উপকূলীয় তিন জেলায় বৃহস্পতিবার এক আকস্মিক ঝড়ে ২৩ জন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
উপকূলীয় ভোলা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের জেলা কর্তৃপক্ষ বলছে, যদিও সেখানে আগে থেকেই তিন নম্বর সতর্কবার্তা ছিল, কিন্তু একটি ঝড় আসতে যাচ্ছে এরকম কোনো তথ্য তাদের কাছে ছিল না।
কর্তৃপক্ষ বলছে, তিনটি জেলায় ঝড়ে ২০ হাজারের মতো বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয়েছে।এখনো নিখোঁজ রয়েছেন অনেক জেলে।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বাসিন্দা ফিরোজ উদ্দিন জানান, রাত দুটা থেকে ঝোড়ো বাতাস বইতে শুরু করে। এর কিছু পর থেকে ঝড়টি এসে আঘাত করতে শুরু করে।
আক্রান্ত তিনটি জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে নোয়াখালী জেলা।
কর্তৃপক্ষ বলছে, আগাম তথ্য না থাকার কারণে সেখানকার বাসিন্দাদের সতর্ক করার কোনো সুযোগই তারা পাননি।
নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঝড়ে তার জেলাতেই ১৬জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ১৫ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এখনো অনেক জেলের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, “এরকম একটি শক্তিশালী ঝড় সেখানে আঘাত করতে যাচ্ছে, তাদের এর ওপর কোনো সতর্কবার্তা কোনো দফতর বা সংস্থার পক্ষ থেকেই জানানো হয়নি।”
আবহাওয়া অধিদফতর বলছে, সাগরে একটি লঘুচাপ মঙ্গলবার থেকেই তারা পর্যবেক্ষণ করে আসছিলেন। কিন্তু এটি বুধবার রাতে নিম্নচাপে পরিণত হয়। তাদের দাবি, এই সতর্কবার্তাও তারা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন।
বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের সহকারী পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, “বর্ষাকাল শেষ হওয়ার সময়ে এরকম ঝড়ের সৃষ্টি হয়ে থাকে।”
সাগরে একটি লঘুচাপ সনাক্ত করে মঙ্গলবার থেকেই তারা কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও মংলা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছিলেন।
এই ঝড়টিই উপকূলের কাছাকাছি এসে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি
















