লক' হয়নি ভেবে আপনি মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন।
হুমায়ূন আহমেদ: এখনো আমি ব্লকের মধ্যে আছি। আমি চাই যে প্রতি মেলায় হিমুর একটা বই থাকুক। পয়লা ফাল্গুন হিমুর একটা বই প্রকাশ করার ইচ্ছে ছিল। এবার এত চেষ্টা করলাম, হলো না। বারবার কাহিনি পাল্টাচ্ছি, কিন্তু হচ্ছে না। এবার নুহাশ পল্লিতে আসার প্রধান কারণ হিমুর উপন্যাসটা শেষ করা। দেখি পরিবেশ-টরিবেশ বদলে যদি কিছু লাভ হয়।
প্রশ্ন: বইমেলায় আপনি খুব কম যান। কোনোদিন আপনি গেলেই মহা হুুলস্থুল পড়ে যায়।
হুমায়ূন আহমেদ: ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের নাম লেখার মতো ক্লান্তিকর কাজ আর আছে কিনা আমি জানি না। আবার মেলায় অন্যরকম বিড়ম্বনা তো আছেই। ধরো, এক অটোগ্রাফ শিকারি বালককে জিজ্ঞেস করলাম- তোমার নামের বানান কী? সে নিজেই সবকিছু গুলিয়ে ফেলল। হতবিহ্বল হয়ে তার মাকেই জিজ্ঞেস করল—মা আমার নামের বানান কী? যাই হোক, নাম লিখে দিলাম। তারপর বলল, স্যার, আপনার হাতটা একটু ধরি। বললাম, ধরো। এদিকে পেছন থেকে অন্য লোকজন সমানে ধাক্কাচ্ছে। আমার ওপরেই টেবিল ভেঙে পড়ার জোগাড়। একটা বয়সে এসব ভালো লাগত।
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিল বা বলপয়েন্টে অনেক ঘটনা আপনি লিখেছেন। এর বাইরে বলার মতো কোনো ঘটনা কি এই মুহূর্তে মনে পড়ছে, যেটা লেখা হয়নি?
হুমায়ূন আহমেদ: সেবার চট্টগ্রামে একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমাকে খুব আদরযত্ন করে নিয়ে যাওয়া হলো। গিয়ে বুঝলাম, জীবনে যত বোকামি করেছি, তার মধ্যে এটা অন্যতম। একজন বক্তা মঞ্চে গেলেন আমার সম্পর্কে বলতে। ভদ্রলোক যা বললেন তার সারবস্তু হচ্ছে, হুমায়ূন আহমেদের পাঠকদের সবাই 'পোলাপান' এবং এই লেখক শুধু মধ্যবিত্তদের নিয়ে লেখেন। উনি মাঝিদের নিয়ে কিছু লেখেননি। খেটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে কিছু লেখেননি। যিনি বলছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। একসময় আমার বন্ধুমানুষ ছিলেন। অকস্মাৎ এই কঠিন আক্রমণে আমি যাকে বলে হতবাক। তার চেয়ে বেশি অবাক হলো অনুষ্ঠানে আগত দর্শকেরা।
দেখলাম, তারা এই মন্তব্য নিতে পারছে না। আমি বক্তৃতা দিতে উঠে অতি বিনয়ের সঙ্গে জানালাম-এই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক যাকে বলা হয় তিনি সারা জীবন রাজা-বাদশা-রাজকন্যা ছাড়া অন্যদের নিয়ে কিছুই লেখেননি। আমি তো তাও মধ্যবিত্ত নিয়ে লিখি। উনি তো রাজা-বাদশার নিচেই নামেননি। তার নাম উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। লেখকের যদি ক্ষমতা থাকে তিনি যেকোনো বিষয় নিয়ে ভালো লিখতে পারেন। কোন বিষয় নিয়ে লিখছেন সেটা নয়। লেখকের ক্ষমতা কতটুকু সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। লেখক হতে হলেই শুধু মাঝিদের নিয়ে লিখতে হবে, এই যুক্তি ভুল যুক্তি। মানুষের সম্পর্কটা আসলে গুরুত্বপূর্ণ। এ সম্পর্ক রাজা-রানির বেলায় যা মধ্যবিত্তদের বেলায়ও তা।
প্রশ্ন: কাছের-দূরের, খ্যাত-অখ্যাত বহু মানুষজনের কথা আপনি স্মৃতিকথায় লিখেছেন। এই লেখালেখির কারণে কোনো বিড়ম্বনায় কি পড়তে হয়েছে?
হুমায়ূন আহমেদ: আমার প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি তৈরির সময়কার কথা। সংগীত পরিচালক সত্য সাহা একদিন আমার কাছে এলেন। বললেন, আমি এতদিন কাজ করছি কিন্তু একটা জাতীয় পুরস্কার পেলাম না। এবার ভালো একটা কাজ করতে চাই। তার কথা শুনে আমার খারাপ লাগল খুব। তার ছাত্ররা সবাই জাতীয় পুরস্কার পেয়ে গেছে। তিনি এত গুণী একজন শিল্পী, জাতীয় পুরস্কার পেলেন না! কিন্তু এর মধ্যে আমি মিন্টুকে কথা দিয়ে ফেলেছি। একরকম নিয়ম ভঙ্গ করে মিন্টুকে বাদ দিয়ে সত্য সাহাকে নিলাম। সে বছরের জাতীয় পুরস্কারটা তিনিই পেয়েছিলেন। সত্য সাহাই খবরটা আগে ফোনে আমাকে জানিয়েছিলেন। পরদিন একদম ভোরবেলায় মিষ্টি নিয়ে তিনি চলে এলেন আমার বাসায়। এত আনন্দিত মনে হচ্ছিল তাকে। আমি সেই ঘটনা আমার বইয়ে লিখলাম। লেখাটা তিনি নিতে পারলেন না। বললেন-তিনি তো পুরস্কারের জন্য কাজ করেননি। এটা একটা কষ্টের ঘটনা। কে ইচ্ছে করে অন্যকে আঘাত করতে চায় বলো?
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিল বইয়ের ভূমিকায় আপনি লিখেছেন, 'বলপয়েন্ট', 'কাঠপেন্সিল' সহজিয়া ধারার লেখা। শেষপর্ব 'ফাউনটেনপেন' হবে কঠিনিয়া। কঠিনিয়া ব্যাপারটা আসলে কী?
হুমায়ূন আহমেদ: কাঠপেন্সিলের লেখা রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যায়। ফাউনটেনপেনের লেখা মুছে ফেলা কঠিন। বোধ হয় সে অর্থে বলা। ফাউনটেনপেন ধরনের লেখা লেখার জন্য বয়সটা মনে হয় আরেকটু বেশি হওয়া দরকার। দেখি কতদিন টিকে থাকা যায়।
প্রশ্ন: বৃদ্ধ বোকা সংঘের প্রসঙ্গ অনেকবার এসেছে কাঠপেন্সিল-এ। এই সংঘের শুরুটা কীভাবে?
হুমায়ূন আহমেদ: ধানমন্ডির দখিন হাওয়ায় তখন আমি একা থাকি। আগের গিন্নির সঙ্গে একটা সমস্যার কারণে আমি ছিলাম একরকম পরিবার থেকে বিতাড়িত। সেই সময়ে একাকিত্ব কাটানোর জন্য আমি আমার বন্ধুবান্ধবদের কাছাকাছি নিয়ে আসার একটা চেষ্টা করলাম। আলমগীর রহমান, মাজহার, করিম—ওরা সবাই আমার কাছাকাছি বাসায় থাকতে শুরু করল। সন্ধ্যা হলেই ওরা সবাই আমার এখানে এসে বসত। বাড়িতে গৃহিণীরা থাকলে তারা তো আড্ডা দিতে দেয় না। আমার এখানে সে অসুবিধে নেই। আড্ডায় প্রায় সবাই মোটামুটি বৃদ্ধ। তাই নাম দিলাম বৃদ্ধ বোকা সংঘ বা ওল্ড ফুলস ক্লাব। বৃদ্ধ বোকা সংঘের সদস্য হওয়ার বিশেষ কোনো শর্ত নেই। শুধু বৃদ্ধ আর বোকা হওয়াটা জরুরি।
প্রশ্ন: বলপয়েন্ট এবং কাঠপেন্সিল দুটো বইই সুখপাঠ্য। আত্মস্মৃতি উপভোগ্য করে লেখার কৌশলটা কী?
হুমায়ূন আহমেদ: কোনো সূত্র তো বলতে পারি না। লেখালেখির কৌশল জেনে যদি বড় লেখক হওয়া যায় তাহলে রবীন্দ্রনাথের পরে সবচেয়ে বড় লেখক হতেন রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর ছেলে। সেটা হয়নি। সহজ এবং আন্তরিকভাবে যদি লেখা যায় সে লেখা অবশ্যই ভালো হবে। যেটা লিখছি, সেটা বিশ্বাস করে লিখতে হবে। লেখায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করাটা জরুরি। এটা আমার ব্যক্তিগত ধারণা। আমার ছেলেবেলা এবং কিছু শৈশব-এ দুটো স্মৃতিকথা লিখে আমি নিজে খুব আনন্দ পেয়েছি।
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিলে রাইটার্স ব্লক নিয়ে একটা অধ্যায় আছে। আপনার কখনো 'ব্লক' হয়নি ভেবে আপনি মহা দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন।
হুমায়ূন আহমেদ: এখনো আমি ব্লকের মধ্যে আছি। আমি চাই যে প্রতি মেলায় হিমুর একটা বই থাকুক। পয়লা ফাল্গুন হিমুর একটা বই প্রকাশ করার ইচ্ছে ছিল। এবার এত চেষ্টা করলাম, হলো না। বারবার কাহিনি পাল্টাচ্ছি, কিন্তু হচ্ছে না। এবার নুহাশ পল্লিতে আসার প্রধান কারণ হিমুর উপন্যাসটা শেষ করা। দেখি পরিবেশ-টরিবেশ বদলে যদি কিছু লাভ হয়।
প্রশ্ন: বইমেলায় আপনি খুব কম যান। কোনোদিন আপনি গেলেই মহা হুুলস্থুল পড়ে যায়।
হুমায়ূন আহমেদ: ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিজের নাম লেখার মতো ক্লান্তিকর কাজ আর আছে কিনা আমি জানি না। আবার মেলায় অন্যরকম বিড়ম্বনা তো আছেই। ধরো, এক অটোগ্রাফ শিকারি বালককে জিজ্ঞেস করলাম- তোমার নামের বানান কী? সে নিজেই সবকিছু গুলিয়ে ফেলল। হতবিহ্বল হয়ে তার মাকেই জিজ্ঞেস করল—মা আমার নামের বানান কী? যাই হোক, নাম লিখে দিলাম। তারপর বলল, স্যার, আপনার হাতটা একটু ধরি। বললাম, ধরো। এদিকে পেছন থেকে অন্য লোকজন সমানে ধাক্কাচ্ছে। আমার ওপরেই টেবিল ভেঙে পড়ার জোগাড়। একটা বয়সে এসব ভালো লাগত।
প্রশ্ন: কাঠপেন্সিল বা বলপয়েন্টে অনেক ঘটনা আপনি লিখেছেন। এর বাইরে বলার মতো কোনো ঘটনা কি এই মুহূর্তে মনে পড়ছে, যেটা লেখা হয়নি?
হুমায়ূন আহমেদ: সেবার চট্টগ্রামে একটা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমাকে খুব আদরযত্ন করে নিয়ে যাওয়া হলো। গিয়ে বুঝলাম, জীবনে যত বোকামি করেছি, তার মধ্যে এটা অন্যতম। একজন বক্তা মঞ্চে গেলেন আমার সম্পর্কে বলতে। ভদ্রলোক যা বললেন তার সারবস্তু হচ্ছে, হুমায়ূন আহমেদের পাঠকদের সবাই 'পোলাপান' এবং এই লেখক শুধু মধ্যবিত্তদের নিয়ে লেখেন। উনি মাঝিদের নিয়ে কিছু লেখেননি। খেটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে কিছু লেখেননি। যিনি বলছেন তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। একসময় আমার বন্ধুমানুষ ছিলেন। অকস্মাৎ এই কঠিন আক্রমণে আমি যাকে বলে হতবাক। তার চেয়ে বেশি অবাক হলো অনুষ্ঠানে আগত দর্শকেরা।
দেখলাম, তারা এই মন্তব্য নিতে পারছে না। আমি বক্তৃতা দিতে উঠে অতি বিনয়ের সঙ্গে জানালাম-এই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক যাকে বলা হয় তিনি সারা জীবন রাজা-বাদশা-রাজকন্যা ছাড়া অন্যদের নিয়ে কিছুই লেখেননি। আমি তো তাও মধ্যবিত্ত নিয়ে লিখি। উনি তো রাজা-বাদশার নিচেই নামেননি। তার নাম উইলিয়াম শেক্সপিয়ার। লেখকের যদি ক্ষমতা থাকে তিনি যেকোনো বিষয় নিয়ে ভালো লিখতে পারেন। কোন বিষয় নিয়ে লিখছেন সেটা নয়। লেখকের ক্ষমতা কতটুকু সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। লেখক হতে হলেই শুধু মাঝিদের নিয়ে লিখতে হবে, এই যুক্তি ভুল যুক্তি। মানুষের সম্পর্কটা আসলে গুরুত্বপূর্ণ। এ সম্পর্ক রাজা-রানির বেলায় যা মধ্যবিত্তদের বেলায়ও তা।
প্রশ্ন: কাছের-দূরের, খ্যাত-অখ্যাত বহু মানুষজনের কথা আপনি স্মৃতিকথায় লিখেছেন। এই লেখালেখির কারণে কোনো বিড়ম্বনায় কি পড়তে হয়েছে?
হুমায়ূন আহমেদ: আমার প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি তৈরির সময়কার কথা। সংগীত পরিচালক সত্য সাহা একদিন আমার কাছে এলেন। বললেন, আমি এতদিন কাজ করছি কিন্তু একটা জাতীয় পুরস্কার পেলাম না। এবার ভালো একটা কাজ করতে চাই। তার কথা শুনে আমার খারাপ লাগল খুব। তার ছাত্ররা সবাই জাতীয় পুরস্কার পেয়ে গেছে। তিনি এত গুণী একজন শিল্পী, জাতীয় পুরস্কার পেলেন না! কিন্তু এর মধ্যে আমি মিন্টুকে কথা দিয়ে ফেলেছি। একরকম নিয়ম ভঙ্গ করে মিন্টুকে বাদ দিয়ে সত্য সাহাকে নিলাম। সে বছরের জাতীয় পুরস্কারটা তিনিই পেয়েছিলেন। সত্য সাহাই খবরটা আগে ফোনে আমাকে জানিয়েছিলেন। পরদিন একদম ভোরবেলায় মিষ্টি নিয়ে তিনি চলে এলেন আমার বাসায়। এত আনন্দিত মনে হচ্ছিল তাকে। আমি সেই ঘটনা আমার বইয়ে লিখলাম। লেখাটা তিনি নিতে পারলেন না। বললেন-তিনি তো পুরস্কারের জন্য কাজ করেননি। এটা একটা কষ্টের ঘটনা। কে ইচ্ছে করে অন্যকে আঘাত করতে চায় বলো?
প্রশ্ন: মানুষের স্বল্প আয়ু নিয়ে আপনার দুঃখবোধ আছে।
হুমায়ূন আহমেদ: অবশ্যই। আমি অন্তত ১০০০ বছর বেঁচে থাকতে চাই। বাঁচতে চাই মানুষের বিজয় দেখার জন্য। একটা সাধারণ কচ্ছপ ৩০০-৪০০ বছর বাঁচে। অথচ মানুষের মতো বুদ্ধিমান একটা প্রাণী বাঁচে বড়জোর শখানেক বছর। বিশাল দুঃখের ব্যাপার।
Friday, June 29, 2012
ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন, তিন মাস সংসদ বসবে না: সুরঞ্জিত
ঢাকা, ২৮ জুন: বর্তমান সরকার 'ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন করবে' বলে আবারো
জানালেন দফতরবিহীন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সরকারের মেয়াদ শেষ হবার তিন মাস (৯০ দিন) আগে জাতীয়
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নিজের আগের মন্তব্যের প্রতিধ্বনি করে
সেনগুপ্ত বলেন, ''নির্বাচনের আগে ৯০ দিনে সংসদ অধিবেশন বসবে না। সুতরাং
সংসদ সদস্যদের কোন অগ্রাধিকারও থাকছে না। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে
মন্ত্রী পরিষদের কাছে।''
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ''পরাশক্তি
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতেও ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন দেয়া হয়। এতে তো তারা
কোনো প্রশ্ন তোলে না। সরকার না, নির্বাচন করে নির্বাচন কমিশন। তাই ইসিকে
শক্তিশালী করতে হবে।''
সংবিধান সংশোধনে গঠিত কমিটির কাছে শুধুমাত্র রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও
বিসমিলস্নাহ ছাড়া রাশেদ খান মেনন ও হাসানুর হক ইনু আর কোনো আপত্তি তুলেনি
বলেও জানান তিনি।
নির্বাচন আয়োজনে সংবিধান সংশোধন করা দরকার বলে ওয়ার্কার্স পার্টির
সভাপতি রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের জবাবে সেনগুপ্ত বলেন, ''একটি দলের
প্রধান হিসেবে তার চিন্তার স্বাধীনতা থাকবে। গণতান্ত্রিক সমাজে তা রোধ করা
সম্ভব না। কিন্তু সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটিতে মেনন এবং ইনু শুধু
রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ থাকার বিষয়েই আপত্তি করেছিলেন। এখন
অন্যান্য সংশোধনের কথা আসবে কেন?'' বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক
আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
'সংবিধান ও গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব' শীর্ষক এ
সভায় আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা লীগ নামে একটি সংগঠন।
আলোচনায় সুরঞ্জিত বলেন, ''বিশেষ কমিটির কাছে তারা সমাবেশ করার অধিকার
চেয়েছিলেন। এছাড়া সব বিষয়ে তারা একমত হয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে
স্বাক্ষরও দিয়েছেন। তখন তারা কোন আপত্তি করেননি।''
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল
হক সবুজ ও ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মিলন।
জানালেন দফতরবিহীন মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য
সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সরকারের মেয়াদ শেষ হবার তিন মাস (৯০ দিন) আগে জাতীয়
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে নিজের আগের মন্তব্যের প্রতিধ্বনি করে
সেনগুপ্ত বলেন, ''নির্বাচনের আগে ৯০ দিনে সংসদ অধিবেশন বসবে না। সুতরাং
সংসদ সদস্যদের কোন অগ্রাধিকারও থাকছে না। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা থাকবে
মন্ত্রী পরিষদের কাছে।''
নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ''পরাশক্তি
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতেও ক্ষমতায় থেকেই নির্বাচন দেয়া হয়। এতে তো তারা
কোনো প্রশ্ন তোলে না। সরকার না, নির্বাচন করে নির্বাচন কমিশন। তাই ইসিকে
শক্তিশালী করতে হবে।''
সংবিধান সংশোধনে গঠিত কমিটির কাছে শুধুমাত্র রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও
বিসমিলস্নাহ ছাড়া রাশেদ খান মেনন ও হাসানুর হক ইনু আর কোনো আপত্তি তুলেনি
বলেও জানান তিনি।
নির্বাচন আয়োজনে সংবিধান সংশোধন করা দরকার বলে ওয়ার্কার্স পার্টির
সভাপতি রাশেদ খান মেননের বক্তব্যের জবাবে সেনগুপ্ত বলেন, ''একটি দলের
প্রধান হিসেবে তার চিন্তার স্বাধীনতা থাকবে। গণতান্ত্রিক সমাজে তা রোধ করা
সম্ভব না। কিন্তু সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটিতে মেনন এবং ইনু শুধু
রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম ও বিসমিল্লাহ থাকার বিষয়েই আপত্তি করেছিলেন। এখন
অন্যান্য সংশোধনের কথা আসবে কেন?'' বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক
আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
'সংবিধান ও গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা গণতান্ত্রিক সরকারের দায়িত্ব' শীর্ষক এ
সভায় আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযোদ্ধা লীগ নামে একটি সংগঠন।
আলোচনায় সুরঞ্জিত বলেন, ''বিশেষ কমিটির কাছে তারা সমাবেশ করার অধিকার
চেয়েছিলেন। এছাড়া সব বিষয়ে তারা একমত হয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে
স্বাক্ষরও দিয়েছেন। তখন তারা কোন আপত্তি করেননি।''
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক মোফাজ্জাল হোসেন চৌধুরী মায়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল
হক সবুজ ও ভারপ্রাপ্ত দফতর সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মিলন।
দুদকে সাংবাদিক নিষিদ্ধ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকা, ২৮ জুন: গত দুই দিন ধরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান
কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। কার্যালয়ে কর্মরত
ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করার বিশেষ পূর্বানুমতি থাকলেও কার্যালয়ে
প্রবেশের অনুমতি মিলছে না।
বৃহস্পতিবার দুদকের মূল গেটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা ওপরের নির্দেশ
আছে বলে সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন। দুপুরের দিকে 'কোনো লিখিত
আদেশ রয়েছে কি না'—জানতে চাইলে অপেক্ষারত সাংবাদিক ও দুদকের ফটকে
দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় দুদকের উপসহকারী প্রকৌশলী কোরবান আলী এসে বলেন, "ওপরের নির্দেশ
রয়েছে। সাংবাদিকেরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।"
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত একই রকমভাবে সাংবাদিকদের
প্রবেশে বাধা দেয়া হয়।
আজ বেলা দুইটায় সাংবাদিকেরা মূল গেট পার হয়ে ভবনের নিচে জড়ো হলে আবারও
তাদের চলে যেতে বলা হয়।
বেলা সোয়া দুইটায় দুদকের পক্ষ থেকে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব
কুমার ভট্টাচার্য নিচে এসে বলেন, "কেবলমাত্র দুদক ডাকলেই আপনারা আসবেন,
অন্যথায় নয়।"
কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। কার্যালয়ে কর্মরত
ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের সঙ্গে দেখা করার বিশেষ পূর্বানুমতি থাকলেও কার্যালয়ে
প্রবেশের অনুমতি মিলছে না।
বৃহস্পতিবার দুদকের মূল গেটে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যরা ওপরের নির্দেশ
আছে বলে সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশে বাধা দেন। দুপুরের দিকে 'কোনো লিখিত
আদেশ রয়েছে কি না'—জানতে চাইলে অপেক্ষারত সাংবাদিক ও দুদকের ফটকে
দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় দুদকের উপসহকারী প্রকৌশলী কোরবান আলী এসে বলেন, "ওপরের নির্দেশ
রয়েছে। সাংবাদিকেরা ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।"
বুধবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত একই রকমভাবে সাংবাদিকদের
প্রবেশে বাধা দেয়া হয়।
আজ বেলা দুইটায় সাংবাদিকেরা মূল গেট পার হয়ে ভবনের নিচে জড়ো হলে আবারও
তাদের চলে যেতে বলা হয়।
বেলা সোয়া দুইটায় দুদকের পক্ষ থেকে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব
কুমার ভট্টাচার্য নিচে এসে বলেন, "কেবলমাত্র দুদক ডাকলেই আপনারা আসবেন,
অন্যথায় নয়।"
Saturday, May 19, 2012
ফেসবুকের আকাশচুম্বি শেয়ারমূল্য
আমেরিকান তথা বিশ্ব শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে
অবিশ্বাস্য মূল্যে বিক্রি হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের শেয়ার।
বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে ফেসবুকের ফেসভ্যালু ছিল শেয়ার প্রতি ৩৮ ডলার। অত্যধিক চাহিদার কারণে কোম্পানি কতৃপর্ক্ষ একপর্যায়ে যার ফেসভ্যালু ঘোষণা করে ১০০ বিলিয়ন ডলার। যা আমেরিকার ইতিহাসে কোনো কোম্পানির সর্বোচ্চ আইপিও (ইনসিয়াল পাবলিক অফারিং) মূল্য।
জানা যায়, মাত্র আট বছর বয়সের অথচ বিপুলভাবে জনপ্রিয় কোম্পানি সম্প্রতি ৩৪ থেকে ৩৮ ডলার ফেসভ্যালুতে মোট ৪২১ মিলিয়ন বিক্রির ঘোষণা দিলে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই এর চাহিদা হু হু করে বাড়তে থাকে। তারপরেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ার নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ফেস ভ্যালু বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে আকাস্মিকভাবে শেয়ার মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণ বাড়ানোয় ইতিমধ্যে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে প্রশ্ন উঠছে কোম্পানির সক্ষমতা নিয়ে। শেয়ারের দাম যে পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে ক্রেতাদের সে পরিমাণ লভ্যাংশের গ্যারান্টি দিতে কোম্পানির সক্ষম কিনা এবং মোবাইল ফোন প্লাটফর্ম থেকে কতটুকুই বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে তা নিয়ে এখন চলছে আলোচনা।
এছাড়া নতুন শেয়ার হোল্ডাররাও বলছেন কোম্পানিটি ঠিক কিভাবে চলছে তা সম্পর্কে তাদের স্পস্ট ধারণা নেই।
ভাবনার বিষয় হলো, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে শেয়ার হোল্ডারদের কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্ক শেয়ার বাজারে ফেসবুকের ফেসভ্যালু ছিল শেয়ার প্রতি ৩৮ ডলার। অত্যধিক চাহিদার কারণে কোম্পানি কতৃপর্ক্ষ একপর্যায়ে যার ফেসভ্যালু ঘোষণা করে ১০০ বিলিয়ন ডলার। যা আমেরিকার ইতিহাসে কোনো কোম্পানির সর্বোচ্চ আইপিও (ইনসিয়াল পাবলিক অফারিং) মূল্য।
জানা যায়, মাত্র আট বছর বয়সের অথচ বিপুলভাবে জনপ্রিয় কোম্পানি সম্প্রতি ৩৪ থেকে ৩৮ ডলার ফেসভ্যালুতে মোট ৪২১ মিলিয়ন বিক্রির ঘোষণা দিলে চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই এর চাহিদা হু হু করে বাড়তে থাকে। তারপরেই বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ক্রেতাদের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ার নিয়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ ফেস ভ্যালু বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে আকাস্মিকভাবে শেয়ার মূল্য অস্বাভাবিক পরিমাণ বাড়ানোয় ইতিমধ্যে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে প্রশ্ন উঠছে কোম্পানির সক্ষমতা নিয়ে। শেয়ারের দাম যে পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে ক্রেতাদের সে পরিমাণ লভ্যাংশের গ্যারান্টি দিতে কোম্পানির সক্ষম কিনা এবং মোবাইল ফোন প্লাটফর্ম থেকে কতটুকুই বা সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে তা নিয়ে এখন চলছে আলোচনা।
এছাড়া নতুন শেয়ার হোল্ডাররাও বলছেন কোম্পানিটি ঠিক কিভাবে চলছে তা সম্পর্কে তাদের স্পস্ট ধারণা নেই।
ভাবনার বিষয় হলো, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে শেয়ার হোল্ডারদের কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।
Sunday, April 1, 2012
মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ডের খেতাব বন্যা’র দখলে
মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ডের খেতাব বন্যা’র দখলে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
মুম্বাই, ৩১ মার্চ:: ৪৯তম প্যান্টালুনস ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড ২০১২ নির্বাচিত হলেন বন্যা মিশ্র। খেতাব জিতে দৃশ্যতই খুশি এই চন্ডীগড়ের কন্যে। অন্যদিকে, মিস ইন্ডিয়া আর্থের খেতাব দখলে রাখলেন পুণের ২৪ বছর বয়সী প্রাচী মিশ্র। পাশাপাশি মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনালের জন্য গর্ব করতে পারবে চেন্নাই। ২৩ বছরের রোচেল মারিয়া রাও জিতে নিলেন এই পুরস্কার। ২০ জন ফাইনালিস্টের থেকে নির্বাচিত এই তিন জনকে বিজয়ীর মুকুট পরিয়ে দিলেন গতবারের বিজয়ী কনিষ্ঠা ঢাঙ্কার, হাস্লেন কাউর ও অঙ্কিতা সোরেই।
জমকালো এই অনুষ্ঠানে বিচারকের আসন উজ্জ্বল করেছিলেন সোনম কাপুর, প্রযোজক একতা কাপুর, ফিল্ম ডিরেক্টর রোহিত শেট্টি, অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে, ক্রিকেটার হরভজন সিংহ, গায়ক সোনু নিগম, অভিনেতা মার্ক রবিনসন্স প্রমুখ।
অভিনেতা আলি জাফর ও প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া মানাসভি মামগাই ও নেহা হিঙ্গের ডান্স পারফরমেন্স মাত করেন দর্শকদের। পাকিস্তানি গায়কের ‘মধুবালা’ পারফরমেন্সে মজলেন উপস্থিত সকলেই। সূত্র: ওয়েবসাইট।
মুম্বাই, ৩১ মার্চ:: ৪৯তম প্যান্টালুনস ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়ার্ল্ড ২০১২ নির্বাচিত হলেন বন্যা মিশ্র। খেতাব জিতে দৃশ্যতই খুশি এই চন্ডীগড়ের কন্যে। অন্যদিকে, মিস ইন্ডিয়া আর্থের খেতাব দখলে রাখলেন পুণের ২৪ বছর বয়সী প্রাচী মিশ্র। পাশাপাশি মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনালের জন্য গর্ব করতে পারবে চেন্নাই। ২৩ বছরের রোচেল মারিয়া রাও জিতে নিলেন এই পুরস্কার। ২০ জন ফাইনালিস্টের থেকে নির্বাচিত এই তিন জনকে বিজয়ীর মুকুট পরিয়ে দিলেন গতবারের বিজয়ী কনিষ্ঠা ঢাঙ্কার, হাস্লেন কাউর ও অঙ্কিতা সোরেই।
জমকালো এই অনুষ্ঠানে বিচারকের আসন উজ্জ্বল করেছিলেন সোনম কাপুর, প্রযোজক একতা কাপুর, ফিল্ম ডিরেক্টর রোহিত শেট্টি, অভিনেত্রী সোনালি বেন্দ্রে, ক্রিকেটার হরভজন সিংহ, গায়ক সোনু নিগম, অভিনেতা মার্ক রবিনসন্স প্রমুখ।
অভিনেতা আলি জাফর ও প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া মানাসভি মামগাই ও নেহা হিঙ্গের ডান্স পারফরমেন্স মাত করেন দর্শকদের। পাকিস্তানি গায়কের ‘মধুবালা’ পারফরমেন্সে মজলেন উপস্থিত সকলেই। সূত্র: ওয়েবসাইট।
Subscribe to:
Posts (Atom)
















