Pages

Wednesday, October 10, 2012

তথ্যকে সামাজিক বিষয় হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

তথ্যকে সামাজিক বিষয় হিসেবে মূল্যায়ন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘‘আমেরিকার মতো দেশের গণমাধ্যমে সঠিক তথ্য উপস্থাপন এখনো চ্যালেঞ্জ। আমাদের জন্যও এটি চ্যালেঞ্জ। পাশাপাশি গণমাধ্যমে খণ্ডিত, আংশিক ও মিথ্যা তথ্য পরিবেশন নিরুৎসাহিত করাও আমাদের জন্য আরেকটি চ্যালেঞ্জ।’’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

‘ফ্রিডম অব প্রেস ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ)। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিআইইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক নুরুল মোমেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তথ্য ‘পণ্য’ নয়। এটাকে একটি ‘সামাজিক বিষয়’ হিসেবে মূল্যায়ণ করতে হবে। এ নিয়ে যারা নাড়াচাড়া করেন (সাংবাদিকরা) জনগণ এবং রাষ্ট্রের কাছে তাদের দায়বদ্ধতা আছে।’’

‘ফ্রিডম অব প্রেস ইন সাউথ এশিয়া’ শীর্ষক বইটির লেখক ড. আখতারুজ্জামান তার বইটির নানা দিক তুলে ধরে বলেন, ‘‘বাইটিতে সাংবাদিকতার বিভিন্ন দিক বিশদভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। এই পেশার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং আইনগত দিকও এতে উঠে এসেছে।’’

এটি সংশ্লিষ্ট পেশাদারদের সহায়ক হবে বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান, জাতীয় আইন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. শাহ আলম, ডিআইইউ’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. এস কিউ পাটোয়ারী ও ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শামিম হায়দার পাটোয়ারী।

সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির সংলাপ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাংবাদিকদের সঙ্গে ইসির সংলাপ কাল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বুধবার সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বহুল আলোচিত সংলাপে বসছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বৈঠকে জাতীয় নির্বাচনের আসন সীমানা নির্ধারণ ও ভোটার তালিকা হালনাগাদ বিষয়ে কমিশন সাংবাদিকদের মতামত শুনবে।

বেলা ১১টায় আগাঁরগাওয়ের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) মিলনায়তনে এ বৈঠক হবে। চলবে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত।

ইসি সূত্র জানায়, সংলাপে অংশ নেয়ার জন্য ইতোমধ্যে সিনিয়র সাংবাদিকদের কমিশনের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নির্ধারিত দিনে সিনিয়র সাংবাদিকরা সংলাপে অংশ নিয়ে এ বিষয়ে তাদের মূল্যবান মতামত দেবেন বলে কমিশন আশাবাদী।

এর আগে এ বৈঠক নিয়ে নির্বাচন কমিশনার শাহ নেওয়াজ বলেন, ‘‘বুধবার সাংবাদিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে ইসি। আমরা সাংবাদিকদের কথা শুনবো। তাদের বিভিন্ন মতামতকে আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আসন সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত ডিলিমিটেশন দূর করবো।’’

এ বিষয়ে অতীতের কমিশনগুলোর করা ডিলিমিটেশন দূর করা সংক্রান্ত বিষয় থেকে আমরা ব্যাখ্যা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সংলাপের অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রথমে নির্বাচন কমিশন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হয়।  ওই সংলাপে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা শুধু জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন সীমানা নির্ধারণের ইসির সিদ্ধান্ত থেকে বেরিয়ে অন্যান্য উপাদানগুলোর প্রতিও মনোযোগ দেয়ার আহবান জানান। কমিশন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

প্রথম দিকে কমিশন সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠককে সংলাপ হিসেবে আখ্যায়িত করলেও এখন এটাকে মতবিনিময় বা মতগ্রহণ হিসেবে আখ্যায়িত করছে। এর কারণ হিসেবে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘‘বৈঠকে আমরাতো শুধু শুনবো, মত দেবো না। তাই এটা মতগ্রহণ বা মতবিনিময় বৈঠক।’’

উল্লেখ্য, এটিএম শামসুল হুদার নেতৃত্বাধীন এর আগের কমিশন বিদায়ের আগে নির্বাচন কমিশন আইন সংস্কার বিষয়ে সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সংলাপ করেছিলেন।

ইসি সূত্র জানায়, সংলাপের অংশ হিসেবে সুশীল ও সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর পর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতগ্রহণের জন্য কমিশনের বৈঠক করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এখনো কমিশন কোনো মতৈক্যে পৌছতে পারেনি।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আগামীকালের বৈঠকের পর রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের ব্যাপারে কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানায় সূত্র।

সংলাপে জাতীয় গণমাধ্যমের শতাধিক জৈষ্ঠ সাংবাদিক ছাড়াও নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত থাকবেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

আগামী সপ্তাহে আসছে বিশ্বব্যাংকের প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আগামী সপ্তাহে আসছে বিশ্বব্যাংকের প্যানেল :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক প্যানেল সামনের সপ্তাহেই বাংলাদেশে আসছে৷ তারা দুদকের তদন্ত পর্যবেক্ষণ করে একটি প্রতিবেদন দেবে৷ আর তার ভিত্তিতেই পদ্মা সেতুর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্বব্যাংক৷ বাংলাদেশ চেয়েছিল দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত পর্যবেক্ষণে গঠিত আন্তর্জাতিক প্যানেল এবং কর্মপ্রক্রিয়া ঠিক করার জন্য প্রতিনিধি দল এক সঙ্গেই আসুক বাংলাদেশে৷ চেয়েছিল দুর্নীতির তদন্ত এবং সেতুর কাজ পাশাপাশি চলুক৷ কিন্তু তাতে সায় দেয়নি বিশ্বব্যাংক৷ তারা চায় আন্তর্জাতিক প্যানেল আগে দুর্নীতির তদন্ত প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করে একটি প্রতিবেদন দেবে৷ তারপরই সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তারা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন৷ অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত জানিয়েছেন তাদের এই প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তেমন সময় লাগবে না৷ অর্থমন্ত্রী জানান, তবে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ যেখান থেকে বন্ধ হয়েছিল সেখান থেকেই শুরু হবে৷ এ ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক সম্মত হয়েছে৷ পদ্মা সেতুর জন্য দরপত্র আহ্বান, ঠিকাদারদের প্রাথমিক বাছাই সবই সম্পন্ন হয়েছিল৷ এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংকের আন্তর্জাতিক প্যানেলকে তারা সব ধরনের সহায়তা করবেন৷ আন্তর্জাতিক এই প্যানেলের প্রধান হলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক প্রধান প্রসিকিউটর গাব্রিয়েল মোরেনো ওকাম্পো৷ সূত্র: ডিডব্লিউ

জজ মিয়ার মতো নাটক সাজাতে আসিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

জজ মিয়ার মতো নাটক সাজাতে আসিনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, “সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত হুমায়ুন ওফে এনামুলকে গ্রেফতার করতে ১০ লাখ টাকা পুরস্কারের ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিক দম্পতির বন্ধু তানভীরকে সন্দেহ করা হচ্ছে।”

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জজ মিয়া নাটক সাজানো হচ্ছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “আমরা জজ মিয়ার মতো কোনো নাটক সাজাতে আসিনি। আওয়ামী লীগ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে। এ সরকার কখানো এ ধরণের কাজ করতে পারে না।”

তিনি জানান, “গ্রেফতারকৃতরা হলেন, রফিক, মিন্টু, সাইদ, বকুল, গাড়িচালক কামরুল, তানভীর, দুই জনের মধ্যে প্রহরী রুদ্র ও পলাশ।”

তিনি জানান, তদন্ত শেষ না হওয়া পর‌্যন্ত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর মহীউদ্দীন খান আলমগীর সাংবাদিকদের কাছে আশা প্রকাশ করেছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকান্ডের রহস্য ১০ অক্টোবরের মধ্যে উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

ওই সময় তিনি বলেছিলেন, “সরকার সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ মামলায় আমরা যেসব তথ্য পেয়েছি, এর ভিত্তিতে বলতে পারি, আগামী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।”

সাগরু-রুনি হত্যাকাণ্ডের এতো দিন পর কেন আসামি ধরা পড়লো এমন প্রশ্নে মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের কাজ অপরাধ করা। তারা এক জায়গায় অপরাধ করে অন্য জায়গায় চলে যায়।

মন্ত্রী বলেন, “এসব আসামির ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়েছে। এর পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। আরো আসামি পাওয়া গেলে তাদেরও গ্রেফতার করা হবে।

সাংবাদিকদের আন্দোলন-কর্মসূচির মুখে সর্বশেষে গত ২৫ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দিন খান আলমগীর সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক দম্পতি হত্যা রহস্য আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে উন্মোচন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সংসদ সদস্য সানজিদা খাতুন, স্বরাস্ট্র সচিব সি কিউ এ মোস্তাকসহ র‌্যাব পুলিশের বিভিন্ন কর্মকতা।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।

এরপর সাবেক  স্বরষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন খুনিদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছিলেন।

Tuesday, October 9, 2012

নারায়ণগঞ্জে বাড়িভাড়া বাড়ছে লাগামহীন

নারায়ণগঞ্জে বাড়িভাড়া বাড়ছে লাগামহীন
সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে নারায়ণগঞ্জে বাড়িভাড়া বাড়ছে লাগামহীনভাবে। বাড়িওয়ালারা তাদের ইচ্ছামতো বাড়িভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছেন। শুধু বাড়িভাড়া নয়, পানির বিল ও বিদ্যুৎ বিল বাড়ানোর অজুহাতে ভাড়া ছাড়াই আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।
 
তাছাড়া ভাড়া দেয়ার সময় নিচ্ছেন মোটা অঙ্কের অগ্রিম টাকা।
 
বাড়িভাড়া আইনে বাড়িওয়ালাদের এসব স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ থাকলেও সচেতনতার অভাবে বাড়িওয়ালাদের রোষানলে পড়ার ভয়ে ভাড়াটিয়ারা এ ব্যাপারে আইনি ব্যবস্থার দিকে যাচ্ছেন না। ফলে এ সমস্যা থেকে রেহায় মিলছে না ভাড়াটিয়াদের।
 
নগরীর আল্লামা ইকবাল রোডের বাসিন্দা শান্তনু। তিনি একটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চাকরি করেন। তিনি জানান, ২০০৯ সালে তার বাড়িভাড়া ছিল সাড়ে সাত হাজার টাকা। ২০১০ সালের জানুয়ারি মাসে তার ভাড়া পাঁচশ টাকা বাড়ানো হয়। জুন মাসে পানির বিল হিসেবে বাড়িওয়ালা তাকে মাসিক তিনশ’ টাকা বাড়তি দেয়ার নির্দেশ দেন।
 
সে অনুযায়ী পানির বিল তার ভাগে কত আসে সে প্রশ্ন তুলে কোনো লাভ হয়নি। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে এক হাজার টাকা ও ২০১২ সালের জানুয়ারিতে তার ভাড়া আরো এক হাজার টাকা বাড়িয়ে মাসে এখন তার বাড়িভাড়া বাবদ গুণতে হয় ১০ হাজার।
 
তিনি আরো জানান, বিদ্যুৎ বিল নিয়েও রয়েছে ব্যাপক ঘাপলা। তাকে কখনই আসল বিল দেয়া হয় না। বাড়িওয়ালা হাতে লিখে মিটার রিডিং দিয়ে একটি বিল তৈরি করে দেয়। তাদের বিল্ডিংয়ের সব ভাড়াটিয়ার ধারণা, বাড়িওয়ালা তাদের কাছ থেকে প্রকৃত বিদ্যুৎ বিলের দ্বিগুণ আদায় করে থাকেন।
 
এ নিয়ে বিল্ডিংয়ের ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে অনেক ঝগড়া হলেও বাড়িওয়ালার কথাই বহাল থেকেছে। তারা বেশ কয়েকবার মামলা করতে যাওয়ার কথা ভেবেও বাড়িওয়ালাদের রোষানলে পড়ার আশঙ্কায় তারা মামলা করতে যাননি।
 
এদিকে শহরের বাইরে নিম্ন মানের টিনসেড বাসাগুলিতেও একই অবস্থা। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এলাকা সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলীর সরল খাঁর বাড়িতে পরিবার নিয়ে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভাড়া থাকতেন আদমজী ইপিজেডের ইপিক গার্মেন্টের শ্রমিক আবুল কাশেম প্রধান।
 
তিনি জানান, তার বেতন চার হাজার ৯০০ টাকা। দুই রুমের টিনশেড বাড়ির ভাড়া ছিল সাড়ে পাঁচ হাজার টাকা। স্বামী-স্ত্রী দুজনে মিলে চাকরি করে সংসার চালাতেন। কিন্তু ২০১২ সালের জানুয়ারিতে সরল খাঁ বাড়ির ভাড়া সাত হাজার টাকা করে ফেললেন। নিজেদের বাজেটের মধ্যে বাড়িভাড়াও পাচ্ছিলেন না আবুল কাশেম। তাই স্ত্রীকে সন্তানদেরসহ পাঠিয়ে দিয়েছেন চাঁদপুরে গ্রামের বাড়িতে। নিজে ভাড়া নিয়েছেন একটি মেস।
 
নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি রফিউর রাবিব জানান, বাড়িভাড়া আইন ১৯৯৬ নামের একটি আইন আছে। কিন্তু এর প্রয়োগ নেই। আইন অনুযায়ী ভাড়া দুই বছরের আগে বাড়ানো যাবে না। চুক্তিনামা থাকতে হবে। কিন্তু এসবের ধারে কাছেও নেই নারায়ণগঞ্জের বাড়িওয়ালারা।
 
এ আইন মানানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে সিটি করপোরেশন। তারা একটি নীতিমালা তৈরি করতে পারে। সে নীতিমালা পালিত হচ্ছে কি না তা তারা এলাকাভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থা করলেই পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হবে বলে মনে করেন তিনি।
 
কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) নারায়ণগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহনেওয়াজ চৌধুরী জানান, বাড়িভাড়ার বিষয়টি নারায়ণগঞ্জে মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। যেহেতু ভাড়াটিয়ারা এক্ষেত্রে অভিযোগ করতে চান না, তাই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাড়িওয়ালারা ভাড়ার রশিদ দেয়া, ভাড়াটিয়ার সঙ্গে চুক্তিনামা করাসহ বাড়িভাড়া আইন মানছেন কি না তা দেখতে পারে। এছাড়া রেন্ট কোর্টটি সিটি করপোরেশনের আওতায় দিলেও তা কার্যকর হবে।
 
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী জানান, বাড়িভাড়া বিষয় ঢাকা সিটি করপোরেশনের আগে উদ্যোগ নিয়েও বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। তবে এ ব্যাপারে উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। কারণ বিষয়টি মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আমি বাড়িভাড়া আইনটি দেখে এ ব্যাপারে সিটি করপোরেশন কি ভূমিকা নিতে পারে তা দেখব।

রাজশাহীতে বিএসএফের গুলিতে কিশোর নিহত :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজশাহীতে বিএসএফের গুলিতে কিশোর নিহত :: ঢাকার বাইরে :: বার্তা২৪ ডটনেট
রাজশাহীর পবা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যদের গুলিতে এক বাংলাদেশী কিশোর নিহত হয়েছে। রোববার রাত একটার দিকে উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চর মাজারদিয়াড় সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম সুজন (১৬)। সে ওই এলাকার শুকুর আলীর  ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, সুজনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী রোববার রাত একটার দিকে চর মাজারদিয়াড় সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় ভারতের হারুডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ করে গুলি চালায়। এতে সুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তার সঙ্গীরা লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে পৌঁছে দেয়। সুজনের বাড়ি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫০০ গজ দূরে।

আইনি জটিলতা এড়াতে এ সময় সুজনের পরিবার তড়িঘড়ি লাশ দাফন করেন। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) ক্যাম্পে খবর দেন।

হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সুজনের বাবা শুকুর আলী তাকে জানান, বিজিবির অনুমতি নিয়েই তিনি লাশ দাফন করেছেন।

বিজিবি রাজশাহী সদর দফতরের জি-২ মেজর হান্নান এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “সীমান্তে বাংলাদেশী কিশোর হত্যার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেয়া হবে।”


এদিকে, রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বিজিবির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বিএসএফর গুলিতেই ওই কিশোর নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে সোমবার বিকেলে পুলিশ নিহতের লাশটি কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

মঙ্গলবার তার লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হবে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আশা ভোঁসলের মেয়ের আত্মহত্যা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

আশা ভোঁসলের মেয়ের আত্মহত্যা :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 উপমহাদেশের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী আশা ভোঁসলের মেয়ে বর্ষা ভোঁসলে সোমবার আত্মহত্যা করেছেন। মুম্বাইয়ের পেডার রোডে নিজ ভবনে লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্রের গুলিতে বর্ষার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫০ বছর।
 
এর আগে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বর্ষা। আশার তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় ছিলেন তিনি। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির পাশাপাশি কয়েকটি হিন্দি ও মারাঠি ছবিতে প্লেব্যাকও করেছেন তিনি। দ্য সানডে অবজারভার ও রেডিফ পত্রিকায় কলাম লেখক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আত্মহত্যার সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে মুখ খোলেনি বর্ষার পরিবার। তবে একটি ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তিনি ভুগছিলেন বলে জানা গেছে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
 

আরাকানে উগ্র বৌদ্ধরা পুড়িয়েছে ঐতিহাসিক মসজিদ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

আরাকানে উগ্র বৌদ্ধরা পুড়িয়েছে ঐতিহাসিক মসজিদ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী আকিয়াব শহরের প্রধান মসজিদ- ঐতিহাসিক "বড় মসজিদ" জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। এ খবর দিয়েছে প্রেস টিভি ও কালাদান প্রেস। মিয়ানমার সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেশটির আরাকান প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিম-বিরোধী যে অভিযান চলছে, গত জুনে মিয়ানমার ভিত্তিক কালাদান প্রেস-ই তাদের ওয়েবসাইটে এ খবর প্রথম দিয়েছিল।

স্থানীয় সূত্রগুলোতে পাওয়া খবরে জানা যায়, কয়েক মাস আগে মুসলিম-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হওয়ার পর থেকেই আটশ বছরের ঐতিহ্যবাহী এ মসজিদটি তালাবদ্ধ ছিল। কিন্তু, রোববার দুপুর তিনটার দিকে বৌদ্ধ ভিক্ষু ও উগ্রবাদীরা তালা ভেঙে মসজিদে ঢুকে পড়ে এবং কুরআন-কিতাব বাইরে ছুঁড়ে ফেলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এরপর উগ্র বৌদ্ধ জনতা মসজিদের মূল ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় দু'ঘন্টা ধরে জ্বলতে থাকলেও স্থানীয় পুলিশ, সেনাবাহিনী বা ফায়ার ব্রিগেডের কেউ আগুন নিভানোর চেষ্টা করেনি।

শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বড় মসজিদের এক মাইলের মধ্যে থানা, আর্মি ও সীমান্তরক্ষী নাসাকা বাহিনীর ক্যাম্প রয়েছে। আগুনে আশপাশের আরো পাঁচটি মুসলিম বাড়ি পুড়ে গেছে। সর্বশেষ খবরে জানা যায়, সশস্ত্র রাখাইনরা ওই এলাকায় মৌলভীপাড়ায় মুসলমানদের বাড়ি ঘিরে রেখেছে। পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ  হতে পারে বলে আশংকা করছেন আকিয়াবের অবরুদ্ধ মুসলমানরা।

ঢাবি’র ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষা ১২ অক্টোবর :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঢাবি’র ‘ক’ ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষা ১২ অক্টোবর :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ১২ অক্টোবর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল ভর্তিপরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

এদিন সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৪৫মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছর ভর্তিপরীক্ষায় রেকর্ড সংখ্যক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদন করেছে।

এবার প্রতি আসনের জন্য লড়বে ৩৭ জন। ২০১১-১২ সেশনে ৩৬ জন শিক্ষার্থী প্রতি আসনের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

এবার ভর্তির জন্য নির্ধারিত ৬ হাজার ৩৯টি আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৪৩৬ শিক্ষার্থী আবেদন করেছে। যা গতবার ছিল ২ লাখ ৮ হাজার ১৪৪ জন।

তৃতীয় বারের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন প্রক্রিয়ায় ভর্তি কার্যক্রম চলছে। এবছরের ভর্তি কার্যক্রম ২৬ আগস্ট শুরু হয়ে ২২ সেপ্টেম্বর রাত ১২টায় শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এ বছর ‘ক’ ইউনিটের অধীনে ১ হাজার ৫৯৩টি আসনের বিপরীতে ৬৫ হাজার ৫২৩ জন আবেদন করেছে।

এছাড়া ‘খ’ ইউনিটের অধীনে ২ হাজার ২৯০টি আসনের বিপরীতে ৪০ হাজার ৮৫৭ জন, ‘গ’ ইউনিটের অধীনে ১ হাজার ৭৫টি আসনের বিপরীতে ৪৭ হাজার ৬১৫ জন, ‘ঘ’ ইউনিটের অধীনে ১ হাজার ২৬২টি আসনের বিপরীতে ৭৮ হাজার ৩২০ জন এবং ‘চ’ ইউনিটের অধীনে ১১৯টি আসনের বিপরীতে ৪ হাজার ১২১ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়  ভর্তি কমিটি জানিয়েছে, এ বছর সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিভাগ পরিবর্তনকারী ‘ঘ’ ইউনিটে। এ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ৬৩ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী লড়বে। এছাড়া  ‘ক’ ইউনিটে ৪১ জন, ‘খ’ ইউনিটে ১৮ জন, ‘গ’ ইউনিটে ৪৪ জন এবং ‘চ’ ইউনিটে ৩৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে।

আবেদন ও ভর্তিসংক্রামত্ম যে কোনো তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.admission.uivdhaka.edu) পাওয়া যাবে।

ঢাবি’র বিভিন্ন ইউনিটের ভর্তিপরীক্ষা:

১২ অক্টোবর ‘ক’ ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ভর্তিপরীক্ষা শুরু হবে। এরপর ১৯ অক্টোবর ‘খ’ ইউনিট (মানবিক), ৯ নভেম্বর ‘ঘ’ ইউনিট (বিভাগ পরিবর্তন), ১৬ নভেম্বর ‘চ’ ইউনিট (চারুকলা) এবং ২৩ নভেম্বর ‘গ’ ইউনিট (ব্যবসায় শিক্ষা) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

‘মাহফুজকে গ্রেফতার করলেই সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদঘাটিত হবে’ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘মাহফুজকে গ্রেফতার করলেই সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদঘাটিত হবে’ :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এটিএন বাংলা চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করলেই সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উদঘাটিত হবে বলে দাবি করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

সাগর-রুনির খুনিদের গ্রেফতার এবং সাংবাদিকদের পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে মতবিনিময় সভায় তারা এই দাবি জানান। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সোমবার বেলা ১২টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে সভা শুরু হয়। শেষ হয় বেলা আড়াইটায়।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১০ অক্টোবরের মধ্যে সাগর-রুনি হত্যার রহস্য উন্মোচনের যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা প্রকারান্তরে সরকারি ঘোষণা। এটি বাস্তবায়ন হলে সরকার সফল হবে। নয়তো মাহফুজুর রহমানের প্রভাবের কাছে প্রশাসনের সব যোগ্যতা ও দক্ষতা বিলীন হবে।”

বিএফইউজে’র আরেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেছেন, “১০ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী বলবেন জানি না। কেউ যদি মনে করেন আন্দোলন করতে করতে একদিন আমরা চুপ হয়ে যাব, তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছেন। আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করতে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছি, খুনি গ্রেফতার হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।”

সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে’র মহাসচিব শওকত মাহমুদ ও আবদুল জলিল ভূঁইয়া, ডিইউজে’র সভাপতি আবদুস শহিদ ও ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ বাকের হোসাইন ও শাবান মাহমুদ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা ও ডিইউজে’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বার্তা২৪ ডটনেট সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমদ। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।

ইকবাল সোবহান চৌধুরী বলেন, “এটিএনের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান শুধু সাগর-রুনি সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্যই করেননি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কেও অশালীন বক্তব্য দিয়েছেন। এজন্য কক্সবাজারে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় হলমার্কের এমডি তানভীর মাহমুদকে যেভাবে র্যাব গ্রেফতার করেছে, একইভাবে মাহফুজকেও গ্রেফতার করে আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন করবে, এটি আমাদের প্রত্যাশা।”

তিনি বলেন, “রাষ্ট্র থেকে সাগর-রুনি হত্যার বিচার না পেলে, আমরা গণতদন্ত কমিশন গঠন করব। মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে জনগণের সামনে খুনিদের মুখোশ উন্মোচন করব। মামলার কারণে আমরা ভিত বা বিচলিত নই। বারবার কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রস্তুত।”

রুহুল আমিন গাজী বলেন, “নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হতে সময় লেগেছে। সাগর-রুনি’র হত্যকারীদের বিচার হতেও সময় লাগবে। তিনি কী কারণে এটি বললেন, তা আমার বুঝে আসে না। দু’টি ঘটনা এক নয়। বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীরা চিহ্নিত ছিলেন। কিন্তু সাগর-রুনি হত্যাকারীরা এখনো চিহ্নিত হয়নি।”

“এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকার কোনো নাটক সাজানোর চিন্তা করলে, সেটি তাদের জন্য হিতে বিপরীত হবে।” বলেন তিনি।

শওকত মাহমুদ বলেন, “আমরা মনে করছি, খুনি সনাক্ত করা হয়তো সম্ভব হয়েছিল, এজন্যই সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৪৮ ঘণ্টার কথা বলেছিলেন। কিন্তু খুনিরা প্রভাবশালী হওয়ার কারণে হয়তো তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন না হলে, আমাদের সঙ্গে জনগণও রাজপথে নেমে আসবে। সরকার ওঠানো-নামানো আমাদের কাজ নয়, মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করতে আমাদের এই আন্দোলন।”

সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, “মামলার আসামি হয়ে আমরা ভীত নই। বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ১৫ অক্টোবরের মহাসমাবেশ পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। সেদিন মফস্বলের সব সাংবাদিক ঢাকায় আসবেন। ‘চল চল, ঢাকা চল’ স্লোগান সব সাংবাদিকের কানে পৌঁছে দিতে হবে। ঢাকার ১০৯টি প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিক কর্মচারী এবং দেশের সব সাংবাদিক সংগঠন থেকে কয়েক হাজার সাংবাদিক উপস্থিত হবেন।”

“আমরা মামলা, গ্রেফতার, হুমকিতে ভয় করি না। ১০ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য প্রকাশ করতে না পারলে, ১৫ অক্টোবর মহাসমাবেশ থেকে কঠোর কর্মসূচি আসবে।” হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।

আব্দুস শহিদ বলেন, “স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুধু এ হত্যার রহস্য উন্মোচনই নয়, এতোদিন প্রশাসনের বক্তব্যে যেসব বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে, সেগুলোরও অবসান করতে হবে।”

ওমর ফারুক বলেন, “হলমার্কের দস্যুদের মতো সাগর-রুনির খুনিদেরও আমরা গ্রেফতার দেখতে চাই।”

বাকের হোসাইন বলেন, “আমরা মনে করি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিক ইনফরমেশন জেনেই ১০ অক্টোবর হত্যার রহস্য উন্মোচনের ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করছি।”

শাবান মাহমুদ বলেন, “সাগর-রুনি হত্যার বিচার না হলে, এই সরকারের অবস্থা হয়তো শোচনীয় হয়ে যেতে পারে।”

সরদার ফরিদ আহমদ বলেন, “এই হত্যার বিচার এখন শুধু সাংবাদিকদের দাবি নয়, এটি এখন জাতীয় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। মিডিয়ার কর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তার জন্য এই বিচার অত্যন্ত জরুরি।”

আরো বক্তব্য রাখেন, সাব এডিটর কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক কার্তিক চট্টোপাধ্যায়, নারী সাংবাদিক কেন্দ্র’র সভাপতি নাসিমুন আরা হক, টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন’র (টিসিএ) শাহীন হাওলাদার, বাংলাবাজার পত্রিকার ইউনিট চিফ মনিরুল ইসলাম, ইনডিপেনডেন্ট টিভি’র ইলিয়াস হোসেন, বাংলাবাজার পত্রিকার মশিউর রহমান, সাংবাদিক কামার ফরিদ, মাছরাঙার প্লানিং এডিটর রাশেদ আহমেদ, সাংবাদিক রফিকুল বাশার ও আরটিভির আখতার হোসেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারের বাসা থেকে মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও তার স্ত্রী এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার মেহেরুন রুনির ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিনই তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন খুনিদের গ্রেফতারে ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু আট মাস পূর্ণ হতে চললেও এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।

এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে সাংবাদিক সংগঠনগুলো বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে। সর্বশেষ গত ২৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সাংবাদিক সমাবেশ হয়। ওই সমাবেশে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ১০ অক্টোবরের মধ্যে সাগর-রুনি হত্যার রহস্যের জট খুলবে বলে নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর ঘোষণা দিয়েছেন। এটি বাস্তবায়ন না হলে আগামী ১৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সারা দেশের সাংবাদিকদের নিয়ে মহাসমাবেশ করা হবে এবং সেদিন পুরো ঢাকা অচল করে দেয়া হবে। বৃহত্তর এই আন্দোলনের প্রস্তুতির জন্য ৭ অক্টোবর সব সাংবাদিক সংগঠনের নেতা ও সদস্যদের নিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে মতবিনিময় সভার সিদ্ধান্ত হয়। পরে সভাটি একদিন পেছানো হয়।

আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে বলে গত ২৫ সেপ্টেম্বর আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।

আগামী ১১ অক্টোবর সাগর-রুনি হত্যার আট মাস পূর্ণ হচ্ছে। এদিন তাদের স্মরণে জাতীয় প্রেস ক্লাবে শোকসভা করবেন সাংবাদিকরা।

আমেরিকার প্রকৃতিতে শরতের ছোঁয়া :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

আমেরিকার প্রকৃতিতে শরতের ছোঁয়া :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 শরত্কাল আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকার প্রকৃতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। প্রকৃতি যেন নতুন সাজে সেজেছে। নয়নাভিরাম সব দৃশ্য পরিগ্রহ করছে শহরজুড়ে। গাছ-গাছালির শুকনো পাতা ঝরে পড়া শুরু করেছে।

কিছুদিন পর নতুন সজীব পাতা গজাবে। লাল-হলুদ আর নীল রঙের পাতায় যখন শরতের বিকেলের মিষ্টি রোদ এসে পড়ে, তখন মনে হয়, বাগানে যেন রংধনু লোকোচুরি খেলা করছে। গোধূলী পেরিয়ে সূর্যাস্তের সময় চমত্কার লাগে প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো।

ছবিগুলো নিউ ইংল্যান্ড, শিকাগো, উইসকনসিন, মিশিগানসহ বেশ কয়েকটি শহর থেকে তোলা। এর কোনো কোনোটি দেখলে কৃত্রিম বলে মনে হতে পারে। বিকেল হলে শহরের পার্কগুলোতে লোকজনের ব্যাপক ভিড় জমে। অনেকে পরিবারের সবাইকে নিয়ে সূর্যাস্তকালীন প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে বের হন। শুকনো মর্মর পাতা উড়িয়ে খুনসুটিতে মেতে ওঠেন তারা। কমলা গাছের শুকনো লাল-হলুদ রঙের পাতাগুলো পার্কের জলাশয়ে দারুণ লাগে। ম্যাইন নদীর পানিতে বর্ণিল পাতার দৃশ্য যে কাউকে আকর্ষণ করতে বাধ্য। ইন্ডিয়ানার পার্কে শুকনো পাতা নিয়ে খেলায় মেতে ওঠে শিশুরা। সূত্র: ডেইলি মেইল

ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আগ্রহী আম্পায়ার নাদির শাহ :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আগ্রহী আম্পায়ার নাদির শাহ :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন আইসিসির প্যানেলভুক্ত বাংলাদেশের আম্পায়ার নাদির শাহ। সোমবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের আম্পায়ার নাদির শাহ ম্যাচ গড়াপেটায় অংশ নিতে প্রস্তুত। ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আম্পায়ারদের আগ্রহের বিষয়টি গোপন ক্যামেরায় ধারণ করার কথাও খবরে উল্লেখ করা হয়।

নাদির শাহ ছাড়াও শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের আরো পাঁচজন আম্পায়ার ম্যাচ গড়াপেটায় আগ্রহ দেখিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানের দুই আম্পায়ার নাদিম ঘোরি এবং আনিস সিদ্দিকী। অপর তিনজন হলেন শ্রীলঙ্কান আম্পায়ার। এরা হলেন- গামিনি দিশানায়েকে, মরিস উইনস্টন এবং সাগারা গ্যালেস।

আইসিসির সদ্য প্যানেলভুক্ত বাংলাদেশের অপর আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন বলেও টাইমস অব ইন্ডিয়ার ওই খবরে জানানো হয়।

কিন্তু ৪০টি ওয়ানডে এবং তিনটি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশের আম্পায়ার নাদির শাহ আন্তর্জাতিক এবং ঘরোয়া যেকোনো ধরনের ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। সূত্র: ইন্টারনেট

বিজ্ঞানের ঈশ্বরপ্রাপ্তিতে ফ্যাসাদে নোবেল কমিটি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিজ্ঞানের ঈশ্বরপ্রাপ্তিতে ফ্যাসাদে নোবেল কমিটি :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  কথায় বলে, ঈশ্বর মেলা কি অত সহজ? হক কথা! কাজটা খুব একটা সহজে হয়নি বটে। বিস্তর কাঠখড় পুড়িয়ে অবশেষে জানা গিয়েছে, সে আছে!

সে দিনটা ছিল ৪ জুলাই। হিগস্-বোসন ওরফে ‘ঈশ্বর কণা’ আছে, সার্নের বিজ্ঞানীদের এই ঘোষণার পর বলা হয়েছিল, পদার্থবিদ্যার মোড় ঘুরিয়ে দেয়া আবিষ্কারগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম।

কিন্তু পদার্থবিদ্যার ‘ঈশ্বরপ্রাপ্তি’র পরও যে থাকবে এত রকম ঝঞ্ঝাট, তা কে জানত! এত দিন পর্যন্ত ঈশ্বরকণা খুঁজতে মাথা কুটেছেন সার্নের বিজ্ঞানীকুল। আর তাকে খুঁজে পাওয়ার পর ঝঞ্ঝাটের তিরটা ঘুরে গিয়েছে নোবেল কমিটির দিকে।

পদার্থবিদ্যায় এ বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষিত হওয়ার কথা মঙ্গলবার। কিন্তু হিগস্-বোসন নিয়ে রীতিমতো বিপাকে নোবেল কমিটি। ঈশ্বরকণার আবিষ্কার যে একটা ঐতিহাসিক ঘটনা, এ ব্যাপারে একমত সবাই। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে সেটা কি নোবেল পাওয়ার মতো ঘটনা?

বিজ্ঞানীদের বক্তব্য, পদার্থের ভর থাকে কেন, তা এই কণার সাহায্যেই ব্যাখ্যা করা সম্ভব। একে ছাড়া মহাবিশ্বের অস্তিত্বই থাকত না।

বৃটেনের ইনস্টিটিউট অফ ফিজিক্স-এর পিটার নাইটের কথায়, “এটা হল ডিএনএ আবিষ্কারের পদার্থবিদ্যা সংস্করণ!” কিন্তু এত সত্ত্বেও এই আবিষ্কারের কপালে নোবেলের শিকে ছিড়বে কি না, তা জানা নেই কারো।

নোবেল কমিটির বক্তব্য? “এটা একটা বিরাট আবিষ্কার”, স্রেফ এইটুকু বলেই দায় সেরেছেন কমিটির সদস্য লার্স ব্রিঙ্ক! এর সঙ্গে আছে খোদ হিগস্-বোসন কণাকে নিয়েই একটা সূক্ষ্ম অনিশ্চয়তা।

৪ জুলাই সার্নের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, এমন একটা কণা তারা পেয়েছেন যার ভর তাদের হিসেব করা হিগস্-বোসন কণার ভরের খুব কাছাকাছি। কিন্তু ওটাই হিগস্-বোসন, এ কথা তারা জোর দিয়ে বলেননি। এটাকে হাতিয়ার করেই অনেকে বলতে শুরু করেছেন, হিগস্-বোসনের অস্তিত্ব তো এখনো নিশ্চিত ভাবে প্রমাণই হয়নি। তা হলে নোবেলের প্রশ্ন উঠছে কিভাবে?

এই যুক্তি-পাল্টা যুক্তি পেরিয়ে যদি শেষ পর্যন্ত ‘নোবেলযোগ্য’ বলে বিবেচিত হয় এই আবিষ্কার, তা হলে পরের সমস্যাটা আরও জটিল। সেটা হল, কাকে দেওয়া হবে এই পুরস্কার? এ ক্ষেত্রে লড়াইটা হয়ে দাঁড়িয়েছে খানিকটা পিটার হিগস্ বনাম সার্নের।

কী রকম? ভরের গোলমাল ব্যাখ্যা করার জন্য একটা নতুন কণার ধারণা (অর্থাৎ হিগস্-বোসন কণা) প্রথম দিয়েছিলেন পিটার হিগস্। স্বাভাবিক ভাবেই নোবেলের দাবিদার হিসেবে তার নামটাই উঠে আসছে প্রথমে।

কিন্তু স্বয়ং পিটার হিগস্ এ কথা স্বীকার করেছেন, কণার উপস্থিতির বিষয়টা তার মাথা থেকে বেরোলেও সেটাকে পরীক্ষানিরীক্ষা করে হাতেগরম তথ্যপ্রমাণ জোগাড়ের গুরুত্বপূর্ণ কাজটার পিছনে রয়েছেন আরো বহু বিজ্ঞানী। এর মধ্যেই নোবেল কমিটির সমস্যা আরো বাড়িয়েছে গোটা বিষয়টার মধ্যে সার্নের বিজ্ঞানীদের অন্তর্ভুক্তি।

জেনিভার কাছে সার্নের গবেষণাগারে কয়েক হাজার পদার্থবিদ মাসের পর মাস পরীক্ষা চালিয়ে গিয়েছেন ঈশ্বরকণার খোঁজে। নোবেল কমিটির নিয়ম অনুযায়ী কোনও সংগঠনকেও নোবেল দেওয়া যেতে পারে। তা হলে কি সার্ন-এর হাতে উঠতে পারে নোবেল?

সার্নের বিজ্ঞানী জন এলিস কিন্তু বলছেন, “নোবেলটা শেষমেশ হিগস্ই পাবেন। তবে এ বছর নয়। অনেক দেরিতে ব্যাপারটা জানা গিয়েছে। তা ছাড়া, কণার উপস্থিতি এখনো নিশ্চিত নয়।”

কী বলছে নোবেল কমিটি? পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার কমিটির সেক্রেটারি লার্স বার্গস্ট্রোয়েমের কথায়, “সংগঠনকে নোবেল দিতে নিয়মের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। শান্তি পুরস্কারের ক্ষেত্রে এমনটা ঘটেই থাকে। কিন্তু বিজ্ঞানের নোবেল সাধারণত ব্যক্তিবিশেষকেই দেয়া হয়ে থাকে। যোগ্যতম ব্যক্তির হাতেই প্রতি বছর ওঠে এই পুরস্কার।” সূত্র: আনন্দবাজার

বাংলাদেশী ছবি দিয়ে শুরু হবে ডক-লাইপসিশ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশী ছবি দিয়ে শুরু হবে ডক-লাইপসিশ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রাচীনতম প্রামাণ্যচিত্রের উৎসব জার্মানির ডক-লাইপসিশ এর উদ্বোধনী ছবি হিসেবে আমন্ত্রিত হয়েছে বাংলাদেশের ছবি ‘শুনতে কি পাও’৷ এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম ছবি হিসেবে সেই উৎসবের মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্যও মনোনীত হয়েছে এটি৷

জার্মানির লাইপসিশ শহরে ১৯৫৫ সাল থেকে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে প্রামাণ্য চিত্রের উৎসব ডক-লাইপসিশ৷ এ বছর ২৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই উৎসব৷ বিশ্বের ১১৩টি দেশ থেকে দুই হাজার ৮৪৭টি ছবি জমা পড়েছিল এবারের প্রামাণ্যচিত্র উৎসবের জন্য৷

এগুলোর মধ্যে ১৯৮টি ছবি মনোনীত করা হয়েছে চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রদর্শনীর জন্য৷ আর সেগুলোর মধ্য থেকে ১২টি ছবি বাছাই করা হয়েছে মূল আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার যোগ্য হিসেবে৷ বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো ‘শুনতে কি পাও' ছবিটি এবার সেই প্রতিযোগিতায় থাকছে৷

পূর্ণদৈর্ঘ্য এই ছবিটি নির্মাণ করেছেন কামার আহমাদ সাইমন এবং সারা আফরীন৷ ছবিটির পরিচালক সাইমন বলেন, “আসলে এটা কিন্তু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা দেখলে হবে না৷ বরং আমার কাছে যেটা মনে হয়, স্বাধীনতা পরবর্তী গত প্রায় চল্লিশ বছর ধরে যে স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র আন্দোলন, সেটারই কিন্তু উত্তরাধিকারী আমরা৷ তবে সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, প্রখ্যাত তরুণ নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘টেলিভিশন' ছবিটি পুসান চলচ্চিত্র উৎসবে সমাপ্তি ছবি হিসেবে স্থান পেয়েছে এবং আমার এই ছবিটি লাইপসিশে উদ্বোধনী ছবি হিসেবে মনোনীত হয়েছে৷ ফলে আমি মনে করি এটা কোনো একক অর্জন বা স্বীকৃতি নয়, বরং একটি সামষ্টিক অগ্রগতি ও সময়ের পরিবর্তনের ইঙ্গিত বলেই মনে হয়৷”

শুনতে কি পাও' ছবির কাহিনী ও প্রেক্ষাপট সম্পর্কে কামার আহমাদ জানান, ছবিটি প্রদর্শনের আগ পর্যন্ত আমরা এর কাহিনীটা একটুখানি আড়াল রাখতেই চাই৷ তবুও সহজ ভাষায় বলতে গেলে এটি সুন্দরবনের কোল ঘেষে ভদ্রা নদীর পাড়ে ছোট্ট একটি গ্রামের গল্প৷ যে গ্রামটিতে আজ থেকে তিন বছর আগে একটি ঘটনা ঘটে৷ সেই ঘটনার ফলে গ্রামটির সহজ-সরল একশ' পরিবারের মানুষের জীবনটা পুরোপুরি বদলে যায়৷ সেই বদলানোর দিন থেকে ছবিটির গল্প আরম্ভ হয় এবং প্রায় দু'বছরের একটি যাত্রায় প্রতিটি মানুষের জীবনে আরেকটি পরিবর্তন তারা সামগ্রিকভাবে নিয়ে আসে৷ এই দু'বছরের যাত্রায় তাদের ব্যক্তিমানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে ওই গ্রামের মানুষের সামষ্টিক যে আন্দোলন, সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমি রূপকার্থে সমগ্র বাংলাদেশেরই একটি গল্প বলার চেষ্টা করেছি৷

বাংলাদেশের মানুষ ছবিটি কখন দেখার সুযোগ পেতে পারে - এমন প্রশ্নের উত্তরে সাইমন বলেন, “ছবিটি এইচডি ফরম্যাটে তৈরি করা৷ তাই বর্তমানে ছবিটি বাংলাদেশে ব্যাপকহারে প্রদর্শনের ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে৷ এছাড়া বাংলাদেশে স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্র এবং বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্র জগতের ব্যবস্থাপনার মধ্যে এখনো বেশ তফাৎ রয়ে গেছে৷ আমি মনে করি যে, নতুন প্রজন্মের আমরা যারা কাজ করছি তারা এই ব্যবধান ঘুচিয়ে নিয়ে মূলধারায় এটি প্রদর্শনের চেষ্টা করবো৷ সেটা যদি সফল হয় সেক্ষেত্রে আমাদের ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে আমরা ছবিটি দেশব্যাপী মুক্তি দিতে পারবো বলে আশা করছি৷” সূত্র: ডিডব্লিউ

শিল্পী-প্রযোজক দ্বন্দ্ব, কলকাতার বাংলা সিরিয়াল সংসারে ঘোর অশান্তি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

শিল্পী-প্রযোজক দ্বন্দ্ব, কলকাতার বাংলা সিরিয়াল সংসারে ঘোর অশান্তি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রযোজক আর শিল্পীদের মধ্যে ঝামেলা। তার জেরেই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে কলকাতার বাংলা টেলিভিশনের ৬০০ কোটি টাকার বিনোদন বাজার।

টাকাপয়সা নিয়ে প্রযোজকদের সঙ্গে শিল্পীদের অশান্তি নতুন নয়। কিন্তু রোববার সেটা যেভাবে প্রায় সার্বিক অচলাবস্থা ডেকে আনতে যাচ্ছিল, তাতেই ইন্ডাস্ট্রির কপালে ভাঁজ। শিল্পী-কলাকুশলী মিলিয়ে অন্তত ২০ হাজার মানুষ প্রত্যক্ষভাবে কলকাতার বাংলা টেলিভিশনের সঙ্গে জড়িত। পুজোর মুখে আচমকাই এঁদের সামনে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ। প্রযোজক সংগঠন ডব্লিউএটিপি (ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অফ টেলিভিশন প্রোডিউসার্স অফ ওয়েস্ট বেঙ্গল) এবং শিল্পীদের আর্টিস্ট ফোরাম, দু’পক্ষই যুদ্ধংদেহি মনোভাব বজায় রাখছে। আজ সোমবার বৈঠক ডাকা হয়েছে। রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের মধ্যস্থতায় সমাধানসূত্র বের করার চেষ্টা হবে।

গোলমালের কেন্দ্রে রয়েছে রাজীব মেহরা প্রযোজিত দু’টি সিরিয়াল, ‘সাত পাকে বাঁধা’ এবং ‘পালাবদল’। শনিবারই এই দুই ধারাবাহিকের শিল্পীরা তাদের মাসিক চেক হাতে পান। চেকে ১০ অক্টোবরের তারিখ দেওয়া ছিল। শিল্পীরা ওই পোস্ট ডেটেড চেক নিতে অস্বীকার করেন। তারা একযোগে বলেন, নতুন চেক না দিলে তারা রোববার কাজে যোগ দেবেন না। এবং সেই মোতাবেক ওই দুই ধারাবাহিকের শিল্পীরা এ দিন স্টুডিওতে রিপোর্ট করেননি। প্রযোজক রাজীব মেহরার বক্তব্য, “একটা সামান্য ব্যাপার নিয়ে আর্টিস্টরা বাড়াবাড়ি করছেন!” তিনিও শ্যুটিং বন্ধ করে দেন।

গণ্ডগোলের রেশ ছড়াতে থাকে। রোববার বেলা সাড়ে বারোটা থেকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত টেলিভিশন সিরিয়ালের বেশির ভাগ শ্যুটিংই বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ডব্লিউএটিপি ঘোষণা করে দেয়, শ্যুটিং ধর্মঘট। দুপুর তিনটার পর থেকে কোনো সিরিয়াল শু্যটিং হবে না বলে ঠিক হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত অরূপ বিশ্বাসের চেষ্টায় কোনো মতে কাজ আবার শুরু হয়। রাজীবের সিরিয়াল দু’টির শ্যুটিং অবশ্য হয়নি। অন্যান্য শুটিংয়েও উত্তেজনার আবহ যথেষ্টই ছিল।

সোমবারের বৈঠকে যদি সমাধানসূত্র না বেরোয়, শ্যুটিং ধর্মঘটের ডাকই বহাল থাকবে, এমন আশঙ্কা রয়েছে। ডব্লিউএটিপি-র তরফে পার্থ কর বলেই দিচ্ছেন, “ধর্মঘটের সম্ভাবনা বাতিল হয়ে যায়নি।”

প্রযোজকদের সঙ্গে শিল্পীদের সম্পর্ক এই জায়গায় এসে দাঁড়াল কেন? এই মুহূর্তে টালিগঞ্জের ব্যস্ততম অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় কালিম্পংয়ে শ্যুটিং করতে করতেই উগরে দিলেন তার ক্ষোভ। শাশ্বত বড় পর্দা-ছোট পর্দা, দু’টো মাধ্যমের সঙ্গেই যুক্ত। তার কথায়, “যে ছবি আঁকে, গান করে, তবলা বাজায়, তার রোজগার সেটা থেকেই হয়। টালিগঞ্জে এখন কেউ মাছের ব্যবসা, কেউ অন্য কিছুর ব্যবসা করে প্রোডিউসার হয়েছে।” শাশ্বতর ক্ষোভ, প্রযোজকরা আর্থিক প্রতিপত্তি খাটিয়ে শিল্পীদের কার্যত কিনে রাখতে চাইছেন।

শুধু একটা পোস্ট ডেটেড চেক নিয়ে সমস্যাতেই কি জল এত দূর গড়াল? ইন্ডাস্ট্রি সূত্রের খবর, বিষয়টা এত সরল নয়। পেমেন্ট নিয়ে আর্টিস্টদের এমনিতেই ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে।

গত ১৪ জুন প্রোডিউসার্স গিল্ড এবং আর্টিস্ট ফোরামের মধ্যে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, শিল্পীদের পুরো মাসের পাওনা পরের মাসের সাত তারিখের মধ্যে মিটিয়ে দিতে হবে। পোস্ট ডেটেড চেক দিয়ে সেই চুক্তি ভঙ্গ করা হয়েছে বলে শিল্পীদের দাবি।

আর্টিস্ট ফোরামের যুগ্ম সচিব দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, শিল্পীরা কখনওই ধর্মঘটের পথে যেতে চান না। কিন্তু প্রযোজকরা যে ভাবে তাদের নিয়ে হেলাফেলা করেন, সেটাও মেনে নেয়া চলে না। দেবযানীর অভিযোগ, সাত তারিখের মধ্যে পাওনা মেটানোর অঙ্গীকার করার পরেও প্রায়শই কখনও ১৬, কখনও ২২ তারিখের পোস্ট ডেটেড চেক ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

“শিল্পীরা কিন্তু ফ্রিলান্স কাজ করেন। এই পেশায় এমনিতেই যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে।” শিল্পীদের বক্তব্য, প্রযোজকরা যখন তখন এমনকি গভীর রাতেও এসএমএস করে বলে দেন, পরের দিন কাজে আসতে হবে না। তখন নতুন করে কাউকে ডেট দেয়ার অবস্থাও থাকে না। “এই ক্ষতি কি প্রযোজকরা পূরণ করে দেন? তা যদি না করেন, তা হলে যখন তখন শু্যটিং বাতিল করার অধিকারও তাদের থাকতে পারে না।”
এর পাশাপাশি শিল্পীদের সম্পর্কে প্রযোজকদের অভিযোগও কিছু কম নয়। শিল্পীরা দু’ঘণ্টা কাজ করে পুরো দিনের পাওনা নেন বলে অভিযোগ। অধিকাংশ দিনই ‘হাফ ডে’-র জন্য আবদার করেন তারা। নাম না করে এক প্রযোজক বলেন, “আমরা আর এ সব মানব না। কালকের বৈঠকে এই সব কিছু নিয়েই আলোচনা হবে।” আর পাওনাগন্ডার বিষয়টা?

পার্থবাবু বলেন, “পোস্ট ডেটেড চেক দেয়াটা অপরাধ নয়। শিল্পীদের বলাই আছে চেকে তিন দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ধরে রাখতে।” প্রযোজকদের দাবি, এই নিয়ে ডামাডোলের পিছনে শিল্পীরা যতটা না দায়ী, আর্টিস্ট ফোরামের কিছু ‘অস্থিরমতি’, ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন’ নেতা অনেক বেশি দায়ী। ওরাই শিল্পীদের হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। পার্থবাবুর কথায়, “এতে চ্যানেলের ক্ষতি হচ্ছে, প্রযোজকদের ক্ষতি হচ্ছে। আর্টিস্ট ফোরামের এই দাদাগিরি মানা যায় না।”

অতঃকিম? শিল্পীরা বলছেন প্রযোজকরা ওদের ভালোমন্দের দিকটা দেখেন না। প্রযোজকরা বলছেন, শিল্পীরা ওঁদের সঙ্গে সহায়তা করেন না। মাঝখানে পড়ে চ্যানেলের কর্তারা ক্ষুব্ধ। সংশ্লিষ্ট একটি চ্যানেলের কর্তা সুজয় কুট্টি বলছেন, “আমরাই টাকা দিই। কিন্তু যখনই ঝামেলা হয়, চ্যানেলের স্বার্থটা কেউ দেখেন না।” প্রথম সারির একাধিক চ্যানেলের কর্তাই আজকের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। অরূপ বিশ্বাস মনে করিয়ে দিচ্ছেন, শুধু চ্যানেল নয়। পুজোর আগে ধর্মঘট শুরু হলে মার খাবেন টেকনিশিয়ানরাও। “এই অনিশ্চয়তার আবহ চলতে পারে না। আশা করছি, সোমবার একটা রফা হবে।” অরূপের সঙ্গে সহযোগী মধ্যস্থ হিসেবে থাকবেন শিবাজী পাঁজা।
কলকাতার বাংলা টেলিভিশনের ‘প্রাইম টাইম’ অতএব, সোমবার সকাল এগারোটা থেকে। সূত্র: ওয়েবসাইট।

অতিরিক্ত মিষ্টিতে মস্তিষ্কের ক্ষতি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

অতিরিক্ত মিষ্টিতে মস্তিষ্কের ক্ষতি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মিষ্টি খাবার সবার কাছেই খুব প্রিয়। হালকা পানীয়, আপেলের সস, জেলি এবং শিশুখাদ্যে প্রচুর ফ্রুকটোস (বিভিন্ন ধরনের ফল, মধু ইত্যাদিতে যে ধরনের চিনি থাকে) ব্যবহার করা হয়। এসব খাবার শিশুসহ সবার পছন্দের হলেও একটু সতর্ক হতে পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

তারা বলছেন, অতিরিক্ত ফ্রুকটোসসমৃদ্ধ খাবার দীর্ঘদিন খেলে মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে। স্মরণশক্তি কমে যেতে পারে। তবে ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার খেলে এ ক্ষতি থেকে
রেহাই পাওয়া যাবে।

আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের (ইউসিএলএ) গবেষকরা বলছেন, প্রক্রিয়াজাত করা খাবারে উচ্চমাত্রায় ফ্রুকটোসযুক্ত কর্ন সিরাপ ব্যবহার করা হয়। সাধারণ চিনির তুলনায় এ সিরাপ ছয়গুণ বেশি মিষ্টি। এটিই আমাদের জন্য ক্ষতির কারণ। ফলে ফ্রুকটোস থাকলেও তা ক্ষতিকর নয়। ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় আমাদের জন্য তা খুবই উপকারী।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গোমেজ পিনিলা বলেন, তৈরি করা খাবারে স্বাদ বাড়াতে উচ্চমাত্রার ফ্রুকটোস মিশ্রিত সিরাপের ব্যবহার নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন।

এর আগে গবেষণায় জানা গেছে_ ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত মোটা হয়ে যাওয়া ও যকৃতের বিভিন্ন জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে ফ্রুকটোস। এই প্রথম জানা গেল, এটি মস্তিষ্কেরও ক্ষতি করে। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

রামুর ঘটনায় সর্বদলীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় সর্বদলীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সরকারের নিরপেক্ষতা প্রমাণ করার জন্য একটি সর্বদলীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে দায়ী ব্যক্তিদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের মহাসচিব ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।

সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বৌদ্ধপল্লীতে হামলার প্রতিবাদে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, কমিশন মনে করে সরকারের উচিত দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে রামু ও উখিয়ার বিস্তারিত তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দ্রুত পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান করা।

তিনি আরো বলেন, আফগানিস্তানের বামিয়ানে হাজার বছরের পুরনো দুটি বুদ্ধমূর্তি ধ্বংস করার পর সৌদি সরকার পত্রিকায় মন্তব্য করেছিল, ‘দিস ইজ নট ইসলাম’। কমিশনও রামুর এ ঘটনাকে ইসলামসম্মত কাজ মনে করে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। যারা এই উন্মাদনা সৃষ্টি করেছে তারা অবশ্যই ইসলামের লোক নয়। তারা ইসলামকে সমালোচিত এবং ধর্মকে বিতর্কিত করার জন্য এ কাজ করেছে।
দিলদার বলেন, প্রশাসন যদি সজাগ থাকত তাহলে এত বড় ঘটনা ঘটত না। তাদের এ গাফিলতি মেনে নেয়া যায় না। তাদেরও বিচারের আওতায় আনা উচিত।

মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউএনবির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের জাতীয় উপদেষ্টা ডা. এ এস এম বদরুদ্দোজা ও কমিশনের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান বাবুল।

রাজধানী যানজটমুক্ত করতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজধানী যানজটমুক্ত করতে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “রাজধানীকে যানজটমুক্ত করার লক্ষ্যে নানামুখী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সাভার থেকে রাজধানীতে প্রবেশের মুখে গাবতলী ব্রিজের নিচ দিয়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে সার্কুলার রোড তৈরি হচ্ছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের আগেই এর কাজ শেষ হবে।”
 
সোমবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক পরিদর্শন শেষে সাভারের নবীনগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
 
এ সময় তিনি গাবতলী ব্রিজের নিচ দিয়ে নির্মাণাধীন সার্কুলার রোডের কাজসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, উলাইল, গেণ্ডা বাসস্ট্যান্ড এবং সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে নেমে সড়কের সার্বিক অবস্থা পরিদর্শন করেন। পরে তিনি নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে নেমে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নির্মাণাধীন চারলেন সড়কের কাজ পর্যবেক্ষণ করেন।
 
যোগাযোগমন্ত্রী আরো বলেন, “ঢাকা আরিচা মহাসড়কের পাশে অবৈধ দোকানপাট ও বাজার বসার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়। আগামী ঈদের আগেই সারা দেশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সব রাস্তা সংস্কার কাজ শেষ করা হবে; যাতে ঈদে ঘর মুখো মানুষ ভোগান্তিতে না পড়ে।”
 
মহাসড়কের দু’পাশে থাকা রাজনৈতিক বিলবোর্ডসহ অহেতুক মহাসড়কের পাশে স্থাপন করা বিলবোর্ডগুলো অপসারণের কথা বলেন তিনি।
 
ঈদের সময় মহসড়াকের পাশে যাতে পশুর হাট না বসে সে জন্য প্রশাসনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতা চান তিনি।
 
এ সময় তিনি সাভার বাজার বাসস্ট্যান্ডে রাস্তা পারাপারের জন্য খুব শিগগিরই আরেকটি ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণের ঘোষণা দেন এবং এর জন্য আগামী ২০ তারিখের মধ্যে টেন্ডার আহ্বান করা হবে বলে জানান তিনি।
 
এ সময় সওজের এডিশনাল চিফ ইঞ্জিনিয়ার মফিজুল ইসলাম, সুপারেন্টেড ইঞ্জিনিয়ার ঢাকা সাহাবুদ্দিন, নির্বাহী কর্মকর্তা জিকরুল হাসান, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানসহ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তানভীরের বিরুদ্ধে আরো দুটি মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

তানভীরের বিরুদ্ধে আরো দুটি মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনালী ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির অভিযোগে গ্রেফতার হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) তানভীর মাহমুদের বিরুদ্ধে সোমবার নতুন করে আরো দুটি মামলা হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে ১১টি মামলা হয়।

সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে জানা যায়, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) বাদী হয়ে রাজধানীর পল্লবী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা করে। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সাভার থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে।
 
তানভীর মাহমুদকে রোববার রাতে রাজধানীর মিরপুর থেকে র‌্যাব গ্রেফতার করে। এ সময় দুদকের করা মামলার অপর আসামি হলমার্ক গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক তুষার আহমেদকেও গ্রেফতার করে র‌্যাব। এই দুজনের কাছ থেকে পাঁচটি ব্ল্যাকবেরি মোবাইলফোন, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, চারটি গুলি ও দুই লাখ ৮৭ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

রামুর ঘটনায় স্থানীয় এমপির উস্কানিকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

রামুর ঘটনায় স্থানীয় এমপির উস্কানিকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধবিহার জ্বালিয়ে দেয়া এবং ভাঙচুরের ঘটনায় প্রধান বিরোধী দল বিএপির স্থানীয় সংসদ সদস্য লুতফুর রহমানের উস্কানিকে দায়ী করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, “গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে রামুতে হামলার আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন সেখানকার উত্তেজিত মানুষকে শান্ত করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু সেই সময় বিএনপির স্থানীয় এমপি গিয়ে সেখানে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তারপর হাজার হাজার মানুষ লাঠিসোঁটা নিয়ে মন্দিরে আগুন দেয়।”

 সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের রামু উপজেলার কিজারী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে জনসভাস্থলে বক্তব্য দেয়ার সময় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বৌদ্ধবিহারে হামলার ঘটনায় আমি মর্মাহত ও হতাশ। বাংলাদেশে এর আগে এ রকম জঘন্যতম ঘটনা ঘটেনি। আন্তর্জাতিকভাবে দেশের সম্মান ক্ষুণ্ন করতেই এই হামলা হয়েছে।”


শেখ হাসিনা জানান, হামলার ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের কাউকে রেহাই দেয়া হবে না। জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি দেয়া হবে।

পুড়ে যাওয়া ১২টি বৌদ্ধবিহারের সংস্কার সরকারি অর্থে করা হবে বলেও প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “বৌদ্ধবিহারগুলোর সংস্কারের জন্য যা যা করা দরকার, সরকারের পক্ষ থেকে তা করা হবে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর ভাণ্ডার থেকে এক কোটি ৩৪ লাখ আর বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে দুই কোটি ৪৮ লাখ নগদ টাকা (মোট তিন কোটি ৮২ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ) ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের দেয়া হবে। এ ছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের গৃহনির্মাণের জন্য ৩০৭ বান টিন, ৩৫.৬২ মেট্রিক টন চাল, ২৪৬টি কম্বল, ১০৭ বান্ডিল কাপড়চোপড় ও স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের জন্য ২৯ সেট বই দেবে সরকার।”

জনসভাস্থল থেকে পুড়ে যাওয়া বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িতে গিয়ে ত্রাণ দেন শেখ হাসিনা। এরপর তিনি কক্সবাজারে যাবেন। সেখানে সরকারি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন।

জনসভায় আরো বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক, বীর বাহাদুর এমপি, তোফায়েল আহমেদ, আমির হোসেন আমু, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দীপঙ্কর তালুকদার প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ কে আহম্মেদ হোসেন।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারে পৌঁছান। সেখান থেকে তিনি রামুতে যান।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পবিত্র কোরআন শরিফের অবমাননাকর একটি ছবি প্রকাশের জের ধরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে রামু উপজেলায় বিক্ষুব্ধ জনতা ১০টি বৌদ্ধমন্দিরে হামলা চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। এছাড়া ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।