দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবরুদ্ধ নির্ঘুম রাত কাটালেন বিএনপিও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতাকর্মী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে।
আগে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্ট-ধাওয়ার পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আটকে পড়া নেতাকর্মীরা বের হতে পারলেও মঙ্গলবার সংঘর্ষের পরে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে গ্রেফতার আতঙ্কে বের হতে পারেন নি তারা। যারা বের হয়েছেন তাদের সবাইকেই গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
কার্যালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী (দফতরের দায়িত্ব প্রাপ্ত) বার্তা২৪ ডটনেটকে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘‘কি করব ভাই। কালকে বিকেলে পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে যে কার্যালয়ে ঢুকেছি, এখনো এখানেই আছি। রাতে যারাই বের হয়েছে পুলিশ তাদেরই আটক করেছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘সারারাত অবরুদ্ধ অবস্থায় সবাই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। সকাল থেকেই দুইস্তর বিশিষ্ট পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে পুলিশ কার্যালয় ঘিরে রেখেছে।’’
মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলেও জানান রিজভী।
রুহুল কবির রিজভী ছাড়া বিএনপির সিনিয়র কোনো নেতা কার্যালয়ে অবরুদ্ধ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ২০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’’
মঙ্গলবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের ধাওয়া খেয়ে বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের দুই শতাধিক নেতাকর্মী নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে।
আগে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্ট-ধাওয়ার পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে আটকে পড়া নেতাকর্মীরা বের হতে পারলেও মঙ্গলবার সংঘর্ষের পরে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির কারণে গ্রেফতার আতঙ্কে বের হতে পারেন নি তারা। যারা বের হয়েছেন তাদের সবাইকেই গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
কার্যালয়ের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে চাইলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী (দফতরের দায়িত্ব প্রাপ্ত) বার্তা২৪ ডটনেটকে অসহায়ত্ব প্রকাশ করে বলেন, ‘‘কি করব ভাই। কালকে বিকেলে পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে যে কার্যালয়ে ঢুকেছি, এখনো এখানেই আছি। রাতে যারাই বের হয়েছে পুলিশ তাদেরই আটক করেছে।’’
তিনি বলেন, ‘‘সারারাত অবরুদ্ধ অবস্থায় সবাই নির্ঘুম রাত কাটিয়েছি। সকাল থেকেই দুইস্তর বিশিষ্ট পোশাকধারী ও সাদা পোশাকে পুলিশ কার্যালয় ঘিরে রেখেছে।’’
মঙ্গলবার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীকে পুলিশ আটক করেছে বলেও জানান রিজভী।
রুহুল কবির রিজভী ছাড়া বিএনপির সিনিয়র কোনো নেতা কার্যালয়ে অবরুদ্ধ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল বারি বাবু, ছাত্রদল সভাপতি আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েলসহ সকল অঙ্গ সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মী রয়েছেন।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নেত্রকোনায় ১৮ দলীয় জোটের সমাবেশে যাওয়ার পথে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আববাসের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় দুটি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ২০ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।’’















