Pages

Friday, October 5, 2012

সরকার দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে: ফখরুল :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট

সরকার দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে: ফখরুল :: রাজনীতি :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পুলিশ তিন দিন ধরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রেখেছে অভিযোগ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “এমন ঘটনা নজিরবিহীন। এতে মনে হয় সরকার দেশকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।”

শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাসদসহ কয়েকটি দলের নেতাকর্মীদের বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন।

সরকারকে সবক্ষেত্রে ব্যর্থ দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, “তাদের ব্যর্থতা ও অযোগ্যতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের পর এবার আরব আমিরাত বাংলাদেশের জনগণের জন্য ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “সরকার দুর্নীতিতে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। সে কারণেই ঋণ দেয়ার পর বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে ঋণ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এখন আবার শর্তপূরণ সাপেক্ষে ঋণ দেয়ার কথা বলছে তারা।”

সরকার নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার কথা বললেও এখন স্থানীয় সরকারের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ মন্তব্য করে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় এলে একে শক্তিশালী ও কার্যকর করবে।”

ফখরুল অভিযোগ করে বলেন, “হলমার্কের মাধ্যমে সোনালী ব্যাংকের সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা লুটের ঘটনায় ২৭ জনের বিরুদ্ধে দুদক মামলা করলেও এ ঘটনার জন্য দায়ী সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের কারো বিরুদ্ধে মামলা করেনি। অথচ পরিচালনা পর্ষদকে না জানিয়ে এটা করার কোনো সুযোগ নেই।”

কক্সবাজারের রামুতে সংঘটিত বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের ওপর হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ফখরুল বলেন, “সরকার এ ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করলেও আওয়ামী লীগের আমলেই দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মন্দির, উপসানালয়গুলোতে তাদের প্রশ্রয়ে হামলা হয়ে থাকে।”

বিএনপির আমলে রোজা ও দূর্গা পূজা একত্রে হয়েছে কিন্তু কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির গঠিত তদন্ত কমিটি রামুর ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন জাতির কাছে উপস্থাপন করবে বলেও জানান ফখরুল।

এ সময় বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকসহ সেনবাগের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

পরে নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান ও জাসদ নেত্রী শাহিনা আক্তার কাননের নেতৃত্বে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদান করেন।

জাবিতে প্রতি আসনে লড়বে ৮৯ জন

জাবিতে প্রতি আসনে লড়বে ৮৯ জন
 জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২-১৩ শিক্ষা বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এবার মোট দুই লাখ ২০ হাজার ৯২২টি আবেদন পত্র জমা পড়েছে।  গত বারের আসন সংখ্যার হিসেবে প্রতি আসনের বিপরীতে  ৮৯ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

সবচেয়ে বেশি আবেদন  জমা পড়েছে কলা ও মানবিক অনুষদে। এঅনুষদে  ৯১ হাজার ১৯৩টি আবেদন জমা পড়েছে। এছাড়া  গাণিতিক ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে ৩১ হাজার ২৩৯টি, সমাজ বিজ্ঞান অনুষদে ২০ হাজার ৪৯১ টি, জীববিজ্ঞানে ৩৭ হাজার ১৫০ টি, ব্যাবসায় শিক্ষা অনুষদে ২২ হাজার ৯৮৯টি, আইটি ইনস্টিটিউটে ১০ হাজার ৯২৮টি, আইবি ইনস্টিটিউটে ছয় হাজার ৯৪৭টি, এবং আইন অনুষদে ২১ হাজার ৪১৬টি আবেদন জমা পড়েছে।

এদিকে বিভাগ ও আবাসিক হল প্রভোস্টরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা আরো কমানোর সুপারিশ করেছে।

উল্লেখ্য, গত বছর জাবিতে মোট দুই  হাজার পাঁচশ’ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। সুপারিশ মেনে যদি আসন সংখ্যা কমানো হয় তবে প্রতিযোগিতা আরো বাড়বে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা কমানোর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার আবু বকর সিদ্দিকি বার্তা২৪ ডটনেটকে জানান, আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় বলেই হলে আসন সংখ্যার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। নতুন কয়েকটি বিভাগ চালু হওয়ায় হল ও বিভাগের ওপর বেশ চাপ পড়েছে।

আগামী ১৩ থেকে ১৯ অক্টোবর শুক্রবার ব্যতিত প্রতিদিন বিভিন্ন শিফটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবস :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবস :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে দিবটি। দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী সংগঠনগুলো দিনব্যাপী বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, র‌্যালি।

ইউনেস্কোর বর্তমান মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, আইএলওর মহাপরিচালক গাইরাইডার, ইউএনডিপির ব্যবস্থাপক হেলেন ক্লার্ক, ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্থনি লেক ও এডুকেশন ইন্টারন্যাশনালের সাধারণ সম্পাদক ফ্রেড ভেন লিউয়েন দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার এক যৌথ বাণীতে শিক্ষকদের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

চলতি বছর বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্যটির বাংলাদেশে ভাবানুবাদ করা হয়েছে-‘শিক্ষার জন্য আমরা, শিক্ষকের পাশে আমরা।’

দিবসটি উপলক্ষে শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনের (টিএসসি) সামনে থেকে একটি র‌্যালি বের করেন ছাত্র-শিক্ষকেরা। পরে ঢাকা টিএসসি মিলনায়তনে এক আলোচনা অনুষ্ঠান হবে।

বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য পরিষদ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা করবে সকালে। এবং বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক পরিষদ ফেডারেশন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে। শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সেমিনার হবে।

প্রসঙ্গত, কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংস্থার মধ্যে বৈঠক ও মতবিনিময়ের পর জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ইউনেস্কো ও আইএলও কর্তৃক ১৯৬৬ সালের ৫ অক্টোবর গৃহীত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত এবং পরে ১৯৯৭ সালে সংযোজিত প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা স্তরে পাঠদানকারী শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের অধিকার, করণীয় ও মর্যাদা-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদের স্মারক হিসেবে দিনটি বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে বিভিন্ন দেশে পালিত হচ্ছে।

গাজীপুর পৌর বর্জ্যে তুরাগ তীরে ভয়াবহ দূষণ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

গাজীপুর পৌর বর্জ্যে তুরাগ তীরে ভয়াবহ দূষণ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
তুরাগ দূষণ রোধে গাজীপুর পৌরসভাকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে গাজীপুরের বাইমাইলে  টাঙ্গাইল-গাজীপুর মহাসড়কের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে বর্জ্য অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদফতর। অন্যথায় জরিমানা ও মামলার হুঁশিয়ারী দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদফতর প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পরিবেশ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক মুহম্মদ হাফিজুর রহমান স্বাক্ষতির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গাজীপুর পৌরসভার গৃস্থলী বর্জ্য ও পলিথিন ফেলায়  টাঙ্গাইল-গাজীপুর মহাসড়কের বাইমইল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় তুরাগ নদ ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ব্যাপক দূষণ ছড়িয়ে পরছে।  আগামী ১৫ দিনের সময় বেধে দিয়ে পরিবেশ অধিদফতর ওই বর্জ্য অপসারণের  নির্দেশ দিয়েছে। এসময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা না হলে পরিবেশের ক্ষতিসাধনের অপরাধে জরিমানা আদায় এবং পরিবেশ আইনে মামলা করা হবে।

পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী বৃহস্পতিবার  গাজীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে পরিবেশ অধিদফতরে তলব করে এ আদেশ দেন। পরিবেশ অধিদফতরের এনফোর্সমেন্ট টিম বুধবার সরেজমিন তদন্ত করে দেখতে পায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের দুই পাশে বিভিন্ন প্রকার গৃহস্থলী বর্জ্য এবং পলিথিন ফেলা হচ্ছে। এতে প্রায় দুই একর জায়গায় বিশাল ময়লা স্তুপের সৃষ্টি হয়েছে। এতে দুর্গন্ধে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। স্তুপকৃত ময়লা ফেলার স্থান পরিপূর্ণ হয়ে পার্শ্ববর্তী তুরাগ নদীর পানিতে পড়ছে এবং নদী মারাত্মক দূষণের শিকার হচ্ছে। ময়লার স্তুপের  ১৫০ মিটার পশ্চিমে বাইমাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গ্লোবাল মার্চেন্টস লিমিটেড  অবস্থিত। ওই এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে পৌরবর্জ্য ফেলায় আশেপাশে দুর্গন্ধ ও ব্যাপক পরিবেশ দূষণ ঘটছে। যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

পরিবেশ অধিদফতরে অনুষ্ঠিত শুনানিতে পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রকিবুল হাসান ও প্যানেল মেয়র মো. আকবর হোসেন উপস্থিত হয়ে এ ঘটনার দায়-দায়িত্ব স্বীকার করে শিগগিরই আবর্জনা অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। তারা জানান, পৌরসভার জনবল ও ডাম্পিং ট্রাকের অভাবে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

বচ্চনের আটটি টুইট, বেদব্রতকে ধন্যবাদ শাহরুখের :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বচ্চনের আটটি টুইট, বেদব্রতকে ধন্যবাদ শাহরুখের :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
ছিলেন নাসা-র বিজ্ঞানী, হয়ে গেলেন বলিউডের চিত্রপরিচালক। ছিলেন ডিজিটাল ফিল্মের মানচিত্র বদলে দেয়া রেড ক্যামেরার জনক। লেগে পড়লেন সেই রেড ক্যামেরাতেই চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের গল্প বলতে।

ছিলেন লস এঞ্জেলসে। সাজানো দোতলা বাড়ি, সুইমিং পুল। এসে পড়লেন বান্দ্রায় পেয়িং গেস্ট হয়ে। একটা খাট, দু’টো স্যুটকেস, কম্পিউটার আর কয়েকটা হার্ড ড্রাইভ। “ঠিক যেন শিয়ালদহের প্ল্যাটফর্ম,” নিজের মুখেই বলছেন বেদব্রত পাইন।

বেদব্রত...চিটাগঙের এই বাঙালি পরিচালককে নিয়েই বলিউড এখন উচ্ছ্বাসে ভাসছে। বুধবার মুম্বইয়ে ছবিটির বিশেষ প্রদর্শনীর পরে পরপর আটটা টুইট করেছেন অমিতাভ বচ্চন। লিখেছেন, “বেদব্রত পাইন, নতুন পরিচালক, নাসায় কাজ করছিলেন, রেড ক্যামেরা আবিষ্কার করেছেন, তার পর মুম্বইয়ে ছবি বানাবেন বলে সব ছেড়ে দিয়েছেন।” শাহরুখ খান বলছেন, “ছবিটা ডিলাইটফুলি ইনটেন্স। এই অভিজ্ঞতার জন্য ধন্যবাদ বেদ...”।

৪৫ বছর বয়সে ছবি তৈরিতে হাতেখড়ি! যে বয়সে আর পাঁচ জন বাঙালি থিতু হতে চান, সেই বয়সে বেদব্রত সব ছেড়েছুড়ে মুম্বাইয়ে হাজির স্বপ্ন ধাওয়া করতে। নাসা-য় নিজের আবিষ্কারের রয়্যালটিই মূলধন। পাঁচ কোটি টাকা হাতে নিয়ে বেদব্রত নেমে পড়লেন রীতিমতো পিরিয়ড পিস তৈরির কাজে।

“আগে কোনো দিন তো ফিল্মের সেটে যাইনি। সব কিছুই নতুন লাগত।” সে সময় অনেকেই ভাবতেন, নাসার বিজ্ঞানী আবার ছবি কী বানাবে? “আমি যে কাজটা নিয়ে সিরিয়াস, সেটা সকলকে বোঝাতেই অনেক সময় লেগেছে। তবে আমি ভাগ্যবান যে মনোজ বাজপেয়ী, নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি আর ব্যারি জন আমার ওপরে আস্থা রেখেছিলেন।”

চিন্তায় ছিলেন কলকাতায় বেদব্রতর বাবা-মাও। সেন্ট লরেন্স স্কুল আর খড়গপুর আইআইটি-র প্রাক্তন ছাত্রটি একটু বেশিই ঝুঁকি নিচ্ছেন বলে মনে হচ্ছিল ওঁদেরও। ঢাকুরিয়ায় ছোট্ট ফ্ল্যাটে শুয়ে আর্থ্রাইটিসের রোগী, বেদব্রতের বাবা নির্মল পাইন বলেন, “আইআইটি-ফেরত ছেলে সব ছুড়েছুড়ে ছবি করবে শুনে সত্যিই প্রথমে খুশি হইনি। তা-ও আবার নিজের টাকায়!” সায় দেন মা বিজয়াদেবীও, “আত্মীয়স্বজনেরা সবাই বলেছিলেন, মিঠুকে (বেদব্রত) আটকাতে। আমি বলেছিলাম, কোনও দিন যা করিনি, আজ কেন করব?”

বেদব্রতর ছবি করার স্বপ্ন ভাগ করে নেয়ার প্রধান সঙ্গী তখন বেদব্রতর বড় ছেলে, ঈশান। “ছবিটা তো ঈশানেরও স্বপ্ন। বিশ্বব্যাপী মন্দার পরেও আমি যখন নিজের সব দিয়ে ছবি বানাব ভাবলাম, ঈশান ভীষণ ভরসা দিত।” দু’বছর আগে সেই ঈশানই ১৬ বছর বয়সে পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছে।

“ট্রিমার দিয়ে শেভ করতে গিয়ে পুড়ে যায় ও। আমাদের ধারণা ট্রিমারে খুঁত ছিল। আদালতে গিয়েছিলাম ওই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির বিরুদ্ধে। হেরে গেলাম। শুনতে হল যে, ঈশান না থাকায় আমরা নাকি ওর খরচ বাবদ দু’বছরে ৫৮,০০০ ডলার বাঁচিয়েছি!”

প্রায় বেরিয়ে পড়া কান্নাটা গিলে ফেলেন বেদব্রত। ছবি করতে করতেই আদালতে শুনানির তারিখ পড়ত। বেদব্রত মুম্বই থেকে লস এঞ্জেলেস চলে যেতেন। আবার ফিরে এসে ছবির কাজে হাত দিতেন। এ ছবিতে ঈশান বলে একটা গানও আছে, বেদব্রত নিজেই গেয়েছেন সেটা।

১২ অক্টোবর মুক্তি পাচ্ছে চিটাগং। বেদব্রত এখন ভীষণ ব্যস্ত প্রিমিয়ারের তোড়জোড় নিয়ে। তারই মধ্যে শুক্রবার কলকাতা আসার কথা। বাবা বলছিলেন, “দেখা হলে প্রথমেই বলব, কনগ্রাচুলেশন্স।”

ছেলের প্রিয় মাছের ল্যাজা আর ট্যাংরা মাছ কিনে রেখেছেন মা। কলকাতাকে ঘিরেও এখন অনেক পরিকল্পনা বেদব্রতের। একটা ভাল টিম জোগাড় করে সমসাময়িক সাহিত্যনির্ভর বাংলা ছবি করতে চান। যেখানে স্ক্রিপ্টই হবে তারকা। “আমার প্রেরণা ঋত্বিক, সত্যজিৎ, মৃণাল। তবে আমি সব ছবিই দেখি।”

অমিতাভ বচ্চনের ‘জঞ্জির’ যেমন ২০ বার দেখেছেন। সেই অমিতাভ, সেই জয়া আজ বেদব্রতর ছবি দেখে উচ্ছ্বসিত। বচ্চন-তনয় অভিষেকও তো কিছু দিন আগে এই চট্টগ্রাম-কাহিনি নিয়েই খেলে হম জি জানসে নামে একটি ছবি করেছিলেন! বেদব্রত বলছেন, “জয়াজির এসে আমাকে জড়িয়ে ধরা, আমাকে নিয়ে অমিতাভের নাগাড়ে টুইট সব যেন একটা রূপকথা।” টুইটে অমিতাভ লিখেছেন, উনি বেদব্রতর শাশুড়ি জুনি বসুর সঙ্গে থিয়েটার করতেন কলকাতায়। “মারা যাওয়ার আগে যখন শাশুড়ি অসুস্থ ছিলেন, তখন অমিতাভ হাসপাতালে গিয়েছিলেন। এত বছর পেরিয়েও উনি এটা মনে রেখেছেন।”

অমিতাভ একা নন। গোটা বলিউডই বেদব্রতকে ডেকে বলছে, এত দিন কোথায় ছিলেন? অনিল কপূর, বিশাল ভরদ্বাজ, সুধীর মিশ্র, শাবানা আজমি, কঙ্কনা সেনশর্মা ছবি দেখতে এসেছিলেন সবাই। ছবিটির পরিবেশনা-পর্ব থেকেই দেব্রতকে সর্বতোভাবে সাহায্য করে গিয়েছেন অনুরাগ কাশ্যপ। “ফোটোগ্রাফাররা শাহরুখকে ছবি তুলতে অনুরোধ করছিলেন। শাহরুখ আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ওকে ফ্রেমে থাকতেই হবে।”

রাতে অটো ধরে পেয়িং গেস্ট-এর খুপরিতে ফিরতে ফিরতে বুধবার কত কথাই মনে পড়ছিল বেদব্রতর। “যখন চাকরি ছেড়েছিলাম, বাবা বলেছিলেন একটা ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট নিয়ে রেখো নাসা থেকে। তাতে যেন বলা থাকে, তুমি ভালো কাজ কর। আর, তোমাকে নাসা ছাড়িয়ে দেয়নি।” সেই চিঠিটা নিয়ে রাখা হয়নি। তবে অন্য একটা চিঠি আজও সঙ্গে সঙ্গে থাকে। ঈশানের চিঠি।

“ওদের স্কুলে একটা নিয়ম ছিল, সবাইকে একটা চিঠি লিখতে হয়। নিজেকে। স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে সেই চিঠি থাকে। স্কুল শেষে তা তাঁরা ফিরিয়ে দেন।” ঈশানের মৃত্যুর পর বেদব্রত চিঠিটা পান। তাতে লেখা ছিল, “চিটাগঙকে নিয়ে আমার একটু চিন্তা আছে। তবে আমার মনে হয় সব ঠিক হয়ে যাবে।’
ঈশানকে এখন একটাই কথা প্রাণপণে বলতে চাইছেন বেদব্রত। “চিটাগঙের জন্য হয়তো সত্যিই সব ঠিক হয়ে আসছে।” সূত্র: আনন্দবাজার

ফাস্টফুডে শিশুদের আইকিউ বাড়ে কম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ফাস্টফুডে শিশুদের আইকিউ বাড়ে কম :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অতিরিক্ত ফাস্টফুড খায় যেসব শিশু তাদের আইকিউ বাড়ে কম। তুলনামূলক যেসব শিশু ঘরে রান্না করা খাবার খায় তাদের আইকিউ স্বাভাবিকভাবে বিকাশ লাভ করে। সম্প্রতি পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তারা জানান, পুষ্টি গ্রহণের সঙ্গে শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধির বিষয়টি জড়িত। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় চার হাজার স্কটিশ শিশুকে নিয়ে গবেষণা করা হয়। এসব শিশুর বেশিরভাগের বয়স তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে। এদের মধ্যে একাংশকে ঘরে রান্না করা খাবার দেয়া হয়। অন্যদের ফাস্টফুড খেতে দেয়া হতো নিয়মিত।

বছরখানেক এভাবে খাদ্য পরিবেশনের পর দেখা যায়, যেসব শিশু ফাস্টফুড খেয়েছে তাদের বুদ্ধি ও দৈহিক বৃদ্ধির হার স্বাভাবিকের চেয়ে কম ছিল। এছাড়া যে শিশুদের ঘরের খাবার দেয়া হয়েছিল, তাদের শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক বৃদ্ধি অনেক সুগঠিত ও তীক্ষ্ণ। সূত্র: ডেইলি মেইল

Facebook and us: রামুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবিতে ক্রান্তি শিল্পগোষ...

Facebook and us: রামুর ঘটনায় জড়িতদের বিচার দাবিতে ক্রান্তি শিল্পগোষ...: কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধপল্লীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, ধর্মীয় উপাশনালয়, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগকারী সাম্প্রদায়িক উগ্রপন্থিদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ক্রান্তি শিল্পগোষ্ঠী।

শুক্রবার সকালে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘রামুর বৌদ্ধপল্লী’ ধ্বংসকারীদের বিচার দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে এ দাবি জনিয়েছে সংগঠনটি।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘‘রামুসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলায় আমরা খুবই লজ্জিত ও ব্যথিত। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে কলম্বোতে বাংলাদেশ দূতাবাসে হামলা হয়েছে। এই হামলার মধ্যে দিয়ে প্রমাণ হয়েছে বাংলাদেশ সব ধর্মের লোকের বসবাসের জন্য উপযোগী নয়। তাই এই ঘটনার আড়ালে কারা জড়িত আছে তাদের খোঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা আমাদের দেশে আশ্রয় নিয়ে জঙ্গিবাদের আস্তানা গড়তে চাচ্ছে। তাই কঠোর হস্তে এদের দমন করতে হবে যাতে কোনো ধরনের সাম্প্রদায়িকতা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠতে পারে।’’
রামুর ঘটনায় যদি জনপ্রতিনিধিও জড়িত থাকে, তাদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোট শুক্রবার রামুর উদ্দেশ্য যাত্রা করবে, সেখানে গিয়ে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে এই ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাভোকেট আফজাল হোসেন বলেন, ‘‘ স্বাধীনাতা বিরোধীরাই এই কাজ করছে। যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারে না, সেই অপশক্তি বিএনপি-জামায়াত এই হামলার পেছনে থাকতে পারে। তাই এই অপশক্তির পেছনে কারা আছে তা বের করতেই হবে।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘রামুর ঘটনার সময় প্রশাসন ও গোয়েন্দাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। তাই যদি এদের কোনো ধরনের অবহেলা থাকে তাও সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে।’’

আমরা বৌদ্ধ-আমরা হিন্দু-আমরা খৃস্টান-আমরা মুসলিম আমরা সবাই বাঙালি, রামুতে হামলাকারীদের ফাঁসি চাই; সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর চক্রান্ত রুখে দাঁড়াও; মানবতার অপমান সহ্য করা হবে না; সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের রুখে দাঁড়াও; বর্বর হামলাকারীদের শাস্তি চাই প্রভৃতি প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

মানববন্ধনে সম্মিলিত সাংস্কৃতি জোট; উদীচী; চারুবাকসহ কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন সংহতি প্রকাশ করে।

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নীলুফার জাহান চিনুর সভাপতিত্বে মানবন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ঝর্ণা আলমগীর, কোষাধ্যক্ষ জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে শ্রীলঙ্কা :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 টি২০ বিশ্বকাপের চতুর্থ আসরে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে ওঠেছে। বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে পাকিস্তানকে ১৬ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে লঙ্কানরা। এই নিয়ে চার আসরে দুইবার ফাইনালে ওঠলো শ্রীলঙ্কা।

১৪০ রানে জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নামা পাকিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১২৩ রানের বেশি এগুতে না পারায় সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নেয় হোয়াটমোরের শিষ্যরা।

লঙ্কান বাঁহাতি স্পিনার রঙ্গনা হেরাথ একাই তিন উইকেটের পতন ঘটান পাকিস্তানের। এছাড়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও অজন্তা মেন্ডিস নেন দুটি করে উইকেট। পেসার মালিঙ্গা চার ওভার বল করে কোনো উইকেট না পেলেও রান দেন মাত্র ১৯।

৩১ রানে ইমরান নাজিরের বিদায়ের পর ৫৫ রানে নাসির জামশেদ, ৫৭ রানে কামরান আকমল এবং ৬৪ রানে বিদায় নেন শোয়েব মালিক। ইমরান নাজির ২০ রান করলেও নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১ এবং শোয়েব মালিক মাত্র ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।

পাকিস্তানী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ হাফিজ। তার ৪০ বলের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কার মার রয়েছে। এছাড়া ওপেনার ইমরান নাজির ২০ এবং উমর আকমল ২৯ রানে অপরাজিত থাকেন।

পাকিস্তানের অন্য ব্যাটসম্যানরা সাজঘরে আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দেন। নাসির জামশেদ ৪, কামরান আকমল ১, শোয়েব মালিক ৬, সোহেল তানভীর ৮ রান করলেও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরত যান।

এর আগে কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে প্রথম সেমিফাইনালে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে করে ১৩৯ রান।

শুরু থেকেই লঙ্কান ইনিংসের লাগাম টেনে ধরেন পাকিস্তানী পেসার সোহেল তানভীর। তানভীরের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে খেলতেই পারছিলেন না লঙ্কান দুই ওপেনার মাহেলা জয়াবর্ধনে এবং তিলকরত্নে দিলশান। সোহেল তানভীর কোনো উইকেট পাননি। উইকেট না পেলে কি হবে, তিন ওভার বল করে মাত্র ১১ রান দেন সোহেল তানভীর।

অধিনায়ক মাহেলা জয়াবর্ধনে করেন সর্বোচ্চ ৪২ রান। তার ৩৬ বলের ইনিংসে সাতটি চারের মার রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন দিলশান। ৪৩ বলে তিনটি চারের সাহায্যে ওই রান করেন তিনি।

কুমার সাঙ্গাকারা ১৮ এবং জীবান মেন্ডিস ১৫ রান করে আউট হন। শেষদিকে থিসারা পেরেরা ৭ বলে অপ: ১১ এবং অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ৬ বলে ১০ রানে অপরাজিত থাকলে লঙ্কানদের স্কোরবোর্ডে জমা পড়ে ৪ উইকেটে ১৩৯।

লঙ্কানদের যে চারটি উইকেটের পতন ঘটেছে তিনটি নিয়েছেন পাকিস্তানের স্পিনাররা। সাঈদ আজমল, শহীদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ হাফিজ একটি করে। অপর উইকেটটি নেন পেসার উমর গুল।

গর্জে উঠলেন প্রাক্তনরা, ফের কাঠগড়ায় ধোনি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

গর্জে উঠলেন প্রাক্তনরা, ফের কাঠগড়ায় ধোনি :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। দল বিদায় নিতেই রে রে করে অধিনায়কের ওপর খড়গহস্ত কমবেশি সকলেই। ভারতীয় ক্রিকেটাররা বুধবারই দেশে ফিরে এসেছেন। টি-২০ বিশ্বকাপের প্রাক্তন চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ের ঘটনায় বোর্ড এবার প্রকাশ্যেই বিবৃতি দিয়েছে। বোর্ডের সহসভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, দলের খেলায় আমরা আদৌ খুশি নই। কী কারণে দল বিদায় নিয়েছে, সেটাই খুঁজে সমাধানের পথ বের করতে হবে।

ফেভারিট হিসেবে শুরু করেও কেন ধোনিরা সুপার এইট পর্বেই মুখ থুবড়ে পড়লেন, সেই নিয়ে কয়েকটি কারণ বেরিয়ে এসেছে। প্রথমত, ধোনির নেতৃত্বে ত্রুটি। দ্বিতীয়ত, দলগঠনের ব্যর্থতা। পরেরটি, সিনিয়রদের হতশ্রী পারফরম্যান্স। বিদেশের মাঠে টেস্টে ৮-০ হারের পরেও ধোনির নেতৃত্ব নিয়ে যথেষ্টই সমালোচনা হয়, কিন্তু কয়েকদিন পরে আবার যে কে সেই। কেন ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিভিন্ন ফরম্যাটে পৃথক নেতা নির্বাচন করা হচ্ছে না, সেই নিয়েও এবার কথা উঠছে।

গাভাস্কার থেকে শুরু করে কুম্বলে, আবার ওয়াদেকার থেকে ভেঙ সরকার, সবাই দলের বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন। সানি গাভাস্কার যেমন পরিষ্কার বলেছেন, “আমি একবারও বলছি না, অধিনায়ক পাল্টালে কিংবা দলের বিন্যাস পরিবর্তন করলেই ম্যাজিকের মতো সবকিছু বদলে যাবে। কিন্তু কেন এমন হচ্ছে, সেই নিয়ে ক্রিকেটারদের কাছে জবাবদিহি করা জরুরি।”

কোচ ও অধিনায়ক বদলে ফেললেই কাজ হয়ে যাবে, সেই কথা না বললেও চেতন চৌহানের মতো প্রাক্তন ওপেনার জানান, “একা আমি ধোনিকে দোষারোপ করছি না, কিন্তু সে যেহেতু দলের নেতা, সেক্ষেত্রে ব্যর্থতা তাকে মেনে নিতেই হবে।”

কলম্বো থেকে দল ফেরত আসতেই এদিন জানা গেছে, শেবাগের গোড়ালির চোট মারাত্মক। তাকে ছাড়াই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টোয়েন্টি’তে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসকে খেলতে হবে। বীরুর চোট থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে বাছাই করা হয়েছে, সেই নিয়ে গত নির্বাচকমণ্ডলীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

বীরু-ধোনি ব্যক্তিত্বের সংঘাত যে দলে বড় হয়ে উঠছে, তা নিয়ে বোর্ড কর্তারা কোচ ফ্লেচারের কাছে রিপোর্ট চাইতে পারেন। ম্যানেজার হিসেবে গিয়েছিলেন চেন্নাইয়ের রামস্বামী বাবা। অস্ট্রেলিয়ার মতো ম্যাচে শেবাগকে খেলানো হয়নি কেন, সেই নিয়েও প্রাক্তনদের মধ্যে কেউ কেউ সরব হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে হরভজন কেন দলে নেই, সেই নিয়েও প্রশ্ন করেছেন ওয়াদেকার। ‘সুলতান অব সুইং’ ওয়াসিম আকরামও বলেন, “ধোনির সবচেয়ে বড় ভুল কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামের উইকেট স্পিন সহায়ক হওয়া সত্ত্বেও দুই স্পিনারে খেলানো হয়নি আসল ম্যাচগুলিতেও।”

প্রাক্তনদের একটা অংশ বলেছেন, জহিরের ক্রমাগত দুর্বল বোলিং, ফিল্ডিংয়ের পরেও অশোক দিন্দাকে ব্যবহার করা হয়নি। গম্ভীর, রায়না, রোহিত কেউই নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। এমনকি প্রতিটি ম্যাচে যে কোহলির ওপর বড়বেশি প্রত্যাশা করা হয়েছে, তাও অনেকে মানতে পারেননি।

ভেঙসরকারের মতো অজিত ওয়াদেকারও মানছেন, দলের ওপেনিং জুটি যদি রান পেয়ে যেতো, তাহলে কোহলির ওপর কিছুটা চাপ কমতো। কিন্তু তা না হওয়ায় শুরুতেই চাপে পড়ে গেছে দল।

গত ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপে সেরা হওয়ার পর থেকে ক্রমাগত ব্যর্থতা। সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হচ্ছে, সুপার এইট পর্বে বিদায়ের পরেও এবার আইসিসিটি টি-২০ র‌্যাংকিংয়ে ধোনিরা দ্বিতীয় স্থানে। শ্রীলঙ্কার পরেই। কিন্তু র‌্যাংকিংয়ে উত্থান নয়, ভারতীয় দলের সমস্যা যে গভীরে, তা জেনেই বোর্ড কর্তারা এবার কিছু সিনিয়রদের ব্যাপারে কড়া ভূমিকা নিতে পারেন। সেই কারণেই যে সন্দীপ পাতিলের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলীর কাছে আসন্ন বৈঠক খুব গুরুত্বপূর্ণ হতে যাচ্ছে, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।  সূত্র: ওয়েবসাইট।

চীনে ভূমিধসে ১৮ স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

চীনে ভূমিধসে ১৮ স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যু :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বৃহস্পতিবার ভূমিধসের ঘটনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৮ শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে। চীনের এ অঞ্চলে সম্প্রতি কয়েক দফা ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল।

চীনের সরকারি সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশে ঝেনহি গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণীকক্ষ ও খামারের দুটি ঘর মাটির নিচে চাপা পড়লে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এই খামার বাড়ি ধসেও অপর একজন চাপা পড়ে।
 
উল্লেখ্য, গত সাত সেপ্টেম্বর ইউনান প্রদেশে দু’দফা ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৫.৬। এতে ৮১ জনের প্রাণহানি ঘটে।

জমির দাবিতে হাজার হাজার গরিব দিল্লি অভিমুখে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জমির দাবিতে হাজার হাজার গরিব দিল্লি অভিমুখে :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্য থেকে হাজার হাজার আদিবাসী ও ভূমিহীন গরিব মানুষ বুধবার দেশের রাজধানী দিল্লির দিকে এক বিশাল মিছিল নিয়ে এগোতে শুরু করেছেন।

বাসস্থান ও চাষের জমির ওপর নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি করছেন মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা।

তারা বলছেন, একদিকে অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ টানার চেষ্টা করছে ভারত, আর অন্যদিকে কয়েক কোটি মানুষের বাসস্থান বা চাষের জমিই নেই।

ভারত সরকারের দুই মন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল তাদের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরে বুধবার দিল্লি অভিযান শুরু করেন আন্দোলনকারীরা।

অন্যদিকে ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আবারও বলেছেন যে, দেশের আর্থিক সংস্কারের গতি আরও বাড়ানো হবে।

একতা পরিষদ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই মিছিলের আয়োজন করেছে-যার নাম দেয়া হয়েছে জন-সত্যাগ্রহ।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ৫০ হাজার বাসস্থানহীন, উচ্ছেদ হয়ে যাওয়া গরিব মানুষ আজ সকালে মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের শহর গোয়ালিয়র থেকে সাড়ে তিনশো কিলোমিটার দূরের জাতীয় রাজধানীর দিকে মিছিল শুরু করেছেন।

একতা পরিষদ বলছে, ভারতের প্রায় ২২ শতাংশ মানুষের থাকার জন্য কোনও জমি নেই – এদের মধ্যে আছেন প্রায় সাড়ে ছয় কোটি আদিবাসী, দলিত মানুষ- যাদের পূর্বপুরুষদের জমি থেকে উৎখাত করা হয়েছে।

একতা পরিষদের প্রধান ও প্রবীণ সমাজকর্মী পি ভি রাজাগোপাল ওই মিছিলের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলছিলেন, “আদিবাসী এলাকাগুলোতে বড় বাঁধ বা কয়লা খনি, লোহাখনি বানিয়ে দেওয়া হল। এই সব জমিতে আদিবাসী মানুষরা বহু পুরুষ ধরে বাস করে আসছিলেন। তাদের জমির কোনো দলিল কখনই ছিল না। শিল্পের জন্য যখন এই সব জমি নিয়ে নেয়া হলো- আদিবাসীরা কোনো ক্ষতিপূরণও পেলেন না। এক কথায় তাদের তাড়িয়ে দেয়া হলো নিজেদের জমি থেকে।”

আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মঙ্গলবার পর্যন্তও আলোচনার চেষ্টা চালিয়েছেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী জয়রাম রমেশ ও বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া- যিনি গোয়ালিয়রের প্রাক্তন রাজবংশের বর্তমান উত্তারধিকারী।

রমেশ বলেন যে আন্দোলনের রাস্তায় না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে। কিন্তু রাজাগোপাল জানিয়েছেন যে প্রায় একবছর ধরে তিনি সারা দেশ ঘুরেছেন- প্রধানমন্ত্রীকে তিরিশটিরও বেশি চিঠি লিখেছেন এই সমস্যার সমাধানের আবেদন জানিয়ে- কিন্তু কোনো উদ্যোগ সরকার নেয় নি... তাই মিছিল শুরু করা হয়েছে।

হাজার হাজার গরিব মানুষের এই মিছিল যখন শুরু হয়েছে, সেদিনই, বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম জানিয়েছেন, দেশে যে অর্থনৈতিক সংস্কার চলছে, তা আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর সরকার।

 “সরকারকে আরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর এই সিদ্ধান্তগুলো দেখলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে যে সরকার সংস্কারের পথে এগিয়ে চলেছে। নতুন বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কিছু বাধা এখনও আছে। তবে বেশ কিছু আইন আনা হচ্ছে-অর্থনীতিকে আরো উন্মুক্ত করে দেওয়ার জন্য। সরকার এগুলো থেকে পিছিয়ে আসবে না”, বলেন ভারতের অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমের।

সরকার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে যে ভারতের খুচরো ব্যবসার বাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা লগ্নির সিদ্ধান্ত হয়েছে।

“এই দেশে বড় বড় শিল্প-কারখানা গড়ার জন্য জমি অধিগ্রহণের আইন রয়েছে-বড় পুঁজিপতিদের জমি দেয়ার জন্য আইন আছে। কেউ তার বিরোধিতা করলে শক্তি ব্যবহার করে তাদের মোকাবিলা করতে পারে রাষ্ট্র। অথচ গরিব, ভূমিহীনদের জমি দেয়ার জন্য বা নিজের জমিতে তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কোনও আইন করতে কি সরকার পারে না?” প্রশ্ন পি ভি রাজাগোপালের।

উল্লেখ্য, মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন সরকারের আর্থিক সংস্কারের সাম্প্রতিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মনে যেমন ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, তেমনই এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোও ব্যাপক বিরোধিতায় নেমেছে।

এই ইস্যুতেই সরকারের ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছে ইউপিএ জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম জোট শরিক তৃণমূল কংগ্রেস। অন্য অনেক রাজ্য সরকারও কেন্দ্রের সংস্কার কর্মসূচির বিরোধিতা করছে প্রকাশ্যে।

এই রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্যেই আজ হাজার হাজার গরিব ভূমিহীন মানুষ রাজধানীর দিকে মিছিল নিয়ে এগতে শুরু করলেন-যা এ মাসের শেষ নাগাদ দিল্লি পৌঁছাবে। সূত্র: বিবিসি।

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, নজরদারির দৈনিক খরচ ১১ হাজার পাউন্ড :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, নজরদারির দৈনিক খরচ ১১ হাজার পাউন্ড :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
  দুই মহিলার যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ যাতে ব্রিটেন ছেড়ে পালাতে না পারেন, সেজন্য নজরদারি চালাতে প্রতিদিন ১১ হাজার পাউন্ড খরচ হচ্ছে স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের। উইকিলিকস প্রতিষ্ঠাতা তার সুইডেনে প্রত্যর্পণ ঠেকাতে লন্ডনে ইকুয়েডরের দূতাবাসে আশ্রয় নিয়েছেন।

দ্য ডেইলি মেইলের খবর, ওই দূতাবাসের আশপাশে দিনরাত ঘোরাফেরা করছে বৃটিশ  পুলিশ অফিসারদের শ্যেনদৃষ্টি। অ্যাসাঞ্জকে তারা চোখে চোখে রাখছেন। দূতাবাস ভবনে প্রবেশপথের মুখে তারা আড়াই লক্ষ পাউন্ড ব্যয়ে মোবাইল কমান্ড সিস্টেমও চালু করেছেন। ইতিমধ্যে নজরদারির খরচের অঙ্কটা ১০ লক্ষ পাউন্ড ছাড়িয়ে গিয়েছে এবং যতদিন অ্যাসাঞ্জ প্রত্যর্পণ আটকে রাখতে পারবেন, তা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে। লন্ডনের মেয়র বরিস জনসন জানিয়েছেন, ২০ জুন থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেরিয়ে গেছে ৯ লক্ষ পাঁচ হাজার পাউন্ড।

গত জুন মাসে জামিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় ৪১ বছর বয়সী এই অস্ট্রেলিয় আচমকা একদিন পশ্চিম লন্ডনের নাইটসব্রিজ এলাকায়  ইকুয়েডর দূতাবাসে ঢুকে রাজনৈতিক আশ্রয় চান। আগস্টে লাতিন আমেরিকার দেশটি সেই আর্জি মঞ্জুর করে। যদিও ইকুয়েডরের বিদেশমন্ত্রী রিকার্ডো পিন্টো ইতিমধ্যে অ্যাসাঞ্জকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন, বৃটেন ছাড়ার অনুমতি না পেলে তাকে এক দশক দূতাবাসে আটকে থাকতে হতে পারে। কিন্তু ব্যাপারটা মিটে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে না। জাতিসংঘে গত সপ্তাহেই কথা হয়েছে পিন্টো ও বৃটিশ বিদেশ সচিব উইলিয়াম হেগের।কোনও রফাসূত্র বেরয়নি বলে জানিয়েছেন হেগ। এর মধ্যেই নানা মহল থেকে দাবি তোলা হয়েছে, জলের মতো অর্থ খরচ করে অ্যাসাঞ্জের ওপর নজরদারি বন্ধ করা হোক।

অ্যাসাঞ্জের ভয়, একবার সুইডেন তাকে হাতে পেলে সোজা আমেরিকায় পাঠিয়ে দেবে। ফাঁস হয়ে যাওয়া প্রায় আড়াই লক্ষ গোপন মার্কিন কূটনীতিক কেবল বা বার্তা প্রকাশ করে দেওয়ায় আমেরিকা তাকে কাঠগড়ায় তুলে এমন সব ধারায় বিচার করবে যাতে তার মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “প্রখ্যাত সাংবাদিক আতাউস সামাদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন সময় তার মতো সাহসী সাংবাদিকের খুব প্রয়োজন ছিল।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”

মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”

শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”

সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

গণতন্ত্র হত্যাচেষ্টার সময়ে আতাউস সামাদের প্রয়োজন ছিল: ফখরুল :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “প্রখ্যাত সাংবাদিক আতাউস সামাদ এমন সময় চলে গেলেন, যখন দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যার চেষ্টা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। এমন সময় তার মতো সাহসী সাংবাদিকের খুব প্রয়োজন ছিল।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আতাউস সামাদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। পেশাজীবী পরিষদ আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহবায়ক আমারদেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন সাংবাদিক আতাউস সামাদ। তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান, মাহফুজ উল্লাহ, চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান জিনাতুন্নেছা তাহমিনা খাতুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি আব্দুস শহীদ, প্রকৌশলী আ ন হ আখতার হোসেন, প্রফেসর ড. খলিলুর রহমান, কৃষিবিদ এম এ করিম, আবুল কাশেম, আতাউস সামাদের ভাই সাংবাদিক আতিকুস সামাদ প্রমুখ।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আতাউস সামাদের সমাজ বদলের লেখা আমাদের আকর্ষিত করতো। তিনি সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলতেন। পাকিস্তানি স্বৈরশাসন এবং তার পরে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে জনগণকে কলমের মাধ্যমে সাহসী করে তুলেছিলেন।”

মাহমুদুর রহমান বলেন, “দেশের বিভক্ত সমাজে সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে আতাউস সামাদ সাহসের সঙ্গে সত্য কথা বলতেন। তিনি চলে গিয়ে যে ভার আমাদের ওপর রেখে গেছেন, তা যেন সইতে পারছি না।”

শফিক রেহমান বলেন, “এই দেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে আতাউস সামাদ বিরল। তিনি সঠিক খবর দেয়ার চেষ্টা করতেন। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেত্রীসহ সবাই শোকবিবৃতি দিলেও স্বৈরাচার এরশাদ কোনো বিবৃতি দেননি। এতে বুঝা যায় যে, তিনি একজন সৎ সাংবাদিক ছিলেন।”

সভা পরিচালনা করেন পেশাজীবী পরিষদের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাংবাদিক হাবীবুর রহমান ভূঁইয়া কিছু স্মৃতি কিছু কথা :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব
ঢাকা, ৪ অক্টোবর: আমার আব্বা মুহাম্মদ হাবীবুর রহমান ভূঁইয়ার আজ (৪ অক্টোবর ) চতুর্থ মৃত্যুবার্ষিকী । চার বছর আগে দুই হাজার আট সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন । ভারত বিভাগের আগে কলকাতায় তিনি কাজ করেছেন ইত্তেহাদ ও মাওলানা আকরাম খাঁ সম্পাদিত আজাদ পত্রিকায়। পরে বাংলাদেশে তিনি দৈনিক আখবার, সাপ্তাহিক আরাফাত এবং  দৈনিক আজাদ পত্রিকায় কাজ করেছেন ’৮৬ সালে দৈনিক ইনকিলাব প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত।

সর্বশেষ  দৈনিক আজাদ পত্রিকা লালবাগের ঢাকেশ্বরী রোড থেকে প্রকাশিত হতো। আব্বার সাথে আরো অনেক সাংবাদিক আজাদ ছেড়ে দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় যোগ দিয়েছিলেন। আর ইনকিলাবের শুরুটা ছিল দেশের প্রথম কম্পিটারাইজড পত্রিকা যা পুরোটাই ছিল আধুনিক ছাপার  যাবতীয় প্রযুক্তি সম্পন্ন। ’৮৬ সালের জুন মাসে প্রকাশিত দৈনিক ইনকিলাবের শুরুতে আব্বা মফস্বল ডেস্কের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। পদোন্নতি পেয়ে  সিনিয়র সাব এডিটর হিসেবে ২০০৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত কাজ করেন তিনি। তখন সংবাদপত্রে ইন্টারনেট, ই-মেইলের ব্যবহার খুব একটা ছিল বলে আমার মনে পড়ে না। ডাক বিভাগের খামে, ফ্যাক্স আর টেলিফোনে দেশের নানা প্রান্তের সংবাদ পাঠাতেন জেলা প্রতিনিধিরা। তখন জেলা-উপজেলা থেকে এক বা একাধিক সংবাদদাতা প্রতিনিধি হবার প্রতিযোগিতায় নামেন। কখনো কখনো এসব বিষয় নিয়ে বাসায় আব্বা কথা বলতেন।

সাংবাদিকতা পেশায় জড়িয়ে বুঝতে পারি নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কত কৌশলই না নেন অনেকেই। তখন দুই একজন প্রতিনিধি আমাদের বাসায়ও এসেছেন। কখনো আব্বা তাদের হাসি মুখে, সাধ্য মতো আপ্যায়ন করে বিদায় দিয়েছেন আবার কখনো করতে পারেনি। এতে কেউ কেউ খুশি কিংবা কষ্ট পেলেও আব্বার করার কিছুই ছিল না।

যতদূর মনে পড়ে আমার বড় বোনের শ্বশুরবাড়ি যে জেলায়, সেই জেলার প্রতিনিধি হতে ইচ্ছুক এক সাংবাদিক আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে এসেছিলেন। আব্বা মিষ্টি রাখতে রাজি হননি। কেননা তখনো ওই সাংবাদিক ভদ্রলোক জেলা প্রতিনিধি হবার জন্য ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেবের হাতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হননি।

বেচারা  নাছোড়বান্দা, বললেন, “আমার জেলায় আপনার মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন, আমি তো সে হিসেবে আপনার বাসায় আসতে পারি, আপনি আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখুন।”

তখন আব্বা বললেন, “আপনি কত কেজি মিষ্টি এনেছেন, বড় মেয়ের বিয়ে দিয়েছি আপনাদের জেলায়, মিষ্টির দাম কত, আমি একটি শর্তে মিষ্টি নিতে পারি আপনাকে অবশ্যই টাকা নিতে হবে।”

অবশেষে টাকার বিনিময়ে আব্বা ওই মিষ্টি রাখেন। পরে আব্বার কাছে শুনেছি -সাংবাদিক পরিচয়ে অনেকই -হয়তো আব্বার সাথে সম্পর্ক গড়ে স্থানীয় কারো পক্ষে কিংবা বিপক্ষে সংবাদ ছাপিয়ে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। এমন আশংকায় আব্বা সবসময়ই সতর্ক থাকতেন।

আরেকটি ঘটনা, সম্ভবত ’৮৭ সালের।  ফরিদপুরের এক  সাংবাদিক রাতে আমাদের বাসায় মিষ্টি নিয়ে হাজির। বৃহত্তর ফরিদপুরের একটি জেলার ইনকিলাবের জেলা সংবাদদাতা হতে চান তিনি। আগেই বলেছি সে সময় এক জেলা থেকে একাধিক প্রতিনিধি খবর পাঠাতেন। তাই ইনকিলাব পত্রিকার মতো জনপ্রিয় ও বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রের নিজস্ব সংবাদদাতা হতে কারো কারো চেষ্টা তদবিরের শেষ ছিল না । একদিন রাতে হঠাৎ বাসার গেটে শব্দ শুনে আমি এগিয়ে যাই । এক ভদ্রলোক বাসায় এসে হাজির সাথে মিষ্টি, পরিচয় দিলেন অমুক জেলার অধিবাসী ।

আব্বা ওনাকে প্রশ্ন করলেন, “আপনি আমার বাসায় এসেছেন কেন ? আপনার তো আমার বাসায়  আসার দরকার নেই, আবার মিষ্টি নিয়ে এসেছেন কেন?”

জবাবে তিনি জানান, তার জেলা সদরে নিজস্ব চারতলা বাড়ি আছে, আছে ঠিকাদারি ব্যবসা - শখে সাংবাদিকতা করতে চান ইত্যাদি। আমি তখন আব্বার পাশে দাঁড়ানো। আব্বা বললেন, “এই মিষ্টি আমিও খাই না, আমার ছেলেমেয়েরাও খায় না ।”

সাংবাদিক ভদ্রলোক জানান, তিনি ঢাকায় একটি  বোর্ডিং এ উঠেছেন। তখন আব্বা বললেন মিষ্টি  বোর্ডিংয়ে নিয়ে যান।  সাংবাদিক হতাশ হয়ে আমাদের বাসা থেকে বিদায় নেন। পররর্তীতে আর জানি না তিনি ইনকিলাব পত্রিকার সংবাদদাতা হতে পেরেছিলেন কিনা। আরেকটি ঘটনা আববার কাছে শুনেছি । একজন সাংবাদিক জেলা প্রতিনিধি হিসেবে দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দিন সাহেব চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করার আগেই সম্পাদকের স্বাক্ষর করা পরিচয়পত্র নিয়ে তিনি বিভিন্ন জায়গায় নিজের পরিচয় দিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। একদিন হঠাৎ সম্পাদক সাহেব আব্বাকে হাবিবুর রহমান সাহেব সম্বোধন করে ওই সাংবাদিকের পরিচয়পত্র দেয়া নিয়ে জানতে চান । আব্বা সম্পাদক সাহেবকে বলেছিলেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। সম্পাদক বাহাউদ্দিন সাহেব পরে ওই সাংবাদিককে ডেকে পাঠান। ওই সাংবাদিক জানান, তিনি, দৈনিক ইকিলাবের জনৈক সাংবাদিক (নামটা সঙ্গত কারণেই প্রকাশ করা   হলো না) যিনি একটি সাংবাদিক সংগঠনের নেতাও ছিলেন, তিনি সম্পাদক সাহেবের স্বাক্ষর জাল করে ওই সাংবাদিককে ইনকিলাব পত্রিকার প্রতিনিধির পরিচয়পত্র বানিয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার পর ওই সাংবাদিক নেতার ইনকিলাব থেকে চাকরি চলে যায়।

এই ঘটনার পর আব্বার ওপর সম্পাদক সাহেবের আস্থা আরো বেড়ে যায়। এমন আরো অনেক ঘটনা রয়েছে যা বলে শেষ করা যাবে না।

এ ঘটনাগুলো বলার কারণ হচ্ছে আব্বা কখনোই মিথ্যার সাথে আপস করেননি। যারা উনার সাথে সাংবাদিকতা করেছেন তারা তা ভালো করে জানেন। আর আমাদের উনি শিখিয়েছেন মিথ্যাকে পূঁজি করে কোনো কিছু না করার । বর্তমানে দেশে অসংখ্য দৈনিক সংবাদপত্র, দুই ডজনের মতো বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আর অনলাইন পত্রিকা চালু হয়েছে। কিন্তু সৎ ও বস্ত্তনিষ্ঠ পেশাদারি সাংবাদিকতার বিকাশ তেমন ঘটেনি বলে আমার ধারনা। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রায়ই কতিপয় সাংবাদিকের আচরণ দেখে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা লাগে।

আব্বার মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে আমার কামনা আমরা যাতে সততা ও ন্যায় নিষ্টার সাথে আমাদের পেশাগত মর্যাদা ও নিজেদের আত্নসম্মানবোধ বজায় রাখতে পারি। আল্লাহ আব্বাকে জান্নাত নসিব করুন। আমিন।

আবু দারদা যোবায়ের বিন হাবীব: বিশেষ প্রতিনিধি, এটিএন বাংলা
                                                        abudarda.aribah@gmail.com

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আজ শুরু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে এবং তা আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।

প্রথম দিন এ১, এ২, ও এ৩ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং এ৪ ও এ৫ ইউনিটের পরীক্ষা ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। এ৬, এ৭ ও বি ইউনিটের পরীক্ষা ৬ অক্টোবর। ডি ও ই ইউনিটের পরীক্ষা ৭ অক্টোবর, সি১, সি২ ও জি ইউনিটের পরীক্ষা ৮ অক্টোবর ও এইচ, এফ১ ও এফ২ ইউনিটের পরীক্ষা ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

প্রতিদিন পরীক্ষা সকাল ৯টায় শুরু হবে এবং ৫টা পর্যন্ত চলবে। তবে প্রত্যক পরীক্ষার মাঝখানে এক ঘণ্টা করে বিরতি থাকবে।

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

শেরপুরের ব্রজেন্দ্র মাস্টার বাড়ি এখন ‘বক বাড়ি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 দূর থেকে বাঁশ ঝাড়টির দিকে তাকালে মনে হয় যেন সাদা সাদা ফুলের কোনো বাঁশ বাগান। কাছাকাছি আসতেই শোনা যায় কক কক আর কিচির মিচির শব্দ। চারদিক মুখরিত হয় সেই শব্দে।
 
প্রতিদিন সকালে ঝাঁকে ঝাঁকে ওই বাঁশ বাগান থেকে সাদা সাদা বক বের হয়ে যায় খাদ্যের সন্ধানে। সারাদিন নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর-ডোবায় গিয়ে খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে সন্ধ্যায় সারি বেঁধে নিড়ে ফেরে। এমনি এক দৃশ্য দেখা যায় শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার বাঘবের গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র বর্মনের বাড়িতে।
 
এলাকাবাসী তাই ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটির নাম দিয়েছে ‘বক বাড়ি’। ওই গ্রামের বাইরে থেকে কেউ বেড়াতে আসলে অনেকটা হকচকিত হয়ে কিছুক্ষণের জন্য হলেও থমকে দাঁড়িয়ে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন ওই বাড়ির দিকে।
 
শেরপুরের নালিতাবাড়ি উপজেলার ওই গ্রামের ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়িটি এলাকায় এক সময় ‘মাস্টার বাড়ি’ নামে পরিচিত থাকলেও বর্তমানে ‘বক বাড়ি’ নামে চেনেন সবাই। বাড়িটির পেছনে বিশাল একটি বাঁশ ঝাড়। এই বাঁশ ঝাড়টিতেই প্রায় এক যুগ ধরে বাসা করে আছে  কয়েক হাজার বক।
 
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ব্রজেন্দ্র চন্দ্র বর্মণ জানান, প্রতিদিন ভোরে বকের কলকাকলীতে ঘুম ভাঙে বাড়ির লোকজনের। সারাদিন বিভিন্ন স্থান থেকে খাদ্য গ্রহণ করে সন্ধ্যার অন্ধকার নেমে আসার আগেই পাখিগুলো বাসায় ফিরে আসে।
 
তিনি জানান, বেশ কয়েক বছর আগে দুই থেকে তিন হাজার বকের বাস ছিলো এখানে। প্রতিকুল আবহাওয়া আর খাদ্য সংকটের কারণে বর্তমানে এর সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় এক হাজারে। বছরের প্রায় চার মাস বকগুলো এখানে থাকে। বিশেষ করে, বর্ষাকালে এদের আগমন ঘটে। ডিম থেকে বাচ্চা বের হয়ে যখন উড়তে পারে তখন তাদের যাওয়ার সময় হয়ে যায়।
 
বকের ডিম, ছানা, পরিত্যক্ত মাছ খাওয়ার লোভে বাঁশ ঝাড়ের নিচে জড়ো হয় সাপ, গুইসাপ, বেজীসহ বিভিন্ন প্রকারের পশু ও জীব জন্তু।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বকগুলোকে খুব পছন্দ করেন। নিজের সন্তানের মত ভালবাসেন। রাত-দিন নজরে রাখেন, কেউ যেন এদের কোনো প্রকার ক্ষতি না করতে পারে।
 
তিনি জানান, ইদানিং বকের সঙ্গে ওইসব বাশঁ ঝাড়ে পানকৌড়িও সহাবস্থান বা আস্তানা করতে শুরু করেছে। বক ও পানকৌড়ি পরস্পর ভিন্ন প্রজাতির পাখি হলেও তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয় না কখনো।
 
ঝড়-বৃষ্টিতে অনেক সময় বকের ছানা মাটিতে পড়ে গেলে ব্রজেন্দ্র মাস্টার এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যরা আবার সে ছানাগুলোকে বকের বাসায় রেখে আসে। ওদের নিরাপদ আশ্রয়ের কথা ভেবে কখনো বাঁশঝাড় থেকে বাঁশ কাটেন না তিনি।
 
ইতিমধ্যে বকদের দখলের কারণে বাঁশগুলো দিনদিন মরে যাচ্ছে। বকের বিষ্ঠা খুব দুগন্ধযুক্ত হলেও সে গন্ধ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের পরিবারের সদস্যদের সহ্য হয়ে গেছে। সন্ধ্যার আগে গ্রামের মানুষ ওই বক বাড়ির দিকে আপন মনে চেয়ে থাকে ঝাকে ঝাকে বকগুলোর ঘরে ফেরার দৃশ্য দেখতে।
 
তাই গ্রামবাসীও ব্রজেন্দ্র মাস্টারের মতোই বকগুলোকে খুবই ভালবাসেন। কেউ শিকারে এলে গ্রামবাসীই প্রতিরোধ করেন। ভোরে ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে যাওয়া বকের দৃশ্য আর সন্ধ্যায় ফের বাসায় ফেরার প্রতিযোগিতা দেখলে মন জুড়িয়ে যায়।
 
জেলার আর কোথাও এক সঙ্গে এতগুলো বক দেখা যায় না। ওই গ্রাম এবং আশপাশের বিভিন্ন গ্রামের কৌতুহলী মানুষ ব্রজেন্দ্র মাস্টারের বাড়ির পাশে এই মনমুগ্ধকর অপরূপ দৃশ্য দেখতে ছুটে আসে প্রতিদিন।
 
ব্রজেন্দ্র মাস্টার বর্তমানে ওই বাঁশ ঝাড়ের নিচে একটি পুকুর খনন করে মাছ চাষ করেছেন। বৃষ্টির সময় বকের বিষ্ঠা পানিতে মিশে পুকুরে মাছের খাদ্য তৈরি হয়। মাছের জন্য পুকুরে আলাদা কোনো খাদ্যের প্রয়োজন হয় না। ফলে মাছ চাষেও বেশ লাভলান হচ্ছেন তিনি।

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

মঙ্গল ভ্রমণের সুযোগ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷

বার্লিন, ৫ অক্টোবর: ঘরের কম্পিউটারের সামনে বসে, অথবা স্মার্টফোনে মাধ্যমে পৃথিবীর মানচিত্রের যে কোনো প্রান্তে ‘ভারচুয়াল' টহল দেওয়া আর কোনো বিস্ময়ের ঘটনা নয়৷ এবার মঙ্গলগ্রহেও পৌঁছানোর সুবিধা করে দিচ্ছে নাসা৷
 
‘গুগল আর্থ', বিং ম্যাপস থেকে শুরু করে ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় যে কোনো প্রান্ত চষে বেড়ানো যায়৷ চাই শুধু ইন্টারনেট সংযোগ৷ আর স্মার্টফোনের জিপিএস সেন্সরের নাগাল পেলে তো আরও ভালো৷ আশেপাশের দোকান-বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ সহ কত প্রয়োজনীয় পণ্য ও পরিষেবারই যে খোঁজ পাওয়া যায়৷ আছে ‘অগমেন্টেড রিয়্যালিটি' অ্যাপ, যার সাহায্যে স্মার্টফোনের ক্যামেরা কাজে লাগিয়ে এ সবের খোঁজ পাওয়া যায়৷
 
এবার মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর সঙ্গে জোট বেঁধে এমনই সুযোগ করে দিচ্ছে মঙ্গলগ্রহ চষে বেড়ানোর৷ না, মঙ্গলগ্রহে হ্যামবার্গারের দোকান বা ইন্টারনেট কাফে নেই৷ কিন্তু মার্স রোভার'এর অত্যাধুনিক ক্যামেরার চোখে যে অপরূপ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, সাধারণ মানুষও যদি তার স্বাদ পায়, তাহলে মন্দ কী! মঙ্গলগ্রহের মাটি, খানা-খন্দ, খাল-বিলের মধ্যে হয়তো লুকিয়ে রয়েছে কত রহস্য৷ এতকাল শুধু বিজ্ঞানীরাই সেই সেই ছবি দেখতে পেতেন৷ এবার সাধারণ মানুষও বিপুল উৎসাহে মঙ্গল অভিযানে অংশ নিতে পারছেন৷ ফলে প্রকল্পকে ঘিরে উচ্ছ্বাস ও সমর্থনও বাড়বে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ ব্যয় সংকোচের এই যুগে আরও বেশি মানুষকে মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে আগ্রহী করে তুলতে পারলে ক্ষতি কী? নাসা বা ‘ফোরস্ক্যায়ার'-এর ওয়েবসাইটেই পেয়ে যাবেন এই উদ্যোগে অংশ নেওয়ার উপায় সম্পর্কে তথ্য৷
 
‘ফোরস্ক্যায়ার' আসলে ইন্টারনেট সংযোগ ও জিপিএস ব্যবহার করে একাধিক পরিষেবার মেলবন্ধন ঘটায়৷ একদিকে ফেসবুক'এর মতো সোশাল মিডিয়া, অন্যদিকে গুগল'এর মতো মানচিত্রের সমন্বয়ে যে কোনো ব্যবহারকারী নিজেদের ও বন্ধুদের অবস্থান, আশেপাশের আকর্ষণীয় গন্তব্য জেনে নিতে পারেন৷ বাকিটা তাদের মর্জি৷
 
গত ৬ই অগাস্ট মার্স রোভার মঙ্গলগ্রহের গেল ক্রেটার এলাকায় অবতরণ করেছে৷ দুই বছর ধরে এই যান মঙ্গলগ্রহ অন্বেষণ করবে৷ গেল ক্রেটারে নেমেই রোভার সেখানে জলের চিহ্ন পেয়েছে৷ অতএব এককালে মঙ্গলগ্রহে প্রাণ ছিল, এই তত্ত্বের সমর্থনকারীরা উৎসাহিত হয়ে পড়েছেন৷ এই অভিযানে যা জানা যাবে, সেই তথ্য পৃথিবীর ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও আগাম পূর্বাভাষ দিতে পারে বলে অনেক বিজ্ঞানী আশা করছেন৷ অতএব অপেক্ষা কেন, আমরাও যোগ দিতে পারি ঐতিহাসিক এই অভিযানে৷
 

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের দোড়গোড়ায়: শিল্পমন্ত্রী :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বলেছেন, মহাজোট সরকার শিল্পসমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দেয়ায় তথ্যপ্রযুক্তি এখন আমাদের প্রত্যেকের দোরগোড়ায়।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর পান্থপথে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেম ফর এসএমই’জ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ বি এম খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং ও ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর মমতাজ উদ্দিন আহমেদ এফসিএমএ, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ-এর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলামসহ এসএমই ফাউন্ডেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ।
এ সময় শিল্পমন্ত্রী বলেন, “গ্রাম-গ্রামান্তরে ঘরে ঘরে এখন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে এবং ইন্টারনেট প্রযুক্তির সম্প্রসারণ ঘটেছে। ফলে ঘরে বসেই আমরা সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ, বিশ্বব্যাপী ব্যবসা, কেনাকাটা ও হিসাব করছি।”

তবে মাইক্রোলেভেলে এখনো কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম পুরোমাত্রায় চালু হয়নি বলে মন্ত্রী মনে করেন।
তিনি আরো বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা ম্যানুয়ালি খাতা-কলমে লিখে এবং ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করে থাকি। প্রযুক্তির অভাবনীয় প্রসারের ফলে হিসাববিজ্ঞান অনেক আধুনিক ও সহজ হয়েছে। একাউন্টিং ইনফরমেশন সিস্টেমে আমাদের ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বা শিল্প কারখানার হিসাব রাখলে ব্যবসা পরিচালনা খুব সহজ হবে।
কম্পিউটার বেইজড একাউন্টিং সিস্টেম এসএমই খাতে নতুন ধারণার প্রবর্তনে সহায়ক হবে বলেও তিনি মনে করেন।
বার্তা ২৪ ডটনেট/এসএমএকে/এসএইচ

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৮ ডিসেম্বর এসিএম-আইসিপিসির ঢাকা পর্ব :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
আগামী ৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর এসিএম-আইসিপিসি (অ্যাসোসিয়েশন অব কম্পিউটিং মেশিনারিজ-ইন্টারন্যাশনাল কলেজিয়েট প্রোগ্রামিং কনটেস্ট) এশীয় অঞ্চলের ঢাকা পর্বের প্রতিযোগিতা।

দেশের সবগুলো পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মুল প্রতিযোগিতার আগে আগাসী ১০ নভেম্বর অনলাইনে প্রাথমিক পর্বের আয়োজন করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)।

এজন্য ৭ অক্টোবর নিবন্ধন শুরু হয়ে ৬ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এখান থেকে ঢাকা পর্বের জন্য সর্বোচ্চ ১৫০টি দল নির্বাচন করা হবে। নির্বাচিত দল ছাড়াও ঢাকা পর্বে আরো অংশ্রগ্রহণ করবে ভারত, চীন, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং মালয়েশিয়া থেকে আসা দল।
এটি হবে এশিয়ার মধ্যে এ যাবত কালের সবচেয়ে বড় আঞ্চলিক প্রতিযোগিতার আসর। এ  পর্বের বিজয়ীরা আগামী বছর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে মূলপর্বে অংশগ্রহণ করবেন।

রাজধানীর রিপোটার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। এসময় এসিএম কাউন্সিল বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক আবুল এল হক, ডিআইইউ-এর অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন, প্রোগ্রামিং  প্রতিযোগিতার পরিচালক (বিচারক) শাহরিয়ার মনজুর সুমিতস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।