আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, ‘‘হুমকি-ধমকির রাজনীতির সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে কোনো অন্যায় দাবি আদায় করা যাবে না।’’
একইসঙ্গে আগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে-এ বিষয়ে আলোচনার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী।
সোমবার বিকেলে দলের ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিরোধী দল এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে কথা বলছে। তাহলে আমাগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে? এ প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, ‘‘বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাইলে এই সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। সেক্ষেত্রে আলোচনার দ্বার খোলা আছে।’’
আওয়ামী লীগ আগাম নির্বাচন করবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আগাম নির্বাচনের কথা আওয়ামী লীগ তো কখনই বলেনি। তবে এটা নিয়ে বিএনপি আশঙ্কা করছে। আসলে আশঙ্কা আর অভিযোগ করাই বিএনপির কাজ। আমরা পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই- নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে। এর আগে নির্বাচন করার কোনো ইচ্ছা আওয়ামী লীগের নেই।’’
এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠের সময় হানিফ বলেন, ‘‘সুপ্রীম কোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধ অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও গণতন্ত্র পরিপন্থী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে শংকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। আবার যদি এ ব্যবস্থা কোনোদিন আসে, আর যদি তারা ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে।’’
বিএনপি চেয়ারপারসন এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার দিনাজপুরের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বানোয়াট হিসেবে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘‘দিনাজপুর গোর-এ শহীদ মিনার ময়দানে বেগম খালেদা জিয়া গোঁজামিলে ভরা তথাকথিত ১৮ দলের মহাসমাবেশে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ বস্তাপচা পুরনো কাহিনীর নতুন সংস্করণ মাত্র। আমরা এ ধরনের কুৎসিত, লাগামহীন, হিংসাশ্রয়ী, বিদ্বেষপ্রসূত, বেপরোয়া, ভিত্তিহীন, কল্পিত, বানোয়াট কথামালাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। একইসঙ্গে আমরা এসব বিভ্রান্তিকর আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘তার বক্তব্যের ভাষা ও আচরণ দেখে আমাদের কষ্ট হয়েছে। আমাদের একটু করুণাও হয়েছে। তার চেহারায় হতাশার ছাপও দেখতে পেয়েছি। তিনি ভেবেছিলেন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিপদে পড়বে এবং তিনি পরবর্তীতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ক্ষমতায় আসবেন।’’
মহাজোট সরকারকে মহাচোর বলার প্রতিবাদে হানিফ বলেন, ‘‘বিএনপি জামায়াত জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে সীমাহীন লুটপাট হয়েছিল। যিনি দুনীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থকে সাদা করেছেন। তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে দেশে এবং বিদেশে মানি লন্ডারিং কেস হয়েছে। তারা বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার অভিযোগ চোরের মায়ের বড় গলার মতো।’’
হানিফ বলেন, ‘‘বেগম জিয়া জঙ্গি উত্থানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন। একথা দেশবাসীর মানসপট থেকে মুছে যায়নি যে, বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল। জঙ্গি আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই বিএনপি-জামায়াতের সৃষ্টি।’’
তিনি বলেন, ‘‘দেশবাসীর পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে বলেছেন ১০ মাস সময় নষ্ট হয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করে প্রাথমিক নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরুর পর্যায়ে রেখে গিয়েছিল। পরবর্তী ৫ বছর বেগম খালেদা জিয়া সরকার প্রধান থাকাকালীন সময়ে পদ্মা সেতুর কাজ এক বিন্দুও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি কেন? এখন বিলম্বহেতু মায়াকান্না করতে লজ্জাবোধ করে না?’’
দ্রব্যমূল্য নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরও আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপি সরকারের আমলে চালের কেজি প্রতি মূল্য ছিল ৪০ টাকা। এখন তা কমে প্রকারভেদে ২২ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।”
তিনি বলেন, এটা বোঝার জন্য মেট্রিকে শুধু অংকে পাশ করার দরকার হয় না। আমাদের সরকারের সময় মানুষের আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে বেডে ৮৫০ ডলারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩ হাজার টাকা।
ক্ষেতমজুররা আগে যেখানে ১০০ টাকা মজুরি পেত, তা আজ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দারিদ্র্যের হার কমেছে ১০ ভাগ। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। রিজার্ভ ১১ বিলিয়নের উপরে। রেমিটেন্স বেড়েছে ১৯.৪ ভাগ। রপ্তানি বেড়েছে ৭৫০ কোটি ডলারের বেশি। ৬৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মানুষের এই ভালো থাকা এবং দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন বিরোধী দলীয় নেত্রীর পছন্দ হয় না বলে মন্তব্য করেন হানিফ।
বিদ্যুত খাত নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘বেগম জিয়ার শাসনামলে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়েনি, বরং কমেছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ খাতে তারা লুটপাট করেছিল। খাম্বা নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিল। সে সময় তারা ৯ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল।’’
হানিফ বলেন, ‘‘আমরা বেগম জিয়া ও তার তল্পিবাহকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এই হুমকি, ধমক দিয়ে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্র কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত সচেতন। তারা কোনো অবস্থাতেই বিএনপি-জামায়াত জোটের অন্ধকার যুগে দেশকে আর ফিরে যেতে দেবে না। অতএব, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেগম জিয়ার ‘দেখে নেয়ার’ আস্ফালন কোনোদিনই আলোর মুখ দেখবে না।’’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Tuesday, September 25, 2012
চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, “সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী
আবুল হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমানের নাম ক্রয় কমিটি
থেকে বাদ দেয়ায় তাদের দুর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।” তাদেরকে আইনের
আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান
জানিয়েছেন।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ আয়োজিত ‘রাঙ্গমাটি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও রাঙ্গামাটি সরকারি বাঙলা কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে’ মানববন্ধনে ফারুক এসব কথা বলেন।
পদ্মা সেতু, হলমার্ক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিচার না করায় ফারুক সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “বাঙালি হয়ে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতে পারবে না, জমি কিনতে পারবে না এটা হতে পারে না। শন্তু লরমা যেভাবে পাহাড়ি বাঙালিদের ওপর নির্যাতন করেছেন এর একটা ব্যবস্থা নিন।”
সন্তু লারমার সমালোচনা করে ফারুক বলেন, “১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তির সময় সন্তু লারমা অস্ত্র জমা দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের চেয়ারম্যান হন।”
নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “নতুন করে শপথ নেয়ার পরও এখন পর্যন্ত আপনি সাগর-রুনি, ইলিয়াস আলীর বিষয়ে মুখ খোলেননি। পড়ন্ত বেলায় মন্ত্রী হয়েছেন, কতটুকু সফল হবেন তা দেখার বিষয়।”
জয়নুল আবদিন সরকারের উদ্দেশে বলেন, “এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়, অবিলম্বে নির্দলীয় কেয়ারটেকার সংবিধানে সংযোজন করে পদত্যাগ করুন। নইলে এমন অবস্থা হবে যার দায় দায়িত্ব আপনাদের বহন করতে হবে। দেশের মানুষ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে আপনারা কখন পদত্যাগ করবেন।”
এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
ইঞ্জিনিয়ার আলকাস আল মামুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম মোশারফ হোসাইন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, মিয়া মো. আনোয়ার ও সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবু তাহের।
সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ আয়োজিত ‘রাঙ্গমাটি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও রাঙ্গামাটি সরকারি বাঙলা কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে’ মানববন্ধনে ফারুক এসব কথা বলেন।
পদ্মা সেতু, হলমার্ক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিচার না করায় ফারুক সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।
নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “বাঙালি হয়ে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতে পারবে না, জমি কিনতে পারবে না এটা হতে পারে না। শন্তু লরমা যেভাবে পাহাড়ি বাঙালিদের ওপর নির্যাতন করেছেন এর একটা ব্যবস্থা নিন।”
সন্তু লারমার সমালোচনা করে ফারুক বলেন, “১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তির সময় সন্তু লারমা অস্ত্র জমা দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের চেয়ারম্যান হন।”
নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “নতুন করে শপথ নেয়ার পরও এখন পর্যন্ত আপনি সাগর-রুনি, ইলিয়াস আলীর বিষয়ে মুখ খোলেননি। পড়ন্ত বেলায় মন্ত্রী হয়েছেন, কতটুকু সফল হবেন তা দেখার বিষয়।”
জয়নুল আবদিন সরকারের উদ্দেশে বলেন, “এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়, অবিলম্বে নির্দলীয় কেয়ারটেকার সংবিধানে সংযোজন করে পদত্যাগ করুন। নইলে এমন অবস্থা হবে যার দায় দায়িত্ব আপনাদের বহন করতে হবে। দেশের মানুষ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে আপনারা কখন পদত্যাগ করবেন।”
এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।
ইঞ্জিনিয়ার আলকাস আল মামুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম মোশারফ হোসাইন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, মিয়া মো. আনোয়ার ও সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবু তাহের।
ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরিরের অন্যতম একজন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুম করা হয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ তুলেছে।
তবে পুলিশ সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে গোলাম মাওলাকে সোমবার গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলার পরিবার বলেছে, একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাকে জেলগেট থেকে পুলিশের ডিট্কেটিভ ব্রাঞ্চ বা ডিবি নিয়ে যায়।
এরপর পাঁচদিন ধরে তার কোনো খোঁজ তারা পাচ্ছেন না।
তবে ডিবি পুলিশ বলছে, সোমবার মার্কিন দূতাবাসের কাছে হিজবুত তাহরিরের মিছিল থেকে একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিজবুত তাহরির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করা হয় ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে।
এর আগের বছর জঙ্গি তৎপরতা চালানোর অভিযোগে একবার গ্রেফতার হলেও সে সময় ছাড়া পেয়েছিলেন সৈয়দ গোলাম মাওলা।
তবে সোয়া দু’বছর আগে তিনি আবার গ্রেফতার হলে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়া হয়েছিল।
সৈয়দ গোলাম মাওলার স্ত্রী শাহিদা আহমেদ সোমবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার স্বামী সেই মামলাটিতে জামিন পেয়েছিলেন।
তিনি বলেন, গোলাম মাওলার পিতা জামিনের কাগজপত্র নিয়ে কাশিমপুর কারাগারের জেলগেটে গিয়েছিলেন।
“কিন্তু তার পিতার সামনেই তাকে ডিবি পুলিশ খো স্টিকার লাগানো গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়’’, শাহিদা আহমেদ বলেন।
“এরপর থেকে পাঁচদিন ধরে তার কোন খোজ আমরা পাইনি’’, তিনি বলেন।
ডিবি পুলিশ সৈয়দ গোলাম মাওলাকে নিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে।
দূতাবাস অভিমুখে মিছিল
গুম করার অভিযোগ অস্বীকার করে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, সোমবার একদল যুবক ঢাকার গুলশান এলাকায় মিছিল বের করে মার্কিন দূতাবাসের দিকে এগুলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
রহমান বলেন, আটক ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিছিলটি হিজবুত তাহরিরের ছিল বলে স্বীকার করেছে।
“আটক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী বিকেলে ঢাকার গুলশানে আজাদ মসজিদ থেকে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে’’, তিনি বলেন।
পুলিশ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলা হিজবুত তাহরিরের সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। এ ব্যাপারে তার পরিবার কিছু বলেনি।
তবে তার স্ত্রী শাহিদা আমেদ বলেছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটিই মামলা ছিল। তাতে জামিন হওয়ার পরও ধরে নিয়ে এখনো কোনো আদালতে হাজির না করায় তারা উদ্বিগ্ন।
ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান অবশ্য বলেছেন, এখন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে হাজির করা হবে।
পুলিশের কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, হিজবুত তাহরির নিষিদ্ধ হলেও তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করে। সে সম্পর্ক জানতে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম
আজাদ। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শিলজা বাংলাদেশের পূর্ণমন্ত্রী
আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন নয়া দিল্লির একটি হোটেলের ডাইনিং
হলে। সেখানকার কয়েকটি ডাইনিং টেবিল সরিয়ে একটি সোফা স্থাপন করে ওই
সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।
কোলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কলম পত্রিকা রোববারের সম্পাদকীয়তে এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। পাঠকদের জন্য সম্পাদকীয়টি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“বাংলাদেশ আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জন্ম প্রক্রিয়া হইতেই ভারতের সহিত এক অচ্ছেদ্য বন্ধনে দেশটি আবদ্ধ রহিয়াছে। স্বীকার করিতে দ্বিধা নাই, বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে ভারতের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। কারণ, বাংলাদেশের সৃষ্টি হওয়ায় ভারতের পূর্ব প্রান্তে এক বন্ধু রাষ্ট্র স্থাপিত হইয়াছে। ফলে পাকিস্তান অবিভক্ত থাকিলে সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে যে চাপ বহন করিতে হইত তাহা বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। ইহা ব্যতীত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বাংলাদেশে ভারতের পণ্যের বাজার ও বিনিয়োগকেও এক ফলপ্রসূ উপযোগিতা হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
এই রাষ্ট্রটির সহিত আমাদের শুধু প্রতিবেশিসুলভ নহে, ভ্রাতৃত্বমূলক সম্পর্ক বজায় রাখাও যে বিশেষ জরুরি তাহা উপলব্ধি করিবার জন্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ না হইলেও চলে। ইতা ব্যতীত বাংলাদেশে রহিয়াছে আমাদের বন্ধু রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশে ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাহিরে অবস্থানকালে আওয়ামি লিগের সহিত আমাদের হৃদ্যতা যে সমানভাবে অম্লান রহিয়াছে, ইতিহাস তাহার সাক্ষী। সৌভাগ্য বলিতে হইবে, বর্তমানেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকার শাসন ক্ষমতায় আসীন রহিয়াছে। কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশের সহিত আমাদের সমঝোতা আরও জোরদার হইয়াছে।
কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায়, আমাদের নীতি-নির্ধারকদের শালীনতাবর্জিত উপেক্ষামূলক আচরণে এই প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ এবং ক্ষেত্র বিশেষে জনগণ হতবাক হইয়া পড়িতেছেন।
সম্প্রতি ভারতে আসিয়াছিলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বলিয়া পরিচিত। তাহার নয়া দিল্লি সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত দ্বি-পক্ষীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠক করা। বাংলাদেশের মন্ত্রী নিশ্চয় আশা করিয়াছিলেন, রাজধানী নয়া দিল্লিতে তাহাকে উপযুক্ত মর্যাদা প্রদান ও সাদর আপ্যায়ন করা হইবে। কূটনৈতিক দিক দিয়া তো বটেই, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুর নিকট এমন প্রত্যাশাই ছিল স্বাভাবিক। বিশেষত, ভারতে মনে করা হয় ‘মেহমান দেব ভবঃ’।
কিন্তু হায়! জনাব আবুল কালাম সাহেবকে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়িতে হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত তাহার বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে সমস্ত জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয় তাহা যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। প্রথমে বলা হয়, বাংলাদেশের মাননীয় মন্ত্রীর সহিত বৈঠকটি হইবে একটি হোটেলের লবিতে। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা খানিকটা বিস্ময়ের সহিত প্রস্তবিত বৈঠকস্থল সম্পর্কে মৃদু আপত্তি জ্ঞাপন করেন।
ইহার পর আমাদের ভারতীয় পক্ষ হইতে দুই রাষ্ট্রের মন্ত্রী পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে স্থানটি নির্বাচন করা হয়, তাহা আরও চমকপ্রদ। বলা হয়, বৈঠকটি হইবে হোটেলের 'বার লাউঞ্জ' অর্থাৎ কিনা মোহময় শরাবখানায়। সঙ্গত কারণেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানটিও বাংলাদেশিরা পসন্দ করিতে পারেন নাই। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই দ্বি-পক্ষীয় মোলাকাত অনুষ্ঠিত হয় ওই হোটেলেরই একটি ডাইনিং হলে। খানাপিনা করার কয়েকটি টেবিল অপসারণ করিয়া লাগসই একটি সোফা সেইখানে স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাস মনঃক্ষুণ্ন হইলেও অগত্যা এইখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সহিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনা!
স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠিয়াছে, রাজধানী নয়া দিল্লিতে আন্তর্জাতিক মানের সরকারি ও বেসরকারি ক্ষুদ্র কিংবা বৃহদাকার বহু কনফারেন্স হল থাকিতে কেন হোটেলের লবি, বার এবং শেষে ডাইনিং হলকে বাছিয়া লওয়া হইল? ইহাতে কি এক বৃহৎ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি পাইল? একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশই বা বিষয়টিকে কীভাবে গ্রহণ করিল? এই কথা অবশ্যই বলা যায়, চিন বা পাকিস্তানের সহিত এই ধরনের আচরণ করা হয়তো সম্ভব হইত না।” সূত্র: রেডিও তেহরান।
কোলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কলম পত্রিকা রোববারের সম্পাদকীয়তে এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। পাঠকদের জন্য সম্পাদকীয়টি হুবহু তুলে ধরা হলো:
“বাংলাদেশ আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জন্ম প্রক্রিয়া হইতেই ভারতের সহিত এক অচ্ছেদ্য বন্ধনে দেশটি আবদ্ধ রহিয়াছে। স্বীকার করিতে দ্বিধা নাই, বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে ভারতের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। কারণ, বাংলাদেশের সৃষ্টি হওয়ায় ভারতের পূর্ব প্রান্তে এক বন্ধু রাষ্ট্র স্থাপিত হইয়াছে। ফলে পাকিস্তান অবিভক্ত থাকিলে সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে যে চাপ বহন করিতে হইত তাহা বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। ইহা ব্যতীত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বাংলাদেশে ভারতের পণ্যের বাজার ও বিনিয়োগকেও এক ফলপ্রসূ উপযোগিতা হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
এই রাষ্ট্রটির সহিত আমাদের শুধু প্রতিবেশিসুলভ নহে, ভ্রাতৃত্বমূলক সম্পর্ক বজায় রাখাও যে বিশেষ জরুরি তাহা উপলব্ধি করিবার জন্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ না হইলেও চলে। ইতা ব্যতীত বাংলাদেশে রহিয়াছে আমাদের বন্ধু রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশে ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাহিরে অবস্থানকালে আওয়ামি লিগের সহিত আমাদের হৃদ্যতা যে সমানভাবে অম্লান রহিয়াছে, ইতিহাস তাহার সাক্ষী। সৌভাগ্য বলিতে হইবে, বর্তমানেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকার শাসন ক্ষমতায় আসীন রহিয়াছে। কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশের সহিত আমাদের সমঝোতা আরও জোরদার হইয়াছে।
কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায়, আমাদের নীতি-নির্ধারকদের শালীনতাবর্জিত উপেক্ষামূলক আচরণে এই প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ এবং ক্ষেত্র বিশেষে জনগণ হতবাক হইয়া পড়িতেছেন।
সম্প্রতি ভারতে আসিয়াছিলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বলিয়া পরিচিত। তাহার নয়া দিল্লি সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত দ্বি-পক্ষীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠক করা। বাংলাদেশের মন্ত্রী নিশ্চয় আশা করিয়াছিলেন, রাজধানী নয়া দিল্লিতে তাহাকে উপযুক্ত মর্যাদা প্রদান ও সাদর আপ্যায়ন করা হইবে। কূটনৈতিক দিক দিয়া তো বটেই, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুর নিকট এমন প্রত্যাশাই ছিল স্বাভাবিক। বিশেষত, ভারতে মনে করা হয় ‘মেহমান দেব ভবঃ’।
কিন্তু হায়! জনাব আবুল কালাম সাহেবকে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়িতে হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত তাহার বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে সমস্ত জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয় তাহা যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। প্রথমে বলা হয়, বাংলাদেশের মাননীয় মন্ত্রীর সহিত বৈঠকটি হইবে একটি হোটেলের লবিতে। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা খানিকটা বিস্ময়ের সহিত প্রস্তবিত বৈঠকস্থল সম্পর্কে মৃদু আপত্তি জ্ঞাপন করেন।
ইহার পর আমাদের ভারতীয় পক্ষ হইতে দুই রাষ্ট্রের মন্ত্রী পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে স্থানটি নির্বাচন করা হয়, তাহা আরও চমকপ্রদ। বলা হয়, বৈঠকটি হইবে হোটেলের 'বার লাউঞ্জ' অর্থাৎ কিনা মোহময় শরাবখানায়। সঙ্গত কারণেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানটিও বাংলাদেশিরা পসন্দ করিতে পারেন নাই। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই দ্বি-পক্ষীয় মোলাকাত অনুষ্ঠিত হয় ওই হোটেলেরই একটি ডাইনিং হলে। খানাপিনা করার কয়েকটি টেবিল অপসারণ করিয়া লাগসই একটি সোফা সেইখানে স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাস মনঃক্ষুণ্ন হইলেও অগত্যা এইখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সহিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনা!
স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠিয়াছে, রাজধানী নয়া দিল্লিতে আন্তর্জাতিক মানের সরকারি ও বেসরকারি ক্ষুদ্র কিংবা বৃহদাকার বহু কনফারেন্স হল থাকিতে কেন হোটেলের লবি, বার এবং শেষে ডাইনিং হলকে বাছিয়া লওয়া হইল? ইহাতে কি এক বৃহৎ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি পাইল? একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশই বা বিষয়টিকে কীভাবে গ্রহণ করিল? এই কথা অবশ্যই বলা যায়, চিন বা পাকিস্তানের সহিত এই ধরনের আচরণ করা হয়তো সম্ভব হইত না।” সূত্র: রেডিও তেহরান।
এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে অক্টোবরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হবে।
সোমবার সচিবালয়ে এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বিশ্বব্যাংকসহ অন্য সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে সরকারের এই কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মুহিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি যেভাবে হিসাব করেছি ফর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন, বিশ্ব ব্যাংক ইতিমধ্যে এগ্রি করেছে। আরো কিছু টেন্ডার ডকুমেন্ট তাদের কাছে আছে। সেগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।”
এদিকে, সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এডিবি।
গত শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া চারটি শর্ত মেনে নেয়ার পরই বিশ্বব্যাংকে পরিচালনা বোর্ডের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।
৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার ধরা হয়েছিল। এতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৬১.৫ কোটি, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ৪১.৫ কোটি এবং ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। আর বাকি অর্থের যোগান দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।
কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থছাড় স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। আর এ বছরের ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে দেয়। সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বা ছুটিসহ চারটি শর্ত পূরণ না হওয়ার কথা বলে চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে শর্ত পূরণে পদত্যাগ করেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার খবরও প্রকাশ হয়। যদিও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
এরপর সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বিশ্বব্যাংককে দেয়া চিঠি নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন যান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিলের পরও ঋণদাতা দুই সংস্থা এডিবি ও জাইকা গত ৩১ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর আবার গত ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় এডিবি আরো একমাস ও জাইকা ৩ সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ায়। জাইকার বাড়ানো চুক্তির মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর ও এডিবির মেয়াদ ৩১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।
সোমবার সচিবালয়ে এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
বিশ্বব্যাংকসহ অন্য সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে সরকারের এই কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মুহিত।
অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি যেভাবে হিসাব করেছি ফর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন, বিশ্ব ব্যাংক ইতিমধ্যে এগ্রি করেছে। আরো কিছু টেন্ডার ডকুমেন্ট তাদের কাছে আছে। সেগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।”
এদিকে, সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এডিবি।
গত শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া চারটি শর্ত মেনে নেয়ার পরই বিশ্বব্যাংকে পরিচালনা বোর্ডের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।
৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার ধরা হয়েছিল। এতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৬১.৫ কোটি, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ৪১.৫ কোটি এবং ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। আর বাকি অর্থের যোগান দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।
কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থছাড় স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। আর এ বছরের ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে দেয়। সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বা ছুটিসহ চারটি শর্ত পূরণ না হওয়ার কথা বলে চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে শর্ত পূরণে পদত্যাগ করেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার খবরও প্রকাশ হয়। যদিও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
এরপর সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বিশ্বব্যাংককে দেয়া চিঠি নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন যান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিলের পরও ঋণদাতা দুই সংস্থা এডিবি ও জাইকা গত ৩১ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর আবার গত ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় এডিবি আরো একমাস ও জাইকা ৩ সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ায়। জাইকার বাড়ানো চুক্তির মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর ও এডিবির মেয়াদ ৩১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।
ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী সম্পর্কে নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তিনি নিজেই গুম নাকি তাকে কেউ গুম করেছে তা মন্ত্রীর জানা নেই। তবে ইলিয়াস আলীর নামেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
সোমবার দুপুরে র্যাব সদর দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর র্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি প্রথম মতবিনিময় করেন।
বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ ধরনের হত্যার ঘটনা অনেক ঘটেছে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর তা অনেকটা কমে এসেছে। সরকার এ ধরনের হত্যার ঘটনা কমিয়ে আনতে সচেষ্ট।”
অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে বিএনপির আমলে সাধারণ মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সরকার মানবাধিকার রক্ষায় অনেক সচেতন বলেও জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত একটি দুঃখজনক ঘটনা। কারো জীবনে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে আমরা সে ব্যাপারে আন্তরিক। তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।”
তবে র্যাবের তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার যুগান্তকারী রহস্য উন্মোচিত হবে বলেও দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
Monday, September 24, 2012
কিশোরীর জন্মদিনে দাঙ্গা কারণ ফেসবুক নিমন্ত্রণ! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
কিশোরীর জন্মদিনে দাঙ্গা কারণ ফেসবুক নিমন্ত্রণ! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
ষোলতম জন্মদিনটি ঢাকঢোল পিটিয়ে করতে চেয়েছিল সে৷ এজন্য বন্ধুদের
দাওয়াতও দিয়েছে ফেসবুকে৷ কিন্তু সেই ডিজিটাল দাওয়াত ‘প্রাইভেট’ ছিল না৷ ফলে
কয়েক হাজার তরুণ-যুবা কিশোরীর জন্মদিনে হাজির হয়৷
নেদারল্যান্ডের হারেন নামক একটি ছোট্ট শহরের ঘটনা এটি৷ মাত্র ১৮ হাজার
মানুষ বাস করে এই শহরটিতে৷ শহরটির এক কিশোরী ফেসবুকে বিপত্তি বাঁধায়৷ তার
জন্মদিনের নিমন্ত্রণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে৷ বিশ হাজার মন্তব্য জমা
পড়ে সেখানে৷ শুক্রবার জন্মদিনের দিন তাই হাজার চারেক মানুষ হাজির হয়
কিশোরীর শহরে৷
অবস্থা বেগতিক দেখে, কিশোরী আগেভাগেই অন্যত্র সরে গিয়েছিল৷ অন্যদিকে
অনাকাঙ্খিত অতিথিদের সামলাতে বেগ পেতে হয় শহররের বাসিন্দাদের৷ শুরু হয়
হইচই, হট্টগোল, ভাঙচুর৷ কিশোরীর বাড়ির আশেপাশে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করে
স্থানীয় প্রশাসন৷ এরপর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় অতিথিরা৷
শুক্রবার রাতের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে৷ অন্যদিকে,
গ্রেপ্তার হয়েছে চার অনাকাঙ্খিত অতিথি৷ পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, তারা ঘটনার
ছবি তুলে রেখেছে৷ এবং ছবি বিশ্লেষণ করে আরো কয়েকজনকে জেলে ঢোকানো হতে
পারে৷
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্রী মেলানি জোয়ামা এই বিষয়ে বলেন, ‘‘কিশোরী
ফেসবুকে তার জন্মদিনের নিমন্ত্রণ পোস্ট করে, এরপর তার বন্ধুরা সেটি তাদের
বন্ধুদের কাছে পাঠায় এবং এভাবে ইন্টারনেটে দাবানলের মতো নিমন্ত্রণটি ছড়িয়ে
পড়ে৷ ''
অবশ্য শুধু কিশোরীকে দোষ দিয়েও লাভ নেই৷ কয়েকটি অনলাইন চক্র তার ছোট
ভুলের সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে৷ এই চক্রগুলো জন্মদিনের
নিমন্ত্রণটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়৷ এমনকি একটি ওয়েবসাইট জন্মদিনের
উৎসবের সময় গণনা শুরু করে৷ সেই ওয়েবসাইটটির দাবি হচ্ছে, কিশোরীর জন্মদিনে
যোগ দিতে দেড় লাখ মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা!
উল্লেখ্য, ফেসবুকে জন্মদিনের দাওয়াত নিয়ে বিপত্তি এটাই প্রথম নয়৷ এর আগে
জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এরকম ঘটনা
ঘটেছে৷ এর ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিও কম হয় না৷ সূত্র: এএফপি।
ওয়াইম্যাক্স চালু করতে ব্যর্থ বিটিসিএল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
ওয়াইম্যাক্স চালু করতে ব্যর্থ বিটিসিএল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে না পাওয়া এবং বৈদেশিক ঋণ আটকে যাওয়ায় লাইসেন্স
পাওয়ার চার বছরেও তারহীন ইন্টারনেট সেবা ওয়াইম্যাক্স চালু করতে পারেনি
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না
দিলেও বাধ্য হয়েই প্রকল্পটি বাতিল করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এদিকে ওয়াইম্যাক্স চালুতে ব্যর্থ হলেও ফোর-জি সমমানের এলটিই (লং টার্ম
ইভোলিউশন) প্রযুক্তির চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিটিসিএল। এরই মধ্যে এলটিই চালুর
অনুমোদন চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছে বিটিসিএল।
বোর্ড সভায় অনুমোদনের পরই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৪
সেপ্টেম্বর ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স পায় বিটিসিএল। ওই একই দিনে নিলামে
লাইসেন্স পেয়ে পরবর্তীতে কিউবি ও বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করে।
সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিটিসিএলকে নিলামে অংশ নিতে হয়নি। তারপরও
ওয়াইম্যাক্স সেবা চালুতে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করতে চার বছরেও
ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে পায়নি বিটিসিএল। শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি অংশীদার
নিয়ে ওয়াইম্যাক্স চালু করার পক্ষে মত দিয়ে এসেছে। নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর
অনেকাংশ প্রস্তুত থাকার পরও এককভাবে এ সেবা চালু করতে বিটিসিএল বরাবরই কম
আগ্রহ দেখিয়েছে।
সূত্র আরো জানায়, ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানটি কোরিয়ার
এক্সিম ব্যাংক থেকে সাড়ে পাঁচশ’কোটি টাকা ঋণ নিতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত টাকা
ছাড় করেনি ব্যাংকটি। ঋণের ওই টাকা দিয়ে আমদানিকৃত (ইমপোর্টেড পার্ট)
যন্ত্রাংশ, মডেম কেনা এবং টাওয়ার ও অবকাঠামো নির্মাণের কথা ছিল।
বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলাম ওয়াইম্যাক্সের বিষয়ে সরাসরি
কোনো জবাব না দিয়ে বলেন, ‘আমরা এখন নতুন কিছু করার কথা ভাবছি।
ওয়াইম্যাক্সের চেয়েও আরো উন্নত প্রযুক্তি চালু করতে যাচ্ছে বিটিসিএল।’
বরফি, স্তব্ধতার গান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
বরফি, স্তব্ধতার গান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
জন্মের সময় তার স্কোর ছিলো পাঁচে তিন। কান, ঠোঁট মাইনাস। তবু তিনটি
ইন্দ্রিয় নিয়েই সে রাজা। নিজের নিশ্চুপ ক্যানভাসে সে রঙ ছড়িয়েছে ইচ্ছেমত।
আর সেই রঙ্গীন বুদবুদগুলোই আসলে তার কথা, বাক্য, চিৎকার। সে বরফি, সে রণবীর
কাপুর।
কথা বলতে পারে না, কানে শুনতে পায় না। অথচ তার মত কথক হওয়াও আমাদের মত ইন্দ্রিয়ওয়ালা মানুষের পক্ষে কঠিনই। আসলে বলা যায় বলিউডে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা বরফি হলো আমাদের ইতিবাচক চিন্তাগুলোরই যোগফল।
বহু কষ্টে, ভারি অদ্ভুত ভঙ্গিতে সে কেবল নিজের নামটুকু উচ্চারণ করতে পারে। তাও সেটা আদতে ছিলো মরফি। কিন্তু বোবা ছেলের ঠোঁটে তা হয়ে দাঁড়ায় বরফি। ব্যাস ওইটুকুই। বাকি সময় সে কথা বলে শরীর ও চোখ দিয়ে। একটা পুরোন সাইকেল, পকেট ছেঁড়া কোট, ভাঙ্গাচোরা ঘর-এই তার দুনিয়াদারির হাতিয়ার। তাতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তার, নেই ভ্রুক্ষেপও। কেননা তার জীবনযাপনই ভালো থাকার অবিরাম প্রচেষ্টা।
আর ঋষি পুত্র রণবীর এই বরফির মধ্যে মিশে গিয়েছেন পরতে পরতে। দার্জেলিং পাড়ের আশ্চর্য ছেলেটার ভূমিকা যেন তিনি অভ্যস্ত পোশাকের মতই গায়ে জড়িয়েছেন। সে পোশাকে তাকে বেমানান লাগাতো দূরের কথা বরং মনে হয়েছে এই চরিত্রে তার চেয়ে ভালো হয়তো করার সাধ্য অন্তত বলিউডে কারো নেই।
ছোট ছোট অজস্র দৃশ্যে তিনি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছেন গভীরভাবে। তার জন্যই এই একশো পঞ্চাশ মিনিটের জার্নিতে সামিল না হয়ে যেন উপায়ই থাকে না। তাই যখন বরফি সম্পর্কের গভীরতা মাপতে লাইটপোস্ট ভেঙ্গে তার সামনে বন্ধুর হাত আঁকড়ে অপেক্ষা করতে শুরু করে, দর্শকরাও তখন উদ্বিগ্ন না হয়ে পারেন না। যখন সে স্কুল বাসের জানালায় উদয় হয়ে চুরি করে চকলেট খায় দর্শকরাও তখন মনে মনে যেন প্রার্থনা করতে থাকে যাতে সে দ্রুত পালাতে পারে। যখন সে দার্জেলিং ম্যালের মত ঘড়ির কাঁটা পনেরো মিনিট পিছিয়ে দেয়, দর্শকরা তখন তার নিরাপদে নিচে নেমে আসার জন্য অপেক্ষা করে। যখন বরফি তার অক্ষমতা বুঝিয়ে প্রেমিকাকে ছেড়ে চলে আসে, তখন এক চিলতে চোখের জল মুছে নিতে হয় সবাইকে।
মাঝরাতে বরফি যখন সাদা ঘোড়ায় চেপে বান্ধবিকে নিয়ে সফরে বের হয়, তখন যেন দর্শকরাও তার সঙ্গে অন্য গন্তব্যে পাড়ি জমায়। বরফির এই স্বপ্নযাত্রাতো আসলে দর্শকদের স্বপ্নের দিকেই এগিয়ে যাওয়া। আর এই স্বপ্নে কারিগর অনুরাগ বসু।
মৌন মুখর এই ছবিটি বানাতে যে প্রবল মানসিক দক্ষতা দরকার হয়, অনুরাগ তা করে দেখিয়েছেন। তাই ছবিটি দেখে তাকে স্যালুট না জানিয়ে কারো উপায় নেই। স্যালুট প্রাপ্য ছবির আরেক পাণ প্রিয়াঙ্কারও। ঝিলমিল চ্যাটার্জি নামে অটিজমে আক্রান্ত মেয়েটি সারা জগতের কাছে অবাঞ্ছিত। এমনকি নেষাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল তার মা। তাই দাদুর কাছেই তার বাস। এ মেয়ের মুখেও অনুরাগ কথা দিয়েছেন খুব কম। পুরো ছবিতেই সামাণ্য কয়েকবার সে বরফিকে ডাকে। দাদুকে ফোন করে আর গান গায় আধখানা। সরল ও শান্ত তার পৃথিবী। সেই পৃথিবীতেই বরফিকে সে আঁকরায়। অবোধ অনুযোগহীন ঝিলমিল সংসারের কাছে অচল। অথচ সে গাড়িতে শুয়ে জঙ্গলের মধ্যে জোনাকি দেখে টিপটিপ। অসামাণ্য এক রুপকথা তৈরি হয়ে যায় সেলুলয়েড জুড়ে। মনে হয় মাথা তুললেই ছাদ নয়, চোখে পড়বে অনন্ত আকাশ।
সিনেমাটোগ্রাফর অনন্ত বর্মনে কাজই বরফির অন্যতম সম্পদ। ঝিলমিল এখনো পর্যন্ত পিয়াঙ্কা চোপড়ার করা জীবনের সেরা অভিনয় চরিত্র। নিস্পাপ মুখের ফিনফিনে ঝিলমিলের কোথাও যেন খুঁজেই পাওয়া যায় না বলিউডের গ্লামারাস পিগি চপসকে। তাই এমন রুপান্তর যে সম্ভব তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কষ্টকর।
সেই সঙ্গে খুব মিলেছে প্রিতমের সুর আর আবহ। কলকাতা টালিগঞ্জের বেশ কয়েকজন তারকাকেও পাওয়া গেছে ছবিটিতে। রুপা গাঙ্গুলী, হারাধন বন্দোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত সহ প্রত্যেককেই তার চরিত্রের সঙ্গে বেশ ভালো মানিয়েছে।
কথা বলতে পারে না, কানে শুনতে পায় না। অথচ তার মত কথক হওয়াও আমাদের মত ইন্দ্রিয়ওয়ালা মানুষের পক্ষে কঠিনই। আসলে বলা যায় বলিউডে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা বরফি হলো আমাদের ইতিবাচক চিন্তাগুলোরই যোগফল।
বহু কষ্টে, ভারি অদ্ভুত ভঙ্গিতে সে কেবল নিজের নামটুকু উচ্চারণ করতে পারে। তাও সেটা আদতে ছিলো মরফি। কিন্তু বোবা ছেলের ঠোঁটে তা হয়ে দাঁড়ায় বরফি। ব্যাস ওইটুকুই। বাকি সময় সে কথা বলে শরীর ও চোখ দিয়ে। একটা পুরোন সাইকেল, পকেট ছেঁড়া কোট, ভাঙ্গাচোরা ঘর-এই তার দুনিয়াদারির হাতিয়ার। তাতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তার, নেই ভ্রুক্ষেপও। কেননা তার জীবনযাপনই ভালো থাকার অবিরাম প্রচেষ্টা।
আর ঋষি পুত্র রণবীর এই বরফির মধ্যে মিশে গিয়েছেন পরতে পরতে। দার্জেলিং পাড়ের আশ্চর্য ছেলেটার ভূমিকা যেন তিনি অভ্যস্ত পোশাকের মতই গায়ে জড়িয়েছেন। সে পোশাকে তাকে বেমানান লাগাতো দূরের কথা বরং মনে হয়েছে এই চরিত্রে তার চেয়ে ভালো হয়তো করার সাধ্য অন্তত বলিউডে কারো নেই।
ছোট ছোট অজস্র দৃশ্যে তিনি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছেন গভীরভাবে। তার জন্যই এই একশো পঞ্চাশ মিনিটের জার্নিতে সামিল না হয়ে যেন উপায়ই থাকে না। তাই যখন বরফি সম্পর্কের গভীরতা মাপতে লাইটপোস্ট ভেঙ্গে তার সামনে বন্ধুর হাত আঁকড়ে অপেক্ষা করতে শুরু করে, দর্শকরাও তখন উদ্বিগ্ন না হয়ে পারেন না। যখন সে স্কুল বাসের জানালায় উদয় হয়ে চুরি করে চকলেট খায় দর্শকরাও তখন মনে মনে যেন প্রার্থনা করতে থাকে যাতে সে দ্রুত পালাতে পারে। যখন সে দার্জেলিং ম্যালের মত ঘড়ির কাঁটা পনেরো মিনিট পিছিয়ে দেয়, দর্শকরা তখন তার নিরাপদে নিচে নেমে আসার জন্য অপেক্ষা করে। যখন বরফি তার অক্ষমতা বুঝিয়ে প্রেমিকাকে ছেড়ে চলে আসে, তখন এক চিলতে চোখের জল মুছে নিতে হয় সবাইকে।
মাঝরাতে বরফি যখন সাদা ঘোড়ায় চেপে বান্ধবিকে নিয়ে সফরে বের হয়, তখন যেন দর্শকরাও তার সঙ্গে অন্য গন্তব্যে পাড়ি জমায়। বরফির এই স্বপ্নযাত্রাতো আসলে দর্শকদের স্বপ্নের দিকেই এগিয়ে যাওয়া। আর এই স্বপ্নে কারিগর অনুরাগ বসু।
মৌন মুখর এই ছবিটি বানাতে যে প্রবল মানসিক দক্ষতা দরকার হয়, অনুরাগ তা করে দেখিয়েছেন। তাই ছবিটি দেখে তাকে স্যালুট না জানিয়ে কারো উপায় নেই। স্যালুট প্রাপ্য ছবির আরেক পাণ প্রিয়াঙ্কারও। ঝিলমিল চ্যাটার্জি নামে অটিজমে আক্রান্ত মেয়েটি সারা জগতের কাছে অবাঞ্ছিত। এমনকি নেষাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল তার মা। তাই দাদুর কাছেই তার বাস। এ মেয়ের মুখেও অনুরাগ কথা দিয়েছেন খুব কম। পুরো ছবিতেই সামাণ্য কয়েকবার সে বরফিকে ডাকে। দাদুকে ফোন করে আর গান গায় আধখানা। সরল ও শান্ত তার পৃথিবী। সেই পৃথিবীতেই বরফিকে সে আঁকরায়। অবোধ অনুযোগহীন ঝিলমিল সংসারের কাছে অচল। অথচ সে গাড়িতে শুয়ে জঙ্গলের মধ্যে জোনাকি দেখে টিপটিপ। অসামাণ্য এক রুপকথা তৈরি হয়ে যায় সেলুলয়েড জুড়ে। মনে হয় মাথা তুললেই ছাদ নয়, চোখে পড়বে অনন্ত আকাশ।
সিনেমাটোগ্রাফর অনন্ত বর্মনে কাজই বরফির অন্যতম সম্পদ। ঝিলমিল এখনো পর্যন্ত পিয়াঙ্কা চোপড়ার করা জীবনের সেরা অভিনয় চরিত্র। নিস্পাপ মুখের ফিনফিনে ঝিলমিলের কোথাও যেন খুঁজেই পাওয়া যায় না বলিউডের গ্লামারাস পিগি চপসকে। তাই এমন রুপান্তর যে সম্ভব তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কষ্টকর।
সেই সঙ্গে খুব মিলেছে প্রিতমের সুর আর আবহ। কলকাতা টালিগঞ্জের বেশ কয়েকজন তারকাকেও পাওয়া গেছে ছবিটিতে। রুপা গাঙ্গুলী, হারাধন বন্দোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত সহ প্রত্যেককেই তার চরিত্রের সঙ্গে বেশ ভালো মানিয়েছে।
জাতিসংঘে ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতিসংঘে ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অহংকার বর্জন করো, তবেই শান্তির প্রকৃত সন্ধান পাবে। এমনই একটি সংস্কৃত
শ্লোক দিয়ে জাতিসংঘে বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রিদের ভারতীয় এই প্রাচীন
শিক্ষার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড সেনসেসন
জাতিসংঘের শান্তিদূত ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।
শনিবার আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয়ে
এসেছিলেন ভারতের বিখ্যাত বচ্চন পরিবারের এই বধূ। এদিন তিনি বিভিন্ন দেশের
শিশুদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য দেয়া ছাড়াও দেখা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি
মুনের সঙ্গেও।
এছাড়া এদিন ঐশ্বরিয়া জাতিসংঘের অন্যান্য শান্তিদূত যেমন-অভিনেতা মাইকেল
ডগলাস, বৃটিশ নৃতত্ত্ববীদ জ্যাঁ গুডঅল, নোবেল বিজয়ী ইহুদি বংশদ্ভূত মার্কিন
সাহিত্যিক এলি উইজেল ও মার্নি সংগীত শিল্পী মনিক কোলম্যানের সঙ্গেও দেখা
করেন।
এদিন জাতিসংঘের সদর দফতরে বিভিন্ন দেশের শিশুদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে
ঐশ্বরিয়া বলেন, তার নিজেকে একজন শিক্ষার্থী বলেই মনে হচ্ছে। কারণ তিনি
শনিবার প্রথম জাতিসংঘের শান্তিদূত হিসেবে যাত্রা শুরু করলেন। আগামী দিনে
ঐশ্বরিয়াকে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য ও এইডস বিষয়ক প্রচারাভিযানে দেখা যেতে পারে
বলেও জানান এই সাবেক বিশ্বসুন্দরী। সূত্র: বি.বাজ
বিশ্ব জয়ের রাস্তা ধরল বরফি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিশ্ব জয়ের রাস্তা ধরল বরফি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
অনুরাগ বসুর সিনেমা `বরফি`তে ছিল দার্জিলিং, কলকাতা, আবেগ আর না বলা অনেক
কথা। সেই সব জিনিসগুলোই বরফিকে নিয়ে গেল সিনেমার জগতের বিশ্বসেরা খেতাব
অস্কার জয়ের পথে।
শনিবার এ বছরের অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হলো। আর তাতে বিদেশী বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলো `বরফি`। বলিউডের এই সিনেমা জুড়ে আছে বাংলা আর বাঙালি। ছবির বাঙালি পরিচালক অনুরাগ বসু। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় তিন বাঙালি রূপা গাঙ্গুলি, যীশু সেনগুপ্ত, হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী ভাষা, দেশ-রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে অনুরাগ বসুর এই ছবি চলে গেছে অন্তরমহলে। এর আগেও মাদার ইন্ডিয়া থেকে লগন, গাইড থেকে পিপলি লাইভের মতো সিনেমা অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিল। গত সপ্তাহে রিলিজ করার পর, এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ষাট কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই ছবি। অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার পর রণবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত এই ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।
অস্কারের মনোনয়ন পাওয়ার পর পরিচালক অনুরাগ বসু বললেন, তিনি দারুণ খুশি। সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েই রণবীর কাপুর নাকি বলেছিলেন, " আমি তো সিনেমায় কথা বলতে পারব না, কিন্তু আমার অভিনয় সবাইকে কথা বলবে।" সেটাই হলো বাস্তবে। সিনেমায় বরফি কিছু বলতে পারল না ঠিকই কিন্তু স্ক্রিণের বাইরে সে বলে গেল অনেক কিছু।
অনুরাগ বসুর এই ছবিতে গল্প, রণবীর কপূর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ারা, অসাধারণ ক্যামেরা ওয়ার্ক, গান আম দর্শকদের মন জয় করেছে, এ বার জয় করার অপেক্ষায় অস্কারের বিচারকদের। আমির খান যা পারেননি, কথা বলতে না পারা বরফিকে পারবে? সূত্র: জিনিউজ।
শনিবার এ বছরের অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হলো। আর তাতে বিদেশী বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলো `বরফি`। বলিউডের এই সিনেমা জুড়ে আছে বাংলা আর বাঙালি। ছবির বাঙালি পরিচালক অনুরাগ বসু। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় তিন বাঙালি রূপা গাঙ্গুলি, যীশু সেনগুপ্ত, হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী ভাষা, দেশ-রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে অনুরাগ বসুর এই ছবি চলে গেছে অন্তরমহলে। এর আগেও মাদার ইন্ডিয়া থেকে লগন, গাইড থেকে পিপলি লাইভের মতো সিনেমা অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিল। গত সপ্তাহে রিলিজ করার পর, এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ষাট কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই ছবি। অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার পর রণবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত এই ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।
অস্কারের মনোনয়ন পাওয়ার পর পরিচালক অনুরাগ বসু বললেন, তিনি দারুণ খুশি। সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েই রণবীর কাপুর নাকি বলেছিলেন, " আমি তো সিনেমায় কথা বলতে পারব না, কিন্তু আমার অভিনয় সবাইকে কথা বলবে।" সেটাই হলো বাস্তবে। সিনেমায় বরফি কিছু বলতে পারল না ঠিকই কিন্তু স্ক্রিণের বাইরে সে বলে গেল অনেক কিছু।
অনুরাগ বসুর এই ছবিতে গল্প, রণবীর কপূর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ারা, অসাধারণ ক্যামেরা ওয়ার্ক, গান আম দর্শকদের মন জয় করেছে, এ বার জয় করার অপেক্ষায় অস্কারের বিচারকদের। আমির খান যা পারেননি, কথা বলতে না পারা বরফিকে পারবে? সূত্র: জিনিউজ।
হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু সোমবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু সোমবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
সদ্য প্রয়াত নন্দিত সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে তিন
দিনের চলচ্চিত্র উৎসব সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
চলচ্চিত্র সংসদ এর আয়োজনে টিএসসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য ‘চলচ্চিত্রে
হুমায়ুন আহমেদ’ শীর্ষক উৎসবে প্রদর্শিত হবে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত সাতটি
চলচ্চিত্র।
২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সঞ্চালক
ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অন্যান্যেল মধ্যে হুমায়ুন আহমেদের ছোটভাই
কার্টুনিস্ট এবং রম্যপত্রিকা ‘উন্মাদ’ সম্পাদক আহসান হাবীব, ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন এন্ড ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ জে
এম শফিউল আলম ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
উৎসব কমিটি সূত্রে জানাগেছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১টা, বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সিনেমা প্রদর্শন করা হবে।
২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুপুর ১টায় হুমায়ুন
আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ প্রদর্শিত হবে। পরে
যথাক্রমে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ও ‘আমার আছে জল’ প্রদর্শিত হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর
যথাক্রমে ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’, ‘আমার আছে জল’, ‘শ্যামল ছায়া’ ও
‘চন্দ্রকথা’ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ‘শ্যামল ছায়া’, ‘চন্দ্রকথা’, ‘দুই দুয়ারী’ ও
‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ দেখানো হবে। প্রদর্শনীর প্রতিটি টিকিটের মূল্য ধরা
হয়েছে ১৫ টাকা।
ফেসবুকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন সালমান, অমিতাভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
ফেসবুকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন সালমান, অমিতাভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
বলিউড তারকারা অবশেষে একে একে ফেসবুকে প্রবেশ শুরু করেছেন৷ এতদিন টুইটারে
তারা সক্রিয় ছিলেন বেশি৷ আমির, প্রিয়াঙ্কার পর দিন কয়েক আগে ফেসবুকে যাত্রা
শুরু করেন অমিতাভ বচ্চন৷ এরপর সালমান খান৷
সালমান খান লিখে ফেসবুকের খোঁজ বোতামটি চাপলে অনেক পাতার সন্ধান পাওয়া যায়৷ এদের মধ্যে কোনোটি এমনভাবে পরিচালিত যে, মনে হবে আসল সালমানের বুঝি দেখা পাওয়া গেল৷ কিন্তু সেগুলো সবই ভুয়া পাতা৷ আসল সালমান এতদিন ছিলেন না ফেসবুকে৷
গত সপ্তাহে আসল সালমান মানে বলিউড তারকা সালমান খান ফেসবুকে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন৷ নিজের পাতায় একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছেন এই তারকা৷ সালমান বলেন, ‘‘অনেকে আমার কাছে জানতে চেয়েছে, আমি কেন ফেসবুকে নেই৷ তারা আরো বলেছে, আমার নামে অনেক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে৷”
সালমান নামে যারা ভুয়া ফেসবুক পাতা খুলেছেন তাদের সতর্ক করেছেন এই বলিউড তারকা৷ ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর প্রতি তার আহ্বান হচ্ছে, ‘হয় আমার আনুষ্ঠানিক পাতায় আসো, না হয় দূর হও৷’
ফেসবুকে প্রবেশের কয়েকদিনের মধ্যেই প্রায় ত্রিশ লাখ লাইক পেয়েছেন সালমান খান৷ তার পাতায় প্রতিনিয়তই যুক্ত হচ্ছে অনেক মানুষ৷ সালমান সম্পর্কিত সর্বশেষ সব খবরাখবর পাওয়া যাবে এই পাতায়৷
প্রসঙ্গত, গত মাসে ফেসবুকে যোগ দেন বলিউড ‘বিগ বি' অমিতাভ বচ্চন৷ সেসময় তিনি বলেন, ‘‘আমি আমার ব্লগে আশাতীত সাড়া পেয়েছি, যা আমাকে উৎসাহিত করেছে এবং এজন্যই আমি ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের আরো একটি পথ (ফেসবুক) উন্মুক্ত করেছি৷”
ফেসবুক পাতার মাধ্যমে শুধু ভারতীয় নয়, গোটা বিশ্বের ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে চান অমিতাভ৷ তবে ফেসবুক ভক্তের বিচারে ইতিমধ্যে বিগ বি-কে টপকে গেছেন সাল্লু ভাই৷ সালমান ভক্ত সংখ্যা যেখানে ত্রিশ লাখ ছুঁইছুঁই, সেখানে অমিতাভের রয়েছে প্রায় পঁচিশ লাখ ভক্ত৷ অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ফেসবুক ভক্তের সংখ্যা ত্রিশ লাখের কিছু বেশি, আমির খানের পঞ্চাশ লাখের বেশি। সূত্র: পিটিআই।
সালমান খান লিখে ফেসবুকের খোঁজ বোতামটি চাপলে অনেক পাতার সন্ধান পাওয়া যায়৷ এদের মধ্যে কোনোটি এমনভাবে পরিচালিত যে, মনে হবে আসল সালমানের বুঝি দেখা পাওয়া গেল৷ কিন্তু সেগুলো সবই ভুয়া পাতা৷ আসল সালমান এতদিন ছিলেন না ফেসবুকে৷
গত সপ্তাহে আসল সালমান মানে বলিউড তারকা সালমান খান ফেসবুকে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন৷ নিজের পাতায় একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছেন এই তারকা৷ সালমান বলেন, ‘‘অনেকে আমার কাছে জানতে চেয়েছে, আমি কেন ফেসবুকে নেই৷ তারা আরো বলেছে, আমার নামে অনেক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে৷”
সালমান নামে যারা ভুয়া ফেসবুক পাতা খুলেছেন তাদের সতর্ক করেছেন এই বলিউড তারকা৷ ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর প্রতি তার আহ্বান হচ্ছে, ‘হয় আমার আনুষ্ঠানিক পাতায় আসো, না হয় দূর হও৷’
ফেসবুকে প্রবেশের কয়েকদিনের মধ্যেই প্রায় ত্রিশ লাখ লাইক পেয়েছেন সালমান খান৷ তার পাতায় প্রতিনিয়তই যুক্ত হচ্ছে অনেক মানুষ৷ সালমান সম্পর্কিত সর্বশেষ সব খবরাখবর পাওয়া যাবে এই পাতায়৷
প্রসঙ্গত, গত মাসে ফেসবুকে যোগ দেন বলিউড ‘বিগ বি' অমিতাভ বচ্চন৷ সেসময় তিনি বলেন, ‘‘আমি আমার ব্লগে আশাতীত সাড়া পেয়েছি, যা আমাকে উৎসাহিত করেছে এবং এজন্যই আমি ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের আরো একটি পথ (ফেসবুক) উন্মুক্ত করেছি৷”
ফেসবুক পাতার মাধ্যমে শুধু ভারতীয় নয়, গোটা বিশ্বের ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে চান অমিতাভ৷ তবে ফেসবুক ভক্তের বিচারে ইতিমধ্যে বিগ বি-কে টপকে গেছেন সাল্লু ভাই৷ সালমান ভক্ত সংখ্যা যেখানে ত্রিশ লাখ ছুঁইছুঁই, সেখানে অমিতাভের রয়েছে প্রায় পঁচিশ লাখ ভক্ত৷ অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ফেসবুক ভক্তের সংখ্যা ত্রিশ লাখের কিছু বেশি, আমির খানের পঞ্চাশ লাখের বেশি। সূত্র: পিটিআই।
তৃষ্ণা ছাড়াও পানি জরুরি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
তৃষ্ণা ছাড়াও পানি জরুরি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
আমরা সবাই জানি, আমাদের শরীরের মোট ওজনের ৭৫ শতাংশই পানি। শরীরের
প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানির উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে ফুসফুস এবং
মস্তিষ্কের মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোয় পানির উপস্থিতি অনেক বেশি।
সাধারণত আমরা মনে করি, তখনই আমাদের তৃষ্ণা পায় যখন শরীরে পানির প্রয়োজন
হয়। কিন্তু এ ধারণা কি আসলেই সত্যি? আমাদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ তাপ
নিয়ন্ত্রিত কক্ষে কাজ করি, সে সময় আমাদের খুব বেশি তৃষ্ণা পায় না, তার মানে
কি আমাদের শরীরে তখন পানির প্রয়োজন নেই?
বিজ্ঞানীরা বলছেন, তখনো শরীরে পানির প্রয়েজন হয়। তৃষ্ণা না পেলেও শরীরে
পানির প্রয়োজন আছে। আর এটি পূরণ না হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা দেখা
দিতে পারে।
গবেষকদের মতে, আমাদের শরীরের ভেতরে পানির প্রবাহ বাড়তি থাকলে কোষগুলো
উদ্দীপ্ত হয় এবং শক্তি আহরণ করে। এ ছাড়া ত্বকের এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক
কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পানির উপস্থিতি প্রয়োজন।
প্রতিদিন চার লিটার পানি শরীর থেকে নির্গত হয়। এ ঘাটতি পূরণ করার জন্য একই
পরিমাণ পানি পান করা দরকার। তা আপনার তৃষ্ণা থাকুক আর না থাকুক। সূত্র:
টাইমস অব ইন্ডিয়া
এ মেয়াদে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা কঠিন: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এ মেয়াদে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা কঠিন: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিশ্বব্যাংক ফিরে এলেও বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু
করা খুব একটা সহজ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
রোববার বাংলাদেশ রোড টান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
একটি পদ্মা সেতুই দেশের সব সমস্যার সমাধান নয়-এ মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক যে সব শর্ত দিয়েছে তার কারিগরি, প্রক্রিয়াগত ও কৌশলগত সব সমস্যার জট খুলতে অনেক সময় লাগবে।”
বিকল্প অর্থায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি পদ্মা সেতু নির্মাণের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সরকারের ছিল তা থেকে সরে আসারও কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।
এর আগে শনিবারও সাভারের এক অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী বলেছিলেন, “পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংকের ফিরে আসার অর্থ এই নয় যে, খুব শিগগির এর কাজ শুরু হবে। কিছু প্রক্রিয়াগত, পদ্ধতিগত এবং টেকনিক্যাল বিষয় রয়েছে যা সুরাহা করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।”
উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুন ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে। এরপর বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে চারটি শর্ত দিয়েছিল। শর্তগুলো পূরণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়নে ফিরে আসার ঘোষণা দেয়।
রোববার বাংলাদেশ রোড টান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
একটি পদ্মা সেতুই দেশের সব সমস্যার সমাধান নয়-এ মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, “বিশ্বব্যাংক যে সব শর্ত দিয়েছে তার কারিগরি, প্রক্রিয়াগত ও কৌশলগত সব সমস্যার জট খুলতে অনেক সময় লাগবে।”
বিকল্প অর্থায়নের কথা উল্লেখ করে তিনি পদ্মা সেতু নির্মাণের যে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সরকারের ছিল তা থেকে সরে আসারও কোনো সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেন।
এর আগে শনিবারও সাভারের এক অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী বলেছিলেন, “পদ্মা সেতু নির্মাণে বিশ্ব ব্যাংকের ফিরে আসার অর্থ এই নয় যে, খুব শিগগির এর কাজ শুরু হবে। কিছু প্রক্রিয়াগত, পদ্ধতিগত এবং টেকনিক্যাল বিষয় রয়েছে যা সুরাহা করা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।”
উল্লেখ্য, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক গত ২৯ জুন ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে। এরপর বিশ্বব্যাংক ঋণচুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার ক্ষেত্রে চারটি শর্ত দিয়েছিল। শর্তগুলো পূরণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়নে ফিরে আসার ঘোষণা দেয়।
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও মাতৃত্বকালীন ছুটি ৬ মাস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সরকারি চাকরিজীবীদের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও মাতৃত্বকালীন ছুটি
ছয় মাস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এ বিষয়ে আদেশ
জারি করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের নারী শিক্ষক ও কর্মচারীরা এ সুবিধা ভোগ
করবেন।
রোববার বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কয়েকটি সংগঠনের নেতারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম আরো বলেন, দাবি অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িবাড়া ও চিকিত্সাভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে টাকার পরিমাণটা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দষ্টি করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
রোববার বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের কয়েকটি সংগঠনের নেতারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নুরুল ইসলাম আরো বলেন, দাবি অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িবাড়া ও চিকিত্সাভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে টাকার পরিমাণটা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে সুনির্দষ্টি করা হবে বলে মন্ত্রী জানান।
আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
ওই দিন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন। ওই তারিখের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে না পারলে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ডিএমপির প্রতি একটি নির্দেশ জারি করেন।
গত ২ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দাখিল করেন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, দেশান্তরিত, ধর্মান্তরিতকরণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গিছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান।
তিনি বলেন, ১০টি ঘটনায় ২২টি অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ৪৪৮ পৃষ্ঠার অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে রেজিস্ট্রারের কাছে। রোববার আদালত প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নিয়ে তাকে দ্বিতীয় বারের মতো গ্রেফতারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রসিকিটর সাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, কুখ্যাত রাজাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ৬৪ পৃষ্ঠার ফরমাল চার্জ (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা হলো একাত্তর সালের ২১ এপ্রিল ফরিদপুরে জগৎবন্ধু আশ্রমে আটজন সাধুকে বাচ্চু রাজাকারের সহযোগীতায় পাক বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেন।
এর আগে গত ২৬ জুলাই তদন্ত সংস্থা বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ শেষ করে প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয়। ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে না পারলে বা খুঁজে না পেলে কী করবেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান জানান, গ্রেফতার করতে না পারলে দুটি ইংরেজি ও বাংলা জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে। তাতেও তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলে তার অনুপস্থিতে বিচার কাজ চলবে।
মাওলান আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থার তদন্ত কাজ গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়। এরপর গত ৩ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে ভারতে চলে যান।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ গত ২৫ মার্চ দেয়া আদেশ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন ২ এপ্রিল দাখিল করে প্রসিকিউশন।
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে পলাতক আবুল কালাম আজাদ ওরফে
বাচ্চু রাজাকারকে গ্রেফতার করতে পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি দেয়ার জন্য নির্দেশ
দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
রোববার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারক এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এ নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কুখ্যাত রাজাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারকে গ্রেফতার করতে দুটি বহুল প্রচারিত বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে হুলিয়া জারি করেছেন।
তিনি বলেন, আগামী দুই এক দিনের মধ্যে তাকে হাজির হতে এ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার জন্য রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউটর বলেন, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্য তাকে হাজির হতে আগামী ৭ অক্টোববর পর্যন্ত সময় দেয়ার কথা বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। ওই তারিখের মধ্যে তিনি হাজির না হলে তার অনুপস্থিতেই বিচার কাজ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুসারে ডিএমপি কমিশনার তাদের প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। প্রতিবেদনের উল্লেখ করা হয়, তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাকে গ্রেফতার করতে সবখানে খোঁজা হচ্ছে।
প্রসিকিউটর বলেন, ডিএমপির এ প্রতিবেদন গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল আজ এ নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
রোববার ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারক এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এ নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কুখ্যাত রাজাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারকে গ্রেফতার করতে দুটি বহুল প্রচারিত বাংলা ও ইংরেজি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি জারির মাধ্যমে হুলিয়া জারি করেছেন।
তিনি বলেন, আগামী দুই এক দিনের মধ্যে তাকে হাজির হতে এ বিজ্ঞপ্তি দেয়ার জন্য রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউটর বলেন, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্য তাকে হাজির হতে আগামী ৭ অক্টোববর পর্যন্ত সময় দেয়ার কথা বলেছেন ট্রাইব্যুনাল। ওই তারিখের মধ্যে তিনি হাজির না হলে তার অনুপস্থিতেই বিচার কাজ অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুসারে ডিএমপি কমিশনার তাদের প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। প্রতিবেদনের উল্লেখ করা হয়, তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাকে গ্রেফতার করতে সবখানে খোঁজা হচ্ছে।
প্রসিকিউটর বলেন, ডিএমপির এ প্রতিবেদন গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল আজ এ নির্দেশ দিয়েছেন।
এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
ওই দিন ট্রাইব্যুনাল অভিযোগ আমলে নিয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর তাকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেন। ওই তারিখের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে না পারলে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ডিএমপির প্রতি একটি নির্দেশ জারি করেন।
গত ২ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারের কাছে প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ দাখিল করেন।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে তার বিরুদ্ধে হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, দেশান্তরিত, ধর্মান্তরিতকরণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গিছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান।
তিনি বলেন, ১০টি ঘটনায় ২২টি অভিযোগের ভিত্তিতে মোট ৪৪৮ পৃষ্ঠার অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে রেজিস্ট্রারের কাছে। রোববার আদালত প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নিয়ে তাকে দ্বিতীয় বারের মতো গ্রেফতারের নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
প্রসিকিটর সাহিদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, কুখ্যাত রাজাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে ৬৪ পৃষ্ঠার ফরমাল চার্জ (অভিযোগপত্র) দাখিল করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য একটি ঘটনা হলো একাত্তর সালের ২১ এপ্রিল ফরিদপুরে জগৎবন্ধু আশ্রমে আটজন সাধুকে বাচ্চু রাজাকারের সহযোগীতায় পাক বাহিনী নির্মমভাবে হত্যা করেন।
এর আগে গত ২৬ জুলাই তদন্ত সংস্থা বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কাজ শেষ করে প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের কাছে জমা দেয়। ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করতে না পারলে বা খুঁজে না পেলে কী করবেন সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রসিকিউটর সাহিদুর রহমান জানান, গ্রেফতার করতে না পারলে দুটি ইংরেজি ও বাংলা জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেয়া হবে। তাতেও তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব না হলে তার অনুপস্থিতে বিচার কাজ চলবে।
মাওলান আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের বিরুদ্ধে তদন্ত সংস্থার তদন্ত কাজ গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়। এরপর গত ৩ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পরে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে ভারতে চলে যান।
এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ গত ২৫ মার্চ দেয়া আদেশ অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন ২ এপ্রিল দাখিল করে প্রসিকিউশন।
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে র্যাব: হারস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে র্যাব: হারস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পুলিশের অভিজাত বাহিনী র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) রাজনৈতিক ও
অনৈতিকভাবে বিশেষ মহল থেকে প্রভাবিত হচ্ছে। র্যাবের কার্যক্রমে অনেক
ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।
জনমত জরিপে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলেছে দাবি হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট রাইট্ সোসাইটির ( হারস্ )।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংগঠনটি।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মির্জা ওয়ালিদ হোসেন তার রিখিত বক্তব্যে জানান, জরিপে ১ হাজার ৫৫৩ জন নাগরিক অংশ নিয়েছেন।
জরিপের ফলাফল
কোনো কোনো র্যাব সদস্য রাজনৈতিক ও অনৈতিকভাবে কোনো মহল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে কি- এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাঁ বলেছেন ৬৭০ জন (৪৩.১৪ %), না বলেছেন ২৮৫জন ( ১৮.৩৫%), জানি না বলেছেন ৫১৪ জন ( ৩৩.১৯%) এবং নিরুত্তর ছিলেন ৮৪জন (৫.৪১%)।
র্যাব সদস্য কর্তৃক কোন কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মনে করেন- এম প্রশ্নের উত্তরে ৬৬০ জন (৪২.৫%) বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না। ১৯০ জন (১২.২৩%), বিষয়টি জানেন না ৪৭৬ (৩০.৬৫%) আর নিরুত্তর ছিলেন ২২৭ জন ( ১৪.৬২%)।
সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে র্যাব সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল আচরণ, মানবতা ও ভদ্রতা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ১১৯৮জন (৭৭.১৪%)। ৮৬ জন (৫.৫৪%) বলেছেন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই। ১৩৭ জন (৮.৮২%) বিষয়টি জানেন না আর ১৩২ জন (৮.৫%) এ প্রশ্নের উত্তর দেননি।
র্যাবের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে অবদান রাখছে বলে মত দিয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জন। ১২২ জন বলেছেন অবদান রাখছে না, ২১ জনের বিষয়টি জানা নেই এবং ১০ জন এ সংক্রান্ত উত্তর দেননি।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাব তুলনামূলক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন ৫৮০ জন। ৪৮২ জন বললেন ভূমিকা ইতিবাচক নয়। ৪০৩ জন বলেছেন জানি না আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ৮৮ জন।
র্যাবের বিরম্নদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করেন ৬১৮ জন। চক্রান্ত নেই বলছেন ২৪২ জন, বিষয়টি জানা নেই ৪৭০ জনের, নিররুত্তর ছিলেন ২২৭ জন।
র্যাব থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দিয়েছেন ১৩১০ জন। র্যাবের প্রয়োজন নেই বলেছেন ১০৪ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ প্রশ্নের উত্তর দেননি ৭১ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে ধারনা ১ হাজার ১৭৪ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার পক্ষে ২৩৬ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ১৯ জন। জরিপে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের ৩১২ জন র্যাবকে ভয় পান। ১১০৪ জন ভয় পান না। ভয়ের বিষয়টি জানা নেই ১৭ জনের এবং এ প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি ১২০ জন। র্যাব থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৮৪ জনের বেশি নাগরিক মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হারসের প্রধান উপদেষ্টা শহীদুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান হোছাইন, প্রদীপ সেন, মিডিয়া উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম বাবু, আইন বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট আইয়ুব আহমেদুল্লা প্রমুখ।
জনমত জরিপে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলেছে দাবি হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট রাইট্ সোসাইটির ( হারস্ )।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংগঠনটি।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মির্জা ওয়ালিদ হোসেন তার রিখিত বক্তব্যে জানান, জরিপে ১ হাজার ৫৫৩ জন নাগরিক অংশ নিয়েছেন।
জরিপের ফলাফল
কোনো কোনো র্যাব সদস্য রাজনৈতিক ও অনৈতিকভাবে কোনো মহল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে কি- এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাঁ বলেছেন ৬৭০ জন (৪৩.১৪ %), না বলেছেন ২৮৫জন ( ১৮.৩৫%), জানি না বলেছেন ৫১৪ জন ( ৩৩.১৯%) এবং নিরুত্তর ছিলেন ৮৪জন (৫.৪১%)।
র্যাব সদস্য কর্তৃক কোন কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মনে করেন- এম প্রশ্নের উত্তরে ৬৬০ জন (৪২.৫%) বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না। ১৯০ জন (১২.২৩%), বিষয়টি জানেন না ৪৭৬ (৩০.৬৫%) আর নিরুত্তর ছিলেন ২২৭ জন ( ১৪.৬২%)।
সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে র্যাব সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল আচরণ, মানবতা ও ভদ্রতা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ১১৯৮জন (৭৭.১৪%)। ৮৬ জন (৫.৫৪%) বলেছেন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই। ১৩৭ জন (৮.৮২%) বিষয়টি জানেন না আর ১৩২ জন (৮.৫%) এ প্রশ্নের উত্তর দেননি।
র্যাবের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে অবদান রাখছে বলে মত দিয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জন। ১২২ জন বলেছেন অবদান রাখছে না, ২১ জনের বিষয়টি জানা নেই এবং ১০ জন এ সংক্রান্ত উত্তর দেননি।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাব তুলনামূলক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন ৫৮০ জন। ৪৮২ জন বললেন ভূমিকা ইতিবাচক নয়। ৪০৩ জন বলেছেন জানি না আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ৮৮ জন।
র্যাবের বিরম্নদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করেন ৬১৮ জন। চক্রান্ত নেই বলছেন ২৪২ জন, বিষয়টি জানা নেই ৪৭০ জনের, নিররুত্তর ছিলেন ২২৭ জন।
র্যাব থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দিয়েছেন ১৩১০ জন। র্যাবের প্রয়োজন নেই বলেছেন ১০৪ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ প্রশ্নের উত্তর দেননি ৭১ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে ধারনা ১ হাজার ১৭৪ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার পক্ষে ২৩৬ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ১৯ জন। জরিপে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের ৩১২ জন র্যাবকে ভয় পান। ১১০৪ জন ভয় পান না। ভয়ের বিষয়টি জানা নেই ১৭ জনের এবং এ প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি ১২০ জন। র্যাব থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৮৪ জনের বেশি নাগরিক মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হারসের প্রধান উপদেষ্টা শহীদুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান হোছাইন, প্রদীপ সেন, মিডিয়া উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম বাবু, আইন বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট আইয়ুব আহমেদুল্লা প্রমুখ।
উত্তরায় ভবনে আগুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
উত্তরায় ভবনে আগুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরে রাজলক্ষী কমপ্লেক্সের পাশে আলাউদ্দিন
টাওয়ার নামে একটি ১৬ তলা দালানে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে
আগুনের সূত্রপাত ঘটে।
নিচ তলার আগুন ভবনটির দ্বিতীয় তলা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুম জানায়, প্রথমে তাদের দুটো ইউনিট আগুন
নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে আরও ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
রাত পৌনে দশটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ভবনটির নিচের দিকের তলাগুলো
ধোঁয়ায় ছেয়ে আছে। অগ্নি নির্বাপক কর্মীরা ভবনটির ভেতরে আটকে পড়া লোকদের মই
দিয়ে নামিয়ে আনার চেষ্টা করছেন।
পুলিশের আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আবু
নাঈম মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ, মেটোপলিটন পুলিশ কমিশনার বেনজির আহমেদ ঘটনাস্থলে
পৌছেছেন। সেনা বাহিনী ও নৌ বাহিনীর দুটি টিমও উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।
খালেদা জিয়ার ছোটভাই সাঈদ এসকান্দারের ইন্তেকাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
খালেদা জিয়ার ছোটভাই সাঈদ এসকান্দারের ইন্তেকাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোটভাই সাবেক সংসদ সদস্য সাঈদ এসকান্দার নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল বার্তা২৪ ডটনেটকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কখন তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
সাঈদ এসকান্দার দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তিনি আমেরিকার নিউ ইয়র্কের একটি হাসপাতালে সাতমাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দুই বছর আগে সাঈদ এসকান্দার সিঙ্গাপুরে হৃদরোগের চিকিৎসা করান এবং সেখানকার একটি হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেন।
সাঈদ এস্কান্দার ২০০১ সালে ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম থেকে এমপি নির্বাচিত হন। পরে ওয়ান-ইলেভেনের প্রেক্ষাপটে তাকে আর নির্বাচনে মনোনয়ন না দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং এমপি নির্বাচিত হন।
সাঈদ এসকান্দারের দুই স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোটভাই সাবেক সংসদ সদস্য সাঈদ এসকান্দার নিউ ইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল বার্তা২৪ ডটনেটকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে কখন তার মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেননি।
সাঈদ এসকান্দার দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুস ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তিনি আমেরিকার নিউ ইয়র্কের একটি হাসপাতালে সাতমাস চিকিৎসাধীন ছিলেন।
দুই বছর আগে সাঈদ এসকান্দার সিঙ্গাপুরে হৃদরোগের চিকিৎসা করান এবং সেখানকার একটি হাসপাতালে ওপেন হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেন।
সাঈদ এস্কান্দার ২০০১ সালে ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও পরশুরাম থেকে এমপি নির্বাচিত হন। পরে ওয়ান-ইলেভেনের প্রেক্ষাপটে তাকে আর নির্বাচনে মনোনয়ন না দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং এমপি নির্বাচিত হন।
সাঈদ এসকান্দারের দুই স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)


















