Pages

Wednesday, September 26, 2012

শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একজনের সঙ্গে জীবনের প্রথম ছবি আর অন্যজনের সঙ্গে বর্তমানের গভীর বন্ধুত্ব। তাই ৪৪ বছর বয়স্ক সাবেক এই মিস ইন্ডিয়া ও দর্শকপ্রিয় নায়িকা জুহি চাওলার কাছে বারবারই উঠে আসে একটি প্রশ্ন, কে সেরা- আমির খান, নাকি শাহরুখ?

সেই নব্বই দশকের শুরুর দিক থেকেই শাহরুখ আর আমিরের সঙ্গে রুপালি পর্দায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন জুহি। জীবনের প্রথম ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ থেকে শুরু করে ‘দৌলত কি জং’, ‘ইশক’-এর মত মেগাহিট ছবিগুলোতে আমিরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি।

অন্যদিকে বন্ধু শাহরুখের সঙ্গেও জুহির সাফল্য কম নেই। দার, ইয়েস বস, ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি ছবিগুলোই তার প্রমাণ।

কিন্তু কে সেরা, শাহরুখ নাকি আমির- এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খানিকটা কৌশলীই হলেন জুহি। এ বিষয়ে জুহি বলেন, “আমি আমির আর শাহরুখের মধ্যে তুলনা করি না। তারা উভয়েই তাদের নিজস্ব পথে দারুণ। তাদের সম্পর্কে আমি শুধু একটি কথাই বলতে পারি যে, সেটে শাহরুখ খুব মজা করতে ভালোবাসে আর আমির সবসময়ই সিরিয়াস।”

সোমবার মুম্বাইয়ে একটি ই-লার্নিং ওয়েবসাইটের প্রচার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের দুই মেগাস্টার সহশিল্পী সম্পর্কে জুহি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সদ্য মুক্তি পাওয়া রণবীর কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা অভিনীত ‘বরফি’ ছবিটি ভারত থেকে অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সূত্র: বি.বি।

হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মারাত্মকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত অনেকের ফুসফুসে তরল পদার্থ জমে। এসব মানুষ মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন। এ ধরনের অনুভূতির সম্মুখীন হন। বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষক ড. মাইক ন্যাপটন বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত অনেক লোক বিভিন্ন ওষুধের কারণে হার্টস্ট্রোক থেকে বেঁচে যান কিন্তু এটা তাদের বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে দেয়, যা তারা জানেন না। এর ফলে মানুষের
ফুসফুসে তরল পদার্থ জমতে পারে-যা মানুষকে মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ করে দেয়, এমনকি ওই সময় চেয়ার কিংবা বিছানায় শুয়ে থাকলে ওঠার শক্তিও পান না তারা।

মানুষের হৃদযন্ত্রের কোষগুলো পুনরুৎপাদন করা যায় না। স্টেমসেল গবেষণার মাধ্যমে এ বিষয়ে গবেষণা করলে উল্লেখযোগ্য আগ্রগতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মাইক ন্যাপটন।

গবেষণায় দেখা যায়, ৮০ শতাংশ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এর প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন। বৃটেনে হৃদরোগে আক্রান্ত মোট সাড়ে সাত লাখ মানুষ রয়েছেন। এসব মানুষের হৃদযন্ত্র ও শরীরের সবস্থানে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না, যা হার্টস্ট্রোকের অন্যতম কারণ।

দুই হাজার ১৭০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হার্টস্ট্রোকে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হৃদযন্ত্রে সমস্যা হলেও তা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যায়। সূত্র: এএনআই

মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারি তদন্তে গঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় উপকমিটি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মোদাচ্ছের আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না। এমন সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে কমিটি বলছে, এখন পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেননি।
 
মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন উপকমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম। সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তদন্ত চালাতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তবে উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানান আহ্বায়ক।
 
অবৈধভাবে হলমার্ককে দুই হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার ঘটনা তদন্ত এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ দেয়ার অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত এই সংসদীয় উপকমিটি মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন করে।
 
তদন্ত দলে উপকমিটির আহ্বায়ক ছাড়াও ছিলেন সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী। তারা ব্যাংকটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন।

‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে শুধুমাত্র নারী নির্যাতনের কারণে প্রতিবছর ১৪ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা খরচ হয়। যা বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় দুই শতাংশ।

নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।

কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।

মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

তিনি বলেন,  “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”

পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ ১১ জনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের জিঙ্গাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক।

ইতোমধ্যে উল্লিখিতদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

দুদকের অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়,  বুধবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পাঁচজন সদস্যকে জিঙ্গাসাবাদ করা হবে। এরা হলেন, শহিদুল্লাহ মিয়া, কাশেম হুমায়ুন, জান্নাত আরা হেনরী, সুভাষ সিংহ রায় ও সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ।

এছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের অন্যদের ধারাবাহিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।

অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়,  সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক শহিদুল্লাহ মিঞা, সুভাষ সিংহ রায়, জান্নাত আরা হেনরী, কাশেম হুমায়ূন, শহিদুল্লাহ মিয়া, আনওয়ার শহীদ, এএসএম নাঈম, কেএম জামান রোমেল, সাইমুম সরওয়ার কামাল, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও প্রদীপ কুমার দত্তকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে।

দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।

রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাজনৈতিক বিদ্বেষের কারণে বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে মাহমুদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ব্যারিস্টার শফিক আহমদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান সাহেব যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ ফোরামে এ অভিযোগ দায়ের করেননি বলেই আমার কাছে মনে হচ্ছে। কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে সংবিধানের আলোকেই রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা নিতে পারেন।”

আইনমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানেই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেটা প্রধান বিচারপতির অনুরোধে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন। এ জন্য কোনো নাগরিকের অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর মানিকের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা এখনো প্রমাণিত নয়।”

বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন জমা দেন। প্রধান বিচারপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি জমা দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে। আর রাষ্ট্রপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব।

এ আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। ব্রিফিংকালে তিনি বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।

বিচারক শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ের করা অভিযোগে যে ২৯টি অপরাধের কথা বলা হয়েছে- এগুলো সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ অভিযোগ করলেই তার ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত বলা যায় না। এটা প্রমাণসাপেক্ষ বিষয়। বিচারক শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।”

আপনি বলেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ নিয়মে হয়নি। তাহলে যথাযথ নিয়ম কোনটি? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সঠিক নিয়মের বিষয়ে সংবিধানেই সুস্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তাছাড়া বিচারপতির বিরুদ্ধে যে কেউ অভিযোগ করলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।

একজন বিচারকের অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে কোন নাগরিকের অভিযোগ দায়ের যদি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে তাহলে রাষ্ট্র কেন পদক্ষেপ নিচ্ছে না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তার কোনোটাই এখন পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। রাষ্ট্রপতি তখনই উদ্যোগ নেবেন, যখন কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ আসবে। আর সেটা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।”

একজন বিচারক যদি আইন ভঙ্গ করেন কিংবা কোনো নাগরিকের অধিকার হরণ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে দেশের একজন সচেতন নাগরিকের আইনের আশ্রয় নিতে বাধা কোথায়? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনেই ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।”

বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে এর আগেও সুপ্রিম কোর্টের সরকার দলীয় একজন আইনজীবী অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রপতি ওই অভিযোগ তদন্তের জন্য আইনমন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছে। ওই অভিযোগটি এখন কি অবস্থায় রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ওই অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো এখতিয়ার নেই একজন বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। তাই ওই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।”

জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাত তদন্তে দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাত তদন্তে দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
জালিয়াতির মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব জনতা ব্যাংকের ৩৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি অনুসন্ধান দল গঠন করেছে। জনতা ব্যাংকের রমনা কর্পোরেট শাখা, ভবন শাখা ও লোকাল অফিসে এ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে পাওয়া অভিযোগটিতে প্রাথমিকভাবে অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ৩৫০ কোটি টাকা বলে জানা গেছে। ২০১০ সালের ৬ জানুয়ারি জনতা ব্যাংকের বোর্ড অফ ডিরেক্টর অডিট কমিটির ২৯তম সভায় জালিয়াতির বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হলেও  পরে তা আর বাস্তবায়ন হয়নি। জনতা ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের জন্য তানভীর চৌধুরীর  নাম ব্যবহার করে দুটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৫০ কোটি টাকা তুলে নেয়া হয়। প্রতিষ্ঠান দুটির নাম হলো মেসার্স চৌধুরী নিটওয়্যারস লিমিটেড এবং মেসার্স চৌধুরী টাওয়েল। জনতা ব্যাংকে ২০০৭-০৯ সাল এই তিন বছরের ৩৬ মাসের মধ্যে ২৪ মাসে চৌধুরী নিটওয়্যারস লিমিটেড আত্মসাত করে ৪৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা। নির্ধারিত সময়ে কোনো মামালামাল না এনে এই টাকা লোপাটের অভিযোগ রয়েছে। আবার একই প্রতিষ্ঠান ২০০৭ সালের মে মাস থেকে ২০০৯ মাসের এপ্রিল মাস পর্যন্ত  ৩১ লাখ ৯৯ হাজার ১৮০ মার্কিন ডলার ( প্রায় ২৩ কোটি টাকা) ভূয়া এলসির মাধ্যমে আত্মসাত করে। প্রতিষ্ঠানটি মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে প্রায় ৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে। লোকাল বিল পার্চেজ শিটে জামানত আছে এমন মিথ্যা তথ্য দিয়ে এই টাকা হাতিয়ে নেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে (এরএফডি সার্কুলার লেটার নম্বর ৮)। আবার একই গ্রাহক মেসার্স সাইনথেটিক ইয়ার্ন এর এল ডিবিবি (বিল নম্বর-২৬৫/০৮ ও ৮৮/০৯) এর অনুমোদন নেয়ার সময় মিথ্য তথ্য দিয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। একইভাবে মেসার্স এমআরএসআর ইন্টারন্যাশনালের চারটি বিল পার্চেজ করে ৫২ লাখ এবং মীর এন্টারপ্রাইজের বিল পার্চেজ করে দেড় কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ২০০০-০১ অর্থ বছরে ঘটনাটি ঘটে। দীর্ঘ কয়েক বছরে এই টাকা আত্মসাত করা হয়। ২০০৭ সালে চৌধুরী নিটওয়্যারস ১৬টি ভূয়া রফতানী কালেকশন বিল দেখিয়ে (বিল নম্বর-৫৬, ৫৭, ৫৮, ৫৯, ৬২, ৬৯, ৭০, ৭৬, ৭৯, ৮০, ৮২, ৮৩, ৮৪, ৮৫, ৮৬ ও ১৩১/ ২০০৮) তার বিপরীতে একই শাখা থেকে লোকাল ব্যাক টু ব্যাক ঋণপত্র খুলে ১৭ লাখ ৭ হাজার ২০০ মার্কিন ডলারের (প্রায় পৌনে ১২ কোটি টাকা) মালামাল ফ্যাক্টরিতে না এনে এমনকি রফতানি না করে এর বিল শাখা থেকে তুলে নেয়। এখানে জালিয়াতির মাধ্যমে সব টাকা  আত্মসাত করার অভিযোগ করা হয়। প্রতিষ্ঠানের বিল পার্সেজের সময় ৭০ লাখ টাকা সান্ড্রি ডিপোজিট একাউন্ট সান্ড্রি ক্রিডিটরস্ হিসাবে দেখানো হয়। এখানে গ্রাহকের ১৫০ কোটি টাকা দায় থাকা সত্ত্বেও অসৎ কর্মকর্তাদের সহয়তায় একাজ করা হয়। ২০০৮ সালে ৯টি লোকাল সাপ্লাইয়ারের কাছ থেকে ভূয়া বিল করে ব্যাংকের মাধ্যমে ৪১ কোটি টাকা গ্রুপটি হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগপত্রে বলা হয়। এখানে ১৪৪টি ভুয়া বিল ব্যবহার করা হয়। অভিযোগে আরো বলা হয় এ সময় গ্রুপটির রমনা শাখার কাছে ১৬০ কোটি টাকার পিএডি দায় ছিল। ২০টি ভুয়া রফতানি বিলের কুশন দেখিয়ে (এফডিবিসি নং-৬৮/২০০৭, বিল নম্বর-৯, ১২, ১৪, ১৬, ১৭, ১৮, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৫০, ৬৪, ৬৫, ৭২, ৭৩, ৭৪, ৭৫, ১১০/২০০৮) ব্যাক টু ব্যাক এলসির কথা বলে মালামাল রফতানি না করে প্রায় ৯ কোটি টাকা মেসার্স চৌধুরী টাওয়েল ইন্ডাস্ট্রির নামে আত্মসাত করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। দুদকের সহ-পরিচালক মাহমুদ হাসানের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের টিমের অন্য সদস্যরা হলেন, এস.এম সাজ্জাদ হোসেন, সুচিত্রা সেন, মেহতাউল্লাহ জান্নাত।

Tuesday, September 25, 2012

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

কুড়িগ্রামে আবার বন্যা ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
উজানের ঢলে কুড়িগ্রামের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের ৩৫ ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। জেলার নিম্নাঞ্চলসহ চর ও দ্বিপচরগুলো তলিয়ে যাওয়ায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে অন্তত ৩০ হাজার হেক্টর রোপা আমন।

এছাড়া চারণভূমিগুলো তলিয়ে যাওয়ায় গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ১২ ঘণ্টায় ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে পাঁচ সেন্টিমিটার, ব্রহ্মপুত্রের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার ও চিলমারী পয়েন্টে ১২ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার সামান্য নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাঙামাটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটিতে পাহাড়ি-বাঙালি সংঘর্ষের দু’দিন পর ১৪৪ ধারা তুলে নেয়া হচ্ছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।

একইসঙ্গে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে মঙ্গলবার রাঙামাটিতে একটি শান্তি মিছিল করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. মোস্তাফা কামাল।

সোমবার জেলা প্রশাসনের অফিসে এক বৈঠকের পর পাহাড়িদের সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির একজন এবং বাঙালিদের একজন প্রতিনিধিকে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্মকর্তারা বলছেন, ছোট একটি ঘটনা থেকে সংঘর্ষ গোটা শহরে ছড়িয়ে পরার পেছনে গুজব প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।
 
মোস্তাফা কামাল বলেন, “পাহাড়ি এবং বাঙালিদের প্রতিনিধিরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অনুরোধ করবে যেন কেউ কোন গুজবে কান না দেন।”

রোববার রাতেও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ লাঠি-সোটা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর প্রশাসন রাঙামাটি শহরে মাইক যোগে গুজবে কান না দিয়ে শান্ত থাকার আহ্বান জানায়।

এ ব্যাপারে হেডম্যান বিপ্লব চাকমা বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

স্থানীয় অনেকে মনে করছেন সংঘর্ষ ‘পরিকল্পিতভাবে’ ঘটানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, “এখানে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অনাস্থা বা অবিশ্বাস নেই। অন্য কোনো মহল এই দাঙ্গা ঘটিয়েছে।”

বিপ্লব চাকমা বলেন, “সংঘর্ষের দিন অনেক বাঙালি এবং পাহাড়ি একে অপরকে আক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করেছে।”

অন্যদিকে, বাঙালি দাঙ্গাকারীদের অনেককে তিনি ‘অপরিচিত’ বলে বর্ণনা করেন।

রাঙামাটি সরকারি কলেজে একজন পাহাড়ি এবং একজন বাঙালি ছাত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই সহিংসতার সূত্রপাত হয়েছিল বলে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন। পরে পুরো রাঙ্গামাটি শহরে পাহাড়ি এবং বাঙ্গালিদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি এবং সেনাবাহিনীর টহলের ব্যবস্থা করা হয়।
স্থানীয় প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী এই সহিংসতা থামাতে গিয়ে পুলিশসহ অন্তত ত্রিশজন আহত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তিন সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মাসুদ-উল-হাসান বলেন, “সহিংসতা এরকম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। সহিংসতার সময় বাঙালিরা বাঙালি এলাকায় এবং পাহাড়িরা পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান নেয়। এ ঘটনার জন্য আমরা একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। এটা কোনভাবেই আঁচ করা যায়নি।”

তিনি বলেন, “পার্বত্য এলাকায় সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন উত্তরণের’ আওতায় সেনাবাহিনী সবসময় টহলে থাকে।” সূত্র: বিবিসি

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে’-মুশফিক :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পাল্লেকেলের উইকেটে নামার আগে কঠিন সব প্রশ্নের জবাব দিতে হল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমকে।

পাল্লেকেলের উইকেটে মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আজ ছিল শেষ অনুশীলন পর্ব। দুপুরে টিম বাস পাল্লেকেলের মূল ফটকে হাজির হয়। অনুশীলনে নামার আগেই আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে হাজির হলেন মুশফিক।

অতীত, বর্তমান এবং সেই সঙ্গে আগামী দিনের প্রসঙ্গ সবই উঠে আসলো সংবাদ সম্মেলনে। আর সেসব প্রশ্নের টার্গেট মুশফিক। তবে বেশ দক্ষতার সঙ্গেই প্রশ্নগুলোর জবাব  দিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

মুশফিকের বক্তব্য শুনে কেউ বলতে পারবে না বাংলাদেশ ‘চাপের উপর দাঁড়িয়ে’ জয়ের চিন্তা করছে। এক বিদেশী সাংবাদিক আত্মবিশ্বাস প্রসজ্ঞে জানতে চাইলে মুশফিক বলেন,“অবশ্যই আমাদের আত্মবিশ্বাসের অভাব নেই। টি-২০ বিশেষ
ম্যাচ। এখানে কেউ ফেভারিট বা অপরাজেয় দল নয়।”

পাকিস্তান অপরাজেয় দল নয়। অথচ আপনারা ৫৯ রানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হেরেছেন। এটা আপনাদের জন্য বড় বেশি চাপ হয়ে গেল না? জবাবে কি বলবেন? মুশফিক
বলেন,“চাপ তো সব ম্যাচেই থাকে। আমার মনে হয় যেহেতু ওরা অনেক বেশি শক্তিশালী দল। তাই চাপটা ওদের ওপরও থাকবে।
ভুল করলে হেরে যাবার সম্ভাবনা আছে। সেটা বেশ ভালোভাবেই জানে পাকিস্তান। এটাও তো একটা বিশাল চাপ। আমাদের প্রধান কাজ হবে শত ভাগ দিয়ে খেলব। এবং তিনটি বিভাগে যে ভুল গুলো করেছি সে গুলো যেন না হয়। আমার মনে হয় আমরা নিজেদের যোগ্যতার ৬০ শতাংশও খেলতে পারিনি। তা যদি আমরা পারি তাহলে কালকের ম্যাচে পজেটিভ কিছু একটা হতে পারে। আমরা ওদের বিপক্ষে খেলেছি। আমরা জানি ওদের সম্পর্কে। ওদের বোলারদের অনেক দিন ধরেই খেলছি। নির্দিষ্ট
দিনে যদি আমরা পরিকল্পনা কাজে লাগাতে পারি তাহলে কালকে ভাল ফলাফল হবে।”

পাকিস্তান দলের সাবেক স্পিনার সাকলাইন মোস্তাক আপনাদের স্পিন কোচ হিসাবে আছেন। তার সাহায্যে পাকিস্তানকে পর্যবেক্ষন করার ক্ষেত্রে কতটা সহায়ক হবে বলে মনে
করছেন? মুশফিক বলেন,“তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করছেন। তিনি আমাকে পাকিস্তানী স্পিনারদের মোকাবেলা করার বিষয়টি অবহিত করছেন। তিনি বলেছেন, পাকিস্তান বোলাদের কিভাবে খেলা সহজ। কি করে ওদের বিপক্ষে রান করা যায়। তবে
অ্যাপলিকেশনটা আমাদের উপর নির্ভর করছে।”

২০১১ বিশ্বকাপেও আমরা সমান পয়েন্ট পেয়েও রান রেটের কারনে বাদ
পড়েগিয়ে ছিলাম। এবারও সেই পরিস্থিতি হতে পারে। দলের ক্রিকেটাররা কি আগে
থেকে এসব বিষয় নিয়ে চিন্তা করে? মুশফিক বলেন,“অবশ্যই। আমরা সে হিসাব কষেই পরিকল্পনা সাঁজিয়েছি। ৩৬ বা ৩৭ রানের ব্যবধানে আমাদের জয় পেতে হবে। অথবা পরে ব্যাট করলে ১৫ বা ১৭ ওভারের মধ্যে রান চেজ করে খেলা শেষ করতে হবে। সব
কিছুই নির্ভর করছে খেলা শুরু হবার পর কি হয় পরিস্থিতি তার ওপর। আমাদের জিতলেই তো হবে না। রান রেটটাও আমাদের নজর রাখতে হবে। সে দিকে নজর রেখেই একাদশ তৈরি করব।”

সাইদ আজমল এক বছর ধরে বিশ্বের সেরা স্পিনার। তার বিপক্ষে খেলতে যাবার আগে অধিনায়ক হিসাবে কতটা হুমকি বলে মনে হয় আপনার কাছে? মুশফিক জবাবে বলেন,“ওর
বিপক্ষে তো অবশ্যই পরিকল্পনা আছে। টি-২০ ম্যাচে নির্দিষ্ট সময়ে সাইদ আজমলের বলের বিপক্ষে ঝুঁকি নিতে হয়।”

দলে পরিবর্তন আছে কিনা জানতে চাইলে মুশফিক জানান
ফ্রেস উইকেটে খেলা হবে। আর যেহেতু রাতে খেলা হবে তাই সেভাবে চিন্তা করছি।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দিনে খেলা শুরু ছিলো। তাই আমরা মনে করেছিলাম স্পিন ধরবে। কিন্তু হয়নি। কাল যেহেতু ম্যাচ রাতে তাই উইকেট পেস সহায়ক হবে। আমাদের কিছু সিমিং অলরাউন্ডার আর পেস বোলার আছে। কাল উইকেট দেখে হয়তো একটা বা দুটো পরিবর্তন হতে পারে।

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ী যারা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আর কয়েক দিন পরই শুরু হচ্ছে নোবেল মৌসুম৷ একে একে ঘোষিত হবে নোবেল বিজয়ীদের নাম৷ এর আগে সম্ভাব্য নোবল জয়ীর নামের একটা তালিকা তৈরি করেছে থমসন রয়টার্স৷

নোবেল কে পাবেন সেটা বলাটা বেশ কঠিন এক কাজ৷ আর সেই কাজটাই ১৯৮৯ সাল থেকে করে আসছে থমসন রয়টার্স৷ তারা প্রতি বছর নোবেল কমিটি কর্তৃক বিজয়ীদের নাম প্রকাশ করার আগেই সম্ভাব্যদের একটা তালিকা প্রকাশ করে থাকে৷ এখন পর্যন্ত দেখা গেছে, শুধু ১৯৯৩ আর ১৯৯৬ সাল বাদ দিয়ে অন্যান্য বছরগুলোতে রয়টার্সের তালিকা থেকে অন্তত একজন নোবেল পেয়েছেন৷ আরও একটা তথ্য এক্ষেত্রে দেয়া যেতে পারে যা এই তালিকার গুরুত্ব বাড়িয়ে দেবে৷ সেটা হচ্ছে, থমসন রয়টার্সের হয়ে ডেভিড পেন্ডেলবুরি গত ১০ বছরে সম্ভাব্য নোবেল জয়ীর যে তালিকা করেছিলেন, তার থেকে মোট ২৬ জন নোবেল পেয়েছেন৷ ফলে পেন্ডেলবুরি এ বিষয়ে একটা পাণ্ডিত্য অর্জন করেছেন বলা যায়৷

তার হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে এবার সম্ভাব্য নোবেল বিজয়ীর তালিকায় রয়েছে ‘কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন’র আবিষ্কারকদের নাম৷ এরা হলেন, আইবিএম’র গবেষক চার্লস বেনেট, মন্ট্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গিলস ব্রাসার্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের উইলিয়ামস কলেজের উইলিয়াম উট্টারস৷

এই তিনজন ১৯৯৩ সালে কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন নিয়ে কাজ করেছিলেন৷ সেসময় বিষয়টা পদার্থবিদদের মধ্যে বেশ সাড়া ফেলেছিল৷ ফলে ওই বছরে প্রায় ৫,৩০০ বার এই তত্ত্বের কথা বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল৷ যেটা ওই বছরে প্রকাশিত অন্যান্য গবেষণা তত্ত্বের চেয়ে প্রায় তিনশো গুণ বেশি৷ শুধু ১৯৯৩ সালেই নয় পরবর্তীতেও বিষয়টা নিয়ে কাজ করেছেন অনেক বিজ্ঞানী৷

কিন্তু কী এই কোয়ান্টাম টেলিপোর্টেশন? আইনস্টাইন বিষয়টাকে ‘ভুতুড়ে' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন৷ বিষয়টা হচ্ছে, কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই কোয়ান্টাম তথ্য এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়া৷ অনেকটা বেতার তরঙ্গের মতো৷

তত্ত্বটা বাস্তবে রূপ দেয়া গেলে সুপার-ফাস্ট কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরি সম্ভব হবে৷ এছাড়া কোয়ান্টাম ইন্টারনেটও আসতে পারে ভবিষ্যতে৷ যেটা বর্তমানের চেয়ে অনেক উন্নত হবে৷

পেন্ডেলবুরির তালিকায় আরো আছে ১৯৯০ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী লাই ক্যানহামের আবিষ্কার৷ রয়েছে আলোর গতি কমিয়ে দেয়া সংক্রান্ত গবেষণা প্রবন্ধের লেখক স্টিফেন হ্যারিস ও লেনে হাউ৷

বহুল আলোচিত হিগস বোসন কণার আবিষ্কারক পিটার হিগস এবার নোবেল পেতে পারেন বলে স্টিফেন হকিং মোটামুটি নিশ্চিত হলেও পেন্ডেলবুরি নন৷ তার যুক্তি, নোবেলের প্রচলনকারী আলফ্রেড নোবেল সর্বোচ্চ তিনজনের মধ্যে পুরস্কার ভাগাভাগির পক্ষে ছিলেন৷ কিন্তু পিটার হিগস যখন হিগস বোসন কণার কথা বলেছিলেন, ঠিক সে সময়েই অন্তত আরও পাঁচজন একই বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন বলে জানান পেন্ডেলবুরি৷

এছাড়া কোনো একটা কিছু আবিষ্কারের প্রায় ২৫ বছর পর সাধারণত নোবেল দেয়া হয়৷ সে হিসেবেও পিটার হিগসকে আরেকটু অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে মনে করে পেন্ডেলবুরি৷ তবে তিনি এও বলেছেন, ‘‘আমার ভুলও হতে পারে।”

‘এপিজেনেটিক' বিষয়ে আশির দশকে কাজ করা মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড অ্যালিস ও মাইকেল গ্রুনস্টাইন এবার চিকিৎসায় নোবেল পেতে পারেন৷ পেন্ডেলবুরি বলছেন, তাদের আবিষ্কার চিকিৎসা ক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে৷ এবং এ কারণে অনেক জীবনরক্ষাকারী ওষুধ উৎপাদন সম্ভব হয়েছে৷

রসায়নের ক্ষেত্রে পেন্ডেলবুরির পছন্দ টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের আকিরা ফুজিশিমাকে৷ তিনি এককালে শুধুমাত্র পেইন্ট’এ ব্যবহার করা টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইডকে অন্য কাজে লাগানোর উপায় বের করেছেন৷ পানি থেকে হাইড্রোজেন তৈরিতে এটা ব্যবহার করা যেতে পারে৷ এছাড়া পরিবেশ দূষণ এড়াতে জাপানে রাস্তাঘাট তৈরির পাথরে প্রলেপ হিসেবে এই রাসায়নিক উপাদানটি ব্যবহৃত হচ্ছে৷

পদার্থ, রসায়ন, আর চিকিৎসাক্ষেত্র ছাড়াও নোবেলজয়ী সম্ভাব্য অর্থনীতিবিদদেরও তালিকা করে থাকে থমসন রয়টার্স৷ বিস্তারিত পেতে যেতে হবে এই ওয়েবসাইটে http://sciencewatch.com/nobel
অন্যান্য বছরের মতো এবারও এই তালিকা থেকে কেউ নোবেল পান কিনা-তা জানতে, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আর ক'টা দিন৷ সূত্র: ওয়েবসাইট।

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মুসলিম বিশ্বের প্রথম ‘ভালোবাসার চিঠি’ ফ্রান্সের লুভ্রতে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ইসলাম বিরোধী ভিডিও আর মহানবীকে সা: নিয়ে কার্টুনের প্রতিবাদে এখন মুসলিম বিশ্বে চলছে বিক্ষোভ৷ এরই মধ্যে ফ্রান্সের বিখ্যাত লুভ্র জাদুঘরে খোলা হলো ইসলামি শিল্পকলার এক সংগ্রহশালা৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ৷ খরচের একটা অংশ ফ্রান্স সরকার দিয়েছে৷ আর বাকিটা এসেছে সৌদি আরব, মরক্কো, কুয়েত, ওমান আর আজারবাইজান থেকে৷

সপ্তম থেকে উনবিংশ শতাব্দি পর্যন্ত সময়কার বিভিন্ন মুসলিম নিদর্শন রয়েছে এই সংগ্রহশালায়৷ স্পেন, মিশর, মধ্য এশিয়া, পারস্য অঞ্চল, ভারত সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করা হয়েছে৷

প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয়ে তৈরি এই সংগ্রহশালাটি উদ্বোধন করেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রঁসোয়া ওলঁদ। সেখানে মুঘল আমলের কার্পেট যেমন রয়েছে৷ তেমনি রয়েছে মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে পুরাতন ভালোবাসার চিঠিও৷

চীনা শিল্পকলার এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বলছেন, মুসলমানদের সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বে যে ভুল ধারণা রয়েছে এই সংগ্রহশালা সেটা ভাঙাতে সহায়তা করবে৷ কেননা লুভ্রর এই সংগ্রহশালায় ইসলামকে একটি শান্তির ধর্ম হিসেবে দেখানো হয়েছে৷

প্যারিসের অন্য একটি জাদুঘরের ইসলামি শিল্পকলা বিভাগের প্রধান সোফি মাকারিও বলছেন, ‘ইসলাম’ শব্দটিকে তার পুরো মাহাত্ম অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে৷ কেননা ইসলাম মানেই যে শুধুই জিহাদ, সেটা ঠিক নয়৷ সূত্র: এএফপি।

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েলে পাচার হচ্ছে ইরানের গোপন পরমাণু তথ্য! :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইসরায়েলের কাছে ইরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য পাচার করছে বলে অভিযোগ করেছে ইরান।রোববার ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক নীতি কমিটির সদস্য জাভেদ জাহাঙ্গিরজাদেহ প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে আইএইএ এর বিরুদ্ধে এই  অভিযোগ করেন।

জাহাঙ্গিরজাদেহ বলেন, আইএইএ এর মহাপরিচালক উকিয়া আমানো ঘন ঘন ইসরায়েল সফরে গিয়ে তেহরানের পরমাণু প্রকল্পের গোপন তথ্য ইহুদিদের হাতে তুলে দেন।

তিনি আরো বলেন, “তেলআবিবে আমানোর ঘন ঘন সফর ও ইরানের পরমাণু প্রকল্পের বিষয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দৃষ্টিভঙ্গী জানতে চাওয়ার তৎপরতা ইঙ্গিত দেয়, আমাদের পরমাণু প্রকল্পের তথ্যাবলী ইসরায়েল ও ইরানের অন্যান্য শত্রুদের কাছে ফাঁস হয়ে যাচ্ছে।”

আইএইএ’র এসব তৎপরতার কারণে ইরান আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটির সঙ্গে সহযোগিতা করা বন্ধ করে দিলে এর জন্য সংস্থাটির মহাপরিচালক দায়ী থাকবেন বলেও উল্লেখ করেন জাহাঙ্গিরজাদেহ।

 তবে রেকর্ড বলছে আইএইএ’র প্রধান হিসেবে আমানো ২০১০ সালের অগাস্টে একবার মাত্র ইসরায়েল সফরে গিয়েছেন। আর চলতি বছরের মে মাসে তিনি ইরান সফর করেছেন।

জাহাঙ্গিজাদেহ’র অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করে আইএইএ। সূত্র: রয়টার্স

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইরানী পরমাণু কর্মসুচিতে জার্মান নাশকতা? :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  জার্মানির বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি সিমেন্স ইরানের পারমাণবিক যন্ত্রপাতি নষ্ট করে দেবার জন্য নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়েছিল অভিযোগ করেছে ইরান। তবে সিমেন্স এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইরানি পার্লামেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আলেদিন বোরুজারদি অভিযোগ করেন, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসুচির জন্য যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছিল, সিমেন্স তার ভেতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছিল।কিন্তু সিমেন্স বলছে, তারা কয়েক দশক ধরে ইরানের সাথে কোনো লেনদেনই করেনি।

ইরানের একজন প্রভাবশালী এমপি আলাদিন বোরুজেরদি শনিবার অভিযোগ করেন, সিমেন্সের তৈরী কিছু যন্ত্রপাতি যেগুলো দেশের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য কেনা হয়েছিল তাতে গোপনে বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হয়েছিল।

তিনি বলেন, ইরানের বিশ্বাস এই বিস্ফোরকগুলো এমনভাব জুড়ে দেয়া হয় যাতে এগুলো কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং পুরো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বোরুজেরদি আরো বলেন, ইরানি বিশেষজ্ঞদের দক্ষতায় শত্রুর এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা গেছে। তবে সিমেন্সের কোনো না কোনো কারখানাতেই এই বিস্ফোরকগুলো জোড়া হয়েছে এবং জার্মান এই কোম্পানিকে এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।

এদিকে সিমেন্স সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিউনিখ-ভিত্তিক এই জার্মান এই টেকনোলজি জায়ান্ট বলছে, ইরানের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে সিমেন্সের পারমাণবিক প্রযুক্তি বিভাগ ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করছে না।

সিমেন্সের মুখপাত্র আলেক্সান্দার ম্যাকোওয়েতজ বলছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সাথে সিমেন্স’র কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন নেই।

তবে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, যদি ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে সিমেন্সের কোনো ব্যবসা না থেকে থাকে, তাহলে ইরানের কাছ থেকে এই অভিযোগ আসছে কেন?

তবে ইরানে বিবিসি’র সংবাদদাতা বলেন, এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে ইরানের ওই এমপি হয়ত না বুঝেই এই অভিযোগ করছেন। এ প্রশ্নও উঠতে পারে যে ইরান কি তাহলে ঘুরপথে অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিমেন্সের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি কিনছে?

বিবিসির সংবাদদাতা আরো বলছেন, আরো একটি সম্ভাবনার কথা অনেকের মনে আসবে। সেটা হলো, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমা কোন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তারাই যোগসাজস করে, অন্যদের দিয়ে গোপনে ইরানের কাছে সিমেন্সের এই যন্ত্রপাতি বিক্রির ব্যবস্থা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষতি করা যায়।

এর আগে ২০১০ সালেও ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের কম্পিউটার ব্যবস্থায় স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল সিমেন্সের বিরুদ্ধে। তখনও সিমেন্স বলেছিল তারা কিছুই জানে না।

পরে এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে ইসরায়েল এবং মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগের কথা শোনা গিয়েছিল, যদিও সেই রহস্য কখনই উদঘাটিত হয়নি। দু বছর পরে এখন এই নতুন অভিযোগ ওঠার পর সেই রহস্য আরো গভীর হবে সন্দেহ নেই। সূত্র: বিবিসি

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইসরায়েল ধ্বংসের ঐতিহাসিক সুযোগ খুঁজছে ইরান :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

  ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান কমান্ডার হোসাইন সালামি ইসরায়েলকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেলআবিব ইরানে হামলা চালালে ইসরায়েলকে বিশ্বের মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার ঐতিহাসিক সুযোগ নেবে তেহরান।

রোববার তিনি এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,  “আমরা শত্রুদের প্রধান স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যগুলো সনাক্ত করেছি।” ইরানের কৌশলগত নীতি প্রতিরক্ষামূলক, কিন্তু তার রণ-কৌশলগুলো আক্রমণাত্মক বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) উপপ্রধান বলেন, “ইরান কোনো দেশের বিরুদ্ধেই আগে যুদ্ধ শুরু করবে না।কিন্তু আক্রান্ত হলে শত্রুকে পুরোপুরি ধ্বংস করা ছাড়া ইরান কখনও যুদ্ধ থামাবে না।

তিনি আরো বলেন, “মার্কিন নেতৃত্বাধীন মিত্র বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধে নামা আমাদের প্রতিরক্ষা কৌশল এবং এরপর আমরা শত্রুদের  স্বার্থের প্রাণ-কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানব আমাদের আক্রমণাত্মক শক্তি-কাঠামো দিয়ে।

সালামি বলেন, “আমরা ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ  সব ধরনের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি আয়ত্ত করেছি এবং এ অঞ্চলে শত্রুদের সব ঘাঁটি আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর আওতায় রয়েছে।”

তিনি আরো জানান, ইরানের ‘পেহপদ’ নামের পাইলটবিহীন গোয়েন্দা বিমানগুলো একটানা ২৪ ঘণ্টা ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম এবং সেগুলো হাজার হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত উড়তে পারে। 

এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননের ইসরায়েল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব হাসান নাসরুল্লাহও একই ধরনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। সূত্র: আইআরআইবি

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদের জটিল অপারেশন দেশবাসীর দোয়া কামনা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রখ্যাত সাংবাদিক দৈনিক আমার দেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক আতাউস সামাদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর অবনতি হয়েছে। গতরাতে এ রিপোর্ট লেখার সময় রাজধানীর এ্যাপোলো হাসপাতালে তার জরুরি অস্ত্রোপচার চলছিল।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হার্ট, কিডনি ও পা ঠিকভাবে কাজ না করায় এবং ডায়াবেটিক থাকায় তার জটিল ভাসকুলার অস্ত্রোপচার করতে হচ্ছে। এটি করতে বেশ কয়েক ঘণ্টা সময়ও লাগবে। এদিকে আতাউস সামাদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারের সদস্যরা।

আতাউস সামাদকে সোমবার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেয়ার কথা ছিল। কিন্তু চার ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো যাবে না বলে সিঙ্গাপুরের ডাক্তাররা অস্ত্রোপচারটি ঢাকাতেই করার নির্দেশনা দিয়েছেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে আতাউস সামাদকে রোববার সন্ধ্যায় এ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রবীণ এ সাংবাদিক কয়েকদিন ধরেই অসুস্থবোধ করছিলেন বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

আতাউস সামাদকে দেখতে সোমবার হাসপাতালে যান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, আতাউস সামাদের ভাগ্নে ও বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, বিএফইউজে মহাসচিব শওকত মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল ও আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিনিধি অলিউল্লাহ নোমান প্রমুখ।

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

টক শোতে শীর্ষে ইন্ডিপেনডেন্ট সবার শেষে মাছরাঙা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ৩৭তম সপ্তাহে টক শো ক্যাটেগরিতে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন। ২৯২ শতাংশ জিপিআই (জেনরে পারফরমন্স ইনডেক্স) নিয়ে এটি উঠে এসেছে সবার উপরে। এ তথ্য জানাচ্ছে ৩৭তম সপ্তাহ (৮-১৪ সেপ্টম্বর) এর টিআরপি। রিপোর্ট অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সপ্তাহের টপ রেটেড টক শোর তালিকায় ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের দু’টি অনুষ্ঠান রয়েছে। এর একটি আজকের বাংলাদেশ, অন্যটি খাতুনগঞ্জ থেকে মতিঝিল।

টক শো ক্যাটেগরির ২ নম্বর চ্যানেল আরটিভি। এর জিপিআই ছিল ২২৫ শতাংশ।

১৭২ শতাংশ জিপিআই নিয়ে বাংলাভিশন তালিকার ৩ নম্বর চ্যানেল।

৪ নম্বরে রয়েছে একুশে টেলিভিশন। এর জিপিআই ১২৬ শতাংশ। চ্যানেল আই রয়েছে ৫ নম্বরে। এর জিপিআই ১১৭ শতাংশ। দিগন্ত টেলিভিশনের অবস্থান ৬-এ। চ্যানেলটির জিপিআই ছিল ১১৬ শতাংশ।

১০০ শতাংশ জিপিআই নিয়ে ৭ নম্বরে অবস্থান নিয়েছে বৈশাখী টেলিভিশন। ৮ নম্বরে আছে মাইটিভি। এ জিপিআই ৮৮ শতাংশ।এটিএন নিউজ রয়েছে ৯ নম্বরে। এর জিপিআই ছিল ৭৭ শতাংশ।

৬৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে এটিএন বাংলার অবস্থান ১০-এ।এনটিভি রয়েছে ১১ নম্বরে। এর জিপিআই ৬৪ শতাংশ।৫৯ শতাংশ জিপিআই নিয়ে একাত্তর টিভি রয়েছে ১২ নম্বরে।

বাংলাদেশ টেলিভিশন রয়েছে ১৩ নম্বরে। এর জিপিআই ৪৭ শতাংশ।৪৬ শতাংশ জিপিআই নিয়ে চ্যানেল টোয়েন্টিফোর রয়েছে ১৪ নম্বরে।১৫ নম্বরে রয়েছে জিটিভি। এর জিপিআই রেকর্ড করা হয়েছে ৪৬ শতাংশ।চ্যানেল নাইন রয়েছে ১৬ নম্বরে। এর জিপিআই ৩৪ শতাংশ।

১৮ শতাংশ জিপিআই নিয়ে তালিকার সর্বশেষ চ্যানেল মাছরাঙা। এর অবস্থান ১৭তম।

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আফগানিস্তানে নিষিদ্ধ হলো পাকিস্তানের পত্রিকা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
সবধরনের পাকিস্তানি পত্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই সরকার। কাবুলের অভিযোগ, পত্রিকাগুলো তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল। তালেবান জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়প্রদান ছাড়াও আর্থিক মদদ জুড়িয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। পাক সরকারের মদদেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সত্ত্বেও তালেবানকে নির্মূল করা সম্ভব হচ্ছে না।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এ পত্রিকাগুলো তালেবানের প্রচারে মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। সব পাকিস্তানি পত্রিকার কপিকে বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

এদিকে, কাবুল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ এই পদক্ষেপে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণ বন্ধের জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই পাক সীমান্ত সংলগ্ন পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহারা, কুনার ও নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান থেকে আসা সব পত্রিকাল কপি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

পরিবেশ দূষণ: ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 রাজধানীর পরিবেশ অধিদফতর আগস্ট মাসে ঢাকাসহ চারটি জেলায় ১১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান চালিয়ে পরিবেশের ক্ষতিপূরণ বাবদ দুই কোটি ৪০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। পরিবেশ আইনের আওতায় দূষণের অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাভারে বায়ুদূষণ, তুরাগ, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে শিল্পবর্জ্যের দূষণ, ঢাকা মহানগরীতে শব্দদূষণ, গাজীপুরে কৃষিজমি ভরাট, গুলশান ও বনানীতে অবৈধভাবে আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং গাজীপুরে অবৈধ ইটভাটা পরিচালনার অপরাধে ১৯টি শিল্প কারখানা এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়।

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী এসব অভিযান পরিচালনা ও সমন্বয় করেন।

এছাড়া আগস্ট মাসে পলিথিনবিরোধী বিশেষ অভিযানে মানিকগঞ্জ, রাজশাহী ও বরিশালে এক টন ১৪৪ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়। স্থানীয় পরিবেশ অধিদফতর ও জেলা প্রশাসন পলিথিনবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মিরপুরের শাহ আলী প্লাজাকে ২১ লাখ টাকা জরিমানা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ৩০ কাঠা জমিতে ১২তলা  বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করায় শাহ আলী প্লাজা কর্তৃপক্ষকে ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া ভবন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

শাহ আলী প্লাজা নামের বিশাল বাণিজ্যিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। এটি মূলত আবাসিক প্লট হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সনে রাজউকের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৩ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় এ ৩০ কাঠা জমি কেনা হয়। তবে কিভাবে মিরপুরের মত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ ঘটনা নগর ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে।

বিশাল এ বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা, পার্কিং বে, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। অথচ ভবনের পরিকল্পনায় এসব কিছুই নেই। তাই তাদের জরিমানা হয়েছে বলে জানানো হয়।