Pages

Sunday, August 26, 2012

‘আমি ঢাকার ভানু’

‘আমি ঢাকার ভানু’
ঢাকা থেকে কলকাতায় চলে এসে বদলেই গেল দেশ অন্ত প্রাণ এক ‘সাম্যময়’ ছেলের জীবন। পরবর্তীতে ‘বাঙাল’ ভাষাকে নিজের শিল্প-জীবন দিয়ে খ্যাতির অসীম উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। হাস্যকৌতুক শিল্পে নতুন এক ঘরানার জন্মও হয়েছিল তার হাত ধরে। মঞ্চ-চলচ্চিত্র-শ্রুতিনাট্য- স্বরক্ষেপণই জানিয়ে দিত তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। আজ ২৬ আগস্ট তার জন্মদিন। শিল্পী ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা। বাঙালি নাকি ‘স্ত্রী লিঙ্গ’! তা হলে শব্দটির লিঙ্গান্তর করলে কী হবে? কেন ‘বাঙাল’! ‘জনপ্রিয়’ এই ব্যাখ্যাটি বঙ্গ জীবনে হাস্যরসের মোড়কে যিনি পেশ করেছিলেন তার নাম সাম্যময় বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু কী বাঙালি-বাঙাল! ‘মাসীমা মালপো খামু’, ‘টিনের বাক্সে বারো টাকা’, ‘নাগো মিনু আমাগো থার্মোমিটারও নাই, বার্নলও নাই’, ‘দ্রিমু য্রখন ত্রখন স্রব ত্রাইতেই দ্রিমু’... এমন হাজারো সংলাপ বাঙালির মুখে মুখে ফিরত তখন! ফিরত কেন, এখনও তো নানা হাস্য-আলোচনায় ঘুরে ফিরে আসে এই সব সংলাপ। ভাবছেন, এ সবের স্রষ্টা হিসেবে খ্যাত মানুষটির নাম তো ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়! ঠিকই, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোশাকি নাম ছিল সাম্যময়। তার পরিবার কমিউনিজমে বিশ্বাসী ছিল। তাই, মাতামহ যোগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের দেওয়া ‘সাম্যময়’ নাম নিয়ে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘রসিকতা’ ছিল— that I am communist, I bear it in my name. বাংলাদেশের বিক্রমপুরে ১৯২০ সালের ২৬ অগস্ট ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম। অনেক প্রথিতযশা ব্যক্তির জন্ম হয়েছিল এই জেলায়। তার বাবা ছিলেন জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, মা সুনীতি বন্দ্যোপাধ্যায়। ভানুবাবুর প্রাথমিক শিক্ষা পোগোস বিদ্যালয়ে, পরের ধাপগুলিতে জর্জস হাইস্কুল, জগন্নাথ কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ছোটবেলা থেকেই কৌতুক ছিল তার অত্যন্ত প্রিয় বিষয়। আর সে কারণেই বাংলা মঞ্চ-চলচ্চিত্র-শ্রুতিনাট্যে হাস্যকৌতুকের সংজ্ঞাটাই পাল্টে দিতে পেরেছিলেন তিনি। অভিনয় জীবনে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু কৌতুকশিল্পী ছিলেন এমন নয়, ‘সিরিয়াস’ অভিনয়েও তিনি ছিলেন অনবদ্য। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত কলকাতায় কাটালেও নিজেকে ঢাকার ‘পোলা’ হিসেবে পরিচয় দিতে তিনি গর্ব বোধ করতেন। দেশপ্রেমী বাবা জিতেন্দ্রনাথ ছিলেন ঢাকার নবাব এস্টেটের সদর মোক্তার ও মা সুনীতিদেবী ব্রিটিশ সরকারের শিক্ষা দফতরে কাজ করতেন। বাবা-মা সরকারি কর্মচারী ছিলেন বলে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধাচরণ নিষেধ ছিল বাড়িতে। তা সত্ত্বেও ১২ বছরের ভানু লুকিয়ে স্বদেশি আন্দোলনে যোগ দিলেন। ম্যাট্রিক পাশ করার পরে জগন্নাথ কলেজ থেকে ইতিহাসের ছাত্র হিসেবে আইএ পাশ করার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএ পড়েন তিনি। বুদ্ধিমান এই ছাত্রটিকে সব অধ্যাপকেরা ভালোবাসতেন। মোহিতলাল মজুমদার, ড. শহীদুল্লাহ ও আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসুর স্নেহধন্য ছিলেন তিনি। নিজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বেশির ভাগ সময়ে ভানুবাবু সত্যেন্দ্রনাথ বসুর ক্লাসে গিয়ে পড়া শুনতেন। ১৯৪০ সালে যখন বেশির ভাগ অনুশীলন সঙ্ঘের বিপ্লবীরা আরএসপি নামে বামপন্থী দল গঠন করলেন তখন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ও সেই দলের সঙ্গে যুক্ত হলেন। তিরিশের দশকের শেষের দিকে ছাত্রনেতা ভানু আন্দামান থেকে রাজনৈতিক বন্দিদের ফিরিয়ে আনা এবং তাদের মুক্তি আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করলেন। বিপ্লবী দীনেশ গুপ্তের সহচর ও স্বদেশি আন্দোলনে যুক্ত থাকায় রাজরোষে পড়ে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য হলেন ভানু। বিয়াল্লিশের ভারত ছাড়ো আন্দোলনেও তিনি ছিলেন সক্রিয়। দীনেশ গুপ্ত ছাড়াও তিনি বিনয় বসু, কেদারেশ্বর সেনগুপ্ত, রমেশ আচার্যের সংস্পর্শে আসেন। ১৯৪৬-এ বিপ্লবী অনন্ত সিংহের সান্নিধ্যে এসে তার আদর্শ ও চিন্তাধারায় গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। ঢাকা থেকে ‘পালিয়ে’ দেশভাগের অনেক আগেই ঢাকা থেকে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় চলে এলেন। তখন ১৯৪১ সাল। এসেই কর্মজীবনে ঢুকে পড়লেন, অফিসের নাম-আয়রন অ্যান্ড স্টিল কোম্পানি। ঢাকা থেকে কলকাতায় এসে প্রথম দু’ বছর তিনি অশ্বিনী দত্ত রোডে দিদির বাড়ি থাকলেও, পরে টালিগঞ্জের ৪২ নম্বর চারু অ্যাভিনিউতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত পাকাপাকি ভাবে বসবাস। দিদির বাড়ি থাকাকালীন একটি ঘটনা ঘটে। তার ভগ্নিপতি শ্রীবাদল গঙ্গোপাধ্যায় ছিলেন অত্যন্ত রাশভারী ও মেজাজি মানুষ। দিদির বাড়িতে নিয়ম খাওয়ার টেবলে সবাইকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রায় দিনই ভানুবাবুর সময়ের এ দিক ও দিক হয়ে যেত। এক দিন এত দেরি হয়ে গেল যে, এসে দেখলেন, বাড়ির আবহাওয়া থমথমে। সবাই খেয়েছে কি না জানতে চাইলে কোনও উত্তর পাওয়া গেল না। দেখা গেল রান্নাঘরে শেকল তোলা। খবর নিয়ে জানতে পারলেন, আড্ডা থেকে ফিরতে দেরি করায় সকলের খাওয়া বন্ধ করে শেকল তুলে দিতে বলেছেন গৃহকর্তা। এই কথা শুনে তিনি চুপিচুপি শেকল খুলে খাওয়াদাওয়া সেরে আবার আড্ডায় বেরিয়ে পড়লেন। এই কথা জানাজানি হওয়ার পর ভগ্নিপতি তো হতাশ! যার জন্য আদেশ দিয়েছিলেন সে বাদে বাকি সবাই শাস্তি পেল! বিয়ে ও মুখোমুখি ক্যামেরা ১৯৪৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সঙ্গীতশিল্পী নীলিমা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিয়ে হয়। ‘সর্বহারা’ চলচ্চিত্রে ভানুবাবু অভিনয় করেছিলেন আর ওই একই ছবিতে গান গেয়েছিলেন নীলিমাদেবী। বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির অভিনয়-সঙ্গীতের এমন ‘যুগলবন্দি’ সেই প্রথম। শুধু কী তাই, স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে যে ছবিটি প্রথম দেখেছিলেন তার নামও ‘সর্বহারা’। বিয়ের ঠিক তিন দিন পর ২৬ ফেব্রুয়ারি চলচ্চিত্রের শ্যুটিং-এ প্রথম বার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন ভানু। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৪৭-এ মুক্তি পাওয়া ‘জাগরণ’ চলচ্চিত্র দিয়ে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয় জীবনের শুরু। এ ছবিতে সঙ্গীত পরিচালনা করেন সুধীরলাল চক্রবর্তী। আর ভানুবাবু অভিনয় করেছিলেন দুর্ভিক্ষপীড়িতের চরিত্রে। পরে অভিনয়ের কারণেই চাকরি জীবন থেকে নিজেকে ‘মুক্ত’ করেছিলেন ভানু। সেই বছরই ‘অভিযোগ’ নামে অন্য একটি ছবি মুক্তি পায়। এর পর ছবির সংখ্যা বাড়তে থাকে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘মন্ত্রমুগ্ধ’ (১৯৪৯), ‘বরযাত্রী’ (১৯৫১), ‘পাশের বাড়ি’ (১৯৫২) ইত্যাদি। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পেল ‘সাড়ে চুয়াত্তর’। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়কে তার অভিনয় গুণের কারণে চিনে ফেলল আপামর বাঙালি। এ ছবিরই সেই বিখ্যাত সংলাপ- মাসীমা মালপো খামু। পরের বছর মুক্তি পায় ‘ওরা থাকে ওধারে’- ঘটি-বাঙালের চিরন্তন ‘ঠেস’ নিয়ে এই ছবি এবং সেখানে ভানুর অভিনয় চিরস্মরণীয়। অভিনেতার নামে চলচ্চিত্র ও চরিত্রের নাম বাংলা চলচ্চিত্র-ইতিহাসে বোধহয় ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঝুলিতেই রয়েছে- ‘ভানু পেল লটারি’ ও ‘ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিসট্যান্ট’। রেকর্ড থেকে মঞ্চ ১৯৪৩-এ ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম গ্রামোফোন রেকর্ড-এ কৌতুক নকশা বের হয়। নাম ছিল ‘ঢাকার গাড়োয়ান’। শোনা যায়, এই শ্রুতিনাট্যের প্রেরণা তিনি ঢাকার গাড়োয়ানদের কাছ থেকেই পেয়েছিলেন। তার বিখ্যাত শ্রুতি নাটকের সংখ্যা অনেক- যেখানে বাঙাল ভাষাকে ব্যবহার করে হাস্যরসের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। তেমনই সংলাপ- ভানু: আমি ত বাঙাল। আপনে কি? চরিত্র: আমি আবার কি? বাঙালি। ভানু: তাইলে কি খাড়াইল? চরিত্র: কি আবার খাড়াইল? ভানু: কথাডারে ব্যাকরণে ফেলান। আমি হইলাম বাঙাল আর আপনে হইলেন বাঙালি। তার মানে আমি হইলাম পুং লিঙ্গ আর আপনে হইলেন স্ত্রী লিঙ্গ। মঞ্চ নাটকেও তিনি ছিলেন সফল অভিনেতা। সহজ জীবনের স্বাভাবিক হাস্যরসটুকু নিখুঁত, নিপাটভাবে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন আমজনতার মধ্যে। এই নিখাদ হাসির ক্যানভাসে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় অনন্য। তার উল্লেখযোগ্য নাটক-‘মন্ত্রশক্তি’, ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’, ‘লালদিঘির দিনরাত্রি’, ‘শ্যামলী’ ইত্যাদি। ‘রণবীর’ নামের একটি নাটকে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। তখন ভানু ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। অপেশাদার হিসেবে পাড়াতে অভিনয় করেছিলেন ‘চন্দ্রগুপ্ত’ নাটকে, ‘চাণক্য’ চরিত্রে। এ নাটকে ‘চন্দ্রগুপ্ত’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সাহিত্যিক হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। ১৯৪৮ সালে ‘উত্তরসাথী’ ব্যানারে ‘নতুন ইহুদি’ নাটক মঞ্চস্থ হয়। নাটকটি প্রথম অভিনয় হয়েছিল ‘কালিকা’ হলে। অভিনয়ে ছিলেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, সত্য বন্দ্যোপাধ্যায়, সুশীল মজুমদার, বাণী গঙ্গোপাধ্যায়, কানু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। তবে পেশাগত ভাবে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম নাটক ‘আদর্শ হিন্দু হোটেল’- ১৯৫০-এ। ১৯৭০-এ সুনীল নাট্য সংস্থা কিনে নিয়ে ‘সুনীল নাট্য কোম্পানি’ প্রতিষ্ঠা করেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। ১৯৭৪-এ আরও একটি যাত্রা দল গঠন করেন-‘মুক্তমঞ্চ’। এই দল নিয়েই গ্রামে গঞ্জের মাঠে মাঠে যাত্রা করে বেড়াতেন। ১৯৭৮ পর্যন্ত এই দুই দল নিয়ে ‘গোপাল ভাঁড়’, ‘বৈকুন্ঠের উইল’, ‘যমালয়ে জীবন্ত মানুষ’, ‘ভৈরব মন্ত্র’, ‘শ্রীযুক্ত আলিবাবা’ ইত্যাদি পালায় মাতিয়ে তুলেছিলেন গ্রামবাংলা, রাতের পর রাত। ‘রঙ্গনা’য় ১৯৮০ সালে ‘জয় মা কালী বোর্ডিং’-এ অভিনয় করেন। পরে রঙমহলেও নাটকটি হয়েছিল। ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ চলচ্চিত্র ‘শোরগোল’। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৮৪ সালে। এর কিছু দিন আগেই, ৪ মার্চ, ১৯৮৩- উনি প্রয়াত হয়েছিলেন। আজীবন আপামর বাঙালিকে হাসিয়ে নিজের শেষযাত্রায় উনি সবাইকে কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিলেন। ব্যক্তি জীবনে খুবই গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ ছিলেন, যদিও রসবোধ ছিল ষোলআনা। সে জন্যই হয়তো মানুষকে আনন্দ দেয়ার একটা সহজাত প্রতিভা তার ছিল। তবে বাঙালি যত দিন থাকবে, বাংলা চলচ্চিত্রের গগনে এই ভানু যে থাকবেন স্বমহিমায় তাতে কোনো সন্দেহ নেই! শিল্পী ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৩০০-র মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য: • যমালয়ে জীবন্ত মানুষ • পার্সোনাল অ্যাসিস্টেন্ট • মৃতের মর্ত্যে আগমন • ৮০-তে আসিও না • মিস প্রিয়ংবদা • ভানু গোয়েন্দা জহর অ্যাসিন্ট্যান্ট • ওরা থাকে ওধারে • লেডিস সীট • ভানু পেল লটারি • নির্দিষ্ট শিল্পীর অনুপস্থিতিতে প্রকাশিত বই: রসরচনা ‘চাটনি’, ১৯৫৫।

তারা সবাই ফ্যাটি সেলিব্রেটি

তারা সবাই ফ্যাটি সেলিব্রেটি:
আন্তর্জাতিক পরিধিতে নিজেদের সেলিব্রেটিতে পরিণত করেছেন এমন অনেকেই ছিলেন দুর্দান্ত মোটাতাজা গড়নের। অনেকে এখনো তেমনই মোটাতাজা আছেন মাশাল্লাহ। কর্মক্ষেত্রে তাদের এই স্ট্যাটাস থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। যাইহোক আজ আমরা এমন কয়েকজনকে আপনাদের সামনে হাজির করবো যারা কঠোর অধ্যাবসায়ের মাধ্যমে ফ্যাটি ইমেজ থেকে বের হয়ে এসেছেন, এখন তাদের অসাধারণ শরীরি কাঠামো দেখে কারো কল্পনাতেও আসবেনা যে কষ্মিনকালে তাদের গোলগাল আলুমার্কা চেহারা ছিল। অপরাহ্ উইনফ্রে: কিংবদন্তী টক শো’ উপস্থাপিকা অপরাহ্ উইনফ্রে। তিনি বিশ্বের ১০ জন ধনী ব্যক্তির একজন সেইসঙ্গে ফোর্বসের জরিপে ১১ তম ক্ষমতাবান নারী। বর্ণবৈষম্যের দেশে তিনি নিজেকে কোথায় থেকে কোথায় নিয়ে গেছেন। সেটা কিন্তু মোটেও চেহারার গুণে নয়। নান্দনিক অথবা গ্যামারাস বলতে যা বোঝায় তার কোনোটাই মেদবহুল অপরাহ্র নেই। অথচ পৃথিবীর আনাচে কানাচে সর্বত্র পরিচিত এক মুখ অপরাহ্ উইনফ্রে। কুইন লতিফা: আমেরিকান পপসিঙ্গার, মডেল ও অভিনেত্রী কুইন লতিফা। মেদবহুল শরীর নিয়েও স্টেডিয়াম পরিপূর্ণ দর্শক-শ্রোতাদের সামনে জাঁকিয়ে স্টেজ পারফর্মেন্স করেন তিনি। গোল্ডেন গ্লোব ও গ্র্যামী অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী কুইন লতিফা। ক্রমাগত বাড়ন্ত ওজন নিয়ে লতিফার কোনো মাথা ব্যথা নেই। ওজন অথবা চেহারায় কি এসে যায়! মস্তিষ্ক ঠিক থাকাটাই জরুরি। কুইন লতিফার ক্ষেত্রে কথাটা সত্যিই খাটে। সোনাক্ষী সিনহা: অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ শত্রুঘ্ন সিনহার ২৫ বছর বয়সী কন্যা সোনাক্ষী সিনহা। জাঙ্ক ফুড ছিল সোনাক্ষীর প্রধান খাদ্যাভ্যাস। আর এরই ফলে সোনাক্ষী হয়ে উঠেছিলেন ছোটখাট মনস্টার। সালমান খান ২০১০ সালে তার ছবি দাবাংয়ে সোনাক্ষীকে কাস্ট করেন। কিন্তু শর্ত জুরে দেন ওজন কমাতে হবে। ফলে ওজনের সঙ্গে উঠে পড়ে লেগে মোট ৩০ কে.জি কমিয়ে ছবিতে অভিনয় করেন সোনাক্ষী। ৩০ কে.জি কমানোর পরেও সোনাক্ষী বলিউডের সবথেকে ফ্যাটি নায়িকা। বোঝেন কি অবস্থা! কারিনা কাপুর: বলিউডের অভিষেক পেতে কারিনা কাপুরকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে। কারণ হলো তার অতি ওজন। বোন কারিশমা কিছুতেই চাননি কারিনা মোটাতাজা ইমেজ নিয়ে দর্শকদের সামনে হাজির হন। সুতরাং আঁটঘাট বেধে ওজন কমানোর প্রজেক্টে নামতে হয়েছিল কারিনাকে। কারিনার প্রথম ছবি রিফিউজি দেখলেই সবার মনে পড়ে যাবে। রিফিউজির পরেও স্থুল শরীর নিয়ে অনেক ছবিতে কাজ করেছেন কারিনা। হঠাৎ করেই তাশান ছবির মাধ্যমে জিরো ফিগার ধারণ করেন কারিনা। বলিউডবাসিদের চোখ তো ছানাবড়া! ভড়কে যান সমসাময়িক নায়িকারা। জিরো ফিগারের বিকিনি বডি জাতীয় হিস্টিরিয়াতে পরিণত হয়। বলিউড দর্শকরাও নায়িকাদের জিরো ফিগার দেখতে উদ্বুদ্ধ হন সেইসঙ্গে অন্যান্য নায়িকাদের উদ্বিগ্নতা বাড়িয়ে দেন। সোনম কাপুর: ৯৫ কে.জি ওজনের মালিক ছিলেন অনিল কাপুর কন্যা সোনম কাপুর। কারণ ঐ একই জাঙ্ক ফুড গ্রহণ। মা সুনিতা কাপুর সোনমকে ৩৫ কে.জি ওজন কমাতে টার্গেট বেধে দেন । সোনম তার টার্গেট পূরণ করেছেন। বলিউডের এখনকার সবথেকে স্টাইলিশ মেয়ে হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন সোনম। আদনান সামী: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সংগীতশিল্পী আদনান সামী। ‘ভিগি ভিগি রাতও মে, ফির তুম আও না, এয়সি বারসাতও মে, আও না’ গানটির কথা মনে আসলেই চোখে ভাসে ভীষণ মিষ্টি চেহারার নাদুস নুদুস এক শিল্পীর মুখ। সামীর ওজন গিয়ে ঠেকেছিল ২০৬ কে.জিতে। ডাক্তার আল্টিমেটাম দিয়ে দিয়েছিলেন তড়িঘড়ি ওজন না কমালে সামী আর ছয় মাসও টিকবেন না। তাকে মরতে হবে। সুতরাং কি আর করা। বেচারা! ক্র্যাশ ডায়েট ও সার্জারির মাধ্যমে সামী ১০৬ কে.জি ওজন কমাতে সক্ষম হলেন। এখন দেখলে আগের চেহারা কল্পনাও করা যায় না। রাণী মুখার্জি: আলুর দম’য়ের সঙ্গে রাণী মুখার্জির দারুণ একটা মিল ছিল। এমনিতেই বামনাকৃতি উচ্চতা তার ওপরে আবার রাজ্যের ভার! ‘কুচ কুচ হোতা হ্যায়’ ছবিতে রাণীকে দেখে সবাই ভীষণ হতাশ হয়েছিলেন। শুধু একটা সম্পদ ছিল পরিপূর্ণ। সেটা নিয়েই রাণী মুখার্জি পরবর্তীতে বলিউডের রাণীতে পরিণত হয়েছিলেন। সেটা হলো দিগন্ত বিন্তির্ণ মোহময়ী হাসি। ওজনটা যদিও কমিয়ে এনেছিলেন ক্যারিয়ারের স্বার্থেই। অর্জুন কাপুর: ১৭০ কে.জি ওজনধারী অর্জুন প্রযোজক-পরিচালক বনি কাপুরের পূত্র। সালমান খান সবার জন্যেই ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভুত হন। সালমানের পরামর্শেই অর্জুন ওজন কমাতে উদ্যোগী হন এবং ইশকজাদে ছবির মাধ্যমে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন। দিলরুবা খান: বাংলাদেশের চিরতরুণ মুখশ্রীর গায়িকা দিলরুবা খান। ‘পাগল মন মন রে, মন কেন এত কথা বলে’ অথবা ‘রেললাইন বহে সমান্তারাল’ গান গেয়ে শ্রোতাদের মনে চিরস্থায়ী আসন দখল করেছেন। ব্যতিক্রমি মাধুর্য্যমণ্ডিত সুরের জাদু তার কন্ঠে অনন্য হয়ে ওঠে। দিলরুবা খান যবে থেকে সেলিব্রেটি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন তখন থেকে এখন পর্যন্ত ঠিক একই রকম স্থুলকায় আছেন। কোনো নড়চড় হয়নি। তাতে কি! তিনি আমাদের অতি প্রিয় এক শিল্পী। স্থুল শরীরেই তিনি ভক্ত শ্রোতাদের কাছে দুর্দান্ত সুন্দরী।

মদপানে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি

মদপানে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি:
প্রাচ্যের নিন্দনীয় পশ্চিমের জনপ্রিয় মদ বা অ্যালকোহলের প্রতি যদি থাকে আকর্ষণ, থাকে যদি নিয়মিত পানের অভ্যাস তবে জেনে রাখুন আছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। খারাপ ছাড়া ভালো কিছু নেই সুরাপানে। মদ পানের ক্ষতিকর দিকগুলো সঠিকভাবে জানলে অনেকেই হয়তো সুরাসক্তি থেকে সরে আসবেন। কি না হয় মদ পানের কারণে? পা থেকে মস্তিষ্ক পর্যন্ত সারা দেহই আক্রান্ত হয় মদের কুপ্রভাবের দ্বারা। অ্যালকোহল শরীরে বিপাকের মূল অঙ্গ লিভার। মদপানে এই লিভারের বারোটা বেজে যায়। ফ্যাটি লিভার, জন্ডিস, লিভার বড় হয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে লিভার সিরোসিস নামের ভয়ঙ্কর রোগ পর্যন্ত হতে পারে। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হলে অকালে মৃত্যুবরণের আশঙ্কা বেড়ে যায় অনেকখানি। হতে পারে লিভার ক্যানসার যার ফলাফল নিশ্চিত মৃত্যু। বুকজ্বালা, গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা বেড়ে যায়, অগ্নাশয়ে হতে পারে প্যানক্রিয়াটাইটিস বা আগ্নাশয়ের প্রদাহ যা খুব মারাত্মক। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করলে এটা রোগীর জীবনাবসান করাতে পারে। মুখগহবর, শ্বাসনালী ও খাদ্যনালি, কোলন বা বৃহদান্ত্রের ক্যানসারেও মদিরার ভূমিকা আছে। কিডনির আকার বাড়িয়ে দেয়া, কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে কিডনির হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করা, কিডনি বিকলে ভূমিকা রাখার মতো দুষ্টু কাজে মদের ভূমিকা রয়েছে।অতিরিক্ত মদপানের কারণে হৃদরোগের সমস্যা হতে পারে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায়, উচ্চ রক্তচাপের আশঙ্কা বাড়ে। ওজন বাড়তে পারে, হৃদপেশি বিকল হয়ে হার্টফেইলর বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়াও বন্ধ হতে পারে। হতে পারে মস্তিস্কে স্ট্রোক, ডিমেনশিয়া বা স্মৃতি ভ্রষ্টতা। মদপানকারীর মানসিক স্বাস্থ্যেরও বেশ অবনতি ঘটে। বিষণ্ণতা, দুশ্চিন্তা, মানসিক অস্থিরতা, অনিদ্রা, কাজে একাগ্রতার অভাব সবকিছু মিলিয়ে একজন সুরাসক্ত মানুষ মনের দিক থেকে খুবই অশান্তিতে থাকেন। গর্ভবতী মা যদি মদ পান করেন তবে আগত সন্তানের মারাত্মক জন্মগত ত্রুটি দেখা দেয়। শিশুর শারীরিক গঠনে অস্বাভাবিকতা থাকে, মস্তিষ্কের স্বাভাবিক পরিবর্ধন ও পরিবর্তন হয় না এবং এসব সমস্যার কোনো সমাধান নেই। যারা অল্প সময়ে প্রচুর অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়, বাংলাতে যাকে আমরা মাতলামি বলতে পারি। মাতাল ব্যক্তি তার নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, চলাফেরা ও কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা যায়। মানসিকভাবে উত্তেজিত হয়ে অপরের সঙ্গে ঝগড়া, মারামারি করতে পারেন। মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় অনেকেই মারা যায়। আমাদের দেশে বাস-ট্রাক ড্রাইভারদের অতিরিক্ত অ্যাক্সিডেন্টের অন্যতম কারণ এই মদাসক্তি। অনেকে অ্যালকোহলের বিষক্রিয়ায় মারাও যেতে পারেন। যেসব পুরুষ মদ পান করেন সাময়িকভাবে তাদের মাঝে যৌন চাহিদা বাড়লেও পরবর্তীতে তাদের যৌন ক্ষমতা হ্রাস পায়। টেস্টেরোন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকেরা। মহিলাদের ক্ষেত্রে অ্যালকোহলের ক্ষতিকারক দিক পুরুষদের থেকে বেশি। মহিলাদের ব্রেস্ট ক্যানসারের একটা অন্যতম কারণ হিসেবে মদপানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। হাড় ক্ষয় বা অস্টিওপরোসিসের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অ্যালকোহলিক নারীদের মাঝেই বেশি দেখা যায়। মদ, মদিরা, সুরা, ব্রানডি, বিয়ার, শ্যাম্পেন, হুইস্কি, রাম ইত্যাদি যে নামেই ডাকি না কেন এসব পানীয়তে রয়েছে অ্যালকোহল। সাময়িক আনন্দ, ফুর্তি, স্বস্তির স্বাদ পেতে মদের পথে ছুটে যান অনেকে, ফেরার পথে শরীরে নিয়ে আসেন মারাত্মক সব রোগব্যাধি। তাই আজ থেকে মদ পরিহার করুন। সুস্থ দেহে সুস্থ মন নিয়ে বেঁচে থাকুন অনেক দিন।

সাগর-রুনি হত্যা: সন্দেহভাজনদের ডিএনএ নমুনা নেবে র‌্যাব

সাগর-রুনি হত্যা: সন্দেহভাজনদের ডিএনএ নমুনা নেবে র‌্যাব
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা সংশ্লিষ্ট রাসায়নিক ও ডিএনএ পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পাওয়া যেতে পারে বলে র‌্যাব সূত্র উদ্ধৃত করে খবর বের হবার পর শুক্রবার এ বিষয়ে মুখ খুলেছে পুলিশের এ অভিজাত বাহিনীটি। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার এম সোহায়েল শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে রাসায়নিক ও একটি ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল আসার পর সাগর-রুনির খুনিদের শনাক্ত করতে মাঠে নামবেন তারা। তার আগে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করার কাজ শুরু হচ্ছে। কমান্ডার এম সোহয়েল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাওয়া ডিএনএ প্রোফাইলের সঙ্গে মিলিয়েই অপরাধী শনাক্ত করার চেষ্টা করা হবে। প্রথম শ্রেণীর একজন কর্মকর্তাকে এ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আরও তিনজন কর্মকর্তাকে তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তারা প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ করছেন। শুক্রবার দৈনিক প্রথম আলো তাদের ছাপা সংস্করণে খবর দেয় যে র‌্যাবের একাধিক কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে জানান, অপরাধস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত পরীক্ষার পর তারা মনে করছেন, পেশাদার খুনির হাতে এ দম্পতি খুন হতে পারেন। খুনের সময় সাগরের মতো রুনিকেও নির্যাতন করা হয়েছে। রুনির কপালে চাকুর গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার মাথার চুলও কাটা পাওয়া গেছে। মৃতদেহের আশপাশে এসব চুল পড়ে ছিল। এ ছাড়া রুনির কাপড় ও হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি-বঁটিতেও চুল লেগে ছিল। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য দুই দফায় যুক্তরাষ্ট্রের রাসায়নিক ও ডিএনএ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়। এরপর গত ১২ জুন প্রথম দফায় পাঠানো হয় হত্যাকা-- ব্যবহূত একটি ছুরি, ছুরির বাঁট, সাগরের মোজা, একটি কম্বল, সাগরের পরনের প্যান্ট, রুনির পরনের প্যান্ট ও অন্য কাপড়ের নমুনা। গত ১৭ জুলাই দ্বিতীয় দফায় পাঠানো হয় হত্যাকান্ডের সময় যে কাপড় দিয়ে সাগরের হাত ও পা বাঁধা হয়েছিল, সেই কাপড় এবং রুনির টি-শার্ট। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পরীক্ষাগার থেকে তাদের জানানো হয়েছে, বেশির ভাগ নমুনাতেই একাধিক ব্যক্তির ছাপ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রুনির টি-শার্ট থেকে একজনের পূর্ণাঙ্গ প্রোফাইল পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকান্ডের সময় যে ধস্তাধস্তি হয়েছে, তাতেই রুনির টি-শার্টে ওই ব্যক্তির চুল ও হাতের ছাপ লেগে যায়। সাগরের হাত ও পা বাঁধা হয়েছিল যে কাপড় দিয়ে, তার নমুনা থেকে অন্য কারো ডিএনএ শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে। র‌্যাব সূত্র জানায়, এ মামলার প্রত্যক্ষদর্শী সাগর-রুনির সন্তান মেঘের কাছ থেকে মনোরোগ চিকিৎসকদের সহায়তা নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তিন দফা মেঘের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা সম্পর্কে ন্যাশনাল প্রোফাইলিং ডিএনএ ফরেনসিক ল্যাবরেটরির প্রধান শরীফ আখতারুজ্জামান বলেন, ডিএনএ (ডি অক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নির্দেশ করে। এটি জিনের একটি উপাদান। মানুষের সব বৈশিষ্ট্য বহন করে ডিএনএ। হাতের ছাপ, চুল, কফ, থুতু, রক্তসহ শরীরের যেকোনো উপাদান থেকেই ডিএনএ পরীক্ষা করা যায়। এই ডিএনএ থেকে ব্যক্তিকে শনাক্ত করা সম্ভব। প্রসঙ্গত, গত ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া ফ্ল্যাট থেকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন খুনিদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। এরপর পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার ‘প্রণিধানযোগ্য অগ্রগতি’র কথা বলেন। কিন্তু এর পরও কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় গত ১৮ এপ্রিল মামলার তদন্ত সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ আদালতে ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে নেয়। এরপর উচ্চ আদালত র‌্যাবকে মামলার তদন্ত করার নির্দেশ দেন। তদন্তভার পাওয়ার পর গত ২৬ এপ্রিল ভিসেরা আলামতের জন্য দুজনের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ভিসেরা পরীক্ষায় সাগর-রুনির শরীরে বিষক্রিয়ার কোনো আলামত মেলেনি। তদমত্ম শুরুর পর এখনো এ মামলায় কাউকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। তবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে চারজনকে অন্য মামলায় গ্রেফতার করে। গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত পর্যায়ে ৪০ জনকে এবং র‌্যাব এখন পর্যন্ত ৯৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

কাপাসিয়া উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোহেল তাজের বোন

কাপাসিয়া উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সোহেল তাজের বোন
ভাইয়ের ছেড়ে যাওয়া সংসদীয় আসনে একই দল থেকে প্রার্থী হলেন তাজউদ্দিন কন্যা সিমিন হোসেন রিমি। কাপাসিয়া (গাজীপুর-৪) সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই উপনির্বাচন বর্জন করছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। শনিবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় সংসদীয় বোর্ডের সভায় রিমিকে এ আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনায়ন দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আওয়ামী লীগ। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও দলটির সংসদীয় বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম একথা জানিয়েছেন। তাজউদ্দিন এবং জোহরা তাজউদ্দিনের ছেলে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য তানজিম আহমদ সোহেল তাজ ২০০১ ও ২০০৮ সালে ওই আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত ৭ জুলাই তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ পদত্যাগ করলে এ আসনটি শূন্য হয়। এর আগে ২০০৯ সালের ৩১ মে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর পদও ছাড়েন সোহেল তাজ। নির্বাচন কমিশন গত ২৩ আগস্ট এ আসনের উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Saturday, August 25, 2012

গাছ না লাগালে বিয়ের অনুমতি নয়

গাছ না লাগালে বিয়ের অনুমতি নয়



বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পূর্বেই পাত্র-পাত্রীকে কমপক্ষে দুটি গাছ লাগাতে হবে। আর গাছ না লাগালে বিয়ের অনুমতিও পাওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে পশ্চিম ইন্দোনেশিয়ার মিডান শহরের ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়।

সম্প্রতি সুমাত্রার প্রধান শহর মিডানের ধর্ম বিষয়ক কার্যালয় পরিবেশবান্ধব এ উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী মার্চ থেকেই প্রশাসনের এই নীতি কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।

দেশটির ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়ের কর্মকর্তা ইওয়ান জুলহানি মনে করেন, এ উদ্যোগের ফলে মিডান শহরে নতুন দুই হাজার গাছ যুক্ত হবে। যা এক সময় নতুন ওই জুটিদের আশেপাশেই বড় হবে।

এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশটির সরকারও। মিডানের পাশে সুলাউইসি দ্বীপেরও বেশ কয়েকটি জেলায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ায় মুসলিম ধর্মের জুটিদের বিয়ের সময় বাধ্যতামূলকভাবে স্থানীয় ধর্ম বিষয়ক কার্যালয়ে নিবন্ধন করতে হয়। অন্যদিকে অমুসলিমদের নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী বা সিভিল রেজিস্ট্রি অফিসে বিবাহ নিবন্ধন করতে হয়। সূত্র: ওয়েবসাইট

মঙ্গলে কিউরিওসিটির প্রথম ‘টেস্ট ড্রাইভ’

মঙ্গলে কিউরিওসিটির প্রথম ‘টেস্ট ড্রাইভ’ 


দু'সপ্তাহ আগে অবতরণের পর এবার মঙ্গল গ্রহে সফলভাবে চলতে শুরু করেছে কিউরিওসিটি৷ ক্যালিফোর্নিয়ায় নাসা কর্মকর্তা ম্যাট হেভারলি বলেন, “কিউরিওসিটি বুধবার সফলভাবে মঙ্গলে চলতে সক্ষম হয়েছে৷ আমাদের এই রোভারে সম্পূর্ণ সচল মোবিলিটি সিস্টেম রয়েছে।”

২.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের এই যানটি গত ৬ আগস্ট মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করে৷ বুধবার এটি অবতরণস্থল থেকে প্রায় ছয় মিটার সামনের দিকে এগিয়ে যায়৷ তার আগে অবশ্য কিউরিওসিটি ৯০ ডিগ্রি এঙ্গেলে ঘোরে এবং সামনের দিকে এগোনোর আগে কিছুটা পেছনের দিকে যায়৷ এক বিবৃতিতে নাসা জানিয়েছে, অবতরণস্থল থেকে ২০ ফুট দূরে পৌঁছেছে যানটি৷

ইতিমধ্যে কিউরিওসিটি তার যাত্রাপথের ছবি পাঠিয়েছে৷ এতে মঙ্গলের বুকে যানটির চাকার দাগ ফুটে উঠেছে৷ লাল গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব সন্ধানের আগে আরো কয়েকটি টেস্ট ড্রাইভে অংশ নেবে কিউরিওসিটি৷ মার্স সায়েন্স ল্যাবরেটরি প্রকল্পের ম্যানেজার পিটি থিসিঞ্জার এই বিষয়ে বলেন, “আমরা আমাদের দু'বছরের মিশনের মাত্র ১৬ দিন অতিক্রম করেছি৷ আমরা এখনো নমুনা সংগ্রহের কাজ শুরু করিনি৷ এই মঙ্গল মিশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সেখানকার বিভিন্ন উপাদানের নমুনা সংগ্রহ৷”

এদিকে, মঙ্গলের যে স্থানে কিউরিওসিটি অবতরণ করেছিল সেই স্থানের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে নাসা৷ কিউরিওসিটি টিম এই স্থানের নাম দিয়েছে ‘ব্র্যাডবেরি ল্যান্ডিং'৷ বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী লেখক ব্র্যাডবেরি গত জুন মাসে মারা যান৷ বুধবার ছিল তার ৯২তম জন্মবার্ষিকী৷

কিউরিওসিটি মঙ্গলে কোনো ভিনগ্রহের জীব কিংবা জীবন্ত কোনো কিছুর সন্ধান পাবে, এমন আশা করছেন না বিজ্ঞানীরা৷ তবে মঙ্গলের মাটি এবং পাথরের নমুনা পরীক্ষা করে সেখানে আদৌ কখনো প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিনা বা সেখানে প্রাণের উপস্থিতি সম্ভব কিনা-তা বোঝার চেষ্টা করবেন বিজ্ঞানীরা৷

এই প্রকল্পের মাধ্যমে মঙ্গলের পরিবেশ সম্পর্কেও একটি ধারণা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে৷ এই মিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে ভবিষ্যতে মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করবে নাসা৷ ২০৩০ সাল নাগদ মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে পারে নাসা৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ভাটার টান

ফেসবুকের জনপ্রিয়তায় ভাটার টান 

২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যাত্রা শুরু করার পর থেকেই ফেসবুকের পথটা ছিল অনেকটাই মসৃণ। যত দিন গেছে হাওয়ার গতিতে বেড়েছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা। জনপ্রিয়তার পারদও ছিল বরাবরই ঊধ্বমুখী। তবে এবার নাকি সত্যিই ভাটা পড়েছে আট বছর পুরানো এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির জনপ্রিয়তায়।

বিশ্বাস না হলেও তথ্য অন্তত সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। পরিসংখ্যান বলছে, ১০ কোটি নতুন ইউজার তৈরি করতে ফেসবুকের লেগেছে ২১৫ দিন। এমনকি চাপে পড়ে ইউজারদের গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রেও কড়া নীতি আনতে চলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

কিছুদিন আগেও ১০ কোটি নতুন ইউজার তৈরি করতে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর হাতেগোনা কয়েকটা দিন লাগতো। কিন্তু এবার ৮০ কোটি থেকে ৯০’র ঘরে পৌঁছতে ফেসবুকের সময় লেগেছে পাক্কা ২১৫ দিন। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম ১০ কোটির গণ্ডি পেরোতে ফেসবুকের ২০০ দিনের বেশি সময় লাগলো।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষের চিন্তা আরো বাড়িয়েছে কানাডা, আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলো। পরিসংখ্যান ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, গত দু’বছরের তুলনায় চলতি বছরের জুনের পর থেকে এই দুই দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৯ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে ইউরোপে ব্যবহারকারীর সংখ্যাটা কমেছে ৩২ থেকে ২৫ শতাংশ হারে।

এর জন্য ২০০৯ সালে ফেসবুকের গোপনীয়তা নীতির রাশ আলগা করাকেই দায়ী করছেন অনেকে। কারণ এই নীতির ফলে ইউজারদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য খুব সহজেই তৃতীয় পক্ষ বা বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছিল। বাধ্য হয়ে একবার ফের গোপনীয়তা নীতিতে লাগাম পড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সূত্র: জিএন
 

নো মেক আপ: কঙ্গনা রনৌত

নো মেক আপ: কঙ্গনা রনৌত
 

বলিউডের অভিনেত্রীরা এমনিতেই নজরকাড়া সৌন্দর্যের হকদার; তাও তারা মেক আপ কেন করেন বলুন তো? ওটা নিয়ম; করতে হয়, নইলে পিছিয়ে পড়তে হয়। আসলে ক্যামেরার সামনে যা থাকে, তার পুরোটাই তো সাজান-গোছান! সেই নিয়মেই অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মুখেও রংয়ের পোঁচ, স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে তোলার সার্থক চেষ্টা। তবে না রূপে ভোলান যাবে! কিন্তু জনৈক বলিউড-বেবি সে কথা কানে তুললে তো? নতুন ছবিতে কিছুতেই মেক আপ করবেন না বলে ঠিক করে ফেলেছেন তিনি। কে এই দুঃসাহসী কন্যে?
 
তার দুঃসাহস নিয়ে কি আর বাজারে শুধু একটা গল্প? হিমাচলের ছোট শহর মান্ডিতে তার বড় হয়ে ওঠা, হুট করেই মাঝপথে থামিয়ে দেন কলেজের পড়া। মডেল হওয়ার ভূত মাথায় চাপতেই ২০০৩ সালে তিনি সোজা দিল্লিতে চলে আসেন মডেলিং করতে। জার্নি শুরু হয় ঠিক সেই সময় থেকেই। সামান্য মেদ মাখান, আলোর দ্যুতি ছড়ান সেই মেয়েটির কোঁকড়া চুল কিংবা গ্ল্যামারাস চাহনির জন্য বলিউড তাকে কোনোদিনই ভুলবে না। অবশ্য এমনিতেই বল্গা হরিণীর উদ্দাম চরিত্রে অভিনয় করে করে সবার চোখ ছানাবড়া করে ফেলেছেন কঙ্গনা রনৌত।
 
এহেন নায়িকার কীর্তিকলাপ নিয়ে যদি গুঞ্জন না ওঠে, তো কিসে উঠবে? কঙ্গনা যা করেন, সেটাই তো ঠাঁই পায় লোকের মুখে মুখে। প্রথম ছবি 'গ্যাংস্টার'-এ ধুম মাচান অভিনয়, দর্শককে প্রেমের মায়াবী অভিনয়ে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখা সেই নারীই 'ফ্যাশন' ছবিতে নেগেটিভ রোলে নেশাতুর আবেশে মেতে থেকে ধাঁধিয়ে দিয়েছিলেন দর্শকদের মন। ফলে দুটো ছবিই বেশ হিট| আর দুটো ছবিরই কমন ব্যাপারটা হলো যে, যেমন রোলেই পার্ট করুন না কেন, গ্ল্যামার যেন কোনো মাত্রায় কম পড়েনি তার।
 
হ্যাঁ, বলিউড থেকে বাঙালি-সকলেই মনে মনে তার মনভোলানো স্ক্রিন ছেয়ে থাকা মোহিনী আবেদনের জন্যই ভালোবাসেন তাকে। তবে একটানা দুঃসাহসিক ব্যতিক্রমী চরিত্রে অভিনয় আর গ্ল্যামারের কেন্দ্রে থাকতে থাকতে হাঁপিয়ে উঠেছেন কঙ্গনা। স্বভাবমতো শুরু করে দিয়েছেন বিদ্রোহ। কিভাবে? চিরাচরিত গ্ল্যাম শ্যাম লুকের বাইরে গিয়ে এবারে এই মানবী অভিনয় করতে চলেছেন একেবারেই এক নন-স্টাইলিশ মহিলার চরিত্রে। আর সেইখান থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে গুজগুজ-ফুসফুস!
 
কেননা, কঙ্গনার ফ্যান থেকে শুরু করে ছবির ডিজাইনাররা সকলেই মনে করছেন এই অসাধ্য সাধনটা করবেন কী করে তিনি? সামান্য কিছু আটপৌরে সাজেই ঝলমলিয়ে ওঠে যার সবটুকু, সেই মানুষটিকে সাজবিহীন ছিমছাম তরুণীর লুক দেয়াটা যে বেশ কঠিন ব্যাপার। তা, কোন ছবিতে এমন আটপৌরে চেহারায় দর্শন দিতে চলেছেন কঙ্গনা? ছবির নাম এই মুহূর্তে না জানা গেলেও ছবির ডিজাইনার মানসী নাথ ও ঋষি শর্মা দুজনেই যে মহা চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন- এটুকু ভালো মতোই জানা যাচ্ছে কানাঘুঁষোতে। এখন অপেক্ষা করে দেখা যাক কঙ্গনা এই লক্ষ্যপূরণে কতটা সফল হতে পারেন! সূত্র: আনন্দবাজার

শ্রেয়া আর সুনিধি: মিল-অমিল

শ্রেয়া আর সুনিধি: মিল-অমিল


তাদের শিরায় একই রক্ত বইছে না। লতা মঙ্গেশকর আর আশা ভোঁসলের মতো মুম্বাইয়ের পেডার রোডের প্রভুকুঞ্জে তারা একসঙ্গে থাকেনও না। কিন্তু এক সময়ে এই দুই বোন যেমন দাপটে ভারতীয় মহিলা প্লেব্যাক গানে রাজত্ব করেছেন, গত ১৩ বছরে সেই দুনিয়ায় এদের দাপটও তেমনই প্রতিরোধহীন। শ্রেয়া ঘোষাল আর সুনিধি চৌহান। এক হিসেবে তারাও যেন দুই বোন।

রাজীব বিজয়কর তাদের ডিএনএ বিশ্লেষণ করলেন গত হপ্তায় তিন জন প্রথম শ্রেণীর সঙ্গীত পরিচালকের সঙ্গে আড্ডা হচ্ছিল। বান্দ্রার এক ক্যাফেতে। দেখলাম তারা একটা বিষয়ে একমত। দু'জন গায়িকার রেকর্ডিং থাকলে, মোটামুটি একবেলা কাজ করলেই হয়ে যায়। তারা এতই তুখড়, যে নোটেশান মিলিয়ে গান তুলে, রিহার্সাল করে, ফাইনাল টেক নিয়ে সকালের মধ্যেই কাজ শেষ। তার পর বাড়ি গিয়ে নিশ্চিন্তে দুপুরের ঘুমটা দেওয়া যায়। ঠিক যেমনটা হত পঞ্চাশের দশকে। দুই মারাঠি বোন যখন গাইতেন।

আর এখন? কারা এই দুই গায়িকা?

কারা আবার? শ্রেয়া ঘোষাল আর সুনিধি চৌহান। আপনাদের হয়ত মনে থাকবে দুই মারাঠি বোনকে চালেঞ্জ জানাতে বিভিন্ন সময়ে অনেকেই উঠে এসেছিলেন। গীতা দত্ত, সামশাদ বেগম, সুমন কল্যাণপুর, বাণী জয়রাম, রুনা লায়লার। কিন্তু কেন জানি না, এত জন থাকা সত্ত্বেও লতা মঙ্গেশকর এবং পরবর্তী কালে বোন আশা ভোঁশলে কী করে যেন সবাইকে ছাপিয়ে বলিউডে বহু দূর এগিয়ে গিয়েছিলেন। ওরাই পেরেছিলেন পঞ্চাশের দশক থেকে আশির দশকের মাঝামাঝি পর্যন্ত গানের বাজারকে একচেটিয়াভাবে দখল করে রাখতে।
আজকেও গানের দুনিয়াতে রাজত্ব করছেন এমনই 'দুই বোন'। তাদের রক্তের সম্পর্ক নেই। কিন্তু লতা-আশা যেমন মহিলা প্লে-ব্যাক জগৎটা মোনোপোলাইজ করে ফেলেছিলেন, এই দুই 'এস'-ও তাই করছেন।
 
একদিকে শিশুশিল্পী হিসেবে আদেশ শ্রীবাস্তবের হাত ধরে ধূমকেতুর মতো ওঠা সুনিধি চৌহান আর অন্য দিকে ইসমাইল দরবারের আবিষ্কার শ্রেয়া ঘোষাল। যেখানে সুনিধি বলিউডকে উপহার দিলেন 'রুকি রুকি'র (মস্ত) মতো গান যার ছন্দে দুলেছিল আপামর জনসাধারণ সেখানে শ্রেয়ার 'বৈরি পিয়া' (দেবদাস) ছুঁয়ে গিয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল শ্রোতাদের হৃদয়। মঙ্গেশকর বোনেদের মতোই এই দুই গায়িকাও তাদের সঙ্গীত জীবন শুরু করেছিলেন ছোটখাটো সুরকারদের সঙ্গে। তাদের হাত ধরেই শ্রেয়া-সুনিধির প্রতিভার সঠিক বিচ্ছুরণ ঘটেছিল।


মঙ্গেশকর বোনেদের সঙ্গে শ্রেয়া সুনিধির জীবনের তুলনা চলে না। তবু কিছু তুলনা কোনও না কোনও ভাবে এসেই পড়ে। ঠিক যে ভাবে মঙ্গেশকর বোনেরা তাদের সমসাময়িক শিল্পীদের পেছনে ফেলে প্রতিভার দৌড়ে এগিয়ে গিয়েছিলেন, শ্রেয়া আর সুনিধির ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।
 
শ্রেয়া আর সুনিধি যখন গানের জগতে এলেন, তখন রাজত্ব করছেন অলকা যাজ্ঞিক, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি। ঠিক এমনটাই ঘটেছিল লতাজি আশাজির বেলায়। লতার কাছে গানের রোল মডেল ছিলেন নূরজাহান। আশার গানে প্রভাব পড়েছিল গীতা দত্তের। কিন্তু কোনও শিল্পী যখন আরেক সমসাময়িক শিল্পীকে ছাপিয়ে এগিয়ে যান তার কারণ হয়ে ওঠে তার বা তাদের গায়কীর মৌলিক শৈলী।

মিল-অমিল
তবে যেকোনো মুহূর্তেই ভেঙে যেতে পারে শ্রেয়া বা সুনিধির এই একাধিপত্য। হয়তো আজই ঘটল সেটা। কিন্তু বাস্তব তথ্য বলছে গত ১৩ বছরে অজস্র গায়িকা এলেও সুনিধি-শ্রেয়াকে ছাপিয়ে যাওয়া তো দূরস্থান, সমকক্ষও হয়ে উঠতে পারেননি।
সঙ্গীত পরিচালক শান্তনু মৈত্র অনেক কাজ করেছেন শ্রেয়ার সঙ্গে। কিন্তু তার কাছেও শ্রেয়া-সুনিধি একই গোত্রের শিল্পী। "শ্রেয়া আর সুনিধির মধ্যে কোনো তুলনায় আমি যাব না। দু'জনেই উঁচুদরের শিল্পী। সব চাইতে বড় কথা হল এই দুই মেয়ে গত ১৩ বছর ধরে একচেটিয়া ভাবে চালিয়ে তো দিল। আশাজি-লতাজির পর অসামান্য গায়িকাদের দরকার ছিল। সেই ফাঁকা জায়গাটা ওরা দুজনে পূরণ করেছে দাপটের সঙ্গে। তুলনায় কিন্তু রফি-কিশোর-মান্নাদের পর তেমন এককচেটিয়াভাবে গান গেয়ে চলা গায়ক বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে আসেনি। প্রচুর ছেলে গান গাইছে। কিন্তু শ্রেয়া বা সুনিধির মতো অনিবার্য হতে পারছে না।

"আজকাল যদি দশটা গান হিট করে, তার মধ্যে ন'টাই শ্রেয়া বা সুনিধির গাওয়া," বলছেন শান্তনু।

হিন্দি প্লেব্যাক দুনিয়ায় অবশ্য সাফল্যের দুটো শর্ত আছে। প্রথমত কণ্ঠস্বর আর সুর লাগানোর নতুনত্ব। দ্বিতীয়ত বৈচিত্রময়তা। প্রথমটা একেবারেই ভাগ্যের ব্যাপার। যার আছে তার আছে, যার নেই তার নেই। দ্বিতীয় ব্যাপারটা অনেকটাই নির্ভর করে একাগ্র পরিশ্রম আর সুযোগের ওপর।
 
শ্রেয়া আর সুনিধি দুজনেই বেড়ে উঠেছেন কল্যাণজি-আনন্দজির সান্নিধ্যে। সেই কল্যাণজি আনন্দজি, যারা ষাটের দশক থেকে বলিউডি শিল্পীদের প্রায় এক তৃতীয়াংশের উত্থান ঘটিয়েছেন।


দিল্লির এক আসরে টেলিভিশন সঞ্চালক তাবাসসুমের নজরে পড়েন সুনিধি। বয়স বছর দশেক তখন। সুনিধির বাবা-মাকে রাজি করিয়ে মুম্বাইয়ে আনার ব্যবস্থা করেন তিনি। বলিউডের বড় বড় গুণিজনদের সঙ্গে আলাপও করিয়ে দেন। শুরু হয় সিনেমার গানে সুনিধির প্রশিক্ষণ। মাস কয়েকের রেওয়াজের পরেই কল্যাণজি আনন্দজির ট্রুপ 'লিটল ওয়ান্ডারস'-এর উজ্জ্বল তারা হয়ে ওঠেন সুনিধি।

সে সময়ে সুনিধির কাছে সবাই শুনতে চাইতেন 'লমহে'র সুপারহিট গান 'মোরনি বাগা মা বোলে'। এবং সুনিধির স্পেশালিটি ছিল, গানটা ইলা অরুণ আর লতা মঙ্গেশকর, দু'জনের গলাতেই গাওয়া। এর পরেই দূরদর্শনে 'মেরি আওয়াজ সুনো' জেতেন তিনি। কল্যাণজি আনন্দজির শেষ সাউন্ডট্র্যাকেও গেয়েছিলেন সুনিধি। ছবির নাম ছিল 'মাসুম গাওয়া'। গায়িকা হিসেবে সুপরিচিত হওয়ার পর সুনিধি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নেয়া শুরু করেন।

সুনিধি দিল্লির এক অখ্যাত থিয়েটার কর্মীর সন্তান। অন্য দিকে শ্রেয়া এসেছিলেন একেবারেই ভিন্ন পরিবেশ থেকে।

কাকতালীয়ভাবে শ্রেয়া আর সুনিধি দু'জনেই গানের তালিম শুরু করেন চার বছর বয়সে। ধ্রুপদী সঙ্গীতে পারদর্শী মায়ের কাছেই শ্রেয়ার গান শেখা শুরু। শ্রেয়ার বাবা নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ার। রাজস্থানের কোটায় চাকরি করতেন।

বাবার উৎসাহেই শ্রেয়া সপ্তাহে তিন দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাতায়াত করতেন গুরুজি মহেশচন্দ্র শর্মার কাছে গান শিখতে।


মুম্বইতে 'সারেগামাপা' অনুষ্ঠানে জিতে এবং কল্যাণজির সান্নিধ্যে বদলে যায় শ্রেয়ার জীবন। কল্যাণজিই উৎসাহেই শ্রেয়ার বাবা বদলি নিয়ে চলে আসেন মুম্বাই। কিন্তু কল্যাণজি দেখে যেতে পারেননি শ্রেয়ার সেই সাফল্য। 'দেবদাস' করার আগে দুটি মরাঠি গানের অ্যালবাম প্রকাশ হয় শ্রেয়ার।

ঘটনাক্রমে সুনিধির জীবনে 'লাকি ব্রেক' ছিলেন সোনু নিগম। রাম গোপাল বর্মার 'মস্ত' ছবির সঙ্গীত পরিচালক সন্দীপ চৌতার সঙ্গে সুনিধির আলাপ করিয়ে দেন তিনিই।


সে ছবির বিখ্যাত 'রুকি রুকি থি জিন্দেগি' গানটি দিয়েই বলিউডের নক্ষত্রলোকে সুনিধি ঢুকে পড়েন। অন্য দিকে দ্বিতীয় দফায় 'সা রে গা মা পা'তে শ্রেয়ার গান শুনে মুগ্ধ হয়ে সঞ্জয় লীলা বনশালী তার খোঁজখবর শুরু করেন। পুরনো হিন্দি গানের কয়েকটা মহড়া দিয়ে শ্রেয়া 'দেবদাস' এ সুযোগ পেলেন। শ্রেয়ার পাঁচটা জাতীয় পুরস্কারের মধ্যে প্রথমটা এসেছিল ওই 'বৈরি পিয়া'র সুবাদেই। অন্যগুলো 'ধীরে জ্বলনা' (পহেলি), 'ইয়ে ইশ্ক হায়' (জব উই মেট), 'জীব রঙ্গালা' (মরাঠি ছবি জগোয়া) এবং 'ফেরারী মন' (অন্তহীন) গানগুলির জন্য।


অন্য দিকে সুনিধি এনরিকে এগলেশিয়াসের অ্যালবাম 'ইউফোরিয়া'র ট্র্যাক 'হার্ট বিট' আর একটা পাকিস্তানি ট্র্যাকের সঙ্গে গান গেয়েছেন।

শ্রেয়া কিন্তু এখনও বিদেশের কোনো শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেননি।
 
দু'জনেরই একটা বড় গুণ লাইভ শো-তে দুর্দান্ত গাইতে পারা। বিশেষ করে এই সময়ে যেখানে একটা ট্র্যাক নানা রকম ইলেকট্রনিক কারিগরির মাধ্যমে বানানো হয়। আগেকার দিনের কিংবদন্তি শিল্পীদের মতোই এরা দু'জন নিখুঁত সুরে মঞ্চে গান গাইতে পারেন।

কিছুদিন হল শ্রেয়া আর সুনিধি নন-ফিল্মি গানের দিকেও ঝুঁকেছেন। সুনিধি শাড়ি পরে সাবেকিভাবে বসে রবীন্দ্রসঙ্গীত গেয়ে মাত করেছেন বাঙালিকে। আর শ্রেয়া বাংলা সিনেমাতেও গাইছেন আবার গজলও গাইছেন। শান্তনু বলছেন, "এখন নানা ধরনের গান দুজনেই গাইছে। শ্রোতাদের হয়তো মনে হতে পারে আমি শ্রেয়াকে বেশি পছন্দ করি। আমার কমপোজিশনে শ্রেয়ার গলা বেশি ব্যবহার করেছি। কারণ আমি যে ধরনের গান কম্পোজ করি তাতে শ্রেয়ার গলা ভালো যায়। সুনিধির গলাও ব্যবহার করেছি বেশ কয়েকবার। সম্প্রতি 'কৃষ্ণ অ্যান্ড কংস' বলে একটা ছবিতে সুনিধিকে দিয়ে গাইয়েছি। সে গান শুনলে মনে হবে সুনিধি রকস্টার।" সূত্র: ওরেবসাইট।

তোলপাড় সৃষ্টিকারী টপ ফাইভ স্ক্যান্ডাল

তোলপাড় সৃষ্টিকারী টপ ফাইভ স্ক্যান্ডাল:

আর্ন্তজাতিক অঙ্গনের বিখ্যাত মানুষজন নিজেদের দোষেই অনেক কষ্টে বহুদিনে
গড়ে তোলা নিজেদের শক্তিশালী ইমেজ ও মূল্যবোধ হারিয়ে ফেলেন। পৃথিবীর
বিভিন্ন দেশের নামকরা করা কিছু ব্যক্তিবর্গের সেক্স স্ক্যান্ডাল
বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। আর এই স্ক্যান্ডাল তাদের পারিবারিক ও
কর্মক্ষেত্রেও ব্যাপক প্রভাব ফেলে। আর্ন্তজাতিকভাবে পরিচিত কয়েকজন
বিখ্যাত মানুষের স্ক্যান্ডাল নিয়ে আজকের আয়োজন।

সিলভিও বারলুসকোনি: ইতালির প্রধানমন্ত্রী সিলভিও বারলুসকোনি একাধিক সেক্স
স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে জাতির কাছে ধিকৃত হন। বারলুসকোনির বিরুদ্ধে অভিযোগ
ওঠে তিনি অপরিণত বয়সের পতিতাদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং তাদের নগদ
অর্থ, গহনা ও গাড়ি প্রদান করেন। রাজনৈতিক মহলে এটি বারলুসকোনির বুঙ্গা
বুঙ্গা সেক্স পার্টি নামে পরিচিত। অধিক অর্থের বিনিময়ে তার বিলাসবহুল
বাড়িতেও পতিতাদের ভাড়া করে আনার রেওয়াজ ছিল। বারলুসকোনির স্ক্যান্ডাল
প্রকাশ হয়ে গেলে দেশ পরিচালনায় তার সততা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তিনি দ্রুত
জনমত হারাণ।

ডমিনিক ট্রস কান: আর্ন্তজাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ব্যবস্থাপনা
পরিচালক ডমিনিক ট্রস কানের সেক্স স্ক্যান্ডাল বিশ্ববাসির কাছে প্রকাশ হয়ে
যায়। এক হোটেল কর্মচারীর সঙ্গে তিনি অসামাজিক আচরণ করেন। এছাড়াও ট্রস কান
যে কোনো পার্টিতে পতিতা ভাড়া করতেন বলেও প্রমাণ হাজির করেন অভিযোগকারীরা।
কান নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে এসব অভিযোগের তীব্র বিরুদ্ধাচারণ করেন।
অভিযোগ তদন্তকালে আরো প্রমাণিত হয় এক পতিতাকে ট্রস কান ইউএস এর ভিসা
পেতেও সাহায্য করেছেন। পরবর্তীতে ট্রস কান আইএমএফ এর ব্যবস্থাপনা
পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

বিল ক্লিনটন: পৃথিবীর অন্যতম সেরা হ্যান্ডসাম একজন রাজনীতিবিদ বিল
ক্লিনটন। বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের জের ধরে সাবেক ইউএস প্রেসিডেন্ট
ক্লিনটন নিজের ইমেজ হারিয়ে ফেলেন। তার সঙ্গে মনিকা লিওনোস্কি ও
গার্নিয়ার ফ্লাওয়ারের বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্ক প্রমাণিত হয়। প্রথম থেকেই
এই স্ক্যান্ডালকে অস্বীকার করে আসছিলেন ক্লিনটন কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি
ক্রমাগত পরিবার ও রাষ্ট্রীয় চাপের মুখে স্বীকার করতে বাধ্য হন যে তার
সাথে গার্নিয়ার ফ্লাওয়ার নামের এক মডেলের সম্পর্ক ছিল। ক্লিনটনের এই
অসদাচরণের ফলশ্রুতিতে বিশ্বব্যাপী ঝড় উঠেছিল।

আরনল্ড সোয়ার্জনেগার: হলিউড অভিনেতা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্ণর বনে
যাওয়া আরনল্ড সোয়ার্জনেগার নিজ বাড়িতে থাকা দীর্ঘদিনের গৃহপরিচারিকার
সঙ্গে স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েন। গৃহপরিচারিকা মিলড্রেড প্যাট্রিসিয়ার
সঙ্গে সোয়ার্জনেগারের ১৪ বছর বয়সী একটি পূত্র সন্তান আছে। মিলড্রেড নিজে
তাদের স্ক্যান্ডালটি প্রকাশ করেন। একপর্যায়ে টার্মিনেটর খ্যাত
সোয়ার্জনেগার অভিযোগ স্বীকার করে নেন। আর সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ গতিতে
খবরটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি
হয়। সোয়ার্জনেগারের স্ত্রী মারিয়া শ্রীভার দীর্ঘ ২৫ বছরের সংসার ছেড়ে চলে
যান।

জন ট্রাভোল্টা: অভিনেতা জন ট্রাভোল্টা সবসময়ই আলোচনার শীর্ষেই থাকেন
হলিউডের নন্দিত সব ছবির কল্যাণে। সাম্প্রতিক সময়ে এই অভিনেতা ব্যাপক
আলোচিত সমকামি সেক্স স্ক্যান্ডালের কারণে। একটি পুরুষদের পার্লারের
কর্মচারী কর্তৃক অভিযোগ ওঠে ট্রাভোল্টার বিরুদ্ধে। ট্রাভোল্টা সেই
কর্মচারীর জোড় জবরদোস্তি করেছেন। এদিকে এক হোটেল কর্মচারী স্বীকার করেছেন
ট্রাভোল্টার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের ঘটনার। এসব নিয়ে মিডিয়ায় তুমুল হৈচৈ
শুরু হয়। সেইসঙ্গে জন ট্রাভোল্টার আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা মাটিতে মিশতে
থাকে। সূত্র: জিনিউজ

সালমান খানের পারিশ্রমিক ১০০ কোটি রুপি

সালমান খানের পারিশ্রমিক ১০০ কোটি রুপি

সফলতার সিঁড়ি বেয়ে ক্রমাগত উপরে উঠছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। তালে তাল মিলিয়ে উপরে উঠছে তার পারিশ্রমিক। সালমানের ছবিপ্রতি পারিশ্রমিক এখন থেকে ১০০ কোটি রুপি।

পরিচালক রমেশ তারুনি নিজের প্রোডাকশন হাউজের পরবর্তী ছবিতে সালমানকে কাষ্ট করবেনই করবেন বলে ঠিক করেছেন। আর এক্ষেত্রে তিনি সালমানকে প্রস্তাব করেছেন ১০০ কোটি রুপি।

দুইদিন আগে তারুনি সাক্ষাত করেন সালমানের সঙ্গে এবং কাজের প্রস্তাব দেন। তারুনি সচেতনভাবেই এই প্রস্তাবটি দিয়েছেন বলে ধারণা। তার কারণ সালমানের গত তিনটি ছবি দাবাং, রেডি, বডিগার্ড পরপর লাগাতার ব্যবসা সফল হয়। প্রতিটা ছবিই আয় করে গড়ে ১৫০ কোটি করে। আর 'এক থা টাইগার' তো এক সপ্তাহেই সেটা করে দেখালো। তাইতো তারুনি প্রস্তুত সালমানকে নিয়ে এখন বাজিতে নামতে। বাজি ধরতেও তো মজবুত উপলক্ষ লাগে! আর কে না জানে বলিউডে সালমান এখন ট্রামকার্ড।

সাম্প্রতিক সময়ে সালমানের 'এক থা টাইগার' বলিউড বক্স অফিসের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। সালমান জ্বরে ভুগছে ভারতবর্ষ।

তারুনি কিন্তু টাকার পরিমাণ কোনো একটা কারণে মিডিয়ায় চাওর করতে নারাজ। তিনি জানিয়েছেন, সালমান আমার ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তবে পারিশ্রমিকের অংকটা সঠিক নয়। সালমানের সঙ্গে আমার নতুন ছবির কাজ ২০১৩ সালের প্রথমে শুরু করবো এবং কাজের সময়েই সব কথাবার্তা পাকাপোক্ত হবে। সূত্র: এনডিটিভি

সুস্থ জীবনের বন্ধু রাতের আঁধার

সুস্থ জীবনের বন্ধু রাতের আঁধার:
শুধুই আলোর পথযাত্রী হলে চলবে না, অন্ধকারকে ভালোবাসাও জরুরি। এমনটাই দাবি মার্কিন চিকিৎসকদের। বিজলি-বাতির রোশনাইয়ে নগরজীবন থেকে কার্যত হারিয়েছে দিন-রাতের ফারাক। চিকিৎসকরা বলছেন, তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মানবশরীরে। জৈবিক কিছু প্রক্রিয়া স্বাভাবিক নিয়মে চলে অন্ধকারেই। গভীর রাতে কৃত্রিম আলো, কম্পিউটার, টিভির অতিরিক্ত ব্যবহারে সেই শারীরবৃত্তীয় কাজকর্ম ব্যাহত হয়। যার জেরে হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস তো বটেই, হতে পারে ক্যানসারও। তাদের বক্তব্য, বায়ু-জল-শব্দদূষণের মতো কৃত্রিম আলোও এক রকমের ‘দূষণ-দৈত্য’। তবে রাতে আলোর ব্যবহারে কিছুটা সতর্ক হলে বিপদ অনেকটাই এড়ানো সম্ভব। কয়েকশো কোটি বছর ধরে আলো-আঁধারের ছন্দে ঘুরছে পৃথিবী। ওই চক্রের নিয়মে চলেছে জীবজগত। আদিম মানুষ চকমকি ঘষে আগুন জ্বালানো শিখতেই বদল শুরু। সভ্যতা যত এগিয়েছে অন্ধকারের ‘দখল’ নিয়েছে মশাল, মোমবাতি, লণ্ঠন। বিদ্যুতের বাতি আবিষ্কারের পর দেড়শো বছরে অন্ধকারের দাপট ক্রমে কমেছে। অন্ধকারকে সর্বতোভাবে ‘জয়’ করার মধ্যেই সভ্যতার অগ্রগতি বলে মানতে শিখেছে মানুষ। এখন সূর্য অস্ত গেলেও দুনিয়া জুড়ে শত-শত শহরে অন্ধকার নামে না। আর এখানেই বিপদ। আমেরিকার চিকিৎসকদের সংগঠন ‘আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন’ (এএমএ) সম্প্রতি এক রিপোর্টে জানিয়েছে, রাস্তার ভেপার-বাতি থেকে ঘরের নিয়ন, গাড়ির হেডলাইট থেকে টেলিভিশন, কম্পিউটার, মোবাইল ফোনের আলো রাতে দূষণ ছড়ায় সবই। ‘লাইট পলিউশন: অ্যাডভার্স হেল্থ এফেক্টস অফ নাইট-টাইম লাইটিং’ নামে ওই রিপোর্টের মূল বক্তব্য, রাতে উজ্জ্বল কৃত্রিম আলোয় বেশি ক্ষণ থাকলে ঘুমোতে অসুবিধা তো হয়ই, এতে মানসিক চাপ ও হতাশা বেড়ে যেতে পারে। হৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা শরীরে মেদ জমার আশঙ্কা বাড়তে পারে। এমনকি হতে পারে স্তন ও প্রস্টেট ক্যানসারও। কী ভাবে? মার্কিন চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দিন-রাতের ছন্দের নিয়মে কাজ করে স্নায়ুতন্ত্র, দেহের কিছু কোষও। মানব-মস্তিষ্কের বিশেষ গ্রন্থি থেকে মেলাটোনিন নামে একটি হরমোন বেরোয় তারই ইশারায়। মেলাটোনিন শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট (শরীরের পক্ষে ক্ষতিকারক পদার্থ প্রশমন করে)। জৈবিক ঘড়ির (বায়োলজিক্যাল ক্লক) পরিচালকও বটে। চিকিৎসকরা বলেছেন, ওই হরমোন ঘুমের সহায়ক, হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস রোধ করতে সাহায্য করে। স্তন বা প্রস্টেট ক্যানসার রুখতেও হরমোনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। চিকিৎসকদের বক্তব্য, রাতে ৮-১০ ঘণ্টা অন্ধকারে থাকলে মানবশরীরে স্বাভাবিক পরিমাণ মেলাটোনিন তৈরি হয়। বেশিক্ষণ উজ্জ্বল কৃত্রিম আলোয় থাকলে তার প্রতিক্রিয়ায় ওই হরমোন তৈরির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। বিশেষত শিশু এবং অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি। তবে এ নিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এবং আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা (ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার) কয়েক বছর আগে পৃথক সমীক্ষায় জানিয়েছিল, দিনের আলো এবং রাতের অন্ধকারের মধ্যে ভারসাম্য সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্মক্ষেত্রে দিনের বদলে অন্য শিফটে (নন-ডে শিফট) কাজ করলে জৈবিক-ঘড়ির স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। তা থেকে মানবদেহে ক্যানসার ছড়ানোরও সম্ভাবনা থাকে। ইংল্যান্ড এবং আমেরিকার গবেষকদের পরীক্ষায় জানা যায়, মানুষের চোখের রেটিনায় বিশেষ কিছু ‘সেন্সর’ অর্থাৎ সংবেদনশীল কোষ রয়েছে। মেলাটোনিন তৈরি এবং শরীরের জৈবিক-ঘড়ির নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে সেগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রাতের ‘আলোয়’ বিশেষত নীলচে আভায় চোখের ওই কোষগুলি উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তার জেরে থমকে যায় মেলাটোনিনের উৎপাদনও। গবেষকরা জানাচ্ছেন, নাইট-ক্লাবের চড়া আলোও মেলাটোনিন গঠনের প্রক্রিয়াকে বাধা দিতে সক্ষম। বেশি রাত পর্যন্ত টেলিভিশন, কম্পিউটার, আই প্যাড, মোবাইল ফোনের নীলচে আলোও বিপদ টেনে আনতে পারে। হারানো দিনের গান বলেছিল, তুমি যে আঁধার তাই বড় ভালোবাসি। সুস্বাস্থ্যের খাতিরে এ যুগেও তা মন্ত্র হয়ে উঠতে পারে! সতর্কতার ৫ দফা ১. বেশি রাত পর্যন্ত টেলিভিশন,কম্পিউটারে কাজ নয়। শোয়ার ঘরে না-রাখাই ভালো। ২. রাস্তার বাতি যাতে অপ্রয়োজনীয় ভাবে আলো না-ছড়ায় সে জন্য নতুন পদ্ধতির সন্ধান। ৩. গাড়ির হেডলাইটের উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণে নয়া প্রযুক্তি। ৪. ঘরে এবং অফিসে আলোর পরিমিত ব্যবহারে গুরুত্ব। ৫. রাতে শোয়ার সময় অন্ধকার ঘর। খুব প্রয়োজনে লাল, কমলা নাইট ল্যাম্প। সূত্র: আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন।

Friday, August 24, 2012

জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রস্ত্ততি কাল শুরু

জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রস্ত্ততি কাল শুরু
ঈদের লম্বা ছুটি শেষে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন ক্রিকেটাররা। বৃহস্পতিবার ঢাকা এসেছেন জাতীয় দলের কোচ রিচার্ড পাইবাসও। আর স্পিন কোচ সাকলায়েন মুশতাক ঈদ কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলে তাবলিগ জামাতে। টি২০ বিশ্বকাপ ও ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগো সফরকে সামনে রেখে কাল থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় দলের দ্বিতীয় পর্বের অনুশীলন। ঈদের আগে প্রথম পর্বের অনুশীলনে ছিলেন না জাতীয় দলের অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম। এসএলপিএল তার সঙ্গে থাকায় কোচ পাননি তামিম ইকবাল ও নাসির হোসেনকেও। আর আশরাফুল ছিলেন কাউন্টিতে। কাল থেকে শুরু হতে যাওয়া অনুশীলনে যোগ দিতে পারছেন না সহ-অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। এসএলপিএল থেকে হঠাৎ ডাক পাওয়ায় ঈদের আগেই দেশ ছেড়েছেন রিয়াদ। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছে আশরাফুলেরও। রুহুনা রয়েলস এর শহিদ আফ্রিদির জায়গায় ডাক পেয়েছেন আশরাফুল। অর্থাৎ সেরা ৫ ক্রিকেটারকে ছাড়াই শনিবার শিষ্যদের নিয়ে প্রস্ত্ততিতে নামছেন পাইবাস। পাওয়া হচ্ছে না কোচিং স্টাফ বোলিং কোচ শেন জার্গেনসনকে। তিনি রয়েছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলের সঙ্গে। তবে পাশে পাচ্ছেন গ্রান্ট লুডেন, সাকলায়েন ও বিভব সিংকে। ঈদের ছুটিতে এরা কেউই ঢাকা ছাড়েননি। সাকলায়েন ছাড়া অন্যরা ছিলেন ঢাকায়। ১৮ আগস্ট সকালে কাকরাইল মসজিদ থেকে টাঙ্গাইল পৌছে, সাকলায়েন ঈদ পালন করেছেন তাবলিগ জামাতের সঙ্গে। আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড থেকে আগত তাবলিগ জামাত দলের সঙ্গে ছয়দিন কাটিয়ে এ কোচ ঢাকায় ফিরেছেন বৃহষ্পতিবার রাতে।

অনূর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে হারিয়ে সপ্তম স্থানে বাংলাদেশ

অনূর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ: পাকিস্তানকে হারিয়ে সপ্তম স্থানে বাংলাদেশ
নবম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটে প্লে-অফে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সপ্তম স্থান নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। আনামুল হকের ১২৮ এবং লিটন দাসের ৫৩ রানের ওপর ভর করে জয় নিশ্চিত করে জুনিয়র টাইগাররা। ম্যাচ সেরা পুরস্কার পেয়েছেন বাংলাদেশের আনামুল হক। আনামুলের ১২৮ রানের মধ্যে ৮টি ছয়ের এবং ৫টি চারের মার রয়েছে। ৫৩ রানের মধ্যে লিটন দাস তিন বার বল মাঠের বাইরে পাঠিয়েছন। আনামুল ১২৮ রান করার পর মোহাম্মদ নওয়াজের বলে বাবর আজমের হাতে ধরা পড়ে সাজঘরে ফিরে আসেন। লিদন দাস ৫৩ রানে এহসান আদিলে বলে ক্লিনবোল্ড হয়ে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান। এছাড়া দলের পক্ষে তৃতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে অতিরিক্ত থেকে ২৬ রান। পাকিস্তানের এহসান আদিল ৩২ রানে এবং মোহম্মদ নওয়াজ ৪৮ রান খরচায় দুটি করে উইকেট নেন। টাউন্সভিলের এন্ডেভার পার্কের দুই নম্বর মাঠে বাংলাদেশ দল টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জায়নায়। পাকিস্তান নির্ধানিত ওভারে ৮ উইকেটে ২৩৫ রান করে। খেলার শুরুর দিকে ৩৩ রানে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। চতুর্থ উইকেটে ওমর ওয়াহিদের (১৭) সঙ্গে ৩১ ও ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ নওয়াজের ৩৭ রানের ছোট দুটি জুটি গড়ে ধাক্কা সামাল দেয়ার চেষ্টা করেন ফরাজ আলী (৪৩)। এরপরও বাংলাদেশী বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ৪৫ ওভার পর্যন্ত পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানদের বেধেই রেখেছিল। এ সময় দলটির স্কোর ছিল ১৬১/৬। শেষ ৫ ওভারে নওয়াজ ও শহীদ ইলিয়াসের (৪৪) আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ৭৪ রান সংগ্রহ করে আড়াইশর কাছাকাছি স্কোর গড়ে দলটি। নওয়াজ ইনিংসের শেষ বলে সাজঘরের পথ ধরার আগে করেন ৮২ রান। তার ৮৬ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা। পেসার তাসকিন আহমেদের ১০ ওভারে ৮০ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

ব্যবসায়ী শারাপোভা

ব্যবসায়ী শারাপোভা:
টেনিসের পাশাপাশি এবার ব্যবসায়ী হিসেবে নাম লেখালেন রাশিয়ার তারকা খেলোয়াড় মারিয়া শারাপোভা। মিষ্টি জাতীয় চকলেটের দোকান দিয়ে ক্যারিয়ারে নতুন মিশন শুরু করেছেন তিনি। বিশ্ব টেনিস অঙ্গনে খেলোয়াড় হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত রাশিয়ার মারিয়া শারাপোভার। তবে এবার রুশ সুন্দরীকে অন্য একটি চরিত্রে দেখতে যাচ্ছে টেনিস ভক্তরা। নিজের নামের সাথে মিল রেখে মিষ্টি দিয়ে তৈরি চকলেটের দোকান দিয়েছেন হার্টথ্রব শারাপোভা। ‘সুগারপোভা’ নাম দিয়েছেন ঐ দোকানটির। টেনিস বলের মতো আকার হবে চকলেটগুলোর। নিউ ইয়র্কে দোকান উদ্বোধনের সময় তিনি বলেছেন, আমার মূল লক্ষ্য হল যে স্বাদে আমি ফিট থাকবো সেই ধরনের চকলেট তৈরি করা। এছাড়া অন্যান্য মেয়েদের চাহিদা মতো ভিন্ন স্বাদেরও প্রাধান্য দেয়া হবে। প্রায় চার বছর পর চলতি বছর গ্র্যান্ড স্ল্যামের শিরোপা জয়ের স্বাদ পান শারাপোভা। ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতেছিলেন তিনি। তৃতীয় বাছাই হয়ে আরো একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের লক্ষ্য নিয়ে সামনের সপ্তাহ থেকে ইউএস ওপেনের কোর্টে নামবেন ২৫ বছর বয়সী শারাপোভা।

গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত অন্ধকার: তিন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ

গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যত অন্ধকার: তিন শীর্ষ অর্থনীতিবিদ
ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থায় পরিচালিত গ্রামীণ ব্যাংকের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর জন্য নতুন অধ্যাদেশ জারি করায় দেশের শীর্ষ স্থানীয় অর্থনীতিবিদরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, গ্রামীণ ব্যাংক যে সারা বিশ্বের জন্য মডেল তা আর থাকছে না। এই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যত অন্ধকার। দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ড. দেব প্রিয় ভট্টাচার্য্য মনে করেন, “সরকার যে অধ্যাদেশ জারি করেছে তাতে গ্রামীন ব্যাংকের ভবিষ্যত অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে। গ্রামীন ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিতে সরকারের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করতেই এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে। এতে ব্যাংকটিতে দু’টি দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করা হয়েছে। ফলে ব্যাংকের নির্বাহী ক্ষমতা ও মালিকানার মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি হবে। ব্যাংকটি এখন যে মহিমায় উজ্জল ছিল তা আর থাকবে না। এটা সারা বিশ্বের জন্য একটি মডেল হিসেবে দাড়িঁয়ে ছিল। সেই মডেল আর থাকছে না। তিনি আরো বলেন, “সরকার চাইলে অনেক কিছু করতে পারে। তবে ক্ষমতার অপব্যবহার কারো কাম্য নয়। সরকার গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ পরিবর্তন করে ‘ডিসক্রিমিনেশন’ করেছে। ব্যাংকের মুল মালিকদের মালিকানায় সরকার হস্থক্ষেপ করেছে। একটি অধ্যাদেশই সেই গৌরবকে ম্লান করে দিতে পারে।” আরেক বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবু আহমেদ বলেন, “আমি একজন ক্ষুদ্রঋণের সমালোচক হয়েও মনে করি এই অধ্যাদেশ জারি করে সরকার সঠিক কাজ করেনি। গ্রামীণ ব্যাংক একটি আলোকিত প্রতিষ্ঠান। এর ভবিষ্যত অন্ধকার করা হলো। গ্রামীণ ব্যাংক তার নিজের মতো করেই থাকতে দেয়া উচিৎ ছিল। এখন যা করা হয়েছে তাতে ভবিষ্যত অন্ধকার, ভঙ্গুর ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে বেঁচে থাকবে। এটা আমাদের কাম্য নয়। অধ্যাপক আবু আহমেদ আরো বলেন, “কেউ যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের গঠনমূলক সমালোচনা করে কিংবা সংস্কার করে তা ওই প্রতিষ্ঠান বা মানুষের কল্যানের জন্য করা উচিৎ। ভারতীয় অর্থনীতিবিদ ভগদিশ ভগবতির সমালোচনা প্রসংগে বলেন, তিনি একজন শীর্ষ স্থানীয় অর্থনীতিবিদ। তার কোনো সমালোচনা যদি আমাদের ক্ষতির কারণ হয় তা আমরা গ্রহণ করবো না, এটাই স্বাভাবিক। তবে গ্রহণ করলেও যাচাই বাচাই করে সিন্ধান্ত নিতে হবে। গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে নানা কথা থাকলেও বিশ্বের কাছে আজ এ প্রতিষ্ঠান একটি মডেল হিসেবে দাড়িঁয়েছে। এটা বাংলাদেশের জন্য একটি গৌরবের বিষয়। ম্যাক্রো ও ফিনান্সিয়াল ইকোনমিস্ট অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহবুব আলী বলেন, সরকার গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি করে ক্ষমতার অপব্যাবহার করেছে। এতে বাংলাদেশের গৌরব ম্লান হবে। সরকারের ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকা ব্যাক্তিরা দেশের ভাবম‌র্যাদা ক্ষুন্ন করতে অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। সরকারে এহেন কর্মে পাশ্চাত্য দেশে দেশের ভাবম‌র্যাদা নষ্ট হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নষ্ট হবে। নারীর ক্ষমতায়ন খর্ব করা হয়েছে। দেশের একজন নারী প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমনটা আশা করা যায় না। তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন বিশ্ব ব্যাংককে ডাকাত কিংবা দুর্নীতিবাজ বলে গালি দেয় ঠিক তখন ভারতে অর্থমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংকের প্রশংসা করে বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তা ছাড়া ভারতের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এটা খুবই তাৎপর্য বহন করে।

Thursday, August 23, 2012

‘মোস্ট পাওয়ারফুল ওম্যান’ লিস্টে জেনিফার লোপেজ

‘মোস্ট পাওয়ারফুল ওম্যান’ লিস্টে জেনিফার লোপেজ:
প্রতি বছর ফোর্বস ম্যাগাজিন জরিপের মাধ্যমে পৃথিবীর ১০০ সেরা ক্ষমতাবান নারীর লিস্ট তৈরি করেন। তাদের জরিপের ভিত্তিতে এবার ২০১২ সালের মোস্ট পাওয়ারফুল লিস্টে প্রথমবারের মতো উঠে এসেছেন অভিনেত্রী-গায়িকা জেনিফার লোপেজ। ১০০ পৃথিবী সেরার মধ্যে জে-লো হয়েছেন ৩৮তম পাওয়ারফুল ওম্যান। জেনিফার লোপেজ সম্প্রতি আমেরিকান আইডলের বিচারকের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন। জমজ সন্তান জন্মদানের পর এখন বিশ্বব্যাপী কনসার্ট পরিচালনায় তিনি বেশি ব্যস্ত। বিনোদন জগতের বিখ্যাত আরো কয়েকজন মহিয়সী নারী সেরা ১০০ তে জায়গা দখল করেছেন। পপ গায়িকা শাকিরা ও কলম্বিয়ান মডেল-অভিনেত্রী সোফিয়া ভার্গারা যথাক্রমে ৪০তম ও ৭৫ তম পাওয়ারফুল ওম্যান হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। তবে এই তিন পাওয়ারফুল ওম্যানকে ধরাশায়ী করেছেন উইয়ার্ড ফ্যাশনের কিংবদন্তি পপস্টার লেডি গাগা। লেডি গাগা ১৪তম পাওয়ারফুল ওম্যান হিসেবে তালিকায় স্বীকৃতি পেয়েছেন। তালিকায় আরো আছেন গায়িকা বিয়োন্সে নোয়েলস্। বিয়োন্সে ৩২ তম স্থান লাভ করেছেন। সেলিব্রিটি টক শো’ উপস্থাপিকা ওপরাহ্ উইনফ্রে ১১ তম পাওয়ারফুল ওম্যান হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন। পাওয়ারফুল ওম্যান লিস্টে বিভিন্ন পেশার নারীরা প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এ বছরের জরিপের ধরণটা একটু অন্যরকম মনে করছেন ফোর্বস কর্তৃপক্ষ। জরিপে ক্ষমতাবান এই নারী চরিত্রগুলো বিশ্বব্যাপী কী ধরনের প্রভাব রাখছে সেটা উল্লেখযোগ্যভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। এখানে যেমন আছেন করপোরেট জগতের নারী তেমনি আছেন রাজনীতি অঙ্গনের তুখোর নেত্রী। আবার কেউ তালিকায় আছেন স্বামীর ক্ষমতার আড়ালে নিজের শক্তিশালী চরিত্রে। নিচে সেরা ১০ জন পাওয়ারফুল নারীর তালিকা দেয়া হলো। টপ টেন পাওয়ারফুল ওম্যান যথাক্রমে: অ্যাঞ্জেলা মার্কেল, জার্মান চ্যান্সেলর। হিলারি ক্লিনটন, ইউএস সেক্রেটারি অব স্টেট। দিমা রওসেফ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট। মিলিন্দা গেটস্, মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের স্ত্রী। জিল আব্রামসন, নিউইয়র্ক টাইমস্ এর এক্সিকিউটিভ এডিটর। সোনিয়া গান্ধি, ইউপিএ চেয়ারপারসন। মিশেল ওবামা, ফারস্ট লেডি অব ইউনাইটেড স্টেট। ক্রিস্টিন ল্যাগার্ড, আইএমএফ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর। জ্যানেট ন্যাপোলিটানো, ইউএস হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি। ১০. শেরিল স্যান্ডবার্গ, ফেসবুক সিও।

ঝড় তুললো প্রিন্স হ্যারির নগ্ন ছবি

ঝড় তুললো প্রিন্স হ্যারির নগ্ন ছবি:
প্রিন্স হ্যারি সপ্তাহের ছুটি কাটাতে লাস ভেগাস অবস্থান করছেন। সেলিব্রিটি গসিপ ম্যাগাজিন টিএমজেড অনলাইনে ঝড় তুললো লাস ভেগাসে অবস্থানকালে প্রিন্স হ্যারির নগ্ন ছবি প্রকাশ করে। বিলিয়ার্ড খেলার ঘরে এক দল বন্ধু সমেত প্রিন্স হ্যারিকে নগ্ন অবস্থায় নাচ করতে দেখা যায়। নগ্ন মেয়েদের সঙ্গে বিভিন্ন আঙ্গিকের এই ছবিগুলো এখন ইথারের মাধ্যমে পৃথিবীময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। একটি ছবিতে অপরিচিতা নগ্ন এক মেয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় ক্যামেরায় ধরা পড়েন হ্যারি। মজার বিষয় হলো, রাজ পরিবারের সদস্যরা প্রিন্স হ্যারির এই ছবিগুলোর সত্যতা যাচাই করে এটিকে হ্যারির ছবি বলেই স্বীকৃতি দিয়েছেন। তবে মুখ খোলেননি। রাজ পরিবারের প্রতিনিধি এই মুহূর্তে কোনো মন্তব্য করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। প্রিন্স হ্যারির এধরণের কুকীর্তি এই প্রথমবার নয়। হ্যারির প্লেবয় ইমেজ জনগণের কাছে চাওর হয়েছে তার ১২ বছর বয়স থেকে। নিত্য নতুন গার্লফ্রেন্ডের আলিঙ্গনে তাকে দেখা যায়। ব্যক্তিজীবনে হ্যারি বিমান বাহিনীর ক্যাপ্টেন। চাকরিসূত্রে ভীষণরকম নিয়মতান্ত্রিকতার জীবন, কিন্তু সুযোগ পেলেই হয়ে উঠছেন অবাধ্য ও বন্য। ১৭ বছর বয়সে বন্ধুদের সঙ্গে হ্যারির ধূমপান ও মদ্যপানের ছবি প্রকাশিত হয়। ছবি প্রকাশের পরপরই হ্যারির বাবা প্রিন্স চার্লস হ্যারিকে মাদক নিরাময় কেন্দ্রে পাঠান তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে। ২৭ বছর বয়সী হ্যারি তার পেস্নবয় ইমেজকে উপভোগ করেন। পার্টি, নাইট ক্লাবের উদ্দাম সান্নিধ্য তাকে সাচ্ছ্বন্দ দেয়। হ্যারির হলিউড ফ্যাসিনেশন আছে। সেলিব্রিটি নারীদের প্রতি আসক্ত প্রিন্স হ্যারি। বহু নারী মডেল হ্যারির গার্ল ফ্রেন্ড হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। সম্প্রতি লাস ভেগাসে শত শত বিকিনি কন্যাদের মধ্যে হ্যারি অভিনেত্রী ও গায়িকা জেনিফার লোপেজের সঙ্গও বেশ উপভোগ করেন। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস্

স্মৃতিভ্রম রোধে চকলেট

স্মৃতিভ্রম রোধে চকলেট:
চকলেট স্মৃতিভ্রম রোগের উপশম করবে। প্রতিদিন চকলেট খেলে বয়স্কদের স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া থেকে রক্ষা করে। এটি স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। সম্প্রতি ইতালির গবেষকরা এসব তথ্য দিয়েছেন। ইতালির লেককুইলা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সম্প্রতি চকলেট জাতীয় খাবারের উপকারিতা নিয়ে গবেষণা করেন। ডাক্তার জিয়াওভামবাসিস্তা এতে নেতৃত্ব দেন। গবেষকরা ৯০ জন বয়স্ক স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া রোগীকে গবেষণায় নমুনা হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তাদের প্রত্যেকের বয়স ৭০-এর ওপরে। তাদের স্মৃতিভ্রমের চিকিত্সায় কোকো পানীয় (একধরনের উপাদান যা চকলেটে দেয়া হয়) টানা আট সপ্তাহ পান করানো হয়েছে। দৈনিক উচ্চ, মধ্যম ও নিম্ন মাত্রায় কোকো পানীয়ের ডোজ দেয়া হয়। এতে দেখা গেছে, তাদের মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশ সক্রিয় হয়েছে। গবেষকরা জানান, যাদের উচ্চমাত্রায় কোকোর ডোজ দেয়া হয়েছে, তাদের মস্তিষ্ক আগের চেয়ে বেশ কার্যকর হয়ে উঠেছে। অন্যদেরও স্মৃতিশক্তি তুলনামূলক বৃদ্ধি পেয়েছে। এটি রক্ত চাপ রোধেও ভূমিকা রাখে। সূত্র: ডেইলি মেইল