Pages

Tuesday, October 2, 2012

এক সন্তান নীতি, বিপাকে চীনের বয়স্করা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

এক সন্তান নীতি, বিপাকে চীনের বয়স্করা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বছর বারোর মেয়েটাকে হারিয়ে চোখে অন্ধকার দেখেছিলেন বেইজিংয়ের উ রুই। ভরসা বলতে ছিল মেয়েটাই। কিন্তু পঞ্চাশ পার করা উ-কে এখন নিজের পাশাপাশি বয়স্ক বাবা-মার দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে।

সামান্য পেনশনে দিন চলে না। হঠাৎ ওষুধপত্রের জন্য বাড়তি খরচ ঘাড়ে চাপলে কী হবে, জানেন না উ। এই সমস্যাটা শুধু উ রুইয়ের নয়।

চীনে এক সন্তান নীতির প্রভাবে কোনো পরিবারে দাদা-দাদী এবং নানা-নানীর সঙ্গে সঙ্গে বাবা-মাও আর্থিকভাবে মাত্র একজনের উপরেই নির্ভরশীল। ১৯৮০ সাল থেকে এই নিয়ম চালু হওয়ার পর থেকে দেশ জুড়ে দশ লক্ষ পরিবার তাদের একমাত্র উত্তরাধিকারীকে হারিয়েছেন। আগামী ২০-৩০ বছরে আরও ৪০ থেকে ৭০ লক্ষ পরিবারকে এই অবস্থার শিকার হতে হবে বলে জানাচ্ছেন চীনের পরিসংখ্যানবিদরা।

উ রুই এখন বাড়িতেই বেশির ভাগ সময় কাটান। উল বোনেন। আর বদ্ধ রান্নাঘরে সবার জন্য খাবার তৈরি করেন। উ-এর ৮০ বছরের বাবা কানে শুনতে পান না। ছোট্ট ঘরে বিছানার এক কোণে পড়ে থাকেন। দড়ি থেকে ঝোলে একটা বাল্ব। আর ফাটা দেওয়াল গিলতে আসে উ-কে। ওষুধের খরচের চেয়েও উ-এর বড় ভয়, লরঝরে বাড়িটাই না কোনো দিন ভেঙে দেয়া হয়। বেইজিংয়ের বেশিরভাগ ভগ্নদশার বাড়ির ক্ষেত্রে সেটাই করা হয় যে। বাড়ি না থাকলে যদি কোনো অ্যাপার্টমেন্টে উঠতে হয়, তা কিনতে যা খরচ হবে উ-এর মাসিক পেনশন তার চেয়ে অনেক কম।

অথচ ২০০১ সালে জাতীয় আইন অনুযায়ী, যে সব পরিবার তাদের একমাত্র সন্তানকে হারাবে, স্থানীয় সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সব রকম সাহায্য করবে। কিন্তু সেই সব সাহায্য যে কী, তা স্পষ্ট করে কোথাও বলা নেই। সিচুয়ান প্রদেশে যেমন সেই সব সন্তানহারা পরিবার ফের সন্তানধারণের আর্জি জানাতে পারে।

সাংহাইয়ে এ সব ক্ষেত্রে এককালীন কিছু টাকা দিয়ে দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, বেইজিংয়ে এই রকম ক্ষেত্রে পরিবারপিছু মাসে ২০০ ইউআন দেয়া হয়। আর ওই সব পরিবারের বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে সঙ্গ দিতে পাঠানো হয় যুবক-যুবতীদের।

নিয়ম যতই থাকুক, সেগুলো কোনোটাই বিশেষ কাজে লাগে না বলে মনে করেন আমেরিকার শিক্ষাবিদ ই ফুক্সিয়ান। চীনের পরিবার-পরিকল্পনার নীতির সমালোচনা করে তিনি বলছেন, “এ দেশে মৃত্যুহারের পরিসংখ্যান আমরা খতিয়ে দেখেছি। তার মধ্যে ২৫ বছর বয়সের আশপাশে মৃত্যুর সংখ্যা হিসেব করলে বলতে হয়, চীনের ২১ কোটি ৮০ লক্ষ পরিবারের ৪.৬৩ শতাংশ কিন্তু তাদের একমাত্র সন্তানকে হারাবে। সেই পরিবারগুলোর কী হবে?” ফুক্সিয়ানের পাশাপাশি জনগণনা-বিশেষজ্ঞরাও মানছেন এক সন্তান নীতি দ্রুত বন্ধ করা উচিত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকাতে এই নীতি প্রাথমিক ভাবে কার্যকর হলেও তৈরি হয়েছে অন্য সমস্যা। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, ২০৫০ সাল নাগাদ চীনে জনসংখ্যার ৩০ শতাংশই দখল করে নেবেন ষাট পেরনো মানুষেরা। গোটা পৃথিবীর ক্ষেত্রে যে হার ২০ শতাংশ। আর ২০০০ সালে চীনে যে হার ছিল মাত্র ১০ শতাংশ। বেইজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গু বাওচ্যাং বলছেন, “এক সন্তান নীতি প্রয়োগের পরে ৩২ বছর কেটে গিয়েছে। অভিভাবকদের প্রথম প্রজন্ম বার্ধক্য ছুঁয়েছে। তাই গণ্ডগোলটা এত দিনে বোঝা যাচ্ছে।”

তাই ফুক্সিয়ানের মতো অনেকেই মনে করছেন চীন এখন জন্মহার বাড়াতেই পারে। কিন্তু দেশের জনসংখ্যা এবং পরিবার পরিকল্পনা কমিশনের প্রধান লি বিন বলছেন, “যে নিয়ম মেনে আমরা চলছি, সেটাই মেনে চলা দরকার।” তবে বয়স্ক-জনসংখ্যার হার বৃদ্ধির বিষয়টাও উদ্বেগের, মানছেন লি। তাই হয়তো কিছু কিছু পরিবারকে এক সন্তান নীতির নিয়ম থেকে ছাড় দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এটা আরও আগে হওয়ার দরকার ছিল বলে মনে করেন বাওচ্যাং। বেইজিংয়ের উ-এর মতো অসংখ্য মানুষকে তাই শুধু অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাড়া করে বেড়ায় না। পারিবারিক গণ্ডির মধ্যে একটা অদ্ভুত শূন্যতা গ্রাস করে তাদের।  সূত্র: ওয়েবসাইট।

গুপ্তচরের কাজে লাস্যময়ী, কবুল মোসাদের :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

গুপ্তচরের কাজে লাস্যময়ী, কবুল মোসাদের :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
মনে আছে জিংক্সকে? ‘ডাই অ্যানাদার ডে’ সিনেমায় জেমস বন্ডের সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়েছিলেন এই মার্কিন মহিলা গুপ্তচর। আর সেই ভূমিকায় অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন হ্যালি বেরি। বাস্তবেও জিংক্সের মতো চরিত্র আছে। অন্তত তা-ই বলছে ইসরাইলি গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের সদস্য পাঁচ তরুণীর সাক্ষাৎকার। সম্প্রতি এক ইসরাইলি পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এই সাক্ষাৎকার।

তরুণীরা প্রত্যেকেই অসাধারণ রূপসী। এদের ঝাঁ-চকচকে জীবনযাপন অনায়াসেই হার মানাতে পারে সিনেমার নায়িকাদের। দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন তারা মোসাদের হয়ে কাজ করেন। এই সুন্দরীদের কথায়, মহিলা হওয়ার সুবাদে একটু বেশিই সুযোগ পান তারা। সহজ সরল চোখ দু’টিকে প্রথমেই অবিশ্বাস করতে মন সরে না কারও। কোনো পুরুষকে ঢুকতে দিতে যেখানে অনেকেই দু’বার ভাববেন, সেখানে হাস্যমুখ লাস্যময়ীকে উপেক্ষা করা শুধু কঠিনই নয়, প্রায় অসম্ভব। আর এরই পূর্ণ মাত্রায় সদ্ব্যবহার করে থাকেন এই মহিলা-চরেরা।

প্রেমে বা রণাঙ্গনে ঠিক সব কিছুই। এটাই আপ্তবাক্য এই লাস্যময়ীদের। সাক্ষাৎকারে ইয়েল নামের এক তরুণী জানিয়েছেন, অস্ত্র বা মগজাস্ত্র তো রয়েইছে। মহিলাদের বাড়তি পাওনা তাদের সহজাত আকর্ষণী ক্ষমতা। এমনিই সুন্দরীদের দেখে বুক কাঁপে তাবত পুরুষকুলের। তার উপর মেয়েরাই যদি এগিয়ে এসে ভাব জমায়, তা হলে তো কথাই নেই। উপরমহল থেকেও এই লাস্যময়ী চরেদের নির্দেশ দেয়া থাকে, ‘ফ্লার্ট’ করে যান এমনভাবে যাতে উল্টো দিকে থাকা পুরুষ সঙ্গীটির মনে ঘুণাক্ষরেও কোনো প্রশ্ন না জাগে। মোহময়ীর হাতছানিতে এক বার শুধু সাড়া দিলেই হল, পুরুষটি কাবু হবেনই হবেন। আর এতেই কেল্লা ফতে। তাকে ভুলিয়ে গোপন তথ্য বার করে আনা শুধুই কিছুটা সময়ের অপেক্ষা।

এফরত নামের আর এক তরুণীর কথায়, ফ্লার্টে কোনো কড়াকড়ি নেই ঠিকই, কিন্তু তাদের সীমারেখা ওই পর্যন্তই। কেউ যৌনতার কথা ভাবলেই, দাঁড়ি পরে যায় তাদের কাজে। তথ্য জোগাড়ে মোহময় দুই চোখের হাতছানি পর্যন্ত ঠিক আছে, কিন্তু তা যৌন সম্পর্কের দিকে এগোলেই ঘোরতর আপত্তি রয়েছে মোসাদের। তবে ভাববেন না, কেবল আবেদনের দৌলতেই এই ‘যজ্ঞে’ ঠাঁই হয়েছে মহিলাদের। মোসাদের প্রধান তমির পারদোর মতে, ‘মাল্টিটাসকিং’-এও পুরুষদের অবলীলায় পিছনে ফেলে দেন মহিলারা। কোনো জায়গার বিশেষ অবস্থান, বা পরিস্থিতির গুরুত্ব বিচারে মেয়েরা বিশেষ পারদর্শী। আর এই সবক’টি কারণেই মোসাদের অধিকাংশ সদস্যই মেয়ে।
অতএব, মায়া জড়ানো দুই চোখের প্রেমে পড়ার আগে একটু সাবধান। সূত্র: ওয়েবসাইট।

মাছরাঙা থেকে সুলতানা রহমানের পদত্যাগ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাছরাঙা থেকে সুলতানা রহমানের পদত্যাগ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কর্তৃপক্ষের ‘পরামর্শে’ পদত্যাগ করেছেন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা বিভাগের বিশেষ প্রতিনিধি সুলতানা রহমান। রোববার সন্ধ্যায় তিনি তার পদত্যাগপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে চ্যানেলটির বার্তা বিভাগের একাধিক সূত্র।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরেই সুলতানা রহমান অনেকটা অলস সময় কাটাচ্ছিলেন। চ্যানেলটি যাত্রা শুরু করার পর এই রিপোর্টার যতটা সক্রিয় ছিলেন ততটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন তিনি শেষ সময়টাতে।দীর্ঘদিন তিনি রিপোর্টিং থেকে দূরে সরে ছিলেন বলে জানা যায়।

সূত্র জানাচ্ছে, বেশ কিছু কারণে দীর্ঘদিন ধরেই উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে সুলতানা রহমানের দূরত্ব সৃষ্টি হয়। পদত্যাগের ঘটনাটি এই দূরত্বেরই ফলাফল বলে মনে করা হচ্ছে।

আরেকটি সূত্র জানায়, মাছরাঙা কর্তৃপক্ষ এখন চাইছে যেসব কর্মী বা সংবাদকমী প্রত্যাশানুযায়ী কাজ করছেন না তারা নিজে থেকেই সরে যাক। রোববার সন্ধ্যায় বার্তা বিভাগের সিনিয়র কয়েকজন সাংবাদিকদের এক্ষেত্রে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, সুলতানা রহমানের পদত্যাগকে কেন্দ্র করে মাছরাঙা সংবাদকর্মীদের মধ্যে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তারা এখন পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, চ্যানেলটির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সাথে দ্বন্দ্বের জেরে গত মাসে পদত্যাগ করেছিলেন চ্যানেলটির বার্তা প্রধান শাহ আলমগীর।

বুয়েটে ১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

বুয়েটে ১ ডিসেম্বর ভর্তি পরীক্ষা :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। সোমবার বুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বুয়েটের পুরকৌশল অনুষদের ডিন মো. জাকারিয়ার সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয। উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নজরুল ইসলাম অনুপস্থিত থাকায় তিনি সভাপতিত্ব করেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদনপত্র পাওয়া যাবে। আবেদন করা যাবে ২২ অক্টোবর পর‌্যন্ত।

জানা গেছে, এবার কোনো আসনসংখ্যা বাড়ানো হয়নি। আগের বারের মতোই এক হাজার আসনের বিপরীতে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

আবেদনকারীদের এসএসসি পরীক্ষায় কমপক্ষে জিপিএ-৪ এবং এইচএসসি পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন, গণিত ও ইংরেজিতে জিপিএ-৫ করে পেতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার দিনক্ষণ ঠিক হলেও উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় বুয়েটে এতদিন তা হয়নি।

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ চেয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের কারণে সৃষ্টি হয়েছিল ওই অচলাবস্থা।

৯ সেপ্টেম্বর উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হাবিবুর রহমানকে তার পদ থেকে অপসারণের পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর স্থাপত্য অনুষদের ডিন অধ্যাপক রোকসানা হাফিজকে প্রধান করে বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার জন্য একটি কমিটি করা হয়। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে একাডেমিক কাউন্সিল ভর্তির তারিখ চূড়ান্ত করেছে বলে জানা গেছে।

মাছ রক্ষা এখনো সম্ভব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাছ রক্ষা এখনো সম্ভব :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মানবদেহে প্রোটিনের চাহিদা পূরণের প্রধান উৎস মাছ। অধিক হারে মাছ ধরার ফলে বিশ্বজুড়ে মাছের প্রজাতি ও সংখ্যা কমে আসছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের নতুন গবেষণা দাবি করেছে, বিপন্ন হতে চলা মাছ রক্ষা করা এখনো সম্ভব।

গবেষকরা বিশ্বের প্রায় ১০ হাজার ছোট-বড় মাছ ধরার স্পট পর্যবেক্ষণ করে এ কথা জানিয়েছেন। এ ১০ হাজার স্পট থেকে বিশ্বের ৮০ শতাংশ মাছের চাহিদা পূরণ হয়। গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন, সেসব স্থানে নতুন করে মাছ উৎপাদন সম্ভব।

এর আগে এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, বিশ্বের প্রায় ৬০ শতাংশ মৎস্য স্পটের মাছ কমে আসছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক স্টিভ গেইনস জানান, গবেষণায় দেখা গেছে-মাছের সংখ্যা এখনো বিলুপ্তির পর্যায়ে যায়নি। দক্ষ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মাছের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং এতে গোটা বিশ্বের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন, আরো দীর্ঘ সময় ভোক্তারা ইচ্ছামতো মাছ খেতে পারবেন। সূত্র: এএফপি

প্রযুক্তির আধুনিকায়নে শিথিল হচ্ছে সহকর্মী বন্ধন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রযুক্তির আধুনিকায়নে শিথিল হচ্ছে সহকর্মী বন্ধন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 যোগাযোগপ্রযুক্তির আধুনিকায়নে দিন দিন কমতে শুরু করেছে মুখোমুখি আলাপ বা রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স। একই ভবনে থাকা সত্ত্বেও বেশির ভাগ অফিসেই ইন্টারকম, আইপিফোন কিংবা সেলফোন অথবা ইন্টারনেটের মাধ্যমেই পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ সেরে নিচ্ছেন সহকর্মীরা।

এতে করে কাজের গতি বাড়লেও কমছে হৃদ্যতা। অফিস সহকর্মীদের মধ্যকার চিরায়ত পারিবারিক বন্ধনও শিথিল হচ্ছে। ফলে একই অফিসে খুব বেশি দিন স্থায়ী হচ্ছেন না কর্মীরা। চাকরি বদলের হার বাড়ছে।

সম্প্রতি অফিসব্রোকার নামে এক ওয়েবসাইট প্রায় ৬০০ চাকরিজীবীর ওপর জরিপনির্ভর এমন অভিজ্ঞতা ও মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে ভারতের প্রভাবশালী ইংরেজি দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া।

প্রতিবেদন মতে, ওই জরিপে অংশ নেয়া ৭০ শতাংশ মুখোমুখি সংলাপের চেয়ে সহকর্মীকে ফোন বা ই-মেইল করা পছন্দ করেন। এমনকি একই ভবনে বসে কাজ করলেও তারা এ পদ্ধতিতে যোগাযোগ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

জরিপে অংশ নেয়া কর্মীরা জানান, সহকর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কাজ পাওয়ার বিড়ম্বনা এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রশ্ন এড়াতে তারা এ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। তাদের ভাষায়, সমস্যা সমাধানের সবচেয়ে দ্রুত উপায় সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি চ্যাটিং।

জানা গেছে, জরিপে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের অর্ধেকেরও বেশি সহকর্মীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন না। এর চেয়ে স্কাইপের মতো ভিডিও চ্যাটিং অ্যাপ্লিকেশন, ফোন ও ই-মেইল তাদের কাছে যোগাযোগের সহজ মাধ্যম।

অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো ওয়ালটনের নতুন স্মার্টফোন আসছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো ওয়ালটনের নতুন স্মার্টফোন আসছে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
শিগগিরই বাজারে আসছে ওয়ালটনের স্মার্টফোন, ওয়ালটন অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো। তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এই মোবাইল হ্যান্ডসেটটি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। ‘গেট অ্যান্ড্রয়েড প্রিমো-বি এন্টারটেইন্ড’- স্লোগান নিয়ে বাজারে আসা এই ফোনে রয়েছে তৃতীয় প্রজন্মের কাঙ্খিত প্রায় সবকিছু। ওয়ালটনের স্মার্ট ফোনে থাকছে মাল্টিমিডিয়ার সব সুবিধা। আগামি কয়েকদিনের মধ্যেই ওয়ালটনের এই স্মার্টফোন ওয়ালটন প্লাজা ও পরিবেশকদের মাধ্যমে সারাদেশে পাওয়া যাবে।

ওয়ালটন মোবাইল ফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা এসএম রেজওয়ান আলম বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, ‘নতুন প্রজন্মের ব্যবহারকারিদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এই হ্যান্ডসেটটি আকর্ষণীয়ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। এতে থাকছে দ্বৈত সিম ব্যবহারের জন্য দ্বিকক্ষের সিম চেম্বার। গ্রাহকরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন জিপিএস, জিএসএম, ডাব্লিউসিডিএমএ, ওয়াই ফাই ও এজ। রয়েছে মোশন, গ্রাভিটি, লাইট ও প্রঙিমিটি সেনসর। থাকছে ফেসবুক থেকে শুরু করে কিং সফট অফিস ও এডব রিডার সুবিধা। সংযুক্ত আছে আধুনিক ক্যামেরা ও রেডিও সিস্টেম। হ্যান্ডসেটটিতে কোয়ালকম-১ গিগাহার্টজ প্রসেসর সংযোজন করা হয়েছে যাতে ৩২ গিগাবাইট পর্যন্ত মেমোরি কার্ড সহজেই ব্যবহার করা যাবে।

ওয়ালটনের গবেষণা ও উন্নয়ন শাখার প্রকৌশলী নাশিদ আনজুম জানান, ‘ওয়ালটন স্মার্ট ফোনে রয়েছে তিন দশমিক ৫ ইঞ্চির সুদৃশ্য ডিসপ্লে মনিটর। ৪ গিগাবিট র‌্যাম ও রম এটির কার্যদক্ষতা আরো বাড়িয়েছে। গ্রাহকরা পাচ্ছেন ১৪২০ লিথিয়াম আয়ন mAh পাওয়ারের ব্যাটারি যা দীর্ঘসময় ফোন সচল রাখতে সহায়তা করবে। হ্যান্ডসেটের সঙ্গে বিনামূল্যে দেওয়া হবে ৪ গিগাবাইটের একটি মেমোরি কার্ড ও তিনটি ভিন্ন রঙের সুদৃশ্য ব্যাক কাভার।

উল্লেখ্য, অত্যাধুনিক এই হ্যান্ডসেটের ডিজাইন ও উন্নয়ন করা হয়েছে ওয়ালটনের নিজস্ব গবেষণাগারে। এটির দামও থাকছে সকল শ্রেণীর ক্রেতার নাগালের মধ্যে। সেইসঙ্গে ওয়ালটনের অন্যসব হ্যান্ডসেটও দেশের সকল মোবাইল ফোন ডিলার ও বিক্রয়কেন্দ্রে পাওয়া যাবে।

সমালোচনার মুখে ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ আইন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

সমালোচনার মুখে ফিলিপাইনের সাইবার অপরাধ আইন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ফিলিপাইনের তথ্যপ্রযুক্তি জগতে অপরাধ দমনে তৈরি নতুন আইন নিয়ে সমালোচনা চলছে৷ ব্লগার এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই আইনের সমালোচনা করছে৷ ফেসবুক-টুইটারে মানহানিকর মন্তব্যের জন্য ১২ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে৷

রক্ষণশীল ক্যাথলিক রাষ্ট্র ফিলিপাইনের সরকার এতদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে উৎকণ্ঠিত থাকলেও খুব একটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিল না৷ এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেয়ার জন্য পুলিশের হাতে যথেষ্ট ক্ষমতা ছিল না৷ তাই তারাও এতদিন এ নিয়ে অভিযোগ তুলছিল৷ ফলে অবশেষে ইন্টারনেটে অশ্লীল ছবি প্রকাশ, হ্যাকিং, তথ্য চুরি, পরিচয় গোপন এবং ক্ষতিকর বার্তা ছড়ানোর মতো অপরাধকর্ম দমনে কড়া আইন প্রণয়ন করেছে দেশটির সরকার৷

কিন্তু এই আইন প্রচলিত গণমাধ্যমের জন্য চালু থাকা আইনের চেয়েও বেশি কঠোর হয়ে গেছে এবং এর ফলে একদিকে বাকস্বাধীনতা খর্ব হওয়া আর অন্যদিকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে সমালোচনার ঝড় উঠেছে৷ কারণ এই নতুন আইন অনুসারে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য কিংবা ছবি প্রকাশের জন্য ১২ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ পেসো তথা ২৪ হাজার ডলার অর্থদণ্ড হতে পারে৷ অথচ একই অপরাধের জন্য প্রচলিত গণমাধ্যম বা সংবাদপত্রের সাংবাদিক কিংবা সম্পাদকরা ভোগ করবেন চার বছরের কারাদণ্ড এবং মাত্র ছয় হাজার পেসো৷

এই আইনের আওতায় এখন সরকারি কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেটভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে৷ এছাড়া স্কাইপ-এর মতো ভয়েস চ্যাট কিংবা ভিডিও অ্যাপলিকেশনগুলোতে আঁড়ি পেতে তথ্য শোনার ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে৷

নাগরিক গণমাধ্যম ওয়েবসাইট হিসেবে পরিচিত ‘ব্লগ ওয়াচ' এর অন্যতম সম্পাদক এবং রাজধানী ম্যানিলার স্বনামধন্য ব্লগার নোয়েমি দাদো বলেন, উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েরা অসতর্কভাবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে কোনো বিদ্বেষমূলক ছবি, মন্তব্য কিংবা নিবন্ধ প্রকাশ কিংবা পুনর্বার প্রকাশ করলেও তারা এই আইনের আওতায় শাস্তি ভোগ করবে৷

তিনি বলেন, “সবাইতো বিশেষজ্ঞ নয় যে, কোন বিষয়গুলো বিদ্বেষমূলক কিংবা মানহানিকর তা যাচাই করতে পারবে৷ আমার মতো একজন মায়ের কথাই ধরুন, কিংবা এমন শিশু-কিশোরদের কথা যারা নাটকীয়ভাবে নিজেদের বক্তব্য প্রকাশ করতে পছন্দ করে - তাদের জন্য তো এখন বেশ বিপদ হলো৷ এটি আসলেই আমাদের স্বাধীনতা খর্ব করবে৷”

নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’র এশিয়া দফতরের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, “এই আইন ফিলিপাইনের তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক যোগাযোগের জগতে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে৷ কারণ ফেসবুক ও টুইটার ব্যবহারের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হার রয়েছে যেসব দেশে সেগুলোর একটি ফিলিপাইন৷ দেশটির প্রায় ১০ কোটি মানুষের এক তৃতীয়াংশই ইন্টারনেট ব্যবহার করে৷ আর ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৯৬ শতাংশেরই রয়েছে ফেসবুকে নিয়মিত বিচরণ৷”

যাহোক, এই আইনকে অসাংবিধানিক অ্যাখ্যা দিয়ে এবং এর যথার্থতা চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতে পাঁচটি আবেদন জমা হয়েছে৷ এই আইনটি যখন সংসদে অনুমোদনের জন্য ভোটাভুটি হয়, তখন এর বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন সংসদ সদস্য তেওফিস্তো গুইঙ্গোনা৷ ইতিমধ্যে তিনি এই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে গেছেন৷

তিনি আদালতে বলেন, ‘‘মানহানির অপরাধ কিংবা এর জন্য দায়ী ব্যক্তি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা না থাকায় দৃশ্যত এখন যেকোনো ব্যক্তি ইন্টারনেটের কোনো বক্তব্য কিংবা ছবির পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য কিংবা পুনর্বক্তব্য দিলেই অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে৷”

নতুন আইন নিয়ে এমন বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার পর সংসদে এই আইনের পক্ষে থাকা কিছু এমপি এই আইনের সঙ্গে নিজেদের সংশ্লিষ্টতা বিচ্ছিন্ন করছেন৷ এমনকি তাদের কেউ কেউ বলছেন, তারা আইনে উল্লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যের সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা পড়ে দেখেননি৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন: সাজেদ ফাতেমী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন: সাজেদ ফাতেমী :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এ সময়ের যে ক’জন শিল্পী বৈচিত্রময় গান করছেন, সাজেদ ফাতেমী তাদের মধ্যে অন্যতম। একাধারে গায়ক, গীতিকার, সুরকার ও উপস্থাপক। লোকগান নিয়ে গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন থেকে। ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম একক অ্যালবাম ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’।  সেই থেকে একে একে নয়টি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার। এসব অ্যালবাম ও অন্যান্য কাজ নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন বার্তা২৪ ডটনেট প্রতিনিধি।

প্রশ্ন: শুরুতে জানতে চাই সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘ফেরারী জোনাকি’ সম্পর্কে।
সাজেদ ফাতেমী: ‘ফেরারী জোনাকি’ ছিল আমার স্বপ্ন। দুই বছরেরও বেশি সময় নিয়ে ১৭টি গান তৈরি করেছিলাম। চারটি গানের কম্পোজিশন দুইজন সঙ্গীত পরিচালক দু’বার করেছেন। সেখান থেকে বাছাই করে ১০টি গান রেখেছি অ্যালবামে।

প্রশ্ন: গানগুলো কারা লিখেছেন?
সাজেদ ফাতেমী: লিখেছেন- বরকতউল্লাহ মারুফ, সাজেদ ফাতেমী, মুরশিদুল আলম চৌধুরী, তন্ময় চৌধুরী ও তানজিম। সুমন কল্যাণ ও বনি আহমেদের সঙ্গীতে গানগুলোর সুর আমারই করা। দুটির সুর করেছেন বনি আহমেদ। 

প্রশ্ন: ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ প্রকাশের নয় বছর পর ‘ফেরারী জোনাকি’- এত বিরতি কেন?
সাজেদ ফাতেমী: আসলে বিরতি দিয়েছি ঠিকই, কিন্তু এরই মধ্যে আরও সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। ‘কতোদিন তোমাকে দেখি না’ ছিল গতানুগতিক ধারার বিরহের গানের একটি অ্যালবাম। ওই সময় অবশ্য ওরকম গানেরই চাহিদা ছিল বেশি। তাই গড্ডলিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম। অ্যালবামটি সুপারহিট হলেও আমার মন খুঁজছিল অন্য কিছু। অবশ্য খুঁজতে খুঁজতে পেয়েও গেলাম।

প্রশ্ন: মন নিশ্চয়ই একেবাওে ব্যতিক্রম কিছু খুঁজছিল-
সাজেদ ফাতেমী: ঠিক তাই। ২০০৪ সালের নভেম্বরে এনটিভিতে বাউল গানের অনুষ্ঠান ‘মন আমার সন্ধান করি’ উপস্থাপনার সুযোগ পাই। এনটিভির তৎকালীন প্রযোজক পারভেজ চৌধুরী ওই সুযোগ করে দেন। অনুষ্ঠানটি করতে পুরো শু্যটিং ইউনিট নিয়ে ঢাকার বাইরে একেবারে বাউলদের বাড়িতে চলে যেতাম। প্রত্যন্ত অঞ্চলের এই বাউল শিল্পীরা যে এতো অসাধারণ গান গাইতে পারেন, তা দেখে আমি অবাক হয়ে গেলাম। এক সময় তাদের তুলনায় আমার নিজেকে অনেক ক্ষুদ্র মনে হতে লাগলো। আমার মনে হলো, এই বাউল গান নিয়েই কিছু করা দরকার। তাই লোকগান নিয়ে গবেষণায় মন দিলাম। এরপর আর একক অ্যালবাম করার ইচ্ছে হয়নি।

প্রশ্ন:  এবার আপনার অন্যতম আলোচিত একটি কাজ নিয়ে কথা বলতে চাই। ২০০৬ সালে বিবিসি শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত দুই বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ গানগুলো নিয়ে আপনি দুটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। এই ওই অ্যালবাম দুটি আমার জীবনে করা সবচেয়ে মধুর ও সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতার কাজ। ‘মানুষ মানুষের জন্য’ ও ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি এখনও মানুষ কেনে। এতে গান গেয়েছেন আব্দুল জববার, আপেল মাহমুদ, ফরিদা পারভীন, রফিকুল আলম, আবিদা সুলতানা, সামিনা চৌধুরী, রুমানা ইসলাম, সাজেদ ফাতেমী, রেবেকা সুলতানা ও উত্তম দেওয়ান। অ্যালবাম দুটি স্পন্সর করে বেক্সিমকো ফার্মা।

প্রশ্ন: গান করেন কবে থেকে?
সাজেদ ফাতেমী: সেই ছোটবেলা থেকে। ক্লাশ সেভেনে থাকতেই বিভিন্ন জায়গায় গান গাইতে যেতাম।

প্রশ্ন: আপনি তো থিয়েটারের একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন।
সাজেদ ফাতেমী: হ্যাঁ। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে আসার পর সবমিলিয়ে প্রায় ১০ বছরের থিয়েটার করেছি। থিয়েটার জীবনে ১৭টি মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছি। তিনটি নাটকের নির্দেশনাও দিয়েছি।

প্রশ্ন: গানওয়ালা ব্যান্ড গঠন করলেন কবে ?
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৭ সালে লোকগানের ওপর ভিত্তি করে ‘গানওয়ালা’ নামে একটি ব্যান্ড গঠন করি। ২০০৮ সালে ব্যান্ডের প্রথম অ্যালবাম ‘নজর রাখিস’ প্রকাশ করি।

প্রশ্ন: আপনি তো শুধু মা’কে নিয়ে এবং শুধু বাবাকে নিয়ে অ্যালবাম করেছেন।
সাজেদ ফাতেমী: ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক মা দিবসে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শুধু মা’কে নিয়ে মৌলিক গানের একটি মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ করেছি। আমার লেখা ও সুরে ‘মা জননী’ শিরোনামে ওই অ্যালবামে আমি ছাড়াও গান গেয়েছেন তপন চৌধুরী, সামিনা চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, ফকির শাহাবুদ্দিনসহ নয়জন শিল্পী। ২০১০ সালের জুন মাসে বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষ্যে শুধু বাবাকে নিয়ে আমার সুরে পিতা’ শিরোনামে একটি মিশ্র অ্যালবাম তৈরি করি। ২০১১ সালের জুলাইয়ে আমার গবেষণা ও পরিকল্পনায় শুধু ভাওয়াইয়া গানের মিশ্র অ্যালবাম ‘পূবাল বাতাস’ প্রকাশিত হয় লেজার ভিশনের ব্যানারে। এতে গান করেন নাশিদ কামাল, পূর্ণচন্দ্র রায়সহ দেশের বিখ্যাত ভাওয়াইয়া শিল্পীরা।

প্রশ্ন: আপনার ‘মা জননী’ ও ‘পিতা’ শিরোনামে অ্যালবাম দুটি কিন্তু অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাজেদ ফাতেমী: হয়তো তাই। কারণ আমার জানামতে, শুধু মা’কে নিয়ে কিংবা শুধু বাবাকে নিয়ে গানের অ্যালবাম এদেশে এর আগে হয়নি। সে ক্ষেত্রে নতুন মাত্রা সংযোজন তো বটেই।

প্রশ্ন: লোকগান নিয়ে বৈশাখী টেলিভিশনে আপনার গবেষণা ও উপস্থাপনায় একটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়েছে। এটি কতদিন চলে ?
সাজেদ ফাতেমী: অনুষ্ঠানটির নাম ‘জীবন এতো ছোট ক্যানে’। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হয়ে ২০১২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত চলে।

প্রশ্ন: গানের মিউজিক ভিডিও বা অন্য নতুন কোনো খবর আছে?
সাজেদ ফাতেমী: আছে। ফেরারী জোনাকি অ্যালবামের ‘ভিজা বালু’ গানটি নতুন করে কম্পোজিশন করে মিউজিক ভিডিও করেছি।  শ্রোতাদের ব্যাপক রেসপন্সের পরিপ্রেক্ষিতে মিউজিক ভিডিও’র জন্য এ গানটি বেছে নিয়েছি। এটি নির্মাণ করেছেন আলমগীর হোসেন। আর নতুন করে কম্পোজিশন করেছেন মীর মাসুম। আশা করছি ঈদের পরপরই প্রায় সব চ্যানেলে এই মিউজিক ভিডিও প্রচার হবে।

সম্প্রতি দেশ টিভির ফোনো লাইভ অনুষ্ঠান ‘প্রিয়জনের গান’ এ অংশগ্রহণের পর বিভিন্ন চ্যানেল থেকে লাইভ শো করার প্রস্তাব পেয়েছি। ঈদের পরপরই কয়েকটি শো করবো আশা করছি। তাই প্রস্ত্ততি নিচ্ছি।

ডার্টি পিকচার দূর করতে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডার্টি পিকচার দূর করতে :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 ‘ডার্টি পিকচারে’র অভিনেত্রী এ বার ‘ডার্টি’ বা অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস হঠাও অভিযানের নায়িকা।

দেশ জুড়ে শৌচাগার ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে তুলতে নির্মল ভারত যাত্রা শুরু করছে কেন্দ্র। অভিনেত্রী বিদ্যা বালন তার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। গত শুক্রবার নয়া দিল্লির প্রকল্পটির উদ্বোধনে হাজির ছিলেন তিনি। এ বার থেকে সারা ভারতকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার শিক্ষা দেবেন বিদ্যাই।

আগামী সপ্তাহ থেকেই দেশের বিভিন্ন গ্রামে ঘুরবে ‘নির্মল ভারত যাত্রা’-র মেলা। সেই মেলাতেই গ্রামবাসীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রচার করা হবে। সাবান দিয়ে হাত ধোওয়া এবং খোলা জায়গায় প্রাতঃকৃত্য না সারার কথা বলা হবে।

একবিংশ শতকেও ভারতের অধিকাংশ গ্রামেগঞ্জে ল্যাট্রিন ব্যবস্থা বলতে প্রায় কিছুই নেই। এখনও প্রাতঃকৃত্য সারতে খোলা মাঠ আর ছাতাই ভরসা গ্রামবাসীদের। গত এক দশকে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। এই বছরের প্রথম দিকেই তাই কেন্দ্র ঘোষণা করেছিল যে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে ভারতের সব ক’টি গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে যাতে শৌচাগার থাকে, তা নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার নয়া দিল্লিতে বসে বিদ্যাও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন করে তোলা যাতে ভারতে প্রাতঃকৃত্য সারতে আর কেউ খোলা মাঠে না যান।’’ আগামী সপ্তাহ থেকেই টেলিভিশন এবং রেডিও-তে বিজ্ঞাপনের ফাঁকে শোনা যাবে বিদ্যার গলা। একটি বিজ্ঞাপনে তিনি বলবেন, গ্রামের মেয়ে-বউরা লোকের সামনে ঘোমটা সরাতে লজ্জা পান! কিন্তু খোলা মাঠে প্রাতঃকৃত্য সারাটা কি কম লজ্জার কথা?

কিন্তু অনেকেই একটা জরুরি প্রশ্ন তুলছেন। সেটা হলো, শৌচাগারে না যাওয়ার পিছনে শুধুই কি সচেতনতার অভাব? শৌচাগার তৈরির খরচ কোথা থেকে আসবে? শৌচাগার হলে তার পানির ব্যবস্থা কোথা থেকে হবে?

কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী জয়রাম রমেশ স্বীকারও করেছেন, ভারতের নানা জায়গায় ২৪ ঘণ্টা পানির ব্যবস্থা এখনও নেই। শুক্রবারই বিদ্যার পাশে দাঁড়িয়ে রমেশ ঘোষণা করেন, গ্রামগুলিতে ২৪ ঘণ্টা পানি এবং শৌচাগার তৈরির জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

আপাতত একটি ভারতীয় এবং মার্কিন সংস্থা যৌথ ভাবে ‘নির্মল ভারত যাত্রা’র আয়োজন করেছে। উদ্যোক্তারা ক্রিকেট এবং সিনেমা জগতের আরও কয়েকজনকে এই প্রচারের সঙ্গে যুক্ত করার কথাও ভাবছেন। বিদ্যা তো এগিয়ে এসেইছেন। কেন এমন একটি প্রকল্পে উৎসাহ পেলেন তিনি?

বিদ্যা জানান, সম্প্রতি ভারতের শৌচাগার ব্যবস্থা সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট পড়েন তিনি। সেখান থেকেই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারেন। আর তাই এই পদক্ষেপ। সমীক্ষা বলছে, শুধুমাত্র খোলা মাঠে প্রাতঃকৃত্য সারার জন্যই ডায়রিয়া আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন মারা যায় এক হাজার শিশু।

আগামী ৫১ দিনে পাঁচটি রাজ্যের গ্রামে এই মেলা হবে। মেলাটি শেষ হবে বিহারের বেতিয়াতে। ওই গ্রাম থেকেই শুরু হয়েছিল গান্ধীর সত্যাগ্রহ আন্দোলন। গান্ধী নিজে এই ব্যবস্থারও অন্যতম হোতা ছিলেন। বিদ্যাও নিজে গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচারে অংশ নেবেন বলে কথা দিয়েছেন! হাজার হোক গান্ধীগিরিকে নতুন করে ফিরিয়ে আনার ছবি ‘লগে রহো মুন্নাভাই’-এর নায়িকাও তো তিনিই ছিলেন! সূত্র: ওয়েবসাইট।

শিশুমৃত্যু রোধে শিগগিরই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া’র টিকা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

শিশুমৃত্যু রোধে শিগগিরই ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া’র টিকা :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেছেন, “দেশে শিশু মৃত্যুর হার এখনো বেশি। এর প্রধান কারণ- ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া। এজন্য খুব শিগগিরই এই দু’টি টিকার ব্যবস্থা করা হবে। টিকা দু’টির প্রচলন হলে শিশু মৃত্যুর হার অনেকাংশে কমে যাবে।”

সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় শিল্পকলা একাডেমীতে এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এতে সভাপতিত্ব করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব তারিক উল ইসলাম।

রুহুল হক বলেন, “পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশ শিশুদের উন্নয়ন কাজে অনেক এগিয়ে আছে।”

“শুধু মাতৃত্বকালীন ভাতা নয়, মাতৃত্বকালীন ছুটিও চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়েছে। শিশুরাই আগামীতে মন্ত্রী হবে। দেশের নেতৃত্ব দেবে।” যোগ করেন তিনি।

বিশেষ অতিথি মহিলা ও শিশু প্রতিমন্ত্রী শিরিন শারমিন চৌধুরী বলেন, “বিদ্যালয়ে শিশুদের শাস্তি দেয়া নিষেধ। কিন্তু এখনো দেশের অনেক যায়গায় এটি মানা হচ্ছে না। শিগগিরই এ ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেসেন্টেটিভ প্যাসকাল ভিলেনিয়্যু।

সুস্বাস্থ্যের জন্য দই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

সুস্বাস্থ্যের জন্য দই :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

দই পছন্দ করে না এমন লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন। সেই প্রাচীনকাল থেকেই মানুষের প্রিয় খাবারের তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করছে দই। বিশ্বের সব দেশেই এ জাতীয় খাবারের ব্যবহার লক্ষণীয়। তবে স্থান-কালভেদে এ খাবারের বিভিন্ন নামকরণ করা হয়েছে; কিন্তু দই বা ঘোল জাতীয় খাবার কি কেবলই মুখেরোচক, নাকি এর স্বাস্থ্যগত গুরুত্ব রয়েছে? এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন। তারা বলছেন, দই বা ঘোল জাতীয় খাবার স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। সুস্থ হাড়ের জন্য প্রতিদিন যে পরিমাণ দুগ্ধজাত খাবার দরকার, তার অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশ পূরণ করতে পারে এক গ্লাস দই। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দই জাতীয় খাবার পাওয়া যায়। এগুলো পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় রাখে, হজমে সহায়তা করে। এ জাতীয় খাবারে উপকারী ব্যাকটেরিয়া, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন রয়েছে। এ ব্যাকটেরিয়া অন্ত্রে দ্রুত খাবার সরবরাহে সহায়তা করে, দূর করে কোষ্ঠকাঠিন্য। ইদানীং অনেক ব্র্যান্ডের দইয়ে ফ্যাট কম থাকে। স্বল্প রক্তচাপের রোগীর জন্য এ দই খেতে অনেক চিকিৎসক পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস আজ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সোমবার ১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস।  দেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছে।

১৯৯০ সালে জাতিসংঘ প্রতিবছর ১ অক্টোবরে আন্তর্জাতিক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯১ সাল থেকে বিভিন্ন দেশ দিবসটি পালন শুরু করে।

প্রবীণদের জীবনযাত্রার উন্নয়ন, পুনর্বাসন ও অধিকার বাস্তবায়ন দাবিতে বাংলাদেশ প্রবীণ অধিকার ফোরাম সোমবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করবে। মানববন্ধন শেষে শোভাযাত্রা বের করা হবে।

জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বে প্রবীণদের সংখ্যা ৭০ কোটি। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭% প্রবীণ এবং বাংলাদেশের প্রবীণদের ৭৮% বিধবা। জাতিসংঘের সংজ্ঞানুযায়ী ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তিকে প্রবীণ বলা হয়। পরিবারের বয়স্কদের প্রতি সম্মান প্রর্দশন এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে প্রতি বছর বিভিন্ন সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে।

Monday, October 1, 2012

৩ অপারেটরের রেয়াত বাতিল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৩ অপারেটরের রেয়াত বাতিল :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 টুজি লাইসেন্স নবায়নকালে নেয়া তিন মোবাইল অপারেটর রবি, বাংলালিংক ও গ্রামীণফোনের রেয়াত বাতিল করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। রেয়াতের বিপরীতে উপযুক্ত দলিল জমা দিতে না পারায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
 
বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ) ভ্যাট এর দায়িত্বশীল সূত্রে জানাগেছে, টুজি লাইসেন্স নবায়নকালে রবি ৮৩ কোটি টাকা, বাংলালিংক ৮৬ কোটি এবং গ্রামীণফোনের ১৪১ কোটি টাকা রেয়াত নিয়েছিল।
 
সূত্র মতে, ২০১২ সালের কর মেয়াদে উল্লিখিত টাকা রেয়াত নিয়েছে রবি। কিন্তু রেয়াতের বিপরীতে প্রয়োজনীয় চালানপত্র (মুসক-১১) দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ১৯৯১ সালের ভ্যাট আইনের ৯ ধারা অনুসারে তাদের রেয়াত বাতিল করা হয়। এখন রাজস্ব বোর্ড এর চলতি হিসাবে থাকা জমাকৃত টাকা থেকে তা সমন্বয় করা হবে।
 
সূত্র আরো জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই বাংলালিংকের টাকা সমন্বয় করা হয়েছে এবং গ্রামীণফোনের বাতিলকৃত রেয়াতের টাকা শিগগিরই সমন্বয় করা হবে।
 
জানা গেছে, রবি টু-জি লাইসেন্সের জন্য টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি)। একইসঙ্গে বিটিআরসি’র কাছ থেকে ভ্যাট রেয়াত নিয়েছে।
 
তবে মূসক-১১ চালান ইস্যু করার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় বিটিআরসি আইনত রেয়াত দিতে পারে না। এনবিআরের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রবি চাইলে বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করতে পারবে।

এখনো বিয়ে করিনি: রানি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

এখনো বিয়ে করিনি: রানি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 যশ রাজ ফিল্মসের সেটজুড়ে যতই তাকে ‘ভাবি’ বলে সম্বোধন করা হোক, রানি মুখার্জি নিজে আদিত্য চোপড়ার সঙ্গে তার বিয়ের জল্পনাকে ফের ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি দৈনিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে রানি বলেন, “জানি না পেছনে লোকে আমাকে নিয়ে কী কথা বলছে। আমাকে সরাসরি কেউ কোনও কথা না বললে তো আমি তার প্রতিক্রিয়া দিতে পারি না। তবে একথা নিশ্চিত করে জানাতে পারি আমি বিবাহিত নই।”

তার বিয়ে নিয়ে সমস্ত জল্পনাকে উড়িয়ে দিয়ে তিনি আরো বলেন, “এটা একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন গুজব। আমি সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। আমার পরিবার আমার বিয়ে নিয়ে গর্বিত হবে। এটা লুকোনোর কোনো দরকার হবে না।”

বিয়ে সম্পর্কে ধারণা ব্যক্ত করতে গিয়ে রানি বলেন, “বিয়ে অত্যন্ত পবিত্র একটা প্রতিষ্ঠান। আমি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলে শ্রদ্ধাশীল হয়ে তা পালন করব।” সূত্র: জি.এন।

বই-বিতর্কে মুখ খুললেন রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বই-বিতর্কে মুখ খুললেন রাওলিং :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
ছোটদের বই লিখে বিখ্যাত হওয়া জে কে রাওলিংয়ের বড়দের বই ‘ক্যাজুয়াল ভ্যাকেন্সি’ প্রকাশিত হয়েছে গত ২৭ সেপ্টেম্বর।যা ইতিমধ্যেই বিতর্কের ঝড় তুলেছে।আর এই বিতর্কের জবাব দিতেই শনিবার মুখ খুলেছেন লেখিকা নিজেই।

‘ক্যাজুয়াল ভ্যাকেন্সি’র গল্পটি পশ্চিম ইংল্যান্ডের প্যাগফোর্ড নামের একটি শহরে বসবাসকারী একটি শিখ পরিবারকে নিয়ে।আর যত বিপত্তি এখানেই।শিখদের নিয়ে বেশ কিছু মন্তব্য, বিশেষ করে ওই শিখ পরিবারের এক সদস্য, কলেজের ছাত্রী সুখবিন্দরের শারীরিক গঠনের যে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তাতেই চটেছে ভারতের শিখ সম্প্রদায়।
 
তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংগঠন অকাল তখত বইটির সমালোচনায় মুখর হয়েছে।তাদের প্রতিনিধি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটির (এসজিপিসি) প্রধান অবতার সিং মক্কড় দাবি জানিয়েছেন, অন্তত ভারতে যে বইগুলি বিক্রি হবে সেগুলি থেকে আপত্তিকর অংশগুলি বাদ দিতে হবে।নইলে আইনের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হবেন তারা।

তবে লেখিকা রাওলিংয়ের দাবি, শিখদের সম্পর্কে না জেনেশুনে একটা বর্ণও লেখেননি তিনি।বরং রীতিমতো পড়াশোনা করেই যা লেখার লিখেছেন। ৪৭ বছরের রোওলিং জানান, তার বয়স যখন বিশ বছর ছিলো, তখন তার এক শিখ বান্ধবী ছিল।সেই বান্ধবীর কাছ থেকেই প্রথম জানতে পারেন শিখ ধর্ম সম্পর্কে। জানতে পারেন, এই ধর্মে নারী-পুরুষের মধ্যে কোনও রকম ভেদাভেদ করা হয় না। সেই সময় থেকেই এই ধর্ম নিয়ে আগ্রহ বাড়তে থাকে তার। আর তাই শিখ ধর্ম নিয়ে অনেক পড়াশোনাও করেছেন। যার ফলেই প্রতিটি চরিত্র গভীর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন।
 
শিখদের অভিযোগরে ব্যপারে রাওলিং বলেন, “জওয়ানদাসের পরিবার যে কোনও মধ্যবিত্ত পরিবারের মতোই। সেখানে বাবা-মা দু’জনেই যথেষ্ট সফল। তিনটি বাচ্চাও খুব সুন্দর। তবুও ওই পরিবারে নানা সমস্যা তৈরি হয়। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হল, বাইরে থেকে নানা ধরনের চাপ তৈরি হওয়া। বিশেষ করে মায়ের উপর।”
 
প্যাগফোর্ডে জওয়ানদাসের পরিবারকে যে সব সমস্যার মুখে পড়তে হয় তার মধ্যে সব চেয়ে গুরুতর হল জাতিবিদ্বেষ। লেখিকার দাবি, বইটিতে তিনি সেটিই দেখিয়েছেন। সূত্র: আ.বা

গেঁটেবাত কমায় চেরি ফল :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

গেঁটেবাত কমায় চেরি ফল :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চেরি ফল খেলে গেঁটেবাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। নতুন এক গবেষণায় এমনটিই জানিয়েছেন আমেরিকার একদল গবেষক।

মার্কিন গবেষকদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, যারা সপ্তাহে অন্তত  দু’দিন চেরি ফল খান তাদের গেঁটেবাতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি যারা চেরি ফল খান না তাদের তুলনায় শতকরা ৩৫ ভাগ কম থাকে। গেঁটেবাতে আক্রান্ত রোগীদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এমনটিই প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। 
 
আর্থ্রাইটিস অ্যান্ড রিউম্যাটিজম বিভাগের গবেষকরা বলেন, চেরি ফলে রয়েছে অ্যানথোসায়ানিন জাতীয় রাসায়নিক উপাদান, যার মধ্যে অ্যানাটিঅক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা প্রদাহজনিত রোগের প্রভাব থেকে দেহকে রক্ষায় সহায়তা করে।
আর্থ্রাইটিস সমস্যার মধ্যে গেঁটেবাত হলো একটি অতিসাধারণ সমস্যা, যার ফলে অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। এতে হাঁটাচলায় ব্যাঘাত ঘটে। রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ অতিমাত্রায় বেড়ে গেলে চামড়ার নিচে তার প্রভাব পড়ে। ফলে অস্থিসন্ধিতে স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বাধা পায় এবং তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।
 
গেঁটেবাত থেকে রক্ষায় ভালো ফল পেতে তাই বেশি করে চেরি ফল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। সূত্র: বিবিসি
 

‘প্রহসনে’র উপনির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলেন আফসার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘প্রহসনে’র উপনির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলেন আফসার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রহসনমূলক’ উল্লেখ করে গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসার উদ্দীন আহমদ খান। রোববার এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন তিনি।

ভোট শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে, বেলা সাড়ে তিনটার দিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসারউদ্দীন আহমদ এই নির্বাচন মানতে পারছেন না উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেন। চিঠিতে আফসারউদ্দীন আহমদ অভিযোগ করেন, শনিবার রাত থেকে প্রশাসন তাদের সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেছেন। বেলা একটা পর্যন্ত মাত্র শতকরা ১৫ ভাগের মতো ভোট পড়ার পর সরকারদলীয় লোকেরা ভোটকেন্দ্রগুলো দখল করে নেয়।

চিঠিতে আফসারউদ্দীন আহমদ আরো অভিযোগ করেন, কাপাসিয়ার ভোটকেন্দ্রগুলোতে জাল ভোটের ছড়াছড়ি।

এদিকে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। রোববার গাজীপুর-৪ আসনের উপনির্বাচনে ভোট দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

জনপ্রিয়তা কম বলেই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এ ধরনের অভিযোগ তুলছেন বলে মন্তব্য করেন রিমি।

উপনির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি নির্বাচন করেছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে। সিপিবির মনোনীত আসাদুল্লাহ বাদলের প্রতীক কাস্তে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসারউদ্দীন আহমদের প্রতীক মোরগ।

এর আগে সকাল ৮টায় গাজীপুরের ১১টি ইউনিয়নের ১০২টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট নেয়া হয়। ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন সবাই।

কাপাসিয়া উপনির্বাচন খুবই ভালো হয়েছে:সিইসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

কাপাসিয়া উপনির্বাচন খুবই ভালো হয়েছে:সিইসি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 গাজীপুর-৪ উপনির্বাচন খুব ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ।

রোববার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘‘সব কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট হয়েছে। সকাল ৮টায় শুরু হয়ে এ ভোট বিকেল ৫টায় শেষ হয়। কিন্তু আমাদের কাছে কোনো গোলযোগ বা সমস্যার কথা আসেনি। সব মিলিয়ে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘আনুমানিক ৪০ শতাংশ ভোট কাস্ট হয়েছে। আমি গাজীপুর সফরকালে সবাইকে বলে দিয়েছি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বরদাস্ত না করার জন্য। আমরা কোনো পক্ষপাতিত্ব করিনি।’’

সিইসি বলেন, ‘‘এ নির্বাচনে তিন হাজার আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্য আমরা মোতায়েন করেছি। দেশী-বিদেশি ১৬০ জন পর্যবেক্ষক এখানে কাজ করেছে। আমরা ৩০০ সাংবাদিককে এ নির্বাচন কাভার করার অনুমোদন দিয়েছি। তারাও দেখেছে নির্বাচন কেমন হয়েছে।’’

স্বতন্ত্র প্রার্থী আফসার উদ্দিনের শেষ সময়ে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান বিষয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রত্যাহারের বিষয়ে আমাকে নয়, উনাকে প্রশ্ন করুন। উনিই ভালো জানবেন। আমরা নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য কোনো কিছুই বাদ রাখিনি।’’

আমরা নির্বাচন কর্মকর্তাদের বলে দিয়েছি এমন ব্যবস্থা নেয়ার জন্য যাতে কেউ কোনো ধরনের বাঁধার সম্মুখিন না হয়। সব মিলিয়ে নির্বাচন পরিচ্ছন্ন হয়েছে বলেও মত দেন তিনি।

পরবর্তী নির্বাচনগুলোতে বিএনপির অংশ নেয়ার ব্যাপারে কমিশন কোনো ব্যবস্থা নেবে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচনে সবার উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। তবে কোনো দল কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে কি নেবে না তা তাদের স্ট্র্যাটেজির ওপর নির্ভর করে।’’

নির্বাচনে কম ভোট কাস্ট হওয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘‘নির্বাচন উপলক্ষে আমরা সেখানকার স্কুল-কলেজ ছুটি দিয়েছি। কিন্তু আপনারা জানেন সেখানকার অধিকাংশ লোক বাইরে চাকরি করে। সে চাকরি থেকে তো তাদের ছুটি দেয়নি। তাই হয়তো ভোট কম পড়েছে। তাছাড়া আবহাওয়ার কারণেও ভোটার কম এসেছে।’’

শ্যামপুরে ছিনতাইকারীদের গুলিতে বিপণন কর্মী নিহত, আহত ১ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শ্যামপুরে ছিনতাইকারীদের গুলিতে বিপণন কর্মী নিহত, আহত ১ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদ গলিতে ছিনতাইকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন মদিনা গ্রুপের কর্মচারী হাবিবুর রহমান (৫৫)। গুরুতর আহত হয়েছেন তার সহকর্মী লিপু মিয়া (৩৫)।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে আজগর মেম্বরের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা মোস্তফা নামে ছিনতাইকারী দলের সদস্যকে গণধোলাই দিয়েছে।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হাবিবুর রহমান আওয়ামী লীগ নেতা হাজি সেলিমের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের বিপণন বিভাগে চাকরি করতেন। রোববার তিনি বিভিন্ন দোকান থেকে টাকা কালেকশন করে বাসায় ফিরছিলেন।

শ্যামপুর লাল মসজিদের গলিতে ছিনতাইকারীরা তার কাছ থেকে ওই টাকা কেড়ে নিতে চাইলে তিনি বাধা দেন। এসময় হাবিব ও তার সহকর্মী লিপুকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষণ করে ছিনতাইকারীরা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান হাবিব।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা লিপুকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে ছিনতাইয়ের ঘটনা টের পেয়ে এলাকার লোকজন ধাওয়া করে মোস্তফা নামে এক ছিনতাইকারীকে ধরে গণধোলাই দেয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। তবে ছিনতাইকারীরা কত টাকা নিয়ে গেছে তা জানা যায়নি।