Sunday, August 26, 2012
সাগর-রুনি হত্যা: সন্দেহভাজনদের ডিএনএ নমুনা নেবে র্যাব
কাপাসিয়া উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোহেল তাজের বোন
Saturday, August 25, 2012
গাছ না লাগালে বিয়ের অনুমতি নয়
সম্প্রতি সুমাত্রার প্রধান শহর মিডানের ধর্ম বিষয়ক কার্যালয় পরিবেশবান্ধব এ উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী মার্চ থেকেই প্রশাসনের এই নীতি কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।
দেশটির ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়ের কর্মকর্তা ইওয়ান জুলহানি মনে করেন, এ উদ্যোগের ফলে মিডান শহরে নতুন দুই হাজার গাছ যুক্ত হবে। যা এক সময় নতুন ওই জুটিদের আশেপাশেই বড় হবে।
এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটির সরকারও। মিডানের পাশে সুলাউইসি দ্বীপেরও বেশ কয়েকটি জেলায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ায় মুসলিম ধর্মের জুটিদের বিয়ের সময় বাধ্যতামূলকভাবে স্থানীয় ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়ে নিবন্ধন করতে হয়। অন্যদিকে অমুসলিমদের নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বা সিভিল রেজিস্ট্রি অফিসে বিবাহ নিবন্ধন করতে হয়। সূত্র: ওয়েবসাইট

মঙ্গলে কিউরিওসিটির প্রথম ‘টেস্ট ড্রাইভ’
দু'সপ্তাহ আগে অবতরণের পর এবার মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে চলতে শুরু করেছে কিউরিওসিটি৷ ক্যালিফোর্নিয়ায় নাসা কর্মকর্তা ম্যাট হেভারলি বলেন, “কিউরিওসিটি বুধবার সফলভাবে মঙ্গলে চলতে সক্ষম হয়েছে৷ আমাদের এই রোভারে সম্পূর্ণ সচল মোবিলিটি সিস্টেম রয়েছে।”
২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই যানটি গত ৬ আগস্ট মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করে৷ বুধবার এটি অবতরণস্থল থেকে প্রায় ছয় মিটার সামনের দিকে এগিয়ে যায়৷ তার আগে অবশ্য কিউরিওসিটি ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে ঘোরে এবং সামনের দিকে এগোনোর আগে কিছুটা পেছনের দিকে যায়৷ এক বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, অবতরণস্থল থেকে ২০ ফুট দূরে পৌঁছেছে যানটি৷
ইতিমধ্যে কিউরিওসিটি তার যাত্রাপথের ছবি পাঠিয়েছে৷ এতে মঙ্গলের বুকে যানটির চাকার দাগ ফুটে উঠেছে৷ লাল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধানের আগে আরো কয়েকটি টেস্ট ড্রাইভে অংশ নেবে কিউরিওসিটি৷ মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরি প্রকল্পের ম্যানেজার পিটি থিসিঞ্জার এই বিষয়ে বলেন, “আমরা আমাদের দু'বছরের মিশনের মাত্র ১৬ দিন অতিক্রম করেছি৷ আমরা এখনো নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করিনি৷ এই মঙ্গল মিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সেখানকার বিভিন্ন উপাদানের নমুনা সংগ্রহ৷”
এদিকে, মঙ্গলের যে স্থানে কিউরিওসিটি অবতরণ করেছিল সেই স্থানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে নাসা৷ কিউরিওসিটি টিম এই স্থানের নাম দিয়েছে ‘ব্র্যাডবেরি ল্যান্ডিং'৷ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক ব্র্যাডবেরি গত জুন মাসে মারা যান৷ বুধবার ছিল তার ৯২তম জন্মবার্ষিকী৷
কিউরিওসিটি মঙ্গলে কোনো ভিনগ্রহের জীব কিংবা জীবন্ত কোনো কিছুর সন্ধান পাবে, এমন আশা করছেন না বিজ্ঞানীরা৷ তবে মঙ্গলের মাটি এবং পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে সেখানে আদৌ কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিনা বা সেখানে প্রাণের উপস্থিতি সম্ভব কিনা-তা বোঝার চেষ্টা করবেন বিজ্ঞানীরা৷
এই প্রকল্পের মাধ্যমে মঙ্গলের পরিবেশ সম্পর্কেও একটি ধারণা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে৷ এই মিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করবে নাসা৷ ২০৩০ সাল নাগদ মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে পারে নাসা৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ভাটার টান
২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যাত্রা শুরু করার পর থেকেই ফেসবুকের পথটা ছিল অনেকটাই মসৃণ। যত দিন গেছে হাওয়ার গতিতে বেড়েছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা। জনপ্রিয়তার পারদও ছিল বরাবরই ঊধ্বমুখী। তবে এবার নাকি সত্যিই ভাটা পড়েছে আট বছর পুরানো এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির জনপ্রিয়তায়।
বিশ্বাস না হলেও তথ্য অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১০ কোটি নতুন ইউজার তৈরি করতে ফেসবুকের লেগেছে ২১৫ দিন। এমনকি চাপে পড়ে ইউজারদের গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রেও কড়া নীতি আনতে চলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
কিছুদিন আগেও ১০ কোটি নতুন ইউজার তৈরি করতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর হাতেগোনা কয়েকটা দিন লাগতো। কিন্তু এবার ৮০ কোটি থেকে ৯০’র ঘরে পৌঁছতে ফেসবুকের সময় লেগেছে পাক্কা ২১৫ দিন। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম ১০ কোটির গণ্ডি পেরোতে ফেসবুকের ২০০ দিনের বেশি সময় লাগলো।
ফেসবুক কর্তৃপক্ষের চিন্তা আরো বাড়িয়েছে কানাডা, আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলো। পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, গত দু’বছরের তুলনায় চলতি বছরের জুনের পর থেকে এই দুই দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৯ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ইউরোপে ব্যবহারকারীর সংখ্যাটা কমেছে ৩২ থেকে ২৫ শতাংশ হারে।
এর জন্য ২০০৯ সালে ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতির রাশ আলগা করাকেই দায়ী করছেন অনেকে। কারণ এই নীতির ফলে ইউজারদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য খুব সহজেই তৃতীয় পক্ষ বা বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে একবার ফের গোপনীয়তা নীতিতে লাগাম পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সূত্র: জিএন
নো মেক আপ: কঙ্গনা রনৌত
শ্রেয়া আর সুনিধি: মিল-অমিল
তাদের শিরায় একই রক্ত বইছে না। লতা মঙ্গেশকর আর আশা ভোঁসলের মতো মুম্বাইয়ের পেডার রোডের প্রভুকুঞ্জে তারা একসঙ্গে থাকেনও না। কিন্তু এক সময়ে এই দুই বোন যেমন দাপটে ভারতীয় মহিলা প্লেব্যাক গানে রাজত্ব করেছেন, গত ১৩ বছরে সেই দুনিয়ায় এদের দাপটও তেমনই প্রতিরোধহীন। শ্রেয়া ঘোষাল আর সুনিধি চৌহান। এক হিসেবে তারাও যেন দুই বোন।
রাজীব বিজয়কর তাদের ডিএনএ বিশ্লেষণ করলেন গত হপ্তায় তিন জন প্রথম শ্রেণীর সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে আড্ডা হচ্ছিল। বান্দ্রার এক ক্যাফেতে। দেখলাম তারা একটা বিষয়ে একমত। দু'জন গায়িকার রেকর্ডিং থাকলে, মোটামুটি একবেলা কাজ করলেই হয়ে যায়। তারা এতই তুখড়, যে নোটেশান মিলিয়ে গান তুলে, রিহার্সাল করে, ফাইনাল টেক নিয়ে সকালের মধ্যেই কাজ শেষ। তার পর বাড়ি গিয়ে নিশ্চিন্তে দুপুরের ঘুমটা দেওয়া যায়। ঠিক যেমনটা হত পঞ্চাশের দশকে। দুই মারাঠি বোন যখন গাইতেন।
আর এখন? কারা এই দুই গায়িকা?
কারা আবার? শ্রেয়া ঘোষাল আর সুনিধি চৌহান। আপনাদের হয়ত মনে থাকবে দুই মারাঠি বোনকে চালেঞ্জ জানাতে বিভিন্ন সময়ে অনেকেই উঠে এসেছিলেন। গীতা দত্ত, সামশাদ বেগম, সুমন কল্যাণপুর, বাণী জয়রাম, রুনা লায়লার। কিন্তু কেন জানি না, এত জন থাকা সত্ত্বেও লতা মঙ্গেশকর এবং পরবর্তী কালে বোন আশা ভোঁশলে কী করে যেন সবাইকে ছাপিয়ে বলিউডে বহু দূর এগিয়ে গিয়েছিলেন। ওরাই পেরেছিলেন পঞ্চাশের দশক থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত গানের বাজারকে একচেটিয়াভাবে দখল করে রাখতে।
আজকেও গানের দুনিয়াতে রাজত্ব করছেন এমনই 'দুই বোন'। তাদের রক্তের সম্পর্ক নেই। কিন্তু লতা-আশা যেমন মহিলা প্লে-ব্যাক জগৎটা মোনোপোলাইজ করে ফেলেছিলেন, এই দুই 'এস'-ও তাই করছেন।
একদিকে শিশুশিল্পী হিসেবে আদেশ শ্রীবাস্তবের হাত ধরে ধূমকেতুর মতো ওঠা সুনিধি চৌহান আর অন্য দিকে ইসমাইল দরবারের আবিষ্কার শ্রেয়া ঘোষাল। যেখানে সুনিধি বলিউডকে উপহার দিলেন 'রুকি রুকি'র (মস্ত) মতো গান যার ছন্দে দুলেছিল আপামর জনসাধারণ সেখানে শ্রেয়ার 'বৈরি পিয়া' (দেবদাস) ছুঁয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল শ্রোতাদের হৃদয়। মঙ্গেশকর বোনেদের মতোই এই দুই গায়িকাও তাদের সঙ্গীত জীবন শুরু করেছিলেন ছোটখাটো সুরকারদের সঙ্গে। তাদের হাত ধরেই শ্রেয়া-সুনিধির প্রতিভার সঠিক বিচ্ছুরণ ঘটেছিল।
মঙ্গেশকর বোনেদের সঙ্গে শ্রেয়া সুনিধির জীবনের তুলনা চলে না। তবু কিছু তুলনা কোনও না কোনও ভাবে এসেই পড়ে। ঠিক যে ভাবে মঙ্গেশকর বোনেরা তাদের সমসাময়িক শিল্পীদের পেছনে ফেলে প্রতিভার দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন, শ্রেয়া আর সুনিধির ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।
শ্রেয়া আর সুনিধি যখন গানের জগতে এলেন, তখন রাজত্ব করছেন অলকা যাজ্ঞিক, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি। ঠিক এমনটাই ঘটেছিল লতাজি আশাজির বেলায়। লতার কাছে গানের রোল মডেল ছিলেন নূরজাহান। আশার গানে প্রভাব পড়েছিল গীতা দত্তের। কিন্তু কোনও শিল্পী যখন আরেক সমসাময়িক শিল্পীকে ছাপিয়ে এগিয়ে যান তার কারণ হয়ে ওঠে তার বা তাদের গায়কীর মৌলিক শৈলী।
মিল-অমিল
তবে যেকোনো মুহূর্তেই ভেঙে যেতে পারে শ্রেয়া বা সুনিধির এই একাধিপত্য। হয়তো আজই ঘটল সেটা। কিন্তু বাস্তব তথ্য বলছে গত ১৩ বছরে অজস্র গায়িকা এলেও সুনিধি-শ্রেয়াকে ছাপিয়ে যাওয়া তো দূরস্থান, সমকক্ষও হয়ে উঠতে পারেননি।
সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র অনেক কাজ করেছেন শ্রেয়ার সঙ্গে। কিন্তু তার কাছেও শ্রেয়া-সুনিধি একই গোত্রের শিল্পী। "শ্রেয়া আর সুনিধির মধ্যে কোনো তুলনায় আমি যাব না। দু'জনেই উঁচুদরের শিল্পী। সব চাইতে বড় কথা হল এই দুই মেয়ে গত ১৩ বছর ধরে একচেটিয়া ভাবে চালিয়ে তো দিল। আশাজি-লতাজির পর অসামান্য গায়িকাদের দরকার ছিল। সেই ফাঁকা জায়গাটা ওরা দুজনে পূরণ করেছে দাপটের সঙ্গে। তুলনায় কিন্তু রফি-কিশোর-মান্নাদের পর তেমন এককচেটিয়াভাবে গান গেয়ে চলা গায়ক বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে আসেনি। প্রচুর ছেলে গান গাইছে। কিন্তু শ্রেয়া বা সুনিধির মতো অনিবার্য হতে পারছে না।
"আজকাল যদি দশটা গান হিট করে, তার মধ্যে ন'টাই শ্রেয়া বা সুনিধির গাওয়া," বলছেন শান্তনু।
হিন্দি প্লেব্যাক দুনিয়ায় অবশ্য সাফল্যের দুটো শর্ত আছে। প্রথমত কণ্ঠস্বর আর সুর লাগানোর নতুনত্ব। দ্বিতীয়ত বৈচিত্রময়তা। প্রথমটা একেবারেই ভাগ্যের ব্যাপার। যার আছে তার আছে, যার নেই তার নেই। দ্বিতীয় ব্যাপারটা অনেকটাই নির্ভর করে একাগ্র পরিশ্রম আর সুযোগের ওপর।
শ্রেয়া আর সুনিধি দুজনেই বেড়ে উঠেছেন কল্যাণজি-আনন্দজির সান্নিধ্যে। সেই কল্যাণজি আনন্দজি, যারা ষাটের দশক থেকে বলিউডি শিল্পীদের প্রায় এক তৃতীয়াংশের উত্থান ঘটিয়েছেন।
দিল্লির এক আসরে টেলিভিশন সঞ্চালক তাবাসসুমের নজরে পড়েন সুনিধি। বয়স বছর দশেক তখন। সুনিধির বাবা-মাকে রাজি করিয়ে মুম্বাইয়ে আনার ব্যবস্থা করেন তিনি। বলিউডের বড় বড় গুণিজনদের সঙ্গে আলাপও করিয়ে দেন। শুরু হয় সিনেমার গানে সুনিধির প্রশিক্ষণ। মাস কয়েকের রেওয়াজের পরেই কল্যাণজি আনন্দজির ট্রুপ 'লিটল ওয়ান্ডারস'-এর উজ্জ্বল তারা হয়ে ওঠেন সুনিধি।
সে সময়ে সুনিধির কাছে সবাই শুনতে চাইতেন 'লমহে'র সুপারহিট গান 'মোরনি বাগা মা বোলে'। এবং সুনিধির স্পেশালিটি ছিল, গানটা ইলা অরুণ আর লতা মঙ্গেশকর, দু'জনের গলাতেই গাওয়া। এর পরেই দূরদর্শনে 'মেরি আওয়াজ সুনো' জেতেন তিনি। কল্যাণজি আনন্দজির শেষ সাউন্ডট্র্যাকেও গেয়েছিলেন সুনিধি। ছবির নাম ছিল 'মাসুম গাওয়া'। গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত হওয়ার পর সুনিধি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নেয়া শুরু করেন।
সুনিধি দিল্লির এক অখ্যাত থিয়েটার কর্মীর সন্তান। অন্য দিকে শ্রেয়া এসেছিলেন একেবারেই ভিন্ন পরিবেশ থেকে।
কাকতালীয়ভাবে শ্রেয়া আর সুনিধি দু'জনেই গানের তালিম শুরু করেন চার বছর বয়সে। ধ্রুপদী সঙ্গীতে পারদর্শী মায়ের কাছেই শ্রেয়ার গান শেখা শুরু। শ্রেয়ার বাবা নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার। রাজস্থানের কোটায় চাকরি করতেন।
বাবার উৎসাহেই শ্রেয়া সপ্তাহে তিন দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাতায়াত করতেন গুরুজি মহেশচন্দ্র শর্মার কাছে গান শিখতে।
মুম্বইতে 'সারেগামাপা' অনুষ্ঠানে জিতে এবং কল্যাণজির সান্নিধ্যে বদলে যায় শ্রেয়ার জীবন। কল্যাণজিই উৎসাহেই শ্রেয়ার বাবা বদলি নিয়ে চলে আসেন মুম্বাই। কিন্তু কল্যাণজি দেখে যেতে পারেননি শ্রেয়ার সেই সাফল্য। 'দেবদাস' করার আগে দুটি মরাঠি গানের অ্যালবাম প্রকাশ হয় শ্রেয়ার।
ঘটনাক্রমে সুনিধির জীবনে 'লাকি ব্রেক' ছিলেন সোনু নিগম। রাম গোপাল বর্মার 'মস্ত' ছবির সঙ্গীত পরিচালক সন্দীপ চৌতার সঙ্গে সুনিধির আলাপ করিয়ে দেন তিনিই।
সে ছবির বিখ্যাত 'রুকি রুকি থি জিন্দেগি' গানটি দিয়েই বলিউডের নক্ষত্রলোকে সুনিধি ঢুকে পড়েন। অন্য দিকে দ্বিতীয় দফায় 'সা রে গা মা পা'তে শ্রেয়ার গান শুনে মুগ্ধ হয়ে সঞ্জয় লীলা বনশালী তার খোঁজখবর শুরু করেন। পুরনো হিন্দি গানের কয়েকটা মহড়া দিয়ে শ্রেয়া 'দেবদাস' এ সুযোগ পেলেন। শ্রেয়ার পাঁচটা জাতীয় পুরস্কারের মধ্যে প্রথমটা এসেছিল ওই 'বৈরি পিয়া'র সুবাদেই। অন্যগুলো 'ধীরে জ্বলনা' (পহেলি), 'ইয়ে ইশ্ক হায়' (জব উই মেট), 'জীব রঙ্গালা' (মরাঠি ছবি জগোয়া) এবং 'ফেরারী মন' (অন্তহীন) গানগুলির জন্য।
অন্য দিকে সুনিধি এনরিকে এগলেশিয়াসের অ্যালবাম 'ইউফোরিয়া'র ট্র্যাক 'হার্ট বিট' আর একটা পাকিস্তানি ট্র্যাকের সঙ্গে গান গেয়েছেন।
শ্রেয়া কিন্তু এখনও বিদেশের কোনো শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেননি।
দু'জনেরই একটা বড় গুণ লাইভ শো-তে দুর্দান্ত গাইতে পারা। বিশেষ করে এই সময়ে যেখানে একটা ট্র্যাক নানা রকম ইলেকট্রনিক কারিগরির মাধ্যমে বানানো হয়। আগেকার দিনের কিংবদন্তি শিল্পীদের মতোই এরা দু'জন নিখুঁত সুরে মঞ্চে গান গাইতে পারেন।
কিছুদিন হল শ্রেয়া আর সুনিধি নন-ফিল্মি গানের দিকেও ঝুঁকেছেন। সুনিধি শাড়ি পরে সাবেকিভাবে বসে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে মাত করেছেন বাঙালিকে। আর শ্রেয়া বাংলা সিনেমাতেও গাইছেন আবার গজলও গাইছেন। শান্তনু বলছেন, "এখন নানা ধরনের গান দুজনেই গাইছে। শ্রোতাদের হয়তো মনে হতে পারে আমি শ্রেয়াকে বেশি পছন্দ করি। আমার কমপোজিশনে শ্রেয়ার গলা বেশি ব্যবহার করেছি। কারণ আমি যে ধরনের গান কম্পোজ করি তাতে শ্রেয়ার গলা ভালো যায়। সুনিধির গলাও ব্যবহার করেছি বেশ কয়েকবার। সম্প্রতি 'কৃষ্ণ অ্যান্ড কংস' বলে একটা ছবিতে সুনিধিকে দিয়ে গাইয়েছি। সে গান শুনলে মনে হবে সুনিধি রকস্টার।" সূত্র: ওরেবসাইট।
তোলপাড় সৃষ্টিকারী টপ ফাইভ স্ক্যান্ডাল
আর্ন্তজাতিক অঙ্গনের বিখ্যাত মানুষজন নিজেদের দোষেই অনেক কষ্টে বহুদিনে
গড়ে তোলা নিজেদের শক্তিশালী ইমেজ ও মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলেন। পৃথিবীর
বিভিন্ন দেশের নামকরা করা কিছু ব্যক্তিবর্গের সেক্স স্ক্যান্ডাল
বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আর এই স্ক্যান্ডাল তাদের পারিবারিক ও
কর্মক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। আর্ন্তজাতিকভাবে পরিচিত কয়েকজন
বিখ্যাত মানুষের স্ক্যান্ডাল নিয়ে আজকের আয়োজন।
সিলভিও বারলুসকোনি: ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনি একাধিক সেক্স
স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে জাতির কাছে ধিকৃত হন। বারলুসকোনির বিরুদ্ধে অভিযোগ
ওঠে তিনি অপরিণত বয়সের পতিতাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং তাদের নগদ
অর্থ, গহনা ও গাড়ি প্রদান করেন। রাজনৈতিক মহলে এটি বারলুসকোনির বুঙ্গা
বুঙ্গা সেক্স পার্টি নামে পরিচিত। অধিক অর্থের বিনিময়ে তার বিলাসবহুল
বাড়িতেও পতিতাদের ভাড়া করে আনার রেওয়াজ ছিল। বারলুসকোনির স্ক্যান্ডাল
প্রকাশ হয়ে গেলে দেশ পরিচালনায় তার সততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি দ্রুত
জনমত হারাণ।
ডমিনিক ট্রস কান: আর্ন্তজাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ডমিনিক ট্রস কানের সেক্স স্ক্যান্ডাল বিশ্ববাসির কাছে প্রকাশ হয়ে
যায়। এক হোটেল কর্মচারীর সঙ্গে তিনি অসামাজিক আচরণ করেন। এছাড়াও ট্রস কান
যে কোনো পার্টিতে পতিতা ভাড়া করতেন বলেও প্রমাণ হাজির করেন অভিযোগকারীরা।
কান নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে এসব অভিযোগের তীব্র বিরুদ্ধাচারণ করেন।
অভিযোগ তদন্তকালে আরো প্রমাণিত হয় এক পতিতাকে ট্রস কান ইউএস এর ভিসা
পেতেও সাহায্য করেছেন। পরবর্তীতে ট্রস কান আইএমএফ এর ব্যবস্থাপনা
পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
বিল ক্লিনটন: পৃথিবীর অন্যতম সেরা হ্যান্ডসাম একজন রাজনীতিবিদ বিল
ক্লিনটন। বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের জের ধরে সাবেক ইউএস প্রেসিডেন্ট
ক্লিনটন নিজের ইমেজ হারিয়ে ফেলেন। তার সঙ্গে মনিকা লিওনোস্কি ও
গার্নিয়ার ফ্লাওয়ারের বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক প্রমাণিত হয়। প্রথম থেকেই
এই স্ক্যান্ডালকে অস্বীকার করে আসছিলেন ক্লিনটন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি
ক্রমাগত পরিবার ও রাষ্ট্রীয় চাপের মুখে স্বীকার করতে বাধ্য হন যে তার
সাথে গার্নিয়ার ফ্লাওয়ার নামের এক মডেলের সম্পর্ক ছিল। ক্লিনটনের এই
অসদাচরণের ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপী ঝড় উঠেছিল।
আরনল্ড সোয়ার্জনেগার: হলিউড অভিনেতা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্ণর বনে
যাওয়া আরনল্ড সোয়ার্জনেগার নিজ বাড়িতে থাকা দীর্ঘদিনের গৃহপরিচারিকার
সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েন। গৃহপরিচারিকা মিলড্রেড প্যাট্রিসিয়ার
সঙ্গে সোয়ার্জনেগারের ১৪ বছর বয়সী একটি পূত্র সন্তান আছে। মিলড্রেড নিজে
তাদের স্ক্যান্ডালটি প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে টার্মিনেটর খ্যাত
সোয়ার্জনেগার অভিযোগ স্বীকার করে নেন। আর সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ গতিতে
খবরটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি
হয়। সোয়ার্জনেগারের স্ত্রী মারিয়া শ্রীভার দীর্ঘ ২৫ বছরের সংসার ছেড়ে চলে
যান।
জন ট্রাভোল্টা: অভিনেতা জন ট্রাভোল্টা সবসময়ই আলোচনার শীর্ষেই থাকেন
হলিউডের নন্দিত সব ছবির কল্যাণে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অভিনেতা ব্যাপক
আলোচিত সমকামি সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে। একটি পুরুষদের পার্লারের
কর্মচারী কর্তৃক অভিযোগ ওঠে ট্রাভোল্টার বিরুদ্ধে। ট্রাভোল্টা সেই
কর্মচারীর জোড় জবরদোস্তি করেছেন। এদিকে এক হোটেল কর্মচারী স্বীকার করেছেন
ট্রাভোল্টার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনার। এসব নিয়ে মিডিয়ায় তুমুল হৈচৈ
শুরু হয়। সেইসঙ্গে জন ট্রাভোল্টার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা মাটিতে মিশতে
থাকে। সূত্র: জিনিউজ
সালমান খানের পারিশ্রমিক ১০০ কোটি রুপি
পরিচালক রমেশ তারুনি নিজের প্রোডাকশন হাউজের পরবর্তী ছবিতে সালমানকে কাষ্ট করবেনই করবেন বলে ঠিক করেছেন। আর এক্ষেত্রে তিনি সালমানকে প্রস্তাব করেছেন ১০০ কোটি রুপি।
দুইদিন আগে তারুনি সাক্ষাত করেন সালমানের সঙ্গে এবং কাজের প্রস্তাব দেন। তারুনি সচেতনভাবেই এই প্রস্তাবটি দিয়েছেন বলে ধারণা। তার কারণ সালমানের গত তিনটি ছবি দাবাং, রেডি, বডিগার্ড পরপর লাগাতার ব্যবসা সফল হয়। প্রতিটা ছবিই আয় করে গড়ে ১৫০ কোটি করে। আর 'এক থা টাইগার' তো এক সপ্তাহেই সেটা করে দেখালো। তাইতো তারুনি প্রস্তুত সালমানকে নিয়ে এখন বাজিতে নামতে। বাজি ধরতেও তো মজবুত উপলক্ষ লাগে! আর কে না জানে বলিউডে সালমান এখন ট্রামকার্ড।
সাম্প্রতিক সময়ে সালমানের 'এক থা টাইগার' বলিউড বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। সালমান জ্বরে ভুগছে ভারতবর্ষ।
তারুনি কিন্তু টাকার পরিমাণ কোনো একটা কারণে মিডিয়ায় চাওর করতে নারাজ। তিনি জানিয়েছেন, সালমান আমার ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তবে পারিশ্রমিকের অংকটা সঠিক নয়। সালমানের সঙ্গে আমার নতুন ছবির কাজ ২০১৩ সালের প্রথমে শুরু করবো এবং কাজের সময়েই সব কথাবার্তা পাকাপোক্ত হবে। সূত্র: এনডিটিভি
সুস্থ জীবনের বন্ধু রাতের আঁধার
Friday, August 24, 2012
জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রস্ত্ততি কাল শুরু
অনূর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে হারিয়ে সপ্তম স্থানে বাংলাদেশ
ব্যবসায়ী শারাপোভা
গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত অন্ধকার: তিন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ
Thursday, August 23, 2012
‘মোস্ট পাওয়ারফুল ওম্যান’ লিস্টে জেনিফার লোপেজ
ঝড় তুললো প্রিন্স হ্যারির নগ্ন ছবি
স্মৃতিভ্রম রোধে চকলেট
লিমনের মা-ভাইয়ের বিরুদ্ধে ‘র্যাব সোর্স’ ইব্রাহিমের হত্যা মামলা
গ্রামীণ ব্যাংকে এমডি নিয়োগে সরকারি নিয়ন্ত্রণ, অধ্যাদেশ জারি
আসামে ফের সহিংসতা, নিহত ৩
তবে তিনজন নিহত হবার খবর পুলিশ স্বীকার করেনি। পুলিশ জানায়, দক্ষিণ আসামের ধুবড়ি জেলায় বন্দুকধারীদের হামলায় একজন আহত এবং দু’জন নিখোঁজ হয়েছেন। রাজ্যের পুলিশের মহানির্দেশক জয়ন্ত চৌধুরী জানান, নিখোঁজ ও আহতেরা সবাই মুসলমান এবং তাদের ওপর গুলি চালিয়েছে সন্দেহভাজন বোদো দুষ্কৃতিকারীরা। পুলিশ আরো বলছে, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে ভেবে দিনের বেলা কারফিউ তুলে নেয়া হয়েছিল, আর সেই সুযোগেই ধুবড়ি ও কোকরাঝাড়ের সীমান্ত এলকায় চাপোরে বুধবার বিকেলে এই সহিংসতা ঘটে। এদিকে কোকরাঝাড়ে নতুন করে সহিংসতার ঘটনার পর রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা সেখানে গেছেন। তারা প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত চাপোর থানাতে পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও কিভাবে তা মোকাবেলা করা যায় তা নিয়ে বৈঠক করেন। গত দু’মাস আগে শুরু হওয়া দক্ষিণ আসামের কোকরাঝাড়, ধুবড়ি প্রভৃতি জেলায় মুসলিম ও স্থানীয় বোদোদের মধ্যে জাতিগত দাঙ্গায় কমপক্ষে ৭৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছে প্রায় দেড় লাখ মানুষ। এখনো সেখানে শতাধিক ত্রাণ শিবিরে দিন কাটাচ্ছেন লাখ লাখ শরণার্থী। উল্লেখ্য, আসামে সাম্প্রতিক জাতিগত দাঙ্গার পরে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে বসবাসকারী অসমীয়াদের ওপরে হামলা হতে পারে এই গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর শনিবার গভীর রাতে ব্যাঙ্গালোর থেকে গৌহাটিগামী একটি বিশেষ ট্রেন থেকে আসামের হাইলাকান্দি অঞ্চলের চার মুসলমানকে মেরে ফেলে দেয়া হয়। এ নিয়ে রাজ্যে উত্তেজনা চলছিল। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো রাজ্য সরকারকে সাবধান করেছিল যে, ঈদের মধ্যে সেখানে সহিংস পরিস্থিতি হতে পারে। সূত্র: বিবিসি/পিটিআই/যুগশঙ্খ














