Pages

Tuesday, September 18, 2012

রোমান্সের বিষয়ে শাহরুখকে কেউ হারাতে পারবে না: করণ

রোমান্সের বিষয়ে শাহরুখকেকেউ হারাতে পারবে না: করণ
 বয়সটা তার ভালোই হয়েছে। এ বছরের শেষে যশ চোপড়ার পরিচালনায় মুক্তি পেতে চলা সিনেমায় তার দাড়িতে পাক ধরতেও দেখা গেছে। রোমান্স ছেড়ে তাকে এখন সিরিয়াস রোল করার পরামর্শ দিচ্ছেন অনেকে। কিন্তু তার পছন্দের পরিচালক কিন্তু অন্য রকম কথাই বলছেন। নিন্দুকরা ভুরু কোঁচকাতেই পারেন, কিন্তু বলিউডে রোমান্টিক হিট সিনেমা বানানোর কারিগর করণ জোহর কিন্তু সেটাই বলছেন।

রোমান্টিক `k` সুপার সিরিজের পরিচালক করণ বলছেন, এখনও শাহরুখই `আলটিমেট কিং অফ রোমান্স`। আগামী মাসে করণ জোহরের পরিচালনায় মুক্তি পাচ্ছে রোমান্টিক কমেডি সিনেমা` স্টুডেন্ট অফ দি ইয়ার`। সেই সিনেমার প্রচারেই করণ বললেন, রোমান্টিক সিনেমার কথা ভাবলেই সবার আগে তার শাহরুখের কথাই মনে হয়। সেই সঙ্গে কিং খানকে করণের সার্টিফিকেট, “ আমার মনে হয় না রোমান্সের বিষয়ে শাহরুখকে কেউ হারাতে পারবে।” সূত্র: জিনিউজ।

বাংলাদেশী শাহিরা প্লেবয় ম্যাগাজিনে

বাংলাদেশী শাহিরা প্লেবয় ম্যাগাজিনে
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আইরিশ যুবতী শাহিরা বেরি। ২১ বসন্তের নজরকাড়া সুন্দরী। বসবাস আয়ারল্যান্ডের গ্যালওয়েতে। এরই মধ্যে তার রূপ-লাবণ্য পেয়েছে জগৎজোড়া খ্যাতি। এই সুবাদে হয়েছেন বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির মডেল। অন্তর্বাস থেকে শুরু করে মেয়েলি বিভিন্ন পণ্যে তাকে দেখা যায় খোলামেলা মডেল হিসেবে।

তার সেই রূপে চোখ আটকে গেছে বিশ্বখ্যাত প্লেবয় ম্যাগাজিনের হিউ হেফনারের। তিনি তাকে প্লেবয়ের মডেল হওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্লেবয়ের মডেল হওয়া মানে ক্যামেরার সামনে কাপড় খুলে দাঁড়ানো। স্টিল ছবি ধারণ, ভিডিও ধারণ। তারপর সেই নগ্ন ছবি প্লেবয় ম্যাগাজিনে ছাপা হওয়া। তার সূত্র ধরে একের পর এক সাক্ষাৎকার দেয়া। আরো কত কি!

যেমনটা করেছেন ভারতের এ সময়ের বহুল আলোচিত গায়িকা-নায়িকা শেরলিন চোপরা। তিনি প্লেবয়ের ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন একেবারে বিবস্ত্র হয়ে। প্লেবয়ে তা ছাপা হওয়ার আগেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু শাহিরা স্বল্প বসনে মডেলিং করলেও প্লেবয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে একেবারে বিবস্ত্র হতে রাজি ছিলেন না। তার চেয়ে বড় কথা তার পরিবার তাতে সায় দেয়নি। তাই হিউ হেফনারের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছেন শাহিরা। কিন্তু কোন কোন মিডিয়া খবর দিয়েছে তিনি রাজি হয়ে গেছেন প্লেবয়ের প্রস্তাবে।

সম্প্রতি তিনি সফর করেছেন প্লেবয় ম্যানসনে। পার্টি করেছেন। প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে কি হবে! তার মনে গেঁথে গেছে প্লেবয়ের ওই বুড়ো প্রেমিক হিউ হেফনারকে। তাই তো এ মাসের শুরুতে তিনি লস অ্যানজেলেস ঘুরতে যান। সেখানে গিয়েই প্লেবয় ম্যানসনে ঢুঁ মারতে ভুল করেন নি শাহিরা।

হিউ হেফনারকে দেখার পর তার মন্তব্য- আমি এত লাভলি মানুষ কখনো দেখিনি। প্লেবয়ের পার্টি মানেই যে কেউ বুঝে নেন অন্যকিছু- রগরগে পার্টি। মদে সয়লাব। স্বল্পবসনা নারীর এলোমেলো চলাফেরা। উন্মাতাল নাচ। সুইমিং পুলে ভালোবাসায় বিভোর থাকা। কিন্তু হিউ হেফনারের দেয়া নৈশভোজে তেমন রগরগে কোনো ঘটনা ছিল না। ওই রাতে গার্লফেন্ডদের সঙ্গে মজা করতে হাজির ছিলেন তিনি নিজে।

শাহিরা বেরি বলেন- আমার সঙ্গে পরিচয়ের পর তিনি আমাকে বার বার তার পার্টিতে যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বলেছেন, তোমার জন্য সব সময়ই আমার দরজা খোলা। এসব খবরে পশ্চিমা মিডিয়া এখন সয়লাব। তবে শাহিরা বেরি’কে পরিচয় দেয়া হচ্ছে হাফ-বাংলাদেশী মডেল হিসেবে। হাফ বাংলাদেশী মডেল মানে হলো তার পিতা বাংলাদেশী, না হয় তার মা বাংলাদেশী।

কিন্তু কোনো রিপোর্টেই তাদের কারো নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হয় না। বলা হয়নি শাহিরার পিতা নাকি মা বাংলাদেশী। এ বছরের ১৪ই মে আয়ারল্যান্ডের অনলাইন পত্রিকা দ্য কোন্যাচট্ সেন্টেনিয়াল তাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, শাহিরার বসবাস আয়ারল্যান্ডের গ্যালওয়েতে। তাকে প্লেবয়ের জন্য পোজ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কিন্তু তিনি সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে ছবির পোজ দিতে রাজি নন।

বলেছেন, এমন পোজ দেয়াতে তার আগ্রহ নেই। হিউ হেফনারের প্লেবয় ম্যাগাজিনের জন্য মডেল যারা নির্বাচন করেন তাদের প্রধান স্যাম রিমা প্রস্তাব পাঠান শাহিরাকে। এর পরপরই আয়ারল্যান্ডের একটি ম্যাগাজিনে খবর প্রকাশিত হয় যে, তিনি প্লেবয়ের প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। তবে তা প্রত্যাখ্যান করে তখন শাহিরা জানিয়ে দেন- আমার মায়ের চেয়ে বয়সে বুড়ো অথবা আমার নানা-নানীর চেয়ে বয়সে বড় এমন কোনো লোকের প্রতি আমার কোনো আগ্রহ নেই।

প্লেবয় থেকে তাকে মে মাসে তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আমন্ত্রণ জানায়। এর কিছুদিন পরই তার এ বছরের জন্য লস অ্যানজেলেসে সফরে যাওয়ার কথা। তাছাড়া, অন্যান্য মডেলিংয়ের কাজ নিয়ে তিনি ব্যস্ত। তিনি সম্ভব হলে তখন এক ঢিলে দুই পাখি শিকার করবেন।

শাহিরা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত টগবগে যুবতী। তাকে তার কাজের জন্য সমর্থন দেয় তার পরিবার। তার ক্যারিয়ারের সফলতার জন্য তার মা প্লেবয়কে প্রথম পছন্দ হিসেবে দেখেন না। তাই তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন শাহিরাকে। ফলে শাহিরাকে মিস করতে হয় প্লেবয়ের মতো বড় ইভেন্ট।

শাহিরা বলেন, আমাকে পরিবার থেকে এ কথা জানিয়ে বলা হয়- তোমার সফলতা পাওয়ার জন্য রয়েছে আরো অনেক পথ। ওদিকে এ খবর পেয়ে যায় আমেরিকার একটি ওয়েবসাইট।

তাতে শাহিরাকে তুলনা করা হয় এ সময়ের সেক্সসিম্বল, পুরুষখেকো কিম কারদাশিয়ানের সঙ্গে। এমন তুলনা করায় বেশ উৎসাহিত শাহিরা। এভাবে তাকে নিয়ে ইন্টারনেটে প্রচার দেখে শাহিরা প্লেবয়ের মডেল হোন বা না হোন স্বীকার করেছেন- এরই মধ্যে তিনি হিউ হেফনারের প্লেমেট অথবা মনের কাছের মেয়ে-বন্ধু হতে পেরেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি ছুটে গেছেন প্লেবয় ম্যানসনে।

তবে না, সেখানে ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে তাকে একের পর এক কাপড় খুলতে হয়নি। তিনি এ মাসের শুরুতে সেখানে গিয়েছিলেন এক সারপ্রাইজ ভিজিটে। সেখানে পল পার্টিতে তার দেখা হয় হিউ হেফনারের সঙ্গে। এক দেখাতেই ৮৬ বছর বয়সী হেফনারের যেন প্রেমে পড়ে গিয়েছেন শাহিরা।

তার চাহনি, তার অভিব্যক্তি, তার ব্যক্তিত্ব- সবই তাকে বিমোহিত করেছে। তাই এক বাক্যে হিউ হেফনার সম্পর্কে তার মন্তব্য- হি ইজ এ রিয়েল জেন্টেলম্যান। এ যাত্রায় শাহিরার সঙ্গে ছিলেন তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী টিনা জানোন-হায়িস।

তার সম্পর্কে শাহিরা বলেন, টিনাকে সঙ্গে নিয়ে আমি খুব উৎফুল্ল ছিলাম। তাকে ওই পার্টিতে নিয়ে যাওয়ার আগে তার একটি ছবি আয়োজকদের দিয়েছিলাম। তাতে বলে দেই- টিনা সত্যিকার অর্থেই এক হট মেয়ে। প্লেবয় ম্যানসনের স্টাফরা তার সেই ছবি অনুমোদন করে। এর পরই তাকে নিয়ে যাই ওই পার্টিতে। প্লেবয় ম্যানসনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে শাহিরা বলেন, সেখানে পুলে আমরা আনন্দ করেছি। অনুষ্ঠানে ছিল নাচ। নৈশভোজ করেছি হিউ হেফনারের সঙ্গে। তারপর ‘দ্য রাশ’ ছবির প্রিমিয়ার দেখেছি। তবে এ ছবিটি এখনো মুক্তি পায়নি। তবে সবকিছুর মধ্যে পুল পার্টি ছিল সবচেয়ে মজাদার। তাতে মাত্র ১৫ থেকে ২০ জনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

তবে বিভিন্ন ম্যাগাজিন বলছে, হিউ হেফনারের চোখে একবার যে সুন্দরী ধরা পড়ে তাকে এক গভীর মায়াজালে তিনি আটকে ফেলেন। তার বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন খুব কম নারীই। তাহলে কি একদিন না একদিন হিউ হেফনারের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যাবেন শাহিরা! তাকে দেখা যাবে প্লেবয়ের প্রচ্ছদে!

আয়ারল্যান্ডের অনলাইন হেরাল্ড এক প্রতিবেদনে লিখেছে- শাহিরা তার হৃদয় খুলে দিয়েছেন। মনকে প্রশস্ত করেছেন। তিনি স্বীকার করেন একদিন তিনি বিখ্যাত প্লেবয় ম্যাগাজিনের জন্য ছবির পোজ দেবেন। তিনি পূর্ণ জীবন চান। তিনি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে চান।

তিনি বলেন- জীবন স্বল্প সময়ের জন্য। এর মধ্যে যা পারো লুফে নাও। এর মধ্য দিয়েই কি হিউ হেফনার তাকে দীর্ঘ জীবন দিয়ে যাবেন! কারণ, প্লেবয়ের প্রচ্ছদে একবার উঠে এলে তা দীর্ঘজীবন টিকে থাকে, থাকবে।

নিজের সব কর্মকাণ্ড বিশ্ববাসীকে জানাতে শাহিরা বেরি খুলেছেন একটি ওয়েবসাইট। তাতে রাখা হয়েছে বেশ কয়েকটি অপশন। এর মধ্যে রয়েছে- হোম, এবাউট মি, গ্যালারি, নিউজ, ব্লগ, ভিডিওস, বুকিং ও কণ্টাক্ট। এতে নিজের সম্পর্কে তিনি লিখেছেন- আমার ওয়েবসাইটে সবাইকে স্বাগত। নিজের একটি ওয়েবসাইট করতে পেরে আমি আনন্দিত। এতে আমি সবকিছু শেয়ার করতে পারবো। আমি আমার জীবন সম্পর্কে সবকিছু তোমাদের জানাতে পারছি। এটি মেয়েলি একটি সাইট। এতে রয়েছে ফটোশুট থেকে ফ্যাশন। আমি ব্লগ লেখারও পরিকল্পনা করছি। নিয়মিত ডায়েরি ফলো করে তা লিখছি। রাখছি ভিডিও ব্লগস, ফটো ও পোস্ট। যে কেউ আমাকে ফলো করতে পারো।

এতে তার দৈহিক বিবরণ রয়েছে। তার বর্ণনা মতে, তার চুলের রঙ কালো। চোখের রঙ নীল/সবুজ। উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি। জুতার সাইজ ৫ (আমেরিকার মাপ)। এরপর গ্যালারিতে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন পণ্যের জন্য তিনি যেসব ফটোশুট করেছেন তারই স্লাইডশো, ভিডিও। এর বেশির ভাগেই নারীদের অন্তর্বাস পরা অবস্থায় দেখা যায় তাকে। ডিজি ড্রিমগার্লের মডেল হিসেবে তাকে দেখা গেছে। দেখা গেছে, এফএম-১০৪ এর মডেল হিসেবে। ওপেন হাউজ গ্যালওয়ের মডেল হিসেবে। তিনি হয়েছেন ভিনটেজ ড্রিমসের মডেল।

তবে তিনি নিজের সাইটে এখনো কোনো নিউজ পোস্ট করেননি। ভিডিও সেকশনে পোস্ট করা হয়েছে ৬টি ভিডিও। এতে তার দক্ষ মডেলিং ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ক্যামেরার সামনে। কোনোটিতে দেখা গেছে, শরীরের বেশির ভাগ কাপড় খুলে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতে। তাকে দেখা গেছে, বিভিন্ন ফ্যাশন শোতে। কন্টাক্টে দিয়েছেন নিজের ই-মেইল ঠিকানা। তাতেই সরাসরি যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়। তার রয়েছে টুইটার একাউন্ট। তাতেই তিনি গত ১২ সেপ্টেম্বর জানিয়েছেন, লস অ্যানজেলেস ছেড়ে আসতে হচ্ছে তাকে। এতে তার মন খুব খারাপ। রয়েছে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তাতে যোগ করেছেন অনেক ছবি। সূত্র: মানবজমিন

আসছে দাঁতের ক্ষয়রোগ ঠেকানোর টিকা

আসছে দাঁতের ক্ষয়রোগ ঠেকানোর টিকা
 দাঁতের ক্ষয়রোগ রোধ করার টিকা আবিস্কার করতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা। দাঁতের অন্যতম প্রধান রোগ হল দন্তক্ষয়। কাজেই এ টিকা বের হওয়ার ফলে দন্ত বিশেষজ্ঞ বা ওর‍্যাল সার্জনরা বেকার হয়ে পড়তে পারেন বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন।
 
দাঁতে ক্ষয়রোগ সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ব্যাকটেরিয়ার নাম 'মিউট্যানস স্ট্র্যাপ্টোকক্কি' (mutans streptococci) এ ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতা নষ্ট করে দিতে সক্ষম টিকাটি আবিষ্কার করেছেন আমেরিকার ফোর্সাইথ ইন্সটিটিউটের গবেষকরা।
 
দাঁতের গোড়ায় লেগে থাকা খাবারকে ভেঙে ফেলে এসব ব্যাকটেরিয়া এবং এ সময় তৈরি হয় 'ল্যাকটিক  এসিড’। এই এসিডের আক্রমণের ফলে দাঁত থেকে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো গুরুত্বপুর্ণ খনিজ পদার্থ উপরিভাগের অংশ অর্থাৎ এনামেল থেকে বের হয়ে যায়। আর এভাবেই দাঁতের ক্ষয়রোগ দেখা দেয়।
 
'মিউট্যানস স্ট্র্যাপ্টোকক্কি' এক ধরনের এনজাইম তৈরি করে এবং এর সাহায্যে দাঁতের গায়ে লেগে থাকে। বিজ্ঞানীরা যে নতুন টিকা বের করেছেন তা দেয়ার পর সক্রিয় হয় উঠবে মানব দেহ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। দেহ এসব ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলবে না বরং যে এনজাইমের সাহায্যে এ ব্যাকটেরিয়া দাঁতের গায়ে লেগে থাকে তা ধ্বংস করে দেবে। শেকড় কাটলে যেমন গাছ উপড়ে পড়ে তেমনি এনজাইম ধ্বংস হওয়ার ফলে দাঁতের গায়ে আর লেগে থাকতে পারবে না ব্যাকটেরিয়া। ভালোভাবে কুলি করলে বা থুথুর সঙ্গে এসব ব্যাকটেরিয়া মুখ থেকে বের হয়ে যাবে।
 
ইঁদুরের দেহে এ টিকার পরীক্ষা করা হয়েছে এবং দেখা গেছে ইঁদুরের দন্তক্ষয় হচ্ছে না। একইভাবে মানুষের দেহেও একই পরীক্ষা চালিয়ে সুফল পাওয়া গেছে।
 
এ গবেষণার সঙ্গে জড়িত বিজ্ঞানীরা বলছেন, এক বছর থেকেই দাঁত গজানো শুরু করে তাই দাঁত রক্ষার জন্য ওই বয়স থেকেই শিশুকে এ টিকা দিতে হবে। বড়রাও এ টিকার সুফল পাবেন বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
 
টিকা কিভাবে দেহে ঢোকানো হবে তাও নিয়ে ভেবেছেন বিজ্ঞানীরা। তারা সুঁই ফোটানোর ব্যাথার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ন্যাজাল ড্রপ বা নাকের ফোটার মাধ্যমে এ টিকা দেয়ার কথা ভাবছেন। অবশ্য এ টিকার ব্যাপক ব্যবহার কবে শুরু হবে তা এখনো জানা যায়নি। সূত্র: আইআরআইবি

প্যারাসিটামলে বধির হওয়ার আশঙ্কা

প্যারাসিটামলে বধির হওয়ার আশঙ্কা
 যেসব নারী নিয়মিত প্যারাসিটামল ও ইবুপ্রুফেন জাতীয় ব্যথানাশক ওষুধ সেবন করেন তাদের শ্রবণশক্তি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। যারা মাথাব্যথার কারণে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই বাজারে পাওয়া পেইনকিলার সেবন করেন তাদের একই ঝুঁকি থাকে বলে সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা গেছে।
 
আমেরিকার গবেষকরা প্রায় ৬২ হাজার নারীর ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখেছেন, যারা সপ্তাহে দু'বার পেইনকিলার সেবন করেন তাদের বধির হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের চেয়ে ১৩ শতাংশ বেশি। সপ্তাহে ছয় বার ইবুপ্রুফেন জাতীয় ওষুধ সেবন করলে বধির হওয়ার ঝুঁকি ২৪ শতাংশ। যারা সপ্তাহে ৬ দিন প্যারাসিটামল সেবন করেন তাদের বধির হওয়ার ঝুঁকি ২১ শতাংশ।
 
গবেষণায় অ্যাসপিরিন জাতীয় ওষুধ নেয়ার ক্ষেত্রে বধির হওয়ার ঝুঁকি দেখা যায়নি। ঠিক কী কারণে এসব ওষুধ গ্রহণে শ্রবণশক্তি হারানোর ঝুঁকি থাকে তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি গবেষকরা।
 
আমেরিকার নার্সেস হেলথ স্টাড কর্তৃক ১৯৯৫ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত নিবন্ধিত এক লাখ ১৬ হাজার রোগীকে পর্যবেক্ষণ করেন তারা। এসব মহিলাকে জিজ্ঞাসা করা হয় তারা কী পরিমাণ প্যারাসিটামল, ইবুপ্রুফেন বা অ্যাসপিরিন সেবন করেছেন। কতদিন থেকে তাদের শ্রবণশক্তির সমস্যা দেখা দিয়েছে। এতে দেখা যায় সংশ্লিষ্ট মহিলাদের শ্রবণশক্তি সমস্যা নির্ভর করছে প্যারসিটামল ও ইবুপ্রুফেন গ্রহণের সময়ের ওপর।
 
গবেষণা প্রতিবেদনের প্রণেতা ড. শ্যারন কারহান বলেন, এ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে প্যারসিটামল ও ইবুপ্রুফেন জাতীয় ওষুধ গ্রহণের সঙ্গে শ্রবণশক্তি কমার সম্পর্ক রয়েছে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে গবেষণা করে বধিরতার সংখ্যা কমানো যেতে পারে। সূত্র: ডেইলি মেইল

বিমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না: এমপি আজিম

বিমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না: এমপি আজিম
 নবম জাতীয় সংসদের একমাত্র স্বতন্ত্র সদস্য ফজলুল আজিম বাংলাদেশ বিমানের বর্তমান চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না সরকারের কাছে তা জানতে চেয়েছেন ।

তিনি বলেন, যে ব্যক্তির স্বেচ্চারিতার ফলে বিমান ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যাচ্ছে তার বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না?

সোমবার জাতীয় সংসদের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,  “বিমান হাজার কোটি লোকসানই দিচ্ছে না; প্রতিষ্ঠানটি বন্ধের উপক্রম। একে একে বিদেশী সব রুটে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমাদের জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের নিয়ে শ্রীলংকার উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা থাকলেও বিমান সেটি করতেও ব্যর্থ হয়েছে।” বিমানের দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের বিমানগুলো হাজার হাজার কোটি আয় করে নিচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বিমানকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রকারীদের কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছেনা সরকারের কাছে তা জানতে চান তিনি।

উল্লেখ্য, বিমানের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে এয়ার মার্শাল (অব.) জামাল উদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব পালন করছেন।

বিমানে সীমাহীন দুর্নীতির বিষয়ে ইতোমধ্যে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অসংখ্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের মেয়াদ ১ বছর বাড়লো

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ আইনের মেয়াদ ১ বছর বাড়লো

দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১০ সালে জারি করা আইনের মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানো হয়েছে।

একইসঙ্গে ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ সংশোধন) আইন, ২০১২’ এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ খসড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন ভূঞা সাংবাদিকদের জানান, দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর বিশেষ এ আইন প্রণয়ন করা হয়। দুই বছরের জন্য প্রণীত এ আইনের মেয়াদ আগামী ১২ অক্টোবর শেষ হবে।

এদিকে দেশে এখনো বিদ্যুৎ এবং জ্বালানির চাহিদা কমেনি। তাই সরবরাহ নিশ্চিত এবং দ্রুত করতে সরকার আইনটির মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবটি উপস্থাপন হলে মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন করেছে।

দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলা এবং বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি সম্পর্কিত খনিজসম্পদ দ্রুত আহরণ ও ব্যবহারের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি সংক্রান্ত এ আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

এতে স্বল্পসময়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ওয়েবসাইটে প্রচার, ই-মেইলে যোগাযোগ করে আলোচনা ও দর কষাকষির মাধ্যমে কেনা ও সেবামূল্য নিরূপণের বিধানও রাখা হয়েছে।

এ আইনের আওতায় দেশে কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালী কাজকর্মে বিদ্যুৎ ঘাটতিজনিত সমস্যা সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগ রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট, কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্লান্ট, ক্যাপটিভ পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন, চলমান প্লান্ট সমূহের মেরামত এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও বিদ্যুৎসাশ্রয়ী কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রম্নত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন ২০১০’ নামের ওই আইনে ১৪টি ধারা রয়েছে। তবে সংশোধন হচ্ছে শুধু দুই বছর মেয়াদ সংশ্লিষ্ট ধারাটি। এতে দুই বছরের পরিবর্তে আরো এক বছর যোগ করা হচ্ছে।

আইনটিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রকল্প নেয়া ও প্রক্রিয়াকরণ কমিটির মাধ্যমে পরিকল্পনার প্রাথমিক পর্যায় থেকে চূড়ান্ত পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক বা ক্রয় বিষয়ক ধারা রয়েছে।

নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে সংসদই তা স্থির করবে: সিইসি

নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে সংসদই তা স্থির করবে: সিইসি
 প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ বলেছেন, “আগামীতে কোন সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হবে সংসদই এটি স্থির করবে।”

তিনি বলেন, “নির্বাচন একটি রাজনৈতিক বিষয়। সংসদেই তার সুরাহা হবে। কমিশন যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রস্তুত।”

সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে গাজীপুর-৪ উপ-নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচন আয়োজনে বেশকিছু সরঞ্জাম আমদানি করতে হয়, তৈরি রাখতে হয়। যে জন্য অন্তত তিন থেকে ছয় মাস লাগে। আইন মোতাবেক কোনো নির্বাচন ৯০ দিন, কোনো নির্বাচন ১৮০ দিনের মধ্যে করতে হয়। অনেক কিছু স্বল্প সময়ে করা যায় না। ছয়মাস বা তারো বেশি সময় লাগে। এসব বিষয় আমরা প্রস্তুত রাখছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে ইসির যতটা ক্ষমতা দরকার হবে তা সুনির্দিষ্ট করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে।’’

ইতোপূর্বে নির্বাচনের সময় বিভিন্ন সংস্থার ওপর ইসির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গণমাধ্যমে সঠিকভাবে কমিশনের মনোভাব ‘প্রতিফলিত হয়নি’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আবু হাফিজ, আবদুল মোবারক, জাবেদ আলী ও মো. শাহনেওয়াজ, ইসি সচিব মোহাম্মদ সাদিক, রিটার্নিং কর্মকর্তা মিহির সারওয়ার মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

হলমার্কের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট

হলমার্কের টাকা আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট
 হলমার্ক কেলেঙ্কারির টাকা অবিলম্বে আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে হাই কোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ রিট আবেদনটি করেন।

হলমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চেয়ারম্যানের পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশনা চেয়েও আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখা (সাবেক শেরাটন) থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১০-১২ সময়ে দুই হাজার ৬৬৭ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাত্ করেছে হলমার্ক গ্রুপ। আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এই শাখা থেকে অর্থ আত্মসাত্ করেছে। এর মোট পরিমাণ তিন হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।

হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় গত ৩০ আগস্ট সোনালী ব্যাংক লিমিটেড বিভিন্ন পর্যায়ের ১৭ জন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে। বাংলাদেশ ব্যাংক ২৬ আগস্ট সোনালী ব্যাংককে হলমার্ক কেলেঙ্কারির জন্য চিহ্নিত ৩২ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে তা ৩০ আগস্টের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ অনুযায়ী কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করে ব্যাংকটি।

ছোটো মন্ত্রিসভা কিংবা এমপিদের তত্ত্বাবধায়ক-আপিল বিভাগের রায়ে নির্বাচনী সরকারের রূপরেখা

আপিল বিভাগের রায়ে নির্বাচনী সরকারের রূপরেখা
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে আপিল বিভাগের দেয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ে রোববার রাতে সই করেছেন বিভাগের ছয় বিচারক। এর আগে রায় চূড়ান্ত করার জন্য কয়েক দফায় আলোচনায় বসেন বিচারকরা। বেলা সাড়ে ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ আলোচনা চলে। পরে রাতে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রায়ে দেখা যায়; ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করে সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের দেয়া রায়ের সঙ্গে একমত হয়েছেন অপর তিন বিচারক, ফলে চার বনাম তিন সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত হলো বহুল আলোচিত এ রায়টি।

রায়ের ৪৩তম অংশে ‌'জনগণের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক চরিত্র, এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা'কে ‌'সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার ও রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি' সাব্যস্ত করে বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক ঘোষণা করেন যে (৪৪ এর ১০ অনুচ্ছেদ), ‘‘সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচারকে খর্ব করিয়াছে বিধায় উক্ত তর্কিত আইন অসাংবিধানিক ও অবৈধ, সুতরাং বাতিল হইবে।’’

পাশাপাশি রায়ে নির্বাচনকালীন সরকার নয়, বরং সুষ্ঠু নির্বাচনই মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে যে সেই লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) স্বাধীন করে একে জাতীয় নির্বাচনকালে বিশেষ বাড়তি ক্ষমতা দিতে হবে।

একইসঙ্গে নির্বাচনকালীন সরকার প্রসঙ্গে জাতীয় সংসদের বিবেচনার জন্য দুটি বিকল্প হাজির করা হয়েছে রায়ে। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন করা যেতে পারে বলে বলা হয়েছে।

বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ সাব্যস্ত করে তত্ত্বাবধায়ক বহাল রাখার পক্ষে রায় দিয়েছেন ‍দুই বিচারক, আর ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাখা বা না রাখার বিষয়টি জাতীয় সংসদের ওপর ছেড়ে দেয়ার রায় দিয়েছেন এক বিচারক।

গত বছরে মৌখিকভাবে সংক্ষিপ্ত রায় দেয়া বেঞ্চের নেতৃত্বে থাকা তখনকার প্রধান বিচারপতি খায়রুল সম্প্রতি পূর্ণাঙ্গ রায় লিখে তাতে সইয়ের পরে রোববার রাতে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট ছয় বিচারক বর্তমান প্রধান বিচারপতির কামরায় বৈঠক করে রায়ে সই করেন। গত বছর মৌখিক রায় দেয়ার সময় যারা বেঞ্চে ছিলেন- বর্তমান প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেন, রায় ঘোষণা কালের প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, আপিল বিভাগের অন্য বিচারকরা- এসকে সিনহা, মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞা, নাজমুন আরা সুলতানা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও মো. ইমান আলী রায়টিতে নিজেদের অংশ যোগ করে পূর্ণাঙ্গ এ রায়ে স্বাক্ষর করেন।

মোট ৭৪৭ পৃষ্ঠার রায়ে বিচারপতি খায়রুলের বাংলা ও ইংরেজি মিশিয়ে ৩৪২ পৃষ্ঠার অংশে নিজেদের সম্মতির কথা জানিয়েছে ছোটো অংশ যোগ করেছেন তিন বিচারক। তারা হলেন বর্তমান প্রধান বিচারপতি, এস কে সিনহা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

অন্যদিকে এই সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তের বিপক্ষে রায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন বিচারক মো. আবদুল ওয়াহাব মিঞা ও নাজমুন আরা সুলতানা। মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার ১৭৬ পৃষ্ঠা লেখা মতামতের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন নাজমুন আরা সুলতানা। তারা বলেন, বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানসম্মত, গণতান্ত্রিক ও সুষ্ঠু নির্বাচনে দরকারি।

বিচারক মো. ইমান আলী’ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংযোজনে আনা ত্রয়োদশ সংশোধনীকে সাংবিধানিক ও বৈধ বলেছেন। তবে আগামী নির্বাচনগুলোতে কেমন সরকার ব্যবস্থা থাকবে সে বিষয়ে তিনি জনগণের মতামত, কাজেই জাতীয় সংসদের ওপর বিষয়টি ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি একশ ৫০ পৃষ্ঠা রায় লিখেছেন।

গত বছর ১০ মে সেই সময়কার প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। সেদিন সংক্ষিপ্ত মৌখিক রায় ঘোষণা করা হয়।

ওই সংক্ষিপ্ত রায়ে বলা হয়েছিল, রাষ্ট্রের বৃহৎ স্বার্থ ও জনগণের নিরাপত্তার প্রয়োজনে আগামী দুটি (দশম ও একাদশ) জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিদ্যমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে। তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি এবং আপিল বিভাগের বিচারকদের বাদ দিয়ে নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠনের জন্য সংসদ প্রয়োজনে এ পদ্ধতি সংশোধন করতে পারে।

এ রায় মানার কথা বলে ইতিমধ্যেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে সংবিধান সংশোধন (পঞ্চদশ সংশোধনী) করেছে বর্তমান সরকার। তবে দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক রাখার কথা বলা হয়েছে পূর্ণাঙ্গ রায়েও।

নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি
আগামী দুই মেয়াদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকতে পারে বললেও রায়ে নির্বাচনকালীন সরকারের চেয়ে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার ওপর। রায়ে বলা হয়, ‘‘প্রথমত, প্রকৃতপক্ষে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, যাহা প্রয়োজন তাহা হইল কারচুপিহীন একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। সেই জন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকার নহে। কারণ, দ্বিতীয়ত, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রত্যেকটি নির্বাচনের পূর্বে ও পরবর্তীতে নানা ধরণের চরম সঙ্কট দেখা দিয়াছে যাহা বহুল প্রচারিত ও বহুল প্রশংসিত নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কৃতিত্বের সাক্ষ্য বহন করে না।''

আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে মামলাটির শুনানি চলাকালে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে এতে নিজেদের মত-অমত দেন দেশের বেশ কয়েকজন শীর্ষ আইনজ্ঞ।

সে বিষয়ে উল্লেখ করে আদালত বলেন, ‌‌''নির্বাচনে কারচুপি সম্বন্ধে বিজ্ঞ অ্যামিকাস কিউরি গণের উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার প্রতি সম্মান প্রদর্শনপূর্বক বলিতে চাই যে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইহার সমাধান নহে। কারচুপিমুক্ত সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজন সত্যকার স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সকল জ্ঞানী ও গুণী ব্যক্তিগণের একান্ত ও নির্ভেজাল প্রচেষ্টা প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনকে আর্থিকভাবে স্বাধীন করিতে হইবে। ইহাকে সম্পূর্ন প্রশাসনিক ক্ষমতা প্রদান করিতে হইবে। লোকবল নিয়োগে কোন প্রকার বাঁধা সৃষ্টি করা যাইবে না। নির্বাচন অনুষ্ঠান করিতে সর্বপ্রকার প্রয়োজন নিরসনকল্পে সরকার তাৎক্ষনিকভাবে পদক্ষেপ লইবেন। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত সকল প্রকার সহায়তা সরকারের নির্বাহী বিভাগ তড়িৎ প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবেন, অন্যথায় তাহারা  সংবিধান ভঙ্গ করিবার দায়ে দায়ী হইবেন। এই ব্যাপারে কোন তরফে কোন গাফিলতি দেখা দিলে নির্বাচন কমিশন প্রকাশ্যে অভিযোগ উত্থাপন করিবেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তড়িৎ গ্রহণ করিবেন, অন্যথায় তাহারাও সংবিধান ভঙ্গের দায়ে দায়ী হইবেন।''

এছাড়া নির্বাচনকালে কমিশনকে বিশেষ বাড়তি ক্ষমতা দিতে রায়ের ৪৪ (১৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‌‌''সাধারণ নির্বাচনের তপসীল ঘোষণার তারিখ হইতে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার তারিখ পর্যন্ত নির্বাচনের সহিত প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত এবং নির্বাচন কমিশনের বিবেচনা অনুসারে যাহারা এমনকি পরোক্ষ ভাবে জড়িত, রাষ্ট্রের সেই সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকিবে।''

সংসদ ভেঙে দিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিসভা
সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে এমন সব ব্যবস্থার পরও আদালত একটি দৃষ্টান্ত ব্যবহার করে বলেছেন, আমেরিকার যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো গণতান্ত্রিক দেশেও নির্বাচনে অনিয়ম হয়। আদালত বলছেন যে এক্ষেত্রে ‌'প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে লওয়া যাইতে পারে', কিন্তু তার জন্য ‌'গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাকে কোন অজুহাতেই, এমনকি স্বল্পতম সময়ের জন্যও পরিহার করা যাইবে না।'

গণতান্ত্রিক শাসনের ধারাবাহিকভাবে চালু রাখতে আদালত এ অবস্থায় সংসদ ভেঙে দিয়ে ও মন্ত্রিসভা সংক্ষিপ্ত করে স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের পথ বাতলেছেন। রায়ের ৪৪ (১২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ''সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবার ক্ষেত্রে, জাতীয় সংসদের বিবেচনা অনুসারে, যুক্তিসঙ্গত কাল পূর্বে, যথা, ৪২ (বেয়াল্লিশ) দিন পূর্বে, সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া বাঞ্ছনীয় হইবে, তবে, নির্বাচন পরবর্তী নূতন মন্ত্রিসভা কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত পূর্ববর্তী মন্ত্রিসভা সংক্ষিপ্ত আকার গ্রহণ করতঃ উক্ত সময়ের জন্য রাষ্ট্রের স্বাভাবিক ও সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন।''

বিচারক নয়, জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার
একইসঙ্গে পরের অংশেই (৪৪ এর ১৩ অনুচ্ছেদ) বলা হয়েছে, ‘‘সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, অসাংবিধানিক ও অবৈধ হইলেও জাতীয় সংসদ ইহার বিবেচনা ও সিদ্ধান্ত অনুসারে উপরে বর্ণিত নির্দেশাবলী সাপেক্ষে দশম ও একাদশ সাধারণ নির্বাচনকালীন সময়ে প্রয়োজনমত নূতনভাবে ও আঙ্গিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবে।’’

পাশাপাশি রায়ে বলা হয়েছে, এ সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে উচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারকরা থাকুন- এমনটি আশা করেননা আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ‘‘জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বা আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিগণকে বাদ দেওয়ার জন্য আইন প্রণয়ন করিতে পারে, কারণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার স্বার্থে তাহাদিগকে সম্পৃক্ত করা বাঞ্ছনীয় নয়।’’

বরং রায়ে বলা হয়েছে, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার শুধুমাত্র জনগণের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্যগণ দ্বারা গঠিত হইতে পারে, কারন, জনগণের সার্বভৌমত্ব ও ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র, প্রজাতান্ত্রিকতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানের বেসিক স্ট্রাকচার এই রায়ে উক্ত বিষয়গুলির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হইয়াছে।’’

তবে লক্ষনীয় হচ্ছে, সংসদ ভেঙে দিয়ে সংক্ষিপ্ত মন্ত্রিসভা বা এমপিদের নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার; দুটি বিকল্পই জাতীয় সংসদের 'বিবেচনা'র ওপর ছেড়ে দিয়েছে আপিল বিভাগ। তবে 'একটি শক্তিশালী, স্বায়ত্ত্বশাসিত ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশন' গড়তে ও নির্বাচনকালে কমিশনকে বিশেষ ক্ষমতা দেয়ার বিষয়ে রায়ের অংশে 'জাতীয় সংসদের বিবেচনার অনুসারে' উল্লেখ করা হয়নি।

পদ্মা সেতু: বিশ্বব্যাংকের সব শর্ত পূরণের চেষ্টায় সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতু: বিশ্বব্যাংকের সব শর্ত পূরণের চেষ্টায় সরকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে তাদের দেয়া চারটি শর্তের সবগুলোই একে একে পূরণ করছে সরকার। আবুল হোসেনকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পদত্যাগ করার পর বিশ্বব্যাংকের শর্তপূরণে বাধা হয়ে দাঁড়ায়  অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দু-এক দিনের মধ্যে মসিউরকে তিন থেকে ছয় মাসের ছুটিতে পাঠানো হবে। এছাড়া দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে চলতি সপ্তাহে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
 
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অর্থমন্ত্রণায় সূত্রে এ কথা জানা যায়। শিগগিরই এ বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে বলেও সূত্র জানায়।
 
এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সোমবার রাত ৪টায় ওয়াশিংটনের উদ্দেশে রওনা করেছেন।
 
মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত পূরণ হবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সরকারি দায়িত্ব থেকে বিরত থাকছে চিহ্নিত আমলারা।
 
ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়াকে তদন্ত চলাকালীন ছুটিতে রাখা হয়েছে। আবুল হোসেন পদত্যাগ করার পর তাকে দুদকে তদন্তের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ সম্পন্ন করা হয়েছে।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে অনিয়মের ব্যাপারে বিশ্ব ব্যাংকের দেয়া তালিকায় নাম থাকা সব ব্যক্তিকেই জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক। সে তালিকা থেকে কাউকে বাদ রেখে তদন্ত করলে তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে-এমন আশঙ্কায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
 
বিশ্বব্যাংকের চতুর্থ শর্ত অনুযায়ী  পদ্মা সেতু প্রকল্পে যে ক’জন সরকারি কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেয়ার শর্ত দিয়েছে এর মধ্যে মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, তখনকার সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ও প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের নাম উল্লেখ রয়েছে।
 
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, অভিযোগ যেহেতু বিশ্বব্যাংক দিয়েছে সে কারণে বিশ্বব্যাংকের কালো তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করতেই হবে। বিশ্বব্যাংকের শর্তানুযায়ী দুদকের তদন্ত না হলে বিশ্বব্যাংক এ তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে।
 
বিশ্বব্যাংকের দেয়া আরো দুইটি শর্তপূরণের প্রস্তুতি চলছে সরকারের। প্রথমত দুর্নীতি দমন কমিশনকে একটি বিশেষ যৌথ তদন্ত ও বিচারিক টিম গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল যাতে দুদক সম্মতি দিয়েছিল। দ্বিতীয়ত দুদককে বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একটি বাইরের প্যানেলের কাছে তথ্য দেয়ার এবং প্যানেলকে তদন্ত প্রক্রিয়ার পর্যাপ্ততা মূল্যায়নের সুযোগ দেয়ার প্রসত্মাব দেয়া হয়েছিল। প্রথমে এ বিষয়ে অমত প্রকাশ করলেও দুদক বাইরের প্যানেলের সঙ্গে তথ্য বিনিময় করার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েছে।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে নতুন কমিটি গঠন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। চলতি মাসে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে দুদকের পুরানো অনুসন্ধান দলে এ পরিবর্তন আনা হয়। এ কমিটি পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগ ও পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখবে বিশ্বব্যাংকের বিশেষ তদন্ত কমিটির সঙ্গে।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের  একজন কর্মকর্তা বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের বাইরের প্যানেলের সঙ্গে কাজ করার জন্য তদন্ত টিম পুনর্গঠন করা হয়েছে।  সেপ্টেম্বরে সরকারের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেয়া হয়, পদ্মা সেতু প্রকল্পের অনিয়মে উচ্চপর্যায়ের কেউ জড়িত থাকলেও ব্যবস্তা নেয়া হবে।
 
চার সদস্যের নতুন টিম রয়েছে দুদকের চার উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ-আল জাহিদ, মীর মো. জয়নাল আবেদীন শিবলি, গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী ও মীর্জা জাহিদুল আলম নতুন তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন। আগামী ১৫ কার্যদিবস শেষে পদ্মা সেতুর বিষয়ে একটি প্রাথমিক অনুসন্ধান প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
 
পদ্মা সেতুর প্রাক যোগ্যতা ও ঠিকাদার নিয়োগের বিষয়ে এরই মধ্যে ৩১ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কানাডা থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাছায়ের পর তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।

Tuesday, September 11, 2012

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধন :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

জনগণের সঙ্গে সিটি করপোরেশনের মধ্যে থাকা অঘোষিত দেয়াল ভাঙতে ও জনগণের দোড়গোড়ায় সেবা পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ওয়েব পোর্টাল (www.ncc.org.bd) উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার বেলা ১১টায় নগর ভবনের সভা কক্ষে এক অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী ওয়েব পোর্টালের উদ্বোধন করেন।

এই অনুষ্ঠানে মেয়র আইভী সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে গঠনমূলক সমালোচনা করার আহবান জানিয়ে বলেন, “আপনারা গঠনমূলক সমালোচনা করলে কাজ করতে সুবিধা হবে। কারণ, সমালোচনার মাধ্যমে আমাদের অনেক কিছু সংশোধন করার সুযোগ থাকে।”

তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশের যুগে খাপ খাউয়ে চলার জন্যই এ ওয়েব চালু করা হলো। এর মাধ্যমে জনগণ আরো বেশি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের কাছে ওয়েব পোর্টালটি সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমিন উল্লাহ নূরী।

সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানান, এই ওয়েব পোর্টাল থেকে নিয়মিত পোর্টাল আপডেট করা হবে। সাধারণ মানুষ এখন সিটি করপোরেশনের মেয়রসহ অন্যদের ই-মেইল করে তাদের সমস্যা জানাতে পারবেন। প্রত্যেক দিন সকাল ১০টায় প্রাপ্ত ই-মেইলগুলো মেয়রকে দেয়া হবে।

সাধারণ মানুষ মেয়রকে ফোন করতে সংকোচ বোধ করেন। এসব কারণেই জনগণকে আরো কাছে পেতে ও তাদের সুবিধা প্রদানের জন্যই পোর্টালটি চালু থাকবে। এতে সিটি করপোরেশনের সকল সভার সিদ্ধান্তসহ গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য থাকবে।

এছাড়া সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ড নিয়ে আলাদা আলাদা পাতা রয়েছে। এখানে ওই সব ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সংরিক্ষত নারী কাউন্সিলরদের ছবি সম্বলিত তাদের তথ্য, ওয়ার্ডের ম্যাপ, ফোন নাম্বারসহ অন্যান্য তথ্য রয়েছে।

 ওয়েব পোর্টাল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলরদের পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি এবি সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ভবানী শঙ্কর রায় উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রেমে বন্দি প্রাণ ও প্রকৃতি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফ্রেমে বন্দি প্রাণ ও প্রকৃতি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সবুজ বনানীর গহিনে, নীল সমুদ্রের অতলে আর দিগন্ত জোড়া আকাশের বাসিন্দাদের কর্মমুখর দিনগুলোকে ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দি করেছেন আলোকচিত্রীরা।
 
একেবারে জীবন্ত যেন ছবিগুলো। শিকারি ব্যাঙ, পেঁচার সজাগ দৃষ্টি, যূথবদ্ধ মৌমাছি, অনিন্দ সুন্দর জেলিফিশ, সাগরের নিভৃত গুহার সিল মাছ; আর তাদের অভয়ারণ্যের সবই আছে এসব ছবিতে। এগুলোর মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া যায় প্রকৃতির কোলে।
 
পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ঘুরে ছবিগুলো তুলে এনেছেন বৃটিশ আলোকচিত্রীরা। প্রকৃতি ও প্রাণের স্পন্দন তুলে আনাই এদের নেশা। নেশাটাকে তারা পেশায় পরিবর্তন করেন অর্থ উপার্জনের মধ্য দিয়ে। তাদের তোলা এসব ছবি নিয়ে বৃটেনে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় ‘বন্যপ্রাণী আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা।’
 
এসব ছবির মধ্য থেকে নির্বাচন করা হয় সেরা ১২টি ছবিকে। এই ১২ বিভাগে পুরস্কৃত করা হয় প্রতিযোগীদের। বিজয়ীরা এক হাজার থেকে পাঁচ হাজার পাউন্ড পান। এ ছাড়া বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুরস্কৃত ছবিগুলো নিজেদের কাজে ব্যবহারের জন্যও আলোকচিত্রীদের বড় অঙ্কের অর্থ দিয়ে থাকে। সূত্র: ডেইলি মেইল

বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিলে অনিয়ম নেই: বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ জলবায়ু তহবিলে অনিয়ম নেই: বিশ্বব্যাংক প্রতিনিধি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় দাতাদের অর্থায়নে গঠিত ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলিয়েন্স ফান্ড (বিসিসিআরএফ)’-এর অর্থ বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি অ্যালেন গোল্ডস্টেইন।

সোমবার পরিবেশ ও বনমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে সচিবালয়ে তার দপ্তরের দেখা ও বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় গোল্ডস্টেইন বলেন, “বিসিসিআরএফ-এ দুর্নীতি বা অনিয়মের বিষয়ে আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত একটি গভর্নিং কাউন্সিল এটি পরিচালনা করে। কাউন্সিলের দায়িত্ব এ তহবিলের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, “ইতোমধ্যে এ তহবিলের ৯০ শতাংশ অর্থ বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া এ তহবিলের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এছাড়াও আরো নতুন দাতারা এ তহবিলে অর্থায়ন করতে চায়। তাদের অর্থ কিভাবে নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।”

এছাড়াও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্প এবং আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় কপ-১৮ সম্মেলনের বিষয়েও এ সময় আলোচনা করা হয়েছে।

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী বলেন, “এ তহবিলে ইতোমধ্যে ১৭০ মিলিয়ন ডলার মঞ্জুরি সহায়তা পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে দাতাদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে আরো ১০০ মিলিয়ন ডলার পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।

স্বচ্ছতার ভিত্তিতে এ তহবিল পরিচালনা করা হচ্ছে। বিসিসিআরএফ গভর্নিং কাউন্সিল অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে এ তহবিল পরিচালনা করছে। যা বিশ্বব্যাপি সমাদৃত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অন্য দাতাদের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয় করে বিসিসিআরএফ তহবিলের আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এরআগে বিকেলে সচিবালয়ে ডেনমার্কের ক্লাইমেট অ্যান্ড এনার্জি  বিষয়ক পার্লামেন্টারি কমিটির চেয়ারম্যান স্টিন স্টিনস্গার্ড গেড’র নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা ও বৈঠক করেন।

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধি মোবাইল কোর্টের আওতায় নেয়ার দাবি :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি উদ্রেককারী  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা’কে মোবাইল কোর্টের আওতাধীন করার দাবি জানিয়েছে দুইটি বেসরকারি সংস্থা।

সোমবার  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার অনুষদের সামনে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন (পবা) এবং ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়।

ইউনাইটেড পীসের মহাসচিব ইফমা হোসাইনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুস সোবহান, পবার সম্পাদক আসলাম খান, কো-অর্ডিনেটর আতিক মোর্শেদ, সাবিনা নাঈম, ইউনাইটেড পীস ফাউন্ডেশন নেত্রকোনা জেলার সভাপতি জহিরুল ইসলাম জনি, সদস্য মো. সুমন মিয়া, সাবেক সাংসদ হুমায়ুন কবীর হিরম্ন, নাসফের সাধারণ সম্পাদক ইশরাত জাহান বেবী, উইমেন এনভয় এর সভাপতি শিখা ভূঁইয়া, অধ্যাপক কামাল আতাউর রহমান ও পরিবেশ কর্মী রওশন আলী।

বক্তারা বলেন, ‘‘শব্দ দূষণে উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, শ্রবণশক্তি  হ্রাস, মনসংযোগ কমে যাওয়া, মাথা ব্যাথা ও মাথা ধরা, খিটখিটে মেজাজ, বিরক্তিবোধ এমনকি অস্বাভাবিক আচরণ করার মত মনোদৈহিক নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। শব্দ দূষণের প্রধান উৎস যানবাহনের শব্দ বা হর্ণ। রাস্তায় অস্বাভাবিক যানজটের কারণে ব্যস্ত হয়ে আগে যাবার প্রবণতায় চালকরা উচ্চ হর্ণ বাজায়। এছাড়া শিল্প এলাকায় কল-কারখানার শব্দ, আবাসিক এলাকায় বিল্ডিং তৈরির সময় ইট ভাংগার মেশিনের শব্দ, বাণিজ্যিক এলাকায় গ্রীলের দোকানে হাতুড়ি পেটানোর শব্দ, ক্যাসেটের দোকানে উচ্চ শব্দে গান বাজানো, মাইকে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নানাভাবে শব্দ দূষণ হচ্ছে।’’

তারা আরো বলেন, ‘‘শব্দ দূষন নিয়ন্ত্রণে ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে  শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রন বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। এ বিধিমালার আওতায় হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতকে নীরব এলাকা ঘোষনা করা হয়।

বিধিমালায় বলা হয়, এসব প্রতিষ্ঠানের চতুর্দিকে ১০০ মিটার বিস্তৃত এলাকায় চলাচলকালে যানবাহনে কোনো প্রকার হর্ণ বাজানো যাবে না। আবাসিক এলাকার সীমানা  থেকে ৫০০ মিটারের মধ্যে নিমার্ণ কাজের ইট বা পাথর ভাঙার যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। যানবাহনে অপ্রয়োজনে উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো যাবে না। কোনো উৎসব, সামাজিক বা রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে লাউড স্পিকার, এমপ্লিফায়ার  বা কোনো যান্ত্রিক কৌশল ব্যবহার  করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। অথচ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার প্রেক্ষিতে প্রণীত এসব বিধি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি নেই।

মানববন্ধন থেকে সাতটি দাবি জানানো হয়েছে। দাবিগুলো হলো- শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালাকে মোবাইল কোর্টের আওতাভুক্ত করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়ন, পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে ক্ষমতা প্রদান, শব্দ দূষণ বন্ধে পরিবেশ অধিদপ্তর, বিআরটিএ এবং ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা, শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা বাস্তবায়নে প্রত্যেকটি সড়কে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করা, উচ্চ শব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনকে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ ক্যারিকুলামে শব্দদূষণ এর ক্ষতিকর দিক ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা সম্পৃক্ত করা।
তাছাড়া প্রাইভেট কারসহ যে কোনো যানবাহনের লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নের সময়ে হর্ণ এর শব্দ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করে উচ্চশব্দের হর্ণযুক্ত যানবাহনের লাইসেন্স বাতিল করা ও বিজ্ঞাপন ও প্রচার মাধ্যমে শব্দ দূষণের ক্ষতিসমূহ তুলে ধরা।

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুক্তির অপেক্ষায় আইফোন ফাইভ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চলতি মাসের ১২ তারিখেই সম্ভবত আত্মপ্রকাশ করবে আইফোন ফাইভ। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই এই ফোনের বিক্রি ১০ মিলিয়ন ছুঁয়ে ফেলবে বলে মনে করছেন ওয়াল স্ট্রিট বিশেষজ্ঞরা। তবে ১২ তারিখে প্রথম দর্শন হলেও, কোনো কোনো সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বরের ২১ তারিখের আগে শোরুমে আসছে না এই ফোন।

গত বছরের রিপোর্ট বলছে অ্যাপেলের ঠিক আগের সংষ্করণের মোবাইল মডেল, আইফোন ফোর-এস, মুক্তি পাওয়ার প্রথম তিনদিনের বিক্রিই প্রায় চার মিলিয়ন ছুঁয়েছিল। সেই কারণেই, চাহিদা অনুযায়ী যোগান থাকলে, এ বছর একসপ্তাহের মধ্যেই ১০ মিলিয়ন মডেল বিক্রি হতে পারে বলে অনুমান বিশ্লেষকদের। তাদের এই ধারণা সত্যি হলে সেপ্টেম্বর কোয়ার্টারে আইফোনের বিক্রি ২৬ মিলিয়নে পৌঁছবে যা ওয়াল স্ট্রিটের অন্যান্য বছরের গড় বিক্রি ২২ থেকে ২৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরের ৪ তারিখ আত্মপ্রকাশ করে ফোর এস। ঠিক তার পরের দিন, অক্টোবরের ৫-এ আধ খাওয়া আপেল ফেলে চিরতরে চলে যান ম্যাক-এর স্রষ্টা স্টিভ জোব্স। সুত্র: জিনিউজ।
 

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আল জাজিরা’র এসএমএস সার্ভিস হ্যাক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তৃতীয় দফা হ্যাকারদের কবলে পড়লো কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এবার হ্যাক হয়েছে সংবাদমাধ্যটির এসএমস নিউজ সার্ভিস। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে নয়টার দিকে এই অনলাইন হামলার ঘটনা ঘটে।

সিরিয়ার সরকারপন্থি হ্যাকার গ্রুপ সিরিয়ান ইলেক্ট্রনিক আর্মি (SEA) এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

হ্যাক করে আল জাজিরার এসএমএস সার্ভিসের মাধ্যমে এই গ্রুপটি তিনটি মিথ্যা সংবাদ পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক টুইট বার্তায় হ্যাকারদের পাঠানো ফেক বার্তার সাথে নিজেদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে জানানো হয়েছে।
জানা গেছে, এসএমএস সার্ভিসের ওই ফেক বার্তার একটিতে কাতারের প্রধানমন্ত্রী হামলার শিকার হয়েছেন বলে অপপ্রচার করা হয়েছে।

অপর বার্তায় বলা হয়েছে, ‘কাতারের আমির শেখ মোজা বিনতে নাসের আল মিসনিদ আহত হয়েছে।’

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেসবুকে শচীন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শচীন ভক্তদের জন্য সুখবর! কেননা ভারতের ব্যাটিং মাস্টার শচীন টেন্ডুলকার এবার সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকে যোগ দিলেন। তবে আশ্চর্যের খবর হলো সোমবার ফেসবুকে যোগ দেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ফ্যান পেজের লাইকে চার লাখ ১০ হাজার ভক্ত ক্লিক দিয়েছে।

মাস্টার ব্লাস্টার এই ব্যাটসম্যানের প্রথম ফেসবুকের ওয়াল পোস্টে লিখেছেন, “হ্যালো ফ্রেন্ডস, আপনাদের সবাইকে আমার ফেসবুক পরিবারে স্বাগত জানাচ্ছি। ছোটবেলা থেকেই ভারতের হয়ে ক্রিকেট খেলাটা আমার স্বপ্ন ছিলো। তাছাড়া দীর্ঘ ২২ বছর পর আমার আরেকটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জেতা। এটা কখনোই সম্ভব হতো না আপনাদের সমর্থন না পেলে।”

“আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য। আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো আপনাদের সঙ্গে ফেসবুকের মাধ্যমে শেয়ার করবো।”- লিখেছেন ৩৯ বছর বয়সী শচীন।

শচীনের অফিসিয়াল ফেসবুকের এই পেজটি ম্যানেজের দায়িত্বে রয়েছে সেভেনথ্রিরকার্স।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে (https://www.facebook.com/SachinTendulkar) নামে শচীন ফেসবুকে যোগ দিয়েছেন। তাছাড়া এখানে শচীনের সব এক্সক্লুসিভ ছবিও পাওয়া যাবে।

ফেসবুক ছাড়াও টুইটারেও শচীনের একটি আইডি রয়েছে। ২০১০ সাল থেকে Twitter (@sachin_rt) নিয়মিত টুইট করেন ভারতের এই লিটল মাস্টার। ইতিমধ্যে শচীনের টুইট অনুসরণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮০ হাজার ৭৯০ জন।
 

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ নভেম্বরে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটিয়ে ক্যারিয়ার গঠনের প্রত্যয়ে প্রথমবারের মতো ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং তথা মুক্ত পেশাজীবীদের অনলাইনে ক্যারিয়ার বিষয়ক সম্মেলন ‘আউটসোর্সিং সামিট ২০১২’। আগামী ১৭ নভেম্বর ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে দিনব্যাপী এ সম্মেলন।
 
ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেড এর তত্ত্বাবধানে সকালে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর সম্মেলনে দেশী বিদেশী শীর্ষ আউটসোর্সিং এক্সপারটরা বেশ কয়েকটি সেশনে কর্মশালা ও সেমিনার পরিচালনা করবেন। রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে এতে ৮৫০ জন অংশ নিতে পারবেন।
 
সেমিনারে বাংলাদেশে আউটসোর্সিংয়ের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ, অফশোর আউটসোর্সিংয়ের কৌশল, বিজনেস চ্যালেঞ্জ, আর্নিং উইদাউট ইনভেস্ট, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের বিস্তারিত এবং একজন ফ্রিল্যান্সার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হবে।
 
আলোকপাত করা হবে আউটসোর্সিং ব্যবসার ভূমিকা, অনলাইন কর্মক্ষেত্রের প্রকারভেদ, আউটসোর্সিং প্রতারণা, আউটসোর্সিং ও এমএলএম, ফ্রিল্যান্স মার্কেট পেস্নস, মাইক্রো জব, জব উইদাউট বিড, ওডেস্ক প্রোফাইল, বিডিং টেকনিকস, কভার লেটার রাইটিং টেকনিকস্, পেইড টু ক্লিক, গুগল এডসেন্স, ই-কমার্স, এসইও ও ইন্টারনেট মার্কেটিং, অর্থ লেনদেন প্রক্রিয়া, ফরেক্স ট্রেডিং, এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের অন্দর-বাহির নিয়ে।
 
আয়োজক সূত্রে প্রকাশ, সম্মেলনে আলোচনার পাশাপাশি থাকবে কুইজ ও র‌্যাফেল ড্রতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ। প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীকে বিনামূল্যে দেয়া হবে-দুপুরের লাঞ্চ সহ আউটসোর্সিং লার্নিং সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ ভিডিও সিডি, ডিভিডিসহ নানা টুলস্ ও উপহার।
 
সম্মেলন সম্পর্কে আউটসোর্সিং সামিট ২০১২ এর আহ্বায়ক ও ক্রিয়েটিভ আইটি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনির হোসেন বলেন, আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ অত্যামত্ম সম্ভাবনাময়। আমাদের রয়েছে মেধাবী তারুণ। তাদের দরকার শুধু সঠিক দিক নির্দেশনা। আমরা এই সামিটের মাধ্যমে এই সম্ভাবনার বিষয়টাকে সারা দেশে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেবার পাশাপাশি আগ্রহীদের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে চাই।
 
প্রসঙ্গত, আইটি ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে আধুনিক সৃজনশীল পেশা হিসেবে বিবেচিত। জনবহুল তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তিতে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজের ক্ষেত্র বাড়ছে। ভারত, ফিলিপাইন, পাকিস্থান দেশগুলোর মতো বাংলাদেশের তরুণদের মাঝেও অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিংয়ের কাজের প্রতি আগ্রহ অনেক বেড়েছে। এই খাতে কাজ বিস্তারের যেমন বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে, ঠিক তেমনি রয়েছে প্রতিবন্ধকতাও।
 
এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে আগামী ১৭ নভেম্বরের সম্মেলনটি তরুণ বেকারদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তিবিদরা।

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিটিসিএল’র কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে দুদক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

শত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিটিসিএল’র সাবেক পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ইতিমধ্যেই রোববার বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিটিসিএল ও দুদক সূত্রে প্রকাশ, জাপানি দাতাসংস্থা জাইকার অর্থায়নে টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (টিএনডি) প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে বিটিসিএল’র তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রকল্প প্রস্তাব (পিপি) তৈরিতে ১০০ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে এমন অভিযোগে সেগুনবাগিচায় দুদক’র প্রধান কার্যালয়ে টানা পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ওই তিন কর্মকর্তা।

দুদকের উপপরিচালক মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সূত্রটি। তবে দুর্নীতির অভিযোগের পর জাইকা অর্থায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বিটিসিএল’র একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র।

সূত্র মতে, ‘এনডি প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকার অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো হয়েছে’ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) এক কর্মকর্তার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ আগস্ট দুদক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিটিসিএলের সাবেক পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কাজী মঞ্জুরুল করিম, টেকনিক্যাল ইভালুয়েশন কমিটির সদস্য মো. কলিমুল্লাহ ও মো. বাহাদুর আলীকে নোটিশ পাঠায় দুদক।

বিটিসিএল’র পরিচালক (ক্রয়) শাহাব উদ্দিন, প্রকল্প পরিচালক অশোক কুমার মল, জাইকা’র পরিচালক মশিউর রহমান, একেএম হাবিবুর রহমান, বিদ্যুৎ চন্দ্র আইচ, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কাওয়াবাতার সহকারী পরিচালক আবদুল হালিম, সাব্বির আহম্মদ, তৎকালীন বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আবু সাইদ প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) তৈরির সময় প্রায় ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের পরিকল্পনা করেন বলে দুদক’র অভিযোগনামায় দাখিল করা হয়েছে। জাইকার উচ্চপর্যায় থেকে প্রকল্পের প্রজেক্ট প্রপোজাল (পিপি) পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পর এ দুর্নীতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

প্রসঙ্গত, প্রতি মিটার ফাইবারের দাম সর্বোচ্চ ৪০০-৫০০ টাকা হলেও দেশের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন ঢাকা-কক্সবাজার ট্রান্সমিশন লিঙ্কসহ বিটিসিএলের অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক স্থাপনে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক উন্নয়নের জন্য প্রতি মিটার অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনে দাম ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। বাজারমূল্যের চেয়ে দ্বিগুণ মূল্য ধরার এ বিষয়টি জাইকা’র উচ্চ পর্যায়ের নিরীক্ষা দলের চোখে ধরা পড়লে তারা এ প্রকল্পে আর বিনিয়োগ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

টুইটারে প্রথম বিয়ে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঘটা করেই সাঙ্গ হলো মাইক্রোব্লগ টুইটারের মাধ্যমে প্রথম বিয়ে। নিজেদের আইপ্যাডে টুইট বার্তার মাধ্যমে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীর কনে জনদাল সেলিককে স্ত্রী হিসেবে কবুল করে নেন একই নগরীরর উসকুদার এলাকার ছেলে কানদাল জেনিক।

ধর্মগুরুর পরিবর্তে টুইটারেই বিয়ে পরিচালনা করেছেন উসকুদারের মেয়র মুস্তফা কারা। টুইট করে তিনি আইপ্যাড হাতে বিয়ের সাজে পাশাপাশি বসে থাকা বর-কনেকে প্রশ্ন করেন ‘তোমরা কি নিজেদের আইনগতভাবে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করতে চাও? প্রশ্নে উত্তরে ‘আমি রাজি’ এই বলে পাল্টা টুইট করে জেনিক ও চেলিক। এ সময় বর-কনের পাশাপাশি তাদের উকিল, স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীরাও উপস্থিত ছিলেন।

টুইট বার্তায় কবুল কারার পর দু’জনেই বিয়ের কাবিননামায় সই করেন। এরপর বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে নবদম্পতির হাতে বিয়ের সনদ তুলে দেয়া হয়।

সোমবার অনুষ্ঠেয় এই ‘টুইটার বিয়ে’র আনুষ্ঠানিকতা এলসিডি মনিটরে উপভোগ করেন উপস্থিত কয়েক’শ অতিথি। বিয়ের  আনুষ্ঠানিকতা শেষে টুইটারে শুভেচ্ছা টুইটের মধ্যেমে নবদম্পতিকে আশির্বাদ করেন তারা।

জানা গেছে, বর কানদাল জেনিক এনসনহবার ডটকম (ensonhaber.com) নামক এটি অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্কের সম্পাদক। বিয়ের পর টেক নিউজ ওয়েব পোর্টাল টেক্কায় দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কানদাল জেনিক বলেন, সবাইকে একটু বাড়তি আনন্দ দিতেই একটু ভিন্নভাবে বিয়ে করলাম। আমি ধর্ম মানি তবে প্রথাবদ্ধতায় বিশ্বাসী নই। তাই টুইট বার্তায় বিয়ে করলেও ধর্মীয় আইনগত বিষয়ে কোনো ত্রুটি রাখিনি। অবশ্য বিয়ের জন্য এটা একটা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। এক অপরের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস আর ভালোবাসাই আসলে বিয়ের মূল উপাদান।