Pages

Monday, November 5, 2012

৩৭ এ পুরুষ সবচেয়ে সুখী

৩৭ এ পুরুষ সবচেয়ে সুখী

  ৩৭ বছর বয়সে পুরুষরা সবচেয়ে সুখী থাকে। কারণ এ সময় তারা ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকেন ও সংসার জীবন শুরু করেন। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
 
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৭ বছর বয়সে পুরুষরা পারিবারিক জীবন নিয়ে সবচেয়ে সুখী থাকেন এবং বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সুষ্ঠু সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা করেন। মধ্যবয়সের ফাঁড়া থেকে তারা এখনও আরো ১০ বছর দূরে এবং কৈশোর-যৌবনের কঠোর জীবন সংগ্রাম এখন অতীত।
 
জরিপটি থেকে জানা গেছে, এ সময়ই বাবা হন বেশিরভাগ পুরুষ, যাদের মধ্যে ৪৩ ভাগই বাবা হওয়ার অনুভূতিকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই সুখের সামগ্রিক প্রভাব পড়ে তাদের জীবনে। বিয়ে করার কিছুদিন পরের এই সময়টিকে ৩৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন জীবনের সবচেয়ে সুখী সময়গুলোর অন্যতম। এই বয়সের অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ শতাংশ খেলায় প্রিয় দলের জয়, সুখী হন, ১৭ শতাংশ নতুন বাড়ি কিনে এবং ৭ শতাংশ নতুন গাড়ি কিনে সুখী হন। ১৩ শতাংশ নতুন জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়ে এবং ৯ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে সুখী হন।  

প্রাণের সব ধরনের ফ্রুট ড্রিংকস বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের রুল

প্রাণের সব ধরনের ফ্রুট ড্রিংকস বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের রুল

 প্রাণের লিচু, ম্যাংগো, আপেল, অরেঞ্জ, স্ট্রবেরি এবং পাইনআপেল নামের ফ্রুট ড্রিংসের উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে এইসব পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন।
আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, খাদ্য সচিব, পুলিশের আইজি, ডিজি বিএসটিআই ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

২৩ অক্টোবর দৈনিক আমাদের সময়ে প্রকাশিত ‘প্রাণের বাতিল ফ্রুট ড্রিংকস এখনও বাজারে’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

আদেশের পরে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, বিএসটিআই পরীক্ষা করে প্রাণের ওইসব পণ্যে জুসের কোনো উপাদান পায়নি। তাই তাদের জুসের লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছিল। এসব জুসে প্রিজারভেটিভ রয়েছে। আমরা এসব পণ্যের উৎপাদন বন্ধের আবেদন করেছি।

এমআরপি তৈরির সময় বাড়লো

এমআরপি তৈরির সময় বাড়লো 

পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইআরআইএস করর্পোরেশনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর জন্য নতুন সময় বাড়ানো হয়নি।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

পরে একই স্থানে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এমআরপি তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চালিয়ে যাওয়ার মেয়াদ বাড়ানোসহ জনবল নিয়োগ, সফটওয়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন তারা কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে এতে কিছুটা ব্যয় বাড়বে। এ অনুমোদনের ফলে আগামী ২০১৪ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের জন্য এমআরপি ইস্যু করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না হওয়ায় আইআরআইএস করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দেয়।

মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রকল্প বৈঠকে উপস্থাপন করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রকল্পটিতে কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

বিদ্যুৎ খাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির (পিএসসিডিপি) আওতায় এ প্রকল্পের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি)।

তিনি বলেন, এতে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তিনটি গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের সর্বনিম্ন দরদাতার আর্থিক প্রস্তাব এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তাবনাও অনুমোদন দেয়া হয়।

মুহিত বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা শহর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এসব পাইপলাইন হলো- ‘মহেশখালী-আনোয়ারা’, ‘বিবিয়ানা-ধনুয়া’ ও ‘আশুগঞ্জ-বাখরাবাদ’।

এছাড়া চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য চারটি দেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ এবং এর প্রিমিয়ামও অনুমোদন দেয়া হয় এ বৈঠকে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার পেটকো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনোক, ভিয়েতনামের পেট্রোলিমেক্স এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে এ ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে।

উপদেষ্টা মসিউরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

উপদেষ্টা মসিউরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

 নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আজ বেলা ৩টায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে যাচ্ছেন তিনি। 
 
সকাল দশটায় দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের কাছে মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের  সময়সূচি নিশ্চিত করেন।
 
গত সোমবার পাঠানো দুদকের এক নোটিসে তাকে ৬ নভেম্বর হাজির হতে অনুরোধ করা হয়েছিল। পরে মসিউর রহমানের অনুরোধেই জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ পরিবর্তন করা হয়।
 
দুদক সূত্রে জানা যায়, মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধানী দল। দলের অন্য সদস্যরা হলেন মির্জা জাহিদুল আলম, আবদুল্লাহ আল জাহিদ ও গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

ডেসটিনির হারুনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

ডেসটিনির হারুনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ 

 মানি লন্ডারিং-এর দুই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল অব: হারুন অর রশিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। 
 
সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তিনি যান। সোয়া দশটায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। ডেসটিনি ট্রি-প্লান্টেশন ও ডেসটিনি মালটিপারপাস সোসাইটির তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং ও আত্মাসাতের ঘটনায় ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় মামলা করা হয়।
 
ওই দুই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ছাড়াও তদন্ত টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সিনিয়র উপ-পরিচালক বেনজির আহমেদ, মাহমুদ হাসান, নুরুল হক ও আখতার হামিদ ভুঁইয়া যৌথভাবে জেনারেল হারুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে জানা গেছে।
 
ডেসটিনির চেয়ারম্যান জেনারেল হারুনকে ৮টি শর্তে জামিন দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো, ডেসটিনির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখন যেখানে ডাকবেন তাদের ডাকে সাড়া দিতে হবে।
 
এর আগে ১১ অক্টোবর আদালতের নির্দেশে জেনারেল হারুন, রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
 
জেলে যাওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হারুন।

পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো সময় পেলো সরকার

পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো সময় পেলো সরকার 

নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো এক মাস সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর বাস্তবায়ন বিষয়ে আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
 
রোববার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়।
 
গত ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ এক মাসের মধ্যে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আদেশ দেয়। একই সঙ্গে ৪ নভেম্বর শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছিল।
 
এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১ নভেম্বরের একটি গেজেট আদালতে আজ উপস্থাপন করে। এতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিচারিক ভাতা ৩০-এর পরিবর্তে ৫০ শতাংশ হারে, পোশাকভাতা বছরপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা ও আপ্যায়ন ভাতা বৃদ্ধির বিষয় উল্লে­খ আছে।
 
এর আগে গত ১৯ জুলাই এ-সংক্রান্ত আদেশ বাস্তবায়ন করে ১ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে অর্থ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
 
বিচার বিভাগ পৃথকীকরন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায়ে বিচারকদের পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্যে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। এ নির্দেশনার আলোকে ২০০৭ সালের ১৭ জুন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশন ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল বিচারকদের আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে তা বাস্তবায়নের জন্যে সরকারকে সুপারিশ করে। কমিশন একই বছরের ২ জুন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা বেতন স্কেল ও ভাতার বিষয়ে সুপারিশ করে।
 
২০০৯ সালে গঠিত এই পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য আদালত এর আগে আইন সচিব, অর্থ সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। এই আদেশ এসেছিল বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কিত মাজদার হোসেন মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের ধারাবাহিকতায়। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ আদেশ বাস্তবায়নে ধারবাহিকভাবে সময় নিয়ে আসছে।
 
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রোববার একটি গেজেট আদালতে জমা দেন। এতে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের সুপারিশ অনুসারে বিচারিক ভাতা মূল বেতনের ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ করার কথা বলা হয়। এছাড়া বার্ষিক ৫ হাজার টাকা পোশাক ভাতা এবং আপ্যায়ন ও চৌকি ভাতার কথাও বলা হয় এতে।
ঢাকা মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল শহরে মূল বেতনের শতকরা ৬৫ ভাগ, অন্যান্য জেলার জন্য ৫৫ ভাগ এবং চৌকি আদালতগুলোর জন্য ৫০ ভাগ বাসা ভাড়া দেয়ার কথা বলা হয় কমিশনের সুপারিশে।
 
এছাড়া আপ্যায়ন ভাতা, গৃহকর্মী ভাতা, পোশাক ভাতা, ট্রান্সপোর্ট সুবিধা এবং চৌকি ভাতার কথা উল্লেখ করে কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, অন্য সরকারি চাকরিজীবীরা যেসব সুযোগ সুবিধা পান- বিচারিক সদস্যদের জন্যও তা প্রযোজ্য হবে।

মশিউর সস্পর্কে বিকালে জানাবে ইআরডি: অর্থমন্ত্রী

মশিউর সস্পর্কে বিকালে জানাবে ইআরডি: অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের অবস্থান সম্পর্কে আজ বিকালে বিবৃতি দিবে বলে জানিয়েন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

রোববার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভার কমিটির বেঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস  প্রেসিডেন্ট চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসবেন। পদ্মা  সেতু প্রকল্পের যে কাজগুলো বাকি আছে, সেগুলো তিনি আসার আগেই শেষ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে সমঝোতার হয়েছে তার কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ বিষয়ক উপদেস্টা ড. মসিউরের বিষয় আজ বিকালে আনুষ্টানিকভাবে  ই আর ডি থেকে জানানো হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ কে  খন্দকার,  প্রবাসি কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্কান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেসাময়িক বিমান পরিবহন ও পযটন মন্ত্রী  মুহাম্মদ ফারুক খান ও বিনিযোগ বোর্ডের নিবাহী চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিলের পর সরকারের নানামুখী তৎপরতায় তাদের সিদ্ধামত্ম পরিবর্তন করে।।

অন্য কয়েকটি শর্তের সঙ্গে এ প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজর মসিউরকে ছুটিতে পাঠানোর কথাও বলেছিল বিশ্ব ব্যাংক।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেন, মসিউর রহমান ছুটিতে গেলে পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নের পথ সুগম হবে।

১৭ সেপ্টেম্বর মসিউর ছুটিতে যাওয়ার পরই বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ফিরে আসার কথা জানায়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ফেরার ঘোষণা দিলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পদ্মা সেতুসহ অর্থ সংক্রামত্ম সরকারি সব ধরনের কর্মকান্ড থেকে মসিউরকে বাদ দেয়া হয়েছে।

এর এক মাসের মাথায় ১ নভেম্বর কাজে যোগ দিয়ে মসিউর জানান, এক মাসের ছুটি শেষে কাজে ফিরেছেন তিনি।

শনিবার তিনি বলেন, ‘‘আমি ছুটি শেষে কাজ যোগ দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে যে সিদ্ধান্ত নিতে বলবেন  সেই মোতাবেক কাজ করব।’’

তবে মসিউরের এক মাস ছুটিতে থাকা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই স্পষ্ট কোনো বক্তব্য আসেনি। তাকে এক মাসের ছুটিতে পাঠানো হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে যে কথা বলা হয়েছিল, সরকারের পক্ষ থেকে তাও স্বীকার করা হয়নি।

আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই

আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই 

 আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে নির্বাচিত এমপি আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজেউন)। রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভুগছিলেন ৭১ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান বাবু। 
 
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রায় এক মাস ধরে। চট্টগ্রাম থেকে চার বার এমপি নির্বাচিত আক্তারুজ্জামান বাবু পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের একজন নেতৃস্থানীয় শিল্পউদ্যোক্তা। আরামিট গ্রুপ ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের  চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

তার ব্যক্তিগত সহকারি বোরহানউদ্দিন মুরাদ জানান, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রায় সবাই এখন সিঙ্গাপুরে। তারাই ঠিক করবেন, কবে কীভাবে মরদেহ দেশে আনা হবে। এই প্রবীণ নেতার মৃত্যুর খবর পৌঁছালে সকালে চট্টগ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। ১৯৭৭ সাল থেকেই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি। নেতাকর্মীদের অনেকেই বলেছেন, রাজনীতিতে আক্তারুজ্জামান বাবু ছিলেন তাদের অভিভাবকের মতো।

জেলহত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ ডিসেম্বর

জেলহত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ ডিসেম্বর
 জেল খানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানির জন্য ১১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছে আপিল বিভাগ।
 
রোববার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
 
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রাষ্ট্রপক্ষে শুনানির দিন ধার্য করতে আদালতে আবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
পরে আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আপিল বিভাগ এই মামলার চূড়ান্ত শুনানির জন্য আগামী ১১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছে। আশা করি, ওইদিন আমরা শুনানি করতে পারবো।
 
গত ৩১ অক্টোবর ২৫ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেন আইনজীবী আনিসুল হক।
 
এরপর ১ নভেম্বর এটর্নি জেনারেলের পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুন সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ সারসংক্ষেপ জমা দেন।
 
উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জেল হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরু করে। এরপর বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে অর্থাৎ ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। আদালত তার রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তার শাস্তি এবং অপর ৫ জনকে খালাস দেয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ১২ জনের যাবজ্জীবন দেয়া হয়।
 
আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন রিসালদার মোসলেম উদ্দিন ওরফে হিরন খান, দফাদার মারফত আলী শাহ এবং এলডি দফাদার মোঃ আবুল হাসেম মৃধা।
 
অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, কর্নেল (অব.) সৈয়দ শাহরিয়ার রশীদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল খনদকার আবদুর রশীদ, লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (অব.) এমএইচএমবি নূর চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, লে. কর্নেল (অব.) এএম রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) আহাম্মদ শরিফুল হোসেন, ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদ, ক্যাপ্টেন (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মোঃ কিসমত হোসেন এবং ক্যাপ্টেন (অব.) নাজমুল হোসেন আনসার।
 
বিএনপি নেতা মরহুম কেএম ওবায়দুর রহমান, জাতীয় পার্টি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, নূরুল ইসলাম মঞ্জুর এবং মেজর (অব.) খায়রুজ্জামানকে বেকুসুর খালাস দেয়া হয়।
 
তবে গত বছরের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট রিসালদার মোসলেমউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি দফাদার মোঃ আবুল হাসেম মৃধা এবং যাজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত অপর চারজন লে. কর্নেল, সৈয়দ ফারুক রহমান, কর্নেল (অব.) সৈয়দ শাহরিয়ার রশীদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে মামলা থেকে খালাস দেয় আদালত।
যদিও জেল হত্যা মামলায় হাইকোর্টে অব্যাহতি পাওয়া চারজন সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদের ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।
 
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করে সরকার।

Sunday, November 4, 2012

এবার প্রেমিকাকে দিয়ে সাংবাদিককে শায়েস্তার হুমকি এসআই লতিফের

এবার প্রেমিকাকে দিয়ে সাংবাদিককে শায়েস্তার হুমকি এসআই লতিফের

  পরকীয়ায় লিপ্ত ভাষানটেক থানার এসআই আব্দুল লতিফ এবার তার প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে সাংবাদিকের নামে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন।

শুক্রবার নয়া দিগন্ত পত্রিকার অপরাধ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু সালেহ আকনকে এ হুমকি দেন তিনি। এসআই লাতিফ মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার পরে চাকরি চলে যাওয়া এবং ওপর মহল ম্যানেজ করে চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিক সালেহ আকন তথ্য জানতে চাইলে তাকে এ হুমকি দেয়া হয়।

সাংবাদিক আবু সালেহ আকন জানান, এসআই আব্দুল লতিফের কাছে উল্লিখিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি লাভলিকে দিয়ে নারি নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। এসময় এসআই বলেন, ‘‘চাকরি গিয়েছিল আবার ফিরে পেয়েছি। আইজিপিও আমার কিছু করতে পারবে না। আমার কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই।’’

জানা যায় এসআই লতিফের প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমান ও স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন লতিফ। এমনকি তিনি যখন যে থানায় বদলি হচ্ছেন সেখানেই মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়,  আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফ পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। এর জের ধরে  চলতি বছরের মে মাসে স্বামীর সঙ্গে লাভলির ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা দায়ের করেন লাভলি। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।

এ ব্যপারে এসআই লতিফ জানান, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারন কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

আরো জানা যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পরেন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ওপর মহলকে ম্যনেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।

রোকেয়া হলের সামনে নবজাতকের লাশ

রোকেয়া হলের সামনে নবজাতকের লাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সামনে অবস্থিত পিয়ারু ফটোশপ নামে দোকানের সামনে থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোবাইল টিম খবর পায়। শাহাবাগ থানা পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধার করে।
প্রক্টর সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রোকেয়া হলের সামনের পিয়ারু ফটোশপের সামনে নবজাতককে কে বা কারা ফেলে রেখে যায়।
প্রক্টর বলেন, এটি বাইরে থেকে কে বা কারা ফেলে রেখে গেছে।
শাহাবাগ থানার কর্বত্যরত কর্মকর্তা (ওসি) নবজাতকটিকে উদ্ধারের কথা স্বীকার বলেন, নবজাতকটির বয়স ১-২ দিন হবে।

 

‘জনমত যাচাইয়ের নামে মন্ত্রণালয় মিমাংসিত বিষয়কে বিতর্কিত করছে’

‘জনমত যাচাইয়ের নামে মন্ত্রণালয় মিমাংসিত বিষয়কে বিতর্কিত করছে’

 ‘জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস’ নির্ধারণে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জনমত যাচাইয়ের নামে একটি মিমাংসিত বিষয়কে বিতর্কিত করছে বলে অভিযোগ করেছে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত সংগঠন ‘নিড়াপদ সড়ক চাই’(নিসচা)।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসের বিষয়ে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জনমত যাচাইয়ের উদ্যোগের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য ‘নিরড়াপদ সড়ক চাই’ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোক করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

লিখিত বক্তব্য বলা হয়, “আমাদের আগে কেউ নিরাপদ সড়ক দিবসের দাবি তোলেনি। আমরাই প্রথম ২২ অক্টোবরকে নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি করি। ইতিমধ্যে দিবসটি সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি পেয়েছে। মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদনের পর তা গেজেট বিজ্ঞপি আকারে প্রকাশের জন্যে দাবি করেছি। কিন্তু এরকম একটি মিমাংসিত বিষয়টিকে পাশ কাটিয়ে মন্ত্রণালয় নতুন করে জনমত যাচায়ের নামে পক্ষপাত দুষ্ট আচরণের মাধ্যম্যে বিষয়টিকে বিতর্কিত করছে।’’

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়,‘‘ আমরা জনমত যাচায়ের বিপক্ষে নই। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনমত যাচায়ের নামে একটি নির্দিষ্ট দিবসকে সুপারিশ করছে। তাছাড়া হঠাৎ করে কেনই বা নিরাপদ সড়ক দিবসের ব্যাপারে জনমত যাচায়ের প্রয়োজন পড়লো? যেখানে দেশে প্রায় সকল জনসাধারণ ২২ অক্টোবরকেই নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে জানে।

প্রসঙ্গত ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চনের স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ইলিয়াস কাঞ্চন ‘নিরাপদ সকড় চাই’ গঠন করেন। এবং তখন থেকেই তার সংগঠনের পক্ষ থেকে   ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস হিসেবে পালনের দাবি জানায় এবং ২০০২ সালে নভেম্বরে জাতীয় সড়ক নিরাপত্বা কাউন্সিলের ৮ম সভায় ২২ অক্টোবরকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিসব হিসেবে ঘোষণা করা হয়।  কিন্তু তৎকালীন সময়ে মন্ত্রিপরিষদের সভায় তা অনুমোদন না হওয়ায় তা গেজেট আকারে প্রকাশ হয় নি।

কিন্তু গত ২২ অক্টোবর রাতে মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব ওয়েব সাইটে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালনের জন্যে ৪টি তারিখ দিয়ে ইন্টারনেটে সবার মতামত চাওয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শুরুতে ফটোসাংবাদিক কাজী বিপ্লব সহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে এবং নিহতদের স্মরণে তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরাবতা পালন করা হয়।

দেশের জনগণ শান্তিতে আছেন: সাহারা

দেশের জনগণ শান্তিতে আছেন: সাহারা

 দেশ মানুষ এখন শান্তিতে আছে বলে আবারো স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে মন্তব্য করলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে সকল জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ দূর করেছে। এখন দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও চাঁদাবাজী নেই। মানুষ এখন শান্তিতে আছে।”
 
শনিবার দুপুরে ঢাকা প্রেস ক্লাবে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। জনতার প্রত্যাশা নামের একটি সামাজিক সংগঠন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
 
এ সময় জাতীয় চারনেতা হত্যা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সাহারা বলেন, “২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এসে চার নেতার বিচার কাজকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বাঁচাতেও তারা ষড়যন্ত্র করেছিল।”
 
তারা এখন যুদ্ধাপরাধীদের বাঁনোর গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলেও মন্তরেন তিনি।
 
তিনি বলেন, “সরকার ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার হয়েছে। জাতীয় চারনেতা ও বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে। রায়কার্যকর করার মধ্যে দিয়ে কলঙ্কমুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।”
 
এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, “৭১ এর ঘাতকদের বিচার করার জন্য আমরা ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছি। তাদের বিচার শুরু হয়েছে। কিন্তু বিএনপি-জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন প্রকার ছল-চাতুরীর আশ্রয় নিচ্ছে।”
 
এ সময় তিনি আগামী নির্বাচনে জামায়াতকে প্রতিরোধ করার আহবান জানিয়ে বলেন, “আগামী নির্বাচনে যাতে কোনো নির্বাচনী এলাকায় জামায়াত জয়ী না হতে পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তাদে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”
 
জামায়াতের বিরুদ্ধে সারা দেশে জনমত গঠন করার আহবানও জানান মন্ত্রী।
সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন আইনপ্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার শামসুল হক রেজা, সহ-সভাপতি ও আবাহানী লিমিটেডের পরিচালক শেখ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর।

চারনেতা হত্যাকারীদের বিচার দ্রুত করা হবে: আশরাফ

চারনেতা হত্যাকারীদের বিচার দ্রুত করা হবে: আশরাফ

 জাতীয় চারনেতা হত্যাকারীদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “এই বিচার সম্পন্ন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। যে কোনো মূল্যে তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হবে।”

শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দ আশরাফ বলেন, “যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে এবং যারা স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল তারাই জাতীয় চারনেতাকে হত্যা করেছে।”

তিনি বলেন, “এর পেছনে ক্রীড়ানক হিসেবে যারা কাজ করেছে তারা পরবর্তীতে এই দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এখনও তারা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।”

এই অপশক্তিকে দেশের মাটি থেকে উৎখাত করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতার কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

এ সময় সেখানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, উপদষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, পাঠ ও বস্ত্রমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী সাহারা খাতুন, কেন্দ্রীয় নেতা মো. নাসিম, রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, আ হ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরী, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফুন্নেসা মোশাররফসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয়, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. শুভ’র মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ডা. শুভ’র মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ময়মনসিংহের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের ছোট ছেলে ডা. মুশফিকুর রহমান শুভ’র মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শনিবার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

তিয়েতনামে তিনদিনের সরকারি সফরে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি (গণমাধ্যম) মাহবুবুল হক শাকিল এ তথ্য জানিয়েছেন।
 
আজ সকালে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বড়ডুবা এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার শুভ নিহত হন।
 
মহাসড়ক পুলিশ জানিয়েছে, আজ সকাল ছয়টার দিকে ময়মনসিংহগামী একটি ট্রাক মুশফিকুরের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে তিনি ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।

 

জেল হত্যার পুনর্বিচার দাবি আওয়ামী লীগের

জেল হত্যার পুনর্বিচার দাবি আওয়ামী লীগের

 দ্রুততম সময়ের মধ্যে জেল হত্যার পুনর্বিচার সম্পন্ন ও রায় কার্যকর করতে আদালতের প্রতি আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

তারা বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে হবে। পুনর্বিচার শেষ করে আইনের মাধ্যমে চূড়ান্ত দণ্ড ঘোষণা করে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে হবে।

শনিবার বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত ‘জাতির কলঙ্কমোচন ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে জেল হত্যার পুনর্বিচার ও খুনিদের ফাঁসি চাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এ আহবান জানান।

আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, সাবেক  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শহীদ এম মুনসুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ নাসিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম প্রমুখ।

সভামঞ্চে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, সতিশ চন্দ্র রায়, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভুইয়া ডাবলু, কেন্দ্রীয় নেতা একেএম এনামুল হক শামীম, আমিনুল ইসলাম আমিন, উপ-দফতর সম্পাদক মৃনাল কান্তি দাস প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু বলেন, ‘‘জাতির জনককে হত্যার পর বার বার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধে আঘাত হানা হয়েছে। পরাজিত শক্তি দেশের স্বার্বভৌমত্ব নষ্ট করতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করেছে।’’ জেল হত্যাও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বিরোধী দলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার ভারত সফরের সমালোচনা করে আমির হোসেন আমু বলেন, ‘‘আজকে তারা (বিরোধী দল) মুখে যাই বলুক, অন্তরে বিশ্বাস করেন অন্য। তারা কোনোদিনই সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ছাড়তে পারবেন না।’’

বিরোধী দলের নেত্রীকে দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বলেন, ‘‘আপনারা বিদেশের প্রভূর কাছে ক্ষমা না চেয়ে দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চান। দেশের জনগণের কাছে স্বীকার করুন আপনি এতদিন ভুল রাজনীতি করেছেন।’’

তিনি বলেন, বিদেশী প্রভুর কাছে ক্ষমা চেয়ে কোনো লাভ হবে না। কারণ ক্ষমতায় বসানোর মালিক দেশের জনগণ। দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের পক্ষে আছে। স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি কোনো দিন আপনার সাথে যাবে না।’’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেল খানায় জাতীয় চারনেতা হত্যার দায় কোনোভাবেই জিয়াউর রহমান ও বেগম জিয়া এড়াতে পারেন না।’’

তিনি বলেন, ‘‘জিয়া ও খালেদা জিয়া যে জড়িত তার উদাহরণ ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটার বিহীন নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু হত্যার খুনি কর্নেল রশিদকে বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছিল।’’

দ্রুততম সময়ের মধ্যেই বিচার করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায় কার্যকর করা হয়েছে। জেল হত্যার পুনর্বিচার দ্রুততম সময়ে শেষ করা হবে।  বিরোধী দলীয় নেত্রী বিদেশ সফরের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তিনি বিদেশে ঘোরার সময় পান, রামুতে যাওয়ার সময় পান না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও শহীদ নজরুল ইসলামের ছেরে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস। আমাদের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দলের সুসর্ম্পক আছে।

ভারতীয় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের সাথে আওয়ামী লীগের ভালো সর্ম্পক রয়েছে বিরোধী দলের নেতা বেগম খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যে সমালোচনা করে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘‘শুধু ভারত নয়, বিশ্বের প্রতিটি গণমনা অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সর্ম্পক ভালো।’’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘‘চীনের কমিউনিস্ট পার্টিসহ বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক দল আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তাদের সঙ্গে ভালো সর্ম্পক রয়েছে বলেই আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা।’’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সময়েই বিশ্বের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভালো সর্ম্পক ছিল। এখনও তা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগের জন্ম  শুধু মাত্র নির্বাচন করে ক্ষমতায় আসার জন্য নয়। দেশের জনগণের কল্যাণের জনই আওয়ামী লীগের জন্ম। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে আওয়ামী লীগের সুসর্ম্পক রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে একটি নির্দেশনা তুলে ধরা হবে।

ড. কামাল হোসেন ও বি চৌধুরীর নাম উল্লেখ করে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমাদের কিছু কিছু লোক রয়েছে যারা জাতীয় ঐক্যের কথা বলেন। বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন ৭১ সালে। আর ঐক্য নষ্ট হয়েছে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে।

তিনি বলেন, আমরাও ঐক্যে বিশ্বাস করি। আমরা ভিন্ন মতের রাজনীতি করতে পারি। কিন্তু জাতীয় প্রশ্নে কোনো বিভেদ নেই। এ প্রসঙ্গে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, এখন যদি রমনি প্রেসিডেন্ট হয়, তাহলে বারাক স্বাগত জানাবে। জাতীয় ঐক্যর ক্ষেত্রে তাদের কোনো বিভেদ নেই।

বিরোধী দলীয় নেত্রীর প্রতি আশরাফ বলেন, যদি জাতীয় ঐক্য চান তাহলে ১৫ আগস্টের দিন জন্মদিন পালন বিরত থেকে অন্যদিন পালন করুন। ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ বা অন্যদিন পালন করে প্রমাণ করুন আপনি জাতীয় ঐক্য চান।

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ১৫ আগস্ট বাঙালি জাতির জন্য শোকের দিন। আর একটি গোষ্ঠী এইদিনটিতে উল্লাস করে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার কলঙ্কমোচন হয়েছে। আজ জেল হত্যার কলঙ্কমোচন করা হোক, জাতি এটাই চায়। সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের বলবো ন্যায় বিচার করুন।

জিয়াউর রহমান, বেগম জিয়া, হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ বার বার ক্ষমতায় থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের রক্ষা করেছেন। রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের পুনর্বাসন করেছেন।

তিনি বলেন, আমরা বাবা হারানো শোকে কষ্ট পাই। কিন্তু গর্ববোধ করি আমরা শহীদ পরিবারের সন্তান। কোনো বেঈমানের সন্তান না। মির্জাফরের সন্তানের কোনো গর্ব নেই। শহীদের সন্তানের গর্ব করার আছে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘‘জেল হত্যা ষড়যন্ত্রের কোনো ক্ষুদ্র অংশ ছিল না। এটা ছিল ১৫ আগস্টের ধারাবাহিকতারই অংশ। পুথিবীর ইতিহাসে এর চেয়ে আর বড় কোনো ঘটনা ঘটেছে কিনা জানা নেই।’’ বর্তমান সরকারের মেয়াদেই জেল হত্যার বিচার করা হবে বলে জানান তিনি।

জেল হত্যার দিন জাতীয় চারনেতার সঙ্গে জেলখানায় বন্দী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, ‘‘এখনো ৩ নভেম্বর এরে আমার কাছে মনে হয় কোয়ামতের রাত। জীবন্ত অবস্থায় সেদিন কেয়ামত দেখেছি।’’

শহীদ তাজউদ্দিনের কন্যা সিমিন হোসেন রিমি এমপি তার বাবার স্মৃতিচারণ করেন। এসময় হলরুমে সুনশান নীরবতা নেমে আসে।

যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নুহে আলম লেলিন ও উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।

Saturday, November 3, 2012

‘বেনগাজির মার্কিন মিশন ছিল মূলত সিআইএ’র তৎপরতার কেন্দ্র’

‘বেনগাজির মার্কিন মিশন ছিল মূলত সিআইএ’র তৎপরতার কেন্দ্র’


 

 লিবিয়ার বেনগাজিতে গত ১১ সেপ্টেম্বর যে মার্কিন মিশনে জঙ্গি হামলা চালানো হয়, সেটি ছিল মূলত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র গোপন তৎপরতার কেন্দ্র।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নালে শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়।

গত ১১ সেপ্টেম্বর বেনগাজির মার্কিন কনস্যুলেটে চালানো হামলায় রাষ্ট্রদূত ক্রিস স্টিভেন্সসহ চার মার্কিন নাগরিক নিহত হন।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে মিশনটি মূলত সিআইএ’র কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতো উল্লেখ করে বলা হয়, হামলার পর বেনগাজি থেকে সরিয়ে নেয়া ৩০ মার্কিন কর্মকর্তার মধ্যে মাত্র সাতজন পররাষ্ট্র দফতরে কাজ করতেন।

এতে বলা হয়, হামলায় নিহত দুই নিরাপত্তা কন্ট্রাক্টর সাবেক নেভি সিলস সদস্য টাইরোন উডস ও গ্লেন ডোহার্টি পররাষ্ট্র দফতরে নয়, সিআইএ’র হয়ে কাজ করতেন।

এতে আরো বলা হয়, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে সিআইএ’র তৎপরতা আড়াল করতে নিহতদের কফিন আমেরিকা পৌঁছলে সিআইএ’র পরিচালক ড্যাভিড পেট্রাউস সেখানে যাননি।

এতে বলা হয়, ‘এ্যানেক্স’ নামে পরিচিত একটি পার্শ্ববর্তী ভবনে প্রায় দু’ডজন সিআইএ কর্মকর্তা গোপন তৎপরতা চালাতেন। প্রাথমিক হামলার পর কনস্যুলেট কর্মকর্তারা সেখানেই আশ্রয় নিয়েছিলেন।

মেহেরপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

মেহেরপুর সীমান্ত থেকে বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

মেহেরপুর সদর উপজেলার সুবরাজপুর সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশীকে ধরে নিয়ে গিয়েছে বিএসএফ। শুক্রবার দুপুরে সুবরাজপুর সীমান্তের মেইন পিলার ১৩২ এর কাছ থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায়।
 
তার নাম- ফাকের আলী (৫৫)। তিনি একই উপজেলার ষোলমারী গ্রামের মৃত ইয়ার আলীর ছেলে।
 
ইয়ার আলীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে সুবরাজপুর সীমান্তের বাংলাদেশী ভূখণ্ডে ১৩২ নং মেইন পিলারের কাছে ঘাস কাটতে যায় ফাকের আলী। এ সময় বিএসএফ এর একটি টহল দল তাকে ধরে নিয়ে যায়। তবে এলাকাবাসী জানিয়েছে সে একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। ভারত থেকে মাদক আনতে গেলে তাকে আটক করে বিএসএফ।
 
কাথুলী কম্পানি কমান্ডার জুলফিকার আলী ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, “তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য বিএসএফ কে চিঠি দেয়া হয়েছে।”

ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন মোবাইল ব্যবহারকারীরা

ক্যান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন মোবাইল ব্যবহারকারীরা

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন বা বিকিরণের কোনো মাত্রা বেধে দেয়া নেই৷ নেই তা পরীক্ষার ব্যবস্থাও৷ ফলে উচ্চমাত্রায় রেডিয়েশন ছাড়ায় এমন হ্যান্ডসেট বিক্রি হচ্ছে দেদারসে৷ যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে৷

বাংলাদেশে এখন মোবাইল ফোনের গ্রাহক প্রায় সাড়ে নয় কোটি৷ আর প্রতি মাসে গড়ে ১২ লাখের বেশি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয় বিদেশ থেকে৷ কিন্তু কি ক্রেতা, কি বিক্রেতা তাদের কেউই মোবাইল ফোনের হ্যান্ডসেটের রেডিয়েশন এবং তার প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন নন৷

হ্যান্ডসেটের বিকিরণের মাত্রা মাপার আন্তর্জাতিক পরিমাপককে বলা হয় ‘স্পেসিফিক অ্যাবসর্পশন রেট বা এসএআর৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডায় এর সর্বোচ্চ মাত্রা ১.৬ কিলোওয়াট৷ আর ইউরোপে ২ কিলোওয়াট৷ হ্যান্ডসেটে এর চেয়ে বেশি রেডিয়েশন হলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. নূরজাহান সরকার৷

আর ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদারও জানান এ ক্ষেত্রে ক্যান্সারের ঝুঁকির কথা৷
কিন্তু অবাক করার মতো ব্যাপার হলো যে, বাংলাদেশে এই রেডিয়েশনের মাত্রা বেঁধে দেয়া নেই৷ আর সেখানে তা পরীক্ষা করারও কোনো ব্যবস্থা নেই৷ বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল জানান, তারা চান এখানে রেডিয়েশন পরিমাপের একটি ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হোক৷

এই অবস্থায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন অধ্যাপক ড. নূরজাহান সরকার৷ আর নীতিমালা প্রণয়নের দাবি করেন অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার৷

বাংলাদেশে প্রতিবছর বৈধভাবে মোবাইল ফোনের দেড়কোটি হ্যান্ডসেট আমদানি করা হয়৷ আর অবৈধভাবে আসে আরো ২৫ লাখ সেট৷ বৈধ, অবৈধ কোনো ধরনের সেটেই রেডিয়েশনের মাত্রা লেখা থাকে না৷ অথচ আন্তর্জাতিক আইনে এটা কিন্তু বাধ্যতামূলক৷ সূত্র: ডয়চে ভেলে।

আগামী বছর বিয়ে করবেন বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন

আগামী বছর বিয়ে করবেন বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন

বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী সুস্মিতা সেন আগামী বছর বিয়ে করতে যাচ্ছেন। খোদ এমনটাই সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন।

নয়া দিল্লিতে শুরু হওয়া ইন্দো-জার্মান উর্বান মেলা পরিদর্শন করতে গিয়ে মিডিয়াকে নিজের এই বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

৩৬ বছর বয়সী সুস্মিতা বলেন, আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বিয়ের। আর সেটা হচ্ছে নতুন বছরেই। কারণ বিয়ের সময় এখন হয়েছে বলে আমি মনে করি। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই আসলে আমার এই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া।

এদিকে সুস্মিতা এর আগে পরিচালক বিক্রম ভাট, মুদাসসের আজিজ ও অভিনেতা রণদীপ হুদার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। তবে এই সম্পর্কগুলো একে একে ভেঙেও যায়। সর্বশেষ ২৩ বছর বয়সী তরুণ ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ খাতরির সঙ্গে প্রেমে জড়ান তিনি। তবে সুস্মিতা এবার বিয়ের মালা কাকে পরাতে যাচ্ছেন সে বিষয়ে পরিষ্কার করে কিছু বলেননি।

সুস্মিতা ইতিমধ্যে রিনি এবং আলিশা নামের দু’জন মেয়েকে দত্তক নিয়েছেন। নিজের মেয়ের আদরেই এই দু’জনকে বড় করছেন তিনি। অন্যদিকে আগামী বছর খ্রিস্টীয় রীতিতে বিয়ে করার কথা জানিয়েছেন তিনি। ছোট বেলা থেকেই খ্রিস্টীয় রীতিতে বিয়ের স্বপ্ন বুকে লালন করে চলেছেন সুস্মিতা।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ছোট বেলাতেই খ্রিস্টান ধর্মের বিয়ের প্রতি আমার একটি টান ছিল। ওদের স্টাইলটা আমার কাছে ভালো লাগে। তখন থেকেই নিজেকে কল্পনা করতাম লম্বা সাদা গাউন পরে বধূ বেশে সেজেছি আমি। তাই নিজের এই স্বপ্নটা পূরণ করতে চাই। খ্রিস্টীয় রীতিতেই বিয়ের কাজটি সারতে চাই। কিন্তু বর সম্পর্কে কিছু বলতে চাচ্ছি না এখন। সব কিছু পাকাপাকি হলে তবেই সবাইকে জানাবো।