Pages

Saturday, September 1, 2012

সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জড়িত: মির্জা ফখরুল


সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জড়িত: মির্জা ফখরুল
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী কথায় কথায় বিএনপি নেতাদের দুর্নীতিবাজ বলছেন। অথচ শুধু বাংলাদেশ নয়, সরকারের দুর্নীতির কারণে এখন সারাবিশ্বের আঙ্গুল এখন প্রধানমন্ত্রীর দিকে । পদ্মা সেতুর পর এখন সোনালী ব্যাংক-হলমার্ক কেলেঙ্কারির টাকা লুটের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা জড়িত । প্রধানমন্ত্রীকে একদিন এর জবাব দিতে হবে।’’

তিনি বলেন, ‘‘প্রমাণ হয়েছে সরকারের মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও  প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়রা দুর্নীতিগ্রস্ত। তাই নৈতিক কারণে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত।’’

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, ‘‘সরকার বিএনপিকে বাদ দিয়ে নীল নকশার নির্বাচন করতে চায়। তাই যেকোনো ত্যাগের মধ্য দিয়ে বেগম জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে বাধ্য করতে হবে।’’

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার আসার কথা থাকলেও অসুস্থতার কারণে তিনি আসতে পারেননি বলে জানান মির্জা ফখরুল।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘সরকার দেশকে দূর্বল করতে এবং সেবাদাসে পরিনত করতে পরিকল্পিতভাবে সংসদ ও বিচার বিভাগকে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে। কিন্তু সরকারের এ ষড়যন্ত্র সফল হতে দেয়া যাবে না।’’

‘‘বিএনপি আন্দোলনে পিছিয়ে পড়েছে সরকারি দলের নেতাদের এমন মন্তব্য নাকচ করে দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘বিএনপি একটি দায়িত্বশীল দল। আমরা লগি বৈঠার রাজনীতি করে নয়; জনগণকে সাথে নিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীরা মনে করেছিল দেশে আর কোনো গণতন্ত্রকামী মানুষ থাকবে না। কিন্তু তার যোগ্য উত্তরসূরী বেগম খালেদা জিয়া একজন গৃহবধু হয়েও তিন দশক ধরে দেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করছেন । কোনো ষড়যন্ত্রই জিয়াউর রহমানের গড়া দলকে ধ্বংস করতে পারে নাই। আগামী দিনেও পারবে না ’’

বেগম জিয়ার নেতৃত্বে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের জনপ্রিয় সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান মির্জা ফখরুল।

আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘সংবিধান সংশোধনের কারণে সরকার দেশকে অনিশ্চয়তার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দোলনের মাধ্যমে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে ক্ষমতায় বসাতে হবে।’’                      

আ স ম হান্নান শাহ বলেন, ‘‘জিয়াউর রহমান যে স্লোগান নিয়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তা ধারণ করে চলতে পারলে কোনো ষড়যন্ত্রই বিএনপিকে রুখতে পারবে না। কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে বিএনপির কর্মী প্রমাণ করতে সকলের প্রতি আহবান জানান তিনি।’’

এমকে আনোয়ার বলেন, ‘‘নির্দলীয় সরকার ছাড়া এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। সরকার এরশাদকে গৃহপালিত বিরোধী দলে রেখে যে সাজানো নির্বাচন করতে চায় সে ষড়যন্ত্র সফল হবে না।’’

মির্জা আববাস বলেন, ‘‘বিএনপি হলো সভ্য মানুষের দল। আর আওয়ামীলীগ হলো অসভ্য ও দুর্নীতিবাজদের দল ।’’
 
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, চেয়ারপারসনের উপদেস্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকত উল্লাহ বুলু ও যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গণি, ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, ফজলুর রহমান পটল ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক ।

পরে জাতীয়তাবাদী সামাজিত সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন বিএনপি নেতারা।

ভারতের উদ্বেগ অমূলক, বিএনপি’ই জঙ্গি দমাতে পারবে: মোশাররফ

ভারতের উদ্বেগ অমূলক, বিএনপি’ই জঙ্গি দমাতে পারবে: মোশাররফ
 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘‘বিএনপি ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশে আবারো জঙ্গিদের উত্থান হবে বলে টাইমস অব ইনডিয়া যে সংবাদ প্রচার করেছে তা অযৌক্তিক ও অমূলক।’’ তবে জনগণের রায়ে বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় আসবে পত্রিকাটির এমন সংবাদকে স্বাগত জানান খন্দকার মোশাররফ। তিনি বলেন, তবে জঙ্গি উত্থানের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে বিএনপি’ই তা দমন করতে পারবে।
 
সম্প্রতি এক নিবন্ধে ভারতের সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক টাইমস অফ ইনডিয়া জানায়, ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে যে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রিয়তা কমছেই- অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপির জনপ্রিয় বৃদ্ধির আলামত ‘ক্রমশ বেশি পরিমাণে দৃশ্যমান হচ্ছে’- ফলে বিএনপির ক্ষমতায় আসার ’সম্ভাবনা নিয়ে দুঃশ্চিন্তাগ্রস্ত’ হয়ে পড়েছে ভারত।   বলা হয়, ‘মৌলবাদী সংগঠনগুলোর এবং বিএনপির জোটের অংশীদার জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নাশকতামূলক উপাদানগুলো’ নিয়েই ‘ভয় ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো’র। ভয়ের বিবরণ দিয়ে নিবন্ধে বলা হয়, এরা ‘পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকা সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে ভারতে অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দেয়া ছাড়াও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের (সাতবোন অঞ্চল) অন্তর্ঘাতী গোষ্ঠিগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা ও আশ্রয় দেয়ার কাজ আবারো শুরু করবে।’
 
এ প্রেক্ষিতে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘‘এ দেশে জঙ্গিদের উত্থানের শুরুতেই বিএনপি তা দমন করেছে। আগামী দিনে এমন ঘটনা আবার ঘটলে অন্য কোনো দল নয়, আমরাই তা দমন করতে পারবো।’’
 
শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে স্বদেশ জাগরণ পরিষদ আয়োজিত জাতীয় নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে সরকারের প্রস্তাবনা ও বাস্তবতা র্শীষক গোলটেবিল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি কামরুজ্জামান সেলিমের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ও নির্বাহী কমিটির সদস্য হেলেন জেরিন খান।
 
মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘আগামী নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে বিএনপি স্পষ্ট অবস্থানে থাকলেও সরকার এখনো দোদূল্যমান অবস্থায় আছে। লন্ডনে বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাতকারে প্রধানমন্ত্রী সকল দলের অংশগ্রহণে আগামী নির্বাচনের কথা বললেও তাদের আচরণে মনে হচ্ছে বিএনপিকে বাদ দিয়েই নির্বাচন করতে চায়। কিন্তু তাদের এ দ্বিবা স্বপ্ন পূরণ হবে না।’’
 
তিনি বলেন, ‘‘আগামী নির্বাচনের বিষয়ে আওয়ামী লীগের খোঁড়া অজুহাত আমরা মানিনা। নির্দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন হতে হবে। কারণ এটা এখন গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।’’
 
‘সংবিধানের ১৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকারের প্রতি আহবান’ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এ সরকার ব্যবস্থার কাঠামো বা রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে আমরা প্রস্তুত আছি।’’
 
১৮ দলের ঘোষিত কর্মসূচি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের খুশি না হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘এটাকে নরম কর্মসূচি বলে খুশি হওয়ার কিছু নেই। কারণ আন্দোলনের কৌশল অবলম্বন করতে এমন কর্মসূচি দেয়া হয়েছে। জনগণকে আন্দোলনের কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করতে আগামীতে ধাপে ধাপে কর্মসূচি দেয়া হবে।’’
 
এরশাদের উদ্দেশ্যে খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘‘দুই নেত্রীর করুণায় এ পর্যন্ত রাজনীতি করার সুযোগ পেলেও এখন দুই নেত্রী জীবিত থাকাবস্থায় এ দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন কোনো দিন পূরণ হবে না। শুধু তাই নয়, গৃহপালিত বিরোধীদল হওয়ার স্বপ্নও পূরণ হবে না।’’

ইরানকে পূর্ণ সমর্থন দেবে বাংলাদেশ, খামেনিকে হাসিনা

ইরানকে পূর্ণ সমর্থন দেবে বাংলাদেশ, খামেনিকে হাসিনা

আগামী তিন বছর ন্যামের চেয়ারম্যান থাকাকালে ইরানের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ সমর্থন থাকবে বলে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি হুসেইন খামেনিকে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খবর বাসস’র।

১৬তম ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ইরান সফররত প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার খামেনির সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় মুসলিম উম্মাহর মধ্য সংহতির প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী এবং আশা প্রকাশ করেন ওআইসি মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে আলোচনা করে উম্মাহর মধ্যকার সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হবে।

আয়াতুল্লাহ খামেনি এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও তার সফর সঙ্গীদের স্বাগত জানান এবং ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান।

দু’টি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের বিষয় তিনি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন এবং জাতিসংঘ ন্যাম, ওআইসি ও ডি-৮-এর মতো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

পরে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, অভিন্ন স্বার্থে উভয় দেশ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে এক সঙ্গে কাজ করতে পারে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ন্যামের নতুন সভাপতি হিসেবে ইরান সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সংহতি জোরদারে কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম হবে। এ বিষয়ে তিনি বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

তেহরানের শীর্ষ নেতা দু'দেশের মধ্যে বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী ইরানী নেতাকে ধন্যবাদ জানান এবং ১৬তম ন্যাম শীর্ষসম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তার প্রেরণামূলক বক্তব্যের প্রশংসা করেন।

এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী স্মরণ করেন যে, এই আগস্ট মাসেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ হন। আয়াতুল্লাহ খামেনী এ সময় বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি, এ্যাম্বাসেডর এটলার্জ মো. জিয়াউদ্দিন, পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ও ইরানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার আব্দুস সাত্তার।

প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ইরানের প্রেসিডেন্ট ও ন্যামের বর্তমান চেয়ারম্যান মাহমুদ আহমদিনেজাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

Friday, August 31, 2012

আইসিসি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন তালিকা :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

আইসিসি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন তালিকা :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পাওয়া  খেলোয়াড়দের নামের তালিকা বিশ্ব ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বৃহস্পতিবার প্রকাশ করে। তালিকাটি নিম্নরূপ:

বর্ষসেরা ক্রিকেটার:
হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা), মাইকেল ক্লার্ক (অস্ট্রেলিয়া), ভারনন ফিল্যান্ডার (দক্ষিণ আফ্রিকা), কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা)।

বর্ষসেরা টেস্ট ক্রিকেটার:
হাশিম আমলা (দক্ষিণ আফ্রিকা), মাইকেল ক্লার্ক (অস্ট্রেলিয়া), ভারনন ফিল্যান্ডার (দক্ষিণ আফ্রিকা), কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা)।

বর্ষসেরা ওয়ানডে ক্রিকেটার:
মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত), বিরাট কোহলি (ভারত), লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা), কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা)।

বর্ষসেরা মহিলা ওয়ানডে ক্রিকেটার :
লিডিয়া গ্রীনওয়ে (ইংল্যান্ড), আনিসা মোহাম্মদ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), সারাহ টেলর (ইংল্যান্ড), স্টেফানি টেলর (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

বর্ষসেরা উদীয়মান ক্রিকেটার:
ডাগ ব্রেসওয়েল (নিউজিল্যান্ড), দিনেশ চান্ডিমাল (শ্রীলঙ্কা), সুনিল নারাইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), জেমস প্যাটিনসন (অস্ট্রেলিয়া)।

সহযোগী ও অনুমোদিত দেশগুলোর বর্ষসেরা ক্রিকেটার:
জর্জ ডকরেল (আয়ারল্যান্ড), এড জয়েস (আয়ারল্যান্ড), কেভিন ও’ ব্রায়ান (আয়ারল্যান্ড), পল স্টারলিং (আয়ারল্যান্ড) ও দৌলত জাদরান (আফগানিস্তান)।

আন্তর্জাতিক টি-২০ বর্ষসেরা পারফরম্যান্স:
তিলকরত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা)-৫৭ বলে অপরাজিত ১০৪ রান, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।
ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)- ৫২ বলে অপরাজিত ৮৫ রান, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।
রিচার্ড লেভি (দক্ষিণ আফ্রিকা)-৫১ বলে অপরাজিত ১১৭ রান, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড।
অজন্তা মেন্ডিজ (শ্রীলঙ্কা)-১৬ রানে ৬ উইকেট, প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

মহিলা বর্ষসেরা টি-২০ ক্রিকেটার:
আলিসা হিলি (অস্ট্রেলিয়া), লিসা স্তালেকার (অস্ট্রেলিয়া), সারা টেলর (ইংল্যান্ড), স্টেফানি টেলর (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।

বর্ষসেরা আম্পায়ার:
বিলি বাউডেন (নিউজিল্যান্ড), আলিমদার (পাকিস্তান), কুমার ধর্মসেনা (শ্রীলঙ্কা), রিচার্ড কেটলব্রো (ইংল্যান্ড), সায়মন টাফেল (অস্ট্রেলিয়া), রডনি টাকার (অস্ট্রেলিয়া)।

স্পিরিট অব ক্রিকেট পুরস্কার:
মোহাম্মদ হাফিজ (পাকিস্তান), জ্যাক ক্যালিস (দক্ষিণ আফ্রিকা), ড্যানিয়েল ভেট্টরি (নিউজিল্যান্ড), এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা)।

পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড :
জেমস অ্যান্ডারসন (ইংল্যান্ড), জ্যাক ক্যালিস (দক্ষিণ আফ্রিকা), ভারনন ফিল্যান্ডার (দক্ষিণ আফ্রিকা), কুমার সাঙ্গাকারা (শ্রীলঙ্কা), শচিন টেন্ডুলকার (ভারত)।

আগামি ১৫ সেপ্টেম্বর কলম্বোতে অ্যাওয়ার্ড নাইটে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশের জলবায়ু প্রকল্পের ‘আর্থ কেয়ার এ্যাওয়ার্ড’ লাভ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশের জলবায়ু প্রকল্পের ‘আর্থ কেয়ার এ্যাওয়ার্ড’ লাভ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 উপকূলীয় অঞ্চলে বনায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন থেকে কমিউনিটিভিত্তিক অভিযোজন কার্যক্রমে অগ্রণী অবদানের জন্য বাংলাদেশের বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় ‘আর্থ কেয়ার এ্যাওয়ার্ড ২০১২’ লাভ করেছে।

গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ফেসিলিটিস’র (জিএইএফ) স্বল্পোন্নত দেশগুলোর তহবিলের (এলডিসিএফ) অধীনে এক কোটি ডলার ব্যয়ে বরগুনা, ভোলা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম জেলার উপজেলাগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয় কমাতে ওই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

জিইএফ এক বিবৃতিতে জানায়, কমিউনিটি-ভিত্তিক অভিযোজন ও তীব্রতা হ্রাস ক্যাটাগরিতে চলতি বছরের আর্থ কেয়ার অ্যাওয়ার্ড প্রদানে স্পন্সর হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

জিইএফ জানায়, এ প্রকল্পে মাছ চাষ, শস্য আবাদের জন্য সেচ এবং পতিত জমিকে চাষাবাদের উপযুক্ত জমিতে পরিণত করে বহুমুখী জীবিকা সংস্থানের সংযোগ রাখা হয়েছে এবং এই মডেলে পরিবারগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এতে তাদের বার্ষিক অন্তত এক হাজার মার্কিন ডলার বাড়তি আয় হবে।

জিইএফ’র সিইও এবং নাওকো ইসহিই বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনে অভিযোজনের জরুরি প্রয়োজনে এলডিসিইভুক্ত ৪২টির বেশি দেশে এলডিইএফ অনেকগুলো প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে সম্পৃক্ত সরকার ও কমিউনিটি জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন কর্মসূচির আওতায় অর্থায়ন প্রকল্প থেকে প্রত্যাশিত অভিযোজন সুবিধা গ্রহণের বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছে।

তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় অভিযোজন কার্যক্রম পূর্ণতা দিতে এলডিসিএফ’র দশকব্যাপী প্রচেষ্টা, বাংলাদেশের অঙ্গীকার ও সাফল্যের নজির স্থাপন করায় বাংলাদেশকে ওই অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয়।

ইউএনডিপি’র মাধ্যমে ওই উদ্ভাবনী প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য গত বছর ঢাকায় অনুষ্ঠিত কমিউনিটিভিত্তিক অভিযোজন (সিবিএএস) বিষয়ক পঞ্চম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইউএনডিপি ‘নলেজ কম্পিটিশন অ্যাওয়ার্ড’ লাভ করে। সূত্র: বাসস

হুমকির মুখে বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

হুমকির মুখে বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট


 জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে বঙ্গোপসাগরের জীববৈচিত্র্য৷ গত এক বছরে বিলুপ্ত হয়েছে ৫০টি প্রজাতি৷ অম্লতা বাড়তে থাকলে আরো অনেক প্রজাতি বিপন্ন হবে৷
 
গত দেড়শ' বছরে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৩০ ভাগ৷ প্রতিদিন বায়ুমণ্ডল থেকে ২২ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নিচ্ছে সাগরের বিস্তীর্ণ জলরাশি৷ সাগরে এখন কার্বন কনসেন্ট্রেশনের মাত্রা ৩৮০ পিপিএম৷
 
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. রেজাউল ইসলাম ভূইয়া জানান, পানিতে কার্বন মিশে পিএইচের পরিমাণ কমে যাওয়ায় অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে সাগরের অম্লতা৷ ফলে অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে এর জীববৈচিত্র্য৷ ভেঙে পড়ছে ইকো সিস্টেম৷ এ থেকে মুক্ত নয় বঙ্গোপসাগরও৷ অম্লতা বেড়ে যাওয়ায় বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক প্রাণীর গায়ে পচন ধরেছে৷ পাল্টে যাচ্ছে জীবন প্রক্রিয়া৷
 
তিনি জানান, বঙ্গোপসাগরের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আছে ১৯ প্রজাতির জীবাশ্ম, ৩৬ প্রজাতির কঠিন এবং ১৩ প্রজাতির কোমল প্রবাল৷ আছে ১৯১ প্রজাতির শামুক ও ঝিনুক৷ ১০ প্রজাতির কাকড়া ছাড়াও ১৫৩ প্রজাতির শৈবাল৷ আছে ১৩৪ প্রজাতির মাছ৷ এর মধ্যে গত এক বছরে বিলুপ্ত হয়েছে কমপক্ষে ৫০ টি প্রজাতি৷ এসিড যত বাড়বে আরো নতুন নতুন প্রজাতি বিপন্ন হবে৷
 
এদিকে সুনামির পর ভারত মহাসাগরের তলদেশে দেখা গেছে বেশ কয়েকটি বড় ধরনের আগ্নেয় বিস্ফোরণ৷
 
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি এবং পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. দিলীপ দত্ত জানান, বঙ্গোপসাগরও এ ধরনের বিস্ফোরণের আশঙ্কার মধ্যে রয়েছে৷ আর বঙ্গোপসাগরে এমন বিস্ফোরণ হলে জীববৈচিত্র্য পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের সফল পরীক্ষণ সম্পন্ন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের সফল পরীক্ষণ সম্পন্ন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতীয় টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার (টিআরএআই) সম্মতি পত্র (এনওসি) হাতে না পাওয়ায় নির্ধারিত দিনের (২৭ আগস্ট) একদিন পর স্থলপথে আন্তর্জাতিক টেরেস্ট্রিয়াল কেবল (আইটিসি) সংযোগের সফল পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে ওয়ান এশিয়া (বিডি) লিমিটেড।
 
মঙ্গলবার বিকেলে বেনাপোল সীমান্ত সংযোগ ক্যাবল দিয়ে এসিটিএম-৬৪ লেবেলে ডেটা আদান-প্রদান করে সিঙ্গাপুর ভিত্তিক এই স্বদেশী কোম্পানিটি। এসময় প্রতিসেকেন্ড ১০জিবি তথ্য-আদান প্রদানে নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করার মিশনে স্থাপিত হার্ডওয়্যারের সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
 
পরীক্ষামূলক অপারেশন সম্পর্কে বার্তা২৪ ডটনেট এর সঙ্গে আলাপকালে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন’র প্রেসিডেন্ট সৈয়দ আব্বাস আলী সিরাজি জানন, নতুন এ সংযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশ সিমিইউ(৪) সাবমেরিন কেবল ছাড়াও সাতটি চ্যানেলে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা পাবেন ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীরা।
 
দেশে অবিচ্ছেদ্য ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে এ জন্য যে চ্যানেলটি তৈরি করা হয়েছে তা বেনাপোল-কলকাতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে মুম্বাই এবং চেন্নাইয়ের ল্যান্ডিং স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে তিনি জানান।
 
তিনি বলেন, “আমরা আশা করছি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলকেও ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে আমরা ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোকে সাশ্রয়ী মূল্যে ব্যান্ডউইথ দেয়ার চেষ্টা করবো।” তবে এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ট্যারিফ প্লান রিভিশন করার পাশাপাশি ভারতকেও ভাড়া মূল্য কমানোর প্রতি অনুরোধ জানানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
 
সিরাজি বলেন, “এখন পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে সকলের সহযোগিতা পাওয়ায় আমরা বেশ দ্রুততার সঙ্গে কাজ এগিয়ে নিতে সক্ষম হচ্ছি। শুধুমাত্র ভারতীয় টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার (টিআরএআই), টেরিস্টারিয়েল সংযোগ দাতা প্রতিষ্ঠান টাটা কমিউনিকেশন ও ভারতী এয়ারটেলের কারণে কাজ শুরু করতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।”  

তবে ইতিমধ্যেই বেনাপোল বন্দর দিয়ে সংযোগ স্থাপনের কাজ শেষ হয়েছে জানিয়ে ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন’র নির্বাহী কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মাদ হেলাল বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “এরই মধ্যে দেশের বিকল্প ইন্টারনেট মাধ্যম হিসেবে আইসিটির কারিগরি সংযোগের (ফিজিক্যাল কানেক্টিভিটি) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরের শেষদিকে কিংবা বড়জোর আগস্টের প্রথম সপ্তাহে স্থলপথে বিকল্প ইন্টারনেটের সংযোগের সুবিধা বাংলাদেশের জন্য বাণিজ্যিকভাবে অবমুক্ত করা সম্ভব হবে।”
 
আনুষ্ঠানিক পরীক্ষায় বেনাপোল দিয়ে স্থাপিত ক্যাবল সংযোগটির যথার্ততা প্রমাণের পর এবার আমরা দর্শনা সীমান্ত দিয়েও আরেকটি সংযোগ ক্যাবল স্থাপনের কাজ হাতে নিয়েছি। এরপরপরই আখউড়া ও মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে আরো দুইটি বিকল্প সংযোগ ক্যাবল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।”
 
অবিচ্ছেদ্য ইন্টারনেট সুবিধাভুক্ত হতে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ভোক্তাদের আর খুব বেশি দিন অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না এমন আশাবাদ ব্যাক্ত করে তিনি বলেন, “চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আইটিসি লাইসেন্স হাতে পাবার পর থেকেই আমরা কাজ শুরু করে দিই। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে সময় মতো সাড়া না পাওয়ায় নির্ধারিত ছয় মাসের মধ্যে আমরা দেশের ইতিহাসে প্রথম স্থলপথে সংযুক্ত এই বৈশ্বিক ইন্টারনেট সেবা কাজ শেষ করতে পারিনি। এজন্য সরকার আরো অতিরিক্ত তিন মাস সময় বাড়িয়ে দেয়। এই সময়ে লাইসেন্স পাওয়া ছয়টি কোম্পানির মধ্যে আমরাই প্রথম অপারেশন শুরু করতে সক্ষম হয়েছি।”
 
তিনি আরো বলেন, “পরীক্ষামূলক পর্ব চূড়ান্ত করার পরও বাণিজ্যিক বিপণন শুরু করতে এক মাসের মতো সময় লাগে। এই সময়ের মধ্যে ভারতীয় টাটা কমিউনিকেশন আমাদের বাণিজ্যিক ভাবে সংযোগ চালুর অনুমতি প্রদানে ভারতীয় টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থার (টিআরএআই) এবং মন্ত্রণালয় কমিটির কাছ থেকে পৃথক অনাপত্তি সনদ সংগ্রহ করবে। এরপরই আমরা বাণিজ্যিকভাবে বিকল্প এই ইন্টারনেট সংযোগ চালু করতে পারবো।”
 
বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগ নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে সংযুক্ত রাখতে কক্সবাজার দিয়ে মিয়ানমার হয়ে এই ক্যাবল সংযোগটি সিংগাপুর পর্যন্ত বর্ধিত করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং আব্দুর রাজ্জাক।
 
তিনি জানান, বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংযোগ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে টাটা কমিউনিকেশন সব সময় তিনটি চ্যানেল লাইভ রাখার কথা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে। এর ফলে দেশের করপোরেট সেবাভুক্তরা অপেক্ষাকৃত কমমূল্যে বিকল্প ইন্টারনেটের এ সুবিধা পাবেন। তবে সাধারণ ভোক্তা পর্যায়ে কি ধরনের সেবাব্যয় কমবে তা বিটিআরসি এবং আইএসপি সেবাদাতাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে জানান তিনি।
 
তিনি আরো জানান, কর্পোরেট পর্যায়ে জিপিআইটি, ভোক্তা পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দাতা প্রতিষ্ঠান অগ্নি সিস্টেম লিমিটেড ও আমরা নেওয়ার্ক এর মতো দেশী প্রতিষ্ঠানগুলো সংযোগ পেতে মুখিয়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েক দফা সাবমেরিন কেবল কাটা পড়া ও কারিগরি উন্নয়নে রিপিটার প্রতিস্থাপন ইত্যাদি কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া ছাড়াও ইন্টারনেটর কচ্ছপ গতিতে হাঁপিয়ে উঠেছে দেশের নেটিজেনরা। তাই স্থল পথে ইন্টারনেট সংযোগের এই বিকল্প এই ক্যাবল স্থাপনের খবরে ইন্টারনেট ব্যাবহারকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
নতুন এই সংযোগ চালু হলে দেশের কলসেন্টারগুলো জীবন ফিরে পাবে এবং সেই সাথে আউট সোর্সিং-এও আসবে গতি।
 
নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত হলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাড়বে এমনটাই আশা করছেন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের বিদায়ী সভাপতি মোহাম্মদ কাওছার উদ্দীন।
 
বার্তা২৪ ডটনেট প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে দেশের প্রত্যন্ত অঞলে ইন্টারনেট সেবা পৌছে দিতে এবার ভোক্তা পর্যায়ে এর মূল্য কমানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
 
তিনি বলেন, “একজন কৃষক কিংবা শিক্ষার্থীও যেন ইন্টারনেট ব্যাবহারের মাধ্যমে নিজেদের উন্নয়ন ঘটাতে পারে সেদিকটায় নজর দেয়া দরকার। তার মতে, এখন থ্রি জি সেবাকে যত দ্রুত চালু ও সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া সম্ভব হবে জাতি ততটাই উপকৃত হবে।”
   
একই বিষয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের চেয়ারম্যান জিয়া আহমেদ জানান, ‘কল সেন্টারগুলোর জন্য দেশের একমাত্র সাবমেরিন ক্যাবলের ব্যাকআপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে গিয়েছিল। ইন্টারনেটের এই স্থলপথ সংযোগটি নিঃসন্দেহে সময়োপোযোগী ও যুগান্তকারী। এর ফলে দেশে ব্যান্ডউইথ মূল্যের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার বাড়বে। বিশেষ করে দেশের কল সেন্টারের জন্য। একইসঙ্গে  দেশের ব্যান্ডইউথের দাম কিছু কমে যাবে।’
 
এদিকে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি ইতিমধ্যেই নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র কাছ থেকে ভারত, নেপাল, ভুটান ও মায়ানমারের মতো পার্শ্ববর্তী দেশে ব্যান্ডউইথ রফতানি করার অনুমোদন পেয়েছে আইটিসি কোম্পানিগুলি। পাশাপাশি গত এপ্রিলে বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে ত্রিপুরা এবং চেন্নাইয়ের মধ্যে সংযোগ দেবার জন্য 'ভার্চুয়াল ট্রানজিট' সুবিধা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে ভারত সরকার। সব মিলিয়ে ভি-স্যাট নির্ভরতা কমিয়ে সঙ্কুচিত বিকল্প পথে সংযুক্ত বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ চালুর আগেই এর চাহিদা দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও পৌঁছে গেছে।
 
তাই বাণিজ্যিকভাবে সংযোগ চালুর আগেই ওয়ান এশিয়া কমিউনিকেশন’র সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বাংলেদেশস্থ ভূটান দূতাবাস। ইতিমধ্যেই সংযোগ পেতে প্রতিষ্ঠানিটির ব্যাবস্থাপনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দূতাবাসের কনসেলর/ডেপুটি চিফ অব মিশন কারমা এস টিওসার।
 
জানাগেছে, এই বিকল্প এই পথে ভারতের কলকাতা হয়ে মুম্বাই ও চেন্নাইয়ের ইন্টারন্যাশনাল টেরিস্টারিয়েল কানেক্টিভিটি ও সাবমেরিন উভয় পথেই সংযুক্ত হচ্ছে বাংলাদেশ।
 
নিরবিচ্ছিন্নভাবে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে বিপুল তথ্য-আদান প্রদান নিশ্চিত করতে ৯৬ কোর ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে। ফলে ইন্টারনেট সংযোগে দেশে অচিরেই ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রত্যয়ের রেনেসাঁর উদ্ভব ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গ্রামীণফোন সিইওকে হাজিরের নির্দেশ শ্রম আদালতের :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

গ্রামীণফোন সিইওকে হাজিরের নির্দেশ শ্রম আদালতের :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট


 নিয়ম বহির্ভূতভাবে কর্মী ছাঁটাই সম্পর্কে জানতে চেয়ে গ্রামীণফোন’র প্রধান নির্বাহী টরে জনসেন ও সদ্য বদলি হওয়া প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন হায়দার ভাট্টি’র প্রতি হাজিরের সমন জারি করেছে শ্রম আদালত।

বৃহস্পতিবার গ্রমীণফোনের চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন বাদী হয়ে ঢাকার প্রথম আদালতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী ও মানবসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা করেন। দণ্ডবিধি ২৯১ ও ৩০৭ নম্বর ধারায় দায়ের করা ওই মামলার শুনানিতে আসামিদের প্রতি সমন জারি করা হয়।

ঢাকা জেলা ও দায়েরা জজ এবং প্রথম শ্রম আদালতের বিচারক মিয়া মোহাম্মদ শরীফ মামলায় অভিযুক্ত আসামির বিরুদ্ধে সমনও জারি করেন।

জানা গেছে, শ্রম আইনের ১৮৬ ও ১৯৫ বিধি-বিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণফোন’র প্রধান নির্বাহী টরে জনসেন ও সদস্য বদলি হওয়া প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন হায়দার ভাট্টি’র বিরুদ্ধে এই মামলা করা হয়।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. সেলিম আহসান খান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, আদালত অভিযুক্ত গ্রামীণফোন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন। আগামী রোববারের মধ্যে এটি ভাটিয়ারি থানার মাধ্যমে আসামিদের কাছে চলে যাবে বলে আশা করছি।

মামলার বাদী রাসুলুল আমিন মুরাদ জানান, ইউনিয়ন গঠনের একদিন পরই চলতি বছরে ২৪ জুলাই আমাকেসহ ২১৩ জনকে বিনা নোটিশে টার্মিনেট করা হয়। এই আইন বহির্ভূত চাকরিচ্যুতি সংস্কৃতি চর্চা বন্ধের দাবিতে আমরা আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।

ফেসবুকের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যবহারকারী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেসবুকের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যবহারকারী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

 
  জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ ওয়েবসাইট ফেসবুকের সবচেয়ে প্রবীণ ব্যবহারকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। তিনি হচ্ছেন আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ১০১ বছর বয়সী এক নারী ফ্লোরেন্স ডেটলর।

বয়স বাড়লেও, মনের দিক থেকে তিনি এখনো নবীন। সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত ফেসবুকের সদরদফতরে এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন তিনি। জুকারবার্গের সঙ্গে ছিলেন ফেইসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেরিল স্যান্ডবার্গ। ডেটলর, জুকারবার্গ ও স্যান্ডবার্গের একসঙ্গে তোলা একটি ছবি এরই মধ্যে পোস্ট করা হয়েছে ফেসবুকে।

১০১ বছর বয়সী ডেটলরের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিও তুলে ধরেছে ফেসবুক। লস অ্যাঞ্জেলেসের অক্সিডেন্টাল কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছিলেন ১৯৩২ সালে। ২০০৯ সালের আগস্টে ফেসবুকে যোগ দেন। গত মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত ফেসবুকে ডেটলরের বন্ধুর সংখ্যা ৬৫২ জন।

গত সোমবারের পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি লিখেছেন, নতুন বন্ধুদের সম্পর্কে ভাবতে ভালো লাগে আমার।

ঝড়ের মুখে এন্টি ওবামা ফিল্ম- ওবামা’স আমেরিকা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঝড়ের মুখে এন্টি ওবামা ফিল্ম- ওবামা’স আমেরিকা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট


 ইন্দো-আমেরিকান লেখকের ডকুমেন্টরি ‘২০১৬: ওবামা’স আমেরিকা’ বক্স অফিসে তুমুল ঝড় তুলেছে। ঝড় উঠবেই বা না কেন! খোদ বিশ্বের মাথা আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যদি ইচিং বিচিং খেলা হয়, আর সেই খেলাতে রেফারি যদি ইচ্ছেমতো ন্যায্য অন্যায্য নানা রকমের সিদ্ধান্ত নেন, তবে! তাহলে তো কথাই নেই। শুধু ঝড় কেন সাইক্লোন ঘটে যাবে। বিষয়টা আসলে কারো পক্ষে অথবা কারো বিপক্ষে যাবে। ওবামার এই ছবির ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে।

মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণকারী দিনেশ ডিসুজা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ওবামাকে বিষয়বস্ত করে নির্মাণ করলেন একটি এন্টি ওবামা ফিল্ম। ২০১৬ সালে ওবামাকে নির্বাচনে জয়ী করা উচিত কি  না- আর জয়ী হলেও ওমাবা কতটুকু সফলতা ছিনিয়ে আনতে পারবেন -এটিই মূলত ছবির প্রেক্ষাপট। ছবিতে পরস্পর বিরোধী বিশ্লেষণ উঠে এসেছে। যার কারণে রিপাবলিকান ও কনজারভেটিভ দুপক্ষের মতাবলম্বিরাই আলোচনার তীব্র বিতর্কে যোগ দিচ্ছেন।

আগামী শুক্রবার থেকে ছবিটি বিশ্বব্যাপি মোটিএক হাজার ৮০০ থিয়েটারে বর্ধিত সময়ের জন্য প্রদর্শিত হবে। প্রায় এক হাজার ১০০ থিয়েটারে এটি প্রদর্শিত হয়েছে এবং সপ্তাহ শেষে অর্থ উঠিয়ে এনেছে ৬.২ মিলিয়ন ডলার। শুক্র ও শনি শুধু এই দুদিনেই ছবিটি আয় করেছে হাজার ৯৪০ ডলার। যেটা অন্যান্য যেকোনো বাণিজ্যিক ছবির তুলনায় অনেক বেশি। রকি মাউন্টেন পিকচারের ব্যানারে ছবিটি নির্মিত হয়েছে।

ছবিটি নির্মাণে খরচ পড়েছে ২.১ মিলিয়ন ডলার। দিনেশ ডিসুজার ‘ দ্য রুটস্ অব ওবামা’স রেজ’ বইটি অবলম্বনে ছবিটি নির্মাণ করেছেন ডিসুজা ও জন সুলিভান। এখানে উল্লেখযোগ্যভাবে আলোকপাত করা হয়েছে প্রেসিডেন্ট ওবামার উত্তরাধীকার সূত্রে পাওয়া তৃতীয় বিশ্বের তথাকথিত মানসিকতার যেটা তিনি পেয়েছেন তার কেনিয়ান বাবার কাছ থেকে। আর এই মানসিকতা বলেই ওবামা সক্রিয়ভাবে একান্ত চেষ্টায় কাজ করছেন আমেরিকাকে অগ্রাধিকারের সঙ্গে বিশ্বে প্রতিষ্ঠা করতে।

তুমূল বিতর্ক এবং আলোচনার ঝড় উঠেছে ওবামাকে নিয়ে নির্মিত এই ছবিকে কেন্দ্র করে। সূত্র: এনডিটিভি

সিনেমা ছাড়তে কোনো অসুবিধা হবে না কোয়েলের :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিনেমা ছাড়তে কোনো অসুবিধা হবে না কোয়েলের :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পয়লা নম্বর নায়িকা বিয়ে সেরে ফেলছেন ২০১৩ সালের পয়লা ফেব্রুয়ারি। সৌভাগ্যবান সেই যুবকটির নাম নিসপাল সিং; তিনি-ই সুরিন্দর ফিল্মস-এর হর্তাকর্তা। কাল মুক্তি পাচ্ছে কোয়েলের যে ছবি 'পাগলু ২', তারও প্রযোজক নিসপাল। তা, এটাই কি কোয়েলের বিয়ের আগে শেষের দিকের ছবি? আর তারপরেই কি কোয়েল মল্লিক-এর সিনেমা থেকে অবসর? ঠিক যেভাবে বিয়ে সেরে ছবির জগৎ থেকে সরে গিয়েছিলেন মাধুরী, এও কি তাই? কোয়েল কী বলছেন তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে? কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারের রণজিৎ দে’র সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

প্রশ্ন :  ইন্টারভিউটা শুরুর আগে আপনাকে একটা প্রমিস করতে হবে...
কোয়েল : (একটু অবাক হয়ে) প্রমিস! কী প্রমিস?

প্রশ্ন : কোনও পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দেওয়া চলবে না...
কোয়েল : হা... হা... হা... (প্রবল হাসি)।

প্রশ্ন : হেসে উড়িয়ে দিলে হবে না। রাজি তো?
কোয়েল : আমি যে খুব ক্যালকুলেশন করে পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দিই- তা কিন্তু নয়। বেসিক্যালি আমি মানুষটাই এরকম। বরং আমি যেমন আমি, সেইভাবেই কথা বলি, না কি?

প্রশ্ন : বেশ তাই বলুন।
কোয়েল : শুরু করুন তাহলে...

প্রশ্ন : আপনি কি জানেন রিসেন্ট একটা ইন্টারভিউতে স্বস্তিকা বলেছেন, কোনও দিন আপনারা দুজন একসঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করলে রিভেঞ্জ কীভাবে নিতে হয়- সেটা নাকি স্বস্তিকা আপনাকে দেখিয়ে দেবেন...
কোয়েল : তাই, বলেছে বুঝি!(কিছুক্ষণ ধরে হাসি)... কী বলি বলুন তো! কেউ যদি রিভেঞ্জ নিতে চায়, লিখে দিন- আমি হেসে দিয়েছি।

প্রশ্ন : আপনি কিন্তু প্রমিস করেছেন কোনরকম পলিটিক্যালি কারেক্ট অ্যানসার দেবেন না...
কোয়েল : দিচ্ছি না তো। বিশ্বাস করুন, কাছের লোকজন ছাড়া আমার আর কারও ওপর সেভাবে রাগ, অভিযোগ কিছুই নেই।

প্রশ্ন : একটু বেশি বিনয় হয়ে গেল না?
কোয়েল : (হাসি) এটা আমার একেবারেই বিনয় নয়। আমি মানুষটাই এরকম। আমার প্লেটে দুটো মিষ্টি থাকলে আমি সেটা নিয়েই খুশি থাকব। অন্যের প্লেটে ক’টা মিষ্টি আছে, সেই নিয়ে মাথা ঘামাতেই যাব না। তার প্লেট নিয়ে কাড়াকাড়িও করব না।

প্রশ্ন : তার মানে বলছেন, স্বস্তিকার ওপর আপনার কোনও রাগ নেই। কেউ অফার নিয়ে এলে আপনি স্বস্তিকার সঙ্গে ছবি করবেন?
কোয়েল : (একটু ভেবে) যদি এরকম কোনও দিন সুযোগ আসে, স্বস্তিকার সঙ্গে ছবি করতে আমার কোনও আপত্তি নেই।

প্রশ্ন : এত বছর ইন্ডাস্ট্রিতে হয়ে গেল, কারও ওপর আপনার কোন অভিযোগ তৈরি হল না- সেটা হয় না কি?
কোয়েল :(চোয়াল শক্ত করে) আমি ইচ্ছে করলেই কাল সকাল থেকে কোনও সিনেমা না-ও সাইন করতে পারি। এই ইন্ডাস্ট্রির প্রতি আমার কোনও অ্যাটাচমেন্ট নেই। রাতারাতি নিজেকে সিনেমা থেকে সরিয়ে নিতে এতটুকু অসুবিধা হবে না আমার।

প্রশ্ন : সত্যি কোনও অ্যাটাচমেন্ট তৈরি হল না, নাকি আপনি তৈরি করলেন না?
কোয়েল : আমি তৈরি করলাম না।

প্রশ্ন : কেন? এত বছরেও ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও কাছের মানুষ পেলেন না?
কোয়েল : না না, ইন্ডাস্ট্রির লোকেরা আমার সবাই কাছের। সবার সঙ্গেই আমার ভাল সম্পর্ক। কিন্তু সিনেমার এই যে গ্ল্যামার, ফেম... একটা অসম্ভব মোহ আছে না, তার সঙ্গে আমার কোনো অ্যাটাচমেন্ট নেই। এগুলো বড় পলকা। আজ আছে, কাল নেই। কিন্তু আমার ফ্যামিলি আমার সঙ্গে সব সময় থাকবে। আমি যখন বিখ্যাত ছিলাম না, তখনও ছিল, আজও আছে, থাকবেও। তাই বিয়ে-টিয়ের পর যদি আমায় চুটিয়ে সংসার করতে হয়, বাচ্চা মানুষ করতে হয়- আমার কোনো দুঃখ থাকবে না। ফ্যামিলিটাই আমার কাছে প্রায়োরিটি বেশি, সিনেমাটা নয়। তাই যত রাগ, অভিমান আমার কাছের মানুষগুলোর ওপর, অন্যদের ওপর নয়। আসে না।

প্রশ্ন : টলিউডের এক নম্বর নায়িকার মুখে এই কথাগুলো কেমন যেন শোনাচ্ছে না!
কোয়েল : কিন্তু এই কথাগুলোই সত্যি। শ্যুটিং-এর পর কোয়েল এরকমই। এক এক সময় মনে হয়- আমি মানুষটা সত্যি খুব বোরিং। জানেন, আমার নিজের ইন্টারভিউ আমার একদম পড়তে ইচ্ছে করে না। সবাই কত কিছু বলে, কত মশলা থাকে আর আমারটা...!(কিছুক্ষণ চুপ করে থাকার পর)... আমি জীবনে প্ল্যান করে কিছু করিনি বটে, কিন্তু আমি জীবনে অ্যাডভেঞ্চারটাও একদম ভালোবাসি না। ওই যে পাখিরা দলবেঁধে আকাশে উড়ে বেড়ায় না, দেখবেন ওদের ভেতর একটা পাখি দলছুট হয়ে চেঁচাতে চেঁচাতে একা একা উড়ে বেড়াচ্ছে। ওই পাখিটা হয়ত আকাশটাকে একটু বেশি চিনল, বেশি দেখল কিন্তু ওর হারিয়ে যাওয়ার চান্সটাও অনেক বেশি। আমি ওই দলছুট পাখিটা কোনও দিন হতে পারব না। আমি সব সময় একটা সিকিউরিটি চাই।

প্রশ্ন : এই সিকিউরিটির কারণেই কি ভেঙ্কটেশ ছেড়ে আজ অবধি অশোক ধানুকার সঙ্গে ছবি করলেন না?
কোয়েল : অশোক ধানুকাই তো আজ অবধি আমায় ডাকলেন না। ভাল স্ক্রিপ্ট হলে কেন করব না!

প্রশ্ন : সত্যি?
কোয়েল : অশোক ধানুকাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করুন...

প্রশ্ন : এত বছর হয়ে গেল, ইন্ডাস্ট্রি আপনাকে স্রেফ গ্ল্যামারাস নায়িকা করেই রেখে দিল। মাঝে মাঝে রাগ হয় না?
কোয়েল : আমি তো খুব প্ল্যান করে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসিনি, তাই ইন্ডাস্ট্রির কাছে আমার খুব একটা এক্সপেকটেশনও নেই। প্রথম যখন ছবি করতে এলাম, বাবার ইমেজের কথাই মাথায় ছিল, যাতে আমার জন্য কোনও ভাবে বাবাকে না কথা শুনতে হয়। নিজের কথা তখন সত্যি ভাবিনি। প্রথম প্রথম আমি নিজেকেই তো নিজে টলারেট করতে পারতাম না, ইন্ডাস্ট্রি কী ভাবে পারবে...

প্রশ্ন : সে তো প্রথম প্রথম... কিন্তু দশ বছর পর মানে এখন?
কোয়েল : (হাসি) না না, এখন পারি। কিন্তু ওই যে বললাম- ইন্ডাস্ট্রির প্রতি আমার কোনও অ্যাটাচমেন্ট নেই। তাই রাগ-টাগও আসে না। ইন্ডাস্ট্রি আমাকে যা দিয়েছে, আমি তাতেই খুশি। অন্যের প্লেটে তিনটে মিষ্টি আছে বলে আমি হামলে পড়তে পারব না।
এমন সময় মেক-আপ ভ্যানের দরজায় ঠক ঠক। দরজা খুলতেই একজন বলল ‘দিদি,শট রেডি’। অগত্যা কোয়েলের সঙ্গে কথাও আপাতত এখানেই ফুরোল।

কাজিনদের দল ভারি করতে আসছেন আরমান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাজিনদের দল ভারি করতে আসছেন আরমান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বলিউডে কাজিনদের একটা বিরাট সার্কেল গড়ে উঠেছে। যেমন পরিনীতা-প্রিয়াংকা চোপড়া, সোনম-অর্জুন কাপুর, কাজল-রাণী মুখার্জি, কারিনা-রনবীর কাপুর, ফারাহ্-সাজিদ খান, ফারদিন-জায়েদ খান সহ আরো অনেকে আছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার আসছেন কারিনার আরেক কাজিন আরমান।
 
বলিউডে মনে হয় না ইন্ডাস্ট্রির বাইরের কোনো ফ্রেশ লুকের আর জায়গা হবে। জায়গা হলেও সংখ্যাগরিষ্টের দাপটে তাদের টেকা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। যে হারে একের পর এক সেলিব্রেটিদের পরবর্তী প্রজন্ম বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকে পড়ছে! এক কাপুর বাড়ির সব সদস্যদের সন্তান-সন্ততি যদি একে একে বলিউডে এসে দাঁড়ায় তবে বলিউড টইটুম্বুর হয়ে যাবে।
 
যাই হোক খানদানকে আগে বাড়াতে এবার আসছেন কারিনার ফুপাতো ভাই আরমান। ফুপু রিমা ও ফুপা মনোজ জৈনের পূত্র আরমান জৈন। আরমানকে বলিউডে অভিষেক ঘটানোর কাজটি করছেন হবু বোন জামাই সাইফ আলি খান। বয়স ২০ এর নিচে কিন্তু এরই মধ্যে আরমার ‘এক মে অর এক তু’ ছবির সহ-পরিচালক হিসেবে কাজ করে ফেলেছেন।
 
এক মে অর এক তু’ ছবিতে অভিনয় করেছেন কারিনা কাপুর। ওই ছবির পরিচালনা কাজ করার সময়েই আরমানের মনে ভেতর অভিনয়ের ইচ্ছাটা জাগ্রত হয়। বলি বলি করতে করতে বোন কারিনাকে বলেও ফেলেন। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে সাইফের পরবর্তী ছবিতে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে যান আরমান। বোনের শক্ত বাহু ধরে বড় প্রোডাকশনের ব্যানারে আরমান ভানো মতোই এগিয়ে যাবেন বলে আশা করছেন সমালোচকরা। সুত্র: টাঅই

সুস্বাস্থের জন্য পরিমিত লবণ গ্রহণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

সুস্বাস্থের জন্য পরিমিত লবণ গ্রহণ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 রুপকথার গল্প থেকে আমরা জেনেছি লবণ ছাড়া রান্না করা খাবারের কোনো স্বাদ নেই রাজার মুখে।তাই ছোট রাজকুমারীর ‘লবণের মতো ভালোবাসাই আসলে প্রকৃত ভালোবাসা’।
 
শরীরবৃত্তিয় প্রয়োজনে পরিমিত মাত্রার খাবার লবণের যেমন দরকার তেমনি অতিরিক্ততা গুরুতর ক্ষতিরও কারণ।অধিক পরিমাণে খাবার লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেই সুস্বাস্থ্য অর্জন করা যায়।
 
প্রাচ্য এবং পাশ্চাত্যে লবণ খাবার রান্নার মশলা হিসেবেই সমাদৃত।খাবার তৈরিতে লবণ খাবারকে সুস্বাদু করে, উপযুক্ত সিদ্ধ বা নরম করে, পচন রোধ করে।খাবার সংরক্ষণ করতেও (মাছ/মাংশ শুঁটকি হিসেবে) লবণ কাজে লাগে।রান্নার লবণ ও খাবার পাত্রে আলগা লবণ আমাদের জন্য লবণের মূল উৎস।এছাড়াও সব ধরণের তৈরি খাবার (হোটেলের তৈরি নাস্তা/ফাস্ট ফুড প্রভূতি), কৌটার সংরক্ষিত খাবার, সকল কোমল পানীয়, শাকসবজি ও ফল থেকেও আমরা লবণ গ্রহণ করি।
 
খাবার লবণ বলতে আমরা সাধারণত সোডিয়াম ক্লোরাইড যৌগটিকেই বুঝি।বিট লবণ বা সোডিয়াম হাইপো ক্লোরাইটও বিশেষ কিছু খাবার তৈরিতে কাজে লাগে।শাকসবজি ও ফল থেকে আমরা লবণ পাই পটাশিয়াম-এর যৌগ হিসেবে।

জানা যায়, একজন সুস্থ মানুষের শরীরে প্রতিদিন মাত্র ১ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড প্রয়োজন।যদিও আমরা বাংলাদেশীরা প্রতিদিন গড়ে ১৬-১৭ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড গ্রহণ করি।প্রতিদিন ইংল্যান্ড এবং আমেরিকাবাসীরা গড়ে ৯-১০ গ্রাম, চীন এবং জাপানবাসীরা গড়ে ১২-১৪ গ্রাম সোডিয়াম ক্লোরাইড গ্রহণ করে।
 
প্রতিদিন লবণের পরিমাণ বিষয়ে ডাক্তাররা দৈনিক সর্বোচ্চ ৬ গ্রাম এর বেশি কখনোই গ্রহণ করা উচিত নয় বলে মতামত দিয়েছেন। সারা বিশ্বজুড়ে গবেষণাকৃত শতাধিক বৈজ্ঞানিক গবেষণাপত্রের দ্বারা এই বিষয়টি প্রমাণিত যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ শরীরের রক্তচাপ বাড়িয়ে তোলে।উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় নীরব ঘাতক।কারণ এর সুনির্দিষ্ট শারীরিক লক্ষণ নেই।শুধুমাত্র অতিরিক্ত লবণ সেবনই আপনাকে ঠেলে দেবে উচ্চ রক্তচাপ জনিত অধিকতর গুরুত্বর স্বাস্থ্য সমস্যা-হূদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ও স্থায়ী কিডনি রোগের দিকে।এছাড়াও পাকস্থলীর ক্যান্সার, কিডনিতে পাথর, অস্থি ক্ষয়রোগ, অতিরিক্ত ওজন, স্মৃতিশক্তি হ্রাস প্রভৃতি রোগের ঝুঁকি অতিরিক্ত লবণ সেবনের দ্বারা বৃদ্ধি পায়।
 
শুধু পরিমিত লবণ সেবন করলেই বিনা খরচেই এইসব রোগের ঝুঁকি থেকে বেঁচে থাকা যায়।উদাহরণ হিসেবে, হিমালয়ের পাদদেশের কিছু গ্রামের মানুষের কথা বলা যায়।তারা লবণ সেবন করেন না বলে তাদের উচ্চ রক্তচাপও হয় না।

তাই এখন থেকেই খাবারে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ না করার জন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। যেমন রান্নাতে অল্প লবণ ব্যবহার করা, ঘরের বাইরে তৈরি খাবার (হোটেলের তৈরি নাস্তা/ফাস্ট ফুড প্রভূতি) যতদূর সম্ভব পরিহার করা, কৌটায়/প্যাকেট এ সংরক্ষিত খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়া, সব ধরণের সস, পনির ও কোমল পানীয় কম পরিমাণে গ্রহণ করা এবং প্রতিদিনের খাবারে শাক সবজি ও কাঁচা ফল রাখা।

আশার কথা এই যে, যেহেতু লবণের সোডিয়াম উপাদানটিই বেশি ক্ষতি করে, তাই লবণ থেকে সোডিয়ামকে সরিয়ে এসকরবিক এসিড বসানোর জন্য বিজ্ঞানীরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।এতে লবণের স্বাদ ঠিক থাকবে কিন্তু ক্ষতি হবে না। সূত্র: ইন্টারনেট

আওয়ামী লীগের ভাষায় জবাব দেবে বিএনপি: খালেদা জিয়া

আওয়ামী লীগের ভাষায় জবাব দেবে বিএনপি: খালেদা জিয়া

বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়া বলেছেন, ‘‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবেই হবে। আর এ দাবি আদায়ের আন্দোলন দমনে সরকার যে ভাষায় কথা বলবে সে ভাষায়ই জবাব দেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় দেয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে এ হুশিয়ারি দেন।

খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ মনে করছে বিএনপি কঠোর কর্মসূচি দেবে। সে সুযোগে তারা রাস্তায় মারামারি করে বিএনপির ওপর দায় চাপিয়ে দিয়ে মামলা ঠুকে দেবে, আর বিএনপি নেতা-কর্মীদের জেলে ভরবে। কিন্তু সরকারকে আর সে সুযোগ দেয়া হবে না ।’’

‘আওয়ামী লীগ যতোই বলুক তাদের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না’  সাফ জানিয়ে দিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘‘তারা যতোই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে চাক, তাদের অধীনে বাংলাদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারে অধীনেই নির্বাচন করতে হবে। আর সে নির্বাচনে বিএনপি যোগ দেবে।’’

‘বিকল্প কোনো উপায়ে এ দেশে কোনো নির্বাচন হবে না’ বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘তারা এমপি থাকবে, মন্ত্রী থাকবে, প্রধানমন্ত্রী থাকবে, পার্লামেন্ট থাকবে এমন নির্বাচনে বিএনপি যোগ দেবে না।’’

বিএনপি হত্যা-গুমের রাজনীতি বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে খালেদা বলেন, ‘‘জনগণের জন্য বিএনপি নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় আন্দোলনে বিশ্বাস করে। সে কারণেই জনগণের ক্ষতি  হয় এমন কর্মসূচি দেয়া হয় নি।’’

বেগম জিয়া সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দেয়ার কারণে বিএনপিকে দুর্বল মনে করার কোনো কারণ নেই। কারণ স্বৈরাচারী এরশাদের সময় বিএনপি নেতাদের আটক করে জেলে ঢুকিয়ে রাখা হয়েছিলো। তখন সারা দেশে বিএনপি এতো শক্তিশালী ছিলো না। তারপরও আন্দোলনের মাধ্যমে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলো বিএনপি।

তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি এখন অনেক শক্তিশালী দল। সারাদেশে অসংখ্য নেতা-কর্মী ছড়িয়ে আছে। তাই আন্দোলন দমনে আওয়ামী লীগ যে ভাষায় কথা বলবে, তাদেরকে সে ভাষায়ই জবাব দেওয়া হবে।’’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘প্রতিনিয়ত দেশের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। আর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন অন্যান্য সময়ের চেয়ে এ অবস্থা অনেক ভালো যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি উটপাখির মতো মুখ লুকিয়ে রেখেছেন? তিনি দেখেন না সারাদেশে কিভাবে গুম-হত্যা চলছে। আইন-শৃংখলা চরম অবনতির কারণে মানুষ ঘরের মধ্যেও নিরাপদে ঘুমাতে পারছেন না।’’

আওয়ামী লীগ লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ হত্যা করে ক্ষমতায় থাকতে চায় এমন  মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘বিএনপি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিয়ে দেশ ও জনগণের জন্য রাজনীতি করতে চায়। আমাদের আমলে আওয়ামীলীগ  ১৭৩ দিন হরতাল দিয়েছিলো। আর বর্তমান সরকারের গত চার বছরে বিএনপি মাত্র ১১ দিন হরতাল দিয়েছে।’’

 ‘বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে’ দাবি করে তিনি বলেন, ‘‘ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ভারতে এখন রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায়। তাই বিএনপি তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে সম্পর্ক আরও বৃদ্ধি করতে চায়। তিনি বলেন, শুধু ভারত নয়, সারা বিশ্বের সঙ্গেও সুসম্পর্ক গড়তে চাই।’’

তিনি বলেন, ‘‘আওয়ামীলীগ হলো একটি দুর্নীতিবাজ দল। ৭১ এর পর এ দলটি এ দেশে দূর্নীর্তির বীজ বপন করে। ৯৬ সালে বিশ্বে বাংলাদেশ দূর্নীতিতে এক নম্বর হয়েছিল।”

স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তৃতা করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আসাদুজ্জামান আসাদ, স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক আলী রেজাউর রহমান রিপন ও উত্তরের আহবায়ক ইয়াছিন আলী।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আববাস, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুল মান্নান, ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বরকতউল্লাহ বুলু, বিরোধীদলীয় চীফ হুইফ জয়নুল আবদিন ফারুক ও এনপিপির সভাপতি শেখ শওকত হোসেন নিলু।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু ও সফিউল বারি বাবু ।

এর আগে বিকাল ৫টা ৫১ মিনিটে মহানগর নাট্যমঞ্চে আয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে পৌঁছেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

সমবেত নেতা-কর্মীরা তুমুল করতালির মাধ্যমে খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানান। পরে মঞ্চে আসন নিলে তাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের পক্ষ থেকে উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়।

এর আগে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিব উন নবী খান সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান শুরুর প্রক্কালে নিখোঁজ বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইলিয়াস আলীর জন্য সবার কাছে দোয়া চায় তার একমাত্র মেয়ে সাইয়ারা নাওয়াল।
 

সোনালী ব্যাংকে লুটপাটের জবাব চাইবে মানবাধিকার কমিশন

সোনালী ব্যাংকে লুটপাটের জবাব চাইবে মানবাধিকার কমিশন


 জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, “সোনালী ব্যাংকের তিন হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা লুটপাটের ব্যাপারে সরকার যথাযথ উদ্যোগ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় এর জবাব চাইবে মানবাধিকার কমিশন।” এছাড়া কলেজছাত্র লিমনের ব্যাপারে সরকার হাই কোর্টের আদেশ অমান্য করেছে উল্লেখ করে এ ঘটনায় মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ড. মিজানুর রহমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে রংপুরে কমিশন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
 
রংপুর জেলা প্রশাসকের হলরুমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত ‘ওয়ার্কিং টুগেদার ফর দ্যা প্রটেকশন অব হিউম্যান রাইটস’ বিষয়ক অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান।
 
এ সময় তিনি বলেন, “সোনালী ব্যাংকের তিন হাজার ৬৪৮ কোটি টাকা লুটপাটের ঘটনাকে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করে রাষ্ট্র যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় এটি মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। রাষ্ট্রের কাছে এ বিষয়ে জবাব চাইবে কমিশন।”
 
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের এ বিষয়ে চিঠি দেয়ার অধিকার নেই বলে কি এসব টাকা রাষ্ট্রায়ত্ব একটি ব্যাংকের হিসাব থেকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। এর কোনো প্রতিকার কি হবে না।”
 
কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, “ভুল হলে তা শুদ্ধ করে নেয়ার প্রবণতা আমাদের কম। কলেজছাত্র লিমনের ব্যাপারে ভুল হয়েছিল। সেটি স্বীকার করলেই হতো। কিন্তু তা করা হয়নি। একটি ভুলকে ঢাকার জন্য হাজার ভুল করা হচ্ছে।”
 
তিনি বলেন, “হাই কোর্ট রাষ্ট্রকে কলেজছাত্র লিমনের চিকিৎসার সব ব্যয়ভার বহনের নির্দেশ দিলেও আজ পর্যন্ত রাষ্ট্র সেই নির্দেশ মানেনি। তার কৃত্রিম পা সংযোজন করা হয়েছে বেসরকারি উদ্যোগে।”
 
মিজান বলেন, “রাষ্ট্রই যখন হাই কোর্টের নির্দেশ মানে না তখন পেশিশক্তি সন্ত্রাসী প্রভাবশালীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে। যেমনটি হয়েছে সোনালী ব্যাংকে।”
 
তিনি বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে বলেন, “সব অপরাধে মানবাধিকার লঙ্ঘিন হয় না। কিন্তু কোনো অপরাধের সঙ্গে যদি রাষ্ট্র, রাষ্ট্রের কোনো এজেন্সি, সংস্থা, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নীতিনির্ধারক জড়িত থাকে তবে সেটাই মানবাধিকার লঙ্ঘন।”
 
কমিশন চেয়ারম্যান বলেন, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে এখন জনবল ১২ জন। এরমধ্যে সরকারের দেয়া হচ্ছে চার জন। বাকি থাকে মাত্র আটজন। যারা কমিশনে বুদ্ধিবৃত্তিক কন্ট্রিবিউশন দিতে পারি। মাত্র আট জন জনবল নিয়ে ১৬ কোটি মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘন দেখভাল করা সম্ভব নয়। আপনারা আমাদেরকে গালমন্দ করুন। গালিগালাজ করুন। আমাদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করুন। আমাদের কোনো আপত্তি নেই।”
 
তিনি সরকারের কাছে কমিশনের জনবল বাড়ানোর ব্যাপারে সব স্তর থেকে দাবি তোলার আহ্বান জানান।
 
এ সময় কমিশনের কর্মকর্তা, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি বিনয়কৃষ্ণ বালা, ডিসি ফরীদ আহাম্মদসহ জিও এনজিও, স্কুল কলেজ শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সোনালী ব্যাংক প্রশ্নে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা টিআইবি’র

সোনালী ব্যাংক প্রশ্নে বাংলাদেশ ব্যাংক  ও অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা টিআইবি’র

 বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি এর নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও প্রভাবমুক্ত তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “রাষ্ট্রায়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে এরূপ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও পরীবিক্ষণে কলঙ্কময় দুর্বলতার প্রমাণ। অন্যদিকে ঘটনার সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশ প্রকারান্তরে রাষ্ট্রক্ষমতা করায়াত্ত করে দুর্নীতি প্রসারের আশঙ্কাজনক ইঙ্গিত বহন করছে।”

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থমন্ত্রীর দ্বান্দ্বিক অবস্থান দুঃখজনক। এটা একদিকে যেমন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পক্ষে সরকারের অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, অন্যদিকে পুরো ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে প্রতিবন্ধকতার সুযোগ সৃষ্টি করবে।

বিবৃতিতে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব অবিলম্বে দূর করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কোনো ধরনের ভয়-ভীতি বা করুণার প্রভাবমুক্ত হয়ে অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানায় টিআইবি।

হলমার্ক কেলেঙ্কারি, সোনালী ব্যাংকের ১৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত

হলমার্ক কেলেঙ্কারি, সোনালী ব্যাংকের ১৭ কর্মকর্তা বরখাস্ত

 হলমার্ক গ্রুপকে অনিয়ম করে ঋণ দেয়ার অভিযোগে ১৭ কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে রাষ্ট্রীয় সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোনালী ব্যাংকের জিএম ও এর অধস্তন পদের এই ১৭ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেন।  
 
সম্প্রতি সোনালী ব্যাংকের ঋণ সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা দুর্নীতির তথ্য প্রকাশিত হবার পর এ সিদ্ধান্ত এলো।
 
ব্যবস্থাপনা পরিচালক তার নিজস্ব ক্ষমতাবলে ডিজিএম ও তার নিচের পদের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেন। তবে এর উপরের পদের কর্মকর্তার বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নিতে হলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ দরকার হয়।


বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল (সাবেক শেরাটন হোটেল) শাখা থেকে ২০১০-২০১২ সময়ে মোট ৩ হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে হলমার্ক গ্রুপ একাই আত্মসাৎ করেছে ২ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।

এছাড়া এই ব্যাংকের গুলশান ও আগারগাঁও শাখা থেকেও ১৪০ কোটি টাকা করে ঋণ দেওয়া হয়েছে, যা তাদের ঋণসীমার অনেক বেশি।

এই ঋণ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবিরসহ মোট ৩২ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জন ডিএমডি ও পাঁচ জন জিএম ছিলেন।

পদ্মা সেতু হবেই, এডিবি’র আশাবাদ

পদ্মা সেতু হবেই, এডিবি’র আশাবাদ

 বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন পদ্মা সেতু, নির্মাণ হবেই বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) সাউথ এশিয়া জোনের মহাপরিচালক জুয়ান মিরান্ডা।
 
বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
 
এর আগে বুধবার বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনাও পদ্মা সেতু হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছেন, “পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন বাতিল করায় আমেরিকা হতাশ হয়েছে। তবে সরকার ও বিশ্বব্যাংক একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা আনন্দের বিষয়। দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছাবে বলে আমেরিকা আশাবাদী।”
 
পদ্মা সেতু প্রকল্প থেকে বিশ্বব্যাংক গত জুন মাসে সরে গেলেও প্রকল্পের অংশীদার এডিবি ও জাইকা তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। প্রকল্পটি রাখতে হলে এই সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে হবে সরকারকে।
 
ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণে ২৯০ কোটি ডলারের মধ্যে বিশ্ব ব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার চুক্তি ছিল৷ বাকি অর্থের বেশিরভাগ দেয়ার চুক্তি করে এডিবি, আইডিবি ও জাইকা৷

এডিবি সুখবর দিয়েছে, জাইকাও দেবে: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এডিবি সুখবর দিয়েছে, জাইকাও দেবে: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

  এডিবি’র (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক হুয়ান মিরান্ডা’র সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দাবি করেছেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের ব্যাপারে সুখবর দিয়েছেন অর্থায়নকারী এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। মন্ত্রী বলেন, অর্থায়নের ব্যাপারে জাইকা’ও (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি) সুখবর দেবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের আগে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের অন্যতম অংশীদার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক হুয়ান মিরান্ডা। তিনিও সাংবাদিকদের বলেন, পদ্মা সেতু হবে।

দুপুরে মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পরে সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আজ সকালে এডিবির সুখবর তো আপনারা পেয়েছেন। কাল জাইকারটাও পেয়ে যাবেন।”  অর্থমন্ত্রী প্রত্যয়ের সুরে বলেন, “পদ্মা সেতু হবেই হবে’’।

প্রসঙ্গত, পদ্মা প্রকল্পে এডিবির ঋণচুক্তির মেয়াদ আগামীকাল শেষ হচ্ছে। তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতিবাচক সাড়া পেয়ে চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে চিঠি পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

দুর্নীতির অভিযোগে বাতিলকৃত ঋণচুক্তি পুনর্বিবেচনায় সেতু প্রকল্পটিতে প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্ব ব্যাংককে ফেরাতেও আলোচনা এখনো চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা নাজুক দরকষাকষি (ডেলিকেট নেগোসিয়েশন) করছি। এই রকম অবস্থায় আমি কথা বলতে চাচ্ছি না।’’

এদিকে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার অর্থমন্ত্রীর বিবৃতি প্রকাশের কথা থাকলেও তা হয়নি।  ওই বিবৃতি প্রকাশ কবে হবে- জানতে চাইলে মুহিত বৃহস্পতিবার সকালেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, রোববারের আগে তা হচ্ছে না।

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংককে ফেরাতে আরো এক মাস সময় পেল সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংককে ফেরাতে আরো এক মাস সময় পেল সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 পদ্মা সেতু প্রকল্পে ঋণচুক্তির মেয়াদ আরো এক মাস বাড়িয়েছে এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) ও জাইকা (জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা)। বৃহস্পতিবার বিকেলে দাতা সংস্থা দুটি এই মেয়াদ বাড়ানোর অনুমতি দেয় বলে জানিয়েছেন ইআরডি’র (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) সংশ্লিষ্ট একজন সচিব।
 
এর আগে দুপুরে এডিবি’র দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক হুয়ান মিরান্ডা’র সঙ্গে বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত দাবি করেছেন, পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের ব্যাপারে সুখবর দিয়েছেন অর্থায়নকারী এ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। মন্ত্রী বলেন, অর্থায়নের ব্যাপারে জাইকা’ও সুখবর দেবে।
 
সেতু প্রকল্পটিতে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ যথেষ্ট সহযোগিতা করছে না জানিয়ে প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্ব ব্যাংক গত জুনে তাদের ঋণ চুক্তি বাতিলের পর গত এডিবি ও জাইকার ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। তখন প্রথম দফায় চুক্তির মেয়াদ এক মাস বাড়ায় সংস্থা দুটি, এখন দ্বিতীয় দফায় আরো এক মাস বাড়ালো তারা।
 
ঋণ এই চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোয় বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার জন্য আরো এক মাস সময় পাবে সরকার।
 
তবে প্রকল্পটিতে দুর্নীতি তদন্তের অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণকে যথেষ্ট মনে করছে না বিশ্ব ব্যাংক। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের কয়েকটি বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা মশিউর রহমান ও সেতু বিভাগের সাবেক সচিবকেও পদত্যাগ করতে হবে বলে অনড় অবস্থানে আছে বিশ্ব ব্যাংক। সেতু প্রকল্পটিতে প্রধান অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানটি মনে করে এরা সরকারি পদে থাকলে দুর্নীতি তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে।
 
সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সহযোগিতা করছে না জানিয়ে নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণ বাতিল করে বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুন।
 
ইতোমধ্যেই বিশ্বব্যাংকের শর্ত মেনে আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এ অভিযোগের তদ্ন্ত করতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারকও সই করতেও রাজি হয়েছে সরকার। যেই দুইটি শর্তকে এর আগে ‘অসম্মানজনক’ ও দুদকের স্বাধীনতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক মর্মে প্রত্যাখান করেছিল সরকার।
 
এছাড়া বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত; তদন্ত চলাকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া- এর অংশ হিসেবে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রীকে সরিয়ে দেয়া হলেও এখনো বাকি আছেন দুজন। এদের একজন; সেতু বিভাগের সাবেক সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া’র ব্যাপারে আংশিক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। তাকে এ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষে’র চেয়ারম্যান পদে দেয়া হয়েছে। যে কারণে বিশ্ব ব্যাংক মনে করছে, সরকারি দায়িত্বে না রাখার শর্ত পালিত হয় নি।
 
বিশ্বব্যাংকের সন্দেহের তালিকায় আরো আছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। উপদেষ্টা জানিয়েছেন কেবল প্রধানমন্ত্রী চাইলেই তিনি পদত্যাগ করবেন। অন্যদিকে ন্যাম সম্মেলনে যোগ দিতে তেহরান যাবার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলে গেছেন, এ ব্যাপারে অর্থমন্ত্রীই সিদ্ধান্ত নেবেন।
 
এদিকে দুপুরে মন্ত্রিসভার একটি কমিটির বৈঠকের পরে সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আজ সকালে এডিবির সুখবর তো আপনারা পেয়েছেন। কাল জাইকারটাও পেয়ে যাবেন।”  অর্থমন্ত্রী প্রত্যয়ের সুরে বলেন, “পদ্মা সেতু হবেই হবে’’।
 
বিশ্ব ব্যাংককে ফেরাতেও আলোচনা এখনো চলছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা নাজুক দরকষাকষি (ডেলিকেট নেগোসিয়েশন) করছি। এই রকম অবস্থায় আমি কথা বলতে চাচ্ছি না।’’

এদিকে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে বুধবার অর্থমন্ত্রীর বিবৃতি প্রকাশের কথা থাকলেও তা হয়নি।  ওই বিবৃতি প্রকাশ কবে হবে- জানতে চাইলে মুহিত বৃহস্পতিবার সকালেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, রোববারের আগে তা হচ্ছে না।