Pages

Monday, September 10, 2012

গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় আমেরিকা: মজিনা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতান্ত্রিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চায় আমেরিকা: মজিনা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আমেরিকা আর বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের আওতায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ সবগুলোই একটি শান্তিময়, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রসারের প্রতি সচেষ্ট। এমন একটি বাংলাদেশ আমেরিকার জনগণ, দক্ষিণ এশিয়ার ও সর্বোপরি স্বয়ং বাংলাদেশের স্বার্থসংশি¬ষ্ট বলে আমার বিশ্বাস।

আমেরিকার সরকার কর্তৃক সে দেশের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ম্যাকগভার্ন -ডোল ইন্টারন্যাশনাল ফুড ফর এডুকেশন অ্যান্ড চাইল্ড নিউট্রিশন প্রোগ্রাম (ম্যাকগভার্ন-ডোল প্রোগ্রাম)-এর মাধ্যমে সাড়ে দশ হাজার মেট্রিক টন গম হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা এসব কথা বলেন।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের পতেঙ্গাস্থ সাইলো প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের স্কুল ফিডিং ও পুষ্টি কর্মসূচির সহায়তায় প্রদত্ত ১০,৪৪০ মেট্রিক টন গমের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন এমপি, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বাংলাদেশ কান্ট্রি পরিচালক ক্রিস্টা রাডের বক্তৃতা করেন।

বক্তৃতায় ড্যান মজিনা বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার অংশীদারিত্ব ইউএসডিএ ম্যাকগোভার্ন-ডোল স্কুল ফিডিং কর্মসূচি, প্রেসিডেন্ট ওবামার ফিড দ্য ফিউচার উদ্যোগ, ও আমাদের অন্যান্য অনেক অংশীদারিত্বমূলক কর্মসূচি যেগুলো উন্নত শাসনব্যবস্থার প্রসার, প্রাথমিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রসার, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর সামর্থ্য বৃদ্ধি ও দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে।”

তিনি বলেন, “এ সবগুলোই একটি শান্তিময়, নিরাপদ, সমৃদ্ধ, সুস্থ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রসারের প্রতি সচেষ্ট। এমন একটি বাংলাদেশ, আমেরিকার জনগণ, দক্ষিণ এশিয়ার ও সর্বোপরি স্বয়ং বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লি¬ষ্ট বলে আমার বিশ্বাস।”

মজিনা বলেন, “এই গম বাংলাদেশের শিশুদের জন্য আমেরিকার জনগণের উপহার। আর বাংলাদেশে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হিসেবে এই অনুদান প্রদান করে আমি খুশি।  তবে আমাদের আজকের এই উদযাপন উপলক্ষ্য আমেরিকা থেকে আনা গমের এই পাহাড় প্রমাণ অনুদান অপেক্ষা অনেক বড়।”

সিনেটর জর্জ ম্যাকগভার্ন এবং সিনেটর রবার্ট ডোল- এর সম্মানে ম্যাকগভার্ন-ডোল প্রোগ্রাম নামকরণ করা হয়।

আমেরিকার এই দু’জন নেতা বিশ্বব্যাপী বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের খাবার ও শিশুদের পুষ্টির বিষয়ে আমেরিকার অঙ্গীকারকে উৎসাহিত করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা, উন্নয়ন এবং খাদ্য নিরাপত্তায় সহায়তা করা হয়। ইউএসডিএ শিক্ষার বিশ্বজনীনতায় বিশ্বাসী স্বল্প আয়ের এবং খাদ্য ঘাটতির দেশগুলোতে বিদ্যালয়ে শিশুদের খাবার এবং মাতৃত্ব ও শিশু পুষ্টি প্রকল্পের জন্য আমেরিকা কৃষি পণ্যের অনুদানের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে থাকে।

ম্যাকগভার্ন-ডোল কর্মসূচি গত দুই অর্থ বছরে (২০১১-২০১২) বিশ্বব্যাপী ৪০ কোটি ডলারের বেশি বরাদ্দ দিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে তিন অর্থ বছরে (২০১১-২০১৩) তিন কোটি ডলারের অঙ্গীকার করা হয়েছে যা একক কোনো একটি দেশে সর্বাধিক বরাদ্দের অঙ্গীকার।

গত এক দশকে এ দেশের শিশুদের পুষ্টির উন্নতিতে ও শিশুদেরকে বিদ্যালয়ে পাঠাতে আভিবাবকদেকে উৎসাহিত করতে ইউএসডিএ ম্যাকগভার্ন-ডোল কর্মসূচি বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্বে কাজ করছে।

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছি: মুহিত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 গত নয় মাস ধরে সরকার থেকে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে স্বীকার করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। রোববার দুপুরে সচিবালয়ে সভাকক্ষে সাংবাদিকদের কাছে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
 
‘বিভিন্ন মহল থেকে আপনার পদত্যাগের দাবি উঠেছে’ এমন প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, “অনেক দিন থেকে আমি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি, ইচ্ছা করলে হয় না।”
 
অর্থমন্ত্রী জানান, হলমার্কের দুনীতির সঙ্গে অনেকেই জড়িত আছে। তারা দেশ থেকে পালানোর চেষ্টা করছে। তারা যাতে পালাতে না পারে সে ব্যাপারে মামলা করা হবে।
 
তিনি বলেন, “পদ্মা ও ইউনূস পুরানো ইস্যু। এখন নতুন ইস্যু হচ্ছে হলমার্ক।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, “শুধু এক হাতে তালি বাজে না। হলমার্কের সঙ্গে বড় বড় লোক জড়িত। সবার দোষ রয়েছে, বিষয়টি আমাদের সাবধান হওয়া উচিত।”
 
তিনি বলেন, “এরা আমাদের ব্যাংকিং খাতে ধস নামিয়েছে, দেশের ভয়াবহ ক্ষতি করেছে।”
 
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, যেই ধরনের অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতির মাধ্যমে সোনালী ব্যাংক সহ অন্যান্য ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা থেকে হলমার্ক গ্রুপের ভুয়া ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো কয়েক হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে- সেই অভ্যন্তরীণ বিল জালিয়াতি ঠেকাতে জারি করা একটি পরিপত্র নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ও ব্যবসায়ীদের একটি মহলের চাপের মুখে আছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
 
এ ব্যাপারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে দেয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশকে নিজেদের ‘স্বাভাবিক ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা’র পথে সমস্যা হিসেবে দেখছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে নয়, এ নির্দেশ বাতিলের দাবি নিয়ে তারা অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের সঙ্গে শনিবার দেখা করেছেন। বিষয়টিতে পরবর্তী কর্মযদিবসের মধ্যে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস অর্থমন্ত্রী দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।
 
কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, শাখা পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ থাকায় জুনের আগে গত দুই বছরে ভুয়া লেনদেনের বিপরীতে বিল দেখিয়ে প্রধানত রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকগুলো থেকে প্রচুর পরিমাণে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার আলামত টের পাচ্ছিলেন তারা।
 
তবে বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেয়ার পর অর্থমন্ত্রণালয় রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের দেখভালের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নিয়ে নেয়ায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছিলেন না। অন্যদিকে এক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন সৃষ্ট বিভাগ- ‘ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে’র কোনো তৎপরতা ছিল না।

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের সেবায় পুলিশ সদস্যদের আরো সচেষ্ট হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অন্যায় করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।”

পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা বাড়াতে প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগে নবীনদের দক্ষতার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

রোববার রাজশাহীতে সারদা পুলিশ একাডেমীতে শিক্ষানবীস সহকারী পুলিশ সুপারদের প্রশিক্ষণ সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ন্যাশনাল ব্যুরো অব পুলিশ গঠনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা এরই মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ গঠন করেছি। টুরিস্ট পুলিশ, মেরিন পুলিশ গঠনেরও কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে ন্যাশনাল ব্যুরো অফ পুলিশ গঠনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।”

তিনি বলেন, “আজ তোমরা যে শপথ নিলে কর্মক্ষেত্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে সেই শপথের মর্যাদা রক্ষা করবে।”

দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ সরকারের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে উদ্যোগ ও অর্জনগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুলিশ বাহিনীতে পদমর্যাদাগত বিভিন্ন বৈষম্য দূর করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, জনবল, ভাতা, প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হয়েছে। জনগণকে দেয়া পুলিশের সেবার মান বাড়ানোর ওপর জোর দেন শেখ হাসিনা।

২৯ তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২০১১ ব্যাচের এক বছর মেয়াদী প্রশিক্ষনের সমাপনী কুচকাওয়াজে যোগ দিতে রাজশাহীতে সারদা পুলিশ একাডেমীতে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অভিবাদন গ্রহণ, কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের পদক প্রদান করেন তিনি। ২০১১ ব্যাচের ৩৭ জন শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ কমিশনার পেশাগত প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। শিক্ষানবীশ সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ বিন কালাম সর্বোচ্চ সম্মাননা বেস্ট ম্যান কাপ অর্জন করেন।

Sunday, September 9, 2012

মেডিকেলে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ‘দুই দিনের মধ্যে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেডিকেলে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ‘দুই দিনের মধ্যে’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা নিতে দুই দিনের মধ্যে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক খন্দকার মো. সিফায়েতউল্লাহ।

সরকার এ বছর আগের নিয়মে পরীক্ষার মাধ্যমে মেডিকেলে ভর্তির সিদ্ধান্ত হাই কোর্টকে জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই  মহাপরিচালক জানন, “আমরা আবেদন চেয়ে দুই দিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করব। এর আগেই পরীক্ষার তারিখ ও অন্যান্য নিয়ম চূড়ান্ত করা হবে।”

আদালতে শুনানি শেষে রোববার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন হাই কোর্টকে জানান, সরকার এ বছর ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আগামী বছর থেকে জিপিএ এর ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।

আদালত রাষ্ট্রপক্ষকে এ বিষয়টি ‘হলফনামা’ আকারে সোমবার আদালতে উপস্থাপন করতে বলেন।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষামন্ত্রী রুহুল হক সাংবাদিকদের জানান, আদালত থেকে মামলাটি তুলে নেওয়া হলে সরকার এবার আগের পদ্ধতিতেই ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করবে। তা না হলে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী।

কাজ এগিয়ে রাখার লক্ষ্যে শিগগিরই ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

বাংলাদেশের সবগুলো মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজ মিলিয়ে মোট ৮ হাজার ৪৯৩টি আসন রয়েছে।

এর মধ্যে ২২টি সরকারি মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা ২ হাজার ৮১১টি। আর ৫৩টি বেসরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ২৪৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে।

এছাড়া ৯টি ‘পাবলিক’ ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে ৫৬৭টি আসন রয়েছে।

বেক্সিমকো কারখানার গ্যাসে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী অসুস্থ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেক্সিমকো কারখানার গ্যাসে শতাধিক স্কুল শিক্ষার্থী অসুস্থ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ওষুধ ‍নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকোর গাজীপুরের একটি কারাখানা থেকে  নির্গত বিষাক্ত গ্যাসে অজ্ঞান হয়ে যায় পাশের হাজী কছিম উদ্দিন পাবলিক স্কুলের সাতজন শিক্ষার্থী। আরো শতাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। রোববার সকাল নয়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া সাতজন শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজনকে টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলো: এস এইচ নুর (৭), তাবিব হাসান (৯) ও ফাহিম হোসেন (১০)।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক এম এম হেলাল উদ্দিন জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে নির্গত গ্যাসে শিক্ষার্থীরা বারবার বমি করতে থাকে। তাদের মধ্যে সাতজন অজ্ঞান হয়ে যায়। এ ঘটনায় তাড়াহুড়ো করে স্কুল থেকে বের হতে গিয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়।

এর আগেও বেক্সিমকোর কারখানা থেকে নির্গত গ্যাসে কয়েকবার স্কুলের শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়ে অভিযোগ করে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, ২০০৬ সালে ১০ জন অজ্ঞান হয়ে হাসপাতালে চিকিত্সা নিয়েছে। তখন এ ব্যাপারে টঙ্গী থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ২০০৭ ও ২০০৮ সালে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে কারখানার কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা ব্যবস্থা নেবে বলেও কোনো প্রতিকার করেনি। উপরন্তু তারা স্কুলে আর্থিক অনুদান দেওয়ার প্রলোভন দেখায় বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষক।

এলাকাবাসী জানান, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস থেকে প্রায়ই গ্যাস নির্গত হয়। এতে আশপাশের এলাকার লোকজন প্রায়ই অসুস্থ হয়ে পড়ে। তারা কারখানা অন্যত্র সরানোর দাবি জানান। হাজী কছিম উদ্দিন পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরাও এ ঘটনার দ্রুত বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. নুর আলম জানান, ওষুধ কারখানার ফিউম ডেলিভারেশন পাইপ (ধোঁয়া নির্গমন পথ) কমপক্ষে ৬০ ফুট উঁচু থাকা দরকার। বেক্সিমকো ফার্মা কারখানায় কেন গ্যাস নির্গমন হচ্ছে তা তিনি তদন্ত করে দেখবেন বলে জানান।

টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে স্কুল কর্তৃপক্ষ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

রেলে নিয়োগ দুর্নীতি: মৃধাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কাল

রেলে নিয়োগ দুর্নীতি: মৃধাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা কাল
 নিয়োগে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের বরখাস্ত জিএম ইউসুফ আলী মৃধা, নিয়োগ কমিটির আহবায়ক হাফিজুর রহমান এবং সদস্য সচিব গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।  মামলা দায়ের করতে দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা এসএম রাশেদুর রহমান রোববার চট্টগ্রামে পৌঁছেছেন। রাশেদুর রহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, সোমবার বন্দরনগরীর কোতয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করা হবে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত সমাপ্ত প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই তিনজনের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও পরবর্তীতে আরো তথ্যের ভিত্তিতে আসামিদের তালিকায় পূর্বাঞ্চল রেলের ২৫ কর্মকর্তাসহ পঞ্চাশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।


দুদক সূত্রে জানা গেছে মামলায় অভিযোগ করা হবে, পূর্বাঞ্চল রেলের ৬টি ক্যাটাগরির ১০৬৯টির বেশিরভাগ পদেই মোটা অর্থের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়া হয়।


দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানের সময় ৩৯ জনের বক্তব্য শেষে গত সপ্তাহে ছয়টি ক্যাটাগরিতে নিয়োগের বিপরীতে ছয়টি মামলা সুপারিশ করে প্রতিবেদন জমা দেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। কমিশন নিয়মিত বৈঠকে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়।


চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রাতে পদত্যাগী রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বরখাস্তকৃত এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারের গাড়িতে ৭০ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এসময় ফারুকের সঙ্গে ছিলেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের এই সাবেক জিএম ইউসুফ আলী মৃধা ও রেল পুলিশের কমান্ড্যান্ট (ঢাকা) এনামুল হক।


অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনার পর রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশন ঘটনা তদন্তে উপ-পরিচালক মো. আবু সাঈদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।


তদন্ত কমিটির সদস্যরা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে যান রেলের পূর্বাঞ্চল অফিসে। সেখান থেকে জব্দ করা নথিপত্রে দেখা যায়, ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস পদে ১২১৬ কোড নাম্বারধারী লিখিত পরীক্ষায় পেয়েছেন মাত্র ২ নাম্বার। তা পরিবর্তন করে ২৫ নাম্বার দেখিয়ে এ কোড নাম্বারধারীকে উত্তীর্ণ দেখানো হয়েছে।


৩৫টির বেশি কোড নাম্বারের খাতায় কাটাছেড়া করে নাম্বার দেয়া হয়েছে। টেবুলেশন শিটে ভয়াবহ জালিয়াতির মাধ্যমে এরকম অসংখ্য অকৃতকার্যকে দেখানো হয়েছে কৃতকার্য।


সুইপার থেকে রেলের লোক মাস্টার পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মোটা অংকের অর্থ নিয়েছেন। ওই টাকা পার্সেন্টিজের ভিত্তিতে ভাগবাটোয়রা করে  নিয়েছেন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।


সবচেয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে ১১২ জন চৌকিদার, ৩৬৯ জন ট্রেড অ্যাপ্রেন্টিস, ২৪৮ জন সুইপার, ১৪৩ জন ট্রলি ম্যান, ১৫ জন সহকারি সাব ইন্সপেক্টর ও ১৮২ জন লোকো মাস্টার পদে নিয়োগে।


সহকারি সাব-ইন্সপেক্টর পদে লিখিত পরীক্ষায় ৯৫ জনের মধ্যে ৭ জন মাত্র মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। নিয়োগ দেয়া হয়েছে ১১ জনকে। এর মধ্যে ৬ জনই মৌখিক পরীক্ষায় ফেল করেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১০, ময়মনসিংহের-১, কিশোরগঞ্জের-২৫, পটুয়াখালির-১৮, রংপুর-৩৩, মাদারীপুরের-২৬ রোলনম্বরধারী প্রার্থীরা পরীক্ষা উত্তীর্ণ না হয়েও নিয়োগ পেয়েছেন। অথচ নিয়োগের জন্য উপযুক্ত থাকার পরও টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় অন্যায়ভাবে বাদ পড়েছেন চট্টগ্রাম-৬০ ও কুমিল্লার-৫০ রোল নাম্বারধারী। একই রকম পরিস্থিতির শিকার আরও অনেক প্রার্থী হয়েছেন। এছাড়া রেলওয়ের কর্মচারীদের জন্য সংরক্ষিত, মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের সন্তান সন্ততি, মহিলা, অনগ্রসর জেলা, আনসার-ভিডিপি, উপজাতীয়, এতিম প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ধরনের কোটার ক্ষেত্রে কোনো ধরণের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করার প্রমাণ পেয়েছে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তার।


রেলে নিয়োগ বাণিজ্যের সঙ্গে রেলের কর্মকর্তারা ছাড়াও পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন থেকে শুরু করে মৌখিক পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট থাকার প্রমাণ মিলেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মুসলিম হাইস্কুল, চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে ৪৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।


স্বাক্ষীদের বক্তব্য এবং অনুসন্ধানের বের হয়ে আসা তথ্যপ্রমাণের আলোকে ছয়টি মামলার অভিযোগ তৈরি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পর দুদক কর্মকর্তারা মামলাগুলো তদন্ত করবেন।

লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার সামিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার সামিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 লাক্স-চ্যানেল আই সুপার স্টার-২০১২ হয়েছেন সামিয়া সাইদ। সর্বশেষ গ্রান্ড ফাইনালে পাঁচ প্রতিযোগীর মধ্যে সামিয়ার মাথায় উঠে সেরা সুন্দরীর মুকুট।

কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে লড়াই করে চূড়ান্ত পর্বে টিকে ছিলেন এই পাঁচ জন। তারা হলেন সাদিয়া আনজুমান্দ বানু সোমা, সামিয়া হোসেন খান, প্রসূণ আজাদ, সামিয়া সাইদ ও ফাতিমাতু যোহরা ঈশিতা।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জমকালো অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে চ্যানেল আই’র পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর টিভি ব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর সহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট থেকে চ্যানেল আই অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে।

পুষ্টিতে ভরা ফল পেয়ারা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

পুষ্টিতে ভরা ফল পেয়ারা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

পেয়ারা বাংলাদেশের অতি পরিচিত একটি ফল। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্রই পাওয়া এই ফলটি, মূলত বর্ষাকালীন একটি ফল। কাঁচা অথবা পাকা উভয় অবস্থাতেই পেয়ারার ত্বক থাকে গাঢ় সবুজ। তবে পাকা ফলের শাঁস সাধারণত লাল হয়ে থাকে।

পেয়ারা একটি উচ্চ পুষ্টিমানের ফল। ফলটিতে রয়েছে ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি ও ভিটামিন-সি। এমনকি একটি পেয়ারা একটি কমলার চেয়েও চার গুণ বেশি ভিটামিন-সি ধারণ করে। ভিটামিন-সি হলো একটি প্রধান এন্টি অক্সিডেন্ট, যেটি কোষকে ফ্রি রেডিক্যাল ড্যামেজ থেকে রক্ষা করে। শুধু তাই নয়, ভিটামিন-সি আমাদের শরীরের ত্বকে বয়ে আনে পুষ্টি।

পেয়ারার ভেতরের চেয়ে বাইরের খোসায় রয়েছে বেশি পরিমাণে ভিটামিন-সি, যা স্কার্ভি নামক চর্মরোগসহ নানা ধরনের ত্বকের অসুখের বিরুদ্ধে কাজ করে। সর্দি, হাঁচি, কাশি দূর করতেও জুড়ি মেলা ভার পেয়ারার। এছাড়া আমাদের ত্বককে খতিকর আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে রক্ষা করে পেয়ারার বাইরের সবুজ ত্বক।

পেয়ারাতে রয়েছে যথেষ্ট ক্যারোটিনয়েড নামক পুষ্টি উপাদান, যেটি ভাইরাসজনিত ইনফেকশন থেকে আমাদের রক্ষা করে। ডায়রিয়ার জীবাণুকে করে দুর্বল। পেয়ারার ভিটামিন দৃষ্টিকে করে শক্তিশালী। পেয়ারায় বিদ্যমান খনিজ উপাদান পটাসিয়াম ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পালন করে এবং ম্যাগনেসিয়াম শরীরের কোষের দুর্বলতা দূরীকরণে উপকার দেয়।

আমাদের ত্বকে টানটান ভাব আনয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে পেয়ারা। এতে তারুণ্য বজায় থাকে দীর্ঘকাল। তবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুব বেশি মিষ্টি পেয়ারা খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটি ডায়াবেটিস রোগীদের রক্তে চিনির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের কচি পেয়ারা খাওয়া ভালো। কারণ তা তাদের রক্তে চিনির মাত্রা কমাতে সহায়তা করে।

প্রতি ১০০ গ্রাম পেয়ারাতে পুষ্টি হিসেবে ক্যালোরি পাওয়া যায় ১১২ গ্রা., ময়েশ্চার ১৩৩ গ্রা., ডায়াটারি ফাইবার ৮.৯ গ্রা., প্রোটিন ৪২ গ্রা., আঁশ ২.৩ গ্রা., কার্বোহাইড্রেড ২৩.৬ গ্রা., ফসফরাস ৬৩ মিলি গ্রা., পটাসিয়াম ৬৮৮ মিলি.গ্রা., ভিটমিন-সি ৩৭৭ মিলিগ্রাম।

‘রক্ত ঢেলে আন্দোলন বিকৃত মানসিকতা’ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘রক্ত ঢেলে আন্দোলন বিকৃত মানসিকতা’ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শিক্ষাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তবে প্রয়োজনে কঠোর কিভাবে হতে হয়, তাও আমাদের জানা আছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে খেলার অধিকার কারো নেই।  
 
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের ‘সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম’ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার-সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শুকুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, মহিলা লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশারফ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, তাতী লীগের আহবায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী অংশ নেন।
 
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে সরকারনিযুক্ত ভিসি ও তার প্রশাসনের বিরুদ্ধে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘একে, ওকে পছন্দ না বলে ছেলে মেয়েরা নিজেদের শরীর থেকে রক্ত নিচ্ছে। সেই রক্ত আবার সিঁড়িতে ঢেলে দিচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মাথায় এ ধরনের বিকৃত মানসিকতা কিভাবে আসে তা বুঝতে পারি না।’’
 
তিনি বলেন, ‘‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি নিয়োগের এখতিয়ার প্রেসিডেন্টের। তিনি ভিসি নিয়োগ করে থাকেন। কিন্তু সেখানে কে থাকবে আর কে থাকবে না তা নিয়ে শিক্ষকরা আন্দোলন করেন, পরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দেয়। রাতের বেলায় শিক্ষকের ছবি নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। এসব করে যেসব শিক্ষকরা তাদের সহকর্মীদের অপমান করছেন, বা অপমান করতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করছেন ভবিষ্যতে তারা যে অপমানিত হবেন না বা এই শিক্ষার্থীরাই যে তাদের অপমান করবে না এর নিশ্চিয়তা কে দেবে। এজন্য আমি শিক্ষক সমাজকে সচেতন হতে বলবো।’’
 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যার অপসারণের জন্য তারা আন্দোলন করলো নির্বাচনে দেখা গেলো তিনিই সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছেন। ভোটের ওই ফলের পরে কি আন্দোলনকারীরা লজ্জা পেয়েছিলেন?’’

তত্ত্বাবধায়ক এলে কারো রক্ষা হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

তত্ত্বাবধায়ক এলে কারো রক্ষা হবে না: প্রধানমন্ত্রী :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যারা এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইছেন- তারাও রক্ষা পাবেন না যদি এমন সরকার ক্ষমতায় আসে।
 
শনিবার ঢাকায় এক দলীয় অনুষ্ঠানে বিগত বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘তাদের সময়ে যে হারে হারে দুর্নীতি হয়েছে তাতে তারা পুরো সিস্টেমই ধ্বংস করে দিয়েছিল। তাদের সময়ের জুলুম নির্যাতন মানুষ ভুলে যায়নি। এরপর আসলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেই সময়ের চিত্র-ওতো মানুষের জানা আছে। তখন যারা ওই সরকারের পক্ষে সোচ্চার ছিলেন তারাই এখন সরকারের সব কিছুতে দোষ খোঁজতে তৎপর। টকশোতে কথা বলে তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। তারা আবার সেই তত্ত্বাবধায়ক চাইছেন। আবার ওই ধরনের পরিস্থিতি এলে তাদেরওতো রক্ষা হবে না।’’
 
শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের ‘সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম’ সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং কার্যনির্বাহী সদস্য এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগ সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলম, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার-সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, শ্রমিক লীগ সভাপতি শুকুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, মহিলা লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেছা মোশারফ, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক পিনু খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, তাতী লীগের আহবায়ক এনাজুর রহমান চৌধুরী অংশ নেন।
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করছি। সরকারের কার্যক্রমের ফসল জনগণ পাচ্ছে। যেখানে অনিয়ম দেখা দিচ্ছে সেখানেই ব্যবস্থা নিচ্ছি। সরকার কাউকে ছেড়ে দিচ্ছে না।’’
 
সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা ছেড়ে আসার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪৩০০ মেগাওয়াটে রেখে এসেছিলাম। এবার সাত বছর পর ক্ষমতায় এসে দেখি তা কমে ৩২০০ মেগাওয়াট নেমে এসেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারতো ইর্মাজেন্সি দিয়ে দেশ চালিয়েছে। সুশীল সমাজের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিরা সরকারে ছিল। তারাওতো দুই বছরে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে পারেনি।’’
 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘বর্তমান সরকারের মেয়াদে ৫১৮৩টি নির্বাচন হয়েছে। একটি নির্বাচনেওতো কেউ কোনো অভিযোগ করতে পারেনি। গণতন্ত্রের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস আছে বলেই আমরা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করতে পেরেছি।’’
 
দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার যাতে নিশ্চিত হয়, মানুষ যাতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ পায় সেই লক্ষে কাজ করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী। 
 
এছাড়া দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চলমান আন্দোলনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেণ শিক্ষাঙ্গণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তিনি, তবে প্রয়োজনে কঠোর কিভাবে হতে হয়, তাও আমাদের জানা আছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের জীবন নিয়ে খেলার অধিকার কারো নেই।

মশিউর ও আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কেউ দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারেনি: শেখ হাসিনা :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

মশিউর ও আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে কেউ দুর্নীতির প্রমাণ দিতে পারেনি: শেখ হাসিনা :: 
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “পদ্মা সেতু নির্মাণে উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান ও সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে তার প্রমাণ কোথায়? শতবার চাওয়ার পরও তো কেউ তা দিতে পারল না। দুদকের তদন্তের স্বচ্ছতার কারণে সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন।” তবে সুনির্দিষ্ট কারো বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির প্রমাণ পেলে সে যতবড়ই শক্তিধর হোন তাকে ছাড়া হবে না বলেও বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন বলেও সূত্রটি জানায়।

শনিবার গণভবনে সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত এক বৈঠকে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী-এমপিদের কাছে সংগঠনের কোনো কাজে গেলে পাত্তা না দেয়ার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেছেন আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতারা।

বৈঠক সূত্র আরো জানায়, সংগঠনের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গুজব আছে একবার একটি দল ক্ষমতায় আসলে পরবর্তী নির্বাচনে আসতে পারে না। এবার সেই রেকর্ড ভাঙবে আওয়ামী লীগ। কারণ গত সাড়ে তিন বছরে আওয়ামী লীগ জনগণের উন্নয়নে যা করেছে, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছর আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর মিলিয়ে সাত বছরেও সেই উন্নয়ন হয়নি। হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সাহসের সঙ্গে পথ চলে সংগঠনকে শক্তিশালী করুন। যতই ষড়যন্ত্র বা অপপ্রচার চালিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হোক না কেন, জনগণ আমাদের সঙ্গেই আছে।”

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ফিরিস্থি জনগণের মধ্যে প্রচার করতে সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাদের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “যে যে সেক্টরে কাজ করেন, সেসব সেক্টরে বর্তমান সরকারের সাড়ে তিন বছরে যেসব উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়েছে তা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।”

সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে কোনো পরিস্থিতিতে ভয় না পাওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ন্যায় ও সত্যের পথে আছি। যেকোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। পাশাপাশি তিনি সংগঠনকে তৃনমূল পর্যন্ত শক্তিশালী করতে নেতাদের নির্দেশ দেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সরকারের আমলেই বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু হবে। এ নিয়ে হতাশার কিছু নেই।” নোবেল বিজয়ী ড. মোহাম্মদ ইউনূসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের পর তিনি তার নতুন দল গঠনে ৮০ নেতার নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই তালিকা থেকে মাত্র দু’জন ছাড়া অন্য কেউ তার দলে যোগ দেননি। এই রাগ থেকেই অনেক কিছু ঘটানো হচ্ছে। পদ্মা সেতু নির্মাণে জটিলতায় তার হাত থাকতে পারে।” তিনি হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের ক্ষমা প্রার্থনার ভূঁয়সী প্রশংসা করেন।

এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতির কাছে সহযোগী সংগঠনের নেতারা বলেন, এমপি মন্ত্রীর কাছে গিয়ে সংগঠনের ব্যাপারে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কাছে গেলেই তারা কিছু পান। সংগঠনকে সারাদেশে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে গেলে তৃণমূল নেতাকর্মীদের কিছু আব্দার রক্ষা করতে হয়। কিন্তু সেই কাজে মন্ত্রী-এমপিদের কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায় না। তারা শুধু নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত।

বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সভায় যেসব সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়নি, সেসব সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের জন্য তাদের প্রস্ত্ততি আছে জানিয়ে বলেন, নেত্রী (শেখ হাসিনা) সময় দিলেই সম্মেলন করতে পারেন তারা।

সূত্র জানায়, বৈঠকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউসার সংগঠন চালানোর জন্য মাসিক টাকা দাবি করেন শেখ হাসিনার কাছে। কিন্তু তাতে সায় না দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, “বঙ্গবন্ধুর জীবনী পড়ো। বঙ্গবন্ধু তো সংগঠন চালানোর জন্য কারো কাছ থেকে হাত পাতেননি।”

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তার বক্তব্যে সহযোগী সংগঠনে কিছু সমস্যা আছে স্বীকার করে সেগুলো অচিরেই কেটে যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে রুদ্ধদ্বার এই দীর্ঘ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ আবু কাউছার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আখতার এমপি, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল এমপি, শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর আলী, ছাত্রলীগের সভাপতি এ এইচ এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল হোসেন। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় খালেদার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় খালেদার :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে চলমান আন্দোলনকে বেগবান করতে করণীয় জানতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় বৈঠক করলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

শনিবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ৯টায় শুরু হয়ে বৈঠক সাড়ে পৌনে ১২টায় শেষ হয়।

খালেদা জিয়া বিএনপি সমর্থিত পেশাজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের যে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন, এটি তার প্রথমটি। পেশাজীবী ছাড়া তিনি ১২টি সাংগঠনিক জেলা কমিটির বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

রোববার রাতে তার গুলশান কার্যালয়ে গাজীপুর জেলা বিএনপি নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন দলের চেয়ারপারসন।

বৈঠকে যারা অংশ নিলেন
মতবিনিময়ের এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমেদ, অধ্যাপক মনিরুজ্জামান মিঞা, অধ্যাপক আনোয়াল্লাহ চৌধুরী, এস এম এ ফয়েজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান, অধ্যাপক এনামুল হক চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, অধ্যাপক সদরুল আমিন, আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক জিন্নাতুন নেসা তালুকদার তাহমিনা বেগম, অধ্যাপক শাহিদা রফিক, অধ্যাপক আবদুল আজিজ ও অধ্যাপক তাজমেরী এস ইসলাম।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামরুল ইসলাম হাসান, শরীফ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আ ন ম মুনির আহমেদ, অধ্যাপক হাসান আহমেদ, সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক কে এ এম শাহাদত হোসেন মন্ডল, সিলেট শাহজালাল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কামাল আহমেদ চৌধুরী, ও অধ্যাপক মোহাম্মদ ইকবাল।

এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম, অধ্যাপক ফাইসুল ইসলাম ফারুকী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মো.মইনুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. মোশারফ হোসেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান, এ এস এম শরফরাজ নেওয়াজ, মো. আলী নুর রহমান, তাহির আহমেদ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল আলম সিদ্দিকীসহ শতাধিক শিক্ষক মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘শিক্ষকরা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরা ধরেছেন। বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের ফলে দেশে যে চরম অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে সে বিষয়ে কথা বলেছেন। ’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সকল পেশার মানুষকে সঙ্গে আন্দোলন করতে বিএনপি চেয়ারপারসনকে পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষকরা।’’

এছাড়া সরকারের সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির কারণে আন্তর্জাতিকভাবে দেশের যে ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শিক্ষকরা।

তিনি আরো জানান, ‘‘মতবিনিময় সভায় উপস্থিত শিক্ষকরা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপির আন্দোলনে খালেদা জিয়ার পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন ।’’

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠানে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

টিকফা চুক্তির আলোচনা আটকে আছে যেভাবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

টিকফা চুক্তির আলোচনা আটকে আছে যেভাবে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সরকার আশা করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি বা টিকফা চুক্তিতে তারা সই করতে পারবে। পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস ঢাকায় সাংবাদিকদের বলেছেন, টিকফার বিষয়ে এখনও যেসব মতবিরোধ আছে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে সেগুলো কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এই চুক্তির খসড়ায় কয়েকটি বিষয়ে বাংলাদেশের আপত্তির কারণে বছর চারেক আগে শুরু হওয়া এই আলোচনায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। গত বুধবার ওয়াশিংটন সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মণির সাথে মার্কিন কর্মকর্তারা টিকফা আলোচনা পুনরায় শুরুর করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশের পর কায়েস এই মন্তব্য করেন।

বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বিষয়ক সহযোগিতা কাঠামো চুক্তি বা টিকফা স্বাক্ষর করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে বেশ আগ্রহ রয়েছে। গত প্রায় চার বছর ধরে দুই দেশের মধ্যে এনিয়ে আলোচনা চললেও মতপার্থক্যের কারণে এ নিয়ে কোনো চুক্তি স্বাক্ষর সম্ভব হয়নি। কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছিলেন টিকফা না হলে মার্কিন বাজারে বাংলাদেশর শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাওয়া সম্ভব হবে না।

এক পর্যায়ে এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনাও থমকে যায়। কয়েকদিন আগেই ওয়াশিংটন সফররত বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনিকে জানানো হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ আলোচনায় ফিরতে আগ্রহী।

তবে শনিবার বাংলাদশের পররাষ্ট্রসচিব মিজারুল কায়েস সাংবাদিকদের জানিয়েছেন মতপার্থক্য নিয়ে টিকফা স্বাক্ষর করা বাংলাদেশের পক্ষে সম্ভব নয়।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তির মাধ্যমে একটি কাঠামোর মধ্যে আনতে চায়।

কবির বলেন, বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পণ্য পাঠাচ্ছে এবং বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় । তিনি বলেন, বিনিয়োগরে ক্ষেত্রে মার্কিন বিনিয়োগকারীরা এক ধরনের নিরাপত্তা চায়।ত

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের সাথে নীতি পরিবর্তন হয়। এছাড়া বিভিন্ন কারণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকে। সাবেক এই রাষ্ট্রদূত বলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে টিকফা চুক্তি থাকলে এসব জটিলতা থাকবে না।

তবে দুর্নীতির সংজ্ঞা কি হবে এবং শ্রম অধিকারের কিছু বিষয়ে একমত হতে না পারায় টিকফা আলোচনা থেমে যায়। তবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিব কায়েস জানিয়েছেন দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে বাংলাদেশ চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে চায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় তিরিশটি দেশের সঙ্গে ধরণের চুক্তি রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকা, নেপাল, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের সাথে টিফা নামে এই চুক্তি রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরে অনেকেই এই ধরনের চুক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশে শ্রম অধিকারের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি উচ্চ মানদন্ড দেখতে চায় যেটি টিকফা চুক্তিতে রয়েছে। তবে এর কিছু কিছু বিষয় রয়েছে যেটি বাংলাদেশের জন্য মেনে চলা বেশ কঠিন।

কবির বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে বাংলাদেশ সরকারকে শিল্পমহলের সাথে আলোচনা করতে হবে এবং তাদের মতামতকেও গুরুত্ব দিতে হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রম অধিকারের বিষয়টি তৈরি পোশাকসহ অন্যান্য খাতের শিল্প মালিকরা কিভাবে দেখবেন সে বিষয়টিও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

কবির বলেন, টিকফা স্বাক্ষর করলে এর আওতায় যেসব বিষয় থাকবে সেগুলো মেনে চলার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে জোরালো তাগিদ থাকতে পারে। সেজন্যই বাংলাদেশ বিষয়টি বেশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। সূত্র: বিবিসি।

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়: আকবর আলি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়: আকবর আলি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনে
  তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান বলেছেন, ‘‘সংবিধান অনুযায়ী শতভাগ ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে। অন্য সবার হাতে আছে শূন্য শতাংশ ক্ষমতা। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বা প্রধানমন্ত্রী কে হবেন সেটিই বিবেচ্য বিষয়। তাই প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।”

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। ‘দেশের রাজনৈতিক অচলাবস্থা: উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড পিস স্টাডিজ (সিএসপিএস)। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহ আবদুল হান্নান।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারি দলের আরো চারজন এবং বিরোধী দলের থেকে পাঁচজন নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হতে পারে। তবে সরকারি দলের কারা কারা এতে থাকবে তা ঠিক করবে বিরোধী দল। অনুরূপভাবে বিরোধী দলের কোন পাঁচজন তা ঠিক করবে সরকারি দল।’’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিকল্প আরো একটি প্রস্তাব দিয়ে আকবর আলি খান বলেন, ‘‘আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সর্বশেষ পাঁচ প্রধান বিচারপতিদের মধ্যে থেকে যারা উপদেষ্টা হতে রাজি হবেন তারা নির্ধারণ করবেন কে প্রধান উপদেষ্টা হবেন। এটি করতে সংবিধান সংশোধন করতে হবে।’’

‘‘নির্বাচনকালে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় দেয়া হলেও ইসির নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা অন্য মন্ত্রণালয়গুলো সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। সুতরাং নির্বাচন কমিশন গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে সক্ষম হবে না।’’ যোগ করেন সাবেক এই উপদেষ্টা।

আকবর আলি বলেন, ‘‘১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস করা এবং বর্তমানে এটি তুলে দেয়ার সময়ও সংসদে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হয়নি। এই ব্যবস্থার স্থায়ী কোনো সমাধান হতে পারে না। এই ব্যবস্থায় কত দিন চলবে তা সেময় নির্ধারণ না করা ছিল সব চেয়ে বড় ভুল।”

তিনি বলেন, ‘‘সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী যদি বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন আগে নির্বাচন দেয়া হয় ও ক্ষমতাসীনরা যদি ১০ শতাংশ আসন পায় এবং জালিয়াতির অভিযোগে ওই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করা হয়, তখন কি হবে? বিদ্যমান সংবিধানে এ সুযোগটি রয়ে গেছে। এটি সংশোধন করতে হবে।’’

এ ছাড়া বর্তমান সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন দিলে সংসদ সদস্যরা অন্যদের চেয়ে কিছু বেশি সুযোগ সুবিধা পাবে যা নির্বাচনে সমান সুযোগ তৈরির পথে বিঘ্ন সৃষ্টি করবে বলেও মন্তব্য করেন সাবেক এই আমলা।

কেউই আর গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে পারবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “দেশে সংঘাত ছিল, আছে ও থাকবে। তবে গত ৪০ বছরে কোনো অন্যায় অবিচার টেকেনি। আগামী ৪০ বছরেও পারবে না। বর্তমানে যে সাংবিধানিক জটিলতা দেখা দিয়েছে এর রাজনৈতিক সমাধান করতে হলে আগে লক্ষ ঠিক করতে হবে।’’

রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান রাজনৈতিক উপায় করতে হবে। অরাজনৈতিক উপায়ে এটি সমাধান করবার চিন্তা করা ঠিক হবে না। অরাজনৈতিক কোনো কিছুই বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোথাও টেকসই হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান। বিদ্যমান সংকট নিরসনে নির্দলীয় সরকারের ছয়টি বিকল্প প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

প্রস্তাবগুলো হলো: এক. বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবার তিন মাস আগে মহাজোট সরকার পদত্যাগ করবে ও একটি নির্দলীয় সরকার শুধু তিন মাসের জন্য দায়িত্ব নেবে।

দুই. একটি ‘এলডার্স কাউন্সিল’ নির্দলীয় সরকারের দায়িত্ব নিবে, যারা শুধু নির্বাচন পরিচালনা করবে।

তিন. একজন সাবেক প্রধান বিচারপতির (অথবা একজন নিরপেক্ষ ব্যক্তির) নেতৃত্বে সাংবিধানিক পদে অধিকারিদের নিয়ে একটি সরকার।

চার. স্পিকারের নেতৃত্বে দু’টি বড় দলের পাঁচজন করে নিয়ে একটি সরকার। তবে তারা কেউই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

পাঁচ. যৌথ নেতৃত্বে (একজন বিএনপি ও একজন আওয়ামী লীগের মনোনীত) একটি নির্দলীয় সরকার, যাদের কেউই আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। এবং সর্বশেষ হচ্ছে, রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে একটি সরকার।

জ্বালানি ভর্তুকি কমাতে লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জ্বালানি ভর্তুকি কমাতে লোডশেডিং বাড়ানো হচ্ছে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড- পিডিবি সূত্রে জানা গেছে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে জ্বালানি তেল খরচের বিশাল অংকের ভর্তুকি আপাতত কিছুটা হলেও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে পয়লা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া ও দ্রুত ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনা বন্ধ করেছে পিডিবি। ফলে বাধ্য হয়ে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের মালিকানার এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন বন্ধ করেছে।

জ্বালানি তেল চালিত এসব কেন্দ্র বন্ধ হওয়ার সুফলও পেতে শুরু করেছে নাজুক অর্থনৈতিক অবস্থায় থাকা সরকার। পিডিবি সূত্র বলছে, এর ফলে গত আগস্ট মাসের চেয়ে এই মাসে দেশে জ্বালানি তেল আমদানি শতকরা ২২ ভাগ কমবে। গত মাসে দুই লাখ পঁচিশ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছিল, সেপ্টেম্বরে তা কমে গিয়ে দাঁড়াবে এক লাখ পচাত্তর হাজার টনের কাছাকাছি।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজনীয় উচ্চমানের জ্বালানি তেলের দাম যখন আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে,  তখন আমদানির এই কমতিতে সরকারের বিরাট অংকের অর্থ সাশ্রয় হবে। আমদানিকৃত তেলের দামে অনেক ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করে সরকার। ফলে ভর্তুকির খরচও কমবে।

ভাড়া বিদ্যুতে ভর্তুকিজনিত লোকসান কমানোর পথে সরকারে স্বস্তি মিললেও এর বিরুপ প্রভাব ইতিমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে শিল্পখাতে, ব্যবসা-বাণিজ্যে এবং গৃহস্থালীতে। ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উৎপাদন বন্ধ রাখায় লোডশেডিং বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে সরকার।

গত রমজান মাসের পুরোটা সময় যথাসম্ভব লোডশেডিং না করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য পিডিবি’কে ৫০০ কোটি টাকার একটি তহবিল দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়। যাতে উচ্চমূল্যের আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি তেল কিনে তা ভর্তুকি দিয়ে ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর কাছে বিক্রি করা এবং তাদের কাছ থেকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনে লোকসান দিয়ে গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর খরচ সামলানো যায়।

এ তহবিলের ফলে জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে আগস্টের শেষ পর্যন্ত মোটামুটি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছিল দেশে। আগস্টের ৪ তারিখে উৎপাদন সর্বোচ্চ ছয় হাজার তিনশত পঞ্চাশ মেগাওয়াটে পৌঁছেছিল।

কিন্তু পহেলা সেপ্টেম্বর থেকে বেশ কিছু ভাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে পিডিবিকে। বর্তমানে উৎপাদন পাঁচ হাজার দুইশত মেগাওয়াটের কম-বেশি হচ্ছে দৈনিক, এতে করে কমবেশি একহাজার মেগাওয়াট মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

এ সিদ্ধান্তের প্রভাব অবশ্য গ্যাস জ্বালানি চালিত রাষ্ট্রায়ত্ব ১১ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পড়ছে না। পিডিবি জানিয়েছে, গ্যাস জ্বালানিতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ২ থেকে ৩ টাকা খরচ হয়। অন্যদিকে দেশে বর্তমানে ৩৪টি জ্বালানি তেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে যেগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ১৬ থেকে ২০ টাকা খরচ হয়।

নামে বেনামে ৮০ প্রতিষ্ঠান হলমার্কের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নামে বেনামে ৮০ প্রতিষ্ঠান হলমার্কের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতিতে জড়িত হলমার্ক গ্রুপের রয়েছে নামে বেনামে ৮০টি প্রতিষ্ঠান। হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর আহমেদ বলেন,  ৭০ থেকে ৮০টি  প্রতিষ্ঠান রয়েছে হলমার্ক গ্রুপের। সোনালী ব্যাংকের রুপসী শাখা থেকে ৫৭টি প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণের বিপরীতে লেনদেন করা হয়েছে। তবে এসব লেনদেনে কোনো অনিয়ম হয়নি বলে দাবি তার।
দুদকের কাছে সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা দিয়েছে গ্রুপটি সেগুলো হলো হলমার্ক ফ্যাশন লিমিটেড, ববি ফ্যাশন লিমিটেড, ওয়ালমার্ট ফ্যাশন লিমিটেড, হলমার্ক ডিজাইন ফ্যাশান লিমিটেড, ওয়ারাস  ফ্যাশন লিমিটেড, হলমার্ক স্টাইল লিমিটেড, ববিডেনির কম্পিউটার লিমিটেড, হলমার্ক নিটিং লিমিটেড, ডাইয়িং লিমিটেড, ইসলাম ফ্যাশান লিমিটেড, মাহমুদ অ্যাপারাস লিমিটেড, ফারহান ফ্যাশান লিমিটেড, ফেলি ডেলিকেট লিমিটেড, মোবেলাম ফ্যাশান লিমিটেড, ডন অ্যাপারেন্স লিমিটেড,ওয়ালমার্ট অ্যাপারেন্স লিমিটেড, এ.এন ডিজাইন লিমিটেড, হলমার্ক ডেনিন ফ্যাশান লিমিটেড, হলমার্ক ডেনিন কম্পোজিট লিমিটেড, হলমার্ক প্যাকেজ লিমিটেড, হলমার্ক নীট কম্পোজিট লিমিটেড, হলমার্ক স্পিনিং মিল, স্টার স্পিনিং মিল, ববি ফ্র্যাস্ক প্রিন্টিং লিমিটেড, স্পিনিং মিলস, সোহেল স্পিনিং মিলস, বিটিএল মিল, মাহিন টেক্সটাইল, পিনাকল টেক্সটাইল, প্রিন প্রিন্টার্স, সোহেল স্পিনিং, ইসলাম ফ্যাশান লিমিটেড ও হলমার্ক ফ্যাশান লিমিটেড ।
এসব প্রতিষ্ঠান ডায়িং, প্যাকেজিং, আবাসন, ট্রাভেল এজেন্সিসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত।
কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিবন্ধনের কাগজপত্র ও কার্যালয় থাকলে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো কার্যক্রম নেই। এসব প্রতিষ্ঠানকে উৎপাদনমুখী ও রফতানিকারক দেখিয়ে ব্যাংকের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকা।
প্রতিষ্ঠানগুলোর নামে একাধিকবার ঋণ নেয়ার প্রমাণও পেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এদিকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদেও প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের কাছ থেকে অস্তিত্বহীনতার বিষয়টি পরিস্কার হয়।
গ্রুপটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদের দাবি করছেন যে সোনালী ব্যাংক থেকে যে পরিমাণ ঋণ তিনি নিয়েছেন, তার চেয়ে ২০ গুণ সম্পত্তি রয়েছে গ্রুপের। অথচ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রে জানা যায়, হলমার্ক সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক করের পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা মাত্র।

Saturday, September 8, 2012

সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

দ্বিতীয় প্রজন্মের (টু জি) লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় দেশের প্রথম মুঠোফোন অপারেটর সিটিসেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, বেঁধে দেয়া সময়ে কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় এই শো-কজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, টাকা জমা দেয়ার শেষ দিনে সিটিসেল বিটিআরসিতে একটি চিঠি পাঠিয়ে টাকা সংস্থান করতে না পারায় নির্দিষ্ট সময়ে টাকা জমা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না বলে একটি কৈফিয়তপত্র পাঠিয়ে সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে।
তবে এমন পরিস্থিতিতে টাকা পরিশোধের সময় বাড়ানোর আইনগত কোনো সুযোগ না থাকায় বিটিআরসি তাদের সময় বাড়ানোর আবেদন মঞ্জুরে অপারগ হয়ে নিয়ম অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল অব. জিয়া আহমেদ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ে টাকা না দেয়ায় সিটিসেলকে এক মাসের মধ্যে জবাব চেয়ে শোকজ করা হয়েছে। তাদের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।

এদিকে বকেয়া থাকা অপর তিন অপারেটর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক ও রবি’র কাছ থেকে প্রাপ্ত লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তির দুই হাজার ৩৭২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বৃহস্পতিবার ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট ১৫ শতাংশ ভ্যাটের টাকাসহ এই অর্থ পরিশোধ করে প্রতিষ্ঠান তিনটি।

প্রসঙ্গত, টু-জি লাইসেন্স নবায়নের দ্বিতীয় কিস্তি বাবদ সিটিসেলকে ১৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য নোটিশ দিয়েছিলে বিটিআরসি। লাইসেন্স নবায়ন শর্ত অনুযায়ী নির্ধারিত এই ফি’র সঙ্গে ১৫ শতাংশ ভ্যাট যোগ করে আরো সাড়ে ১৯ কোটি টাকা পরিশোধ করেত হবে সিটিসেলকে।

অবৈধ আন্তর্জাতিক কল অনুসন্ধানে বিটিআরসি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

অবৈধ আন্তর্জাতিক কল অনুসন্ধানে বিটিআরসি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আন্তর্জাতিক কল আসার মাধ্যম হিসেবে কাজ করা গেটওয়েগুলোর (আইজিডব্লিউ) মূল কারণ।

আইজিডব্লিউ কলের নিয়ন্ত্রকগুলো খতিয়ে দেখতে এবং রাষ্ট্রীয় ল্যান্ডফোন অপারেটর বিটিসিএলের মোট কলের হিসাব খতিয়ে দেখতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আগামী সপ্তাহ থেকে ওই অনুসন্ধান চালাবে বাংলাদেশ টেলিকমিউনেশন নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

ভয়েস ওভার ইন্টারন্টে প্রটোকল (ভিওআইপি) বৈধ পথে কল আসার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এক বছর আগে যেখানে বৈধ পথে আসা ইনকামিং কলের পরিমাণ ৫২ মিলিয়ন মিনিট ছিল এখন  তা নেমে এসেছে ২৫/২৬ মিলিয়ন মিনিটে। ফলে বিপুল পরিমাণ অংকের রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল  অব. জিয়া আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “সব গেটওয়ে অপারেটর ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা টিম গঠন করা হয়েছে। আর বিটিআরসি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে অনুসন্ধান করা হবে। এখন থেকে ভিওআইপির নব সুইচ রুমও পরিদর্শন করা হবে।”

একটা নির্দিষ্ট চক্র অনেক দিন ধরেই ওই ব্যবসা করে আসছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল আর টেলিটক এখন ভিওআইপির ব্যবসার নেতৃত্ব দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

বন্ধু সালমানকে স্মরণ করলেন প্রিতি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বন্ধু সালমানকে স্মরণ করলেন প্রিতি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সালমান খানকে তার জীবনের জন্য বন্ধু বলে আখ্যায়িত করেছেন বলিউডের মিষ্টি মেয়ে বলে পরিচিত প্রিতি জিনতা। সম্প্রতি দেয়া এক ইন্টারভিউতে প্রিতি এমনই উচ্ছসিত ভাবে প্রসংশা করছিলেন টাইগার সাল্লুর।

ইন্টারভিউতে অনেকটা গদগদ হয়েই প্রিতি বলেন, “একটা মানুষ যখন শুধু ভালো কিছু করবে তখন তার গুণকীর্তন করতে হবে তা ঠিক নয়। আমি আমার জীবনের সব পর্যায়ে সালমানকে দেখেছি। এমনকি যখন আমি আইপিএল নিয়ে মামলায় ছিলাম কিংবা অর্থনৈতিক চাপের সময়। একমাত্র তখন সালমানকেই আমি আমার পাশে পেয়েছি। এটি আমার কাছে অনেক কিছু।”

সাক্ষাতকারে প্রিতি সালমানের নতুন ব্লকবাস্টার ‘এক থা টাইগারেরও প্রশংসা করতে ভুলেননি। আর সালমানের উদারতার কথা বলতে গিয়ে যেন আরেকবার নুয়ে পড়েছিলেন এই চকলেটি এ্যাকট্রেস। তিনি বলেন, “সালমানই একমাত্র লোক যে কিনা আমার পাশে এমন করে ছিলো এবং তার সাধ্য অনুযায়ি আমাকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করেছে।”

শুধু বন্ধু সালমানকে স্মরণ করেই দায় সারেননি প্রিতি। সেই সঙ্গে মনে করেছেন তাদের দুজনের করা অন্যতম সেরা ছবিগুলোর কথাও। কেনো সালমান-প্রিতি জুটি হিসেবে সফল এমন প্রশ্নের জবাবে প্রিতি জানান, কারণ তারা একে অপরের সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।

উল্লেখ্য, সালমান-প্রিতি জুটির অন্যতম ছবিগুলো হলো “হার দিল জো পেয়ার কারেগা, চোরি চোরি চুপকে চুপকে, দিলনে জিসে আপনা কাঁহা, হিরোস এবং জায়ে মন।

বলিউড আবার ফিরবে কাশ্মিরে, আশায় শাহরুখ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বলিউড আবার ফিরবে কাশ্মিরে, আশায় শাহরুখ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
আবার আসিব ফিরে, ফিরবে বলিউডও। জীবনে প্রথম বার কাশ্মিরে এসেছিলেন। কাশ্মির ছেড়ে যাওয়ার আগে ফিরে আসার অঙ্গীকারই করে গেলেন শাহরুখ খান। আশা রাখলেন, তার নতুন ছবি দেখে পর্যটকরা নতুন করে উৎসাহিত হবেন কাশ্মিরে আসার জন্য। আসতে পারে বলিউডের অন্যান্য ইউনিটও।

শাহরুখের জাদু কি তবে কাশ্মিরকে আরো জনপ্রিয় করবে? ঠিক তেমনটা দাবি করলেন না অবশ্য। কিছুটা বিনয়ের সুরেই বললেন, “আমি খুব বড়সড় কেউ নই। তবে বড় ব্যানারের নামীদামি শিল্পীদের ছবি দেখে মানুষ নিশ্চয়ই এখানে আসবেন।”

টানা ন’দিন ধরে কাশ্মির উপত্যকায় শ্যুটিং করেছেন শাহরুখ। আর যাওয়ার শ্রীনগরে সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেলেন, “আমাদের লন্ডন বা সুইৎজারল্যান্ডে শ্যুটিং করতে দেখে, সেই সব জায়গায় মানুষ ঘুরতে যান। আমার আশা, এই ছবিতে কাশ্মিরকে দেখে মানুষ আবার এখানে ভিড় করে বেড়াতে আসবেন।” সেই সঙ্গে তার আশা, বলিউডও পছন্দের শ্যুটিং স্পটটাকে আবার খুঁজে পাবে ভূস্বর্গে। বলিউডের অন্য তারকারাও আসবেন কাশ্মিরে শ্যুটিং করতে।

যশ চোপড়া নিজেই প্রায় তিন দশক পরে কাশ্মিরে এলেন। ‘কভি কভি’ আর ‘সিলসিলা’র পরে যশরাজের কোনো ছবিরই শ্যুটিং হয়নি উপত্যকায়। নতুন ছবিটির নাম এখনো ঠিক হয়নি। তবে যশরাজের পক্ষ থেকে ছবিটিকে ‘প্রেমের গল্পের শেষ কথা’ বলে প্রচার করা হচ্ছে। ছবিতে শাহরুখের সঙ্গে আছেন অনুষ্কা শর্মা আর ক্যাটরিনা কাইফ।

গতকাল বিকেলে অনুষ্কার সঙ্গে হেলিকপ্টারে শ্রীনগর পৌঁছন তিনি। তাদের ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনা ছিল তীব্র। তাদের অতি উৎসাহের ঠেলায় আজ সাংবাদিক বৈঠকও বারবার বিঘ্নিত হয়েছে।

শুরুতেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা। শাহরুখকে ঘিরে ভক্ত আর সাংবাদিকদের হুড়োহুড়ি। চিৎকার চেঁচামেচির ঠেলায় প্রথমে বেশ কিছু ক্ষণ শাহরুখতে এক কথা দু’বার করে বলতে হচ্ছিল। শেষমেশ শত্রুঘ্ন সিংহের কায়দায় শাহরুখকেও গলা তুলতে হলো। ‘খামোশ’! তার পর নিজেই চেয়ার ছেড়ে উঠে ভিড় সামলাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন শাহরুখ। কাউকে কাউকে তো বসার জায়গাও দেখিয়ে দিতে দেখা গেল তাকে। যদিও সে সব নিয়ে বলিউডের এই জনপ্রিয় তারকার নিজের খুব একটা মাথাব্যথা ছিল না। সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নের উত্তর দিলেন। জানালেন, পরের বার চেষ্টা করবেন পরিবারকে নিয়ে আসার। “মনের অনেক সংশয় দূর করতে এই সফরটা আমাকে ভীষণ ভাবে সাহায্য করবে। এখানকার সৌন্দর্য আমাকে মুগ্ধ করেছে। আবেগে আমি পরিপূর্ণ।”

আসলে কাশ্মিরের সঙ্গে একটা পারিবারিক যোগাযোগও রয়েছে শাহরুখের। তার ঠাকুমা ছিলেন এই উপত্যকার বাসিন্দা। সাংবাদিক বৈঠকে শাহরুখ বলেন, “কাম্মিরে আসাটা আমার কাছে একটা স্বপ্নের মতো। আমার ঠাকুমা এখানকার লোক ছিলেন। আর আমার বাবা সব সময় আমাকে এখানে আনতে চাইতেন। উনি যখন মারা যান, আমার বয়স মাত্র ১৫।”

বাবাকে ছাড়া এখানে এসে মনটা ভারী হয়ে গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সব কিছু ছাপিয়ে ভূস্বর্গের নিসর্গেই মুগ্ধ শাহরুখ। ফেসবুক আর টুইটারের মতো সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে গত কয়েক দিন ধরে বারবার সে কথা পোস্ট করেছেন তিনি। পহেলগাম থেকে গুলমার্গ। কখনো পাহাড়ের নিস্তব্ধতা, কখনো বা কাশ্মীরি খাবার। আবার কখনো বা উপত্যকার মানুষের ভালোবাসা। সব কিছুই ছুঁয়ে গিয়েছে তাঁকে। ছুঁয়ে গিয়েছে কাশ্মিরের ভালবাসা। এ দিন বললেন, “এখানকার মানুষ খুব সদয়, ধৈর্যশীল আর অসম্ভব ভালো।” প্রিয়জনের জন্মভিটে ছাড়ার আগে আবেগে ঘন শাহরুখের গলা। সূত্র: আনন্দবাজার