ইন্টারনেট ব্যবহারে অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান একেবারে শেষের দিকে ।
সু্ইজারল্যান্ড ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ফাউন্ডেশন ৬০টিরও বেশি দেশের
মানুষের মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, এবং সমাজ ও রাজনীতিতে এর প্রভাব
সম্পর্কে চালানো এক জরিপের পরে এ কথা বলেছে ।
বাংলাদেশের বর্তমানে সরকারের অন্যতম বড় একটি প্রতিশ্রুতি ছিল দেশকে
তথ্যপ্রযুক্তি সেবার আধুনিকায়নের মাধ্যমে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশে’ রূপান্তর
করা।
কিন্তু ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব’র উদ্ভাবক স্যার টিম বার্নারের ফাউন্ডেশনের
ওয়েব ইন্ডেক্সে ৬১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৫তম, অর্থাৎ
এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশ ইন্টারনেট ব্যবহারের দিক থেকে সবচেয়ে
পিছিয়ে থাকা দেশ। আর বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারত ৩৩তম,
পাকিস্তান ৪৪তম এবং নেপাল ৫২ তম অবস্থানে রয়েছে।
ওয়েবসাইটে বলা হচ্ছে, ওয়েব ইনডেক্স হচ্ছে প্রথম বহুমাত্রিক একটি মাপকাঠি
যা দিয়ে বিশ্বের ৬১টি উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে সমন্বিত বিভিন্ন সূচকের
মাধ্যমে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাব যাচাই করা হয়। একইসঙ্গে
ইন্টারনেটের সংযোগ ও পরিকাঠামোও দেখা হয়েছে।
তবে এই সূচককে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের ইন্টারনেট সংশ্লিষ্টরা?
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাসিম মাহমুদ - যিনি সোশ্যাল
কম্পিউটিং বিষয়ে গবেষণা করেছেন - তিনি মনে করছেন এটি একটি সতর্কসংকেত।
নাসিম মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশকে সামনে এগুতে হলে কার্যকরভাবে ইন্টারনেট
ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। মূলত প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সর্বস্তরে
ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েই এই সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে
এবং বাংলাদেশ তাতে মাত্র সূচনা পর্যায়ে আছে। বাংলাদেশের পিছিয়ে থাকার
কারণগুলো মূলত বেশি দামে কম সুবিধা পাওয়া, অদক্ষ লোকদের মাধ্যমে ইন্টারনেট
সুবিধা প্রদান, ব্যবসায়িদের এলাকাভিত্তিক মনোপলি বাজার, এবং সরকারের
রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব।”
সূচকে যে বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে একটি দেশের মানুষ ও
পুরো জাতির মধ্যে ইন্টারনেটের ব্যবহার, উপযোগিতা এবং প্রভাব কতটা।
তালিকার শীর্ষে থাকা প্রথম তিনটি দেশ হচ্ছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য। সবচেয়ে নিচে আছে ইয়েমেন।
বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের অভিযোগ: ব্যবসায়ীদের এলাকাভিত্তিক
মনোপলি বাজারের কারণে তারা যথেষ্ট ভালো সুবিধা না পেলেও এলাকার একমাত্র
সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে লাইন নিতে বাধ্য হন।
তবে বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিবির সভাপতি আখতারুজজ্জামান মঞ্জু বিবিসিকে বলেন উল্টো কথা।
তার বক্তব্য হলো - “ব্যবহারকারীরা যে পরিমাণ টাকায় চব্বিশ ঘন্টা ইন্টারনেট
সংযোগ পেতে চান তাতে এর চেয়ে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া তাদের পক্ষে
সম্ভব নয়।”
বিশ্ষেজ্ঞদের মতে, ইন্টারনেটের গতিকে আরো দ্রততর করতে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সরকারের নজরদারি অরো বাড়ানো দরকার।
বিষয়টির সাথে একমত পোষণ করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি
ইমাম। তিনি সরকারের তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব
পালন করে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা দাবি করেন, বিভিন্ন পর্যায়ে ভর্তি কার্যক্রম থেকে
ফলাফল প্রকাশে এখন ইন্টারনেটকে বেছে নেয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে পুরো
প্রক্রিয়ার সাথে তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে এবং ভবিষতে এ সংখ্যা আরো
বাড়বে। সেইসাথে বিভিন্ন দফতরে এই সুবিধা পৌঁছাতে অবকাঠামো সুবিধা বাড়ানোর
দিকেও মনোযোগ দেয়ার কথা বলছে সরকার। সূত্র: বিবিসি।
Tuesday, September 11, 2012
সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
সিনেমার চেয়ে ফুটবলেই রনবীরের ভালোবাসাটা বেশি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অভিনয় নয়। ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার অন্যতম আধুনিক আইকনের কাছে
অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুটবল। মাঠে বসে কোনো ফুটবল ম্যাচ দেখা, তার কাছে এখন
অভিনয়েরও আগে! রনবীর কাপূরের অকপট স্বীকারোক্তি, “আসলে ফুটবলের প্রতি আমার
ভালোবাসাটা সিনেমার চেয়েও বেশি।”
নিজের পরবর্তী ফিল্ম ‘বরফি’-র প্রচারে কলকাতা এসেছেন রনবীর। যিনি কিনা বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, নভেম্বর থেকে অন্যান্য অভিনেতার সঙ্গে তাকেও সেলিব্রিটি ফুটবল লিগে খেলতে দেখা যাবে।
আর রনবীর সহ বাকি অভিনেতাদের কোচিং কে করাচ্ছেন?
কেউ নন, ভাইচুং ভুটিয়া।
“মানুষ হিসেবে ভাইচুং খুব ভালো। ও-ই আমাদের কোচিং করাচ্ছে। প্রত্যেক রোববার আমরা প্র্যাক্টিস করি। আর ও এত ভালো যে, সব সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যায়। এমনকি যখন আমার কোনো সিনেমা বেরোয়, ও সেগুলো মন দিয়ে দেখে আমাকে নিজের মতামত জানায়। ওর কাছে কোচিং পাওয়াটা দুর্দান্ত একটা ব্যাপার,” বলেছেন রাজ কাপূরের নাতি।
সিকিমের ভূমিকম্পে আক্রান্তদের জন্য টাকা তুলতে যে ম্যাচের আয়োজন করেছিলেন ভাইচুং, তাতে অংশ না নিতে পেরে রণবীরের বেশ দুঃখই হচ্ছে। “শ্যুটিংয়ের জন্য এত ব্যস্ত ছিলাম যে, ওখানে আর অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমি ভাইচুংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় ফুটবলের জন্য কিছু করতে চাই। তা ছাড়া সিকিমে ও যে টিমটা তৈরি করছে সেটা নিয়ে আমার সাহায্য চেয়েছে। ওটা নিয়েও কাজ চলছে,” রণবীরের খোলামেলা মন্তব্য।
এখানেই শেষ নয়, বার্সেলোনা ফুটবল টিমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলিউড তারকার। এ দেশের বার্সেলোনা সমর্থকদের জন্য মেসির ক্লাব কী কী করতে চায়, তা-ও শোনা গেল রণবীরের মুখে। “ভারতে কিছু ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু করছে বার্সেলোনা। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মারফত বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারকে এই ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। মনে হয় আমাদের জীবদ্দশায় ভারত থেকেও মেসি বা রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারকে উঠে আসতে দেখব।”
আর লিওনেল মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল?
আবেগঘন গলায় রনবীর বললেন, “জানেন, বার্সেলোনার ন্যু কাম্পে মেসির সঙ্গে দেখা করে, ওর অটোগ্রাফ নিয়ে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম। আমার অটোগ্রাফ নেয়ার সময় তা হলে আমার ভক্তদেরও এই অনুভূতিটাই হয়!” সূত্র: ওয়েবসাইট।
নিজের পরবর্তী ফিল্ম ‘বরফি’-র প্রচারে কলকাতা এসেছেন রনবীর। যিনি কিনা বার্সেলোনা ফুটবল ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। শুধু তাই নয়, নভেম্বর থেকে অন্যান্য অভিনেতার সঙ্গে তাকেও সেলিব্রিটি ফুটবল লিগে খেলতে দেখা যাবে।
আর রনবীর সহ বাকি অভিনেতাদের কোচিং কে করাচ্ছেন?
কেউ নন, ভাইচুং ভুটিয়া।
“মানুষ হিসেবে ভাইচুং খুব ভালো। ও-ই আমাদের কোচিং করাচ্ছে। প্রত্যেক রোববার আমরা প্র্যাক্টিস করি। আর ও এত ভালো যে, সব সময় আমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যায়। এমনকি যখন আমার কোনো সিনেমা বেরোয়, ও সেগুলো মন দিয়ে দেখে আমাকে নিজের মতামত জানায়। ওর কাছে কোচিং পাওয়াটা দুর্দান্ত একটা ব্যাপার,” বলেছেন রাজ কাপূরের নাতি।
সিকিমের ভূমিকম্পে আক্রান্তদের জন্য টাকা তুলতে যে ম্যাচের আয়োজন করেছিলেন ভাইচুং, তাতে অংশ না নিতে পেরে রণবীরের বেশ দুঃখই হচ্ছে। “শ্যুটিংয়ের জন্য এত ব্যস্ত ছিলাম যে, ওখানে আর অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমি ভাইচুংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভারতীয় ফুটবলের জন্য কিছু করতে চাই। তা ছাড়া সিকিমে ও যে টিমটা তৈরি করছে সেটা নিয়ে আমার সাহায্য চেয়েছে। ওটা নিয়েও কাজ চলছে,” রণবীরের খোলামেলা মন্তব্য।
এখানেই শেষ নয়, বার্সেলোনা ফুটবল টিমের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ আছে বলিউড তারকার। এ দেশের বার্সেলোনা সমর্থকদের জন্য মেসির ক্লাব কী কী করতে চায়, তা-ও শোনা গেল রণবীরের মুখে। “ভারতে কিছু ট্রেনিং ক্যাম্প শুরু করছে বার্সেলোনা। এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের মারফত বেশ কিছু প্রতিভাবান ফুটবলারকে এই ক্যাম্পে পাঠানো হচ্ছে। মনে হয় আমাদের জীবদ্দশায় ভারত থেকেও মেসি বা রোনাল্ডোর মতো ফুটবলারকে উঠে আসতে দেখব।”
আর লিওনেল মেসির সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল?
আবেগঘন গলায় রনবীর বললেন, “জানেন, বার্সেলোনার ন্যু কাম্পে মেসির সঙ্গে দেখা করে, ওর অটোগ্রাফ নিয়ে একটা জিনিস বুঝতে পেরেছিলাম। আমার অটোগ্রাফ নেয়ার সময় তা হলে আমার ভক্তদেরও এই অনুভূতিটাই হয়!” সূত্র: ওয়েবসাইট।
বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
বচ্চনের কেবিসি’তে সৌরভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অমিতাভ বচ্চন ও সিদ্ধার্থ বসুর আমন্ত্রণে শুক্রবার চলতি কেবিসি’র সেটে
বসবেন কলকাতার মহারাজ সৌরভ গাঙ্গুলী। এই প্রথম কেবিসি’র কোনো শোতে আসছেন
সৌরভ।
তবে মজার বিষয় হলো সৌরভের জন্য কিন্তু হট সিট নির্ধারিত হয়নি। গত বছর থেকে চালু হওয়া কেবিসি’র নতুন ফর্মেট অনুযায়ী এক জন স্টার থাকেন প্রতিযোগীদের সাহায্য করার জন্য ছয় রাউন্ড খেলা হওয়ার পর প্রতিযোগীরা এই ‘স্টার হেল্পলাইন’ নিতে পারেন। আর সৌরভ আসছেন সেই সব স্টারদের একজন হয়েই।
গত বছর আমন্ত্রিত তারকা হিসেবে এভাবে প্রতিযোগীদের সাহায্য করেছেন আমির খান ও অক্ষয় কুমার। আর এবার শুরুতেই সৌরভকে ডাকা হলো।
মুম্বইয়ে শো-য়ের প্রযোজক ও পরিচালক সিদ্ধার্থ বসু জানান, আরো আগেই আমরা সৌরভের ডেট চেয়েছিলাম। কোনো একটা খেলা পড়ে যাওয়ায় সময় বের করতে পারেননি। এবার আসতে পারছেন, আমরা তাই খুব খুশি। সূত্র: ওয়েবসাইট।
তবে মজার বিষয় হলো সৌরভের জন্য কিন্তু হট সিট নির্ধারিত হয়নি। গত বছর থেকে চালু হওয়া কেবিসি’র নতুন ফর্মেট অনুযায়ী এক জন স্টার থাকেন প্রতিযোগীদের সাহায্য করার জন্য ছয় রাউন্ড খেলা হওয়ার পর প্রতিযোগীরা এই ‘স্টার হেল্পলাইন’ নিতে পারেন। আর সৌরভ আসছেন সেই সব স্টারদের একজন হয়েই।
গত বছর আমন্ত্রিত তারকা হিসেবে এভাবে প্রতিযোগীদের সাহায্য করেছেন আমির খান ও অক্ষয় কুমার। আর এবার শুরুতেই সৌরভকে ডাকা হলো।
মুম্বইয়ে শো-য়ের প্রযোজক ও পরিচালক সিদ্ধার্থ বসু জানান, আরো আগেই আমরা সৌরভের ডেট চেয়েছিলাম। কোনো একটা খেলা পড়ে যাওয়ায় সময় বের করতে পারেননি। এবার আসতে পারছেন, আমরা তাই খুব খুশি। সূত্র: ওয়েবসাইট।
অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অকুতোভয় শাকিরা :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রায় ১১ বছর ধরে তার সঙ্গে কাজ করছেন, এমন দু’জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করলেন শাকিরা! শোনা যায়, এই দু’জন নাকি শাকিরার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং কাছের লোক ছিলেন।
শাকিরার বক্তব্য, এই দুই কর্মচারী তার অনেক সিক্রেট জেনে ফেলেছিলেন। শাকিরা তাদের বিশ্বাস করে, মনের কথা খুলে বলতেন। এর সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি এই দু’জন শাকিরাকে হুমকি দেন, যদি তিনি ৫০০ ইউএস ডলার তাদের না দেন, তা হলে তারা শাকিরার সমস্ত সিক্রেট ফাঁস করে দেবেন। তবে শাকিরাও ভয় পাওয়ার পাত্রী নন। তিনি এই দুই কর্মচারীকে তৎক্ষণাৎ চাকরি থেকে বের করে দেন এবং তাদের নামে পুলিশের কাছে গিয়ে মেন্টাল হ্যারাসমেন্টের ডায়েরিও করে আসেন! শাকিরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, তার যদি কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করেন, তা হলে তিনি তার শেষ দেখে ছাড়বেন! সূত্র: ওয়েবসাইট।
প্রায় ১১ বছর ধরে তার সঙ্গে কাজ করছেন, এমন দু’জন কর্মচারীকে বরখাস্ত করলেন শাকিরা! শোনা যায়, এই দু’জন নাকি শাকিরার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য এবং কাছের লোক ছিলেন।
শাকিরার বক্তব্য, এই দুই কর্মচারী তার অনেক সিক্রেট জেনে ফেলেছিলেন। শাকিরা তাদের বিশ্বাস করে, মনের কথা খুলে বলতেন। এর সুযোগ নিয়ে সম্প্রতি এই দু’জন শাকিরাকে হুমকি দেন, যদি তিনি ৫০০ ইউএস ডলার তাদের না দেন, তা হলে তারা শাকিরার সমস্ত সিক্রেট ফাঁস করে দেবেন। তবে শাকিরাও ভয় পাওয়ার পাত্রী নন। তিনি এই দুই কর্মচারীকে তৎক্ষণাৎ চাকরি থেকে বের করে দেন এবং তাদের নামে পুলিশের কাছে গিয়ে মেন্টাল হ্যারাসমেন্টের ডায়েরিও করে আসেন! শাকিরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছেন, তার যদি কেউ ক্ষতি করার চেষ্টা করেন, তা হলে তিনি তার শেষ দেখে ছাড়বেন! সূত্র: ওয়েবসাইট।
রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
রিহানার ফ্যান ফলোয়িং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রত্যেক সেলেব্রিটিই বলে থাকেন, তারা তাদের ফ্যানদের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।
রিহানা এবার সেই কৃতজ্ঞতা বাস্তবে প্রকাশ করে দেখালেন। সম্প্রতি, তার সেরা
পাঁচজন ফ্যানকে সিলেক্ট করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, এরা সকলেই প্রচুর টাকা খরচ করে, দেশে-বিদেশে রিহানার প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। রিহানা এই পাঁচজনকে নিজের খরচায়, তার জন্মস্থান বার্বাডোজে নিয়ে যান। সেখানে এক বিলাসবহুল হোটেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। বিকেলে চা পানের জন্য আবার সেই পাঁচজন ভাগ্যবান ফ্যানকে নিজের বাড়িতেও আমন্ত্রণ জানান! এখানেই থেমে না থেকে রিহানা জানিয়েছেন, এবার থেকে নাকি তিনি নিয়মিত নিজের ফ্যানদের এরকম সারপ্রাইজ দিতেই থাকবেন। সূত্র: ওয়েবসাইট।
প্রসঙ্গত, এরা সকলেই প্রচুর টাকা খরচ করে, দেশে-বিদেশে রিহানার প্রত্যেকটি অনুষ্ঠানে হাজির থাকেন। রিহানা এই পাঁচজনকে নিজের খরচায়, তার জন্মস্থান বার্বাডোজে নিয়ে যান। সেখানে এক বিলাসবহুল হোটেলে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেন। বিকেলে চা পানের জন্য আবার সেই পাঁচজন ভাগ্যবান ফ্যানকে নিজের বাড়িতেও আমন্ত্রণ জানান! এখানেই থেমে না থেকে রিহানা জানিয়েছেন, এবার থেকে নাকি তিনি নিয়মিত নিজের ফ্যানদের এরকম সারপ্রাইজ দিতেই থাকবেন। সূত্র: ওয়েবসাইট।
‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
ঠিকই বলেছিলেন অভিনেত্রী নেতা ধুপিয়া, ‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ যদিও নেহার এই আবেগের বশে বলা কথাটিতে তথ্যের কোনো অবকাশ ছিল না।
কিন্তু সত্যিই ইন্ডাস্ট্রিতে এই মুহূর্তে শাহরুখ খান এমন একটি ‘মানি মেশিন’-এর নাম, যিনি ক্রিকেট বা সিনেমা, যার সঙ্গেই নাম জড়ান, লাভের গুড় পিঁপড়াতে চেটেও শেষ করতে পারবে না! সেই ১৯৯৩ থেকে (‘ডর’, ‘বাজিগর’ রিলিজের সময় থেকে) প্রতি বছর প্রথম তিনজন ‘বিক্রয়যোগ্য’ নায়কের তালিকায় তিনি থাকেনই!
১৯৯৪, ‘৯৫, ‘৯৬ থেকে এখনও পর্যন্ত, তা সে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ই হোক বা ‘বীর জারা’, কিংবা ‘ডন’ হয়ে হালে ‘মাই নেম ইজ খান’ বা ‘ডন ২’, বলিউডের মোস্ট ব্যাঙ্কেবল অভিনেতাটির নাম এসআরকে! জনপ্রিয়তার তুল্যমূল্য বিচার না করে শুধু যদি নীরস সংখ্যাও দেখা যায়, তা হলে দেখা যাবে, শুধু ছবি থেকে আয়ের ক্ষেত্রে (বলিউডের সর্বকালীন ইতিহাসে) ‘ডন ২’ রয়েছে চার নম্বরে (২০৬ কোটি), ‘রা ওয়ান’ পাঁচ নম্বরে (২০২ কোটি) এবং ‘মাই নেম ইজ খান’ ছ’ নম্বরে ((২০০ কোটি)।
এমনকি, লাভের ব্যাপারেও ‘কিং’ তিনিই। কারণ, নিন্দুকের মতে ‘রা-ওয়ান’ যতই অ্যাভারেজ ছবি হোক না কেন, শাহরুখের এই ড্রিম প্রোজেক্টের লাভের অঙ্কডিট মোটেও অ্যভোরেজ নয়। তার পরিমাণ ১১৪.৬৭ কোটি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বলিউডের এই মধ্যে শাহরুখই একমাত্র স্টার, যিনি বিদেশের মাটিতেও মারাত্মক জনপ্রিয়। জার্মানি বা ফ্রান্সের মতো দেশে অনেকে ‘বলিউড’ বলতে শুধু শাহরুখকেই চেনন! কথাটা শুনলে চমকে উঠতে পারেন, বিদেশের মাটিতে ‘টপ ওপেনিং ডে’ আয়ের তালিকায় প্রথম তিনটি ছবির নাম যথাক্রমে ‘মাই নেম ইজ খান’ (৫৩ লক্ষ ডলার), ‘কভি অলবিদা না কহনা’ (৪৪ লক্ষ ডলার) এবং ‘ওম শান্তি ওম’ (৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার)।
কাছেপিঠে অন্য ‘খান’ বলতে, চার নম্বরে আমিরের ‘ত্রি ইডিয়টস’ (৪০ লক্ষ ডলার)। কিন্তু পাঁচে আবার ‘রব নে বনা দি জোড়ি’ (৩৪ লক্ষ ডলার)।
আসলে দেশ হোক বা বিদেশ, শাহরুখকে নিয়ে মানুষের উৎসাহ সব সময়ই বেশি। আর এর জন্য দায়ী তার ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ ইমেজ ও অফুরন্ত এনঅর্জি। এই জিনিসটি ভগবান তার মধ্যে দিতে কার্পণ্য করেননি বলেই বোধ হয় এতটা সফল তিনি। ‘রা ওয়ান’-এর প্রোমোশনের সময়ই তো এক মাসে ১৯টি শহরে নিরন্তর ঘুরেছিলেন শাহরূখ! এমন ‘অতিমানবীয়’ ক্ষমতা ইদানীয়ংকালে আর কোনো তরুণ তুর্কির মধ্যে আছে কি?
রনবীর সিংহ নাকি একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে শাহরুখের সঙ্গে নেচেই বুঝেছিলেন, তার এনার্জি লেভেল কত কম! বলিউডের যে কোনো বয়সের অভিনেত্রীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়া বলিউডের এই সুপারস্টারের ইউএসপি আসলে তিনি নিজেই। কোনও ছবিতে তিনি থাকলে, প্রমোশন নিয়ে আর আলাদা করে কিছু ভাবতে হয় না। অনেক ছবিতে (‘হে বেবি”) তাকে শুধু একটি দৃশ্যে দেখানো হয়, ছবির বাজারদর বাড়ানোর জন্য! আসলে বডিলউডে এই মুহূর্তে শাহরুখ খানকে টক্কর দেওয়ার মতো এখনও নতুন কেউ আসেনি। যত নবীন ‘জেয়ার’ই আসুক, ‘স্তম্ভ’ একণও তিনিই, যেখানে ধাক্কা লেগে সমস্ত ঢেউই ফিরে যায়। সূত্র: ওয়েবসাইট।
ঠিকই বলেছিলেন অভিনেত্রী নেতা ধুপিয়া, ‘ভারতে শুধু সেক্স এবং শাহরুখ খানই বিক্রি হয়!’ যদিও নেহার এই আবেগের বশে বলা কথাটিতে তথ্যের কোনো অবকাশ ছিল না।
কিন্তু সত্যিই ইন্ডাস্ট্রিতে এই মুহূর্তে শাহরুখ খান এমন একটি ‘মানি মেশিন’-এর নাম, যিনি ক্রিকেট বা সিনেমা, যার সঙ্গেই নাম জড়ান, লাভের গুড় পিঁপড়াতে চেটেও শেষ করতে পারবে না! সেই ১৯৯৩ থেকে (‘ডর’, ‘বাজিগর’ রিলিজের সময় থেকে) প্রতি বছর প্রথম তিনজন ‘বিক্রয়যোগ্য’ নায়কের তালিকায় তিনি থাকেনই!
১৯৯৪, ‘৯৫, ‘৯৬ থেকে এখনও পর্যন্ত, তা সে ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ই হোক বা ‘বীর জারা’, কিংবা ‘ডন’ হয়ে হালে ‘মাই নেম ইজ খান’ বা ‘ডন ২’, বলিউডের মোস্ট ব্যাঙ্কেবল অভিনেতাটির নাম এসআরকে! জনপ্রিয়তার তুল্যমূল্য বিচার না করে শুধু যদি নীরস সংখ্যাও দেখা যায়, তা হলে দেখা যাবে, শুধু ছবি থেকে আয়ের ক্ষেত্রে (বলিউডের সর্বকালীন ইতিহাসে) ‘ডন ২’ রয়েছে চার নম্বরে (২০৬ কোটি), ‘রা ওয়ান’ পাঁচ নম্বরে (২০২ কোটি) এবং ‘মাই নেম ইজ খান’ ছ’ নম্বরে ((২০০ কোটি)।
এমনকি, লাভের ব্যাপারেও ‘কিং’ তিনিই। কারণ, নিন্দুকের মতে ‘রা-ওয়ান’ যতই অ্যাভারেজ ছবি হোক না কেন, শাহরুখের এই ড্রিম প্রোজেক্টের লাভের অঙ্কডিট মোটেও অ্যভোরেজ নয়। তার পরিমাণ ১১৪.৬৭ কোটি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বলিউডের এই মধ্যে শাহরুখই একমাত্র স্টার, যিনি বিদেশের মাটিতেও মারাত্মক জনপ্রিয়। জার্মানি বা ফ্রান্সের মতো দেশে অনেকে ‘বলিউড’ বলতে শুধু শাহরুখকেই চেনন! কথাটা শুনলে চমকে উঠতে পারেন, বিদেশের মাটিতে ‘টপ ওপেনিং ডে’ আয়ের তালিকায় প্রথম তিনটি ছবির নাম যথাক্রমে ‘মাই নেম ইজ খান’ (৫৩ লক্ষ ডলার), ‘কভি অলবিদা না কহনা’ (৪৪ লক্ষ ডলার) এবং ‘ওম শান্তি ওম’ (৪৩ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার)।
কাছেপিঠে অন্য ‘খান’ বলতে, চার নম্বরে আমিরের ‘ত্রি ইডিয়টস’ (৪০ লক্ষ ডলার)। কিন্তু পাঁচে আবার ‘রব নে বনা দি জোড়ি’ (৩৪ লক্ষ ডলার)।
আসলে দেশ হোক বা বিদেশ, শাহরুখকে নিয়ে মানুষের উৎসাহ সব সময়ই বেশি। আর এর জন্য দায়ী তার ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ ইমেজ ও অফুরন্ত এনঅর্জি। এই জিনিসটি ভগবান তার মধ্যে দিতে কার্পণ্য করেননি বলেই বোধ হয় এতটা সফল তিনি। ‘রা ওয়ান’-এর প্রোমোশনের সময়ই তো এক মাসে ১৯টি শহরে নিরন্তর ঘুরেছিলেন শাহরূখ! এমন ‘অতিমানবীয়’ ক্ষমতা ইদানীয়ংকালে আর কোনো তরুণ তুর্কির মধ্যে আছে কি?
রনবীর সিংহ নাকি একটি অ্যাওয়ার্ড ফাংশনে শাহরুখের সঙ্গে নেচেই বুঝেছিলেন, তার এনার্জি লেভেল কত কম! বলিউডের যে কোনো বয়সের অভিনেত্রীর সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়া বলিউডের এই সুপারস্টারের ইউএসপি আসলে তিনি নিজেই। কোনও ছবিতে তিনি থাকলে, প্রমোশন নিয়ে আর আলাদা করে কিছু ভাবতে হয় না। অনেক ছবিতে (‘হে বেবি”) তাকে শুধু একটি দৃশ্যে দেখানো হয়, ছবির বাজারদর বাড়ানোর জন্য! আসলে বডিলউডে এই মুহূর্তে শাহরুখ খানকে টক্কর দেওয়ার মতো এখনও নতুন কেউ আসেনি। যত নবীন ‘জেয়ার’ই আসুক, ‘স্তম্ভ’ একণও তিনিই, যেখানে ধাক্কা লেগে সমস্ত ঢেউই ফিরে যায়। সূত্র: ওয়েবসাইট।
ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের বিরুদ্ধে সচেতন করা হবে: বিএসটিআই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
ফরমালিনসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সহজলভ্যতা বন্ধ করতে এসবের আমদানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে নিবিড় তদারকি ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই।
একই সাথে মাঠ পর্যায়ে এসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের মাত্রা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদারকরণ সম্পর্কিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সুপারিশ করা হয়।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এ কে ফজলুল আহাদ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম খোরশেদ আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের মহাসচিব কাজী ফারুকসহ স্থানীয় সরকার, কৃষি, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, ঢাকা ওয়াসা, এফবিসিসিআই, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশিস্নষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিল্পমন্ত্রী পণ্যের গুণ ও মান নিশ্চিত করতে বিএসটিআই‘র বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত ১শ‘ ৫৫টি পণ্যের মানের বিষয়ে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে, দেশে ভেজালের পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি বিএসটিআই‘র পাশাপাশি মাননিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।
সভায় খাদ্যপণ্য, ফলমূল, মাছ, পোল্ট্রি ফার্মের মুরগী, ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারে ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সোডিয়াম, সাইক্লামেট, ইথোফেন ও হাইড্রোজের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের জন্য এসবের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিএসটিআই‘র যৌথ উদ্যোগে সমন্বিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করা হয়।
সভায় ভেজালের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে বেতার, টেলিভিশনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করা হয়। একই সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ন্যাশনাল ফুড সেফ্টি অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলকে আরো সক্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
সভায় ভেজাল বিরোধী অভিযানে অহেতুক হয়রাণি বন্ধে বাংলাদেশ পিউর ফুড রুলস-১৯৬৭ এর আধুনিকায়ণ করার সুপারিশ করা হয়। এসময় ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমের সাফল্য মনিটর করতে নিয়মিত আন্তমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
ফরমালিনসহ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের সহজলভ্যতা বন্ধ করতে এসবের আমদানি, বিক্রয় ও বিতরণের ক্ষেত্রে নিবিড় তদারকি ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মান নির্ধারণী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই।
একই সাথে মাঠ পর্যায়ে এসব রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের মাত্রা ও ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনগণকে সচেতন করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সোমবার বিকেলে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশের আলোকে খাদ্যদ্রব্যে ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদারকরণ সম্পর্কিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সুপারিশ করা হয়।
শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়ার সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিল্পসচিব মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ্, বিএসটিআই’র মহাপরিচালক এ কে ফজলুল আহাদ, শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ বি এম খোরশেদ আলম, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবুল হোসেন, ক্যাবের মহাসচিব কাজী ফারুকসহ স্থানীয় সরকার, কৃষি, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, বাণিজ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএসটিআই, ঢাকা ওয়াসা, এফবিসিসিআই, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (দক্ষিণ), ঢাকা জেলা প্রশাসনসহ সংশিস্নষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় শিল্পমন্ত্রী পণ্যের গুণ ও মান নিশ্চিত করতে বিএসটিআই‘র বাধ্যতামূলক মানসনদের আওতাভুক্ত ১শ‘ ৫৫টি পণ্যের মানের বিষয়ে কঠোর তদারকির নির্দেশ দেন।
তিনি বলেন, এটি নিশ্চিত করা সম্ভব হলে, দেশে ভেজালের পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে। তিনি বিএসটিআই‘র পাশাপাশি মাননিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থাকে নিজেদের ম্যান্ডেট অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।
সভায় খাদ্যপণ্য, ফলমূল, মাছ, পোল্ট্রি ফার্মের মুরগী, ওষুধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাবারে ফরমালিন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, সোডিয়াম, সাইক্লামেট, ইথোফেন ও হাইড্রোজের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের অস্বাভাবিক উপস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্বাস্থ্যের জন্য এসবের বিরুদ্ধে সিটি কর্পোরেশন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, বিএসটিআই‘র যৌথ উদ্যোগে সমন্বিত ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করা হয়।
সভায় ভেজালের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে বেতার, টেলিভিশনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে নিয়মিত প্রচার প্রচারণা জোরদারের সুপারিশ করা হয়। একই সাথে স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন ন্যাশনাল ফুড সেফ্টি অ্যাডভাইজারি কাউন্সিলকে আরো সক্রিয় করার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়।
সভায় ভেজাল বিরোধী অভিযানে অহেতুক হয়রাণি বন্ধে বাংলাদেশ পিউর ফুড রুলস-১৯৬৭ এর আধুনিকায়ণ করার সুপারিশ করা হয়। এসময় ভেজাল বিরোধী কার্যক্রমের সাফল্য মনিটর করতে নিয়মিত আন্তমন্ত্রণালয় সভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম উত্তম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম উত্তম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
গবেষক দলের নেতা আবেরদিন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. স্টুয়ার্ট বলেন, 'শারীরিক কসরতে আমাদের যকৃৎ রক্ত থেকে বেশি পরিমাণ চর্বি সংগ্রহ করে।' সূত্র: ডেইলি মেইল
সম্প্রতি পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘ সময় নিয়মিত দৌড়ানোর চেয়ে স্বল্প সময় শারীরিক কসরত বা ব্যায়াম করা বেশি উপকারী।
গবেষকরা বলছেন, ৯০ মিনিট দৌড়ে আমাদের যে উপকার হয়, একই উপকার হবে মাত্র
দুই মিনিটের শারীরিক কসরত বা ব্যায়ামে। এ কারণে দৌড়ের চেয়ে বিশেষজ্ঞরা
ব্যায়ামের ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
গবেষকরা বলছেন, হৃৎপিণ্ডের জন্য দৌড়ের চেয়ে ব্যায়াম বেশি উপকারী। তারা ১৮
থেকে ৩৫ বছর বয়সী মানুষের ওপর গবেষণা চালান। তাদের মধ্যে একটি দলকে
ব্যায়ামাগারের ব্যবহৃত এক্সারসাইজ সাইকেল চালাতে দেয়া হয়, আরেকটি দলকে এক
ঘণ্টার মতো দৌড়াতে দেয়া হয়। যারা ব্যায়ামাগারের বাইকে কসরত করছেন তাদের ৩০
সেকেন্ড পর চার মিনিট বিশ্রাম করতে দেয়া হয়। এ রকম করে চারবারে দুই মিনিট
ব্যায়াম করেন তারা।
অন্যদিকে সরকারি স্বাস্থ্য নির্দেশনা অনুযায়ী আরকেটি দল এক ঘণ্টা দৌড়ায়।
পরের দিন সকালে তাদের পাউরুটি, মেয়নেজ এবং পনির দিয়ে নাস্তা দেয়া হয়। পরে
তাদের রক্ত পরীক্ষা করে দেখা যায়, যারা এক ঘণ্টা দৌড়েছেন তাদের চর্বি কমার
হার মাত্র ১১ শতাংশ আর যারা ব্যায়ামাগারে সাইকেল চালিয়েছেন তাদের চর্বি
হ্রাস পাওয়ার হার প্রায় ৩৩ শতাংশ।
গবেষক দলের নেতা আবেরদিন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. স্টুয়ার্ট বলেন, 'শারীরিক কসরতে আমাদের যকৃৎ রক্ত থেকে বেশি পরিমাণ চর্বি সংগ্রহ করে।' সূত্র: ডেইলি মেইল
এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি না মানলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এক সপ্তাহের মধ্যে দাবি না মানলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রতি হাজারে ২৭ টাকা কমিশনের পরিবর্তে ১০০ টাকা কমিশন, ভুল নম্বারে
টাকা চলে গেলে ফেরতের ব্যবস্থা করা সহ মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কাছে
এগারোটি দাবি তুলেছেন রিচার্জ ব্যবসায়ীরা। এক সপ্তাহের মধ্যে যদি মোবাইল
কোম্পানিগুলো এই দাবি মেনে না নেয় তাহলে মোবাইল রিচার্জ বন্ধ করে দেয়া হবে
বলে জানিয়েছেন তারা।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেন সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু।
তিনি বলেন, প্রতিদিন নিত্য নতুন বিজ্ঞাপন দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে মোবাইল কোম্পানিগুলো, অথচ রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছে না।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম বদরুদ্দোজা, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও শফিকুর রহমান সহ অন্য নেতারা।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলদেশ মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী অ্যাসোসিয়েশনের মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেন সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলু।
তিনি বলেন, প্রতিদিন নিত্য নতুন বিজ্ঞাপন দিয়ে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে মোবাইল কোম্পানিগুলো, অথচ রিচার্জ ব্যবসায়ীদের ন্যায্য পাওনা দিচ্ছে না।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ. এম বদরুদ্দোজা, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও শফিকুর রহমান সহ অন্য নেতারা।
দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে আত্মসাত, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দুদকের কর্মকর্তা পরিচয়ে আত্মসাত, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দুদকের কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে সংঘবন্ধ একটি চক্র বিভিন্ন
ব্যক্তিকে দুর্নীতির অভিযোগ থেকে রেহায় দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার
মাধ্যমে অর্থ আত্মসাত করে আসছিল। এ ঘটনায় সোমবার রাজধানীর দুটি থানায় ও
গাজীপুরের একটি থানায় মামলা করেছে দুদক।
মামলার মূল আসামি সাতজন ও মোট নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিন ব্যাংক কর্মকর্তা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের একজন সাবেক কাউন্সিলর এই অর্থআত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
রাজধানীর পল্টন থানায় দুটি ও গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয়। পল্টন থানার মামলা নম্বর ২০ও ১৯। জয়দেবপুর থানায় মামলা নাম্বর ৪১। এই মামলাগুলো দায়ের করেছেন দুদকের উপপরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূইয়া।
প্রতিটি মামলারই মূল আসামি জিয়াউর রহমান। তিনি বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশে মানুষের কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের গাজীপুরের জয়দেবপুর শাখায়, বিজয়রনগর শাখা ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মতাত করে আসছেন।
যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তারা হলেন, মো. জিয়াউর রহমান, মো. আবু হানিফ বিজনেস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. আবুল হামিদ পাটোয়ারী সেলস অফিসার ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ওমর ফারুক মিল্লাত, সাবেক সেলস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ইস্রাফিল, মো. এনামুল হক এবং ডিসিসি’র সাবেক ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহম্মেদ কাজল।
অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একে অপরের সহযোগিতায় মিথ্যার আশ্রয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয় তাদের নামে।
মামলার মূল আসামি সাতজন ও মোট নয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তিন ব্যাংক কর্মকর্তা ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের একজন সাবেক কাউন্সিলর এই অর্থআত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
রাজধানীর পল্টন থানায় দুটি ও গাজীপুরের জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা করা হয়। পল্টন থানার মামলা নম্বর ২০ও ১৯। জয়দেবপুর থানায় মামলা নাম্বর ৪১। এই মামলাগুলো দায়ের করেছেন দুদকের উপপরিচালক এস এম এম আখতার হামিদ ভূইয়া।
প্রতিটি মামলারই মূল আসামি জিয়াউর রহমান। তিনি বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশে মানুষের কাছ থেকে ৩৩ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের গাজীপুরের জয়দেবপুর শাখায়, বিজয়রনগর শাখা ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মানুষের কাছ থেকে অর্থ আত্মতাত করে আসছেন।
যাদের নামে মামলা করা হয়েছে তারা হলেন, মো. জিয়াউর রহমান, মো. আবু হানিফ বিজনেস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. আবুল হামিদ পাটোয়ারী সেলস অফিসার ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ওমর ফারুক মিল্লাত, সাবেক সেলস এক্সিকিউটিভ ব্র্যাক ব্যাংক, মো. ইস্রাফিল, মো. এনামুল হক এবং ডিসিসি’র সাবেক ২৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহম্মেদ কাজল।
অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে একে অপরের সহযোগিতায় মিথ্যার আশ্রয়ে জালিয়াতির মাধ্যমে দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয় তাদের নামে।
কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা হুমকির মুখে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
কেন্দ্রীয় খাদ্য গুদামের নিরাপত্তা হুমকির মুখে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর কাওরান বাজারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণ এবং সরবরাহ
(সিএসডি) গোডাউনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে। গোডাউনের প্রধান ফটক ও তার
আশপাশের এলাকায় সড়ক দখল করে ট্রাক স্ট্যান্ড গড়ে তোলা এবং গড়ে ওঠা বস্তির
কারণে সিএসডি গোডাউনের নিরাপত্তা হুমকির মুখে বলে অভিযোগ করেছেন গোডাউনের
একাধিক কর্মচারী ও কর্মকর্তা।
সরকারি তথ্যমতে, এ অঞ্চলটি সরকারের সংরক্ষিত এলাকা। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত এলাকার কমপক্ষে ১৪ ফুট দূরে স্থাপনা থাকতে হবে। কিন্তু এ অঞ্চলে সিএসডি গোডাউন, জরিপ অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন অফিস থাকা সত্বেও এ অঞ্চলটির নিরাপত্তা নেই।
এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের চারপাশের ফুটপাথ (ওয়াক ওয়ে) দখল করে বস্তিবাসী ও দোকানসহ গড়ে ওঠা বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের পরিবেশ নষ্ট করছে বলেও জানান তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাওরান বাজার থেকে সাতরাস্তা যাওয়ার পথে রেল ক্রসিংয়ের পাশেই ট্রাক স্ট্যান্ড অবস্থিত। ট্রাক স্ট্যান্ডের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় রেল ক্রসিং এলাকা থেকে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক পর্যন্ত রাখা হয়েছে সারি সারি ট্রাক, পিক-আপসহ কাভার্ড ভ্যান। এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ও ব্যক্তি মালিকানাধীন। সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক তথা পুরো এলাকা জুড়ে এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো রাখার কারণে সিএসডি গোডাউনের নিজস্ব পরিবহন তথা সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলোর গোডাউনের ভেতরে প্রবেশ এবং বের হতে প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের নিরাপত্তা দেয়ালকে পেছনের দেয়াল হিসেবে ব্যবহার করে, দুই পাশে দুইটি দেয়াল তৈরি করে, সামনে একটি সাটার দিয়ে গড়ে ওঠেছে দোকান-পাট, কারখানা, ট্রাক মেরামত ও গাড়ি মেরামতের বিভিন্ন ওয়ার্কসপ। এসব দোকান-পাট, কারখানা, ওয়ার্কসপগুলোকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় কর্মরত মানুষগুলো সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছে বস্তি।
তাছাড়া সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপগুলোর পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলে রাখার কারণে নষ্ট হয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ গোডাউনের নিজস্ব পরিবেশ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা বস্তিবাসীদের রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ চক্রটি কোনো একটি শক্তিশালী মহলের মদদেই এ অঞ্চলে নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। যে কারণে সিএসডি গোডাউনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারি তাদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারেন না। বরঞ্চ কোনো কিছু বলতে গেলেই পড়তে হয় বিপদে, হতে হয় অপদস্ত।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, ১/১১ এর সময়ে এ অঞ্চলটি একবার পরিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এ অঞ্চলে সুবিধাভোগী একটি চক্র আবার দখল করে বস্তি দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপ গড়ে তুলে। এ চক্রটি এ অঞ্চলে প্রতিটি ট্রাক, পিক-আপ, কাভার্ড ভ্যান তথা গাড়ি রাখার জন্য প্রতি রাতে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকে। বস্তিবাসী এ চক্রের অধিকাংশ বাসিন্দারই দেশের বাড়ি ভোলায়।
এ ব্যাপারে তেঁজগাও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। যদি কোনো অভিযোগ আসে তাহলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।’’
এ ব্যাপারে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক কমান্ডার এনামুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘আপনার কাছ থেকে বিষয়টি জেনে রাখলাম। ব্যবস্থা নিব। এ ব্যাপারে কোনো আবেদন আমাদের কাছে আসেনি। কেউ আবেদন করলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম।’’
এ ব্যাপারে ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম মন্টু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সারা বাংলাদেশ থেকে এখানে ট্রাক আসে। জেলখানা, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলামাল এখান থেকেই নিয়ে যাওয়া হয়। এ ট্রাকগুলো আসে এবং মালামাল বোঝাই করে চলে যায়। হয়তো মালামাল লোড-আনলোড করার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।’’
এ ব্যাপারে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ব্যবস্থাপক মো. আজিমুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘ সিএসডি গোডাউনে ১০০ থেকে ১৫০ জন স্টাফ রয়েছেন। এছাড়াও, ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করেন। রাস্তাটার বেহাল দশা। ময়লা-বর্জ্য পড়ে থাকে যত্রতত্র। বৃষ্টির দিনে চলাফেরার ভীষণ সমস্যা হয়।’’
সরকারি তথ্যমতে, এ অঞ্চলটি সরকারের সংরক্ষিত এলাকা। আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত এলাকার কমপক্ষে ১৪ ফুট দূরে স্থাপনা থাকতে হবে। কিন্তু এ অঞ্চলে সিএসডি গোডাউন, জরিপ অধিদপ্তরসহ সরকারের বিভিন্ন অফিস থাকা সত্বেও এ অঞ্চলটির নিরাপত্তা নেই।
এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের চারপাশের ফুটপাথ (ওয়াক ওয়ে) দখল করে বস্তিবাসী ও দোকানসহ গড়ে ওঠা বিভিন্ন কারখানার বর্জ্য সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের পরিবেশ নষ্ট করছে বলেও জানান তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কাওরান বাজার থেকে সাতরাস্তা যাওয়ার পথে রেল ক্রসিংয়ের পাশেই ট্রাক স্ট্যান্ড অবস্থিত। ট্রাক স্ট্যান্ডের জায়গা সংকুলান না হওয়ায় রেল ক্রসিং এলাকা থেকে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক পর্যন্ত রাখা হয়েছে সারি সারি ট্রাক, পিক-আপসহ কাভার্ড ভ্যান। এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ও ব্যক্তি মালিকানাধীন। সিএসডি গোডাউনের প্রধান ফটক তথা পুরো এলাকা জুড়ে এসব ট্রাক, পিক-আপ ও কাভার্ড ভ্যানগুলো রাখার কারণে সিএসডি গোডাউনের নিজস্ব পরিবহন তথা সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলোর গোডাউনের ভেতরে প্রবেশ এবং বের হতে প্রতিবদ্ধকতার সৃষ্টি হয়।
এছাড়াও, সিএসডি গোডাউনের নিরাপত্তা দেয়ালকে পেছনের দেয়াল হিসেবে ব্যবহার করে, দুই পাশে দুইটি দেয়াল তৈরি করে, সামনে একটি সাটার দিয়ে গড়ে ওঠেছে দোকান-পাট, কারখানা, ট্রাক মেরামত ও গাড়ি মেরামতের বিভিন্ন ওয়ার্কসপ। এসব দোকান-পাট, কারখানা, ওয়ার্কসপগুলোকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় কর্মরত মানুষগুলো সিএসডি গোডাউনের আশেপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছে বস্তি।
তাছাড়া সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপগুলোর পরিত্যক্ত ময়লা-আবর্জনা যত্রতত্র ফেলে রাখার কারণে নষ্ট হয়েছে কেন্দ্রীয় খাদ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ গোডাউনের নিজস্ব পরিবেশ।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সিএসডি গোডাউনের আশেপাশে গড়ে ওঠা বস্তিবাসীদের রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এ চক্রটি কোনো একটি শক্তিশালী মহলের মদদেই এ অঞ্চলে নিজস্ব কর্তৃত্ব বজায় রেখেছে। যে কারণে সিএসডি গোডাউনের কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারি তাদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারেন না। বরঞ্চ কোনো কিছু বলতে গেলেই পড়তে হয় বিপদে, হতে হয় অপদস্ত।
অনুসন্ধানে আরো জানা গেছে, ১/১১ এর সময়ে এ অঞ্চলটি একবার পরিষ্কার করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে এ অঞ্চলে সুবিধাভোগী একটি চক্র আবার দখল করে বস্তি দোকান-পাট, কারখানা ও ওয়ার্কসপ গড়ে তুলে। এ চক্রটি এ অঞ্চলে প্রতিটি ট্রাক, পিক-আপ, কাভার্ড ভ্যান তথা গাড়ি রাখার জন্য প্রতি রাতে ১০০ টাকা করে নিয়ে থাকে। বস্তিবাসী এ চক্রের অধিকাংশ বাসিন্দারই দেশের বাড়ি ভোলায়।
এ ব্যাপারে তেঁজগাও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘এ ব্যাপারে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগ আমার কাছে আসেনি। যদি কোনো অভিযোগ আসে তাহলে আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।’’
এ ব্যাপারে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের (ডিসিসি) প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক কমান্ডার এনামুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘আপনার কাছ থেকে বিষয়টি জেনে রাখলাম। ব্যবস্থা নিব। এ ব্যাপারে কোনো আবেদন আমাদের কাছে আসেনি। কেউ আবেদন করলে আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নিতাম।’’
এ ব্যাপারে ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম মন্টু বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সারা বাংলাদেশ থেকে এখানে ট্রাক আসে। জেলখানা, পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের মামলামাল এখান থেকেই নিয়ে যাওয়া হয়। এ ট্রাকগুলো আসে এবং মালামাল বোঝাই করে চলে যায়। হয়তো মালামাল লোড-আনলোড করার জন্য কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয় তাদের।’’
এ ব্যাপারে সিএসডি গোডাউনের প্রধান ব্যবস্থাপক মো. আজিমুল হক বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘ সিএসডি গোডাউনে ১০০ থেকে ১৫০ জন স্টাফ রয়েছেন। এছাড়াও, ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করেন। রাস্তাটার বেহাল দশা। ময়লা-বর্জ্য পড়ে থাকে যত্রতত্র। বৃষ্টির দিনে চলাফেরার ভীষণ সমস্যা হয়।’’
হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার বিচার শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলার বিচার শুরু :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও লেখক অধ্যাপক হুমায়ুন আজাদ হত্যা মামলায় ১ জন পলাতক
আসামি সহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে সোমবার অভিযোগ গঠন করেছে ঢাকার একটি আদালত।
ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূইয়া জিন্নাহ এ অভিযোগ গঠন করে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ঠিক করেছেন আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন মো. মিজানুর রহমান মিনহাজ ওরফে শফিক ওরফে শাওন ওরফে হামিম ওরফে হাসিম, আনোয়ারুল আলম ওরফে ভাগ্নে শহীদ, নূর মোহাম্মদ শামীম ওরফে জে এম মবিন ওরফে সাবু, সালেহীন ওরফে সালাউদ্দিন ওরফে সজীব ওরফে তাওহিদ এবং হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাকিব ওরফে রাসেল। এরা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ মামলায় নূর মোহাম্মদ শামীম পলাতক। বাকি চারজন এদিন আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে নিজেদের পক্ষে শুনানি করেন।
তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে বাদ দিয়ে গত ১৪ মে এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
বিগত ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে বাংলা একাডেমীর উল্টো দিকের রাস্তায় হুমায়ুন আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।
কয়েক মাসের চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ২০০৪ সালের আগস্টে পেন ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি লেখক সংগঠনের বৃত্তি নিয়ে জার্মানিতে যান এই লেখক। ১২ অগাস্ট মিউনিখে নিজের ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূইয়া জিন্নাহ এ অভিযোগ গঠন করে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ঠিক করেছেন আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন মো. মিজানুর রহমান মিনহাজ ওরফে শফিক ওরফে শাওন ওরফে হামিম ওরফে হাসিম, আনোয়ারুল আলম ওরফে ভাগ্নে শহীদ, নূর মোহাম্মদ শামীম ওরফে জে এম মবিন ওরফে সাবু, সালেহীন ওরফে সালাউদ্দিন ওরফে সজীব ওরফে তাওহিদ এবং হাফেজ মাহমুদ ওরফে রাকিব ওরফে রাসেল। এরা সবাই নিষিদ্ধ সংগঠন জামায়াতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ মামলায় নূর মোহাম্মদ শামীম পলাতক। বাকি চারজন এদিন আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করে নিজেদের পক্ষে শুনানি করেন।
তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় আসামির তালিকা থেকে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে বাদ দিয়ে গত ১৪ মে এই পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলায় সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।
বিগত ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে বাংলা একাডেমীর উল্টো দিকের রাস্তায় হুমায়ুন আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।
কয়েক মাসের চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ২০০৪ সালের আগস্টে পেন ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি লেখক সংগঠনের বৃত্তি নিয়ে জার্মানিতে যান এই লেখক। ১২ অগাস্ট মিউনিখে নিজের ফ্ল্যাট থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে সময় পেলেন সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আদালত অবমাননার ব্যাখ্যা দিতে সময় পেলেন সাজেদা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করায় সরকারি দলের সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার দিন পিছিয়ে ১ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাজেদা চৌধুরীর আইনজীবী বাসেত মজুমদার সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করেন।
সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার সাজেদা চৌধুরীর পক্ষে এ সময় আবেদন করেন। ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আমলে আমলে নিয়ে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের আদেশে সাজেদা চৌধুরীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনজীবীর মাধ্যমেও তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর উভয় পক্ষের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করবে ট্রাইব্যুনাল।
শুনানিতে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর বলেন, “আমরা আদালত অবমাননার বিষয়ে তার বক্তব্য শুনবো। এখানে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্য শোনা উচিত।”
তখন ডিফেন্স কাউন্সেল অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, “সাজেদা চৌধুরীর বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয়েছে। তিনি আদালতকে ডিক্টেড করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সরকারি দলের শীর্ষ নেতা ও সংসদ উপনেতা। তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য কাম্য নয়।”
৫ আগস্ট আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংসদ উপনেতার বক্তব্যের বিষয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শুনানি করতে চাইলে আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দেন।
২৮ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিষয়ে ‘দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে’ শিরোনামে সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর একটি বক্তব্য দৈনিক আমার দেশসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করার আহবান জানিয়ে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, আগেই দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে। বসে বসে আইন কপচালে হবে না। এত আইন দেখলে হবে না।
তিনি বলেন, “ওরা যখন একাত্তর সালে আমার ভাইকে হত্যা করেছিল, মেয়েদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেছে তখন কোথাও আইন ছিল না।”
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন বিষয়ে মন্তব্য করায় সরকারি দলের সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার দিন পিছিয়ে ১ অক্টোবর ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এটিএম ফজলে কবিরের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে সাজেদা চৌধুরীর আইনজীবী বাসেত মজুমদার সময়ের আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল এ দিন ধার্য করেন।
সকালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী আব্দুল বাসেত মজুমদার সাজেদা চৌধুরীর পক্ষে এ সময় আবেদন করেন। ২৭ আগস্ট জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ আমলে আমলে নিয়ে তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনালের আদেশে সাজেদা চৌধুরীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনজীবীর মাধ্যমেও তার ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা পাওয়ার পর উভয় পক্ষের শুনানির জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করবে ট্রাইব্যুনাল।
শুনানিতে বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীর বলেন, “আমরা আদালত অবমাননার বিষয়ে তার বক্তব্য শুনবো। এখানে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার বক্তব্য শোনা উচিত।”
তখন ডিফেন্স কাউন্সেল অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, “সাজেদা চৌধুরীর বক্তব্যে আদালত অবমাননা হয়েছে। তিনি আদালতকে ডিক্টেড করার চেষ্টা করেছেন। তিনি সরকারি দলের শীর্ষ নেতা ও সংসদ উপনেতা। তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য কাম্য নয়।”
৫ আগস্ট আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংসদ উপনেতার বক্তব্যের বিষয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে শুনানি করতে চাইলে আদালত বিষয়টি শুনানির জন্য দিন ধার্য করে দেন।
২৮ জুলাই মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্তদের বিষয়ে ‘দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে’ শিরোনামে সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরীর একটি বক্তব্য দৈনিক আমার দেশসহ বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত করার আহবান জানিয়ে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, আগেই দু-একটাকে ঝুলিয়ে দিলে আইন নিয়ে ওদের কপ-কপচানি বন্ধ হবে। বসে বসে আইন কপচালে হবে না। এত আইন দেখলে হবে না।
তিনি বলেন, “ওরা যখন একাত্তর সালে আমার ভাইকে হত্যা করেছিল, মেয়েদের ঘর থেকে বের করে নিয়ে গেছে তখন কোথাও আইন ছিল না।”
রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরান সফর সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ইরান সফর সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে জানালেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৬ তম সম্মেলনে তার অংশ নেয়া ও বিভিন্ন বিষয়াবলী সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
শেখ হাসিনা তার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত প্রচেষ্টার ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
জিল্লুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে।
বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য গত ৩০ - ৩১ আগস্ট ইরান সফর করেন।
ন্যাম সম্মেলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ভারত, ইরান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।সূত্র: বাসস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সাম্প্রতিক ইরান সফর সম্পর্কে সোমবার রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানকে জানিয়েছেন।
সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠককালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইরানের রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৬ তম সম্মেলনে তার অংশ নেয়া ও বিভিন্ন বিষয়াবলী সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
শেখ হাসিনা তার সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কেও রাষ্ট্রপতিকে জানান।
রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অক্লান্ত প্রচেষ্টার ব্যাপারে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
জিল্লুর রহমান আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে।
বৈঠককালে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য গত ৩০ - ৩১ আগস্ট ইরান সফর করেন।
ন্যাম সম্মেলনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ভারত, ইরান, শ্রীলঙ্কা ও নেপালসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন।সূত্র: বাসস
চিরনিদ্রায় বিটিআরসি চেয়ারম্যান জিয়া :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
চিরনিদ্রায় বিটিআরসি চেয়ারম্যান জিয়া :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বনানীর সামরিক গোরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক
সংস্থা বিটিআরসির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়া আহমেদ শেলী
(৫৮)। দুই দফা জানাযা শেষে সোমবার বিকেলে তাকে দাফন করা হয়।
ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় জিয়া আহমেদের প্রথম নামাযে জানাজা। জানাজায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সাবেক সেনাপ্রধান নূর উদ্দিন খান, হারুনুর রশীদ, পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, বিটিআরসি, বিটিসিএল, বিএসসিসিএল-এর কর্মকর্তা এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রতিনিধি, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বত্ত্বাধিকারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাদ আছর বারিধারা ডিওএইচএস মসজিদে তার দ্বিতীয় দফা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গত, রোববার দিবগত রাতে ইন্তেকাল করেন জিয়া আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের রেখে গেছেন।
জিয়া আহমেদের বড় ছেলে আবীর আহমেদ জিয়া জানান, ‘‘মধ্যরাতের পরে বাবার বুকে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত তাকে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
মরহুমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী শুক্রবার তার কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ওই দিন বাদ আছর বারিধারা ডিওএইচএস মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
বিটিআরসির মহাপরিচালক রেজাউল কাদের জানান, ‘‘তিনি রোববার বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত অফিসে ছিলেন। দুটি নির্ধারিত সভায় অংশও নিয়েছিলেন। তাঁকে স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল।’’
তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিন বছরের জন্য বিটিআরসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান। মেয়াদ শেষ হলে তাকে আরো এক বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তার নিয়োগের মেয়াদ ছিল। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে থাকা জিয়া আহমেদকে অবসরে পাঠানো হলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তাকে সেনা বাহিনীতে ফিরিয়ে এনে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ১৯৭৫ সালে কমিশন পাওয়া জিয়া আহমেদ দীর্ঘদিন সিগন্যাল কোরে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনীর সিগন্যাল ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড স্কুল কমান্ডেন্টসহ সিগন্যাল স্কুলের চিফ ইন্সট্রাকটর পদেও ছিলেন তিনি। ছিলেন এনএসআইএর পরিচালক।
তিনি মোজাম্বিকে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দায়িত্বও পালন করেছেন। সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়ার পর তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থায় পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন।
পাশাপাশি তিনি সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
জিয়া আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার টেলিযোগাযোগ আইনের বেশ কিছু সংশোধনীসহ বেশ কয়েকটি নীতিমালায় পরিবর্তন হয়। তাছাড়া দশ সেকেন্ড পালস কার্যকর করা, গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে তার অন্যান্য পদক্ষেপও বেশ প্রশংসা কুড়ায়।
ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয় জিয়া আহমেদের প্রথম নামাযে জানাজা। জানাজায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনু, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, সাবেক সেনাপ্রধান নূর উদ্দিন খান, হারুনুর রশীদ, পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, বিটিআরসি, বিটিসিএল, বিএসসিসিএল-এর কর্মকর্তা এবং মোবাইল ফোন অপারেটরদের প্রতিনিধি, বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বত্ত্বাধিকারীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বাদ আছর বারিধারা ডিওএইচএস মসজিদে তার দ্বিতীয় দফা জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রসঙ্গত, রোববার দিবগত রাতে ইন্তেকাল করেন জিয়া আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানুধ্যায়ীদের রেখে গেছেন।
জিয়া আহমেদের বড় ছেলে আবীর আহমেদ জিয়া জানান, ‘‘মধ্যরাতের পরে বাবার বুকে তীব্র ব্যথা অনুভূত হলে দ্রুত তাকে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু হওয়ার এক ঘণ্টা পরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
মরহুমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আগামী শুক্রবার তার কুলখানি অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে ওই দিন বাদ আছর বারিধারা ডিওএইচএস মসজিদে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
বিটিআরসির মহাপরিচালক রেজাউল কাদের জানান, ‘‘তিনি রোববার বিকাল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত অফিসে ছিলেন। দুটি নির্ধারিত সভায় অংশও নিয়েছিলেন। তাঁকে স্বাভাবিক দেখাচ্ছিল।’’
তিনি ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তিন বছরের জন্য বিটিআরসির চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান। মেয়াদ শেষ হলে তাকে আরো এক বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়। আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তার নিয়োগের মেয়াদ ছিল। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের সময় সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে থাকা জিয়া আহমেদকে অবসরে পাঠানো হলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তাকে সেনা বাহিনীতে ফিরিয়ে এনে মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেয়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ১৯৭৫ সালে কমিশন পাওয়া জিয়া আহমেদ দীর্ঘদিন সিগন্যাল কোরে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনীর সিগন্যাল ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড স্কুল কমান্ডেন্টসহ সিগন্যাল স্কুলের চিফ ইন্সট্রাকটর পদেও ছিলেন তিনি। ছিলেন এনএসআইএর পরিচালক।
তিনি মোজাম্বিকে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে দায়িত্বও পালন করেছেন। সেনাবাহিনী থেকে অবসরে যাওয়ার পর তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন সংস্থায় পরামর্শক হিসেবেও কাজ করেছেন।
পাশাপাশি তিনি সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
জিয়া আহমেদ দায়িত্ব নেওয়ার টেলিযোগাযোগ আইনের বেশ কিছু সংশোধনীসহ বেশ কয়েকটি নীতিমালায় পরিবর্তন হয়। তাছাড়া দশ সেকেন্ড পালস কার্যকর করা, গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে তার অন্যান্য পদক্ষেপও বেশ প্রশংসা কুড়ায়।
বিডিআর হত্যা মামলায় নানকের সাক্ষ্যদান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিডিআর হত্যা মামলায় নানকের সাক্ষ্যদান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশে বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হবার ঘটনায় দায়ের
করা হত্যা মামলার সোমবার সাক্ষ্য দিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী
জাহাঙ্গীর কবির নানক।
আদালতে তিনি বলেছেন, সরকারের সময়োপোযোগী উদ্যোগের কারণেই বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
বিদ্রোহের দিন নানক সরকারের তরফ থেকে বিদ্রোহীদের সাথে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি পিলখানায় গোলাগুলির মধ্যে দিয়েই একটি সাদা পতাকা হাতে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
ফলে তাকে এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পিলখানা হত্যা মামলার বিচার এখন চলছে ঢাকার পুরনো অংশে যে বিশেষ আদালতে, সোমবার সেই আদালতে গিয়ে জবানবন্দি দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
প্রায় এক ঘণ্টার সেই জবানবন্দিতে ওই সময়ের ঘটনা পরম্পরা তুলে ধরেছেন মিস্টার নানক, বলছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এসময় আদালতে কারাগারে আটক আটশো সাতাশজন অভিযুক্তকেও নিয়ে আসা হয়। দর্শকসারিতে উপস্থিত ছিলে মির্জা আজম ছাড়াও বহু সাংবাদিক।
সকাল সাড়ে নটায় নানক জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন। এক ঘণ্টার জবানবন্দি শেষে আরো প্রায় তিন ঘন্টা ধরে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম।
পুরো সময়টা জুড়েই আদালতে ছিল পিনপতন নিরবতা, বলছিলেন সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সংবাদদাতা ওমর ফারুক।
ফারুক বলছিলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী মিস্টার নানকের কাছে জানতে চান, ঘটনার দিন এত দ্রুততার সাথে তিনি সাদা পতাকা কিভাবে জোগাড় করেন? এর জবাবে নানক বলেন, ওটা ছিল একটি সাদা রঙের শপিং ব্যাগ। একজন পথচারীর কাছ থেকে তিনি ওটি সংগ্রহ করেছিলেন।
জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওইসময় সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণেই বিদ্রোহ এত ব্যাপক আকার ধারণ করেছিলো। জবাবে নানক বলেন, এ অভিযোগ সঠিক নয়, বরং সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে দেশ একটি গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
সেদিন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নানকের অপর সঙ্গী মির্জা আজম এর আগেই তার সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার আরো সাক্ষ্য দেন, ঘটনার দিন পিলখানার ওপর যে সেনা হেলিকপ্টারটিকে উড়তে দেখা গিয়েছিলো সেটির পাইলট উইং কমান্ডার সৈয়দ ফখরুদ্দীন মাসুদ।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ওই বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭জন সেনাকর্মকর্তাসহ সামরিক ও বেসামরিক মোট ৭৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়।
দ্বিতীয় দিনে বিদ্রোহ শেষ হয়ে গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটির শৃঙ্খলা কার্যত ভেঙে পড়ে।
এক পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সংস্থাটির নাম পরবির্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি রাখে, এমনকি বদলে ফেলা হয় সদস্যদের পোশাকের রঙও। সূত্র: বিবিসি।
আদালতে তিনি বলেছেন, সরকারের সময়োপোযোগী উদ্যোগের কারণেই বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি গৃহযুদ্ধের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
বিদ্রোহের দিন নানক সরকারের তরফ থেকে বিদ্রোহীদের সাথে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিলেন এবং এজন্য তিনি পিলখানায় গোলাগুলির মধ্যে দিয়েই একটি সাদা পতাকা হাতে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন।
ফলে তাকে এই মামলার একজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
পিলখানা হত্যা মামলার বিচার এখন চলছে ঢাকার পুরনো অংশে যে বিশেষ আদালতে, সোমবার সেই আদালতে গিয়ে জবানবন্দি দেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।
প্রায় এক ঘণ্টার সেই জবানবন্দিতে ওই সময়ের ঘটনা পরম্পরা তুলে ধরেছেন মিস্টার নানক, বলছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
এসময় আদালতে কারাগারে আটক আটশো সাতাশজন অভিযুক্তকেও নিয়ে আসা হয়। দর্শকসারিতে উপস্থিত ছিলে মির্জা আজম ছাড়াও বহু সাংবাদিক।
সকাল সাড়ে নটায় নানক জবানবন্দি দেয়া শুরু করেন। এক ঘণ্টার জবানবন্দি শেষে আরো প্রায় তিন ঘন্টা ধরে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিরুল ইসলাম।
পুরো সময়টা জুড়েই আদালতে ছিল পিনপতন নিরবতা, বলছিলেন সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশের একটি জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের সিনিয়র সংবাদদাতা ওমর ফারুক।
ফারুক বলছিলেন, আসামিপক্ষের আইনজীবী মিস্টার নানকের কাছে জানতে চান, ঘটনার দিন এত দ্রুততার সাথে তিনি সাদা পতাকা কিভাবে জোগাড় করেন? এর জবাবে নানক বলেন, ওটা ছিল একটি সাদা রঙের শপিং ব্যাগ। একজন পথচারীর কাছ থেকে তিনি ওটি সংগ্রহ করেছিলেন।
জেরায় আসামিপক্ষের আইনজীবী অভিযোগ করেন, ওইসময় সরকারের সমন্বয়হীনতার কারণেই বিদ্রোহ এত ব্যাপক আকার ধারণ করেছিলো। জবাবে নানক বলেন, এ অভিযোগ সঠিক নয়, বরং সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তের কারণে দেশ একটি গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পেয়েছিল।
সেদিন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নানকের অপর সঙ্গী মির্জা আজম এর আগেই তার সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার আরো সাক্ষ্য দেন, ঘটনার দিন পিলখানার ওপর যে সেনা হেলিকপ্টারটিকে উড়তে দেখা গিয়েছিলো সেটির পাইলট উইং কমান্ডার সৈয়দ ফখরুদ্দীন মাসুদ।
উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের ওই বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭জন সেনাকর্মকর্তাসহ সামরিক ও বেসামরিক মোট ৭৪ জন মানুষের মৃত্যু হয়।
দ্বিতীয় দিনে বিদ্রোহ শেষ হয়ে গেলেও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী এই বাহিনীটির শৃঙ্খলা কার্যত ভেঙে পড়ে।
এক পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকার সংস্থাটির নাম পরবির্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি রাখে, এমনকি বদলে ফেলা হয় সদস্যদের পোশাকের রঙও। সূত্র: বিবিসি।
মামলা থেকে বুয়েট আন্দোলনকারীদের অব্যাহতির শুনানি ১০ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মামলা থেকে বুয়েট আন্দোলনকারীদের অব্যাহতির শুনানি ১০ অক্টোবর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভিসির পদত্যাগের দাবিতে
আন্দোলনরত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে চুরি ও ভাঙচুরের মামলা থেকে
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরে আসতে চাওয়ায় আসামিদের অব্যাহতির আবেদন করে
চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। ঢাকার একটি আদালতে পুলিশ রোববার ‘চূড়ান্ত
প্রতিবেদন’ দায়ের করার পর সোমবার আদালত আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতির
শুনানির দিন ধার্য করেছেন আগামী ১০ অক্টোবর।
আন্দোলনকারী অধ্যাপক মাকসুদ হেলালীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মামলায় এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া পুলিশ। রোববার শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) এম এ জলিল এ প্রতিবেদন দাখিল করেন মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক কেশব রায় চৌধুরী আগামী ১০ অক্টোবর এর ওপর শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।
প্রসঙ্গত, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলো বুয়েটের ভিসি এবং প্রো ভিসির পদত্যাগ/অপসারণের দাবিতে ছাত্র শিক্ষকরা আন্দোলনসহ ক্লাস বর্জন শুরু করেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সহকারি রেজিস্ট্রার গোলাম কুদ্দুস খান গত ২ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় শিক্ষক ছাত্র সহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উল্লিখিত ঘটনায় মামলা ফাইলকারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আসামিদের সঙ্গে আপোষ-মীমাংসায় উপনীত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়ায় প্রয়োজন বলে মামলার আইও উল্লেখ করেন।
আন্দোলনকারী অধ্যাপক মাকসুদ হেলালীসহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুটি মামলায় এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া পুলিশ। রোববার শাহবাগ থানার ওসি (তদন্ত) এম এ জলিল এ প্রতিবেদন দাখিল করেন মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক কেশব রায় চৌধুরী আগামী ১০ অক্টোবর এর ওপর শুনানির জন্য পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। ওই দিন এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত।
প্রসঙ্গত, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলো বুয়েটের ভিসি এবং প্রো ভিসির পদত্যাগ/অপসারণের দাবিতে ছাত্র শিক্ষকরা আন্দোলনসহ ক্লাস বর্জন শুরু করেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়টির সহকারি রেজিস্ট্রার গোলাম কুদ্দুস খান গত ২ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় শিক্ষক ছাত্র সহ মোট ২৪ জনের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উল্লিখিত ঘটনায় মামলা ফাইলকারী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আসামিদের সঙ্গে আপোষ-মীমাংসায় উপনীত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেয়ায় প্রয়োজন বলে মামলার আইও উল্লেখ করেন।
Monday, September 10, 2012
বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে রূপগঞ্জ রণক্ষেত্র, আহত দুই শতাধিক :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে রূপগঞ্জ রণক্ষেত্র, আহত দুই শতাধিক :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
মিছিলে বাধা দেয়াকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে যুবদল ও ছাত্রদলের
সঙ্গে পুলিশের ঘন্টাব্যাপী সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রোববার
বিকালে উপজেলার ভুলতা এলাকা এ ঘটনা ঘটে। এতে ওই এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত
হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে ১২ ছাত্রদলের নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, যুবদল-ছাত্রদল নেতাকর্মীসহ প্রায় দুই শতাধিক আহত হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ কর্মীরা অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট। এসময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব এসে ধাওয়া করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের সাত কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ, যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে রোববার বিকাল চারটার দিকে ছাত্রদল ও যুবদল ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়কে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান মনির সমর্থিত যুবদল নেতা আশরাফুল হক রিপন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ার সাদাত সায়েম ও আমিরুল ইসলাম ইমনে। মিছিলে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেয়।
মিছিলটি ভুলতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এলে পুলিশ ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এসময় ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও ছাত্রদল-যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ পরিস্থিতি ঘণ্টাব্যাপী অব্যাহত ছিল।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আনতে প্রায় দুশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল ছোড়ে। এসময় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল ও যুবদল কর্মী ফারুক মিয়া, রাজু হোসেন, জাহিদ মিয়া, শাহাদৎ হোসেন, আরিফ মিয়া, রাসেল আহমেদ, লিটন মিয়া, রাজিব মিয়া, সাজোয়ার হোসেন, সজিব হোসেন, আমজাদ হোসেন, আকতার হোসেন আহত হন।
এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে আশরাফুল হক রিপন, আনোয়ার সাদাত সায়েম, আমিরুল ইসলাম ইমনসহ প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালে কালেরকন্ঠের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি রাসেল আহমেদ, বার্তা২৪ ডটনেট’র জিএম সহিদ, বাংলানিউজ২৪ ডটকমের সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সময়ের জয়নাল আবেদীন জয় ও আজকালের খবরের রিয়াজ হোসেন আহত হয়েছে।
এদিকে নেতাকর্মীদের লাঠির আঘাত ও ঢিলে রূপগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আলমগীর হোসেন, উপ-পরিদর্শক মঞ্জুদ্দোহা, আবু বক্কর মাতুববর, আনিসুর রহমান, মোস্তফা কামাল, উপ-সহকারী পরিদর্শক মাজাহারুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মনির হোসেন, নায়েক সুবেদার মান্নান, খাইরুলসহ ২০ পুলিশ আহত হয়েছে।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব এসে নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে এদের একটি অংশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বলাইখা এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের ধাওয়া করে। রাত ৭ টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এসময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে ভুলতা এলাকায় মহড়া দেয়। তারা বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর করে।
নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “পুলিশ ছাত্রদল-যুবদলের শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে। তারা গণতন্ত্রকে হরণ করেছে। স্থানীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর নির্দেশেই পুলিশ এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বাধা দিলে দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।
নারায়নগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার শেখ নাজমুল আলম বলেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে।
সংঘর্ষ চলাকালে পুলিশ ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষে ১২ ছাত্রদলের নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছে। এছাড়া পুলিশ, সাংবাদিক, যুবদল-ছাত্রদল নেতাকর্মীসহ প্রায় দুই শতাধিক আহত হয়েছে।
বিক্ষুব্ধ কর্মীরা অর্ধশতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করেছে। সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট। এসময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
পরে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব এসে ধাওয়া করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছাত্রদল ও যুবদলের সাত কর্মীকে গ্রেফতার করেছে।
পুলিশ, যুবদল-ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে রোববার বিকাল চারটার দিকে ছাত্রদল ও যুবদল ভুলতা-মুড়াপাড়া সড়কে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মনিরুজ্জামান মনির সমর্থিত যুবদল নেতা আশরাফুল হক রিপন, ছাত্রদল নেতা আনোয়ার সাদাত সায়েম ও আমিরুল ইসলাম ইমনে। মিছিলে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেয়।
মিছিলটি ভুলতা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এলে পুলিশ ব্যারিকেড সৃষ্টি করে। এসময় ছাত্রদল ও যুবদলের কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এক পর্যায়ে নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে পুলিশ ও ছাত্রদল-যুবদল নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ পরিস্থিতি ঘণ্টাব্যাপী অব্যাহত ছিল।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রেণে আনতে প্রায় দুশতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল ছোড়ে। এসময় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদল ও যুবদল কর্মী ফারুক মিয়া, রাজু হোসেন, জাহিদ মিয়া, শাহাদৎ হোসেন, আরিফ মিয়া, রাসেল আহমেদ, লিটন মিয়া, রাজিব মিয়া, সাজোয়ার হোসেন, সজিব হোসেন, আমজাদ হোসেন, আকতার হোসেন আহত হন।
এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে আশরাফুল হক রিপন, আনোয়ার সাদাত সায়েম, আমিরুল ইসলাম ইমনসহ প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালে কালেরকন্ঠের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি রাসেল আহমেদ, বার্তা২৪ ডটনেট’র জিএম সহিদ, বাংলানিউজ২৪ ডটকমের সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ সময়ের জয়নাল আবেদীন জয় ও আজকালের খবরের রিয়াজ হোসেন আহত হয়েছে।
এদিকে নেতাকর্মীদের লাঠির আঘাত ও ঢিলে রূপগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার আলমগীর হোসেন, উপ-পরিদর্শক মঞ্জুদ্দোহা, আবু বক্কর মাতুববর, আনিসুর রহমান, মোস্তফা কামাল, উপ-সহকারী পরিদর্শক মাজাহারুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মনির হোসেন, নায়েক সুবেদার মান্নান, খাইরুলসহ ২০ পুলিশ আহত হয়েছে।
সন্ধ্যা ছয়টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ ও র্যাব এসে নেতাকর্মীদের ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরে এদের একটি অংশ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বলাইখা এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাদের ধাওয়া করে। রাত ৭ টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।
এসময় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিসোটা নিয়ে ভুলতা এলাকায় মহড়া দেয়। তারা বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর করে।
নারায়নগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও থানা বিএনপির সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, “পুলিশ ছাত্রদল-যুবদলের শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠিচার্জ করেছে। তারা গণতন্ত্রকে হরণ করেছে। স্থানীয় এমপি গোলাম দস্তগীর গাজীর নির্দেশেই পুলিশ এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের বাধা দিলে দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।
নারায়নগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার শেখ নাজমুল আলম বলেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে ২০০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও ৪০ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে।
সোনারগাঁওয়ে অপহৃত শ্রমিককে লাশ উদ্ধার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনারগাঁওয়ে অপহৃত শ্রমিককে লাশ উদ্ধার :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলা অপহৃত এক পরিবহণ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে
পুলিশ। রোববার উপজেলার হাবিবপুর কবরস্থানের পাশের একটি ঘরের মেঝে খুঁড়ে
লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শ্রমিকের নাম মিজানুর রহমান (২৫)। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানার পুরাতন চাকলা গ্রামে। তিনি সোনারগাঁওয়ের হাবিবপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও নিহতের পিতা হামিদ জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৩০ আগস্ট স্থানীয় সন্ত্রাসী আমীরের সহযোগী হৃদয়, জনি ও রোমান মিজানুর রহমানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। মিজান বাড়ি ফিরে না আসায় তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। পরে তাকে না পেয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
রোববার সকালে নিহতের পিতা হামিদকে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা মিজান হত্যার তথ্য দিলে তিনি তাৎক্ষনিক সোনারগাঁও থানা-পুলিশকে অবহিত করেন। পরে দুপুরে পুলিশ স্থানীয় হাবিবপুর কবরস্থানের পাশে সন্ত্রাসী আমিরের চাচা নুরুজ্জামানের জামাতা হাবুর একচালা টিনের ঘরের ভেতরে মেঝের মাটি খুঁড়ে মিজানের লাশ উদ্ধার করে। লাশটি বস্তাবন্দি ও হাত-পা বাঁধা ছিল।
নিহতের পিতা হামিদ বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমি এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সোনারগাঁও থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করেছে।
নিহত শ্রমিকের নাম মিজানুর রহমান (২৫)। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থানার পুরাতন চাকলা গ্রামে। তিনি সোনারগাঁওয়ের হাবিবপুর এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পুলিশ ও নিহতের পিতা হামিদ জানান, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে গত ৩০ আগস্ট স্থানীয় সন্ত্রাসী আমীরের সহযোগী হৃদয়, জনি ও রোমান মিজানুর রহমানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। মিজান বাড়ি ফিরে না আসায় তার পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে। পরে তাকে না পেয়ে সোনারগাঁও থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
রোববার সকালে নিহতের পিতা হামিদকে অজ্ঞাত ব্যাক্তিরা মিজান হত্যার তথ্য দিলে তিনি তাৎক্ষনিক সোনারগাঁও থানা-পুলিশকে অবহিত করেন। পরে দুপুরে পুলিশ স্থানীয় হাবিবপুর কবরস্থানের পাশে সন্ত্রাসী আমিরের চাচা নুরুজ্জামানের জামাতা হাবুর একচালা টিনের ঘরের ভেতরে মেঝের মাটি খুঁড়ে মিজানের লাশ উদ্ধার করে। লাশটি বস্তাবন্দি ও হাত-পা বাঁধা ছিল।
নিহতের পিতা হামিদ বলেন, “সন্ত্রাসীরা আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমি এ হত্যার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সোনারগাঁও থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান শুরু করেছে।
এক বছরে দ্বিগুণ সম্পদের মালিক মনমোহন :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
এক বছরে দ্বিগুণ সম্পদের মালিক মনমোহন :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
তবে ভারতের মন্ত্রিদের মধ্যে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক হচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে এ্যান্তনি। তার সম্পদের মূল্য মাত্র ৫৫ লাখ রুপি।
সম্পদের হিসাব দিতে গিয়ে মনমোহন সিং বলেছেন, “তার মালিকানায় রয়েছে নিজের বসতবাড়ি, ব্যাংক ডিপোজিট আর একটি ৮০০ সিসি মারুতি গাড়ি। এছাড়া চন্ডিগড় ও নয়া দিল্লিতে তার দু'টি ফ্ল্যাট রয়েছে যার মূল্য সাত কোটি ২৭ লাখ রুপি। আর দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ডিপোজিট ও বিনিয়োগের পরিমাণ হচ্ছে তিন কোটি ৪৬ লাখ রুপি। মারুতি গাড়িটির দাম দেখানো হয়েছে ২১ হাজার ৩৩ রুপি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক দেশটির অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। তিনি যৌথ পরিবারে বসবাস করেন এবং তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৯৪ কোটি চার লাখ রুপি।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের সম্পদের পরিমাণ এবং এসব সম্পদ অর্জনের উপায় নিয়ে যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তা দেশের জনগণের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কয়লাখনি দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে এবং এ ইস্যুতে দেশটির জাতীয় সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন ভয়াবহ অচলাবস্থার মধ্যদিয়ে মাত্র দু'দিন আগে শেষ হয়েছে তার ওপর এই সম্পদের হিসাব প্রকাশ কিছুটা প্রলেপ লাগাতে পারে।
মাত্র এক বছরের মাথায় দ্বিগুণ সম্পদের মালিক বনে গেছেন ভারতের
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। রোববার জি নিউজে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ
করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, বর্তমানে মনমোহনের সম্পদের পরিমাণ ১০ কোটি ৭৩ লাখ রুপি অথচ গত বছর এই সম্পদের পরিমাণ ছিল এর অর্ধেক।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, মনমোহন সিং’র মন্ত্রিসভার অনেক সদস্যই তার চেয়ে
বেশি ধনী। এরমধ্যে অন্যতম হলেন শিল্পমন্ত্রী প্রফুল প্যাটেল ও কৃষিমন্ত্রী
শারদ পাওয়ার। প্রফুল্ল প্যাটেলের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে ৫২ কোটি রুপি।
অন্যদিকে শারদ পাওয়ারের সম্পদের পরিমাণ ২২ কোটি রুপি। এছাড়া শ্রমমন্ত্রী
এমকে আযাগিরিও রয়েছেন এই ধনী মন্ত্রীর তালিকায়। তার মোট সম্পদের পরিমাণ
নয় কোটি রুপি।
তবে ভারতের মন্ত্রিদের মধ্যে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক হচ্ছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী একে এ্যান্তনি। তার সম্পদের মূল্য মাত্র ৫৫ লাখ রুপি।
প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের সম্পদের এই হিসাব সরবরাহ করা হয়েছে খোদ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে।
সম্পদের হিসাব দিতে গিয়ে মনমোহন সিং বলেছেন, “তার মালিকানায় রয়েছে নিজের বসতবাড়ি, ব্যাংক ডিপোজিট আর একটি ৮০০ সিসি মারুতি গাড়ি। এছাড়া চন্ডিগড় ও নয়া দিল্লিতে তার দু'টি ফ্ল্যাট রয়েছে যার মূল্য সাত কোটি ২৭ লাখ রুপি। আর দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ডিপোজিট ও বিনিয়োগের পরিমাণ হচ্ছে তিন কোটি ৪৬ লাখ রুপি। মারুতি গাড়িটির দাম দেখানো হয়েছে ২১ হাজার ৩৩ রুপি।
গত বছর মনমোহনের এ সম্পদের পরিমাণ ছিল পাঁচ কোটি ১১ লাখ রুপি। সেসময় তার
দু’টি ফ্ল্যাটের দাম ঘোষণা করা হয়েছিল এক কোটি ৭৮ লাখ রুপি। অবশ্য সে সময়
কিছু সোনার হিসাবও প্রকাশ করেছিলেন মনমোহন সিং।
তিনি জানিয়েছিলেন, তার মালিকানায় রয়েছে ১৫০.৮০ গ্রাম সোনা যার দাম হবে
দুই লাখ ৭৫ হাজার রুপি। তবে, মজার বিষয় হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন
সিংয়ের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে আসামে যাতে মাত্র ছয় হাজার পাঁচশ
১৫ রুপি ৭৮ পয়সা আছে। আর সম্পদ বেড়ে যাওয়ার ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে-
মনমোহনের সম্পদের পরিমাণ বাড়েনি; শুধু দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আগের
সম্পদেরই মূল্যমান বেড়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি সম্পদের মালিক দেশটির অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। তিনি যৌথ পরিবারে বসবাস করেন এবং তার পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৯৪ কোটি চার লাখ রুপি।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রকাশিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের সম্পদের পরিমাণ এবং এসব সম্পদ অর্জনের উপায় নিয়ে যে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তা দেশের জনগণের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কয়লাখনি দুর্নীতির যে অভিযোগ উঠেছে এবং এ ইস্যুতে দেশটির জাতীয় সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন ভয়াবহ অচলাবস্থার মধ্যদিয়ে মাত্র দু'দিন আগে শেষ হয়েছে তার ওপর এই সম্পদের হিসাব প্রকাশ কিছুটা প্রলেপ লাগাতে পারে।
উল্লেখ্য, শুধু মনমোহন সিং নয় ভারতের অন্য অনেক মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
















