Pages

Friday, September 7, 2012

প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে বিটিআরসির তিন প্রস্তাব

প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে বিটিআরসির তিন প্রস্তাব

দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা সংস্থানের আবেদন জানিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে একটি স্বতন্ত্র কোম্পানি গঠনের প্রস্তাব দিয়ে বিকল্প তিনটি প্রস্তাব সমন্বিত একটি চিঠি তৈরি করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সমন্বিত চিঠিতি বৃহস্পতিবার চিঠিটি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।

সূত্রমতে, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে নিয়োজিত অর্থ উৎক্ষেপণ পরবর্তী পাঁচ বছরের মধ্যে উঠে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর সে লক্ষেই প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে সুনির্দিষ্ট তিনটি খাত উল্লেখ করে বিকল্প তিনটি প্রস্তাবনা তৈরি করেছে বিটিআরসি।

প্রস্তাব তিনটির প্রথমটিতে সরকারের নিজস্ব উৎস থেকে প্রকল্পের অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে অর্থের জোগান দিতে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ পেয়েছে। দ্বিতীয় প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন আর্থিক সংস্থার কাছ থেকে অপেক্ষাকৃত কম সুদে ঋণ (সফট লোন) গ্রহণ এবং সর্বশেষ বিকল্পে সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটের আওতায় অর্থ সংগ্রহের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য এরই মধ্যে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) কাছে কক্ষেপথের ১০২ ডিগ্রি পূর্বে স্লট চেয়েছে বিটিআরসি।

দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণে চলতি বছরের ২৯ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস পার্টনারশিপ ইন্টারন্যাশনালের (এসপিআই) সঙ্গে চুক্তি করে বিটিআরসি। চুক্তি অনুযায়ী, সফলভাবে স্যাটেলইট উৎক্ষেপনের জন্য এসপিআইকে দিতে হচ্ছে প্রায় ৯০ কোটি টাকা।

প্রকল্পের পরামর্শক বিটিআরসি’র তত্ত্ববধানে পরামর্শকবিষয়ক প্রকল্প কার্যালয়ে কাজ করছেন বিদেশী পরামর্শক দলের ২৫ জন এবং বাংলাদেশের ছয়জন। চুক্তি স্বাক্ষেরের সময় থেকে তিন বছর পর্যন্ত কাজ করবে এসপিআই।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল, ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, ভি-স্যাট এবং রেডিওগুলো বিদেশী উপগ্রহ ব্যবহার করছে। বিদেশী স্যাটেলাইট ভাড়া বাবদ প্রতি বছর ৬০ লাখ ডলার ভাড়া পরিশোধ করছে তারা। আগামীতে এ ভাড়া বেড়ে দাঁড়াবে ১ কোটি ১০ লাখ থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। নিজস্ব স্যাটেলাইট স্থাপন করা হলে এ টাকা দেশেই রাখা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে স্যাটেলাইটের অব্যবহৃত তরঙ্গ নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, শ্রীলংকাসহ আরো কয়েকটি দেশকে ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে নিরবচ্ছিন্ন টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেও দারুণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী কারিনা

বিশ্বের সবচেয়ে আবেদনময়ী নারী কারিনা
বৃটেন ভিত্তিক এডাল্ট ম্যাগাজিন ম্যাক্সিমের দৃষ্টিতে বিশ্বের সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী নারী নির্বাচিত হয়েছেন বলিউড সেনসেসন কারিনা কাপুর। ইতিমধ্যে সবচেয়ে উত্তেজক নারী হিসেবেও ম্যাক্সিমের কভার পেজে ঠাঁই হয়েছে তার।

সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে সেরা যৌনাবেদনময়ী নির্বাচনে এক জরিপ পরিচালনা করে। ওই জরিপেই বলিউড বেবো ঠাঁই পেয়েছেন এই এডাল্ট ম্যাগাজিনের নাম্বার ওয়ান লিস্টে।

এ ব্যপারে কারিনা বলেন, “নিজেকে হট এবং যৌনাবেনময়ী অনুভব করা সত্যিই খুব দারুন বিষয়। এবং যখন এটি আসবে ম্যাক্সিমের মত ম্যাগাজিনের পক্ষ থেকে যা সত্যিকার অর্থেই একজন নারীকে উত্তেজক হিসেবে স্বীকৃতি দেবে।”

আসলে উত্তেজক বা হটনেস বলেতে কি বোঝেন তা জিজ্ঞেস করা হলে বোবো বলেন, “একজন নারী কিভাবে তার নিজেকে ধারণ করছে হটনেস হলো তাই। এটি শুধুমাত্র চিকন কোমড় কিংবা লম্বা পা নয়। বরং হটনেস হলো পুরোপুরি একটা প্যাকেজ। আমি খুশি যে সবাই আমাকে হট হিসেবে খুঁজে বের করেছে এবং আমি অবশ্যই এটিকে খুব বড় প্রশংসা হিসেবে নিয়েছি।” সূত্র: টিওআই

ড্রেসিং রূমে নতুন টয়লেট চাই ম্যাডোনার

ড্রেসিং রূমে নতুন টয়লেট চাই ম্যাডোনার
পপ স্টারদের চাহিদার তালিকায় কী কী থাকতে পারে? ভালো পানীয়, আরামদায়ক রেস্ট হাউজ, প্রচুর অর্থ। চাহিদার তালিকায় আর কী আসতে পারে? নিরাপত্তা, জাকজমকপূর্ণ মঞ্চ, ভালো সাউন্ড সিস্টেম।

কিন্তু সময়ের সাড়া জাগানো পপস্টার ম্যাডোনা নিজের চাহিদার তালিকায় আরো একটি নতুন জিনিস যোগ করেছেন। প্রতিটি স্টেজ শো’র পাশে তার যে ড্রেসিং রূমটি থাকবে সেখানে টয়লেট সিটটি হতে হবে একেবারেই নতুন।

বৃহস্পতিবার ৫৪ বছর বয়সী এই পপ গায়িকা আমেরিকার ম্যাসাচুসেট অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে অবস্থিত ব্যাংকনর্থ গার্ডেনে একটি কনসার্টে হাজির হন। সেখানে তার লোকজন জানায় গায়িকার এই চাহিদার কথা। তারা আয়োজকদেরকে ম্যাডেনা অনুষ্ঠানস্থলে আসার আগেই ড্রেসিং রূমের টয়লেটটি পরিবর্তন করতে বলে।

ম্যাডোনার চাহিদার কথা জানিয়ে যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত দৈনিক ‘ডেইলি স্টার’ শিরোনাম করে, ‘ইয়েস, নিউ টয়লেট সিট এগাইন।’ ‘হ্যাঁ আরেকটি নতুন টয়লেট চাই।’

কনসার্টে তারকাদের নতুন টয়লেট সিটের চাহিদার রহস্যটি স্পষ্ট নয়। তবে শুধু ম্যাডনা নন। সিঙ্গার ম্যারি জে. ব্লিজও নাকি এমন দাবি করে বসেছেন। সূত্র: আইএএনস ও জিনিউজ।

ফোবিয়াঃ কিভাবে ভালো থাকবেন

ফোবিয়াঃ কিভাবে ভালো থাকবেন

 ‘ফবস’ একটি গ্রিক শব্দ, যার অর্থ ভয়।জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমরা অনেক কিছু বা পরিস্থিতি বা ব্যক্তিকে ভয় পাই যা একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। কিন্তু এই ভীতি বা ভয়ের কারণে জীবন যখন অচল হয়ে পড়ে তখনই কেবল এটাকে ডিসঅর্ডার বলা যাবে।

চিকিৎসকদের মতে ফোবিক ডিসঅর্ডারের চারটি বৈশিষ্ট্য হলো-ভয় বা ভীতি পরিস্থিতি/পরিবেশ তুলনায় অনেক বেশি মাত্রায় যেমন, আরশোলা দেখলে অনেকে ভয় পায় কিংবা আরশোলা দেখে চিৎকার করা এবং সেটা না মারা পর্যন্ত সব কিছু স্থগিত রাখা হচ্ছে ফোবিক ডিসঅর্ডার।

এই ধরনের নানা ভয় জনিত অবস্থায় অনেক সময় রোগীকে যুক্তিতর্ক বা সহজভাবে বোঝালেও ভয় দূর হয় না।যদিও নিজস্ব আয়ত্তের বাইরে অর্থাৎ ইচ্ছা করলে এটা দমন করা সম্ভব নয়।

আসলে এর নির্দিষ্ট কোনো প্রতিকারও নেই। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো যে বিষয়টি/পরিস্থিতি ভয়ের উদ্রেক করে সেটা এড়িয়ে চলা।যেমন- লিফটে উঠতে ভয় লাগে অতএব লিফটে ওঠা বন্ধ।

শারীরিক ডিসঅর্ডার নানা ধরনের হয় যেমন নির্দিষ্ট কোনো বস্তু বা পোকামাকড় অথবা উঁচু জায়গা ইত্যাদি।ভয় বা ভীতি এক ধরনের অস্থিরতার প্রকাশ এবং এ অস্থিরতার বহিঃপ্রকাশ হয় শারীরিক ও মানসিক উপসর্গ দিয়ে।

ভয় পেলে আমাদের শারীরিক যেসব উপসর্গ হয় তা হলো- বুক ধড়ফড় করা, শ্বাসকষ্ট, বুকের মাঝে চাপ অনুভব, পেটের মাঝে অস্বস্তি বোধ, হাত-পা কাঁপা, মুখ শুকিয়ে আসা, মাথা ঘুরানো বা ব্যথা, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি।

অন্যদিকে ভয়ের মানসিক উপসর্গ হচ্ছে-অহেতুক আতঙ্কিত হওয়া, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, যে বিষয় বা পরিস্থিতি ভয়ের উদ্রেক করে তা এড়িয়ে চলা।

মনোবিদরা জানান, ফোবিয়া সাধারণত মহিলাদের বেশি হয় এবং কিশোর বয়সে এর শুরু।অনেক মানসিক রোগের লক্ষণ হিসেবে ভয় বা আতঙ্ক দেখা দিতে পারে যেমন প্যানিক ডিসঅর্ডার।

ফোবিক ডিসঅর্ডারের চিকিৎসা প্রধানত সাইকোলজিক্যাল যেমন রিলাক্সেশনে ট্রেনিং, ডিসেনসেটাইজেশন, কগনেটিভ বিহেভিয়ার থেরাপি ইত্যাদি।সূত্র: ইন্টারনেট

প্রেমে পরিবারের বকুনি, মুগদায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা

প্রেমে পরিবারের বকুনি, মুগদায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
রাজধানীর মুগদা এলাকায় অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। তার নাম শান্তা মনি (১৫)। বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে লাশ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহতের মা আনোয়ারা বেগম জানান, স্বপরিবারে তারা রাজধানীর মুগদা মানিকনগর এলাকার ওয়াসা রোডের ৬/২/বি নম্বর বাসায় থাকেন তারা।

টিকাটুলি শহীদ নবী উচ্চ বিদ্যালয়ের পড়তেন শান্তা। সম্প্রতি স্থানীয় একটি বখাটের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে শান্তা মনি। এ নিয়ে পরিবারের সবাই তাকে গালমন্দ করে।

পরে বুধবার রাতের যেকোনো সময় তার শয়ন কক্ষের ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। সকালে দরজা ভেঙ্গে শান্তাকে ফ্যানের সাথে ঝুলতে দেখা যায়।

মুগদা থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা ময়না তদন্তের  জন্য মর্গে পাঠায়।

পরিবারে নির্যাতিত দেশের প্রায় ৯০ ভাগ প্রবীণ: গবেষণা

পরিবারে নির্যাতিত দেশের প্রায় ৯০ ভাগ প্রবীণ: গবেষণা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে করা এক গবেষণায় বলা হয়েছে,  দেশের প্রায় ৯০ ভাগ বয়স্ক লোক পরিবারের নানা ধরণের নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। নিজ সন্তান, পুত্রবধূ, জামাতা, নাতি-নাতনী এমনকি জীবনসঙ্গীর হাতেই তাদের প্রতিনিয়ত বঞ্চনার শিকার হতে হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এবং হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের উদ্যোগে জরিপ চালিয়ে তার ফলাফলের ভিত্তিতে এ গবেষণা করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ গবেষণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনেট ভবনে আয়োজিত সেমিনারে  পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম নূর-উন-নবী মূল গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

‘ঢাকা শহরের গরিব পরিবারগুলোতে প্রবীণদের নির্যাতন’ শীর্ষক প্রবন্ধে জানানো হয়, ঢাকা শহরের ৩টি আবাসিক এলাকায় জরিপ চালিয়ে এই গবেষণা ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।

পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারপারসন মোহাম্মদ বেল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে হেল্প এজ ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মিজ নির্ঝরিনী হাসান এবং সংস্থাটিরর পলিসি ম্যানেজার শাশ্বতী বিপ্লব বক্তৃতা করেন। এছাড়া উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও, দাতা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি, গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা।

ড. একেএম নূর-উন-নবী জানান, ‘‘দেশের ৮৮.৪ ভাগ বয়স্ক ব্যক্তি মানসিক নির্যাতন, ৮৩.৩ ভাগ লোক অবহেলা এবং ৫৪.৪ ভাগ লোক অর্থনৈতিক প্রবঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। বয়স্ক নারী-পুরুষ উভয়ই পারিবারিক নির্যাতনের শিকার হলেও পুরুষের তুলনায় নারীরা বেশি অপদস্থ হচ্ছেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশে ৬০ বছরের উর্ধ্বে বয়স্ক লোকের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি, যা মোট জনসংখ্যার ৬.৫ ভাগ। যে হারে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সালে এই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি। এই বিপুল সংখ্যক বয়স্ক জনগোষ্ঠীকে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তাহলে বয়স্কদের নির্যাতনের হার কমবে, জিডিপি বাড়বে এবং দেশের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে।

দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হবে: প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ হবে: প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।”

বৃহস্পতিবার সাভারে ছয়টি পরমাণু গবেষণাগার উদ্বোধন করে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনার সেখানে যাওয়া উপলক্ষে সাভার ও আশুলিয়ার জনপথে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নিরাপত্তার কাজে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে নিরাপত্তা চৌকি বসিয়ে তল্লাশি চলছে।

এদিকে, এক সপ্তাহ পূর্ব থেকেই আনবিক শক্তি কমিশনের ভেতর লোকদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর আশুলিয়া যাওয়া উপলক্ষে গোটা সাভারে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

ঢাকা-আরিচা ও নবীনগর-কালিয়াকৈর মহাসড়ক এবং আনবিক শক্তি কমিশনে ব্যানার, ফেষ্টুন, তোড়ন নির্মানসহ নানা বর্নিল সাজে সাজানো হয়েছে । আর স্থানীয় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মহাসড়কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দিয়ে সাজানো হয়েছে।

এছাড়া মহাসড়কের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, ডিভাইডার ও বিভিন্ন আইল্যান্ডে রং করে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজও শেষ হয়েছে।

সচিবালয়ে ককটেল মামলার স্থগিতে হাই কোর্টে ফখরুলের আবেদন

সচিবালয়ে ককটেল মামলার স্থগিতে হাই কোর্টে ফখরুলের আবেদন

 হরতালে সচিবালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

অধস্তন বিচারিক আদালতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুলের একটি আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে আপিলে এই আবেদন করা হয়।

বৃহস্পতিবার ফখরুল ইসলামের পক্ষে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন হাই কোর্ট বিভাগে এ আবেদন করেন।

পরে ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোন বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, বিচারিক আদালতে মামলাটি আমলে না নেয়ার বিষয়ে ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আবেদন খারিজের আদেশ বাতিলের আরজি জানানো হয়েছে আবেদনটিতে।

তিনি বলেন, সচিবালয় ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় অজ্ঞাতনামা ২ জনসহ মোট ২৯ জনকে আসামি করা হয়।  যার মধ্যে বিএনপি মহাসচিবসহ অনেক নেতাকে আসামি করা হয়।

ব্যারিস্টার খোকন বলেন, বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দেয়া এই অভিযোগপত্র ত্রুটিপূর্ণ। কারণ অভিযোগপত্রে মূল আসামিদের সনাক্ত না করে সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আইনে মামলার মূল আসামিদের সনাক্ত না করে সহযোগীদের সাজা দেয়া যায় না।

এ মামলাকে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত মামলা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে মামলা করা হয়েছে।”

হরতালের সময় সচিবালয়ে হাতবোমা বিস্ফোরণের বিএনপি নেতাদের আসামি করে গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর শাহবাগ থানায় মামলা হয়। এতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ছাড়াও ২৭ জনকে আসামি করা হয়।

গত ২৬ অগাস্ট মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জহুরুল হক অভিযোগ আমলে না নিতে মির্জা ফখরুলের করা আবেদন খারিজ করে মামলাটি আমলে নেন।

২৬টি ব্যাংকের অর্থ হাতিয়েছে হলমার্ক

২৬টি ব্যাংকের অর্থ হাতিয়েছে হলমার্ক

 হলমার্ক গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারি শুধু সোনালী ব্যাংকের একটিমাত্র শাখা থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা অনিয়ম করে হাতিয়ে নেয়ার মধ্যেই সীমিত নয়। দেশের ব্যাংকিং খাত থেকে এই বাণিজ্যিক গ্রুপটির মোট হাতিয়ে নেয়া অর্থের পরিমাণ আরো কয়েকগুণ বেশি। কেলেঙ্কারি তদন্তে দুর্নীতি দমন কমিশনের ৬ সদস্যের অনুসন্ধাণ দল ও ব্যাংকিং খাতের বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিয়মের অবাধ্য হওয়া এ ব্যাংকগুলোর মধ্যে আছে রাষ্ট্রায়ত্ব জনতা ও অগ্রণী ব্যাংক। রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলোর সহযোগিতায় হলমার্কের প্রতারণার শিকার হয়েছে ২৬ টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

শুধুই ঋণ দিয়ে নয়, ব্যাক টু ব্যাক এলসির মালামাল সরবরাহের নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছে সোনালী ব্যাংকের রুপসী শাখা। |এই নিশ্চয়তাপত্রের ভিত্তিতে অন্য  সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো গ্রুপটির নানা প্রতিষ্ঠানের বিল কিনেছে। প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব নেই, অথচ ঋণ দেয়া হয়েছে। এবং এই ঋণ নেয়ার সময় উৎপাদন চলছে বলে সোনালী ব্যাংক নিশ্চয়তাপত্র দিয়েছিল। সোনালী ব্যাংকের গুলশান ও আগারগাঁও শাখা, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা ও স্থানীয় কার্যালয় (লোকাল অফিস ) এবং অগ্রনী ব্যাংকের প্রধান শাখা এসব কেলেঙ্কারিতে জড়িত।

এর ফলে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক,  আল ফালাহ, বেসিক ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, ওরিয়েন্টাল ব্যাংক,আইএফআইস ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, মিউচাল ট্রাস্ট ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট অ্যায়ান্ড কমার্স ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সিটিব্যাংক এনএ, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, স্টেট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টাড ব্যাংক ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া’র কাছ থেকে নানাভাবে অর্থ হাতিয়ে নিতে পেরেছে হলমার্ক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ ও দুদক কর্মকর্তারা ২০০৯-১০-১১ অর্থবছরের হলমার্ক গ্রুপের এলসির কাগজপত্র খতিয়ে দেখছেন|

হলমার্ক গ্রুপভুক্ত কোম্পানিগুলোর বাইরেও ব্যবসায়িকভাবে সম্পৃক্ত নানা ভুয়া কোম্পানির নামেও ঋণ নিয়েছেন গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদ।

আনোয়ারা স্পিনিং মিলস, স্টার স্পিনিং মিলস, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস ও সেঞ্চুরি স্পিনিং মিলসের নামে বারবার ঋণ নেয়া হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখায় আনোয়ারা স্পিনিং মিলস ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের নামে দুটি হিসাব খোলা হয় ২০১১ সালের ৮ জুন। নথি অনুযায়ী, আনোয়ারা স্পিনিং মিলের মালিক জাহাঙ্গীর আলম এবং ম্যাক্সের মালিক মীর জাকারিয়া। এই দুই হিসাবের পরিচয়দানকারী হচ্ছেন হলমার্ক গ্রুপের এমডি ও ববি স্পিনিং মিলের মালিক তানভীর মাহমুদ। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা GB  দুই স্পিনিং মিলের নামে হিসাব খোলার পরপরই তাদের বিল কেনা শুরু করে।

বিলে দেখানো হয়েছে, হলমার্ক ফ্যাশনসহ এই গ্রুপের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে সুতা আমদানির জন্য আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিংয়ের অনুকূলে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় স্থানীয় ঋণপত্র করে। জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা এই বিল কিনে নেয় এবং সেই পরিমাণ অর্থ আনোয়ারা ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলের হিসাবে জমা দিয়ে দেয়। এভাবে ওই দুই প্রতিষ্ঠান তুলে নেয় ৮৩ কোটি ৬৭ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। প্রকৃতপক্ষে কোনো সুতাই কেনাবেচা হয়নি। বাস্তবে প্রতিষ্ঠান দুটির কোনো অস্তিত্বই নেই।

জনতা ব্যাংকের কাছে প্রতিষ্ঠান দুটি সম্পর্কে তথ্য চাওয়া হলে তারা তা দিতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হলমার্ক গ্রুপ পুরো অর্থ সুকৌশলে হাতিয়ে নিয়েছে। এই অর্থ আত্মসাতে জন্য জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখার ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম আজাদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যাংকের কর্মচারী জড়িত ছিল।

জনতা ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয় প্রায় একইভাবে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ করে দিয়েছে সোহেল স্পিনিং মিল নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠানকে। এ ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ছিল সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা ও হলমার্ক গ্রুপ। হলমার্ক গ্রুপকে পণ্য রফতানির নামে অর্থ তুলে নেয়ার সুযোগ দেয়া হলেও বাস্তবে কোনো পণ্য রফতানি হয়নি। জনতা ব্যাংক যাচাই-বাছাই ছাড়াই সোহেল স্পিনিং মিলকে আর্থিক সুবিধা দেওয়ায় আটকা পড়েছে ২৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনতা ব্যাংকের করপোরেট শাখা সোহেল স্পিনিং মিল পরিদর্শন করা হয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়েছে। সেখানে প্রতিষ্ঠানটি চালু আছে বলা হলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল সেটি বন্ধ দেখে এসেছে।

সেনাবাহিনীতে শীর্ষ তিন কর্মকর্তার পদোন্নতি

সেনাবাহিনীতে শীর্ষ তিন কর্মকর্তার পদোন্নতি

 বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ তিনজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঁচজন কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সেনাসদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা

যে তিনজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে সেনাসদর দপ্তরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শেখ মোহাম্মদ আমান হাসানকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক করা হয়েছে। সেনাসদর দপ্তরের পূর্ত পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল কাদিরকে অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরের কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে। এ ছাড়া নন কমিশন অফিসার্স একাডেমির (এমসিও) কমান্ড্যান্ট ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম আব্দুর রহমানকে মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি দিয়ে সেনাসদরের সামরিক সচিব নিয়োগ করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ পাঁচ কর্মকর্তাকে রদবদল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে সেনাবাহিনীর স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দিকে নবম পদাতিক ডিভিশনে জেনারেল অফিসার্স কমান্ড্যান্ট (জিওসি) করা হয়েছে। নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি কে এম মমিনুর রহমানকে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল (কিউএমজি) করা হয়েছে। বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরের কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল আবুল হোসেনকে মিরপুরে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে। রংপুরের ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল সাব্বির আহমেদকে চট্টগ্রামের ২৪ পদাতিকের জিওসি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সেনাসদরের সামরিক সচিব মেজর জেনারেল সালাহউদ্দিন নিয়াজিকে রংপুরের ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বাণিজ্য সুবিধার চেয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে জোর আমেরিকার

বাণিজ্য সুবিধার চেয়ে গ্রামীণ ব্যাংকে জোর আমেরিকার

সফররত বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকে আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম জে বার্নস জোর দিয়েছেন গ্রামীণ ব্যাংক ও অন্যান্য সুশাসন ইস্যুর ওপর। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বুধবার এক ঘন্টাব্যাপী বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দুই মন্ত্রী।
 
বৈঠকে গ্রামীণ ব্যাংক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বার্নস বলেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সহযোগিতা রুপরেখা চুক্তি (টিকফা) সই হলে দেশটির বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্ক কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
 
ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস ও ঢাকায় অবস্থিত আমেরিকার দূতাবাসের পৃথক দুটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য  জানানো হয়।
 
বৈঠকে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আমেকিরায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রবার্ট ও’ব্লেকসহ দুই দেশের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন কর্মকর্তা।
 
আমেরিকার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বার্নস বাংলাদেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সক্রিয় সুশীল সমাজ ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের কথা উল্লে­খ করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা করেন।  
 
এর প্রেক্ষিতে গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে বাংলাদেশ সরকারের অবস্থান বার্নসকে ব্যাখ্যা করেন দীপু মনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নোবেল বিজয়ী প্রতিষ্ঠানটির অনেক নারী ঋণগ্রহীতার স্বার্থ সংরক্ষণে বদ্ধপরিকর। গ্রামীণ ব্যাংক বর্তমানে সংস্থাটির আইন ও বিধি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
 
আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে দীপু মনি বলেন, আমেরিকার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার বাংলাদেশসহ এশিয়ার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বাণিজ্য সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
 
জবাবে বার্নস বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফা চুক্তিটি দ্রুত সম্পাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
 
তিনি বলেন, এ চুক্তির আওতায় আমেরিকার বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের উচ্চশুল্ক হারের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা সম্ভব হতে পারে।
 
এছাড়া মাসের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠেয় বাংলাদেশ-আমেরিকা অংশীদারি সংলাপের সফলতার ব্যাপারেও জোর আশাবাদ ব্যক্ত করেন দুই মন্ত্রী।
 
তিন দিনের সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি বৃহস্পতিবার কাতারের দোহা হয়ে চীন যাবেন।

কম কথা বলতে বলা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

কম কথা বলতে বলা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘আমি কথা বলব না। আমাকে কম কথা বলতে বলা হয়েছে।’ বৃহস্পতিবার রাজধানীর রূপসী বাংলা হোটেলে একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে যাবার সময় সাংবাদিকেরা তাকে প্রশ্ন করতে গেলে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন। সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি তিনি।

সেখানে দেশের প্রথম ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান বিডি ভেঞ্চার লিমিটেডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। এসময় অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা অনেক আগের থেকে শুরু হলেও আশ্চার্যজনকভাবে এই প্রথম বাংলাদেশে কোনো ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানির যাত্রা শুরু হলো।’’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি অভাবনীয় সফলতা পেয়েছে। সম্প্রতি পাকিস্তানেও এধরনের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি সফলতা পেয়েছে।’’

পরে বেরিয়ে যাবার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কিছু বলতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।

এর আগে গত মঙ্গলবার এক গোলটেবিল অনুষ্ঠানে সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেছিলেন, ‘‘ব্যাংকিং খাতে আমরা ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিই। এর মধ্যে মাত্র তিন বা চার হাজার কোটি টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা কোনো বড় অঙ্কের অর্থ নয়। এ নিয়ে হৈচৈ করারও কিছু নেই।’

পরে  অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে গতকাল বুধবার সংসদে বক্তব্য দেন সাংসদ শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি। সেখানে তিনি মন্ত্রীকে কথা কম বলার অনুরোধ জানান।

অর্থমন্ত্রীর সমালোচনা করে শেখ সেলিম বলেন, ‘‘অর্থমন্ত্রীর কথাবার্তায় জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ওনার বয়েস হয়েছে, বুঝি। ওনার কথা কম বলা ভালো। এত বড় ঘটনা, ওনার কাছে চার হাজার কোটি টাকা বড় ব্যাপার না। কিন্তু মানুষের কাছে বড় ব্যাপার। এক টাকা হোক, ১০ টাকা হোক, যে টাকা লুট করবে, তার বিচার করতে হবে। আমি অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি, তিনি যেন এ ধরনের কথাবার্তা না বলেন। তার জন্য সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়।’’

হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে সংসদে মাফ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে সংসদে মাফ চাইলেন অর্থমন্ত্রী

 হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সংসদে মহাজোট সরকারের সিনিয়র এমপিদের তোপের মুখে পড়ে অবশেষে মাফ চাইতে বাধ্য হয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। এ কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশে বিরাট আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি নিজেকে এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি বলে দোষ স্বীকার করেন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ‘অবিলম্বে খুলনা উন্নয়ন ব্যাংক স্থাপন করা হোক’ সম্বলিত সংসদ সদস্য নূর আফরোজ আলীর সিদ্ধান্ত প্রস্তাব বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের সূত্র ধরে তারা এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এর আগে হলমার্ক নিয়ে সংসদে সরকার দলীয় সিনিয়র এমপিদের তোপের মুখে পড়েছে অর্থমন্ত্রী। এ সময় তারা বাংলাদেশ ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগকে এ ঘটনায় দায়ী করে বক্তব্য দেন। এত বড় কেলেঙ্কারির পরেও কেন সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে অপসারণ করা হয়নি, তার কারণ জানতে চান তারা। ২০১০ সালে এ ঘটনার শুরু হলেও এতদিন কেন অর্থমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে চুপ ছিল তার কারণও জানতে চান তারা। একই বিষয়ে দোষীদের স্পষ্ট বিবৃতি জাতির সামনে উপস্থাপনের দাবি জানানো হয়।

তোফায়েল আহমেদ একই বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বলেন, ‘‘হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে জনগণ যে মতামত দিচ্ছে তারও মূল্যায়ন করতে হবে। আমরা যখন আমাদের নির্বাচনী এলাকায় যাই মানুষ আমাদের প্রশ্ন করে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা কি করছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘যে মুহূর্তে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো, সে সময়ে একটি কেলেঙ্কারি নিয়ে যে লেখালেখি হচ্ছে তার নিরসন হওয়া উচিত। যে ব্যাংকটি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সেখানকার পরিচালনা পর্ষদ তার দায় এড়াতে পারে না। ব্যাংক থেকে বলা হয়েছে দোষী ব্যক্তি আস্তে আস্তে জামানত ফিরিয়ে দিবেন। আমি মনে করি যে ব্যাংক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তার চেয়ারম্যানকে কেন রাখা হয়েছে? কেন তাকে অপসারণ করা হয়নি?’’

অপর এমপি মজিবুল হক চুন্নু  বলেন, ‘‘এতবড় ঘটনার পরেও সরকার কেন চুপ। যে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও উপ-পরিচালকের সহযোগিতায় এটা হয়েছে এখনো কেনো তার মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়া হয়নি। কেন তাকে সরিয়ে নিরপেক্ষ লোক বসিয়ে তদন্ত করা হয়নি। দেশবাসী তা জানতে চায়।’’

রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘‘এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া আর কোনো বিকল্প পথ দেখিনি আমি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের স্পষ্ট বিবৃতি দিতে হবে।

আব্দুল জলিল বলেন, ‘‘আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে জড়িত। আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি উপরের মহলের সহযোগিতা ছাড়া এতবড় দূর্নীতি সম্ভব নয়। পুরো বিষয়টি জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। ধামাচাপা দেয়া চলবে না।’’

এর আগে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘‘হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। জালিয়াতির সুযোগে ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশে অনেক টাকা পাচার করা হয়েছে। দায়ীদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় সাক্ষ্য নেয়া হচ্ছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিৎ। একই সঙ্গে জড়িতদের এমন শাস্তি দেয়া উচিত যাতে এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে দেশে আর না ঘটে।

তিনি বলেন, ‘‘এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের ধরার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা দুইজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করেছি। ১৭ জনকে শোকজ করেছি। এ ধরনের শাস্তি অতীতে এদেশে আর কেউ দেখেছে বলে আমার জানা নেই।’’

তিনি বলেন, ‘‘হলমার্ককে আমরা মোটামুটি হলমার্ক কেলেঙ্কারি বলি। এটা ২০১০ সালে ধরা পড়ে। ২০১১ সালে সোনালী ব্যাংক দু’টি প্রতিবেদন দাখিল করে। কিন্তু পরে দেখা যায় এ দু’টি প্রতিবেদন অন্যায়ভাবে দাখিল করা হয়। এ হলমার্ক ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়। কিন্তু ঋণের নামে তারা অনেক টাকা পাচার করে। এটা তারা অন্যায় করেছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অডিট পরিচালনা করে। তাদের অডিটেও হলমার্কের কেলেঙ্কারি ধরা পড়ে। তাদের প্রতিবেদনে তারা হলমার্কের ঘটনার সঙ্গে কিছু দুষ্টু লোক জড়িত বলে অভিযোগ করে। একই সঙ্গে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা ঘটনাটি তদন্তকারী সব প্রতিষ্ঠানকে বলেছি সুষ্ঠুভাবে তদন্তটি চালিয়ে নেয়ার জন্য। ইতিমধ্যে আমরা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। ঘটনার প্রেক্ষিতে লোকাল এলসি বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন বিধান জারি করেছে। দুই দিনের মধ্যেই টাকা জমা দিতে হবে। আগে অনেক দিন পর টাকা জমা দিতে পারতো।’’

তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মালিকানাধীন চারটি বিশেষায়িত, ৩০টি বেসরকারি ও বিদেশি নয়টি ব্যাংক মিলিয়ে মোট ৪৭টি ব্যাংক কাজ করছে। শিগগিরই আরো চারটি ব্যাংক এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া আরো দু‘টি বিশেষ ব্যাংক আছে। এগুলো কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।’’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘‘বাংলাদেশে বর্তমানে মাত্র ৪০ শতাংশ মানুষকে ব্যাংক সেবা প্রদান করতে পারছে। সেবা বাড়াতে ব্যাংকের সংখ্যা আরো বাড়ানো দরকার।’’

তিনি বলেন, ‘‘আমরা দেশে ক্ষুদ্র ঋণের প্রসারসহ কৃষি ও পল্লী উন্নয়নে কাজ করছি। এ নীতিমালায় আমাদের উন্নয়ন হয়েছে ও অর্থনীতির গতি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের মুদ্রার মান ও প্রবৃদ্ধি স্থিতিশীল রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সর্বোচ্চ। রেমিট্যান্সও সন্তোষজনক। অর্থনৈতিক স্বাস্থ্য সম্পূর্ণ ভালো আছে। তাই অর্থনীতি নিয়ে চিন্তা করার দরকার নেই।

তিনি বলেন, ‘‘নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ ও নওগাঁয় জেলা ব্যাংক গঠনের প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। আমরা এগুলো ভেবে দেখবো। তবে এ মুহূর্তে করা সম্ভব নয়।’’

এ বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে আব্দুল মতিন খসরু বলেন, ‘‘অর্থমন্ত্রী আজ কেন এ বিষয়ে কথা বলছেন। হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা গত দুই বছর ধরে চলছে। ব্যাংক থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা কোথায় গেলো জাতি জানতে চায়। যেখানে তিন হাজার টাকা চুরি গেলে জেল হয়। সেখানে এত বড় কেলেঙ্কারির কি বিচার হবে আমরা দেখতে চাই।’’

Wednesday, September 5, 2012

টেলর সুইফট্ প্রেম উপাখ্যান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

টেলর সুইফট্ প্রেম উপাখ্যান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ২২ বছর বয়সী পপস্টার টেলর সুইফট্ কেমনে কেমনে যেন শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেললেন। কতই আর বয়স! তারপরেও জীবনের অল্প এই সময়ের মধ্যে টেলর কম তো দেখলেন না। জীবনে একে একে এসেছেন জন মায়ার, জো জোনাস এবং টেলর লুথনার।

প্রত্যেকেই তার জীবন থেকে গত হয়েছেন। প্রত্যেকের মধ্যেই নিশ্চয়ই কিছু একটা ঘাটতি ছিল! অথবা পারফেক্ট পারসন চিনতে না পারার অক্ষমতা ছিল তার নিজেরই! কিন্তু এখন সুইফট্ ভীষণ খুশি। পেয়েছেন আইডল একজন প্রেমিক পুরুষ। যার কাছে নিঃদ্বিধায় নিজেকে প্রকাশ করা যায়। সেই একজন হলেন জন এফ কেনেডি (জুনিয়ার) পূত্র কনোর। গত গ্রীষ্মের গরমে চাওর হওয়া সুইফট্-কনোর যুগলের এই প্রেমকাহিনী মিউজিক পাড়ায় দারুণ উত্তাপ ছড়িয়েছে।

পপ, রক এন্ড রোল ঘরানার গান যারা করেন স্বভাবতই তাদের মেজাজ মর্জিও থাকে ধামাকাদার। নইলে গানের পূর্ণ আবহ শ্রোতাদের সামনে প্রকাশ পাবে কেমনে। আর এখানেই সুইফট্ একেবারে ভিন্ন। তার ব্যক্তিজীবন ভীষণ রকম ঘরোয়া। বন্ধুমহলও ছিমছাম। টেলর নিজেও ছিমছাম জীবনের দ্বৈন্দন্দিন সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান। সবসময়ই চেয়েছেন জীবনের উৎকৃষ্ট সময়ে বিয়ে করে একজন ট্রেডিশনাল স্ত্রী হতে। আর উপযুক্ত পাত্র তো পেয়েই গেছেন!

টেলর সুইফট্ উল্লেখ করেছেন তার বন্ধুদের কথা। যারা খুব সাধারণ গতানুগতিক জীবনযাপন করেন। তাদের বেশিরভাগই বিয়ে করে সন্তানের বাবা-মা হয়ে গেছেন। তার কিছুই হলো না। সুতরাং টেলর সেক্ষেত্রে নিজেকে পিছিয়ে পড়ার দলে ভাবছেন! বেচারি!

টেলর বয়ফ্রেন্ড কনোরের সঙ্গে তার বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে খুব খুশি। কনোরের উপস্থিতি তাকে ঐশ্বরিক অনুভূতি এনে দেয়। কনোরের সঙ্গে কাটানো একান্ত মুহূর্তে টেলরের মনে হয় তিনি পৃথিবীর সুন্দরীশ্রেষ্টা একজন মেয়ে, যেন তিনি রাজকন্যা! টেলরের মতে কনোর একেবারে তার জন্য আদর্শ পুরুষ। টেলর বলেন, ‘আমি এখন রুপকথার রাজ্যে বাস করছি এবং ভীষণ করে চাই এই কাহিনী যেন কখনো শেষ না হয়।’ সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ইরানি চলচ্চিত্রের পাঁচ সুন্দরী মেয়ে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইরানি চলচ্চিত্রের পাঁচ সুন্দরী মেয়ে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট


 ‘আমি রুপ নগরের রাজকন্য রুপের জাদু এনেছি/ ইরান তুরান পার হয়ে আজ তোমার দেশে এসেছি।’
অথবা-
‘নাচে নাচে ইরানি মেয়ে, নাচে ইরানি মেয়ে/ মরু বালুকা হরষে আকুল/ নাচে নাচে ইরানি মেয়ে, নাচে ইরানি মেয়ে।’

পারস্য মেয়েদের সৌন্দর্য্য পৃথিবী বিখ্যাত। শুধু পারস্য কবিতা, গানেই না বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সাহিত্যকর্মে নানাভাবে ইরানি মেয়েদের সৌন্দর্য্য বর্ণিত হয়েছে। কঠোর ইসলামী অধ্যুষিত দেশ হলেও সেখানকার চলচ্চিত্রে নিজের দেশের ঐহিত্য মেনেই ইরানি মেয়েরা নিজেদেরকে সাবলীল করে তুলেছেন। তাদের সৌন্দর্য্য ও অভিনয় দক্ষতার ফলে অসাধারণ হয়ে উঠেছে ইরানি চলচ্চিত্র। ইরানি চলচ্চিত্র আর্ন্তজাতিক খ্যাতি অর্জন করেছে। চলুন আজ কয়েকজন জনপ্রিয় ইরানি অভিনেত্রীর সঙ্গে পরিচিত হই।

গুলশিফতে ফারাহানি: ১৯৮৩ সালের ১০ জুলাই গুলশিফতে জন্মগ্রহণ করেন।  ‘বডি অব লাইস’ ছবির অভিনেত্রী গুলশিফতে ছয় বছর বয়স থেকেই থিয়েটারে অভিনয় করেন। রিডলি স্কট পরিচালিত ‘বডি অব লাইস’ ছবির মোহময়ী অভিনেত্রী গুলশিফতেই প্রথম ইরানি অভিনেত্রী হিসেবে হলিউড প্রোডাকশনে কাজ করেন। ১৪ বছর বয়সে ‘দ্য পিয়ার ট্রি’ ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। প্রথম ছবিতেই গুলশিফতে ফাজর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনয় শিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন। এরপর ইরানের ছবিতে নিজেকে উল্লেখযোগ্য করে তোলেন।

২০০৭ সালে দারিয়ুস মেহেরজু পরিচালিত ও গুলশিফতে অভিনীত বিতর্কিত ছবি ‘সান্তুর’ ইরানে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই অভিনেত্রী পিয়ানো থেকে শুরু করে আরো অনেক বাদ্যযন্ত্র বাজাতে সক্ষম। পড়ালেখা করেছেন মিউজিক স্কুলে। বাস করছেন ফ্রান্সের প্যারিসে।

নিকি কারিমি: ‘দ্য হিডেন হাফ’ ছবির অভিনেত্রী ১৯৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। নিকি ইরানের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং আর্ন্তজাতিকভাবে স্বীকৃত একজন অভিনেত্রী ও পরিচালক। দারিয়ুস মেহেরজু পরিচালিত ‘সারা’ চবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু করেন। এই ছবির জন্যে নিকি ১৯৯২ সালে ‘সান সাবাস্তিয়ান’ ও নান্তেস ফিল্ম’ ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার অর্জন করেন। চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ শুরু পর থেকে প্রায় ত্রিশটির মতো ছবিতে অভিনয় করেছেন নিকি। নিকি কারিমি অভিনীত ওয়ান নাইট, আনসার্টেন রিগার্ডস্, এ ফিউ ডে’জ লেটার, টু হ্যাভ আর নট টু হ্যাভ- সহ বহু ছবি আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে।

লেয়লা হাতেমি: ‘এ সেপারেশন’ ছবির অভিনেত্রী লেয়লা হাতেমি হাইস্কুল শেষ করে পড়ালেখা করতে সুইজারল্যান্ডে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যান। দুই বছর পর তিনি তার ট্র্যাক চেঞ্জ করে ফ্রেঞ্চ সাহিত্য নিয়ে পড়তে শুরু করেন। পড়ালেখা শেষ করে লেয়লা ইরানে ফিরে আসেন। পরিচালক দারিয়ুস মেহেরজু পরিচালিত ‘ লেয়লা’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে যুক্ত হন। ১৯৯৯ সালে সহকর্মী আলি মোসাফাকে বিয়ে করেন। এই দম্পতির ৫ ও ৪ বছর বয়সী দুই শিশু সন্তান আছে। ২০১১ সালের বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে লেয়লা হাতেমি সম্মানজনক সিলভার বিয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।

তারানে আলিদুস্তি: ‘অ্যাবাউট এলি’ ছবির অভিনেত্রী তারানেহ ১৯৮৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তারানেহর বাবা ইরানের নামকরা ফুটবল খেলোয়াড়। ২০০০ সালে অভিনয় শেখার স্কুলে ভর্তি হন। ২০০২ সালে ‘আই অ্যাম তারানা ,আই অ্যাম ফিফটিন’ ছবিতে অভিনয় করে নিজেকে ইরানের চলচ্চিত্রে প্রতিষ্ঠিত করেন। তারানের প্রথম ছবিই লোকার্নো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সিলভার লেপার্ড অর্জন করে। বিউটিফুল সিটি, ফায়ারওয়ার্ক ওয়েন্সডে, ডাউট সহ বহু জনপ্রিয় ছবিতে অভিনয় করেছেন।

হেদাই তেহরানি: ফায়ারওয়ার্কস ওয়েন্সডে ছবির অভিনেত্রী হেদাই তেহরানি ১৯৯৫ সালে রুজ-ই-ভাগ-ই’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে ‘দ্য বেটার নোন ফেস’ ও ‘সোলতান’ ছবির মাধ্যমে রাতারাতি তারকা খ্যাতি পেয়ে যান।

‘এক রাতে সুনীল আমার গায়ে হাত দিয়েছিল’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘এক রাতে সুনীল আমার গায়ে হাত দিয়েছিল’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বাংলাদেশের বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন তার টুইটারে সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে কুৎসিত মন্তব্য করে থেমে থাকেননি। তিনি এবার জানিয়েছেন, সুনীল এক রাতে তার বন্ধুদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে তার হোটেলের ঘর থেকে ফিরে যাবার সময় তার গায়ে অশ্লীলভাবে হাত দিয়েছিল। ঘটনার আকস্মিকতায় তসলিমা নাকি এতটাই হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন যে কী করবেন ভেবে পাননি। পরে এই ঘটনা নিয়ে তসলিমা নাকি ‘রাস্তার ছেলে এবং কবি’ নামে একটি কবিতা লিখেছিলেন। তসলিমা দাবি করেছেন, কবিতাটি সুনীলকে নিয়েই লেখা।

তবে তসলিমার এইসব অভিযোগ সম্পূর্ণভাবেই উড়িয়ে দিয়েছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এতদিন তসলিমা এ ব্যাপারটি নিয়ে চুপ ছিল কেন? সাহস থাকে তো আইনের সাহায্য নিক। সুনীল মনে করেন, এসবই তসলিমার হতাশার বহিঃপ্রকাশ। আর তাই এসব তাকে মোটেই বিচলিত করে না।

দুই বাংলার বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে একসময় বই লিখে তসলিমা সাড়া ফেলেছিলেন। এজন্য বাংলাদেশের বিশিষ্ট লেখক সৈয়দ শামসুল হক তার বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেছিলেন। কলকাতাতেও এক কবি তসলিমার বিরুদ্ধে কোটি রুপির মানহানির মামলা করেছিলেন তার সম্পর্কে বইয়ে আপত্তিকর কিছু লেখার জন্য। তবে সেই সময় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সম্পর্কে কোনও কথাই লেখেননি তসলিমা।

এতদিন পরে সুনীল সম্পর্কে যৌন হয়রানির অভিযোগ আনার কারণ সম্পর্কে জানা গেছে, তসলিমার ’দ্বিখণ্ডিত’ বইটি বাম সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ করার জন্য সুনীলই নাকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে বলেছিলেন। তসলিমা এটা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন। সুনীল অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি কখনই ’দ্বিখণ্ডিত’ নিষিদ্ধ করার কথা বলেননি। বরং শঙ্খ ঘোষসহ অন্যান্যদের সঙ্গে মিলে তিনি সেই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধেই বলেছিলেন। এমনকি মিছিলও করেছিলেন।

কিন্তু তসলিমা কেন বইটি নিষিদ্ধ করার পেছনে তিনিই প্রধান মাথা বলছেন তার কোনোনও কারণ তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। সুনীল জানিয়েছেন, তসলিমার কলকাতায় ফেরার ব্যাপারে তিনি কখনো কোনো উদ্যোগ নেননি ঠিকই, তবে তিনি এমন কোনো বড়মাপের ব্যক্তি নন যে, তার কথাতেই তসলিমার কলকাতায় আসা আটকে যাবে।

সুনীল ও তসলিমার এই সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে বুদ্ধিজীবীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও। তবে ঘটনার সূত্রপাত, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের লেখা ‘মুসলমানদের করণীয়’ নামের একটি বই সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ প্রশাসনের কঠোর মনোভাবের বিরুদ্ধে সুনীলের মতামত থেকে। সুনীল যেকোনো বই নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে তার মত প্রকাশ করার পরই তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন তসলিমা।

গত রোববার তিনি তার টুইটারে লিখেছেন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে। তিনি আমাকে এবং অন্যান্য মহিলাদের যৌন হয়রানি করেছেন। তিনি সাহিত্য আকাদেমির সভাপতি। শেম! শেম!।

তসলিমা আরো লিখেছেন, তার ’দ্বিখণ্ডিন্ডিত’ বইটি নিষিদ্ধ করার জন্য সুনীলই বাম সরকারকে বলেছিল। আর এখন তিনি বই নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে মতামত দিচ্ছেন। একজন ভণ্ড। কোনো বাঙালির সাহস নেই ভণ্ড ও মহিলাদের ব্যবহারকারী লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখোশটা ছিঁড়ে ফেলার।

এই ট্যুইটার বোমার পর সাংবাদিকদের প্রকাশ্যে তসলিমা বলেছেন, এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজে মহিলারা সবসময়ই যৌন হয়রানির শিকার হন। আমি শুনেছি সুনীল অনেক মেয়েকেই যৌন হয়রানি করেছে। পুরুষদের সমাজে এটা খুবই সাধারণ। কিন্তু মহিলার এর বিরুদ্ধে কিছু বলতে পারেন না চাকরি হারাবার ভয়ে। আর লেখার দুনিয়ায় তো অনেক উঠতি তরুণ মেয়েরা বাঘা বাঘা লেখকদের শারীরিক যৌন সম্পর্কের শিকার হয়েছে।

তসলিমার মতে, তাদের ক্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যাবার ভয়ে তারা কেউ এদের বিরুদ্ধে মুখ খোলেন না। এরপরই তসলিমা জানিয়েছেন, অনেকদিন আগের একটি ঘটনার কথা। সেই সময় ফ্রান্স থেকে এসে তিনি কলকাতার একটি হোটেলে থাকছিলেন। সেই সময় এক রাতে সুনীল বন্ধুদের নিয়ে তার ঘরে ডিনার করতে এসেছিলেন। কিন্তু যাবার সময় সুনীল নাকি বিদায় চুম্বন দেবার সময় তার গায়ে এমনভাবে হাত দিয়েছিলেন যে, তসলিমা হতভম্ব হয়ে পড়েছিলেন। এই ঘটনায় তসলিমা প্রচণ্ড মানসিক আঘাত পেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন।

তসলিমার দাবি, আমার মতো প্রতিষ্ঠিত লেখিকার সঙ্গে যেখানে সুনীল এই ধরনের কাজ করেছে সেখানে অন্য মেয়েদের সঙ্গে যে সে এই ধরনের কাজ করেছে এটাই স্বাভাবিক। তসলিমা আরো জানিয়েছেন, আমি জানি সুনীলের সেই ক্ষমতা আছে যে আমাকে ভারত থেকে বিতাড়িত করার ক্ষেত্রে প্রভাব ঘাটাতে পারে। তবু তিনি সত্যি বলে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

তসলিমা দাবি করেছেন, তার আত্মজীবনীর তৃতীয় খণ্ড ’দ্বিখণ্ডিত’তে অনেকের মুখোশ খুলে দেয়ার পর সুনীল নাকি তাকে বলেছিল, ব্যক্তিগত সম্পর্ক প্রকাশ্যে না আনতে। তবে তসলিমা জানিয়েছেন, সুনীলের মতো ’অর্ধেক জীবন’ তিনি লিখবেন না। তার কাছে কোনো কিছুই গোপনীয় নয়। আর সত্যি বলার জন্য অনেক কিছু সহ্য করতে হয়েছে। তবু সত্যি বলে যাবেন বলে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন।

তসলিমা বর্তমানে দিল্লির এক অজ্ঞাত স্থানে ভারত সরকারের নিরাপত্তা সুরক্ষায় অবস্থান করছেন। ২০০৭ সালে কলকাতায় মুসলমানদের একাংশের হিংসাত্মক বিক্ষোভের পরই তসলিমাকে কলকাতা ছেড়ে যেতে হয়। তার পর থেকে তার আর কলকাতায় ফেরা হয়নি। অথচ তসলিমা কলকাতায় ফিরতে চান।

তিনি মনে করেন, কলকাতা তার দ্বিতীয় ঘর। কিন্তু তাকে ফিরিয়ে এনে মুসলমানদের চক্ষুশূল হতে চায় না কোনো রাজনৈতিক দলই। ফলে কলকাতায় ফেরার জন্য তার কোনো আবেদনে কোনো সরকারই কর্ণপাত করছে না। সূত্র: মানবজমিন

পুষ্টিগুণে ভরা আমলকি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

পুষ্টিগুণে ভরা আমলকি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

  দামে সস্তা হলেও আমলকি আমাদের দেশের শ্রেষ্ঠ ফলগুলোর মধ্যে একটি। আমলকি খেলে অনেক রোগের হাত থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় বা অনেক রোগ সেরে যায়। এ ফলের গুণাগুণ অমৃত সমান-তাই একে অমৃতফল বলা হয়ে থাকে।

পরিচর্যায় মায়ের মতো উপকারী তাই একে ধাত্রীফলও বলা হয়। আমলকিতে পেয়ারার চেয়ে আড়াই গুণ, লেবুর চেয়ে সাড়ে চার গুণ, আমের চেয়ে ১০ গুণ, কমলার চেয়ে ১১ গুণ, আমড়ার চেয়ে পাঁচ গুণসহ সব ফলের চেয়ে দ্বিগুণ থেকে ১০০ গুণ বেশি ভিটামনি সি থাকে।

প্রতিদিন মাত্র একটি আমলকি খেয়ে আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করতে পারি। গাছ থেকে সংগ্রহের পর থেকে ধীরে ধীরে এর ভিটামিন সি নষ্ট হতে থাকে। তাই আমলকি অবশ্যই তাজা খেতে হবে।

আমলকি শরীর ঠাণ্ডা রাখে, রক্ত, মাংস ও হাড়ের গঠনে ভূমিকা রাখে। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পায়খানা স্বাভাবিক রাখা ও পুরুষের দেহে বীর্য বর্ধক হিসেবে কাজ করে। চোখের জন্যও আমলকি বিশেষভাবে উপকারী।

প্রতি ১০০ গ্রাম আমলকিতে আছে পানি- ৯১.৪ গ্রাম, খনিজ -০.৭ গ্রাম, প্রোটিন - ০.৯ গ্রাম, ক্যালসিয়াম - ৩৪.০ মিগ্রা, আয়রণ - ১.২ মিগ্রা, ভিটামিন বি১-১০.০২ মিগ্রা, ভিটামিন বি২-২০.০৮ মিগ্রা, ভিটামিন সি-৪৬৩ মিগ্রা।

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গৃহস্থালির কাজ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গৃহস্থালির কাজ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

 গৃহস্থালির কাজকর্ম, নিয়মিত হাঁটাচলা করা বা বাগানের কাজে ব্যস্ততা নারীদের স্তুন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। স্তন ক্যানসার নিয়ে পরিচালিত সবচেয়ে বড় গবেষণার পর ইউরোপিয়ান প্রসপেক্টিভ ইনভেস্টিগেশন অব ক্যানসার (ইপিআইসি) তাদের রিপোর্টে এমনটাই দাবি করেছে।

বৃটেনের ক্যানসার গবেষণার সহযোগিতায় পরিচালিত এ সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব নারী সাধারণ থেকে ভারী ধরনের গৃহস্থালির কাজে নিজেদের ব্যস্ত রাখেন তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ১৩ ভাগ কমে যায়। এতে স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত ৮০০০ নারীর খাদ্যাভ্যাস, জীবনাচরণ এবং তাদের রোগব্যাধির ইতিহাসের প্রতি নজর রাখা হয়েছে।

গবেষকরা দেখেছেন, যেসব নারী পরিশ্রমের কাজে নিজেদের ব্যস্ত রেখেছিলেন তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা যারা পরিশ্রমের কোনো কাজ করেননি তাদের চেয়ে ১৩ ভাগ কম। আর যেসব নারী মোটামুটি পরিশ্রমের কাজ করেছেন তাদের স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা আট ভাগ কমে গেছে।

ক্যানসার রিসার্চ ইউকের সারাহ উইলিয়াম বলেছেন, স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে প্রচলিত যেসব তথ্য জানা রয়েছে এ গবেষণা সেটাকেই আরো জোরদার করেছে।

বৃটিশ সরকার নারীদের প্রতি সপ্তাহে ১৫০ মিনিট করে মোটামুটি শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম করার পরামর্শ দিয়েছেন। ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে বলছে, মাত্র ৩৯ ভাগ পুরুষ এবং ২৯ ভাগ নারী প্রতি সপ্তাহে এ ধরনের কাজে সময় দিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম প্রতি বছর বৃটেনে ৩০০০ নারীকে ক্যানসারের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছাড়াও ‘ওপরমহলের তদবির’ ছিল হলমার্ক ঋণে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছাড়াও ‘ওপরমহলের তদবির’ ছিল হলমার্ক ঋণে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 হলমার্ক গ্রুপকে অনিয়ম করে সোনালী ব্যাংক থেকে ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ছাড়াও ‘ওপরমহল’-এর আরো অনেকের ‘তদবির’ ছিল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য দিয়েছেন ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. হুমায়ুন কবীর। মঙ্গলবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদকারী দুদকের অনুসন্ধান দল সূত্রে একথা জানা গেছে। হলমার্কের এই দুর্নীতির সময় সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মো. হুমায়ুন কবীর।

ছয় সদস্যেরর অনুসন্ধান দল সূত্রে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিকে তার মেয়াদকালে হলমার্ক গ্রুপসহ অন্যান্য ঋণগ্রহীতাদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে তাকে প্রশ্ন করা হয়, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের হোসেন ছাড়া আর কারো সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না হলমার্কের ঋণের ব্যাপারে।

তিনি জানান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দুএকবার আশা যাওয়া ছিল। তবে তিনি ছাড়াও ‘ওপরমহলের’ অনেকেরই তদবির ছিল এ ব্যাপারে। ব্যাংকের তখনকার শেরাটন হোটেল শাখার কর্মকর্তারাও এ কাজে জড়িত ছিলেন। শাখাটির ব্যবস্থাপক এই ঋণের ক্ষেত্রে হলমার্ক গ্রুপকে বিশেষভাবে সাহায্য করেন।

তিনি জানান, ২০০৮ সাল থেকে এই ঋণ ছাড় করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

মঙ্গলবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দুদকের সেগুনবাগিচাস্থ প্রধান কার্যালয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ সদস্যের অনুসন্ধান দল। জিজ্ঞাসাবাদে দুদক সোনালী ব্যাংকের বিগত ৩ অর্থবছরের ঋণ গ্রহীতাদের তালিকা চেয়েছে তার কাছে। দুদক কর্মকর্তারা তাকে ২০০৯, ’১০ ও ’১১ অর্থবছরে ব্যাংকটি থেকে ঋণগ্রহীতাদের এ তালিকা জমা দিতে বলেন।

তবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে তিনি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে কোনো কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান মো. হুমায়ুন কবীর। সাংবাদিকরা এ সময় তাকে ঘিরে ধরলে ধস্তাধস্তি হয়। দুদক কার্যালয়ের রাস্তার উল্টো দিকে একটি আবাসিক ভবনের পার্কিংয়ে তার গাড়ি রাখা ছিল। সেখান থেকে গাড়িতে ওঠার আগ পর্যন্ত সাংবাদিকরা তার পিছু নেন। তাকে বারবার নানা প্রশ্ন করা হলেও তিনি একই জবাব দেন যে, ‘‘আমার সময়ে আমি শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করেছি। এ সুতা পরিমাণও দুর্নীতি হয়নি।’’

রাষ্ট্রায়ত্ব এই ব্যাংকটির তখনকার শেরাটন হোটেল (বর্তমান রূপসী বাংলা হোটেলের) কর্পোরেট শাখা থেকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে হলমার্কসহ পাঁচটি কোম্পানি ৩ হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগ করেছে, সোনালী ব্যাংকের সাবেক এই এমডিসহ ৩৩ কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অনিয়ম হয়েছে।

এ পর্যন্ত এ অভিযোগ তদন্তে রুপসী বাংলা ও প্রধান শাখার মোট ২০জন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। হলমার্কের এমডি সহ মোট ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

বিরোধী দল সংসদে এসে জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করবে : স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিরোধী দল সংসদে এসে জনগণের আকাঙ্খা পূরণ করবে : স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিরোধী দল সংসদে যোগ দিয়ে সংসদকে কার্যকর করবে। সংসদে এসে বিতর্কের মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের আশা আকাঙ্খা পূরণ করবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন সংসদের স্পিকার আব্দুল হামিদ।

মঙ্গলবার জাতীয় চতুর্দশ বৈঠকের শুরুতে স্পিকারের বক্তব্যে তিনি এ আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘‘সংসদ হলো জনগণের সকল প্রত্যাশা পূরণের কেন্দ্রবিন্দু। সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই গঠনমূলক বিতর্কের মধ্য দিয়ে জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে। উভয় দলের উপস্থিতিই সংসদকে কার্যকর করতে পারে।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আমি স্পিকার। আমার কাজ সংসদ পরিচালনা করা। আমার কাছে সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়ই সমান। উভয় দল সংসদে উপস্থিত হলে আমারও ভাল লাগে। সংসদও কার্যকর হয়।

সংসদের অধিবেশন দেখার জন্য শিশুদের  জন্য স্বতন্ত্র গ্যালারি তৈরি করা হয়েছে। এ গ্যালারিতে বর্তমানে ৫০ জন শিশু অধিবেশন দেখছেন বলেও জানান তিনি।

এখন থেকে সংসদের অধিবেশন শিশুরা দেখতে পারবে। শিশুদের মনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে এমন কথা বলা থেকে সংসদ সদস্যদের বিরত থাকার আ‎‎ জানান তিনি।