Pages

Tuesday, September 25, 2012

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চট্টগ্রামে গ্রামীণ ফোন সিইও সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণ ফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টনি জনসন ও চট্টগ্রামের এরিয়া ম্যানেজার আরিফুজ্জামানসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের ( ব্রিচ অব ট্রাস্ট) অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন স্থানীয় এক আইনজীবি ।

চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম মুনতাসির মামুনের আদালতে  সোমবার দুপুরে মামলাটি দায়ের করেন এস এইচ হাবিবুর রহমান। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী অ্যাডভোকেট হাবিবুর জানান, আমি একজন গ্রামীণ ফোনের পুরানো গ্রাহক। সম্প্রতি জিপি কর্তৃপক্ষ গ্রাহকদের জন্য প্রতি মিনিট ২৫ পয়সা হারে ১০ টাকায় ৪০ মিনিট টক টাইমের সুবিধা দিয়ে একটি অফার ঘোষণা করে। ঘোষণা মোতাবেক আমি এই সেবা চালু করলে জিপি কর্তৃপক্ষ আমার কাছ থেকে ১১টাকা ৫০ পয়সা কেটে নিয়েও এই সুবিধা দেয়নি।  অফার ঘোষণা দিয়ে তা কার্যকর না করে জিপি মূলত আমার সঙ্গে প্রতারণা এবং বিশ্বাস ভঙ্গের কাজ করেছেন।

এ ব্যাপারে তাদের গ্রাহক সেবাকেন্দ্রে ফোনে যোগাযোগ করলে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় আইনগত প্রতিকার চাওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই বলে মামলা দায়েরে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান এই আইনজীবি।

বাদীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক ও এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী। এসময় অনেক আইনজীবী তার পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন অনলাইনে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিশ্ব জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মানুষ এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। সোমবার আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেসন ইউনিয়ন (আইটিইউ) প্রকাশিত ‘ব্রডব্যান্ড কমিউনিকেসন ফর ডিজিটাল ডেভলপমেন্ট’ শীর্ষক প্রকল্পের ‘স্টেট অব ব্রডব্যান্ড ২০১২’ সংক্রান্ত রিপোর্টে এই তথ্য দেয়া হয়েছে। মূলত মানুষের হাতে মোবাইলফোন সেবা দ্রুত পৌঁছে যাওয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারের এই হার ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ক্রমে বাড়তে থাকলেও এ নিয়ে অবশ্য এখনই স্বস্তি প্রকাশ করছে না সংস্থাটি। তারা বলছেন, মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোলের নির্ধারিত টার্গেট অর্জন করতে এখনো অনেক কিছু করার আছে।

আইটিইউ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা যায়, বর্তমানে উন্নত দেশগুলোর ২০.৫ শতাংশ বাসা-বাড়িতে মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। কিন্তু আইটিইউ বলছে, তাদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ২০১৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৪০ শতাংশতে উন্নীত করতে হবে।  

রিপোর্টটিতে বিশ্বের মোট ১৭০টিরও বেশি দেশের ওপর গবেষণা চালিয়ে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্টে দেশভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হার তুলে ধরা হয়েছে। এরমধ্যে দেখা যায়, বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আইসল্যান্ডে। দেশটির প্রায় ৯৫ শতাংশ মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করে। সেদিক থেকে তালিকার শেষ দেশটির নাম তিমুর। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপ দেশটিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের হার মাত্র ০.৯ শতাংশ। তবে আইটিইউ প্রকাশিত এই তালিকায় ইন্টারনেট ব্যবহারের দিকে থেকে আমেরিকার অবস্থান ২৩ নম্বরে।

রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ার ফলে অনলাইনে বেশ কিছু ভাষার মধ্যেও কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান এই ঊর্ধ্বমুখী প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে ২০১৫ সালের মধ্যে অন্য ভাষায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ইংরেজিকে ছাড়িয়ে যাবে।

রিপোর্টটিতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অংশগ্রহণের বিষয়টিরও তালিকা করা হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী দেখা যায়, এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়। এই তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এশিয়ার আরেক দেশ ইন্দোনেশিয়া। এছাড়া তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে নাম রয়েছে মালয়েশিয়া, ব্রাজিল ও রাশিয়ার নাম। আর সারা বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবহারের হার ৫৫ শতাংশ। সূত্র: এ.জে

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মেলবর্নের আকাশে ইউএফও! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাতের আকাশে অজানা অতিথি? ভিন গ্রহের আগন্তুক, না কি আলোর মায়া? আঁধার আকাশের বুকে আলোর বিন্দু৷ চেনা রঙের মিশ্রণে অচেনা মায়া৷ অস্ট্রেলিয়ার মেলবর্নের আকাশে এমনই এক রহস্যজনক উড়ন্ত চাকতি অর্থা ইউএফও (আনআইডেন্টিফাইং ফ্লাইং অবজেক্ট) দেখা গিয়েছে বলে দাবি করেছেন এক ব্যক্তি। শুধু তাই নয় সেই ব্যক্তি নাকি ইউএফও’র ছবিও ক্যামেরাবন্দি করেছেন।

টড নামে ওই ব্যক্তির দাবি করেন, শনিবার রাত ৯টা নাগাদ মেলবর্নের কার্লটন গার্ডেনস’র আকাশে একটি উড়ন্তচাকতি বা ইউএফও কে চক্কর মারতে দেখেন।এরপর টড প্রায় ৩ মিনিট ধরে ক্যামেরাবন্দি করেন সেই ছবি৷

শুধু টড নয়, মেলবর্নের আকাশে ইউএফও  দেখার দাবি করেছেন আরও অনেকে৷ তাদের প্রত্যেকেরই দাবি, আকাশে আলোর ওই ঝলকানি তাদের অচেনা৷ যানটি কোনো মতেই বিমান বা হেলিকপ্টার হতে পারে না বলেও দাবি করেন তারা৷

তবে এ বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের৷ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ ভিক্টোরিয়ার এক মুখপাত্র দাবি করেছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রতিনিয়ত কড়া নজর রেখেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা৷ ফলে তাদের নজর এড়িয়ে কোনও ইউএফও’র এভাবে মেলবর্নের আকাশে চক্কর মারা কার্যত অসম্ভব৷

কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই যুক্তি চিড় ধরাতে ব্যর্থ টডদের বিশ্বাসে৷ তাহলে কি রুপালি পর্দার মতই রাতের অন্ধকারেই পৃথিবীর বুকে নামতে চেয়েছিল ভিনগ্রহী কোনো জীব। নাকি সবই চোখের ভুল, আলোর মায়া? সূত্র: জি.এন

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

টরোন্টো’তে সেরা অনুপম খের অভিনীত ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রিয়তম স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার শোকে মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক শিক্ষক৷ এরপর প্রায় আটমাস মানসিক হাসপাতালে কাটিয়ে ঘরে ফেরেন মা-বাবার কাছে৷

এক সময় পরিচিত হন এক বিধবার সঙ্গে৷ যিনি  ওই শিক্ষককে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করতে রাজি হন৷ এই হচ্ছে গল্প৷ আর ছবির নাম ‘সিলভার লাইনিংস প্লেবুক’৷ মার্কিন পরিচালক ডেভিড রাসেল এটি পরিচালনা করেছেন৷

রোববার সমাপ্ত ‘টরোন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’এ ছবিটি শীর্ষ পুরস্কার জিতে নিয়েছে৷ ছবিতে শিক্ষকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন ব্র্যাডলি কুপার আর বিধবা চরিত্রে রয়েছেন জেনিফার লরেন্স৷ এছাড়া এই ছবির একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউড অভিনেতা অনুপম খের৷

পরিচালক রাসেল জানিয়েছেন, এই ছবির অভিনেতা বাছাইয়ের জন্য তিনি স্কাইপের মাধ্যমে বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন৷ যেমন অনুপম খের জানিয়েছেন, তিনি ভারতের একটি গ্রামে থেকে স্কাইপের মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন৷ এর ফলে ওই গ্রামের লোকজন প্রথমবারের মতো অনলাইন ভিডিও চ্যাটিং এর সঙ্গে পরিচিত হন৷

পরিচালক রাসেলের আগের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ‘দি ফাইটার' আর ‘আই হার্ট হুক্কাবিস’৷

আগামী ২১ নভেম্বর সিলভার লাইনিংস প্লেবুক ছবিটি মুক্তি পেতে পারে৷ সংগীতাঙ্গনে একটি ব্যান্ড দলের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিয়ে তৈরি ‘আর্টিফেক্ট' চলচ্চিত্র উৎসবের সেরা তথ্যচিত্রের পুরস্কারটি পেয়েছে৷ আর গত শতকের সত্তরের দশকে সুইডেনে বেশ আলোচিত একটি পতিতালয়ের কাহিনি নিয়ে গড়ে ওঠা ছবি ‘কল গার্ল’ সেরা সমালোচক পুরস্কার পেয়েছে৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘গল্প হলেও সত্যি’ জেমস বন্ড :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। বৃটিশ নৌসেনার গুপ্তচর বিভাগের অফিসারটি গল্পের ছলেই বন্ধুদের বলেছিলেন, “এমন গুপ্তচরের গল্প লিখব, যা বাকি সব গুপ্তচরের গল্পকে হার মানিয়ে দেবে।”

কথা রেখেছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার কয়েক বছর পরে লিখে ফেলেছিলেন ‘ক্যাসিনো রয়্যাল’। ১৯৫৩ সালে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই যাকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে হইচই শুরু হয়ে গিয়েছিল। উপন্যাসের নায়ক বৃটিশ গুপ্তচর জেমস বন্ডের কীর্তিকলাপ নাড়িয়ে দিয়েছিল পাঠকদের। সেই শুরু। গুপ্তচর সংস্থা এমআই৬-এর এজেন্ট ০০৭-এ রোমাঞ্চকর নানা কার্যকলাপে আজও মজে আছে বিশ্বের জনতা। এই বৃটিশ গুপ্তচরের ‘পরিচয়’ জানার জন্য উৎসুক ছিলেন অনেকেই। ফ্লেমিংয়ের নায়ক কি নেহাতই এক কাল্পনিক চরিত্র না কি সত্যিই তার অস্তিত্ব ছিল?

সম্প্রতি সামনে আসা বৃটেনের কিছু গোপন নথি বলছে, জেমস বন্ড ‘গল্প হলেও সত্যি’!
কী রকম?

পশ্চিম লন্ডনের জাতীয় মহাফেজখানা থেকে পাওয়া কিছু নথিপত্র নিয়ে বেশ ক’দিন ধরেই কাটাছেঁড়া করছিলেন ইতিহাসবিদ সোফি জ্যাকসন। সেখানেই খোঁজ পান ইয়ো-টমাস নামে এক বৃটিশ গুপ্তচরের। জানতে পারেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘হোয়াইট র্যাবিট’ ছদ্মনামে কাজ করতেন এই গুপ্তচর। এই ইয়ো-টমাসের চলন-বলন, বিভিন্ন অভিযানের সঙ্গে আশ্চর্য মিল রয়েছে জেমস বন্ডের গল্পের। সব মিলিয়ে জেমস বন্ড যেন কোনোভাবে মিশে রয়েছেন ইয়ো-টমাসের সঙ্গে।

কিন্তু তা কী করে সম্ভব? দুনিয়া জানে, জেমস বন্ড তো আসলে আয়ান ফ্লেমিংয়ের মানসসন্তান। এখানেই গল্পের আসল ‘টুইস্ট’। সোফি জানাচ্ছেন, যে সময়ে ইয়ো-টমাস বৃটিশ গুপ্তচর হিসাবে কাজ করতেন, ঠিক একই সময়ে আয়ান ফ্লেমিং-ও বৃটিশ গোয়েন্দা দফতরে কর্মরত ছিলেন। এমনকি, ইয়ো-টমাসের গতিবিধির ব্যাপারে ফ্লেমিং যথেষ্ট উৎসাহী ছিলেন বলেও জানতে পেরেছেন সোফি। অতএব দুইয়ে দুইয়ে চার। সোফির দাবি, জেমস বন্ড আসলে ইয়ো-টমাসেরই প্রতিচ্ছবি! তাদের মধ্যে সম্পর্কটা আসলে বাস্তব-কল্পনার মেলবন্ধন। নিজের মতামত নিয়ে একটা বইও লিখে ফেলেছেন সোফি। নাম, “চার্চিলস হোয়াইট র্যাবিট: দা ট্রু স্টোরি অফ আ রিয়েল-লাইফ জেমস বন্ড।” যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বন্ড-ভক্ত থেকে শুরু করে বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও।

তবে যুক্তি-পাল্টা যুক্তির মধ্যেও সোফির দাবিকে উড়িয়ে দিতে পারছেন না কেউই। বন্ডের সঙ্গে ইয়ো-টমাসের যে অন্তহীন মিল।

যেমন বৃটিশ নথি বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন অন্তত তিন তিনবার জার্মানি অধিকৃত ফ্রান্সে পাঠানো হয়েছিল ইয়ো-টমাসকে। সেই সময়ই একবার গেস্টাপোর হাতে ধরা পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে বুখেনওয়াল্ড কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে দেয় গেস্টাপো। তবে সেখান থেকেও পালিয়ে এসেছিলেন ইয়ো-টমাস। মহাফেজখানার নথি থেকে জানা যাচ্ছে, পুরো ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন আয়ান ফ্লেমিং। এমনকি, সহকর্মীদের সেই অভিযানের গল্পও শুনিয়েছিলেন তিনি। কাকতলীয়ভাবে সেই ঘটনার সঙ্গে বন্ড-সিরিজের প্রথম গল্প ‘ক্যাসিনো রয়্যালের’ আশ্চর্য মিল রয়েছে। যেভাবে ইয়ো-টমাসের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল গেস্টাপো, ক্যাসিনো-রয়্যালে ঠিক একই রকম ভাবে নির্যাতিত হতে দেখা গিয়েছে বন্ডকে।

শুধু নির্যাতনের নিরিখেই নয়, ইয়ো-টমাসের সঙ্গে জেমস বন্ডের মিল রয়েছে তাদের প্রায় রূপকথার নায়ক সুলভ হাবভাবেও। উপন্যাসের পাতা থেকে শুরু করে রুপোলি পর্দা সর্বত্রই সুপুরুষ চেহারার বন্ডকে দেখা গিয়েছে লাস্যময়ী নারী পরিবেষ্টিত হয়ে থাকতে। সোফির তথ্য বলছে, ব্যক্তিগত জীবনে ইয়ো-টমাসও প্রায় এ রকমই ছিলেন। এবং ঠিক বন্ডের মতোই কখনও চলন্ত ট্রেন থেকে ঝাঁপ দিয়ে, আবার কখনও বা ছদ্মবেশে শত্রুর চোখে ধুলো দিয়ে পালাতেন তিনি।

এ হেন ইয়ো-টমাসের সমসাময়িক হওয়ার সুবাদে ফ্লেমিং তার বন্ডের যাবতীয় মালমশলা পেয়েছিলেন বাস্তব থেকেই। সেই বাস্তব যেখানে এক ‘লার্জার দ্যান লাইফ’ নায়ককে জানতে পেরেছিলেন ফ্লেমিং। এবং সেই দুঃসাহসিকতাকেই হয়তো কুর্নিশ জানাতে তৈরি করেছিলেন ‘শ্রেষ্ঠ’ বৃটিশ গুপ্তচরকে। যিনি স্পর্ধায় কিংবা আত্মবিশ্বাসে নিজের পরিচয় দিতে পারতেন, “বন্ড, জেমস বন্ড।” সূত্র: ওয়েবসাইট।

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্যথানাশক ওষুধ ভয়াবহ :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে মানুষের উদ্বেগের শেষ নেই। এ নিয়ে গবেষণাও চলছে নিরন্তর। তবে আমেরিকায় নতুন এক সমীক্ষা থেকে যে ভয়াবহ চিত্র পাওয়া গেছে তা যেকোনো মানুষকে আতঙ্কিত করবে এতে সন্দেহ নেই।

সমীক্ষা রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, আমেরিকায় হেরোইন ও কোকেন সেবনের কারণে যত মানুষ মারা যায় তার চেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয় অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ সেবনের
কারণে।

চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেই না বুঝে দেয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ব্যথানাশক ওষুধ। ম্যাসাচুচেটস অঙ্গরাজ্যের ব্যানডিস ইউনিভার্সিটির প্রেসক্রিপশন ড্রাগ মনিটরিং প্রোগ্রামের (পিডিএমপি) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওষুধের অপব্যবহার রোধে কৌশল নির্ধারণ এবং মান নিয়ন্ত্রণের কাজ চলছে জোড়াতালি দিয়ে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পিডিএমপি কেন্দ্রের পরিচালক জনএল ইয়েডি বলেন, ব্যথানাশক অপব্যবহার রোধে সরকারি কর্তৃপক্ষকে আরো তৎপর হতে হবে।

এ ব্যাপারে আমেরিকার প্রতিনিধি পরিষদের নিরাপত্তা, জনকল্যাণ ইত্যাদির জন্য নির্ধারিত তহবিল পরিচালনাকারী কমিটির চেয়ারম্যান হল রজার্স বলেন, ওষুধের অপব্যবহারের কারণে পরিবারগুলো বিপর্যস্ত হচ্ছে। রাষ্ট্রের অর্থ, সময় ও জনশক্তির অপচয় হচ্ছে। নতুন সমীক্ষা রিপোর্ট রোডম্যাপ তৈরিতে সহায়ক হবে। সূত্র: ইন্দো-এশীয় নিউজ সার্ভিস

চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

চোরের মায়ের বড় গলা: খালেদাকে হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেছেন, ‘‘হুমকি-ধমকির রাজনীতির সময় অনেক আগেই পার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে কোনো অন্যায় দাবি আদায় করা যাবে না।’’ একইসঙ্গে আগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে-এ বিষয়ে আলোচনার দ্বার খোলা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর এই বিশেষ সহকারী। সোমবার বিকেলে দলের ধানমণ্ডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিরোধী দল এখনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে কথা বলছে। তাহলে আমাগামী নির্বাচন কোন সরকারের অধীনে হবে? এ প্রশ্নের জবাবে হানিফ বলেন, ‘‘বিরোধী দল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে চাইলে এই সরকারের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করতে পারে। সেক্ষেত্রে আলোচনার দ্বার খোলা আছে।’’ আওয়ামী লীগ আগাম নির্বাচন করবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আগাম নির্বাচনের কথা আওয়ামী লীগ তো কখনই বলেনি। তবে এটা নিয়ে বিএনপি আশঙ্কা করছে। আসলে আশঙ্কা আর অভিযোগ করাই বিএনপির কাজ। আমরা পরিস্কারভাবে জানিয়ে দিতে চাই- নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে। এর আগে নির্বাচন করার কোনো ইচ্ছা আওয়ামী লীগের নেই।’’ এ বিষয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠের সময় হানিফ বলেন, ‘‘সুপ্রীম কোর্টের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধ অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও গণতন্ত্র পরিপন্থী দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে ন্যক্কারজনক দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে শংকা বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। আবার যদি এ ব্যবস্থা কোনোদিন আসে, আর যদি তারা ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে।’’ বিএনপি চেয়ারপারসন এবং বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার দিনাজপুরের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন, মিথ্যা এবং বানোয়াট হিসেবে উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘‘দিনাজপুর গোর-এ শহীদ মিনার ময়দানে বেগম খালেদা জিয়া গোঁজামিলে ভরা তথাকথিত ১৮ দলের মহাসমাবেশে যে ভাষণ দিয়েছেন, তা মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ বস্তাপচা পুরনো কাহিনীর নতুন সংস্করণ মাত্র। আমরা এ ধরনের কুৎসিত, লাগামহীন, হিংসাশ্রয়ী, বিদ্বেষপ্রসূত, বেপরোয়া, ভিত্তিহীন, কল্পিত, বানোয়াট কথামালাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। একইসঙ্গে আমরা এসব বিভ্রান্তিকর আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’’ তিনি আরো বলেন, ‘‘তার বক্তব্যের ভাষা ও আচরণ দেখে আমাদের কষ্ট হয়েছে। আমাদের একটু করুণাও হয়েছে। তার চেহারায় হতাশার ছাপও দেখতে পেয়েছি। তিনি ভেবেছিলেন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিপদে পড়বে এবং তিনি পরবর্তীতে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে ক্ষমতায় আসবেন।’’ মহাজোট সরকারকে মহাচোর বলার প্রতিবাদে হানিফ বলেন, ‘‘বিএনপি জামায়াত জোট রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকার সময় দেশে সীমাহীন লুটপাট হয়েছিল। যিনি দুনীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থকে সাদা করেছেন। তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে দেশে এবং বিদেশে মানি লন্ডারিং কেস হয়েছে। তারা বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার অভিযোগ চোরের মায়ের বড় গলার মতো।’’ হানিফ বলেন, ‘‘বেগম জিয়া জঙ্গি উত্থানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিষোদাগার করেছেন। একথা দেশবাসীর মানসপট থেকে মুছে যায়নি যে, বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেছিল। জঙ্গি আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই বিএনপি-জামায়াতের সৃষ্টি।’’ তিনি বলেন, ‘‘দেশবাসীর পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে বেগম জিয়াকে জিজ্ঞাসা করতে চাই, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ নিয়ে বলেছেন ১০ মাস সময় নষ্ট হয়েছে। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পের ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষ করে প্রাথমিক নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরুর পর্যায়ে রেখে গিয়েছিল। পরবর্তী ৫ বছর বেগম খালেদা জিয়া সরকার প্রধান থাকাকালীন সময়ে পদ্মা সেতুর কাজ এক বিন্দুও এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেননি কেন? এখন বিলম্বহেতু মায়াকান্না করতে লজ্জাবোধ করে না?’’ দ্রব্যমূল্য নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির পরও আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সক্ষম হয়েছি। বিএনপি সরকারের আমলে চালের কেজি প্রতি মূল্য ছিল ৪০ টাকা। এখন তা কমে প্রকারভেদে ২২ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।” তিনি বলেন, এটা বোঝার জন্য মেট্রিকে শুধু অংকে পাশ করার দরকার হয় না। আমাদের সরকারের সময় মানুষের আয় ও ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে বেডে ৮৫০ ডলারে উত্তীর্ণ হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি পেয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম বেতন ৩ হাজার টাকা। ক্ষেতমজুররা আগে যেখানে ১০০ টাকা মজুরি পেত, তা আজ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, দারিদ্র্যের হার কমেছে ১০ ভাগ। গত অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। রিজার্ভ ১১ বিলিয়নের উপরে। রেমিটেন্স বেড়েছে ১৯.৪ ভাগ। রপ্তানি বেড়েছে ৭৫০ কোটি ডলারের বেশি। ৬৮ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মানুষের এই ভালো থাকা এবং দেশের অগ্রগতি উন্নয়ন বিরোধী দলীয় নেত্রীর পছন্দ হয় না বলে মন্তব্য করেন হানিফ। বিদ্যুত খাত নিয়ে খালেদার বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘‘বেগম জিয়ার শাসনামলে এক মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়েনি, বরং কমেছিল। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ খাতে তারা লুটপাট করেছিল। খাম্বা নির্মাণের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছিল। সে সময় তারা ৯ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছিল।’’ হানিফ বলেন, ‘‘আমরা বেগম জিয়া ও তার তল্পিবাহকদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই, এই হুমকি, ধমক দিয়ে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রজাতন্ত্র কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখা যাবে না। বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত সচেতন। তারা কোনো অবস্থাতেই বিএনপি-জামায়াত জোটের অন্ধকার যুগে দেশকে আর ফিরে যেতে দেবে না। অতএব, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেগম জিয়ার ‘দেখে নেয়ার’ আস্ফালন কোনোদিনই আলোর মুখ দেখবে না।’’ সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, উপ দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন, এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবুল হোসেন ও মসিউরের দুর্নীতি প্রমাণিত: ফারুক :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, “সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী আবুল হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা মসিউর রহমানের নাম ক্রয় কমিটি থেকে বাদ দেয়ায় তাদের দুর্নীতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।”  তাদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।


সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ আয়োজিত ‘রাঙ্গমাটি উপজাতীয় সশস্ত্র সন্ত্রাসী ও রাঙ্গামাটি সরকারি বাঙলা কলেজে ছাত্রছাত্রীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে’ মানববন্ধনে ফারুক এসব কথা বলেন।

পদ্মা সেতু, হলমার্ক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির বিচার না করায় ফারুক সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন।

নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বিএনপির এই নেতা বলেন, “বাঙালি হয়ে পার্বত্যাঞ্চলে বসবাস করতে পারবে না, জমি কিনতে পারবে না এটা হতে পারে না। শন্তু লরমা যেভাবে পাহাড়ি বাঙালিদের ওপর নির্যাতন করেছেন এর একটা ব্যবস্থা নিন।”

সন্তু লারমার সমালোচনা করে ফারুক বলেন, “১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তির সময় সন্তু লারমা অস্ত্র জমা দিয়ে পার্বত্যাঞ্চলের চেয়ারম্যান হন।”

নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “নতুন করে শপথ নেয়ার পরও এখন পর্যন্ত আপনি সাগর-রুনি, ইলিয়াস আলীর বিষয়ে মুখ খোলেননি। পড়ন্ত বেলায় মন্ত্রী হয়েছেন, কতটুকু সফল হবেন তা দেখার বিষয়।”

জয়নুল আবদিন সরকারের উদ্দেশে বলেন, “এই সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচন নয়, অবিলম্বে নির্দলীয় কেয়ারটেকার সংবিধানে সংযোজন করে পদত্যাগ করুন। নইলে এমন অবস্থা হবে যার দায় দায়িত্ব আপনাদের বহন করতে হবে। দেশের মানুষ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে আপনারা কখন পদত্যাগ করবেন।”

এ সময় তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের ছোট ভাই ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজর অব. সাঈদ এস্কান্দারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন।

ইঞ্জিনিয়ার আলকাস আল মামুন ভূইয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম মোশারফ হোসাইন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, কল্যাণ পার্টির সাহিদুর রহমান তামান্না, মিয়া মো. আনোয়ার ও সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আবু তাহের।

ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাকায় হিযবুত নেতা ‘গুম’ পুলিশ বলছে ‘গ্রেফতার’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরিরের অন্যতম একজন নেতা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুম করা হয়েছে বলে তার পরিবার অভিযোগ তুলেছে। তবে পুলিশ সেই অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে গোলাম মাওলাকে সোমবার গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে মাওলার পরিবার বলেছে, একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পরও তাকে জেলগেট থেকে পুলিশের ডিট্কেটিভ ব্রাঞ্চ বা ডিবি নিয়ে যায়। এরপর পাঁচদিন ধরে তার কোনো খোঁজ তারা পাচ্ছেন না। তবে ডিবি পুলিশ বলছে, সোমবার মার্কিন দূতাবাসের কাছে হিজবুত তাহরিরের মিছিল থেকে একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একই দিন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গুলশান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল হিজবুত তাহরির বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করা হয় ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে। এর আগের বছর জঙ্গি তৎপরতা চালানোর অভিযোগে একবার গ্রেফতার হলেও সে সময় ছাড়া পেয়েছিলেন সৈয়দ গোলাম মাওলা। তবে সোয়া দু’বছর আগে তিনি আবার গ্রেফতার হলে তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দেয়া হয়েছিল। সৈয়দ গোলাম মাওলার স্ত্রী শাহিদা আহমেদ সোমবার ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তার স্বামী সেই মামলাটিতে জামিন পেয়েছিলেন। তিনি বলেন, গোলাম মাওলার পিতা জামিনের কাগজপত্র নিয়ে কাশিমপুর কারাগারের জেলগেটে গিয়েছিলেন। “কিন্তু তার পিতার সামনেই তাকে ডিবি পুলিশ খো স্টিকার লাগানো গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়’’, শাহিদা আহমেদ বলেন। “এরপর থেকে পাঁচদিন ধরে তার কোন খোজ আমরা পাইনি’’, তিনি বলেন। ডিবি পুলিশ সৈয়দ গোলাম মাওলাকে নিয়ে যাওয়ার কথা অস্বীকার করেছে। দূতাবাস অভিমুখে মিছিল গুম করার অভিযোগ অস্বীকার করে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান বিবিসিকে বলেছেন, সোমবার একদল যুবক ঢাকার গুলশান এলাকায় মিছিল বের করে মার্কিন দূতাবাসের দিকে এগুলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। রহমান বলেন, আটক ব্যক্তি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিছিলটি হিজবুত তাহরিরের ছিল বলে স্বীকার করেছে। “আটক ব্যক্তির তথ্য অনুযায়ী বিকেলে ঢাকার গুলশানে আজাদ মসজিদ থেকে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে’’, তিনি বলেন। পুলিশ বলছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ গোলাম মাওলা হিজবুত তাহরিরের সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। এ ব্যাপারে তার পরিবার কিছু বলেনি। তবে তার স্ত্রী শাহিদা আমেদ বলেছেন, তার স্বামীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটিই মামলা ছিল। তাতে জামিন হওয়ার পরও ধরে নিয়ে এখনো কোনো আদালতে হাজির না করায় তারা উদ্বিগ্ন। ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা মো: মাসুদুর রহমান অবশ্য বলেছেন, এখন সৈয়দ গোলাম মাওলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে হাজির করা হবে। পুলিশের কর্মকর্তারা আরো বলেছেন, হিজবুত তাহরির নিষিদ্ধ হলেও তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করে। সে সম্পর্ক জানতে সৈয়দ গোলাম মাওলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশের মন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের এ কেমন আচরণ! :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্প্রতি ভারত সফরে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতিমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শিলজা বাংলাদেশের পূর্ণমন্ত্রী আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন নয়া দিল্লির একটি হোটেলের ডাইনিং হলে। সেখানকার কয়েকটি ডাইনিং টেবিল সরিয়ে একটি সোফা স্থাপন করে ওই সাক্ষাত অনুষ্ঠিত হয়।

কোলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কলম পত্রিকা রোববারের সম্পাদকীয়তে এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছে। পাঠকদের জন্য সম্পাদকীয়টি হুবহু তুলে ধরা হলো:

“বাংলাদেশ আমাদের নিকটতম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের জন্ম প্রক্রিয়া হইতেই ভারতের সহিত এক অচ্ছেদ্য বন্ধনে দেশটি আবদ্ধ রহিয়াছে। স্বীকার করিতে দ্বিধা নাই, বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে ভারতের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ঝুঁকি বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। কারণ, বাংলাদেশের সৃষ্টি হওয়ায় ভারতের পূর্ব প্রান্তে এক বন্ধু রাষ্ট্র স্থাপিত হইয়াছে। ফলে পাকিস্তান অবিভক্ত থাকিলে সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে যে চাপ বহন করিতে হইত তাহা বহুলাংশে হ্রাস পাইয়াছে। ইহা ব্যতীত উন্নয়নশীল রাষ্ট্র বাংলাদেশে ভারতের পণ্যের বাজার ও বিনিয়োগকেও এক ফলপ্রসূ উপযোগিতা হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।

এই রাষ্ট্রটির সহিত আমাদের শুধু প্রতিবেশিসুলভ নহে, ভ্রাতৃত্বমূলক সম্পর্ক বজায় রাখাও যে বিশেষ জরুরি তাহা উপলব্ধি করিবার জন্য রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ না হইলেও চলে। ইতা ব্যতীত বাংলাদেশে রহিয়াছে আমাদের বন্ধু রাজনৈতিক দল আওয়ামি লিগ। বাংলাদেশে ক্ষমতায় কিংবা ক্ষমতার বাহিরে অবস্থানকালে আওয়ামি লিগের সহিত আমাদের হৃদ্যতা যে সমানভাবে অম্লান রহিয়াছে, ইতিহাস তাহার সাক্ষী। সৌভাগ্য বলিতে হইবে, বর্তমানেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামি লিগ সরকার শাসন ক্ষমতায় আসীন রহিয়াছে। কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে বাংলাদেশের সহিত আমাদের সমঝোতা আরও জোরদার হইয়াছে।

কিন্তু কখনও কখনও দেখা যায়, আমাদের নীতি-নির্ধারকদের শালীনতাবর্জিত উপেক্ষামূলক আচরণে এই প্রতিবেশী বন্ধু রাষ্ট্রের রাজনীতিবিদ এবং ক্ষেত্র বিশেষে জনগণ হতবাক হইয়া পড়িতেছেন।

সম্প্রতি ভারতে আসিয়াছিলেন বাংলাদেশের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ বলিয়া পরিচিত। তাহার নয়া দিল্লি সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত দ্বি-পক্ষীয় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বৈঠক করা। বাংলাদেশের মন্ত্রী নিশ্চয় আশা করিয়াছিলেন, রাজধানী নয়া দিল্লিতে তাহাকে উপযুক্ত মর্যাদা প্রদান ও সাদর আপ্যায়ন করা হইবে। কূটনৈতিক দিক দিয়া তো বটেই, ঐতিহ্যবাহী বন্ধুর নিকট এমন প্রত্যাশাই ছিল স্বাভাবিক। বিশেষত, ভারতে মনে করা হয় ‘মেহমান দেব ভবঃ’।

কিন্তু হায়! জনাব আবুল কালাম সাহেবকে এক ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্যে পড়িতে হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কুমারী শেলজার সহিত তাহার বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে সমস্ত জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয় তাহা যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। প্রথমে বলা হয়, বাংলাদেশের মাননীয় মন্ত্রীর সহিত বৈঠকটি হইবে একটি হোটেলের লবিতে। বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা খানিকটা বিস্ময়ের সহিত প্রস্তবিত বৈঠকস্থল সম্পর্কে মৃদু আপত্তি জ্ঞাপন করেন।

ইহার পর আমাদের ভারতীয় পক্ষ হইতে দুই রাষ্ট্রের মন্ত্রী পর্যায়ের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের উদ্দেশ্যে যে স্থানটি নির্বাচন করা হয়, তাহা আরও চমকপ্রদ। বলা হয়, বৈঠকটি হইবে হোটেলের 'বার লাউঞ্জ' অর্থাৎ কিনা মোহময় শরাবখানায়। সঙ্গত কারণেই হয়তো দ্বিতীয় স্থানটিও বাংলাদেশিরা পসন্দ করিতে পারেন নাই। শেষ পর্যন্ত অবশ্য এই দ্বি-পক্ষীয় মোলাকাত অনুষ্ঠিত হয় ওই হোটেলেরই একটি ডাইনিং হলে। খানাপিনা করার কয়েকটি টেবিল অপসারণ করিয়া লাগসই একটি সোফা সেইখানে স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশ দূতাবাস মনঃক্ষুণ্ন হইলেও অগত্যা এইখানেই অনুষ্ঠিত হয় প্রতিবেশী রাষ্ট্রের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সহিত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক আলোচনা!

স্বাভাবিক কারণেই প্রশ্ন উঠিয়াছে, রাজধানী নয়া দিল্লিতে আন্তর্জাতিক মানের সরকারি ও বেসরকারি ক্ষুদ্র কিংবা বৃহদাকার বহু কনফারেন্স হল থাকিতে কেন হোটেলের লবি, বার এবং শেষে ডাইনিং হলকে বাছিয়া লওয়া হইল? ইহাতে কি এক বৃহৎ ও উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে ভারতের মান-মর্যাদা বৃদ্ধি পাইল? একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশই বা বিষয়টিকে কীভাবে গ্রহণ করিল? এই কথা অবশ্যই বলা যায়, চিন বা পাকিস্তানের সহিত এই ধরনের আচরণ করা হয়তো সম্ভব হইত না।”  সূত্র: রেডিও তেহরান।

এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এপ্রিল-মে মাসে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে অক্টোবরে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আর আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে ভিত্তি প্রস্তুর স্থাপন করা হবে।

সোমবার সচিবালয়ে এ কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বিশ্বব্যাংকসহ অন্য সহযোগী সংস্থাগুলোর কাছে সরকারের এই কর্মপরিকল্পনার কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান মুহিত।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “আমি যেভাবে হিসাব করেছি ফর ব্রিজ কনস্ট্রাকশন, বিশ্ব ব্যাংক ইতিমধ্যে এগ্রি করেছে। আরো কিছু টেন্ডার ডকুমেন্ট তাদের কাছে আছে। সেগুলো তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে।”

এদিকে, সেতু নির্মাণ প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে এডিবি।

গত শুক্রবার পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়নের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রকল্পের জন্য ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় সংস্থাটি। বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া চারটি শর্ত মেনে নেয়ার পরই বিশ্বব্যাংকে পরিচালনা বোর্ডের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির বিষয়ে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানায় বিশ্বব্যাংক।

৬.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতু নির্মাণে প্রকল্প ব্যয় ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার ধরা হয়েছিল। এতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি ডলার দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া এর মধ্যে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ৬১.৫ কোটি, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ৪১.৫ কোটি এবং ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংকের (আইডিবি) ১৪ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। আর বাকি অর্থের যোগান দেয়ার কথা ছিল বাংলাদেশ সরকারের।

কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গত বছরের অক্টোবর মাসে অর্থছাড় স্থগিত করে বিশ্বব্যাংক। আর এ বছরের ২৯ জুন ঋণচুক্তি বাতিল করে দেয়। সংশ্লিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তাদের পদত্যাগ বা ছুটিসহ চারটি শর্ত পূরণ না হওয়ার কথা বলে চুক্তি বাতিল করে বিশ্বব্যাংক।

বিশ্বব্যাংকের ফিরিয়ে আনার অংশ হিসেবে শর্ত পূরণে পদত্যাগ করেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন, ছুটিতে যান সেতু বিভাগের সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রকল্পের ইন্টেগ্রিটি উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ছুটিতে যাওয়ার খবরও প্রকাশ হয়। যদিও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এরপর সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করে বিশ্বব্যাংককে দেয়া চিঠি নিয়ে চলতি সপ্তাহে ওয়াশিংটন যান প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গওহর রিজভী। তিনি বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দেয় সংস্থাটি।

বিশ্বব্যাংক ঋণ বাতিলের পরও ঋণদাতা দুই সংস্থা এডিবি ও জাইকা গত ৩১ জুলাই তাদের চুক্তির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ায়। তাদের ঋণচুক্তির মেয়াদ ৩১ জুলাই শেষ হওয়ার কথা ছিল। এরপর আবার গত ৩০ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় এডিবি আরো একমাস ও জাইকা ৩ সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ায়। জাইকার বাড়ানো চুক্তির মেয়াদ ২১ সেপ্টেম্বর ও এডিবির মেয়াদ ৩১ সেপ্টেম্বর শেষ হবে।

ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইলিয়াস কি গুম হয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংশয় :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী সম্পর্কে নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, তিনি নিজেই গুম নাকি তাকে কেউ গুম করেছে তা মন্ত্রীর জানা নেই। তবে ইলিয়াস আলীর নামেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার দুপুরে র‌্যাব সদর দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর র‌্যাব কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি প্রথম মতবিনিময় করেন। বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “২০০১ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত এ ধরনের হত্যার ঘটনা অনেক ঘটেছে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর তা অনেকটা কমে এসেছে। সরকার এ ধরনের হত্যার ঘটনা কমিয়ে আনতে সচেষ্ট।” অপারেশন ক্লিন হার্টের নামে বিএনপির আমলে সাধারণ মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আওয়ামী লীগ সরকার মানবাধিকার রক্ষায় অনেক সচেতন বলেও জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা। সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি অত্যন্ত একটি দুঃখজনক ঘটনা। কারো জীবনে যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে আমরা সে ব্যাপারে আন্তরিক। তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলতে পারবো না।” তবে র‌্যাবের তদন্তের মাধ্যমে এ ঘটনার যুগান্তকারী রহস্য উন্মোচিত হবে বলেও দৃঢ় আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Monday, September 24, 2012

কিশোরীর জন্মদিনে দাঙ্গা কারণ ফেসবুক নিমন্ত্রণ! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

কিশোরীর জন্মদিনে দাঙ্গা কারণ ফেসবুক নিমন্ত্রণ! :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ষোলতম জন্মদিনটি ঢাকঢোল পিটিয়ে করতে চেয়েছিল সে৷ এজন্য বন্ধুদের দাওয়াতও দিয়েছে ফেসবুকে৷ কিন্তু সেই ডিজিটাল দাওয়াত ‘প্রাইভেট’ ছিল না৷ ফলে কয়েক হাজার তরুণ-যুবা কিশোরীর জন্মদিনে হাজির হয়৷
 
নেদারল্যান্ডের হারেন নামক একটি ছোট্ট শহরের ঘটনা এটি৷ মাত্র ১৮ হাজার মানুষ বাস করে এই শহরটিতে৷ শহরটির এক কিশোরী ফেসবুকে বিপত্তি বাঁধায়৷ তার জন্মদিনের নিমন্ত্রণ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে৷ বিশ হাজার মন্তব্য জমা পড়ে সেখানে৷ শুক্রবার জন্মদিনের দিন তাই হাজার চারেক মানুষ হাজির হয় কিশোরীর শহরে৷
 
অবস্থা বেগতিক দেখে, কিশোরী আগেভাগেই অন্যত্র সরে গিয়েছিল৷ অন্যদিকে অনাকাঙ্খিত অতিথিদের সামলাতে বেগ পেতে হয় শহররের বাসিন্দাদের৷ শুরু হয় হইচই, হট্টগোল, ভাঙচুর৷ কিশোরীর বাড়ির আশেপাশে দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করে স্থানীয় প্রশাসন৷ এরপর পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় অতিথিরা৷
 
শুক্রবার রাতের ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়েছে৷ অন্যদিকে, গ্রেপ্তার হয়েছে চার অনাকাঙ্খিত অতিথি৷ পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, তারা ঘটনার ছবি তুলে রেখেছে৷ এবং ছবি বিশ্লেষণ করে আরো কয়েকজনকে জেলে ঢোকানো হতে পারে৷
 
স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্রী মেলানি জোয়ামা এই বিষয়ে বলেন, ‘‘কিশোরী ফেসবুকে তার জন্মদিনের নিমন্ত্রণ পোস্ট করে, এরপর তার বন্ধুরা সেটি তাদের বন্ধুদের কাছে পাঠায় এবং এভাবে ইন্টারনেটে দাবানলের মতো নিমন্ত্রণটি ছড়িয়ে পড়ে৷ ''
 
অবশ্য শুধু কিশোরীকে দোষ দিয়েও লাভ নেই৷ কয়েকটি অনলাইন চক্র তার ছোট ভুলের সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করেছে৷ এই চক্রগুলো জন্মদিনের নিমন্ত্রণটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়৷ এমনকি একটি ওয়েবসাইট জন্মদিনের উৎসবের সময় গণনা শুরু করে৷ সেই ওয়েবসাইটটির দাবি হচ্ছে, কিশোরীর জন্মদিনে যোগ দিতে দেড় লাখ মানুষকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা!
 
উল্লেখ্য, ফেসবুকে জন্মদিনের দাওয়াত নিয়ে বিপত্তি এটাই প্রথম নয়৷ এর আগে জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এরকম ঘটনা ঘটেছে৷ এর ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিও কম হয় না৷ সূত্র: এএফপি।
 

ওয়াইম্যাক্স চালু করতে ব্যর্থ বিটিসিএল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ওয়াইম্যাক্স চালু করতে ব্যর্থ বিটিসিএল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে না পাওয়া এবং বৈদেশিক ঋণ আটকে যাওয়ায় লাইসেন্স পাওয়ার চার বছরেও তারহীন ইন্টারনেট সেবা ওয়াইম্যাক্স চালু করতে পারেনি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল)। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও বাধ্য হয়েই প্রকল্পটি বাতিল করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
 
 এদিকে ওয়াইম্যাক্স চালুতে ব্যর্থ হলেও ফোর-জি সমমানের এলটিই (লং টার্ম ইভোলিউশন) প্রযুক্তির চালুর উদ্যোগ নিয়েছে বিটিসিএল। এরই মধ্যে এলটিই চালুর অনুমোদন চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছে বিটিসিএল। বোর্ড সভায় অনুমোদনের পরই এ উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
 
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০০৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াইম্যাক্সের লাইসেন্স পায় বিটিসিএল। ওই একই দিনে নিলামে লাইসেন্স পেয়ে পরবর্তীতে কিউবি ও বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করে। সরকারি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিটিসিএলকে নিলামে অংশ নিতে হয়নি। তারপরও ওয়াইম্যাক্স সেবা চালুতে ব্যর্থ হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
 
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওয়াইম্যাক্স সেবা চালু করতে চার বছরেও ব্যবসায়িক অংশীদার খুঁজে পায়নি বিটিসিএল। শুরু থেকে প্রতিষ্ঠানটি অংশীদার নিয়ে ওয়াইম্যাক্স চালু করার পক্ষে মত দিয়ে এসেছে। নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর অনেকাংশ প্রস্তুত থাকার পরও এককভাবে এ সেবা চালু করতে বিটিসিএল বরাবরই কম আগ্রহ দেখিয়েছে।
 
সূত্র আরো জানায়, ওয়াইম্যাক্স ইন্টারনেট সেবা দিতে প্রতিষ্ঠানটি কোরিয়ার এক্সিম ব্যাংক থেকে সাড়ে পাঁচশ’কোটি টাকা ঋণ নিতে চাইলেও শেষ পর্যন্ত টাকা ছাড় করেনি ব্যাংকটি। ঋণের ওই টাকা দিয়ে আমদানিকৃত (ইমপোর্টেড পার্ট) যন্ত্রাংশ, মডেম কেনা এবং টাওয়ার ও অবকাঠামো নির্মাণের কথা ছিল।
 
বিটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আজিজুল ইসলাম ওয়াইম্যাক্সের বিষয়ে সরাসরি কোনো জবাব না দিয়ে বলেন, ‘আমরা এখন নতুন কিছু করার কথা ভাবছি। ওয়াইম্যাক্সের চেয়েও আরো উন্নত প্রযুক্তি চালু করতে যাচ্ছে বিটিসিএল।’

বরফি, স্তব্ধতার গান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বরফি, স্তব্ধতার গান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জন্মের সময় তার স্কোর ছিলো পাঁচে তিন। কান, ঠোঁট মাইনাস। তবু তিনটি ইন্দ্রিয় নিয়েই সে রাজা। নিজের নিশ্চুপ ক্যানভাসে সে রঙ ছড়িয়েছে ইচ্ছেমত। আর সেই রঙ্গীন বুদবুদগুলোই আসলে তার কথা, বাক্য, চিৎকার। সে বরফি, সে রণবীর কাপুর।

কথা বলতে পারে না, কানে শুনতে পায় না। অথচ তার মত কথক হওয়াও আমাদের মত ইন্দ্রিয়ওয়ালা মানুষের পক্ষে কঠিনই। আসলে বলা যায় বলিউডে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা বরফি হলো আমাদের ইতিবাচক চিন্তাগুলোরই যোগফল।

বহু কষ্টে, ভারি অদ্ভুত ভঙ্গিতে সে কেবল নিজের নামটুকু উচ্চারণ করতে পারে। তাও সেটা আদতে ছিলো মরফি। কিন্তু বোবা ছেলের ঠোঁটে তা হয়ে দাঁড়ায় বরফি। ব্যাস ওইটুকুই। বাকি সময় সে কথা বলে শরীর ও চোখ দিয়ে। একটা পুরোন সাইকেল, পকেট ছেঁড়া কোট, ভাঙ্গাচোরা ঘর-এই তার দুনিয়াদারির হাতিয়ার। তাতে অবশ্য আক্ষেপ নেই তার, নেই ভ্রুক্ষেপও। কেননা তার জীবনযাপনই ভালো থাকার অবিরাম প্রচেষ্টা।

আর ঋষি পুত্র রণবীর এই বরফির মধ্যে মিশে গিয়েছেন পরতে পরতে। দার্জেলিং পাড়ের আশ্চর্য ছেলেটার ভূমিকা যেন তিনি অভ্যস্ত পোশাকের মতই গায়ে জড়িয়েছেন। সে পোশাকে তাকে বেমানান লাগাতো দূরের কথা বরং মনে হয়েছে এই চরিত্রে তার চেয়ে ভালো হয়তো করার সাধ্য অন্তত বলিউডে কারো নেই।

ছোট ছোট অজস্র দৃশ্যে তিনি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছেন গভীরভাবে। তার জন্যই এই একশো পঞ্চাশ মিনিটের জার্নিতে সামিল না হয়ে যেন উপায়ই থাকে না। তাই যখন বরফি সম্পর্কের গভীরতা মাপতে লাইটপোস্ট ভেঙ্গে তার সামনে বন্ধুর হাত আঁকড়ে অপেক্ষা করতে শুরু করে, দর্শকরাও তখন উদ্বিগ্ন না হয়ে পারেন না। যখন সে স্কুল বাসের জানালায় উদয় হয়ে চুরি করে চকলেট খায় দর্শকরাও তখন মনে মনে যেন প্রার্থনা করতে থাকে যাতে সে দ্রুত পালাতে পারে। যখন সে দার্জেলিং ম্যালের মত ঘড়ির কাঁটা পনেরো মিনিট পিছিয়ে দেয়, দর্শকরা তখন তার নিরাপদে নিচে নেমে আসার জন্য অপেক্ষা করে।  যখন বরফি তার অক্ষমতা বুঝিয়ে প্রেমিকাকে ছেড়ে চলে আসে, তখন এক চিলতে চোখের জল মুছে নিতে হয় সবাইকে।

মাঝরাতে বরফি যখন সাদা ঘোড়ায় চেপে বান্ধবিকে নিয়ে সফরে বের হয়, তখন যেন দর্শকরাও তার সঙ্গে অন্য গন্তব্যে পাড়ি জমায়। বরফির এই স্বপ্নযাত্রাতো আসলে দর্শকদের স্বপ্নের দিকেই এগিয়ে যাওয়া। আর এই স্বপ্নে কারিগর অনুরাগ বসু।

মৌন মুখর এই ছবিটি বানাতে যে প্রবল মানসিক দক্ষতা দরকার হয়, অনুরাগ তা করে দেখিয়েছেন। তাই ছবিটি দেখে তাকে স্যালুট না জানিয়ে কারো উপায় নেই। স্যালুট প্রাপ্য ছবির আরেক পাণ প্রিয়াঙ্কারও। ঝিলমিল চ্যাটার্জি নামে অটিজমে আক্রান্ত মেয়েটি সারা জগতের কাছে অবাঞ্ছিত। এমনকি নেষাগ্রস্ত অবস্থায় তাকে মেরেও ফেলতে চেয়েছিল তার মা। তাই দাদুর কাছেই তার বাস। এ মেয়ের মুখেও অনুরাগ কথা দিয়েছেন খুব কম। পুরো ছবিতেই সামাণ্য কয়েকবার সে বরফিকে ডাকে। দাদুকে ফোন করে আর গান গায় আধখানা। সরল ও শান্ত তার পৃথিবী। সেই পৃথিবীতেই বরফিকে সে আঁকরায়। অবোধ অনুযোগহীন ঝিলমিল সংসারের কাছে অচল। অথচ সে গাড়িতে শুয়ে জঙ্গলের মধ্যে জোনাকি দেখে টিপটিপ। অসামাণ্য এক রুপকথা তৈরি হয়ে যায় সেলুলয়েড জুড়ে। মনে হয় মাথা তুললেই ছাদ নয়, চোখে পড়বে অনন্ত আকাশ।

সিনেমাটোগ্রাফর অনন্ত বর্মনে কাজই বরফির অন্যতম সম্পদ। ঝিলমিল এখনো পর্যন্ত পিয়াঙ্কা চোপড়ার করা জীবনের সেরা অভিনয় চরিত্র। নিস্পাপ মুখের ফিনফিনে ঝিলমিলের কোথাও যেন খুঁজেই পাওয়া যায় না বলিউডের গ্লামারাস পিগি চপসকে। তাই এমন রুপান্তর যে সম্ভব তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা সত্যিই কষ্টকর।

সেই সঙ্গে খুব মিলেছে প্রিতমের সুর আর আবহ। কলকাতা টালিগঞ্জের বেশ কয়েকজন তারকাকেও পাওয়া গেছে ছবিটিতে। রুপা গাঙ্গুলী, হারাধন বন্দোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্ত সহ প্রত্যেককেই তার চরিত্রের সঙ্গে বেশ ভালো মানিয়েছে।

জাতিসংঘে ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

জাতিসংঘে ঐশ্বরিয়া :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  অহংকার বর্জন করো, তবেই শান্তির প্রকৃত সন্ধান পাবে। এমনই একটি সংস্কৃত শ্লোক দিয়ে জাতিসংঘে বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রিদের ভারতীয় এই প্রাচীন শিক্ষার কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড সেনসেসন জাতিসংঘের শান্তিদূত ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।
 
শনিবার আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ কার্যালয়ে এসেছিলেন ভারতের বিখ্যাত বচ্চন পরিবারের এই বধূ। এদিন তিনি বিভিন্ন দেশের শিশুদের উদ্যেশ্যে বক্তব্য দেয়া ছাড়াও দেখা করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সঙ্গেও।
 
এছাড়া এদিন ঐশ্বরিয়া জাতিসংঘের অন্যান্য শান্তিদূত যেমন-অভিনেতা মাইকেল ডগলাস, বৃটিশ নৃতত্ত্ববীদ জ্যাঁ গুডঅল, নোবেল বিজয়ী ইহুদি বংশদ্ভূত মার্কিন সাহিত্যিক এলি উইজেল ও মার্নি সংগীত শিল্পী মনিক কোলম্যানের সঙ্গেও দেখা করেন।
 
এদিন জাতিসংঘের সদর দফতরে বিভিন্ন দেশের শিশুদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ঐশ্বরিয়া বলেন, তার নিজেকে একজন শিক্ষার্থী বলেই মনে হচ্ছে। কারণ তিনি শনিবার প্রথম জাতিসংঘের শান্তিদূত হিসেবে যাত্রা শুরু করলেন। আগামী দিনে ঐশ্বরিয়াকে জাতিসংঘের স্বাস্থ্য ও এইডস বিষয়ক প্রচারাভিযানে দেখা যেতে পারে বলেও জানান এই সাবেক বিশ্বসুন্দরী। সূত্র: বি.বাজ

বিশ্ব জয়ের রাস্তা ধরল বরফি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ব জয়ের রাস্তা ধরল বরফি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অনুরাগ বসুর সিনেমা `বরফি`তে ছিল দার্জিলিং, কলকাতা, আবেগ আর না বলা অনেক কথা। সেই সব জিনিসগুলোই বরফিকে নিয়ে গেল সিনেমার জগতের বিশ্বসেরা খেতাব অস্কার জয়ের পথে।

শনিবার এ বছরের অস্কার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হলো। আর তাতে বিদেশী বিভাগে সেরা ছবির পুরস্কারের জন্য মনোনিত হলো `বরফি`। বলিউডের এই সিনেমা জুড়ে আছে বাংলা আর বাঙালি। ছবির বাঙালি পরিচালক অনুরাগ বসু। সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় তিন বাঙালি রূপা গাঙ্গুলি, যীশু সেনগুপ্ত, হারাধন বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কী ভাষা, দেশ-রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে অনুরাগ বসুর এই ছবি চলে গেছে অন্তরমহলে। এর আগেও মাদার ইন্ডিয়া থেকে লগন, গাইড থেকে পিপলি লাইভের মতো সিনেমা অস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছিল।  গত সপ্তাহে রিলিজ করার পর, এক সপ্তাহের মধ্যে প্রায় ষাট কোটি টাকার ব্যবসা করেছে এই ছবি। অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার পর রণবীর কাপুর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া অভিনীত এই ছবিকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রত্যাশা।

 অস্কারের মনোনয়ন পাওয়ার পর পরিচালক অনুরাগ বসু বললেন, তিনি দারুণ খুশি। সিনেমার স্ক্রিপ্ট পড়েই রণবীর কাপুর নাকি বলেছিলেন, " আমি তো সিনেমায় কথা বলতে পারব না, কিন্তু আমার অভিনয় সবাইকে কথা বলবে।" সেটাই হলো বাস্তবে। সিনেমায় বরফি কিছু বলতে পারল না ঠিকই কিন্তু স্ক্রিণের বাইরে সে বলে গেল অনেক কিছু।

 অনুরাগ বসুর এই ছবিতে গল্প, রণবীর কপূর, প্রিয়াঙ্কা চোপড়ারা, অসাধারণ ক্যামেরা ওয়ার্ক, গান আম দর্শকদের মন জয় করেছে, এ বার জয় করার অপেক্ষায় অস্কারের বিচারকদের। আমির খান যা পারেননি, কথা বলতে না পারা বরফিকে পারবে?  সূত্র: জিনিউজ।

হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু সোমবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে চলচ্চিত্র উৎসব শুরু সোমবার :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
  সদ্য প্রয়াত নন্দিত সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার হুমায়ুন আহমেদ স্মরণে তিন দিনের চলচ্চিত্র উৎসব সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ এর আয়োজনে টিএসসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিতব্য ‘চলচ্চিত্রে হুমায়ুন আহমেদ’ শীর্ষক উৎসবে প্রদর্শিত হবে হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত সাতটি চলচ্চিত্র।
 
২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় এ উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদের সঞ্চালক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অন্যান্যেল মধ্যে হুমায়ুন আহমেদের ছোটভাই কার্টুনিস্ট এবং রম্যপত্রিকা ‘উন্মাদ’ সম্পাদক আহসান হাবীব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন এন্ড ফিল্ম স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ জে এম শফিউল আলম ভূঁইয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।
 
উৎসব কমিটি সূত্রে জানাগেছে, প্রতিদিন সকাল ১০টা, দুপুর ১টা, বিকেল ৪টা ও সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে সিনেমা প্রদর্শন করা হবে।
 
২৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুপুর ১টায় হুমায়ুন আহমেদ পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘আগুনের পরশমণি’ প্রদর্শিত হবে। পরে যথাক্রমে ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ ও ‘আমার আছে জল’ প্রদর্শিত হবে। ২৫ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে ‘নয় নম্বর বিপদ সংকেত’, ‘আমার আছে জল’, ‘শ্যামল ছায়া’ ও ‘চন্দ্রকথা’ এবং ২৬ সেপ্টেম্বর ‘শ্যামল ছায়া’, ‘চন্দ্রকথা’, ‘দুই দুয়ারী’ ও ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’ দেখানো হবে। প্রদর্শনীর প্রতিটি টিকিটের মূল্য ধরা হয়েছে ১৫ টাকা।

ফেসবুকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন সালমান, অমিতাভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফেসবুকে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন সালমান, অমিতাভ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বলিউড তারকারা অবশেষে একে একে ফেসবুকে প্রবেশ শুরু করেছেন৷ এতদিন টুইটারে তারা সক্রিয় ছিলেন বেশি৷ আমির, প্রিয়াঙ্কার পর দিন কয়েক আগে ফেসবুকে যাত্রা শুরু করেন অমিতাভ বচ্চন৷ এরপর সালমান খান৷

সালমান খান লিখে ফেসবুকের খোঁজ বোতামটি চাপলে অনেক পাতার সন্ধান পাওয়া যায়৷ এদের মধ্যে কোনোটি এমনভাবে পরিচালিত যে, মনে হবে আসল সালমানের বুঝি দেখা পাওয়া গেল৷ কিন্তু সেগুলো সবই ভুয়া পাতা৷ আসল সালমান এতদিন ছিলেন না ফেসবুকে৷
গত সপ্তাহে আসল সালমান মানে বলিউড তারকা সালমান খান ফেসবুকে প্রবেশের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন৷ নিজের পাতায় একটি ভিডিও বার্তাও প্রকাশ করেছেন এই তারকা৷ সালমান বলেন, ‘‘অনেকে আমার কাছে জানতে চেয়েছে, আমি কেন ফেসবুকে নেই৷ তারা আরো বলেছে, আমার নামে অনেক ভুয়া ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে৷”

সালমান নামে যারা ভুয়া ফেসবুক পাতা খুলেছেন তাদের সতর্ক করেছেন এই বলিউড তারকা৷ ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোর প্রতি তার আহ্বান হচ্ছে, ‘হয় আমার আনুষ্ঠানিক পাতায় আসো, না হয় দূর হও৷’

ফেসবুকে প্রবেশের কয়েকদিনের মধ্যেই প্রায় ত্রিশ লাখ লাইক পেয়েছেন সালমান খান৷ তার পাতায় প্রতিনিয়তই যুক্ত হচ্ছে অনেক মানুষ৷ সালমান সম্পর্কিত সর্বশেষ সব খবরাখবর পাওয়া যাবে এই পাতায়৷

প্রসঙ্গত, গত মাসে ফেসবুকে যোগ দেন বলিউড ‘বিগ বি' অমিতাভ বচ্চন৷ সেসময় তিনি বলেন, ‘‘আমি আমার ব্লগে আশাতীত সাড়া পেয়েছি, যা আমাকে উৎসাহিত করেছে এবং এজন্যই আমি ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের আরো একটি পথ (ফেসবুক) উন্মুক্ত করেছি৷”

ফেসবুক পাতার মাধ্যমে শুধু ভারতীয় নয়, গোটা বিশ্বের ভক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে চান অমিতাভ৷ তবে ফেসবুক ভক্তের বিচারে ইতিমধ্যে বিগ বি-কে টপকে গেছেন সাল্লু ভাই৷ সালমান ভক্ত সংখ্যা যেখানে ত্রিশ লাখ ছুঁইছুঁই, সেখানে অমিতাভের রয়েছে প্রায় পঁচিশ লাখ ভক্ত৷ অন্যদিকে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার ফেসবুক ভক্তের সংখ্যা ত্রিশ লাখের কিছু বেশি, আমির খানের পঞ্চাশ লাখের বেশি। সূত্র: পিটিআই।

তৃষ্ণা ছাড়াও পানি জরুরি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

তৃষ্ণা ছাড়াও পানি জরুরি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আমরা সবাই জানি, আমাদের শরীরের মোট ওজনের ৭৫ শতাংশই পানি। শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানির উপস্থিতি রয়েছে। বিশেষ করে ফুসফুস এবং মস্তিষ্কের মতো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোয় পানির উপস্থিতি অনেক বেশি।
 
সাধারণত আমরা মনে করি, তখনই আমাদের তৃষ্ণা পায় যখন শরীরে পানির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ধারণা কি আসলেই সত্যি? আমাদের মধ্যে অনেকেই দীর্ঘক্ষণ তাপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে কাজ করি, সে সময় আমাদের খুব বেশি তৃষ্ণা পায় না, তার মানে কি আমাদের শরীরে তখন পানির প্রয়োজন নেই?
 
বিজ্ঞানীরা বলছেন, তখনো শরীরে পানির প্রয়েজন হয়। তৃষ্ণা না পেলেও শরীরে পানির প্রয়োজন আছে। আর এটি পূরণ না হলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের অসুবিধা দেখা দিতে পারে।
 
গবেষকদের মতে, আমাদের শরীরের ভেতরে পানির প্রবাহ বাড়তি থাকলে কোষগুলো উদ্দীপ্ত হয় এবং শক্তি আহরণ করে। এ ছাড়া ত্বকের এবং স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পানির উপস্থিতি প্রয়োজন।
 
প্রতিদিন চার লিটার পানি শরীর থেকে নির্গত হয়। এ ঘাটতি পূরণ করার জন্য একই পরিমাণ পানি পান করা দরকার। তা আপনার তৃষ্ণা থাকুক আর না থাকুক। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া