শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত ৪ বাংলাদেশীকে ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতিসংঘ মিশনে মৃত্যুবরণকারী চার বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাস অফিসার্স ক্লাবে চার শহীদ পরিবারের মাঝে ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ পদক হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জে. মোঃ মইনুল হোসেন এ পদক হস্তান্তর করেন।
পদক প্রাপ্তরা হলেন মেজর কে.এম জিয়াউল হক, ক্যাপ্টেন মোঃ ইফতেখার আলম, ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুস সালাম এবং মোঃ ইউনুস মিয়া।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লে. জে. মইনুল ইসলাম বলেন, “জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অবদানের জন্য বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ একটি নীল হেলমেট হিসেবে পরিচিত নাম হয়ে থাকবে। ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমাদের দেশের শান্তিরক্ষীরা গর্বে সঙ্গে কাজ করে আসছে। এছাড়া এ মিশনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিরিয়ার মিশনে অনেক দেশই তাদের সৈন্য পাঠায়নি। অথচ আমাদের সেনা কর্মকর্তারা বীরদর্পে পর্যবেক্ষণে গেছেন। এ পর্যন্ত শান্তিরক্ষী মিশনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতিসংঘের এ পদক একটি দেশের জন্য গৌরবের বিষয় বলে জানান তিনি।
‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ জাতিসংঘের একটি মরনোত্তর সন্মাননা পদক। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে জীবন উৎসর্গকারী সামরিক পুলিশ এবং বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ এ পদক পেয়ে থাকেন। এ পদকটি প্রবর্তন করা হয়েছে জাতিসংঘের ২য় মহাসচিব ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড এর নামে। যিনি ১৯৬১ সালে কর্তব্যরত অবস্থায় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৮ সালে প্রবর্তনের পর হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বমোট ৭১ জন শহীদ শান্তিরক্ষীকে এ পদক প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৯মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘আন্তজার্তিক শান্তিরক্ষী দিবস-২০১২’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশী স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নিকট এ পদক হস্তান্তর করেন।
Thursday, September 27, 2012
এইডস সচেতনতায় সবাইকে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
এইডস সচেতনতায় সবাইকে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী বলেছেন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা,
কুসংস্কার থেকে মুক্তি, বৈষম্য দূর করা, নারী নির্যাতন বন্ধ ও নারীকে এইডস
বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
বুধবার জাতীয় সংসদের আইপিডি সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএনএইড’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠেয় এক কর্মশালা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মাজেদা শওকত আলী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির ও ইউএনএইডের বাংলাদেশ প্রতিনিধি লিও কেনি বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ‘‘সমাজে সবচেয়ে বড় সমস্যা সামাজিক সচেতনতার। ফলে সমাজের মানুষের মধ্যে কুসংস্কার বিরাজ করছে। তাই এ কুসংস্কারের ফলে সামাজিক বৈষম্য মানব সমাজের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।’’
নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সববিভেদ ও অনৈক্য দূর করতে হবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।’’
অনুষ্ঠানে নাজমা আক্তার এমপি, নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, এ,বি,এম আনোয়ারুল হক এমপি, ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি, সাধনা হালদার এমপি, নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি, ফরিদা আক্তার এমপি, আসমা জেরিন ঝুমু এমপি এবং জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার এমপি অংশ নেন।
বুধবার জাতীয় সংসদের আইপিডি সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএনএইড’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠেয় এক কর্মশালা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মাজেদা শওকত আলী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির ও ইউএনএইডের বাংলাদেশ প্রতিনিধি লিও কেনি বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, ‘‘সমাজে সবচেয়ে বড় সমস্যা সামাজিক সচেতনতার। ফলে সমাজের মানুষের মধ্যে কুসংস্কার বিরাজ করছে। তাই এ কুসংস্কারের ফলে সামাজিক বৈষম্য মানব সমাজের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।’’
নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সববিভেদ ও অনৈক্য দূর করতে হবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।’’
অনুষ্ঠানে নাজমা আক্তার এমপি, নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, এ,বি,এম আনোয়ারুল হক এমপি, ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি, সাধনা হালদার এমপি, নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি, ফরিদা আক্তার এমপি, আসমা জেরিন ঝুমু এমপি এবং জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার এমপি অংশ নেন।
বিশ্ব শান্তি বিনির্মাণে সব দেশকে দৃঢ় অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বিশ্ব শান্তি বিনির্মাণে সব দেশকে দৃঢ় অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দফরের নর্থ লন বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘পিস বিল্ডিং : পিস বিল্ডিং এ ওয়ে ফরোয়ার্ড টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল পিস এ্যান্ড সিকিউরিটি’ শীর্ষক এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রদত্ত সভাপতির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড, ক্রোএশীয় প্রধানমন্ত্রী জোরান মিলানোভিচ, পূর্ব তিমুরের প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসম্যান, জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট মাইকেল চিলুফ্যা বক্তৃতা করেন।
তিনি বলেন, “প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ এখনো সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে বসবাস করছে। বিশ্ব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০১১ -এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী নিম্নআয়ের দেশগুলো এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না অথবা সংঘাতের কারণে এমডিজি অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
শেখ হাসিনা বলেন, “টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময়ই জাতিসংঘের সকল শান্তি উদ্যোগের পাশে রয়েছে।”
শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এটি পিবিসি’র প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বহু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শান্তি স্থাপন তহবিলে তার বার্ষিক চাঁদা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যবসা উন্নয়ন, জীবন রক্ষায় সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থায় উন্নয়ন, মানবাধিকার, আইএফআই’র সঙ্গে মানবিক তৎপরতায়ও কাজ করছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও সংবিধানের আলোকে শান্তি ও নিরাপত্তায় আমাদের নীতি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব : কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ -এই নীতি বাংলাদেশকে শান্তি রক্ষার কাজে জাতিসংঘের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকসই আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার
স্বার্থে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রকে শান্তি বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় তাদের
আরো দৃঢ় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দফরের নর্থ লন বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘পিস বিল্ডিং : পিস বিল্ডিং এ ওয়ে ফরোয়ার্ড টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল পিস এ্যান্ড সিকিউরিটি’ শীর্ষক এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রদত্ত সভাপতির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
শেখ হাসিনা স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সমাজে সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী সহায়তায়
সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষে সম্পদের যোগান, জাতীয় সামর্থ এবং প্রতিষ্ঠান
বিনির্মাণে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার আরো জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর
গুরুত্ব আরোপ করেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড, ক্রোএশীয় প্রধানমন্ত্রী জোরান মিলানোভিচ, পূর্ব তিমুরের প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসম্যান, জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট মাইকেল চিলুফ্যা বক্তৃতা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, “৯০ -এর দশকে স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময় জন্ম নেয়া
দেশগুলোর অর্ধেকেই কয়েক বছরের মধ্যে সহিংসতায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। টেকসই
শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থায়ী ভিত্তি প্রদানে তাদের সাহায্য করতে ‘পিস
বিল্ডিং কমিশন’ (পিবিসি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।”
তিনি বলেন, “প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ এখনো সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে বসবাস করছে। বিশ্ব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০১১ -এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী নিম্নআয়ের দেশগুলো এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না অথবা সংঘাতের কারণে এমডিজি অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
শেখ হাসিনা বলেন, “টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময়ই জাতিসংঘের সকল শান্তি উদ্যোগের পাশে রয়েছে।”
তিনি বলেন, “১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা জাতিসংঘের ৩৭টি শান্তি মিশনে
অংশ নিয়েছি। এতে আমাদের এক লাখ ১৩ হাজার ১৮১ জন শান্তিরক্ষী অংশ নেয়। এসময়
কর্মরত অবস্থায় ১১৮ জন শান্তিরক্ষী নিহত এবং ১২৫ জন আহত হয়।”
তিনি শান্তি স্থাপন প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথাযথ ফলোআপ
প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যথায়, দেশগুলোতে পুনরায় সংঘাত দেখা
দেয়ার আশংকা থাকে, যা ১৯৯৩ সালে এঙ্গোলায় এবং ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় ঘটেছে।
তিনি সংঘাত পরবর্তী দেশগুলোতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সাউথ সাউথ সহযোগিতার এবং পিস বিল্ডিং কমিশনে (পিবিসি) দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততায় সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি সংঘাত পরবর্তী দেশগুলোতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সাউথ সাউথ সহযোগিতার এবং পিস বিল্ডিং কমিশনে (পিবিসি) দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততায় সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ২০১০ ও ২০১১ সালে পিবিসি’তে ন্যাম ককাসে নেতৃত্ব দেয়
এবং জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কৌশল ও নীতিনির্ধারণী কাজে অবদান রাখে।”
শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এটি পিবিসি’র প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বহু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শান্তি স্থাপন তহবিলে তার বার্ষিক চাঁদা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যবসা উন্নয়ন, জীবন রক্ষায় সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থায় উন্নয়ন, মানবাধিকার, আইএফআই’র সঙ্গে মানবিক তৎপরতায়ও কাজ করছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও সংবিধানের আলোকে শান্তি ও নিরাপত্তায় আমাদের নীতি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব : কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ -এই নীতি বাংলাদেশকে শান্তি রক্ষার কাজে জাতিসংঘের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।
পদ্মা সেতুতে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়নি, আবারো বিবৃতি বিশ্বব্যাংকের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
পদ্মা সেতুতে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়নি, আবারো বিবৃতি বিশ্বব্যাংকের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ বাংলাদেশ সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে কয়েকটি বিষয়ে সরকারের সম্মতি চাওয়া হয়:
(ক) ‘দুর্নীতি বিষয়ক তদন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে ছুটিতে পাঠানো; (খ) দুর্নীতি দমন কমিশনে (পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য) বিশেষ ‘ইনক্যুইরি অ্যান্ড প্রসিকিউশন’ টিম গঠন করা; (গ) দুর্নীতি বিষয়ক তদন্তের সব তথ্য উপাত্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রবেশ থাকবে, যাতে তারা বিশ্বব্যাংক এবং সহযোগী ঋণদাতাদের সরকারি তদন্তের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে মতামত দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সার্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতিতে বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে বিশ্বব্যাংক উদ্বিগ্ন। আর এর জন্যই আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, এই প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার জন্য নতুন ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনা’ প্রয়োজন, যাতে করে প্রকল্পের ক্রয় সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী ঋণদাতাদের অধিকতর তদারকির সুযোগ থাকে।
কেবল উপরোল্লিখিত সম্মত বিষয়গুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়নের পরই এবং এ বিষয়ে (গৃহীত সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করবে।
একটি পরিচ্ছন্ন পদ্মা ব্রিজ বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য দাবি। আর এ দাবি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা (এ বিবৃতির মাধ্যমে) আবারো বাংলাদেশ সরকারকে অত্যন্ত জোরালোভাবে একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত শুরুর জন্য বলছি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সব প্রক্রিয়া এমনভাবে অনুসরণ করার কথা বলছি, যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও অধিকতর জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্বব্যাংক, সরকারের
শীর্ষস্তরের ব্যক্তিদের দুর্নীতি তদন্তে ও ভবিষ্যতে দুর্নীতি প্রতিরোধে
বিশ্বব্যাংকের বাতলানো শর্তগুলো সরকার সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত করার পরই
সেতু প্রকল্পটিতে নতুন করে ‘সম্পৃক্ত’ হবে ব্যাংকটি। বুধবার এক বিবৃতিতে
আবারো এ কথা জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় ২৫ সেপ্টেম্বর
বিকেলে এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। গত শুক্রবার দেয়া বিবৃতিতেও একই
অবস্থানের কথা জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
বুধবারের বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, পদ্মা সেতু বিষয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর
প্রদত্ত বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে যথাযথভাবে
প্রতিফলিত হয়নি। তাছাড়া দেশের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা সংবাদ মাধ্যমে
বিশ্বব্যাংকের বিবৃতির ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের সার্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতিতে বিশেষ করে
পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে বিশ্বব্যাংক উদ্বিগ্ন। আর এর জন্যই
আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, এই প্রকল্পে নতুন
করে যুক্ত হওয়ার জন্য নতুন ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনা’ প্রয়োজন, যাতে করে
প্রকল্পের ক্রয়সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী ঋণদাতাদের অধিকতর
তদারকির সুযোগ থাকে।”
দুর্নীতি তদন্ত ও ভবিষ্যতে দুর্নীতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ যেই চারটি শর্ত
মেনে নিয়েছে, সেগুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়নের পরই এবং সরকারি পদক্ষেপ
সম্পর্কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে
ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন
করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী
প্রতিশ্রুতি পদ্মা সেতু তৈরিতে গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বব্যাংক, এডিবি
(এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক), আইডিবি (ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) ও
জাইকা’র (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) সঙ্গে ঋণচুক্তি করে
সরকার। ২৯১ কোটি ডলারে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের
নকশা ও জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়।
কিন্তু প্রকল্পটিতে সরকারের শীর্ষস্তরের ব্যক্তিদের দুর্নীতির ষড়যন্ত্র
তদন্তে বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ট সহযোগিতা করছে না জানিয়ে গত জুনে প্রকল্পটিতে
নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে প্রধান অর্থায়নকারী
বিশ্বব্যাংক।
পরে বিশ্বব্যাংকের দেয়া চারটি শর্ত বাংলাদেশ সরকার মেনে নিলে গত শুক্রবার
একটি বিবৃতি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ব্যাংক এতে রাজি হয়েছে
যে, সরকারের দ্বারা সম্মত পদক্ষেপগুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়ন হলে, ব্যাংকের
পরিচালনা কর্তৃপক্ষের সমর্থনসহ পদ্মা বহুমুখী সেতুতে আবার নতুন করে
সম্পৃক্ত হবে ব্যাংক।’’ (The Bank has agreed that, upon satisfactory
implementation of the agreed measures by the Government, and with the
support of the Bank's governing bodies, the Bank will engage anew in the
Padma Multipurpose Bridge.)
তবে বিশ্বব্যাংকের এই বিবৃতি এড়িয়ে দেশের কিছু সংবাদমাধ্যম খবর দেয় যে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফিরে এসেছে বিশ্বব্যাংক।
বিশ্বব্যাংকের বুধবারের বিবৃতি
পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে সরকারের সিনিয়র
কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বিশ্বব্যাংক গ্রহণযোগ্য
তথ্যপ্রমাণ সহ বার বার বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছে। এ সব বিষয়ে সরকার কোনো
উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ না নেয়ায় বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১ দশমিক ২
বিলিয়ন ডলারের ঋণ বাতিল করে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ বাংলাদেশ সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে কয়েকটি বিষয়ে সরকারের সম্মতি চাওয়া হয়:
(ক) ‘দুর্নীতি বিষয়ক তদন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে ছুটিতে পাঠানো; (খ) দুর্নীতি দমন কমিশনে (পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য) বিশেষ ‘ইনক্যুইরি অ্যান্ড প্রসিকিউশন’ টিম গঠন করা; (গ) দুর্নীতি বিষয়ক তদন্তের সব তথ্য উপাত্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রবেশ থাকবে, যাতে তারা বিশ্বব্যাংক এবং সহযোগী ঋণদাতাদের সরকারি তদন্তের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে মতামত দিতে পারেন।
বাংলাদেশের সার্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতিতে বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে বিশ্বব্যাংক উদ্বিগ্ন। আর এর জন্যই আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, এই প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার জন্য নতুন ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনা’ প্রয়োজন, যাতে করে প্রকল্পের ক্রয় সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী ঋণদাতাদের অধিকতর তদারকির সুযোগ থাকে।
কেবল উপরোল্লিখিত সম্মত বিষয়গুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়নের পরই এবং এ বিষয়ে (গৃহীত সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করবে।
একটি পরিচ্ছন্ন পদ্মা ব্রিজ বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য দাবি। আর এ দাবি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা (এ বিবৃতির মাধ্যমে) আবারো বাংলাদেশ সরকারকে অত্যন্ত জোরালোভাবে একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত শুরুর জন্য বলছি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সব প্রক্রিয়া এমনভাবে অনুসরণ করার কথা বলছি, যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও অধিকতর জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।
আতাউস সামাদের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
আতাউস সামাদের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মরুহম সাংবাদিক আতাউস সামাদ ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশ-বিদেশের বেশ কয়েকটি নামিদামি সংবাদ মাধ্যমে সাংবাদিকতা করেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। কর্মজীবনে কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি।
তৎকালীন পাকিস্তান অবজার্ভার (অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজার্ভার) এর চিফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্বপালন করেন ১৯৬৫ সাল থেকে ৬৯ সাল পর্যন্ত। ১৯৬৯ থেকে ৭০ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীন সদস্য ছিলেন তিনি।
১৯৭২ সাল থেকে ৭৬ সাল পর্যন্ত কাজ করেন বাসস’র নয়া দিল্লির বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে। ১৯৮২ থেকে ৯৪ সাল পর্যন্ত বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ছিলেন আতাউস সামাদ।
মৃত্যুর আগ পযন্ত দেশের বহুল প্রচলিত জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আমার দেশ’র প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। একইসঙ্গে তিনি ‘সাপ্তাহিক এখন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আতাউস সামাদ।
Wednesday, September 26, 2012
আয়কর মেলায় রাজস্ব আয় ৮৩৯ কোটি টাকা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
আয়কর মেলায় রাজস্ব আয় ৮৩৯ কোটি টাকা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
শনিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “এ বছর মেলায় যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রকৃতপক্ষে রাজস্ব আয় তার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। বেশি সংখ্যক মানুষ আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছে।”
এবার, এনবিআরের উদ্যোগে দেশে তৃতীয়বারের মতো ঢাকাসহ সবক’টি বিভাগীয় শহর এবং ১১টি জেলা শহরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে আয়কর মেলা শুরু হয়।
সপ্তাহব্যাপী এই আয়কর মেলায় প্রতিদিনই মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
এ বছর শুধু রাজধানীতে টিআইএন নিয়েছেন নয় হাজার ৫৭৭ জন, আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৯ জন, আয়কর পরিশোধ করেছে ৬৬৫ কোটি টাকা এবং সেবা গ্রহণ করেছে দুই লাখ ছয় হাজার ২৯জন।
চলতি বছর আয়কর মেলায় ৮৩৯ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। আর এক লাখ দুই হাজার মানুষ আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছে।
শনিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “এ বছর মেলায় যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রকৃতপক্ষে রাজস্ব আয় তার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। বেশি সংখ্যক মানুষ আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছে।”
এবার, এনবিআরের উদ্যোগে দেশে তৃতীয়বারের মতো ঢাকাসহ সবক’টি বিভাগীয় শহর এবং ১১টি জেলা শহরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে আয়কর মেলা শুরু হয়।
সপ্তাহব্যাপী এই আয়কর মেলায় প্রতিদিনই মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
এ বছর মেলা থেকে নতুন টিআইএন নম্বর নিয়েছেন ১৬ হাজার ৪০২ জন এবং সেবা গ্রহণ করেছে প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মানুষ।
যেখানে ২০১১ সালে মেলায় সেবা পেয়েছিল ৭৫ হাজার কর দাতা, রাজস্ব আয় হয়েছিল
৪১৪ কোটি টাকা, আয়কর বিবরণী জমা হয়েছিল ৬২ হাজার ২৭২ জন এবং টিআইএন নম্বর
নিয়েছিল ১০ হাজার ৪১ জন।
এ বছর শুধু রাজধানীতে টিআইএন নিয়েছেন নয় হাজার ৫৭৭ জন, আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৯ জন, আয়কর পরিশোধ করেছে ৬৬৫ কোটি টাকা এবং সেবা গ্রহণ করেছে দুই লাখ ছয় হাজার ২৯জন।
ফতুল্লায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে হত্যার অভিযোগ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
ফতুল্লায় ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে হত্যার অভিযোগ :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
নারায়ণগঞ্জে ছেলের বিরুদ্ধে বৃদ্ধ বাবাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ফতুল্লার বক্তাবলীর চর মধ্যনগর এলাকায় এ অভিযোগ ওঠে।
সোমবার রাত একটায় দিকে উপজেলার বক্তাবলীর চর মধ্যনগর এলাকায় বাবা দুখাই মিয়াকে (৮০) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে তা আত্মহত্যার খবরও চালানোর চেষ্টা করেন ছেলে শহীদুল্লাহ (৫০)। এ ঘটনার পর থেকে ছেলে পলাতক রয়েছে।
বক্তাবলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, নিহত দুখাই মিয়া তার স্ত্রী মালেকার (৭৫) নামে সম্পত্তি লিখে দিয়েছিলেন। এরই জের ধরে বাবার সঙ্গে শহীদুল্লাহর ঝগড়া চলে আসছিল। সোমবার দিবাগত রাত একটায় শহীদুল্লাহ তার বাবাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রশি দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।
পরে রাত দুইটায় নিহতের স্বজনরা পুলিশকে খবর দিলে শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার রাত একটায় দিকে উপজেলার বক্তাবলীর চর মধ্যনগর এলাকায় বাবা দুখাই মিয়াকে (৮০) শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে দিয়ে তা আত্মহত্যার খবরও চালানোর চেষ্টা করেন ছেলে শহীদুল্লাহ (৫০)। এ ঘটনার পর থেকে ছেলে পলাতক রয়েছে।
বক্তাবলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, নিহত দুখাই মিয়া তার স্ত্রী মালেকার (৭৫) নামে সম্পত্তি লিখে দিয়েছিলেন। এরই জের ধরে বাবার সঙ্গে শহীদুল্লাহর ঝগড়া চলে আসছিল। সোমবার দিবাগত রাত একটায় শহীদুল্লাহ তার বাবাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে রশি দিয়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখেন।
পরে রাত দুইটায় নিহতের স্বজনরা পুলিশকে খবর দিলে শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রেমে মজেছেন হিনা-বিলওয়াল :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রেমে মজেছেন হিনা-বিলওয়াল :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
সুচতুর পররাষ্ট্রনীতি কিংবা অভ্যন্তরীণ সুক্ষ রাজনীতি নয়। শুনা যাচ্ছে
ঝামেটা শুধুই প্রেম ঘটিত। স্থানটা প্রতিদিন নিত্য নতুন ঘটনার জন্ম দেয়া দেশ
পাকিস্তান। প্রেমের কাহিনীতে নতুন চরিত্র হয়ে অবির্ভুত হয়েছেন দেশটির
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রব্বানি খার এবং ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির
(পিপিপি) প্রধান বেনজির ভুট্টোর ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো।
শুনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া হয়ে গেছে। এখন তাঁরা ঘর বাঁধতে চান। অসম এই প্রেমে যথারীতি বাধাও আসছে। কিন্তু প্রেমিক বিলওয়াল একাট্টা হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তার এই মিশনে। তারা নাকি এখন সুদূর সুইজারল্যান্ডে গিয়ে ঘর বাধতে চান।
তাক লাগানো এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করে বাংলাদেশি ট্যাবলয়েট উইকলি ব্লিটজ। ব্লিটজ এর বরাত দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি পত্রিকা খবরটি ছাপিয়েছে।
সূত্রগুলোর খবরে বলা হয়, হিনা-বিলওয়ালের প্রেমে বাদ সেধেছেন বিলাওয়ালের বাবা পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তবে সাহসী প্রেমিক বিলাওয়াল বাবাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে পিপিপির প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেবেন তিনি।
প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সকে হার মানিয়েছেন হিনা-বিলাওয়াল। বিলাওয়ালের চেয়ে ১১ বছরের বড় হিনা। তবুও বয়সের এই ব্যবধান সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়নি।
হিনার অনন্যা ও দিনা নামের দুটি সন্তান আছে। এই প্রেমের জন্য কোটিপতি ব্যবসায়ী স্বামী ফিরোজ গুলজারকে তালাক দেওয়ারও চিন্তা করছেন হিনা। বিয়ের পর দুই সন্তানকে নিয়ে সুইজারল্যান্ডেই থাকতে চান বিলাওয়াল।
জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ভবনে হিনা ও বিলাওয়ালকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। এর পরই প্রেমের ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে যায়। আসিফ আলী জারদারি নানাভাবে এ দু’জনকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।
অরেকটি খবর। কিছু দিন আগে বিলাওয়ালের জন্মদিনে হিনা একটি বার্তাসহ কার্ড পাঠিয়েছেন। কার্ডে হিনা নিজ হাতে লেখেন ‘আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং শিগগিরই আমরা এক হতে যাচ্ছি।’ সূত্র: ওয়েবসাইট।
শুনা যাচ্ছে তাদের মধ্যে মন দেওয়া-নেওয়া হয়ে গেছে। এখন তাঁরা ঘর বাঁধতে চান। অসম এই প্রেমে যথারীতি বাধাও আসছে। কিন্তু প্রেমিক বিলওয়াল একাট্টা হয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তার এই মিশনে। তারা নাকি এখন সুদূর সুইজারল্যান্ডে গিয়ে ঘর বাধতে চান।
তাক লাগানো এই খবরটি প্রথম প্রকাশ করে বাংলাদেশি ট্যাবলয়েট উইকলি ব্লিটজ। ব্লিটজ এর বরাত দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি পত্রিকা খবরটি ছাপিয়েছে।
সূত্রগুলোর খবরে বলা হয়, হিনা-বিলওয়ালের প্রেমে বাদ সেধেছেন বিলাওয়ালের বাবা পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। তবে সাহসী প্রেমিক বিলাওয়াল বাবাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁদের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে পিপিপির প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেবেন তিনি।
প্রেমের ক্ষেত্রে বয়সকে হার মানিয়েছেন হিনা-বিলাওয়াল। বিলাওয়ালের চেয়ে ১১ বছরের বড় হিনা। তবুও বয়সের এই ব্যবধান সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাধা হয়নি।
হিনার অনন্যা ও দিনা নামের দুটি সন্তান আছে। এই প্রেমের জন্য কোটিপতি ব্যবসায়ী স্বামী ফিরোজ গুলজারকে তালাক দেওয়ারও চিন্তা করছেন হিনা। বিয়ের পর দুই সন্তানকে নিয়ে সুইজারল্যান্ডেই থাকতে চান বিলাওয়াল।
জি নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ভবনে হিনা ও বিলাওয়ালকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখতে পান প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি। এর পরই প্রেমের ব্যাপারটি জানাজানি হয়ে যায়। আসিফ আলী জারদারি নানাভাবে এ দু’জনকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি।
অরেকটি খবর। কিছু দিন আগে বিলাওয়ালের জন্মদিনে হিনা একটি বার্তাসহ কার্ড পাঠিয়েছেন। কার্ডে হিনা নিজ হাতে লেখেন ‘আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর এবং শিগগিরই আমরা এক হতে যাচ্ছি।’ সূত্র: ওয়েবসাইট।
মাহফুজুরকে র্যাব সদর দফতরে ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
মাহফুজুরকে র্যাব সদর দফতরে ৩ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় এটিএন বাংলার
চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে র্যাব। র্যাবের
সদর দফতরে ডেকে নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম সোহায়েল জানিয়েছেন, ‘‘আইনি
প্রক্রিয়া অনুযায়ী মাহফুজুর রহমানকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডেকে আনেন।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।’’
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জুন বৃটেনে এক সংবাদ সম্মেলনে সাগর-রুনির খুন হওয়াকে
‘পরকীয়ার বলি’ আখ্যা করে মন্তব্য করেন মাহফুজুর রহমান। এরপর থেকে সাংবাদিক
সংগঠনগুলো তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করার দাবি জানিয়ে আসছে।
এদিকে এ হত্যা রহস্য রহস্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে উদঘাটন করা সম্ভব হবে
বলে মঙ্গলবার আশা প্রকাশ করছেন নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান
আলমগীর।
এ বছর সর্বোচ্চ বরফ গলেছে উত্তর মেরুতে :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
এ বছর সর্বোচ্চ বরফ গলেছে উত্তর মেরুতে :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
বৈশ্বিক উষ্ণতা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে চলতি বছর উত্তর মেরুর বরফ গলার হার
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী ২০ বছরের মধ্যেই
আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝিতেও আর্কটিক রেঞ্জে ৩৪ লাখ বর্গকিলোমিটার অংশে বরফ দেখা গেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে রাখা রেকর্ড অনুযায়ী এটাই আর্কটিকের বরফ আচ্ছাদিত স্থানের আয়তনের মধ্যে সর্বনিম্ন।
স্যাটেলাইট ইমেজের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্ন্যো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরই উত্তর মহাসাগরের বরফ ঋতুভেদে সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়ে থাকে। বরফ গলে উত্তর মেরুর আয়তন সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে কমে যায়।
তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ দুই সপ্তাহেই আর্কটিকের পাঁচ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরফ গলে গেছে।
তথ্য হতে জানা গেছে, গ্রীষ্ণের শেষে এটিই সর্বোচ্চ বরফ গলার হার। আর উত্তর মেরুর বরফ গলার হারকে বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা মাপার সূচক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এবারের বরফ গলাকে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।
বিজ্ঞানীরা আরো জানান, অবস্থা এ রকম থাকলে এখন থেকে ২০ বছরের মধ্যে আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝিতেও আর্কটিক রেঞ্জে ৩৪ লাখ বর্গকিলোমিটার অংশে বরফ দেখা গেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে রাখা রেকর্ড অনুযায়ী এটাই আর্কটিকের বরফ আচ্ছাদিত স্থানের আয়তনের মধ্যে সর্বনিম্ন।
স্যাটেলাইট ইমেজের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্ন্যো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরই উত্তর মহাসাগরের বরফ ঋতুভেদে সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়ে থাকে। বরফ গলে উত্তর মেরুর আয়তন সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে কমে যায়।
তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ দুই সপ্তাহেই আর্কটিকের পাঁচ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরফ গলে গেছে।
তথ্য হতে জানা গেছে, গ্রীষ্ণের শেষে এটিই সর্বোচ্চ বরফ গলার হার। আর উত্তর মেরুর বরফ গলার হারকে বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা মাপার সূচক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এবারের বরফ গলাকে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।
বিজ্ঞানীরা আরো জানান, অবস্থা এ রকম থাকলে এখন থেকে ২০ বছরের মধ্যে আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে বাংলাদেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
তিনি বলেন, “ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এখনও বেশ ব্যয়বহুল এবং শহরের যারা আর্থিকভাবে স্চ্ছল তাদের মধ্যেই সেটি সীমাবদ্ধ। টেলিযোগাযোগখাতে যারা সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী অর্থাৎ মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিগুলো এখাতে বিনিয়োগ করতে পারছে না সরকারি নীতির কারণে।”
গত কয়েকবছরে দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে সরকারের উদ্যোগে ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন সেখানে মানুষের আগ্রহ দেখে বোঝা যায় ইন্টারনেট ব্যবহারের আগ্রহ শুধু শহরাঞ্চলে নয়, গ্রামঞ্চলেও বেড়েছে। কিন্তু ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যয়বহুল হওয়ায় বিষয়টি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠনের সভাপতি আখতারুজ্জমান মঞ্জু বলেন, প্রতি মেগাবাইট ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিতে ঢাকায় যেখানে খরচ হয় দশ হাজার টাকা সেখানে ঢাকার বাইরে তার দ্বিগুণ খরচ হয়। তিনি বলেন, সরকার যদি ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের অবকাঠামো উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যায় তাহলে বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামাঞ্চলে সেটি পৌঁছানো সম্ভব হবে।
মঞ্জু বলেন, ইন্টারনেটের ব্যবহার ছড়িয়ে দেবার জন্য তারা শহরাঞ্চলের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে দুই কোটি ৯৪ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে দুই কোটি ৭৭ লাখই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। বিশ্লেষকদের মতে সংখ্যার বিচারে এটি উল্লেখযোগ্য হলেও গুনগত মানের বিচারে সেটি মোটেও যথেষ্ঠ নয়।
বিশ্লেষক আবু সাইদ খান বলছিলেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ যে ধরনের সেবা পেতে চায় সেটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের উদ্যোক্তা এবং বিশ্লেষকদের মতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বাংলাদেশে কতটা বিস্তৃত হবে তার অনেকটাই নির্ভর করছে এ খাতে খরচ কতটা কমে আসবে তার ওপর। সূত্র: বিবিসি।
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে উন্নয়নশীল দেশগুলোর তুলনাতেও অনেক পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ।
ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন তাদের এক প্রতিবেদনে বলছে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ২০ শতাংশের বেশি পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের আওতায় থাকলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা মাত্র তিন শতাংশের কিছুটা বেশি।
বাংলাদেশে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ম্লোগান দিয়ে ইন্টারনেট সহজলভ্য করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলাদেশ এত পিছিয়ে কেন?
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপিগুলোর দেয়া হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৯৪ লাখ। কিন্তু এদের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ১২ লাখের কিছুটা বেশি। মোট জনসংখ্যার তুলনায় যেটি খুবই নগণ্য।
টেলিযোগাযোগ খাতের একজন বিশেষজ্ঞ আবু সাইদ খান বলছিলেন গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সেটি প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি।
তিনি বলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রসার না হবার পেছনে সরকারের নীতি অনেকটা দায়ী।
ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশনস ইউনিয়ন তাদের এক প্রতিবেদনে বলছে বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ২০ শতাংশের বেশি পরিবার ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের আওতায় থাকলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা মাত্র তিন শতাংশের কিছুটা বেশি।
বাংলাদেশে বর্তমান সরকার ক্ষমতাসীন হবার পর ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ ম্লোগান দিয়ে ইন্টারনেট সহজলভ্য করার ঘোষণা দিয়েছিল। কিন্তু তারপরও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলাদেশ এত পিছিয়ে কেন?
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আইএসপিগুলোর দেয়া হিসাব অনুযায়ী বাংলাদেশে এখন মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৯৪ লাখ। কিন্তু এদের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা মাত্র ১২ লাখের কিছুটা বেশি। মোট জনসংখ্যার তুলনায় যেটি খুবই নগণ্য।
টেলিযোগাযোগ খাতের একজন বিশেষজ্ঞ আবু সাইদ খান বলছিলেন গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়লেও সেটি প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি।
তিনি বলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের প্রসার না হবার পেছনে সরকারের নীতি অনেকটা দায়ী।
তিনি বলেন, “ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এখনও বেশ ব্যয়বহুল এবং শহরের যারা আর্থিকভাবে স্চ্ছল তাদের মধ্যেই সেটি সীমাবদ্ধ। টেলিযোগাযোগখাতে যারা সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী অর্থাৎ মোবাইল টেলিফোন কোম্পানিগুলো এখাতে বিনিয়োগ করতে পারছে না সরকারি নীতির কারণে।”
গত কয়েকবছরে দেশের ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে সরকারের উদ্যোগে ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাকেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন সেখানে মানুষের আগ্রহ দেখে বোঝা যায় ইন্টারনেট ব্যবহারের আগ্রহ শুধু শহরাঞ্চলে নয়, গ্রামঞ্চলেও বেড়েছে। কিন্তু ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যয়বহুল হওয়ায় বিষয়টি প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।
ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠনের সভাপতি আখতারুজ্জমান মঞ্জু বলেন, প্রতি মেগাবাইট ব্রডব্যান্ড সংযোগ নিতে ঢাকায় যেখানে খরচ হয় দশ হাজার টাকা সেখানে ঢাকার বাইরে তার দ্বিগুণ খরচ হয়। তিনি বলেন, সরকার যদি ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্কের অবকাঠামো উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যায় তাহলে বেসরকারি উদ্যোগে গ্রামাঞ্চলে সেটি পৌঁছানো সম্ভব হবে।
মঞ্জু বলেন, ইন্টারনেটের ব্যবহার ছড়িয়ে দেবার জন্য তারা শহরাঞ্চলের বাইরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে দুই কোটি ৯৪ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর মধ্যে দুই কোটি ৭৭ লাখই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। বিশ্লেষকদের মতে সংখ্যার বিচারে এটি উল্লেখযোগ্য হলেও গুনগত মানের বিচারে সেটি মোটেও যথেষ্ঠ নয়।
বিশ্লেষক আবু সাইদ খান বলছিলেন ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষ যে ধরনের সেবা পেতে চায় সেটি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সম্ভব নয়।
বাংলাদেশের উদ্যোক্তা এবং বিশ্লেষকদের মতে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বাংলাদেশে কতটা বিস্তৃত হবে তার অনেকটাই নির্ভর করছে এ খাতে খরচ কতটা কমে আসবে তার ওপর। সূত্র: বিবিসি।
১০ সেকেন্ড পালস চালু করলো গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
১০ সেকেন্ড পালস চালু করলো গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
অবশেষে সব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস ও ফ্ল্যাট ট্যারিফ চালু করেছে মোবাইলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। গ্রাহক সংখ্যার কারণে বেধে দেয়া সময়ের চেয়ে এক সপ্তাহ অতিরিক্ত সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন অপারেটরটির রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের পরিচালক তাইমুর রহমান।
তিনি বলেন, “সময় একটু বেশি লাগলেও রোববার থেকে পুরোপুরিভাবে ১০ সেকেন্ড পালস ও ফ্লাট রেট কার্যকর করা হয়েছে। ইচ্ছে থাকা সত্বেও বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে বিটিআরসির নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর সম্ভব হয়নি।”
প্রসঙ্গত, এর আগে দুই দফা সময় নিয়েও নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি’র আল্টিমেটাম অনুযায়ী গত ১৫ সেপ্টেম্বারের মধ্যে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করতে পারেনি গ্রামীণফোন। ফলে নির্ধারিত সময়ে ১০ সেকেন্ড পালস পুরোপুরিভাবে চালু না করতে পারায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর এ সময়ে গ্রামীণফোনকে গ্রাহকদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকাও ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিটিআরসি।
বিটিআরসির নোটিশে গ্রামীণফোনকে অবশিষ্ট সব প্যাকেজে সর্বোচ্চ ১০ সেকেন্ড পালস এবং ফ্ল্যাট রেট ট্যারিফের আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছিল। অপারেটরটি যেসব প্যাকেজে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করেনি সেসব প্যাকেজ থেকে অর্জিত অতিরিক্ত টাকা আগামী ২৩ অক্টোবরের মধ্যে গ্রাহকদের ফেরত দেয়ার নির্দেশ দেয় বিটিআরসি।
এদিকে আরেক অপারেটর বাংলালিংকও সব প্যাকেজে নির্ধারিত সময়ের পরে ১০ সেকেন্ড পালস চালু করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটিকেও নোটিশ দিয়েছে বিটিআরসি। বাংলালিংকেও ২৩ অক্টোবরের মধ্যে গ্রাহকের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে বলা হয়েছে।
অ্যাপাসারের একটেরাইট বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
অ্যাপাসারের একটেরাইট বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
পিসি ব্যাবহারকারীদের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট নিরাপদে সংরক্ষণ ও স্বাধীনভাবে
ব্যবহারের জন্য দ্রুতগতিতে তথ্য স্থানান্তরে সক্ষম আকর্ষণীয় ডিজাইনের
বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক দেশের বাজারে এনেছে শীর্ষ প্রযুক্তি পণ্য ও
সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার সোর্স।
এক টেরাবাইট ধারণক্ষমতার অ্যাপাসার এসি২৩৩ মডেলের এই হার্ডডিস্কটির রয়েছে পাঁচটি বিশেষ ফিচার।
ইউএসবি ২ ও ৩ পোর্ট সমর্থিত এই বহনযোগ্য হার্ডডিস্কে প্রতি সেকেন্ডে ২.৫ জিবি ডাটা স্থানান্তরিত হয়। কারিগরি দৃঢ়তার পাশাপাশি ইএসবি চার্জে চালিত অ্যাপাসারের হাঙরের পিঠের প্রবাহ রেখার মতো নান্দনিক ডিজাইনের হার্ডডিস্কটিতে কখনোই স্ক্রাচ পড়বে না।
তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাযুক্ত বহনযোগ্য এই হার্ডডিস্কটির দাম সাড়ে নয় হাজার টাকা।
এক টেরাবাইট ধারণক্ষমতার অ্যাপাসার এসি২৩৩ মডেলের এই হার্ডডিস্কটির রয়েছে পাঁচটি বিশেষ ফিচার।
ইউএসবি ২ ও ৩ পোর্ট সমর্থিত এই বহনযোগ্য হার্ডডিস্কে প্রতি সেকেন্ডে ২.৫ জিবি ডাটা স্থানান্তরিত হয়। কারিগরি দৃঢ়তার পাশাপাশি ইএসবি চার্জে চালিত অ্যাপাসারের হাঙরের পিঠের প্রবাহ রেখার মতো নান্দনিক ডিজাইনের হার্ডডিস্কটিতে কখনোই স্ক্রাচ পড়বে না।
তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবাযুক্ত বহনযোগ্য এই হার্ডডিস্কটির দাম সাড়ে নয় হাজার টাকা।
মেয়ের বাপ অক্ষয় :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
মেয়ের বাপ অক্ষয় :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হলেন বলিউড স্টার অক্ষয় কুমার ও অভিনেত্রী
টুইঙ্কেল খান্না দম্পতি। মঙ্গলবার মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে টুইঙ্কেল
খান্না একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া কন্যাটি নিয়ে এই তারকা দম্পতির আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। শিশুটি দেখতে নাকি ঠিক তার মায়ের মতো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আক্কি।
এদিকে সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া নাতনিকে পেয়ে অক্ষয়-টুইঙ্কেলের চেয়েও মনে হয় বেশি খুশি নানি ডিম্পল কাপাডিয়া। এক প্রতিক্রিয়ায় এই অভিনেত্রী বলেন, “আমরা আশীর্বাদপ্রাপ্ত বলেই সুন্দর মেয়েশিশুটি পেয়েছি, যে দেখতে একদম তার মা এবং নানির মতো।”
অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির ১০ বছর বয়সি আরাভ নামে একটি ছেলে রয়েছে।
এদিকে অক্ষয় তার আপকামিং মুভি ‘ওহ মাই গড’-এর প্রচারণায় অংশ নিতে সোমবার মুম্বাইয়ের বাইরে থাকলেও টুইঙ্কেলের অসুস্থতার কথা শুনে সব ফেলে চলে আসেন স্ত্রীর কাছে। দ্বিতীয়বার বাবা হাবার পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার আনন্দ প্রকাশের কোনো ভাষা নেই।” সূত্র: এনডিটিভি
অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া কন্যাটি নিয়ে এই তারকা দম্পতির আনন্দ-উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। শিশুটি দেখতে নাকি ঠিক তার মায়ের মতো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আক্কি।
এদিকে সদ্য ভূমিষ্ট হওয়া নাতনিকে পেয়ে অক্ষয়-টুইঙ্কেলের চেয়েও মনে হয় বেশি খুশি নানি ডিম্পল কাপাডিয়া। এক প্রতিক্রিয়ায় এই অভিনেত্রী বলেন, “আমরা আশীর্বাদপ্রাপ্ত বলেই সুন্দর মেয়েশিশুটি পেয়েছি, যে দেখতে একদম তার মা এবং নানির মতো।”
অক্ষয়-টুইঙ্কেল দম্পতির ১০ বছর বয়সি আরাভ নামে একটি ছেলে রয়েছে।
এদিকে অক্ষয় তার আপকামিং মুভি ‘ওহ মাই গড’-এর প্রচারণায় অংশ নিতে সোমবার মুম্বাইয়ের বাইরে থাকলেও টুইঙ্কেলের অসুস্থতার কথা শুনে সব ফেলে চলে আসেন স্ত্রীর কাছে। দ্বিতীয়বার বাবা হাবার পর অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমার আনন্দ প্রকাশের কোনো ভাষা নেই।” সূত্র: এনডিটিভি
শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
শাহরুখ ও আমিরের মধ্যে তুলনা করবেন না: জুহি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
একজনের সঙ্গে জীবনের প্রথম ছবি আর অন্যজনের সঙ্গে বর্তমানের গভীর বন্ধুত্ব।
তাই ৪৪ বছর বয়স্ক সাবেক এই মিস ইন্ডিয়া ও দর্শকপ্রিয় নায়িকা জুহি চাওলার
কাছে বারবারই উঠে আসে একটি প্রশ্ন, কে সেরা- আমির খান, নাকি শাহরুখ?
সেই নব্বই দশকের শুরুর দিক থেকেই শাহরুখ আর আমিরের সঙ্গে রুপালি পর্দায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন জুহি। জীবনের প্রথম ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ থেকে শুরু করে ‘দৌলত কি জং’, ‘ইশক’-এর মত মেগাহিট ছবিগুলোতে আমিরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি।
অন্যদিকে বন্ধু শাহরুখের সঙ্গেও জুহির সাফল্য কম নেই। দার, ইয়েস বস, ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি ছবিগুলোই তার প্রমাণ।
কিন্তু কে সেরা, শাহরুখ নাকি আমির- এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খানিকটা কৌশলীই হলেন জুহি। এ বিষয়ে জুহি বলেন, “আমি আমির আর শাহরুখের মধ্যে তুলনা করি না। তারা উভয়েই তাদের নিজস্ব পথে দারুণ। তাদের সম্পর্কে আমি শুধু একটি কথাই বলতে পারি যে, সেটে শাহরুখ খুব মজা করতে ভালোবাসে আর আমির সবসময়ই সিরিয়াস।”
সোমবার মুম্বাইয়ে একটি ই-লার্নিং ওয়েবসাইটের প্রচার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের দুই মেগাস্টার সহশিল্পী সম্পর্কে জুহি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সদ্য মুক্তি পাওয়া রণবীর কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা অভিনীত ‘বরফি’ ছবিটি ভারত থেকে অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সূত্র: বি.বি।
সেই নব্বই দশকের শুরুর দিক থেকেই শাহরুখ আর আমিরের সঙ্গে রুপালি পর্দায় চুটিয়ে অভিনয় করেছেন জুহি। জীবনের প্রথম ছবি ‘কেয়ামত সে কেয়ামত তাক’ থেকে শুরু করে ‘দৌলত কি জং’, ‘ইশক’-এর মত মেগাহিট ছবিগুলোতে আমিরের সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন তিনি।
অন্যদিকে বন্ধু শাহরুখের সঙ্গেও জুহির সাফল্য কম নেই। দার, ইয়েস বস, ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি ছবিগুলোই তার প্রমাণ।
কিন্তু কে সেরা, শাহরুখ নাকি আমির- এই প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে খানিকটা কৌশলীই হলেন জুহি। এ বিষয়ে জুহি বলেন, “আমি আমির আর শাহরুখের মধ্যে তুলনা করি না। তারা উভয়েই তাদের নিজস্ব পথে দারুণ। তাদের সম্পর্কে আমি শুধু একটি কথাই বলতে পারি যে, সেটে শাহরুখ খুব মজা করতে ভালোবাসে আর আমির সবসময়ই সিরিয়াস।”
সোমবার মুম্বাইয়ে একটি ই-লার্নিং ওয়েবসাইটের প্রচার অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের দুই মেগাস্টার সহশিল্পী সম্পর্কে জুহি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সদ্য মুক্তি পাওয়া রণবীর কাপুর ও প্রিয়াঙ্কা অভিনীত ‘বরফি’ ছবিটি ভারত থেকে অস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। সূত্র: বি.বি।
হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
হতাশা ধমনীর রোগের ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
মারাত্মকভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত অনেকের ফুসফুসে তরল পদার্থ জমে। এসব মানুষ
মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাচ্ছেন। এ ধরনের অনুভূতির সম্মুখীন হন।
বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষক ড. মাইক ন্যাপটন বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত অনেক লোক বিভিন্ন ওষুধের কারণে হার্টস্ট্রোক থেকে বেঁচে যান কিন্তু এটা তাদের বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে দেয়, যা তারা জানেন না। এর ফলে মানুষের
ফুসফুসে তরল পদার্থ জমতে পারে-যা মানুষকে মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ করে দেয়, এমনকি ওই সময় চেয়ার কিংবা বিছানায় শুয়ে থাকলে ওঠার শক্তিও পান না তারা।
মানুষের হৃদযন্ত্রের কোষগুলো পুনরুৎপাদন করা যায় না। স্টেমসেল গবেষণার মাধ্যমে এ বিষয়ে গবেষণা করলে উল্লেখযোগ্য আগ্রগতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মাইক ন্যাপটন।
গবেষণায় দেখা যায়, ৮০ শতাংশ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এর প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন। বৃটেনে হৃদরোগে আক্রান্ত মোট সাড়ে সাত লাখ মানুষ রয়েছেন। এসব মানুষের হৃদযন্ত্র ও শরীরের সবস্থানে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না, যা হার্টস্ট্রোকের অন্যতম কারণ।
দুই হাজার ১৭০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হার্টস্ট্রোকে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হৃদযন্ত্রে সমস্যা হলেও তা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যায়। সূত্র: এএনআই
বৃটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের গবেষক ড. মাইক ন্যাপটন বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত অনেক লোক বিভিন্ন ওষুধের কারণে হার্টস্ট্রোক থেকে বেঁচে যান কিন্তু এটা তাদের বিভিন্ন সমস্যায় ফেলে দেয়, যা তারা জানেন না। এর ফলে মানুষের
ফুসফুসে তরল পদার্থ জমতে পারে-যা মানুষকে মাঝে মাঝে শ্বাসরুদ্ধ করে দেয়, এমনকি ওই সময় চেয়ার কিংবা বিছানায় শুয়ে থাকলে ওঠার শক্তিও পান না তারা।
মানুষের হৃদযন্ত্রের কোষগুলো পুনরুৎপাদন করা যায় না। স্টেমসেল গবেষণার মাধ্যমে এ বিষয়ে গবেষণা করলে উল্লেখযোগ্য আগ্রগতি হতে পারে বলে মন্তব্য করেন মাইক ন্যাপটন।
গবেষণায় দেখা যায়, ৮০ শতাংশ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর এর প্রভাব সম্পর্কে অসচেতন। বৃটেনে হৃদরোগে আক্রান্ত মোট সাড়ে সাত লাখ মানুষ রয়েছেন। এসব মানুষের হৃদযন্ত্র ও শরীরের সবস্থানে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে পারে না, যা হার্টস্ট্রোকের অন্যতম কারণ।
দুই হাজার ১৭০ জনের ওপর গবেষণা চালিয়ে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হার্টস্ট্রোকে হৃদযন্ত্র বন্ধ হয়ে যায়। অন্যদিকে অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, ৩৩ শতাংশ মনে করেন, হৃদযন্ত্রে সমস্যা হলেও তা নিজে নিজে ঠিক হয়ে যায়। সূত্র: এএনআই
মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মোদাচ্ছেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে না সংসদীয় উপকমিটি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হলমার্ক ঋণ কেলেঙ্কারি তদন্তে গঠিত অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয়
উপকমিটি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা স্বাস্থ্য মোদাচ্ছের আলীকে
জিজ্ঞাসাবাদ করবে না। এমন সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে কমিটি বলছে, এখন পর্যন্ত
জিজ্ঞাসাবাদে কেউ মোদাচ্ছের আলীর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উত্থাপন করেননি।
মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন উপকমিটির আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম। সোনালী ব্যাংকের
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তদন্ত চালাতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। তবে
উপকমিটি প্রয়োজনে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে বৈঠক করবে বলে
জানান আহ্বায়ক।
অবৈধভাবে হলমার্ককে দুই হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার ঘটনা তদন্ত এবং
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ঋণ দেয়ার অনিয়ম খতিয়ে দেখতে গঠিত এই সংসদীয় উপকমিটি
মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন করে।
তদন্ত দলে উপকমিটির আহ্বায়ক ছাড়াও ছিলেন সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজী। তারা
ব্যাংকটির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক করেন।
‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
‘নারী নির্যাতনের আর্থিক মূল্য দিতে হয় বছরে ১৪ হাজার কোটি টাকা’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বাংলাদেশে শুধুমাত্র নারী নির্যাতনের কারণে প্রতিবছর ১৪ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা খরচ হয়। যা বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় দুই শতাংশ।
নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।
কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।
নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।
কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।
সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনালী ব্যাংক চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ
১১ জনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাদের জিঙ্গাসাবাদ করবে দুর্নীতি
দমন কমিশন দুদক।
ইতোমধ্যে উল্লিখিতদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দুদকের অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পাঁচজন সদস্যকে জিঙ্গাসাবাদ করা হবে। এরা হলেন, শহিদুল্লাহ মিয়া, কাশেম হুমায়ুন, জান্নাত আরা হেনরী, সুভাষ সিংহ রায় ও সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ।
এছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের অন্যদের ধারাবাহিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।
অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক শহিদুল্লাহ মিঞা, সুভাষ সিংহ রায়, জান্নাত আরা হেনরী, কাশেম হুমায়ূন, শহিদুল্লাহ মিয়া, আনওয়ার শহীদ, এএসএম নাঈম, কেএম জামান রোমেল, সাইমুম সরওয়ার কামাল, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও প্রদীপ কুমার দত্তকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে।
দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
ইতোমধ্যে উল্লিখিতদের নোটিশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুদকের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দুদকের অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পাঁচজন সদস্যকে জিঙ্গাসাবাদ করা হবে। এরা হলেন, শহিদুল্লাহ মিয়া, কাশেম হুমায়ুন, জান্নাত আরা হেনরী, সুভাষ সিংহ রায় ও সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ।
এছাড়াও পরিচালনা পর্ষদের অন্যদের ধারাবাহিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের অনুসন্ধান দল।
অনুসন্ধান দলের সূত্রে জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক শহিদুল্লাহ মিঞা, সুভাষ সিংহ রায়, জান্নাত আরা হেনরী, কাশেম হুমায়ূন, শহিদুল্লাহ মিয়া, আনওয়ার শহীদ, এএসএম নাঈম, কেএম জামান রোমেল, সাইমুম সরওয়ার কামাল, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও প্রদীপ কুমার দত্তকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়া হয়েছে।
দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজনৈতিক বিদ্বেষেই বিচারকের বিরুদ্ধে অভিযোগ: আইনমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দৈনিক আমার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান রাজনৈতিক বিদ্বেষের
কারণে বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে থাকতে পারেন
বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মাহমুদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার শফিক আহমদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান সাহেব যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ ফোরামে এ অভিযোগ দায়ের করেননি বলেই আমার কাছে মনে হচ্ছে। কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে সংবিধানের আলোকেই রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা নিতে পারেন।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানেই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেটা প্রধান বিচারপতির অনুরোধে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন। এ জন্য কোনো নাগরিকের অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর মানিকের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা এখনো প্রমাণিত নয়।”
বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন জমা দেন। প্রধান বিচারপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি জমা দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে। আর রাষ্ট্রপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব।
এ আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। ব্রিফিংকালে তিনি বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
বিচারক শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ের করা অভিযোগে যে ২৯টি অপরাধের কথা বলা হয়েছে- এগুলো সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ অভিযোগ করলেই তার ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত বলা যায় না। এটা প্রমাণসাপেক্ষ বিষয়। বিচারক শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।”
আপনি বলেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ নিয়মে হয়নি। তাহলে যথাযথ নিয়ম কোনটি? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সঠিক নিয়মের বিষয়ে সংবিধানেই সুস্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তাছাড়া বিচারপতির বিরুদ্ধে যে কেউ অভিযোগ করলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
একজন বিচারকের অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে কোন নাগরিকের অভিযোগ দায়ের যদি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে তাহলে রাষ্ট্র কেন পদক্ষেপ নিচ্ছে না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তার কোনোটাই এখন পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। রাষ্ট্রপতি তখনই উদ্যোগ নেবেন, যখন কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ আসবে। আর সেটা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।”
একজন বিচারক যদি আইন ভঙ্গ করেন কিংবা কোনো নাগরিকের অধিকার হরণ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে দেশের একজন সচেতন নাগরিকের আইনের আশ্রয় নিতে বাধা কোথায়? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনেই ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।”
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে এর আগেও সুপ্রিম কোর্টের সরকার দলীয় একজন আইনজীবী অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রপতি ওই অভিযোগ তদন্তের জন্য আইনমন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছে। ওই অভিযোগটি এখন কি অবস্থায় রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ওই অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো এখতিয়ার নেই একজন বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। তাই ওই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।”
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মাহমুদুর রহমানের দায়ের করা অভিযোগ সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার শফিক আহমদ বলেন, “মাহমুদুর রহমান সাহেব যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে যথাযথ ফোরামে এ অভিযোগ দায়ের করেননি বলেই আমার কাছে মনে হচ্ছে। কোনো বিচারপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ থাকলে সংবিধানের আলোকেই রাষ্ট্রপতি ব্যবস্থা নিতে পারেন।”
আইনমন্ত্রী বলেন, “সংবিধানেই সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের গঠনের কথা বলা হয়েছে। সেটা প্রধান বিচারপতির অনুরোধে রাষ্ট্রপতি গঠন করবেন। এ জন্য কোনো নাগরিকের অভিযোগ দায়েরের প্রয়োজন নেই। তাছাড়া বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর মানিকের বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ করা হয়েছে তা এখনো প্রমাণিত নয়।”
বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতির কাছে একটি আবেদন জমা দেন। প্রধান বিচারপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি জমা দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারের কাছে। আর রাষ্ট্রপতির বরাবরে দেয়া আবেদনটি গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব।
এ আবেদনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আইনমন্ত্রী এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। ব্রিফিংকালে তিনি বিচারপতি শামসুদ্দিন মানিকের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
বিচারক শামসুদ্দিন মানিকের বিরুদ্ধে আমার দেশ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়ের করা অভিযোগে যে ২৯টি অপরাধের কথা বলা হয়েছে- এগুলো সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ অভিযোগ করলেই তার ভিত্তিতে কাউকে অভিযুক্ত বলা যায় না। এটা প্রমাণসাপেক্ষ বিষয়। বিচারক শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলো এখনো প্রমাণিত নয়।”
আপনি বলেছেন, বিচারপতি মানিকের বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ নিয়মে হয়নি। তাহলে যথাযথ নিয়ম কোনটি? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সঠিক নিয়মের বিষয়ে সংবিধানেই সুস্পষ্ট করে বলা হয়েছে। তাছাড়া বিচারপতির বিরুদ্ধে যে কেউ অভিযোগ করলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। আমাদের সবাইকে এ বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে।
একজন বিচারকের অন্যায় ও অপরাধের বিরুদ্ধে কোন নাগরিকের অভিযোগ দায়ের যদি বিচার বিভাগের মর্যাদা ও স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করে তাহলে রাষ্ট্র কেন পদক্ষেপ নিচ্ছে না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “বিচারক শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তার কোনোটাই এখন পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। রাষ্ট্রপতি তখনই উদ্যোগ নেবেন, যখন কোনো বিচারকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ও প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ আসবে। আর সেটা যথাযথ প্রক্রিয়ায় আসতে হবে।”
একজন বিচারক যদি আইন ভঙ্গ করেন কিংবা কোনো নাগরিকের অধিকার হরণ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে দেশের একজন সচেতন নাগরিকের আইনের আশ্রয় নিতে বাধা কোথায়? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “কেউ ফৌজদারি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনেই ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে।”
বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ এনে এর আগেও সুপ্রিম কোর্টের সরকার দলীয় একজন আইনজীবী অভিযোগ দায়ের করেছেন। রাষ্ট্রপতি ওই অভিযোগ তদন্তের জন্য আইনমন্ত্রণালয়কে দায়িত্ব দিয়েছে। ওই অভিযোগটি এখন কি অবস্থায় রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ওই অভিযোগ ইতিমধ্যেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো এখতিয়ার নেই একজন বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার। তাই ওই অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়েছে।”
Subscribe to:
Posts (Atom)















