Pages

Monday, October 1, 2012

অলাভজনক বিমান রাখাই উচিত নয়: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

অলাভজনক বিমান রাখাই উচিত নয়: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, “বাংলাদেশ বিমান একটি অযোগ্য ও অদক্ষ প্রতিষ্ঠান। বিমান পরিচালনায় দক্ষতা না আনলে এবং ব্যবস্থাপনায় উন্নতি না ঘটালে এ থেকে সরকারের সব সমর্থন উঠিয়ে নেয়া হবে।”
 
সোমবার সিলেটে বাংলাদেশ বিমানের লন্ডন সিলেট সরাসরি ফ্লাইট উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, “বিমানের মতো অলাভজনক ও অদক্ষ প্রতিষ্ঠান রাখা কোনো রাষ্ট্রের জন্য উচিত নয়। তারপরেও দেশের স্বার্থে সার্বিক বিবেচনায় বিমানকে সচল রাখা হয়েছে।”
 
দীর্ঘ সাড়ে নয় মাস বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল পৌনে ৯টায় ৩৯৪ জন যাত্রী নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি এয়ারবাস সরাসরি লন্ডনের হিথ্রো বিমান বন্দর থেকে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে অবতরণ করে। এ সময় লন্ডন থেকে যাত্রীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা।
 
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী মুহাম্মদ ফারুক খান, সংসদ সদস্য মহসিন আহমেদ, শফিকুর রহমান চৌধুরী, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল জামাল উদ্দিন ও বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মাহমুদ হোসেন।

বেসরকারি শিক্ষিকাদের মাতৃকালীন ছুটি ৬ মাস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বেসরকারি শিক্ষিকাদের মাতৃকালীন ছুটি ৬ মাস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বেসকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের মাতৃকালীন ছুটি ছয়মাস নির্ধারণ করেছে সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়, একজন মহিলা শিক্ষক ও কর্মচারী পুরো চাকরি জীবনে সর্বোচ্চ দুইবার প্রসূতি ছুটি পাবেন। মাতৃ ছুটিকালীন একজন মহিলা শিক্ষক ও কর্মচারী তাদের নির্ধারিত বেতন-ভাতাদি পাবেন।

পরিপত্রে আরো বলা হয়, মহিলা শিক্ষক ও কর্মচারী  ডাক্তারি সার্টিফিকেটসহ মাতৃত্বকালিন ছুটির আবেদন করবে। ছুটির আবেদন না মঞ্জুর করা, ছয়মাস অপেক্ষা কম সময় ছুটি মঞ্জুর করা কিংবা ছুটির তারিখ পরিবর্তন করার ক্ষমতা ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডির থাকবে না।

গর্ববতী হওয়ার পর যে তারিখ থেকে ছুটিতে যাওয়ার আবেদন করবেন ওই তারিখ থেকে ছয়মাসের ছুটি মঞ্জুর করা হবে।

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ, পুলিশের লাঠিপেটায় অর্ধশত আহত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদ, পুলিশের লাঠিপেটায় অর্ধশত আহত :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে জাতীয় তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা কমিটির পূর্বঘোষিত সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশত পুলিশসহ আন্দোলরকারী আহত হয়েছে।

রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে সচিবালয়ের দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় আন্দোলনকারীরা পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ও লাঠিসোটা নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশ তাদের ওপর টিয়ারসেল ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।

এ ঘটনায় অর্ধশত পুলিশ ও আন্দোলনকারী আহত হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন গণসংহতির তানিয়া, সুমনা, সৈকত মল্লিক, নাহিদ, বেনজিরসহ আরো বেশ কয়েকজন।

এ ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা সেখান তেকে পিছু হটে প্রেস ক্লাবের সামনে জড়ো হয়। সেখান থেকে সোমবার বিকেল ৫টায় সারাদেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। সহযোগী ও সমর্থক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে বলেও সংগঠনে পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়।

আন্দোলন কর্মসূচির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মো. শহিদুল্লাহ বলেন, “আমাদের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দেয়ায় আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা ও লাঠিচার্জের প্রতিবাদে আমরা সোমবার বিকেল ৫টায় সারা দেশে বিক্ষোভের কর্মসূচি পালন করবো এবং সে কর্মসূচির থেকে হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হতে পারে।”

এ সময় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন পিন্স বলেন, “আমাদের এই কর্মসূচিতে সরকার বাধা দেয়ার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হলো জ্বালানি মন্ত্রণালয় বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর স্বার্থে কাজ করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”

এ সময় তিনি পুলিশের লাঠিচার্জের ফলে তাদের ৫০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন।

এদিকে আন্দোলনকারীদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করে রমনা জোনের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার নুরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা তাদের ওপর কোনো ধরনের লাঠিচার্জ করিনি। সচিবালয়ে সবাই ঢুকতে পারে না তাই আমরা তাদের বাধা দিই। এ সময় তারাই আমাদের ওপর হামলা করলে আমরা আমাদের ৫০ জন পুলিশ আহত হয়েছে।”

কাপাসিয়ায় ভোট পড়েছে অর্ধেকেরও কম, আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাপাসিয়ায় ভোট পড়েছে অর্ধেকেরও কম, আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়ী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
গাজীপুর ৪ (কাপাসিয়া) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি বিজয়ী হয়েছেন। রোববার সারাদিন ভোটগ্রহণ শেষে সব ভোট কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা হাসানুজ্জামান। তবে সোমবার বেলা ১০টায় গাজীপুর জেলা প্রশাসনের ভাওয়াল সম্মেলনকক্ষ থেকে বেসরকারি ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
 
প্রধান বিরোধী দল বিএনপির বয়কটের মুখে এ উপনির্বাচনে অর্ধেকের বেশি ভোটারই এ ভোট দেননি। এ আসনে ১১ টি ইউনিয়নে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১০২টি, আর এখানে মোট ভোটারের সংখ্যা দুই লাখ ১১ হাজার ৮৮৪ জন।
 
আর এ নির্বাচনে মোট ভোট পড়েছে ৯১ হাজার ৭৯৬। এর মধ্যে বৈধ ভোট ৯১ হাজার ১৭৮, ভোট বাতিল হয়েছে ৬১৮টি।
 
এ হিসেবে ৪৩ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানান সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা।
 
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি পেয়েছেন ৬৩,৪০১ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হয়েছেন তার চাচা স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসার উদ্দিন খান ২৬,৩৪৯ ভোট পেয়ে এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি থেকে (সিপিবি) আসাদুল্লাহ বাদল পেয়েছেন ১৪২৮ ভোট।
 
চলতি বছরের ৭ জুন আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও রিমির ভাই তানজিম আহমদের (সোহেল তাজ) পদত্যাগের মধ্য দিয়ে আসনটি শূন্য হয়।
 
এদিকে সরকার সমর্থক প্রার্থীর পক্ষ থেকে ভয়-ভীতি দেখানোর কারণেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম বলে মন্তব্য করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসার উদ্দীন আহমদ খান। তবে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। সকালে গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তারা।
 
নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন দাবি করে আফসার উদ্দীন আহমদ বলেন, সরকার সমর্থক প্রার্থীর পক্ষ থেকে ভয়-ভীতি দেখানোর কারণেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের উপস্থিতি কম। কয়েকটি কেন্দ্রে তার এজেন্টরা প্রবেশ করতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ নাকচ করে সিমিন হোসেন রিমি বলেছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।
 
এর আগে সকাল ৮টায় গাজীপুরের ১১টি ইউনিয়নের ১০২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে।
 
সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দরদরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসারউদ্দীন ভোট দেন। আর একই ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টায় সিমিন হোসেন রিমি ভোট দিয়েছেন।
 
নির্বাচনী এলাকার পরিবেশ সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মোট ৩ হাজার ৪৮২ জন সদস্য নিয়োজিত ছিলেন।
 
এর মধ্যে ১ হাজার ১৪৮ জন পুলিশ, ৪০৮ জন  র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব), ২০০ জন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), ৩০৬ জন ব্যাটালিয়ন আনসার এবং ১ হাজার ৪২৮ জন আনসার সদস্য।
 
কাপাসিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ২ লাখ ১১ হাজার ৮৮৪ জন। ১০২টি ভোটকেন্দ্রের ১৭২টি কক্ষে ভোট নেয়া হয়।
 
প্রতি কেন্দ্রে একজন করে মোট ১০২ জন প্রিজাইডিং অফিসার, প্রতিটি কক্ষে একজন করে মোট ৪৭২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রতিকক্ষে ২ জন করে মোট ৯৪৪ জন পোলিং অফিসার নিয়োগ করা হয়।
 
এছাড়া পুরো নির্বাচনী এলাকায় ৩২ জন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বে ছিলেন। ১১টি ইউনিয়নে ১১টি পুলিশের টহল দলে একজন করে ১১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত ছিলেন। একই সঙ্গে প্রতি ইউনিয়নে ১টি করে র‌্যাবের মোবাইল টিমও ছিল। আর প্রত্যেক টিমে একজন করে ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন।

বৌদ্ধবিহার জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা পরিকল্পিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বৌদ্ধবিহার জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনা পরিকল্পিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুতে কোরআন অবমাননার গুজবে বৌদ্ধ বসতিতে হামলা ও বৌদ্ধবিহার জ্বালিয়ে দেয়ার ঘটনাকে পরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। রোববার দুপুরে তিনি রামুতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা যত শক্তিশালীই হোক, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। রামুর চৌমোহনী চত্বরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মন্দির পোড়ানোর ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে দুঃখজনক। হামলার ঘটনাটি পরিকল্পিত। সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত করেছে।” আগুন লাগানোর ঘটনায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তের জন্য মন্ত্রী চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করবেন বলে জানিয়েছেন। ওই কমিটি ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেন, “একাত্তরে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা দেশ স্বাধীন করেছিলাম। কক্সবাজারের রামু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিল। বৌদ্ধমন্দিরে হামলার ঘটনায় রামু সেই ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারেনি।” এ ঘটনায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক (ডিজি), র‌্যাবের ডিজি, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক প্রমুখ। উল্লেখ্য, কক্সবাজারের রামু উপজেলা সদরে শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে কোরআন অবমাননা করা হয়েছে এমন গুজবে বিক্ষুব্ধ জনতা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের বেশ কয়েকটি বৌদ্ধবিহারে আগুন লাগায়। এছাড়া বাড়িঘরে আগুন ও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসন রোববার সকাল থেকে রামু সদরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে।

সরকারের বক্তব্যে বিশ্ব ব্যাংক ক্ষুব্ধ, আসছে না প্রতিনিধি দল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকারের বক্তব্যে বিশ্ব ব্যাংক ক্ষুব্ধ, আসছে না প্রতিনিধি দল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকারের বক্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্ব ব্যাংকের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দলটি সোমবার বাংলাদেশে আসছে না। এমনকি শিগগিরই তাদের আসার সম্ভাবনা নেই। বিশ্ব ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্রটি জানায়, সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের বক্তব্যে ক্ষুদ্ধ হওয়ায় আপতত সংস্থাটির প্রতিনিধি দল আসছে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংক ফান্ড মিটিংয়ে বিশ্ব ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎ পাওয়ার চেষ্টা চলছে। যাতে শিগিগিরই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসে। একই সঙ্গে পরবর্তী বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এ বিষয়ে বিশ্ব ব্যাংকের বাংলাদেশ কার্যালয়ের যোগাযোগ কর্মকর্তা মেহরিন এ মাহবুব বলেন, প্রতিনিধি দলের আসার তারিখ পিছিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার বিশ্ব ব্যাংক ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল আসছে না। বিশ্ব ব্যাংকের পরিচালক জেক স্টেইনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসার কথা ছিলো। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) জেষ্ঠ্য সচিব ইকবাল মাহমুদ ঘোষণা দিয়েছিলেন, সোমবার থেকে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পদ্মা সেতু বিষয়ে পরবর্তী করণীয় নিয়ে আলোচনা হবে। শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিলো এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেয়ার কথা ছিলো অর্থমন্ত্রীর। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সরকারের উচ্চ মহল থেকে এখনো বিশ্ব ব্যাংক ও পদ্মা সেতু অর্থায়ন নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কথা বলা হচ্ছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সংস্থাটি বেশ ক্ষুদ্ধ হয়েছে। এজন্য তারা ধীরে চলো নীতি অনুসরণ করেছে। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বার্তা২৪ডটনেটকে বলেন, “বিশ্ব ব্যাংকের একটি বিশেষ প্যানেলের সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি নিয়ে তাদের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সোমবার বৈঠক করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বিশ্ব ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। বিশেষ প্রতিনিধি দল দুদকের কাছে এখনো কোনো মেইল পাঠায়নি।” বিশ্ব ব্যাংকের এই বিশেষ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনা করে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হবে। এই বিশেষজ্ঞ দল পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের সঙ্গে কাজ করবে। বিশেষজ্ঞ দল কাজ শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন বিশ্ব ব্যাংক সদর দফতরে জমা দেবেন। এ প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতুর অর্থায়নে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও ইআরডি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১২-১৪ অক্টোবর টোকিওতে ব্যাংকটির বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ইআরডি সিনিয়র সচিব ইকবাল মাহমুদ, অর্থসচিব ফজলে করিম এবং অতিরিক্ত সচিব আরস্তু খানের অংশ গ্রহণের কথা রয়েছে। এ জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ইআরডি ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে সংশি¬ষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন। পদ্মা সেতুর ওপর একটি সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করেছেন। তবে বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিমের সঙ্গে এখনো সাক্ষাতের সময় সূচি পায়নি। সূত্র জানায়, ব্যাংক ফান্ড মিটিংয়ে বিশ্ব ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সংস্থাটির শর্ত মেনে পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়টি জানানো হবে। যাতে শিগগিরই অর্থায়ন কার্যক্রম শুরু করে। এদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পক্ষ থেকে আবার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ইআরডিকে চিঠি দিয়ে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি জানিয়েছে। এর আগে পদ্মা সেতু প্রকল্পে অন্যতম অর্থায়নকারী জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) নয়মাস সময় বাড়ায়।

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন: হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্যারিস্টার রফিক-উল হক নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন: হানিফ :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, এক এগারোর পর দেশের প্রধান দুই নেত্রীর মামলা পরিচালনা করে নন্দিত হয়েছিলেন ব্যারিস্টার রফিক-উল হক। কিন্তু বিগত সময়ে বিরোধী দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে ‘আমাদের নেত্রী’, ‘আমাদের নেত্রী’, ‘আমাদের নেত্রী’ বলে তিনি তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। দেশের প্রয়োজনে নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হতে রাজি হওয়া সহ যেকোনো কিছু করতে রাজি; ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের এমন বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে হানিফ বলেন, ‘‘আগামী নির্বাচন হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনে।’’ রোববার বিকেলে পল্লবী থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৬৬তম জন্মদিন উপলক্ষে মিরপুর ১২ বাসস্টান্ডে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, ‘‘যে কোনো অসাংবিধানিক দাবি করা হলে আমরা সে দাবির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো। আওয়ামী লীগ কোনো অসাংবিধানিক দাবি মেনে নিবে না। কারণ গণতন্ত্রের জন্য আমরা (আওয়ামী লীগ) ত্রিশ বছর আন্দোলন করেছি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। সেই গণতন্ত্র সমুন্বত রাখতে অসাংবিধানিক ও অনির্বাচিত ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা দেয়া হবে না।’’ আগামী নির্বাচন প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বেই অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, সমগ্র বিশ্বের যে ভাবে নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সে ভাবেই নির্বাচন হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যেই অন্তবর্তী সরকারের রুপরেখা দিয়েছে। তিনি বলেন, তার মত একজন প্রবীণ আইনজীবির কাছ থেকে জাতির এই অসাংবিধানিক দাবির প্রতি সমর্থন এবং প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার খায়েশ জাতি আশা করেনি। ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্ট যে ব্যবস্থা বাতিল করেছেন, সাংবিধানিক ধারার প্রতি সমর্থন প্রদর্শন করে এই অসাংবিধানিক দাবির প্রতি সমর্থন থেকে সরে আসবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে মানুষ আর যাই হোক কোনো অসাংবিধানিক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে গণতন্ত্রকে বিপন্ন করবে না।’’ পল্লবী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা এমপির সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সহ সভাপতি বজলু রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ। আলোচনা সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর ৬৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ৬৬ পাউন্ড কেক কাটা হয় এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Friday, September 28, 2012

জলবায়ু পরিবর্তনে ১০ কোটি মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জলবায়ু পরিবর্তনে ১০ কোটি মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয় প্রতিরোধ করা না গেলে বিশ্বকে চরম মূল্য দিতে হবে। এর জেরে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী উত্পাদন হ্রাস পেয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক দুই শতাংশ কমবে।
 
বুধবার বিশ্বের ২০টি দেশের সরকার অনুমোদিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানানো হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা ডিএআরএ পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে পর্বত শীর্ষের বরফটুপিগুলো গলে যাচ্ছে। এতে আবহাওয়া চরম রূপ ধারণ করছে, খরা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। আর এসব কারণে মানুষ ও মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে।
 
প্রতিবেদনটির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু দূষণ, অনাহার, কার্বননির্ভর অর্থনীতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট রোগে প্রতিবছর ৫০ লাখ মানুষ মারা যাবে। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের বর্তমান ধরন অব্যাহত থাকলে উল্লিখিত কারণগুলোতে মানবমৃত্যুর হার ২০৩০ সাল নাগাদ বছর প্রতি ৬০ লাখে পৌঁছে যাবে। এসব মৃত্যুর বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই ঘটবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
 
প্রতিবেদনটিতে ২০১০ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৪টি দেশে মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হিসাব করা হয়েছে। জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের ২০টি উন্নয়নশীল দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি ফোরাম ডিএআরএর এ প্রতিবেদনটি অনুমোদন করেছে। সূত্র: রয়টার্স, জিনিউজ।

৩১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৩১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
রেলওয়ে অপটিক্যাল ফাইবার লিজের বিপরীতে বিপুল অংকের ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে দেশের বৃহৎ সেলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসেবে, চাতুর্যের মাধ্যমে ফাঁকি দেয়া ওই অর্থের পরিমাণ মোট ৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৮ টাকা। প্রাপ্য অর্থ আদায়ে দফায় দফায় নোটিশ দিয়েও দীর্ঘ সাত বছরের এই অর্থ আদায় করতে পারেনি এনবিআর।
 
সবশেষে ভ্যাট ফাঁকি নিয়ে এনবিআর এবং গ্রামীণফোনের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে আদালতে। গত দুই বছর ধরে মামলাটি আদালতেই ঝুলে আছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ দিনেও এ বিষয়ের কোনো সমাধান না হওয়ায় ফের বিষয়টি চাঙ্গা করতে যাচ্ছে এনবিআর।
 
এনবিআর এর দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে ফাঁকি দেয়া বিপুল অংকের মূল্য সংযোজিত এই কর আদায়ে সম্প্রতি কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, কর ফাঁকি বিষয়ে গত মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চালানের প্রয়োজনীয় দলিলাদি জমা দেয়ার কথা থাকলে তা জমা দেয়নি। এমনকি সময় বাড়ানোর কোনো আবেদনও করেনি।
 
তিনি বলেন, যদিও গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে দলিলাদি পাঠানো হয়েছে বলা হচ্ছে। তবে এখানো তা পাওয়া যায়নি। দলিলাদি পাওয়া গেলে পরবর্তীতে রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
এবিষয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা (সিসিও) কাজী মনিরুল বলেন, “আমি খোঁজ না নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারেছি  না।”
 
এসময় পুরো বিষয়টি তার কাছে উপস্থাপন করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাছাড়া এটি রেল কর্তৃপক্ষের ঘরোয়া সমস্যা এটি। আর সে কারণেই লিজ নবায়নের সময় রেল কর্তৃপক্ষ অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বাড়ায় এবং নিজেদের হিসাবের ভিত্তিতে টাকা দাবি করেন। ফলে আমরা আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি।”
 
সূত্র মতে,  ১৯৯৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রেলওয়ে ও গ্রামীণফোনের মধ্যে একটি  ভাড়া চুক্তি (লিজ এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদকাল ছিল ২০০৪ পর্যন্ত। তখন চুক্তির ইজারা মূল্য ধরা হয় ১২৩ কোটি ৬৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৫৮ টাকা।

প্রসঙ্গত, ভাড়া ও লিজ নেয়া কার্যক্রম ইজারাদার সেবার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মূসক আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী ইজারা মূল্যের ওপর মূসক আরোপযোগ্য। এছাড়া সাধারণ আদেশ নং- ২৩/মূসক/৯৭ অনুযায়ী সেবাটি যেহেতু উৎসে মূসকের তালিকাভুক্ত সেহেতু এই সেবার বিপরীতে ইজাদার মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ হারে করসহ মোট ১৮ কোটি ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৪৬৩ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হয়।
 
আর যথাসময়ে ভ্যাট পরিশোধ না করায় মূসক আইনের ৩৭(৩) ধারা অনুযায়ী, মাসিক দুই শতাংশ হারে জরিমানা করা হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। সে হিসেবে গ্রামীণফোনের জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ কোটি ৪২ লাখ। আর ভ্যাট ফাঁকি দেয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৮ টাকা।

জানাগেছে, ফাঁকি দেয়া এই অর্থ পরিশোধ করতে ২০০৫ সালের ১৯ জুলাই গ্রামীণফোন বরাবর চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করে এনবিআর। কিন্তু দীর্ঘদিন্ওে পাওনা পরিশোধ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে উপরন্তু দাবিকৃত মূসক পরিশোধ করা হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেয় গ্রামীণফোন।
 
এরপর বিষয়টি প্রায় ধামা চাপা পরে যায়। অবশেষে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট) থেকে উৎসে মূসক পরিশোধের প্রমাণাদি চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণফোন সাতটি চালানের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৯৬ লাখ দেয়া হয়েছে বলে জানায়। এক্ষেত্রে পাওনার চাইতে ৯৯ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৮ টাকা বেশি পরিশোধ করা হয়েছে দাবি করায় সন্দেহের সৃষ্টি হয় এনবিআর কর্মকর্তাদের।
 
পরবর্তীতে এনবিআর চালানগুলো বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়, সাতটি চালানের মধ্যে দুইটি সাব লিজ সংক্রান্ত চালান। এছাড়া অপর পাঁচটি চালানের ভ্যাট পরিশোধের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। এনবিআরহর দাবিনামার বিপরীতে কোন চালান সংশ্লিষ্ট এবং সুদের ক্ষেত্র্রে কোন চালান প্রযোজ্য তারও উল্লেখ নেই। অথচ গ্রামীণফোন থেকে জানানো হয়েছে ওই সাতটি চালানের মাধ্যমে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়।  
 
কিন্তু এই দাবির স্বপক্ষে কোনো দলিল খুঁজে পায়নি এনবিআর। ফলে চলতি বছরের ১৯ জুলাই এ বিষয়ে যথাযথ দালিলিক প্রমাণ পত্র রাজস্ব বোর্ডে জমা দেয়ার জন্য গ্রামীণ ফোনকে সাত দিনের সময় বেধে দিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু দুই মাস অতিক্রান্ত হলেও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখা দেয়নি গ্রামীণফোন।

সালমান ভক্ত পরিচালক করন জোহর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সালমান ভক্ত পরিচালক করন জোহর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পরিচালক করন জোহর আর শাহরুখ খানের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের বিষয়টি জানে না মুম্বাইয়ে এমন কেউ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে এবার করন শাহরুখকে ছেড়ে মন মজিয়েছেন তার অন্যতম শত্রু বলে পরিচিত সালমান খানে। বিষয়টা এমনি যে, করন বলেই দিয়েছেন যে, তিনি সালমানের সঙ্গে কাজ করবার জন্য একরকম মরেই যাচ্ছেন।

মুম্বাইয়ের একটি শীর্ষ দৈনিকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে করন বলেন, “আমি সালমানের খুব বড় ভক্ত। আমি শুধু তার জন্য অপেক্ষই করছি না বরং তার সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রায় মরেই যাচ্ছি। শুধু আমি নই আমার অফিসের অনেকেই তার ভক্ত।”

তিনি বলেন, “আমার অফিসের লোকরা এবং ডিরেক্টররা তার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছে। তারা আমাকে বলেছে, সালমানকে আমার ছবিতে সাইন করানোর জন্য সময় নাও ভালো কথা কিন্তু দয়া করে তাকে একদিন অফিসে ডাকো যাতে আমরা তার সঙ্গে কথা বলতে ও ছবি তুলতে পারি।”

এখন দেখার বিষয় হলো জানি দোস্ত কারনের এই সালমান প্রীতিকে শাহরুখ কি চোখে দেখেন।

অবশ্য সম্প্রতি একটি চ্যানেলের রিয়েলিটি শোতে কারন আর সালমানকে একসঙ্গে দেখা গেছে। এ সময় তাদের একে অন্যের সঙ্গ দারুণ উপভোগ করতেও দেখা গেছে।

আর পরপর চার বছর ঈদে ওয়ান্টেড, দাবাঙ, বডিগার্ড আর এক থা টাইগার দিয়ে বক্স অফিস মাত করা চুলবুল খানের বৃহস্পতি যে আরো তুঙ্গে উঠতে চলেছে, তার প্রতি করন জোহরের মতো পরিচালকের আগ্রহ তাই প্রমাণ দেয়। সূত্র: জি.এন

বিতর্কে জড়িয়েছে ‘ও মাই গড’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিতর্কে জড়িয়েছে ‘ও মাই গড’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে বিতর্কে জড়ালো হিন্দি চলচ্চিত্র ‘ও মাই গড’। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন অক্ষয় কুমার। বুধবার চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধের আদেশ চেয়ে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন প্রণব পান্ডে নামের এক ব্যক্তি।

রিট আবেদনে বলা হয়, ওই সিনেমাটিতে দেখানো হয় সিনেমার একজন অভিনেতা গঙ্গার জলে হুইস্কি মেশাচ্ছেন (গঙ্গার জল ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।)। অন্য একটি দৃশ্যে আরতিপাত্রে রেখে মাংসে ছ্যাকা দিতে দেখা যায়। ছবির অন্য একটি দৃশ্যে বুঝানো হয় যে, মন্দির থেকে এইডসের মতো রোগ ছড়ায়।

আবেদনে সিনেমার পরিচালক উমেস শুক্লা, অভিনেতা অক্ষয় ও পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা করার দাবি জানান হয়।

মুখ্য মহানগর হাকিম ইন্তেখাব আলম এ বিষয় হজরতগঞ্জ থানার পুলিশের কাছে একটি তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছেন। আগামী ৪ আক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন। সূত্র: আইএএনএস।

মরণাপন্ন রোগীর স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার দিল জার্মানি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মরণাপন্ন রোগীর স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার দিল জার্মানি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
জার্মানির ফেডারেল আদালত সম্প্রতি এক মরণাপন্ন রোগীকে আগাম মৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি দেয়ার সময় আদালত বলেছে, এখন থেকে দেশটির মুমূর্ষু বা চেতনাহীন কোনো রোগী স্বেচ্ছায় তার আগাম মৃত্যুর আবেদন জানালে চিকিৎসকদের তা কার‌্যকর করা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

জানা যায়, সম্প্রতি বার্লিনের এক হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় থাকা এরিকা কুয়েলমার নামে এক বয়স্ক মহিলার পরিবারকে তার বহিরাংশের কৃত্রিম খাদ্যনালি কেটে মৃত্যু ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন এক আইনজীবী। কিন্তু রোগীর পরিবারের একজন ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করে।

তবে সবকিছু তদন্ত করে জার্মানির ফেডারেল আদালত সেই আইনজীবীকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে রায় দেন। আর সেই সঙ্গে জার্মানিতে যুগান্তকারী আইন হিসেবে রোগীর অনুরোধে পরোক্ষভাবে এই মৃত্যুর পদ্ধতির অনুমোদন দেয়া হয়।

এরিকা কুয়েলমারের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে তার পরিবার জানায়, এরিকা দীর্ঘদিন যাবৎ বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর আগে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তাকে একটি কৃত্রিম নলের মাধ্যমে খাওয়ানো হতো। আর এ অবস্থায় তিনি আর বাঁচতে চান না বলে একাধিকবার জানিয়েছিলেন কুয়েলমার। তবে স্থানীয় প্রশাসন তার এই ইচ্ছা আমলে নেয়নি।

শেষ পর্যন্ত কুয়েলমারের মেয়ে এক আইনজীবীর পরামর্শে তার ভাইয়ের উপস্থিতিতে কাঁচি দিয়ে মায়ের কৃত্রিম খাদ্য নল কেটে দেন। এর দু দিন পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই কুয়েলমারের মৃত্যু হয়। সূত্র: যুগশঙ্খ।

মাথা ব্যথায় কলা খান :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাথা ব্যথায় কলা খান :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একটি কলা খেয়ে সোজা হয়ে কিছু সময় বসে থাকলে মাথাব্যথা কমে। এমনটাই জানিয়েছেন বৃটেনের একদল গবেষক।
 
তাদের মতে শর্করা জাতীয় খাবার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কলা একটি শর্করা জাতীয় খাদ্য। তাই কলার মতো শর্করা জাতীয় খাদ্য রক্তের সুগার প্রতিহত করে, ফলে তীব্র মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
 
লিভারপুলের এনএইচএস ওয়ালটন সেন্টার ফর নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড নিউরোসার্জারির বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নাইক সিলভার বলেন, বৃটেনে প্রতিদিন একশ’ কোটির বেশি লোক মাথাব্যথায় ভোগেন এবং ব্যথার ওষুধ খান। কিন্তু গত সপ্তাহে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল এক্সেলেন্স (এনআইসিই) সতর্ক করে দিয়েছে, নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে এবং দেহে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে মাথাব্যথা কমার চেয়ে আরো বেড়ে যেতে পারে।
 
মাসে দশ দিন ব্যথানাশক ওষুধ অ্যাসপিরিন, প্যারাসিটামল অথবা ইবুপ্রফেন জাতীয় ওষুধ গ্রহণের ফলে শরীর বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তাই মাথাব্যথা কমাতে প্রাকৃতিক ফল কলা বিশেষ সাহায্য করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: ডেইলি মেইল

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডস ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডস ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডসের ঝুঁকি বাড়ায়। বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে এইডস প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের এ ভূমিকা বিদেশেও প্রশংসিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে দৈনিক ভোরের কাগজ অফিসে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণে এইডসের ঝুঁকি প্রতিরোধ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিতকরণ কর্মশালায় এ সব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণার কারণে এইডস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। সে সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।

তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এইডসের সংক্রমণ বেশি থাকায় আমরা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নই। তাই সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদার ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন। আলোচনা করেন ডা. মো. ওহায়িদ, ডা. সাইমুন রাশিন, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. রুপালি শিশির বানু, আনিস আলমগীর, ডা. লীমা রহমান প্রমুখ।

প্রয়াত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়কে পাকিস্তানে দাহ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রয়াত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়কে পাকিস্তানে দাহ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট


চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ের পিতা রাজা ত্রিদিব রায়কে (৮০) মৃত্যুর দশ দিন পর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে দাহ করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পরলোক গমন করেন। তার মৃত্যুর পর চাকমা রাজপরিবার এবং বিশিষ্ট পাহাড়ি নাগরিকদের পক্ষ থেকে মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। সরকার তার মরদেহ বাংলাদেশে আনার অনুমতি দিলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করায় একটি মহল তার মরদেহ প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে শনিবার পাহাড়ি-বাঙালি সংঘাতের কারণে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয়নি। অনেকটা ক্ষোভে-অভিমানে চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ও পাকিস্তান যাননি। তবে রাজমাতা আরতি রায়সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ধর্মীয় কার্যাবলি সম্পাদন করতে পাকিস্তান গেছেন। সামাজিক ওয়েবসাইট ফেইসবুকে চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় তার পিতার লাশ বাংলাদেশে আনতে না পারায় তার পিতার শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। পাশাপাশি আগামী ৪ অক্টোবর রাজবাড়িতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সাবেক চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রাজা নলিনাক্ষ রায়ের মৃত্যুর পর ১৯৫৪ সালে চাকমা সার্কেলের চিফ নিযুক্ত হন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেন। এ কারণে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার বির্তকিত ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ ছেড়ে পাকিস্তান চলে যান। সেখানে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে আমৃত্যু ত্রিদিব রায় পাকিস্তানে অবস্থান করেন।

আতাউস সামাদ, গণতন্ত্রের বার্তাবাহক ছিলেন যিনি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদ, গণতন্ত্রের বার্তাবাহক ছিলেন যিনি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পঁচাত্তর বছর বয়সে বুধবার রাতে ইন্তেকাল হলো বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক আতাউস সামাদের, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের সাতদরিয়া গ্রামে যেই জীবনের শুরু, বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় এক কিংবদন্তির সাফল্য নিয়ে সেই জীবন-অভিযাত্রার সমাপ্তি ঘটলো।

তার সমকালীন বিখ্যাত সাংবাদিকদের একজন; শফিক রেহমান শোকার্ত কন্ঠে এই প্রতিবেদককে জানালেন, সাংবাদিকতার যেই ব্যাপারটি অন্য যে কারো থেকে তাকে উঁচুতে নিয়ে গেছে- তা হলো চরম প্রতিকূল সব পরিস্থিতিতেও গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টা ও মানুষের রাজনৈতিক অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই সংবাদ পরিবেশন করতেন তিনি। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক বার্তাবাহকের দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে ও নিখুঁতভাবে তিনি পালন করেছেন।

বিশেষত, নব্বইয়ের দশকে সামরিক স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদের আমলে যখন দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিলনা- তখন বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে তার কন্ঠস্বরই ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের খবর জানতে নিরুপায় মানুষের একমাত্র ভরসা।

লেখক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ খান দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন অন্য এক দিকে। তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বললেন, আতাউস সামাদ হচ্ছেন বাংলাদেশের সেই কমসংখ্যক প্রথিতযশা সাংবাদিকদের একজন- যারা কিনা একইসঙ্গে সংবাদপত্র, বেতার ও টেলিভিশনে নানা উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব শওকত মাহমুদ বললেন, “তিনি থাকবেন না, কিন্তু বাংলাদেশ চলবে-এটি ভাবতে পারি না। তিনি সব সময় তরুণ সাংবাদিকদের পরামর্শ দিতেন। তিনি ছিলেন একজন সফল সাংবাদিক। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা তার হাত দিয়েই হয়েছিল। সব মিলিয়ে জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তরুণ লেখক ও দৈনিক সমকালের সহকারি সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ বললেন, ''তিনি যে কোনো লেখালিখির ব্যাপারে খুবই নিখুঁত হতে প্রাধান্য দিতেন। আমাদের এখানে বা যেকোনো জায়গায় কলাম লিখতেন তিনি- সবখানেই পত্রিকা প্রেসে পাঠানোর আগেও দীর্ঘক্ষণ ফোনে বলতেন যে, কিভাবে তার লেখাটিতে আরো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়।''

তবে দেশের বিদ্যমান আর্থ-রাজনৈতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তার সাম্প্রতিক বছরগুলোর কলামে প্রায়ই হতাশা ও আশঙ্কার কথা থাকতো; এমনটি খেয়াল করেছিলেন তরুণ লেখক ও সাংবাদিক খোমেনী ইহসান। দৈনিক আমার দেশ পাঠকমেলার কেন্দ্রীয় পরিচালক জনাব খোমেনী বললেন, ''একজন কনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে তাকে কাছ থেকে দেখেছি বিগত সাড়ে তিন বছর। সারল্য, বিনয় ও রসবোধের সমন্বয়ে ব্যক্তিত্বের অধিকারী আতাউস সামাদ সাহেবের সাংবাদিক জীবনের যেই মহান সফলতা ও বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর মধ্যে তার যে অবস্থান তৈরি হয়েছিল তা মিলিয়ে তার হতাশ হওয়ার কোন কারণই নেই। কিন্তু স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের একজন অসামান্য সৈনিক হিসেবে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তার শেষের দিকের কলামগুলোতে তিনি সেই হতাশাকে চেপে রাখতে পারেন নি। বাংলাদেশের বিরাজমান পরিস্থিতি সব জ্যেষ্ঠ নাগরিককেই হতাশ করে নিশ্চয়।''
 
আতাউস সামাদ তার সাংবাদিকতার সবচেয়ে কর্মমুখর সময়ে; সেই পাকিস্তানি শাসনামল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে সামরিক শাসক এরশাদের স্বৈরশাসনে বিরুপ পরিস্থিতির মধ্যে গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে প্রতিবেদক ও লেখকের ভূমিকা রেখেছেন বেতার ও সংবাদপত্রে, এমনকি ভিনদেশ ভারতেও এক জরুরি অবস্থার কালে নানা প্রতিকূলতার সময়ে তিনি সাহসী সাংবাদিকতা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ছাত্রাবস্থায় ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তিনি। দৈনিক সংবাদে কাজ শুরু করারও আগে ৫০ এর দশকে 'সচিত্র সন্ধানী'তে কাজ শুরু করার মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম জগতে পা রাখেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৫৯ সালে দৈনিক সংবাদে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশনে কাজ করেছেন তিনি।

সংবাদের পর, আজাদ পাকিস্তান অবজার্ভারে কাজ করেন তিনি। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান অবজারভারের প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ভারতের নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ সংবাদদাতা ছিলেন।

১৯৮২ সাল থেকে টানা এক যুগেরও বেশি সময়ের কর্মক্ষেত্র বিবিসি ছাড়ার পর সাপ্তাহিক 'এখন' নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন তিনি। একইসঙ্গে নম্বইয়ের দশক থেকেই বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও দৈনিকে  কলাম লেখা অব্যাহত রেখেছিলেন। এসব কলামেও গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের রাজনীতির পথ ধরে জাতীয় ঐক্যের কথাই লিখে আসছিলেন বরেণ্য এই লেখক।

সর্বশেষ গত ২০০৪ সাল থেকে দৈনিক আমার দেশের উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। পালন করে আসছিলেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভি'র প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব।

পেশাদার সাংবাদিকই শুধু নন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি। ১৯৬৯ থেকে ৭০ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ছিলেন তিনি।

গত বছর বিবিসি'র বাংলা বিভাগের জন্য তিনি লিখেছিলেন তার এই সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা, ''চাপ আর বাধার মধ্যে কাজ করার দুর্ভাগ্য আমার বরাবরের। আমি যখন প্রথম কোন দৈনিক সংবাদপত্রে (সংবাদ) কাজ শুরু করি (১৯৫৯) তখন জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন চলছিল। ১০ বছর শাসন চালিয়ে আইয়ুব খান যখন বিদায় নিলেন তখন তাঁর জায়গা দখল করলেন আরেক সেনাশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান। এ লোক তো যুদ্ধ ও গণহত্যা চালিয়ে দিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ সংবাদদাতার চাকরি নিয়ে গেলাম ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী। সেখানে থাকতে থাকতেই মিসেস ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর গদি রক্ষার জন্য ১৯৭৫-এ জারি করলেন জরুরি অবস্থা। সেই সাথে প্রয়োগ করলেন কঠোর সেন্সরশিপ।''

''১৯৭৬-এর আগস্টে যখন দেশে ফিরলাম তখন এখানে চলছে আবারও সামরিক আইনের শাসন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২’র মার্চ পর্যন্ত স্বাভাবিক আইনে দেশ চলছিল, একটা নির্বাচিত সরকারও ছিল দেশে কিন্তু সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করলেন ঐ মাসে এবং সামরিক শাসন জারি করলেন। তিনি দেশের উপর বসে থাকলেন ১৯৯০-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর আমি বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নিউজ-এর জন্য সংবাদদাতা হিসাবে ঢাকায় কাজ শুরু করি ১৯৮২ সালের অক্টোবর থেকে অর্থাৎ মার্শাল ল’র মধ্যে। অর্থাৎ যুদ্ধ, সেন্সরশিপ, সামরিক শাসন ও অগণতান্ত্রিক জরুরি আইনের শাসনের মধ্যে দিয়ে কেটেছে আমার রিপোর্টার জীবনের প্রায় সবটা সময়।''

বুধবার রাতে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে রাত নয়টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানালেন, আতাউস সামাদ আর নেই। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত কদিন ধরে যখন হাসপাতালে এই কিংবদন্তী সাংবাদিক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন, আরো অনেকের মতো তখন সেখানে বুধবার রাতে ছুটে গিয়েছিলেন তার সমকালের আরেক প্রখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান।

নব্বইয়ের দশকে স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়ে বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে যখন আতাউস সামাদের কন্ঠের অপেক্ষায় থাকতো দেশবাসী, তখন একই সঙ্গে অপেক্ষা ছিল শফিক রেহমান সম্পাদিত সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের ।

বুধবার রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে জনাব রেহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে বললেন, ''আতাউস সামাদের ব্যাপারে আমি সবকিছুর আগে বলবো শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন একজন নিখুঁত প্রতিবেদক। একটা গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে তিনি প্রতিবেদন করতেন, তথ্য ও শৈলীর দিক থেকে সাফল্যের সঙ্গে চেষ্টা করতেন সেই প্রতিবেদনটিকে পূর্ণাঙ্গ করে তুলতে।''

তিনি বলেন, এরশাদের শাসনামলে দেশে আত্মগোপনে থেকেই বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আতাউস সামাদ এদেশে সাহসী সাংবাদিকতার বিরাট নজির তৈরি করেছেন।

শফিক রেহমান বলেন, ''তারওপর আমাদের এখানে যেটা সাংবাদিকদের মধ্যে দুর্লভ, সেই ইংরেজির ওপর চূড়ান্ত দখল ছিল তার। সাংবাদিকতার ভাষা হিসেবে ইংরেজিতে তিনি দক্ষ ছিলেন।''

জনাব রেহমান বললেন, কলাম লেখক হিসেবে বাংলাদেশে এখন খ্যাতিমান প্রায় সবার মতো আতাউস সামাদও শুরু করেছিলেন সাপ্তাহিক যায়যায়দিন দিয়েই। 'এ কালের বয়ান' ও 'আটলান্টিকের দুই তীরে' নামে দুটি কলামে নিয়মিত লিখতেন তিনি।

স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ব্যাবসায়ীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ব্যাবসায়ীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দ্বিতীয় স্ত্রী মৌসুমি আক্তার মৌ ও তাদের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বাবুল মিলে আল আজাদ মাসুদ নামে ব্যবসায়ীর আড়াই কেটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্র্যাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েসনে (ক্র্যাব) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, প্রথম স্ত্রীর সন্তান না হওয়ায় তার অনুমতি নিয়ে মৌকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের ছয় বছরের একটি ছেলে ও চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু ম্যানেজার বাবুলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন মৌ। তারা পরস্পর মিলে ব্যাংকের সই জাল করে ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন একাউন্ট থেকে আড়াই কোটি টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এ ব্যপারে উত্তরা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ম্যানেজার বাবুল, মৌসহ অন্যরা কয়েকবার তাকে অপহরণের চেষ্টা চালান ও হত্যার দেন। এ কারণে তিনি ও তার প্রথম স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
 

পদ্মা প্রকল্প নিয়ে স্বাধীন অনুসন্ধান হচ্ছে: দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা প্রকল্প নিয়ে স্বাধীন অনুসন্ধান হচ্ছে: দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে আলাদা টিম গঠন করে স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান কাজ চালানো হচ্ছে। এই তদন্তের তথ্য শেয়ারের প্রশ্নে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়গুলো ঠিক করা হবে বলেও বলা হচ্ছে।
 
একই সঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের আইনের ভেতর থেকেই এই তদন্ত বা সব কিছু করতে হবে।
 
অন্যদিকে দুর্নীতি বিরোধী বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখা বা টিআইবি বলেছে, বিশ্ব ব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলের সাথে সহায়তার ভিত্তিতে এবং স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা হলে তখন তা গ্রহণযোগ্য হবে।
 
দ্বিতীয় দফায় দেয়া বিশ্ব ব্যাংকের বিবৃতিতে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থায়ন প্রশ্নে বিশ্বব্যাংকের শর্ত ছিল, বিশেষ তদন্ত দল গঠন করে অভিযোগের তদন্ত করতে হবে।
 
একই সঙ্গে এই তদন্তের সব তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেলের কাছে দিতে হবে। আর এই প্যানেল গঠন করবে বিশ্ব ব্যাংক।
 
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান অবশ্য বলেছেন, কমিশন আলাদা টিম গঠন করেই অভিযোগে অনুসন্ধান করছে। এছাড়া তদন্ত টিম এবং আন্তর্জাতিক প্যানেলের কার্যপরিধিও বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আগেই ঠিক হয়ে রয়েছে।
 
এরপরও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল শিগগিরই ঢাকায় আসছে এবং তখন বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
 
তিনি আরো বলেছেন, ‘তদন্ত, অনুসন্ধান যাই হোক না কেন, তা বাংলাদেশের আইনের আওতায় হতে হবে।’
 
তবে দুর্নীতি বিরোধী বেসরকারি সংস্থা টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখন যেভাবে তদন্ত করছে, তাতে প্রশ্ন বা সন্দেহ থাকতে পারে।
 
তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতুর বিষয় ছাড়াও বড় কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে দুদক তদন্ত করতে পারবে। এমন অবস্থানের ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে।
ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্যানেলের সঙ্গে সহায়তার মাধ্যমে তদন্ত হলে, তখন তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
 
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান অবশ্য দাবি করেছেন, তাদের তদন্ত প্রভাব মুক্তভাবে এবং স্বচ্ছ ও স্বাধীনভাবে চলছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রয়োজনে তদন্তের জন্য নতুন টিম গঠনের সুযোগ রয়েছে।
 
অন্যদিকে, যে সব সরকারি কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ছুটিতে পাঠাতে হবে। এটি ছিল বিশ্বব্যাংকের বড় শর্ত। ইতিমধ্যে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন। কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকেও ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
 
টিআইবির ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, পদে থেকে তদন্ত প্রভাবিত করার সুযোগ বেশি থাকে। সে কারণে সরিয়ে দেয়ার শর্ত এসেছে। এটা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে তিনি মনে করেন।
 
কিন্তু ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, দুর্নীতি হয়নি বা প্রমাণ হয়নি বলে বিশ্ব ব্যাংক আবার ফিরে এসেছে, এ ধরনের নানান বক্তব্য সরকারের শীর্ষসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসছে।
এগুলো ভুল নির্দেশনা দিচ্ছে এবং সে কারণে বিশ্বব্যাংক দ্বিতীয় দফা বিবৃতি দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
 
তিনি বলেছেন, শর্ত পূরণের পাশাপাশি সরকারের আন্তরিকতার বিষয়ও তুলে ধরতে হবে। সূত্র: বিবিসি

প্রেস ক্লাবে আতাউস সামাদের শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রেস ক্লাবে আতাউস সামাদের শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক আতাউস সামাদের দ্বিতীয় ও শেষ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। বিকেল সাড়ে তিনটায় এ জানাজায় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, অনুজপ্রতীম সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

গুলশানের আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে বিকেল তিনটার দিকে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়নতের মঞ্চে। প্রেস ক্লাব নেতারাসহ কয়েকজন সাংবাদিক এ সময় মরহুমকে স্মরণ করে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ করেন।

জানাজা শেষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাংবাদিক সংগঠনসহ রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের তরফে তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এখান থেকে তার মরদেহ দাফনের জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

৭৫ বছর বয়সে গত বুধবার ইন্তেকাল করার আগে বরেণ্য এই সাংবাদিক সর্বশেষ দৈনিক আমার দেশে উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দৈনিক আমার দেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার স্মরণে আগামী তিনদিন পত্রিকাটির কারওয়ান বাজার কার্যালয়ে শোক বই খোলা থাকবে।

ঋণ নয় পুরোপুরি জালিয়াতি: কাশেম হুমায়ুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঋণ নয় পুরোপুরি জালিয়াতি: কাশেম হুমায়ুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য কাশেম হুমায়ুন বলেছেন, “হলমার্ক গ্রুপ রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে যে টাকা নিয়েছে, তা কোনো ঋণ নয়, পুরোপুরি জালিয়াতি। ওই টাকা ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিভাগ থেকে নেয়া হয়েছে।”
 
বৃহস্পতিবার সকালে দুদক কার্ালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
 
তিনি বলেন, “ব্যাংকের নিয়মানুয়ী বছরে দুই বার ব্যাংক অডিট করার কথা থাকলেও ওই শাখা দেড় বছরে একবারও অডিট হয়নি।”
 
দুদকের সিনিয়র উপপরিচালক মীর জয়নুল আবদিন শিবলির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারা হলেন: মো. শহীদুল মিয়া ও কাশেম হুমায়ূন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়।
 
তবে আজকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছে দুদক।
 
আর সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত দুদকে সশরীরে না এসে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন।
 
দুদক জানায়, হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালানা পর্ষদের কোনো প্রভাব আছে কিনা তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
  
এর আগে গত মঙ্গলবার ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের ১১ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠায় দুদক।
 
বুধবার পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।