Pages

Thursday, October 18, 2012

চট্টগ্রামে বিপুলসংখ্যক ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

চট্টগ্রামে বিপুলসংখ্যক ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 মন্ত্রীর জেহাদ ঘোষণার সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই অবৈধভাবে ভিওআইপি কাজে ব্যবহৃত কোটি টাকার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
 
বুধবার সকালে চট্টগ্রামের হাটহাজারি নজু মিয়ার হাট সংলগ্ন এলাকা থেকে এসব সরঞ্জাম উদ্ধার করে র‌্যাব-৭ এর একটি দল। তবে ঘটনা স্থল থেকে এর সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার হননি। অবশ্য অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসা স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম-কে গ্রেফতারের অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর কমান্ডার নুরুজ্জামান।
 
এ সম্পর্কে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, উদ্ধার করা সরঞ্জামের মধ্যে ভিওআইপি কাজে ব্যবহৃত ৫টি চ্যানেল বক্স, ২টি কুইন্টাম, রাউটার, অ্যান্টিনা, ব্যাটারি, ইউপিএস, ৫০০ সিম কার্ড এবং একটি লার্জ স্কেল ভি-স্যাট উদ্ধার রয়েছে। এগুলোর মূল্য কোটি টাকার মতো হবে।
 
উদ্ধার করা সিমগুলো কোনো অপারেটরের সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভিন্ন কোম্পানির সিম রয়েছে।
অপারেশন সম্পর্কে নরুজ্জামান বার্তা২৪ ডটনেটকে জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিটিআরসির স্থানীয় কর্মকর্তা কামরুল হাসান ভূঁইয়া-কে সাথে নিয়ে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে আমরা অভিযান শুরু করি। এসময় সন্দেহের তালিকায় থাকা নজুমিয়ার হাটের একটি বাসায় গিয়ে সেখানে কাউকে না পেয়ে তালা ভেঙে অবৈধ ভিওআইপি কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করি। এসময় একটি তার অনুসরণ করে পাশের টেক কম্পিউটার মার্কেটের ৫তলা ভবনের ছাদ থেকে লার্জ স্কেলের ভিস্যাট উদ্ধার করা হয়।

চিটাগং: বাঙালির স্বদেশভাবনার ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

চিটাগং: বাঙালির স্বদেশভাবনার ছবি :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ নিয়ে পরিচালক বেদব্রত পাইনের প্রথম ছবি ‘চিটাগং’৷ বাংলার সশস্ত্র আন্দোলনের এই সেলুলয়েড ইতিমধ্যেই যথেষ্ট সাড়া ফেলেছে চলচ্চিত্রমহলে৷
ড. বেদব্রত পাইন ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির কৃতী ছাত্র৷ দীর্ঘ ১৫ বছর চাকরি করেছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সিনিয়র সায়েন্টিস্ট পদে৷ ৮৭টি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি-উদ্ভাবনের কৃতিত্ব এবং পেটেন্ট রয়েছে তার দখলে৷ এমন বিদ্বান এবং কৃতী একজন মানুষ যখন সিনেমা বানাবেন বলে চাকরি ছেড়ে দেন, তখন তার কাছে বাড়তি প্রত্যাশা তো থাকবেই৷
কিন্তু হঠাৎ কেন চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহের কাহিনী? বেদব্রত জানালেন, দিল্লির এক ঐতিহাসিক বন্ধুর কাছে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের নাম বলতে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেছিলেন, প্রীতিলতা কে? তখনই তার প্রথম মনে হয়, বাঙালি বিপ্লবীদের কথা বলা দরকার৷
দিল্লির ইতিহাসবিদ প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারকে চিনতে না পারলেও চট্টগ্রামে গিয়ে প্রীতিলতা সম্পর্কে অনেক তথ্য, চট্টগ্রামের সশস্ত্র সংগ্রাম সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ পেয়ে যান বেদব্রত৷ এবং তার মনে হয়, শুধু ওই লড়াই নয়, মাস্টারদা সূর্যসেনের আদর্শ সম্পর্কেও পৃথিবীর জানা দরকার৷
২০০৮ সালে কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় শুয়ে বিপ্লবী সুবোধ রায় অনেক জরুরি খুঁটিনাটি জানিয়েছিলেন বেদব্রতকে, যা ইতিহাসেরও অজানা ছিল৷ সুবোধ ওরফে ঝুঙ্কু ছিলেন মাস্টারদার শিষ্য, চট্টগ্রামের ধলঘাট সংঘর্ষে মাস্টারদার কিশোর বাহিনীর অন্যতম সৈনিক৷ ‘চিটাগং' ছবিতে এই ঝুঙ্কুর চোখ দিয়েই সমস্ত ঘটনা বলেছেন বেদব্রত৷ সেটাও অত্যন্ত আবেগহীন, নাটকীয়তাবর্জিত ভঙ্গিতে৷
 
এ প্রসঙ্গে বেদব্রতর বক্তব্য, বাঙালিদের মধ্যে, আরও অনেকের মধ্যেই মেলোড্রামা খুব প্রিয়৷ কিন্তু হাউমাউ করে কাঁদলেও অনেক সময় দুঃখটা প্রকাশ করা যায় না৷ চিটাগং এমন একটা গল্প বলে, যেটা একটু শান্ত ভঙ্গিতে বলা উচিত ছিল বলে তার মনে হয়েছে, যাতে বক্তব্যটা মানুষের মনের ভেতর পর্যন্ত যায়৷
গোটা ছবিতেই মূল ইতিহাসের অনুসারী বেদব্রত, একটি ঘটনা বাদে৷ ইতিহাস বলে, সূর্যসেন গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রচণ্ড অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলেছিল ব্রিটিশ পুলিশ৷ তারপর তার মৃতদেহ ফাঁসিতে ঝুলিয়েছিল৷ কিন্তু চিটাগং ছবিতে সূর্যসেন নিজেই এগিয়ে যান ফাঁসির মঞ্চের দিকে৷
মাস্টারদা জানতেন যে ধরা পড়ার পর তার উপর পাশবিক অত্যাচার হবে৷ সেটাই হয়েছিল এবং তিনি মারা গিয়েছিলেন৷ কিন্তু সেই অত্যাচার এবং মৃত্যুবরণ নয়, বেদব্রত বড় করে দেখাতে চেয়েছেন মাস্টারদার আদর্শ এবং লড়াইকে৷ হারের নয়, জয়ের ছবি তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি৷
বেদব্রত পাইনের চিটাগং উসকে দিয়েছে বাঙালির স্বদেশভাবনাকে৷ মনে করিয়ে দিয়েছে, ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলনে বাঙালির অবদানের কথা৷ সূত্র: ডয়েচে ভেলে

কারিনা এখন মিসেস খান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

কারিনা এখন মিসেস খান :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

 বলিউডের অন্যতম ‘বিগ ফ্যাট’ বিয়ে তো বটেই!  ঐশ্বর্যা-অভিষেকের বিয়ের পর এত হইচই, এত জল্পনা আর কোনো বিয়ে নিয়ে হয়নি। সইফ দোজবর হয়েই অনেককে টেক্কা দিলেন! মঙ্গলবার বান্দ্রার বাড়িতে রেজিস্ট্রারি হয়ে যাওয়ার পরে করিনা কাপুরও পটৌডি পরিবারের ছোটি বেগম হলেন!

সাইফ-অমৃতার বিয়ে যখন হয়েছিল, তখন সাইফ শুধু পটৌড-শর্মিলার ছেলে বলেই খ্যাত। নিজে তেমন কিছু করে উঠতে পারেননি তখনো। অমৃতা নায়িকা হলেও পয়লা সারির ছিলেন না কোনো দিনই। সেই তুলনায় আজকের সাইফ-কারিনা বিয়ে কিন্তু তাদের নিজেদের ওজনেই অনেক বেশি হেভিওয়েট!

মঙ্গলবার সকালেই সাইফ-কারিনার রেজিস্ট্রি হলো। সাক্ষী হিসেবে থাকলেন শর্মিলা ঠাকুর, রণধীর কাপূর আর ববিতা। উপস্থিত ছিলেন করিশমাও। সইফ সই করেছেন ছোটবেলার নাম, ‘সাজিদ আলি খান’ হিসেবে। বয়স, ৪২। করিনার বয়স লেখা আছে, ৩১। তবে রেজিস্ট্রি নোটিস দেয়ার পরেই তার জন্মদিন ছিল। ফলে এমনিতে তিনি এখন ৩২। রাতে তাজে রিসেপশন ছিল। আর সেখানে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির ছিলেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই। এসেছিলেন শশী কাপূর, রতন টাটা। রণবীর কপূর, সুভাষ ঘাই, প্রীতি জিন্টা, সকন্যা অনিল কাপূর, শাহরুখের স্ত্রী গৌরীও তাড়াতাড়িই চলে এসেছিলেন।

সদ্য শেষ হয়েছে রেজিস্ট্রি। তার পরেই জনসমক্ষে। তবে রেজিস্ট্রির দিনে সবচেয়ে বড় চমকটা আসে করিনার প্রাক্তন প্রেমিক শাহিদ কাপূরের কাছ থেকে। রীতিমতো আনুষ্ঠানিকভাবে সাইফিনা এবং তাদের পরিবারকে নিজের তরফে শুভেচ্ছা জানালেন তিনি।
 
বললেন, “ববিতা আন্টি আর রণধীর আঙ্কলকে অনেক দিন ধরে চিনি। মেয়ের বিয়ে একটা বিশাল ব্যাপার। কারিনা আর সাইফ, দু’জনকেই আমি শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আশা করব, বিয়ের পরেও অভিনয়টা চালিয়ে যাবে কারিনা। এই মুহূর্তে ও ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম সেরা অভিনেত্রী।”
 
বিয়েতে তিনি কি আমন্ত্রিত? এই প্রশ্নটা পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন শাহিদ। টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শাহরুখ খান।

সাইফ-কারিনা রেজিস্ট্রি বিয়ে চেয়েছিলেন। সেই মোতাবেক বিয়ে মিটেও গেল। বাকি থাকল নিকাহ। তার পরই ‘গ্র্যান্ড রিসেপশন’ বা দাওয়াত-এ-ওয়ালিমা। ১৮ অক্টোবরের সেই রাজকীয় আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন শর্মিলা। আমন্ত্রণ জানাতে গিয়েছেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছেও। শর্মিলার নিজের বিয়েতে হাজির ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জাকির হোসেন। কিন্তু শর্মিলার ছেলের বিয়েতে উপস্থিত থাকতে পারবেন না প্রণব। সে দিন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে তার অন্য কর্মসূচি রয়েছে। তবে ১৮ তারিখ প্রণববাবুর শুভেচ্ছা-বার্তা পৌঁছে দিয়ে যাবেন তার এডিসি।
 
তবে প্রথম সারির অনেক কংগ্রেস নেতাই ও দিন থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। শর্মিলার সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্ক বরাবরই ভালো। সম্পর্ক ভালো খোদ সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে। যদিও দেশীয় রাজাদের অনুদান ব্যবস্থা (প্রিভি পার্স) ভেঙে দেয়ার বিরুদ্ধে নিজের অসন্তোষ গোপন রাখেননি মনসুর আলি খান। কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন, জিততে পারেননি।
 
সম্পর্ক আরো খারাপের দিকে যায়, যখন দুপ্লে রোডের বাসভবন নিয়ে বিতর্কে সরকারি সম্পত্তি ব্যবহারের অভিযোগে মনসুরের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা হয়। অরুণ জেটলি তখন মনসুরের হয়ে মামলা লড়ার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। শেষমেশ পটৌডি দম্পতি নিজেদের অধিকার নিয়ে আর লড়েননি।
 
দিল্লির বসন্ত বিহারের বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন ওরা। কিন্তু এত কিছুর মধ্যেও শর্মিলা কংগ্রেসের সঙ্গে সুসম্পর্কই বজায় রেখে গিয়েছেন। সেন্সর বোর্ডের প্রধানও হয়েছিলেন তিনি।
বিয়ের অনুষ্ঠান মিটে গেলেই শর্মিলা চলে যাবেন বিলেতের বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্মানিক ডক্টরেট নিতে। পরিচালক সঙ্গীতা দত্ত শর্মিলা আর সোহাকে নিয়ে ‘লাইফ গোজ অন’ বলে একটি ছবি বানিয়েছিলেন। সেই সঙ্গীতার সঙ্গে একটি কথোপকথন-অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন শর্মিলা। সঙ্গীতা সেই দিকেই তাকিয়ে আছেন। “শর্মিলাজি এত ডিসিপ্লিনড, সেটাই হয়তো ওর সিক্রেট। দেখছেন তো, কেমন একা হাতে বিয়ের ব্যাপারটা সামলাচ্ছেন তিনি।” সূত্র: ওয়েবসাইট

রাতের কাজে ক্যানসারের ঝুঁকি! :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাতের কাজে ক্যানসারের ঝুঁকি! :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
  মানুষের কাজের পরিধি ও ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় রাত জাগার হার বাড়ছে। আবার কাজের ধরনের কারণে অনেককে অনবরত রাত জাগতে হয়। এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সবাইকে সতর্ক করে আসছেন।
 
কিন্তু কানাডায় পরিচালিত এক গবেষণা আমাদের অবশ্যই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে। গবেষণায় জানা গেছে, যারা রাতের পালায় কাজ করেন, তাদের বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় বেশি।

পুরুষের রাত জেগে কাজ করার সঙ্গে ফুসফুস, মূত্রাশয়, প্রোস্টেট (মূত্রথলি সংলগ্ন গ্রন্থি), মলনালি ও অগ্ন্যাশয়ে ক্যানসারের সম্পর্ক কী তা জানতে আইএনআরএস ইনস্টিটিউট আরমানদ-ফ্র্যাপিয়ার এ গবেষণা চালায়।
 
অধ্যাপক ম্যারি ইলিস প্যারেন্ট বলেন, ঘুমের সময় মেলাটোনিন নামে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। রাতে আলোকিত স্থানে থাকলে এ হরমোন নিঃসরণ ব্যাহত হয়। এতে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে। এ হরমোনের অভাব থাকলে দেহে টিউমার হতে পারে।
 
আমেরিকান জার্নাল অব ইপিডেমিওলজিতে এ-সংক্রান্ত নিবন্ধ ছাপা হয়েছে। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এক ঘণ্টা টিভি দেখায় আয়ু কমে ২২ মিনিট :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

এক ঘণ্টা টিভি দেখায় আয়ু কমে ২২ মিনিট :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সোফায় আরাম করে বসে বা বিছানায় গা এলিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্তে যারা নিয়মিত টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখেন, তারা সাবধান। তাদের জন্য রীতিমতো আঁৎকে ওঠার সংবাদ দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
 
অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, অস্ট্রেলিয়ার গবেষকরা প্রমাণ পেয়েছেন, ২৫ বছরের বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তি যদি কেবল এক ঘণ্টা টিভির সামনে বসে থাকেন, তার আয়ু ২২ মিনিট কমে যাবে।
 
যিনি একেবারেই টেলিভিশন দেখেন না, তার সঙ্গে তুলনামূলক বিচারের পর এ ফল ঘোষণা করা হয়। প্রতিদিন যারা গড়ে ৬ ঘণ্টা টিভি দেখেন, তাদের স্বাভাবিক আয়ুর ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ হিসেবে একজন মানুষের মোট আয়ু থেকে গড়ে খসে পড়বে চার বছর আট মাস।
 
গবেষণায় দেখা গেছে, টেলিভিশনের প্রতি আসক্তি শারীরিক অক্ষমতা, ধূমপান ও স্থূলতার মতোই মারাত্মক। অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের ওপরও একটি জরিপ চালানো হয়। তাতে দেখা যায়, অধিকাংশ নাগরিকই রীতিমতো টিভি দেখায় আসক্ত।
 
২০০৮ সালে পরিচালিত এক জরিপের তথ্যানুযায়ী, ২৫ বছর ও তার বেশি বয়সী অস্ট্রেলীয় নাগরিকরা শুধু সে বছরই মোট ৯৮০ কোটি ঘণ্টা টিভি দেখেছেন।
 
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত প্রায় একই ধরনের জরিপের তথ্যমতে, সাধারণভাবে একজন মার্কিন নাগরিক সপ্তাহে গড়ে সাড়ে ৩৫ ঘণ্টা টিভি দেখে সময় কাটান। সময় থাকতেই তাই সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জীবনটাকে সত্যিই ভালোবেসে থাকলে, টিভির মায়া ত্যাগ করাই সর্বোত্তম। আর দেখলেও প্রথমে হিসাব কষে নিতে পারেন জীবন থেকে কতো বছর আয়ু খসাতে আপনার কোনো আপত্তি নেই। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শক্তিশালী গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শক্তিশালী গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে: প্রধানমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার দেশে শক্তিশালী গণগ্রন্থাগার ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গ্রন্থাগার পেশাজীবীদের দু’দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, “আমরা সংরক্ষণ ব্যবস্থা ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রন্থাগার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এতে গবেষণা সহজ হবে এবং পেশাদারিত্বের মানোন্নয়ন ঘটবে।”

বাংলাদেশ লাইব্রেরিয়ান্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আবুল কালাম আজাদ।

অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিলারা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুল মাজেদ, মহাসচিব ড. মিজানুর রহমান এবং গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক নাফিজ জামান শুভ বক্তৃতা করেন।

শেখ হাসিনা জ্ঞানচর্চার কেন্দ্রে হিসেবে দেশব্যাপী গ্রন্থাগারের সংখ্যা বৃদ্ধিতে অবদান রাখার জন্য সমাজের সম্পদশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, “আপনাদের অর্জিত অর্থের একটি অংশ এলক্ষ্যে বিনিয়োগ করে বাংলাদেশকে জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ করার সরকারি উদ্যোগে সহযোগিতা করুন।”

তিনি বলেন, তার সরকার দেশের গ্রন্থাগারগুলোর উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। গ্রন্থাগারগুলো ডিজিটাইজড করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এতে জ্ঞানপিপাসুরা আরো সহজে তাদের পাঠচাহিদা মেটাতে পারবেন। এছাড়া গ্রন্থাগারের অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি গণগ্রন্থাগারগুলোর নিজস্ব ভবন এবং ৪৫টি জেলায় পাবলিক লাইব্রেরি নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত গণগ্রন্থাগার স্থাপনের কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এখানে পাঠকরা অনলাইন সার্ভিসের সুবিধা পাবেন। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের তথ্যসেবা প্রদানে ব্লাইন্ড সেন্টার খোলা হয়েছে। একটি ডিজিটাল ডিপোজিটোরি তৈরির কাজও এগিয়ে চলছে। এসঙ্গে দেশের সব বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সমপর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১৮ হাজার সহকারী লাইব্রিয়ানের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকারের প্রণীত আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষানীতিতে গ্রন্থাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এতে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার গড়ে তোলার ওপর গুরত্বারোপ করা হয়েছে। সূত্র: বাসস
 

খালাফ হত্যার বিচার পর্যবেক্ষণ করছে সৌদি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

খালাফ হত্যার বিচার পর্যবেক্ষণ করছে সৌদি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সৌদি সরকার তার দেশের কূটনীতিক খালাফ আল আলি হত্যার বিচারকাজ গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

বুধবার সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ নাসের আল বুসাইরি সংবাদ সম্মেলন করে একথা জানান। দুপুরে গুলশানস্থ তার বাসভবনে এই সংবাদ সম্মেলন করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

ইতিমধ্যে এই ঘটনায় দোষীরা ধরা পড়ায় সৌদি সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ সময় রাষ্ট্রদূত বলেন, “বিচার প্রক্রিয়া চলছে এটা ঠিক। কিন্তু সৌদি সরকার তখনই সন্তুষ্ট হবে, যখন দ্রুত বিচার নিশ্চিত করে দোষীদের শাস্তি দেয়া হবে।”

জামায়াত নেতাদের গ্রেফতারে সৌদি সরকারের সঙ্গে সম্পর্কে অবনতি হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। এর আগেও খারাপ সম্পর্ক ছিল না, এখনো নেই, আর ভবিষ্যতেও হবে না।”

প্রসঙ্গত, গত ৫ মার্চ রাতে সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলী (৪৫) গুলশানে গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যান ১৮ দিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ডেসটিনির এমডি ও চেয়ারম্যান ১৮ দিনের রিমান্ডে :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 অবৈধভাবে অর্থ হস্তান্তরের অভিযোগে করা দুদকের দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসাইনকে নয় দিন করে ১৮ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার মহানগর হাকিম এরফান উল্লাহ এ আদেশ দেন।
তবে গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এই দুই মামলায় উচ্চ আদালতে আবেদন করেছেন। ওই আবেদনের ওপর বুধবার শুনানি হওয়ার কথা। নিম্ন আদালত তার রিমান্ড আবেদনের বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি।

গত ১১ সেপ্টেম্বর দুদকের উপপরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার ও সহকারী পরিচালক মো. তৌফিকুল ইসলাম দুই মামলায় ১০ দিন করে এই তিনজনকে ২০ দিনের রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানান। পরে আদালত আসামিদের উপস্থিতিতে রিমান্ড আবেদনের শুনানির জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বেলা দুইটার দিকে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার এই তিন আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে ঢাকার সিনিয়র বিশেষ জজ জহুরুল হক আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৩১ জুলাই ডেসটিনি গ্রুপের এমডি রফিকুল আমীন ও গ্রুপের প্রেসিডেন্ট সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দুটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আসামিদের মধ্যে ১০ পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।

বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলেই পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থনীতিসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “দুদক মামলা করার জন্য প্রস্তুত। বিশ্বব্যাংককে তারা এ কথা জানিয়েছে। বিশ্বব্যাংক প্রমাণ দিলে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহ লাগতে পারে।”

মন্ত্রী বলেন, “আমরা চেয়েছি পদ্মা সেতু প্রকল্পের তদন্ত ও বাস্তবায়ন একসঙ্গে চলতে। কিন্তু একসঙ্গে চলবে কি না-সে ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নই আমি। তবে এ ব্যাপারে আমি আশাবাদী। বিশ্বব্যাংকের দ্বিতীয় দলটি ঢাকায় এলে এ বিষয়টি জানা যাবে।”

সম্প্রতি জাপানে বিশ্বব্যাংকের সাধারণ সভায় যেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা নিয়ে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এছাড়া হলমার্কের ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘুম দেরিতে ভেঙেছে বলেও মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “২০১০ সালেই হলমার্কের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক জেনেছিল। ২০১১ সালে তারা কিছুই করেনি। ২০১২ সালে তারা জেগে উঠল। এতে প্রমাণিত হয় যে বাংলাদেশ ব্যাংক নিজে অতটা সক্ষম নয়।”

মুহিত বলেন, “রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। শুধু পর্ষদটা আমরা গঠন করে দিই।”

আইএমএফ’র বর্ধিত ঋণসুবিধার দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ আগামী নভেম্বরে পাওয়া যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, জাপানে আইএমএফের সঙ্গেও বৈঠক হয়েছে। সেখানে মূলত তিনটি বিষয় নিয়ে দর-কষাকষি হয়। এগুলো হলো: রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি, মূসক আইন প্রণয়ন ও পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগের হার।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “মূসক আইন যা হওয়ার কথা, তা হয়ে যাবে। এতে কোনো সমস্যা হবে না। পুঁজিবাজারে ব্যাংকের সার্বিক বিনিয়োগের হার আইএমএফ চায় ২৫ শতাংশ। আমরা বলেছি, এটা ৪০ শতাংশ; তবে আস্তে আস্তে তা কমিয়ে আনা হবে।”

Wednesday, October 17, 2012

মানুষ-প্রকৃতির ধ্বংসলীলায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘ডেড সি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

মানুষ-প্রকৃতির ধ্বংসলীলায় হারিয়ে যাচ্ছে ‘ডেড সি’ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হারিয়ে যেতে বসেছে পৃথিবীর সর্বনিম্ন অঞ্চল ‘ডেড সি’। একদিকে ইসরায়েল আর অন্য দিকে জর্ডান। মাঝখানে নীল ‘সাগরের’ টানে সারা বছর পৃথিবীর দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসে অগুণতি মানুষ। কিন্তু আর কত দিন?

জেরুজালেম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোটি স্টেইনের কথায়, “হয়তো আর এক যুগ, হয়তো বা তা-ও নয়।”

১ লাখ ২০ হাজার বছর আগের কথা। প্রায় একই দশা হয়েছিল বৃহত্তম হ্রদটির। কিন্তু ২০১১-য় যে অশনি সংকেত দেখতে পাচ্ছেন গবেষকরা, তাতে আগামী কয়েক বছর যদি খরার মুখে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি, তা হলে হয়তো সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে ‘ডেড সি’।

২০১০-এ হ্রদের নিচে গর্ত খুড়ে গভীরতম অংশে পৌঁছে গিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। এ বছর গবেষণার ফল হাতে পেয়ে রীতিমতো চমকে গিয়েছেন তারা। দ্রুত গতিতে শুকিয়ে যাচ্ছে হ্রদের জল। গত ১৪ বছরে জলের স্তর নেমেছে প্রায় ১০ মিটার। একই সঙ্গে চলছে মানুষের ‘অত্যাচার’।

আশপাশের খরাপ্রবণ দেশগুলোতে সেচের জলের জোগান দিতে দিতে ‘ফুরিয়ে’ যাচ্ছে হ্রদের উৎস নদীগুলো। ‘লবণ’ হ্রদের থেকে খনিজ লবণ সংগ্রহ করছে বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংস্থা। প্রভাব পড়ছে তারও। মানুষের সঙ্গে ধ্বংসের খেলায় হাত মিলিয়েছে প্রকৃতি। পৃথিবীর উষ্ণায়নও ‘ডেড সি’-র মৃত্যুর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে আশঙ্কা গবেষকদের।

পরিবেশবিদ স্টেইন জানান, কয়েকশো হাজার বছর আগে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেও এ বার তাকে বাঁচানো যাবে কি না সন্দেহ। তখন হ্রদের ধারে জনবসতি ছিল খুবই কম। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অন্য রকম। জর্ডন নদী হ্রদের জলের প্রধান উৎস। খাল কেটে টেনে নিয়ে শুকানো হচ্ছে নদীর জল। চলছে সেচের কাজ।

এখন হ্রদকে বাঁচানোর একমাত্র উপায়, ‘জলের জোগান’ অব্যাহত রাখা। সেচের কাজে ‘হ্রদের’ অবাধ ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। তবে, এর ফলে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোকে যে ভয়ঙ্কর জলাভাবে পড়তে হবে সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। সূত্র: ওয়েবসাইট

গুগলের নির্বাহী ক্যাস্ট্রো ইয়াহুতে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

গুগলের নির্বাহী ক্যাস্ট্রো ইয়াহুতে :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও ইমেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াহু প্রতিদ্বন্দ্বী গুগলের এক্সিকিউটিভ হেনরিক ডি ক্যাস্ট্রোকে পরবর্তী চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

এ বছরের শুরুর দিকে গুগলের প্রথম সারির অপর এক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে সাড়া ফেলেছিল ইয়াহু। সেবার গুগলের অপর এক এক্সিকিউটিভ ম্যারিসা মায়েরকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল ইয়াহু।

ইয়াহুর পক্ষ থেকে দেয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ডি ক্যাস্ট্রো ইয়াহুর বৈশ্বিক ক্রয় প্রক্রিয়া, কর্মকাণ্ড, গণমাধ্যম ও ব্যবসা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুগলের জনপ্রিয়তার কাছে কিছুটা ম্লান আগেই হয়েছে ইয়াহু। সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই নতুন এ নিয়োগ। পুনর্গঠনের দিকে এখন মনোযোগী প্রতিষ্ঠানটি। সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে শুরুতে বেশ দাপটের সঙ্গেই ইয়াহু এগিয়ে চলছিল। কিন্তু পরে গুগল তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনেক পেছনে ফেলে দেয়। সূত্র: বিবিসি অনলাইন

থ্রিজি সিম নিয়ে বিড়ম্বনা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

থ্রিজি সিম নিয়ে বিড়ম্বনা :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
 উচ্চ আদালত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে সিম বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক কারার সাম্প্রতিক আইন শিথিল করা হলেও তৃতীয় প্রজন্মের সিম বিক্রির ক্ষেত্রে তা মানছে না রাষ্ট্রীয় মুঠোফোন অপারেটর টেলিটক। ফলে বাজারে ছাড়ার পর থেকেই টেলিটক’র থ্রিজি সিম ক্রয়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা।

রোববার প্রধানমন্ত্রী টেলিটক’র থ্রিজি সেবার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর থেকেই উচ্চগতির এই সংযোগ নিতে পদে পদে বিপাকে পড়ছেন অনেক গ্রাহক। পর্যাপ্ত তথ্যের অভাব, টেলিটক এর ওয়েব পেজ আপডেট না এবং কাস্টমার কেয়ার থেকে প্রয়োজনীয় সাপোর্ট না পেয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, সোমবার সকাল থেকে থ্রিজি সিম বিক্রি করার কথা থাকলেও অধিকাংশ খুচরা বিক্রেতা এবং পরিবেশকদের কাছে সিম পৌঁছায় বিকালে। ফলে তারা কাউকে কোনো সিম দিতে পারেনি। সিমের সঙ্গে এই নির্দেশনাও দেয়া হয় যে জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া যেন কারো হাতে সিম না যায়।

কিন্তু এ বিষয়ে সম্প্রতি উচ্চ আদলত এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি জাতীয় পরিচয় পত্র বাধ্যতামূলক আইনটি শিথিল করায় এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে কোনো তথ্য না দেয়ায় সিম কিনতে গেয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন গ্রাহকরা।

এছাড়াও পর্যাপ্ত ডিলার না থাকায় বনানীর তিনটি দোকানে ঘুরেও থ্রিজি'র সিম কিনতে পারেননি উত্তরার সাংবাদিক জামিউল হাসান। তিনি জানান, সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাকে সিম দেয়া হয়নি। অথচ সরকারের দেয়া সাংবাদিকতার অ্যাক্টিডিটেশন কার্ডেও কাজ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে টেলিটকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি উদ্বোধনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য উল্লেখ করে বাড়তি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর তাদের আর কিছুই বলার থাকতে পারে না।

মুজিবুর রহমান বলেন, বর্তমান সিম দিয়ে যা কিছু করার সম্ভব থ্রিজি'র সিমে চাইলে আরো অনেক বেশি কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে কারো ক্ষতি করতে চাইলে সেটিও বেশি পরিমাণে করা সম্ভব। সুতরাং জাতীয় পরিচয়পত্র এখানে বাধ্যতামূলক করতেই হবে।

প্রসঙ্গত, থ্রিজি'র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী টেলিটকক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছিলে, থ্রিজি সিম যেন কোনো অবস্থায় ভুয়া নিবন্ধনের কবলে না পড়ে। এ জন্যে প্রয়োজনে জাতীয় পরিচয়পত্র দেখে গ্রাহকের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে তবেই সিম বিক্রি করতে হবে।

এদিকে গত ১২ অক্টোবর থেকে বিটিআরসি সব ধরনের সিমের প্রি-অ্যাক্টিভিশন বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে পরিচয়পত্রের তথ্য নিশ্চিত হয়ে এবং ছবি মিলিয়ে তবেই সিম সক্রিয় করা হবে। এ কারণে গত কয়েক দিনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সিম বিক্রির পরিমাণ একেবারেই পড়ে গেছে।

গুগলের নির্বাহী ক্যাস্ট্রো ইয়াহুতে

গুগলের নির্বাহী ক্যাস্ট্রো ইয়াহুতে
 জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন ও ইমেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ইয়াহু প্রতিদ্বন্দ্বী গুগলের এক্সিকিউটিভ হেনরিক ডি ক্যাস্ট্রোকে পরবর্তী চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

এ বছরের শুরুর দিকে গুগলের প্রথম সারির অপর এক কর্মকর্তাকে নিয়োগ দিয়ে সাড়া ফেলেছিল ইয়াহু। সেবার গুগলের অপর এক এক্সিকিউটিভ ম্যারিসা মায়েরকে প্রধান নির্বাহী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল ইয়াহু।

ইয়াহুর পক্ষ থেকে দেয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ডি ক্যাস্ট্রো ইয়াহুর বৈশ্বিক ক্রয় প্রক্রিয়া, কর্মকাণ্ড, গণমাধ্যম ও ব্যবসা উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো দেখাশোনা করবেন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গুগলের জনপ্রিয়তার কাছে কিছুটা ম্লান আগেই হয়েছে ইয়াহু। সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই নতুন এ নিয়োগ। পুনর্গঠনের দিকে এখন মনোযোগী প্রতিষ্ঠানটি। সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে শুরুতে বেশ দাপটের সঙ্গেই ইয়াহু এগিয়ে চলছিল। কিন্তু পরে গুগল তাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অনেক পেছনে ফেলে দেয়। সূত্র: বিবিসি অনলাইন

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে

দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলে মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে
 নানা কাজে সবাইকে কিছু না কিছু সময় বসে থাকতেই হয়। বিশেষ করে যারা দাফতরিক কাজ করেন, তাদের দিনে সাত বা আট ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। কম্পিউটারনির্ভর কাজ হলে বসে থাকতে হয় আরো বেশি। এর সঙ্গে রয়েছে টিভি দেখা, কম্পিউটার গেমস ইত্যাদি। কিন্তু এই বসে থাকার কারণে অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে।

গবেষকরা দাবি করেছেন, দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকলে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়।

১৮টি গবেষণা প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এ দাবি করেন গবেষকরা। প্রায় আট লাখ মানুষের ওপর গবেষণা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন বৃটেনের লিসেস্টার অ্যান্ড লাফবারাফ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা।

তারা বলেন, নিয়মিত ব্যায়াম করার পরও দীর্ঘক্ষণ বসে থাকায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকেই যায়। দীর্ঘক্ষণ বসে বা শুয়ে থাকার চেয়ে নড়াচড়া করা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো বলেও গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

গবেষকরা বলেন, টেলিভিশন দেখা, গাড়িতে বসে থাকা বা কম্পিউটার নিয়ে বসে থাকতে হয় অনেককে। কাজে এবং চলায় ভারসাম্য আনতে অনেকেই এখন ব্যায়ামাগারে ছুটছেন। সূত্র: বিবিসি

ভেজাল প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়: আইনমন্ত্রী

ভেজাল প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়: আইনমন্ত্রী
 আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেছেন, “ভেজাল প্রতিরোধের দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, ভুক্তভোগী হিসেবে নাগরিকদেরও আইনের আশ্রয় গ্রহণের সুযোগ রয়েছে, সেটা কেউ করছেন না। এ ব্যাপারে সবাইকে সচেতন হতে হবে।”

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ভেজাল ও রাসায়নিক বিষমুক্ত খাদ্য নিশ্চিতকরণের পন্থা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। ‘সবার জন্য খাদ্য প্রচারাভিযান’-এর উদ্বোধনী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সেমিনারের আয়োজন করে ‘দারিদ্র্যবিরোধী মঞ্চ’।

মঞ্চের আহ্বায়ক ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলীর সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক আ ব ম ফারুক।

সেমিনারে অন্য বক্তারা ভেজাল প্রতিরোধে আইনের প্রয়োগ না থাকায় সরকারের সমালোচনা করেন।

জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, “ভেজাল প্রতিরোধে দেশের আইনে কোনো ঘাটতি আছে বলে মনে করি না। প্রচলিত আইন কার্যকরে মূল দায়িত্ব নাগরিকদেরই। প্রয়োজনে আরো কঠোর আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োগে সরকার প্রস্তুত। যারা এ বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজ করছেন তারা বড় বড় বাজার বা বিক্রয়কেন্দ্রের আশেপাশে এ ধরনের আলোচনা সভার আয়োজন করতে পারেন।”

ভবিষ্যত প্রজন্মের কথা মাথায় রেখে খাদ্যে ভেজাল না মেশানোর জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আরো সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

অধ্যাপক আ ব ম ফারুক বলেন, “বৃটিশ আমল থেকেই খাদ্যে ভেজালের প্রবণতা চলে এলেও বর্তমানে তা একটি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ভেজাল প্রতিরোধে সরকার বিশেষজ্ঞদের না নিয়ে আমলাদের ওপর নির্ভর করছে। এক্ষেত্র সরকারের জনবল সংকটসহ বেশ কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে।”

ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকা রাখার ব্যাপারেও তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইসরাফিল আলম এমপি, তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি কাজী ফারুক, দোহার উপজেলা পরিষদের ইউএনও মোহাম্মদ আল-আমীন।

এছাড়াও মুহম্মদ হিলালউদ্দিন, ড. নিলুফার বানুসহ দারিদ্র্যবিরোধী মঞ্চের নেতারা সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।
 

কলেজে খবরদারি, অপু উকিলের বিরুদ্ধে হাই কোর্ট অবমাননার রুল

কলেজে খবরদারি, অপু উকিলের বিরুদ্ধে হাই কোর্ট অবমাননার রুল
  আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ও যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদিকা অপু উকিলের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট বিভাগ। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে তাকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বিভাগের বিচারক আশরাফুল ইসলাম ও মো. বদরুজ্জামানের যুগ্ম বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন মো. তৌফিক ইনাম। তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট মো. কামাল পারভেজ ও সালমা সুলতানা সোমা। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল আশুতোষ চাকমা।

আইনজীবী তৌফিক ইনাম সাংবাদিকদের বলেন, ঢাকার গেন্ডারিয়া ফজলুল হক মহিলা কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হিসেবে অপু উকিল ওই কলেজের অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামকে বেআইনিভাবে বরখাস্ত করে। পরে অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের নিম্ন আদালতে এ বিষয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় নিম্ন আদালত অপু উকিলসহ গর্ভনিং বডির অন্যান্য সদস্যদের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। যা পরে উচ্চ আদালতও একই আদেশ চলমান থাকে।

তিনি বলেন, আদালতের উক্ত আদেশ অমান্য করে অপু উকিল ওই কলেজের একজন জুনিয়র প্রভাষক অশোক কুমার সাহাকে কলেজের অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেন।

আজকে বিষয়টি আদালতকে জানালে আদালত তার বিরুদ্ধে রুল জারি করে এ আদেশ দেন।

নারায়ণগঞ্জে নলকূপে ওয়াসার ফি ৩ মাসের স্থগিত: হাই কোর্ট

নারায়ণগঞ্জে নলকূপে ওয়াসার ফি ৩ মাসের স্থগিত: হাই কোর্ট
নারায়ণগঞ্জে গভীর নলকূপ স্থাপনে ঢাকা ওয়াসার ধার্যকৃত ফি আদায়ে ৩ মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাই কোর্ট বিভাগ।

মঙ্গলবার বিভাগের বিচারক নাঈমা হায়দার ও খোরশেদ আলম সরকারের যুগ্ম বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে  আদালত  আদেশে নারায়ণগঞ্জে গভীর নলকূপ স্থাপনে ওয়াসার ধার্য করা ফি আদাযকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।

রুলে ঢাকা ওয়াসার চেয়ারম্যান, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়রকে এর জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটটি দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জ ওয়াসা হটাও সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক অ্যাডভোকেট মাহবুবুর রহমান ইসমাইলসহ ১০ জন। রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন  আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।

রিট আবেদনকারী মাহবুবুর রহমান ইসমাইল সাংবাদিকদের  বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলায় নাম মাত্র ঢাকা ওয়াসার কার্যক্রম থাকলেও ড্রেনেজ পয়ঃপ্রণালী সিটি কর্পোরেশন দায়িত্ব পালন করছে, ওয়াসার ব্যর্থতার কারণে নদীর পানি দূষিত হয়ে গেছে। নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৫ লাখ জনসখ্যাংর মধ্যে মাত্র ১০ ভাগ জনগণকে ঢাকা ওয়াসা যে পানি সরবরাহ করে তাও পঁচা নোংরা, দুর্গন্ধযুক্ত ও ব্যবহার অনুপযোগী। যার কারণে জন সাধারণ বাঁচার প্রয়োজনে নলকুপ ও গভীর নলকুপ নিজেরা স্থাপন করে পানীয় জলের চাহিদা পুরণ করে আসছে।

তিনি বলেন, ঢাকা ওয়াসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ এনে জনস্বার্থে এ রিট পিটিশনটি দাখিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হাইকোর্টের রুল

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হাইকোর্টের রুল
 বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশ অনুযায়ী স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য সরকারকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে অর্থ ও স্বাস্থ্য সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ওমর সাদাতের দাখিল করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এ রুল জারি করা হয়। আদালতে রিট আবেদনকারী নিজেই শুনানি করেন। তাকে সহযোগিতা করেন ব্যারিস্টার শুকলা সারওয়াত সিরাজ।

রিট আবেদনে বলা হয়, ২০১১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাথাপিছু সর্বনিম্ন ৪৪ ডলার বরাদ্দ করতে হবে। এটা বাংলাদেশী টাকায় ২ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে মাথাপিছু ব্যয় হচ্ছে ২১ ডলার, যা বাংলাদেশী টাকায় ১৭০০ টাকা। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ মালদ্বীপে ৩৫৫ ডলার, ভুটানে ৯১ ডলার, শ্রীলংকায় ৬৫ ডলার, আফগানিস্তানে ৩৪ ডলার ব্যয় করছে সে দেশের সরকার।

আবেদনে আরো বলা হয়, “নাগরিকের স্বাস্থ্যের সুব্যবস্থা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, জনগণের স্বাস্থ্যের উন্নয়ন করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্ব সরকার পালন করছে না।

 “২০০৭-০৮ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে মোট বাজেটের ৬ দশমিক ৬ শতাংশ বরাদ্দ ছিল। চলতি অর্থবছরে এ বরাদ্দ আনুপাতিক হারে না বাড়িয়ে কমানো হয়েছে।  চলতি অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ। স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কমানোর এ মনোভাবের কারণে বেসরকারি খাত জনগণের কাছ থেকে অধিক হারে অর্থ নিচ্ছে, যা ‘চাঁদাবাজি’র শামিল।”

বাবরের শাস্তি হলে বোমা মেরে আদালত উড়িয়ে দেয়ার হুমকি

বাবরের শাস্তি হলে বোমা মেরে আদালত উড়িয়ে দেয়ার হুমকি
 ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের শাস্তি হলে বোমা মেরে আদালত উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ এসএম মুজিবুর রহমানকে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে এ হুমকি দেয় দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে কার্যালয়ে গিয়ে আদালতের কর্মকর্তারা কাফনের কাপড়টি দেখতে পান।

রক্ত দিয়ে লেখা ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরের প্রহসনমূলক বিচার হচ্ছে। আর আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় বাবরকে কষ্ট দেয়া হচ্ছে। এসব বন্ধ করা না হলে রিমোর্ট কন্ট্রোল বোমা দিয়ে আদালত ও বিচাককে উড়িয়ে দেয়া হবে।

এ ঘটনার পর থেকে আদালত এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডের (সিইউএফএল) ঘাট থেকে অস্ত্রসহ ১০টি ট্রাক আটক করা হয়। এগুলোর মধ্যে ছিল এসএমজি, রকেট লাঞ্চার, টমিগান, অটোমেটিক স্পোর্টিং রাইফেলসহ ১১ লাখ ৪৩ হাজার ৫২০টি গুলি এবং ২৭ হাজার ২০টি গ্রেনেডসহ বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ।

পরে পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় কর্ণফুলী থানায় অস্ত্র ও চোরাচালান আইনে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করে। এরপর ১১ জুন অস্ত্র আটক ও চোরাচালান আইনে দায়ের হওয়া দুটি মামলার মধ্যে অস্ত্র মামলায় ৪৪ জনকে এবং চোরাচালান মামলায় ৪৫ জনকে আসামি করে চার্জশিট দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

২০০৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা দুটি অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়। টানা সাড়ে তিন বছর অধিকতর তদন্ত শেষে গত ২৬ জুন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে।

সম্পূরক চার্জশিট অনুযায়ী অস্ত্র মামলায় এখন চার্জশিটভুক্ত আসামি ৫০ জন। আর চোরাচালান মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামি হচ্ছেন ৫২ জন।

ফতোয়া: মিরসরাইর ওসি ও ইউপি সদস্যকে হাই কোর্টে তলব

ফতোয়া: মিরসরাইর ওসি ও ইউপি সদস্যকে হাই কোর্টে তলব
 ফতোয়ার শিকার হয়ে গৃহহারা আসমা আক্তারের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার ও মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট বিভাগ।

মঙ্গলবার বিভাগের বিচারক সালমা মাসুদ চৌধুরী ও মজিবুর রহমান মিয়ার যুগ্ম বেঞ্চ এক (রিট) আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

এছাড়াও ফতোয়ার ঘটনায় নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার জন্য মিরসরাই থানার ওসি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য মাহফুজুল হক ঝুনুকে তলব করেছে আদালত। তাদের ৫ নভেম্বর আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় নির্যাতনের শিকার নারী মামলা করলে তা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায় পুলিশকে বাদী হয়ে মামলা করে আসামিদের গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফতোয়ার ঘটনায় ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে পুলিশকে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করা হয়েছে।  আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) এ আবেদনটি দায়ের করেন। আবেদনে আসমা আক্তারের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মনজিল মোরসেদ।