Pages

Wednesday, November 7, 2012

অঙ্কভীতি থেকে শরীরে ব্যথার অনুভূতি

অঙ্কভীতি থেকে শরীরে ব্যথার অনুভূতি

শারীরিকভাবে আঘাত পেলে মস্তিষ্ক যেভাবে সাড়া দেয়, অঙ্ক কষার কথা ভাবলেও ঠিক একই অবস্থা হয়। আর এটা হয় অঙ্কভীতি থেকে। নতুন এক গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এমনটাই আবিষ্কার করেছেন।

ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর বিজ্ঞানীরা অঙ্কের সঙ্গে শারীরিক ব্যথার এ সম্পর্ক খুঁজে বের করেন ব্রেন স্ক্যান করে। শরীরে চিমটি কাটলে, মাথার চুল ধরে টানলে বা মুখে কেউ ঘুষি মারলে মস্তিষ্ক যেভাবে সাড়া দেয়, ঠিক একইভাবে সাড়া দেয় অঙ্ক কষার কথা ভাবলেই। আর এ থেকে রেহাই পেতে অঙ্ক কষতে বসার আগে নিজের ভয়টা যদি কাগজে লিখে ফেলা যায় তবে কিছুটা হলেও ভালো অনুভব করা সম্ভব।

ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি হয় মস্তিষ্কের গভীরে পোস্টেরিয়র ইনসুলা নামক গ্রন্থে। এখান থেকেই শুরু সব শারীরিক ব্যথার অনুভূতি। কানাডার ইউনিভার্সিটি অব অন্টারিও পোস্টগ্র্যাজুয়েট গবেষক আয়ান লায়নস এ ব্যাপারে বলেন, ঠিক অঙ্ক করার সময় মস্তিষ্ক ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে না, বরং অঙ্ক কষার ভাবনাটাই পীড়াদায়ক। ইন্টারনেট।

প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দিন: মেনন

প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দিন: মেনন

যুবকের মতো প্রশাসক নিয়োগ করে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন বোনাস ভাতা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এমপি।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন আয়োজিত সরকারি উদ্যেগে কর্মচারীদের বেতন বোনাস ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, “চুরির দায়ে তানভীর জেলে খাটছে। সেই চুরির টাকা জনগণের।” অতএব সরকার প্রশাসক নিয়োগ করে ওই কর্মচারীদের বেতন বোনাস দেয়ার পরামর্শ দেন।

তিনি আরো বলেন, “তিন বছর ধরে টাকা নিয়ে গেলো কিন্তু সরকারের কোনো খবর নাই। অর্থমন্ত্রী বলেন সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা কোনো টাকা নয়, তাহলে হলমার্ক শ্রমিকদের বেতন দেয় হচ্ছেনা কেন?”
সাত দিনের মধ্যে বেতন বোনাস ভাতা না দিলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনায় শুধুমাত্র তানভীর ছাড়া অন্য কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এতে বুঝা যায় এর সরকারের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর শুষ্ঠু সমাধান করতে হলে সরকারের নিজেকে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন মেনন।

সংগঠনের সভাপতি আমিরুল হকের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ ও জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা শিরিন আক্তার।

জামায়াতসহ ৮ দলকে গঠনতন্ত্র সংশোধনে ইসির চিঠি

জামায়াতসহ ৮ দলকে গঠনতন্ত্র সংশোধনে ইসির চিঠি

 ডিসেম্বরের ৫ তারিখের মধ্যে জামায়াত ইসলামীসহ মোট আটটি দলকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য অনুরোধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

জামায়াতসহ আটটি দলকে পৃথক পৃথক চিঠি দিয়ে এ অনুরোধ জানায় ইসি। এ দলগুলো হলো- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি, একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, জমিয়ত-ই-উলামা বাংলাদেশ, গণফোরাম, গণফ্রন্ট ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন।

ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মাহফুজা আকতার স্বাক্ষরিত চিঠিতে জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্রের ২ এর (৩), ৫ এর (৩), ৬ এর (৪), ৭ এর (১-৪), ১১ এর (২), এবং ১৮ এর (৪ এর ছ) ধারাগুলো সংশোধনের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী জামায়াতের গণতন্ত্র সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় দলটিতে তাদের গঠনতন্ত্রের প্রস্তাবনাও সংশোধনের আহবান জানায় ইসি।

এর আগেও তিনবার জামায়াতকে তাদের গঠনতন্ত্র সংশোধনের জন্য ইসির পক্ষ থেকে চিঠি দেয়া হয়। ইসির আহবানে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। দলটির পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় কমিশনের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয় একই চিঠিতে।

দেশে বর্তমানে ৩৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে নতুন দলের নিবন্ধন পাওয়ার জন্য ডিসেম্বরের ৩১ তারিখের মধ্যে আবেদন জানাতে কমিশনের পক্ষ থেকে আগ্রহীদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার মো. জাবেদ আলী বলেছেন, নিবন্ধন প্রাপ্তির শর্ত অনুযায়ী প্রতিটি দলকে তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করে দল পরিচালনা করা উচিৎ।

Tuesday, November 6, 2012

২২ সদস্যের প্রাথমিক দলে নেই আশরাফুল, মাশরাফি ও ইমরুল

২২ সদস্যের প্রাথমিক দলে নেই আশরাফুল, মাশরাফি ও ইমরুল 

 বিসিবি নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই হোম সিরিজে ১ম টেস্টের জন্য প্রাথমিক দলের তালিকা আজ ঘোষণা করেছে। ২২ সদস্যের এই দলে সাবেক দুই অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি এবং ওপেনার ইমরুল কায়েসের নাম নেই।

জানা গেছে, জাতীয় লীগের দ্বিতীয় ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই নির্বাচক প্রাথমিক তালিকা বিসিবি অপারেশন্স কমিটিতে জমা দেবে। সে অনুযায়ী কাল প্রাথমিক দলের ঘোষণা আসার কথা ছিল।

কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল ঢাকা আসার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবি যে তালিকা ঘোষণা করা হলো। তবে এই দলে নেই সাবেক দুই অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল, মাশরাফি আর ওপেনার ইমরুল কায়েস।

এছাড়া ২২ সদস্যের প্রাথমিক তালিকায় আছেন বাদ পড়া নাইম ইসলাম, আর দলে নতুন করে প্রবেশ করলেন তাসকিন আহমেদ ও মমিনুল হক। এবং অনেক দিন পর জাতীয় দলের প্রাথমিক তালিকায় ঠাঁই পেয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র।

আগামী ৮ নভেম্বর সকাল ৯ টায় টিম ম্যানেজার তানজিব আহসানের কাছে প্রাথমিক দলের ২২ ক্রিকেটারকে রিপোর্ট করতে বলেছে বিসিবি।

২২ সদস্যের দলে যে মাশরাফি থাকবেন না এটাতো পুরাতন খবর। কারণ মাশরাফি ইনজুরি থেকে ফিরে ঘোষণা দিয়ে ছিলেন টানা এক বছর দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে (টেস্ট) তিনি অংশ নেবেন না। কিন্তু আশরাফুল আর ইমরুল বাদ পড়লেন জাতীয় লিগে বাজে পারফর্মেন্সের কারণে। আর এতে প্রাথমিক দলের তালিকায় উঠে এসেছেন বেশ কিছু উদীয়মান ক্রিকেটার।

পাশাপাশি বিসিবি অতিথি দলের বিপক্ষে বিকেএসপিতে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য বিসিবি একাদশ নামে দল ঘোষণা করে চমক সৃস্টি করেছে। কারণ তাতে আছেন ১২ ক্রিকেটার।

মজার বিষয় হচ্ছে সাধারণত বিসিবি সিরিজের প্রস্তুতির ম্যাচে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্যরে বিসিবি একাদশ থেকে দূরে রাখেন। যদিও দুই এক জন বিসিবির ঘোষিত প্রাথমকি দলে থাকার পরও বিসিবি একাদশে ঠাঁই পান, সেটার মুল কারণ ক্রিকেটারের পারফর্মেন্স নিয়ে নির্বাচকদের সন্দিহান দৃস্টিভঙ্গি।

তাহলে কি বিসিবির তিন নির্বাচক মুশফিক, রিয়াদ আর শাহরিয়ার নাফীরের প্রতি টেস্টে আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন! কারণ বিসিবি একাদশে মুশফিক অধিনায়ক আর আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। আর জেসন সুইফটকে বিসিবি একাদশের প্রধান কোচ করে বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটারকে ৭ নভেম্বর বিকাল তিনটায় মিরপুরে রিপোর্ট করতে অনুরোধ করেছে। কারণ পর দিন ৮ নভেম্বর থেকে ১০ পর্যন্ত বিকেএসপিতে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ।

বিসিবি ঘোষিত ২২ সদস্যের প্রাথমিক দল
তামিম ইকবাল, শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জহুরুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান, মুশফিক রহিম, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাইম ইসলাম, নাসির হোসেন, নাজিমউদ্দিন, এনামুল হক জুনিয়র, মোহাম্মদ সানী, রুবেল হোসেন, শফিউল ইসলাম, নাজমুল হোসেন, শাহদাত হোসেন, আনামুল হক, মমিনুল হক, তাসকিন আহমেদ, সোহাগ গাজী, আবুল হাসান ও আল আমিন।

বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটার
মুশফিক রহিম (অধিনায়ক), শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, জহুরুল ইসলাম, আনামুল হক, মমিনুল হক, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, নাজিম উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, এনামুল হক জুনিয়র, শফিউল ইসলাম, ও আল আমিন।

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের স্বপ্ন ধুলিসাৎ: মওদুদ

দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের স্বপ্ন ধুলিসাৎ: মওদুদ

 বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেছেন, ‘‘ খালেদা জিয়ার ভারত সফরের মধ্য দিয়ে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করার আওয়ামী লীগের স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে।’’
 
এ সফরের ফলে বিশ্বে সরকার আরো বন্ধুহীন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করে তিনি।
 
সোমবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) আয়োজিত ‘৭ নভেম্বর পূণরায় সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হোক-বিপ্লবের মহানায়ক শহীদ জিয়া’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
 
মওদুদ বলেন, “চাওয়ার আগেই ভারতকে সবকিছু দিয়ে দেয়ার পরও কোনো কাজে আসছে না দেখে আওয়ামী লীগ ঈর্ষাম্বিত হয়ে পড়েছে। কারণ ভারত সরকার খালেদা জিয়াকে সর্বোচ্চ অভ্যর্থনা দিয়েছে।’’
 
তিনি সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘‘নিজ উদ্যোগে নয়, ভারতের নিন্ত্রণে খালেদা জিয়া সে দেশ সফর করেছেন। তাই চক্রান্ত করে কোনো লাভ নেই। কারণ ভারত একটি দলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখার নীতিতে পরিবর্তন এনেছে। তারা এখন বাংলাদশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায়।”
 
নীতি পরিবর্তনের জন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ দেন মওদুদ।
 
তিনি আরো বলেন, ‘‘দেশের মধ্যে ভারত বিরোধী চিন্তার জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী। কিন্তু বিএনপি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে দলের ঘোষণাপত্রে এবং নির্বাচনী ইশতেহারে ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্ক রাখার পক্ষে। কারণ ভারত পার্শ্ববর্তী বৃহৎ রাষ্ট্র এবং অনেকগুলো অমীমাংসিত ইস্যু রয়েছে।’’
 
মওদুদ বলেন, ‘‘৭ নভেম্বরের সিপাহী বিল্পবের উত্থান ছিল বাংলাদেশের রাজনীতির সবচেয়ে টার্নিং পয়েন্ট। যারা তখনকার অবস্থা দেখেনি তারা দিনটির তাৎপর্য সম্পর্কে কিছুই জানে না। জিয়াউর রহমান কারো কাছ থেকে জোর করে ক্ষমতায় আসেননি। জনগণ তাকে জেল থেকে বের করে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। এমন দৃষ্টান্ত পৃথিবীতে বিরল।’’
 
সরকার প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
 
দলীয় সরকার নয়, আগামী দিনে নির্দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে বলেও জানান মওদুদ।
 
সংগঠনের সভাপতি আবুল হাসেম রানার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন, বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহ-দফতর বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবীদ শামিমুর রহমান শামিম প্রমুখ।

রিয়েল থেকে রিল লাইফের তরজায় সোনাক্ষি-আনুশকা

রিয়েল থেকে রিল লাইফের তরজায় সোনাক্ষি-আনুশকা

 বহুদিন ধরেই মুখ দেখাদেখি বন্ধ দুই কন্যের। ইন্ডাস্ট্রিতে এখনও পাঁচ বছরও না কাটলেও ইতিমধ্যেই নিজেদের জোরালো ফ্যান ক্লাবও তৈরি করে ফেলেছেন দুজনেই। তবে এবার বোধহয় সত্যিই পর্দায় এসপার-ওসপার করে নেয়ার পালা দুজনের।

সোনাক্ষি সিনহা আর আনুশকা শর্মা। রণবীর সিংয়ের বাহুলগ্না হওয়ার কারণে পূর্বে শিরোনামে এসেছেন দুজনেই। সেই কারণেই দুজনের বাক্যালাপ বন্ধ দীর্ঘদিন। তবে এই দীপাবলিতে একেবারে সমুখ সমরে নামতে চলেছেন তারা। ওইদিনই একসঙ্গে মুক্তি পাচ্ছে সোনাক্ষির জব তক হ্যায় জান আর অনুষ্কার সন অফ সর্দার। জব তক জান-এ শাহরুখের বিপরীতে রয়েছেন আনুশকা । আর সোনাক্ষির হিরো হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে অজয় দেবগনের।

ব্যক্তিগত জীবনের তরজায় সুবিধা করতে পারেননি দুজনের কেউই। তবে বক্স অফিসে কার ভাগ্যে শিকে ছেঁড়ে সেটা জানতে গেলে এখনও অপেক্ষা করতে হবে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত। সূত্র: ওয়েবসাইট।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গুরুতর অসুস্থ

সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গুরুতর অসুস্থ

 সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ বাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় তাকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হচ্ছে বলে জানান তার ছেলে জানিয়েছেন।

ইয়াজউদ্দিনের ছেলে ইমতিয়াজ আহম্মেদ বাবু টেলিফোনে সাংবাদিকদের জানান, গত ২৮ অক্টোবর তার বাবার একটি অস্ত্রোপাচার হয়। এরপর কিডনিতেও জটিলতা দেখা দিলে রোববার তার অবস্থার আরো অবনতি হয়। এ অবস্থায় তাকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস দেয়া হচ্ছে। তার স্ত্রী অধ্যাপিকা আনোয়ারা বেগম ও ছেলে ইমতিয়াজ তার সঙ্গে রয়েছেন।


৮১ বছর বয়সী সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ গত বছরের আগস্ট মাসে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সেই বছর সেপ্টেম্বরে তাকে থাইল্যান্ড নেয়া হয়। চিৎকিসা শেষে দেশে ফিরলেও অসুস্থবোধ করলে চার মাস আগে তাকে পুনরায় থাইল্যান্ডে নেয়া হয়। এর আগে ২০০৬ সালে সিঙ্গাপুরের মাউথ এলিজাবেথ হাসপাতালে তার বাইপাস সার্জারি হয়।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইয়াজউদ্দিন আহমেদ বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার আমলে রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। বিএনপি ক্ষমতা ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতির দায়িত্বের সঙ্গেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন

মতিঝিলে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ

মতিঝিলে জামায়াত-পুলিশ সংঘর্ষ
 পুলিশের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে সোমবার বিকেলে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, ফকিরাপুল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। বিকেলে সাড়ে চারটায় পূর্ব ঘোষিত ৯ দিনের কর্মসূচি পা্লনের প্রথম দিনেই বেকায়দায় পড়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আটক নেতাদের মুক্তি ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনর্বহাল দাবিতে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা  জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মতিঝিল শাপলা চত্বর থেকে জমায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি  জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সামনে এসে শেষ হয়। এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শুরু করলে পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল ছোড়ে।

এ সময় নেতা-কর্মীরা আত্মরক্ষার জন্য আশপাশের গলিতে অবস্থান নিয়ে পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছোড়েন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের ছয় থেকে সাত জন ও জামায়াত শিবিরের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হন। অন্যদিকে সংঘর্ষে চলাকালে জামায়াত শিবিরের ১৮ জন নেতাকর্মীকে গ্রফতার হয়।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন, মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হায়াতুজ্জামান, নায়েক আব্দুল লতিফ,  কনস্টেবল সোহরাব, আরিফ, নাজমুল, খাদেমুল, মোহাম্মদ দোলন এবং জালাল ।

পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার নূরুল ইসলাম কমিশনার বলেন, পুলিশকে বেকায়দায় ফেলতে অনুমতি ছাড়াই জামায়াত-শিবির হঠাৎ করে মিছিলের চেষ্টা করে। নিষেধ করলে জামায়াত-শিবিরের নেতা কর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়।

অন্যদিকে এই সংঘর্ষের জন্য পুলিশকে দায়ী করেছে জামায়াতে ইসলামী। ঢাকা মহানগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ জানান, তাদের মিছিলে পুলিশ বিনা উস্কানিতে হামলা চালায়।

তিনি আরো বলেন, পুলিশ তাদের অন্তত ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং পুলিশের লাঠিপেটায় প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছে।

এছাড়াও একই দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের সাথে জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশসহ অন্তত ৩৫৩ জন আহত হয়েছে। সাতক্ষিরায় ৬৩ জন, নোয়াখালীতে পাঁচজন বরগুনায় চারজন বগুড়া ও ফেনীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ১১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

Monday, November 5, 2012

কাল ঢাকায় আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

কাল ঢাকায় আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

 ৩৩ বছর পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বড় কোনো আসরে আবারো শিরোপা জয়। আশির দশকের সেই স্বর্ণসময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে আজকের ক্রিস গেইল, ড্যারেন স্যামি, স্যামুয়েলস, ব্রাভোরা। তবে সেই সময়ের মতো ভয়ঙ্কর প্রত্যাবর্তন করতে না পারলেও ফিরে পেতে পারে হারানো মুকুট গুলো। হয়ে উঠতে পারে বর্তমান ক্রিকেটের বড় শক্তির দল।
 
সদ্য সমাপ্ত টি-২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট
ইন্ডিজ ক্রিকেট দল কাল সকাল ৮টায় ঢাকায় আসবে।

সীমিত পরিসরের ক্রিকেটের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দল বিশ্বকাপ জয়ের মুকুট মাথায় নিয়ে এই প্রথম কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশের বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসছেন। উভয় দলের মধ্যকার সর্বশেষ হোম সিরিজে বাংলাদেশ একমাত্র টি-২০ ম্যাচে
জয় আর শেষ ও তৃতীয় একদিনের ম্যাচে বড় জয় পেয়ে সিরিজ শেষ করলেও প্রথম দুটি টেস্ট ও একদিনের ম্যাচে হেরে যায়।

এবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল দুটি টেস্ট, পঁvচটি একদিনের ও একটি টি-২০ ম্যাচের সিডিউল নিয়ে বাংলাদেশে আসছে। এছাড়া বিসিবি একাদশের বিপক্ষে একটি তিন দিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ ও একটি একদিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ খেলবে। তবে এবারের ম্যাচ গুলো মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ও সদ্য টেস্ট ভেন্যুর স্বীকৃতি পাওয়া খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। ৮ নভেম্বর বিসিবি একাদশের বিপক্ষে বিকেএসপিতে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের মধ্য দিয়ে সফর শুরু করবে ক্যারিবীয়রা।
 
মূল সিরিজ শুরু হবে ১৩ নভেম্বর টেস্ট খেলার মধ্য দিয়ে। ১৩-১৭ নভেম্বর পর্যমত্ম প্রথম টেস্ট ম্যাচ শেষ করে খুলনায় দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট ম্যাচ ২১ নভেম্বর শুরম্ন হবে। ২৮ নভেম্বর বোর্ড একাদশের বিপক্ষে একটি মাত্র একদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে রঙ্গিন পোশাকে খেলা। এরপর ৩০ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর খুলনায় একদিনের খেলা শেষে ৫,৭,৮ ডিসেম্বর শেরে-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মোট তিনটি একদিনের খেলা হবে।
মিরপুরে একদিনের খেলাগুলো দিবারাত্রি হবে। ১০ ডিসেম্বর একমাত্র টি-২০ ম্যাচ দিয়ে ৩৭ দিনের সফর শেষ করবে ক্যারিবীয়রা। একদিনের ক্রিকেটে সকল দলকে হারানোর বৃত্ত ভরাট হয়েছে বহু আগেই। তবে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট খেলার সুযোগ
লাভের পর একযুগ পেরিয়ে গেল। কিন্তুু একমাত্র জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ধারাবাহিক জয়
ছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেট পরাশক্তি গুলোর প্রতিপক্ষ হিসেবে টেস্ট, ওয়ানডে বা কিংবা টি-২০ তে তেমন একটা সফল হয়নি। তবে এক্ষেত্রে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে টাইগারদের কিছু সুখ স্মৃতি রয়েছে। বিদেশের মাটিতে একবারই তাদের বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডেতে
সিরিজ জিতে এসেছিল টিম বাংলাদেশ। শেষ বাংলাদেশ সফরে সেই শোধ খুব ভালোভাবেই নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দুই দলের নতুন এই দৈরত্ব কিছু দিন আগে শুরম্ন
হলেও এই সিরিজে খুব ভালোভাবেই প্রভাব ফেলবে। লড়াই জমে উঠবে মুশফিক,রিয়াদ,সাকিব বিপক্ষে থাকবে গেইল,স্যামুয়েলস আর স্যামি।
সফর সূচি
৮-১০ নভেম্বর - প্রস্ত্ততি ম্যাচ প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ- বিকেএসপি,সাভার।
 
১৩-১৭ নভেম্বর- প্রথম টেস্ট ম্যাচ -শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
২১-২৫ নভেম্বর- দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।
 
২৮ নভেম্বর- একদিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচ প্রতিপক্ষ বিসিবি একাদশ -শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

৩০ নভেম্বর- প্রথম একদিনের ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

২ ডিসেম্বর- দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ-শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম, খুলনা।

৫ ডিসেম্বর- তৃতীয় একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
৭ ডিসেম্বর- চতুর্থ একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।
 
৮ডিসেম্বর- চতুর্থ একদিনের ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।

১০ ডিসেম্বর- একমাত্র টি-২০ ম্যাচ-শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম, ঢাকা।

৩৭ এ পুরুষ সবচেয়ে সুখী

৩৭ এ পুরুষ সবচেয়ে সুখী

  ৩৭ বছর বয়সে পুরুষরা সবচেয়ে সুখী থাকে। কারণ এ সময় তারা ক্যারিয়ারের শীর্ষে থাকেন ও সংসার জীবন শুরু করেন। যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী পত্রিকা ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
 
ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ৩৭ বছর বয়সে পুরুষরা পারিবারিক জীবন নিয়ে সবচেয়ে সুখী থাকেন এবং বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে সুষ্ঠু সামাজিক সম্পর্ক রক্ষা করেন। মধ্যবয়সের ফাঁড়া থেকে তারা এখনও আরো ১০ বছর দূরে এবং কৈশোর-যৌবনের কঠোর জীবন সংগ্রাম এখন অতীত।
 
জরিপটি থেকে জানা গেছে, এ সময়ই বাবা হন বেশিরভাগ পুরুষ, যাদের মধ্যে ৪৩ ভাগই বাবা হওয়ার অনুভূতিকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখের অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এই সুখের সামগ্রিক প্রভাব পড়ে তাদের জীবনে। বিয়ে করার কিছুদিন পরের এই সময়টিকে ৩৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন জীবনের সবচেয়ে সুখী সময়গুলোর অন্যতম। এই বয়সের অন্য ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ শতাংশ খেলায় প্রিয় দলের জয়, সুখী হন, ১৭ শতাংশ নতুন বাড়ি কিনে এবং ৭ শতাংশ নতুন গাড়ি কিনে সুখী হন। ১৩ শতাংশ নতুন জীবনসঙ্গীকে খুঁজে পেয়ে এবং ৯ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাট চুকিয়ে সুখী হন।  

প্রাণের সব ধরনের ফ্রুট ড্রিংকস বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের রুল

প্রাণের সব ধরনের ফ্রুট ড্রিংকস বিক্রি বন্ধে হাইকোর্টের রুল

 প্রাণের লিচু, ম্যাংগো, আপেল, অরেঞ্জ, স্ট্রবেরি এবং পাইনআপেল নামের ফ্রুট ড্রিংসের উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে এইসব পণ্য উৎপাদন, বিপণন ও বিক্রি বন্ধে প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

এ সংক্রান্ত একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন।
আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে স্বাস্থ্য সচিব, খাদ্য সচিব, পুলিশের আইজি, ডিজি বিএসটিআই ও ঢাকা জেলা প্রশাসককে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

২৩ অক্টোবর দৈনিক আমাদের সময়ে প্রকাশিত ‘প্রাণের বাতিল ফ্রুট ড্রিংকস এখনও বাজারে’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান সিদ্দিকী।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ।

আদেশের পরে মনজিল মোরসেদ সাংবাদিকদের জানান, বিএসটিআই পরীক্ষা করে প্রাণের ওইসব পণ্যে জুসের কোনো উপাদান পায়নি। তাই তাদের জুসের লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছিল। এসব জুসে প্রিজারভেটিভ রয়েছে। আমরা এসব পণ্যের উৎপাদন বন্ধের আবেদন করেছি।

এমআরপি তৈরির সময় বাড়লো

এমআরপি তৈরির সময় বাড়লো 

পাসপোর্ট (এমআরপি) তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আইআরআইএস করর্পোরেশনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ানো হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এর জন্য নতুন সময় বাড়ানো হয়নি।

এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জন্য জনবল নিয়োগসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

পরে একই স্থানে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, এমআরপি তৈরির জন্য নিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ চালিয়ে যাওয়ার মেয়াদ বাড়ানোসহ জনবল নিয়োগ, সফটওয়ার রক্ষণাবেক্ষণ এবং যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তাবের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এখন তারা কাজ চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে এতে কিছুটা ব্যয় বাড়বে। এ অনুমোদনের ফলে আগামী ২০১৪ সালের মধ্যে সকল নাগরিকের জন্য এমআরপি ইস্যু করা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি। এর আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়া এবং চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো না হওয়ায় আইআরআইএস করপোরেশন কাজ বন্ধ করে দেয়।

মন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারে ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের একটি প্রকল্প বৈঠকে উপস্থাপন করা হলেও পরে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রকল্পটিতে কিছুটা পরিবর্তনের প্রয়োজন থাকায় তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

তবে বিদ্যুৎ খাতের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

বিদ্যুৎ খাতের ক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচির (পিএসসিডিপি) আওতায় এ প্রকল্পের জন্য ঠিকাদার নিযুক্ত হয়েছে থাইল্যান্ডের এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এআইটি)।

তিনি বলেন, এতে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল) তিনটি গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণ প্রকল্পের সর্বনিম্ন দরদাতার আর্থিক প্রস্তাব এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগের প্রস্তাবনাও অনুমোদন দেয়া হয়।

মুহিত বলেন, ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ভোলার চরফ্যাশন ও মনপুরা শহর রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এসব পাইপলাইন হলো- ‘মহেশখালী-আনোয়ারা’, ‘বিবিয়ানা-ধনুয়া’ ও ‘আশুগঞ্জ-বাখরাবাদ’।

এছাড়া চলতি বছরের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদের জন্য চারটি দেশ থেকে জ্বালানি তেল আমদানির পরিমাণ এবং এর প্রিমিয়ামও অনুমোদন দেয়া হয় এ বৈঠকে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার পেটকো, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনোক, ভিয়েতনামের পেট্রোলিমেক্স এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি থেকে এ ফার্নেস অয়েল আমদানি করা হবে।

উপদেষ্টা মসিউরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

উপদেষ্টা মসিউরকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

 নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই দুদকের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান।
 
পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ সম্পর্কে অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে আজ বেলা ৩টায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে যাচ্ছেন তিনি। 
 
সকাল দশটায় দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান সাংবাদিকদের কাছে মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের  সময়সূচি নিশ্চিত করেন।
 
গত সোমবার পাঠানো দুদকের এক নোটিসে তাকে ৬ নভেম্বর হাজির হতে অনুরোধ করা হয়েছিল। পরে মসিউর রহমানের অনুরোধেই জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ পরিবর্তন করা হয়।
 
দুদক সূত্রে জানা যায়, মসিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদকের উপপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি অনুসন্ধানী দল। দলের অন্য সদস্যরা হলেন মির্জা জাহিদুল আলম, আবদুল্লাহ আল জাহিদ ও গোলাম শাহরিয়ার চৌধুরী।

ডেসটিনির হারুনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

ডেসটিনির হারুনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ 

 মানি লন্ডারিং-এর দুই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান লে. জেনারেল অব: হারুন অর রশিদকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুর্নীতি দমন কমিশন। 
 
সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তিনি যান। সোয়া দশটায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। ডেসটিনি ট্রি-প্লান্টেশন ও ডেসটিনি মালটিপারপাস সোসাইটির তিন হাজার ২৮৫ কোটি টাকা মানি লন্ডারিং ও আত্মাসাতের ঘটনায় ৩১ জুলাই কলাবাগান থানায় মামলা করা হয়।
 
ওই দুই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মোজাহার আলী সরদার ও সিনিয়র সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম ছাড়াও তদন্ত টিমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সিনিয়র উপ-পরিচালক বেনজির আহমেদ, মাহমুদ হাসান, নুরুল হক ও আখতার হামিদ ভুঁইয়া যৌথভাবে জেনারেল হারুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন বলে জানা গেছে।
 
ডেসটিনির চেয়ারম্যান জেনারেল হারুনকে ৮টি শর্তে জামিন দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য শর্ত হলো, ডেসটিনির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করতে হবে। তদন্ত কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখন যেখানে ডাকবেন তাদের ডাকে সাড়া দিতে হবে।
 
এর আগে ১১ অক্টোবর আদালতের নির্দেশে জেনারেল হারুন, রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসাইন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তাদের জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
 
জেলে যাওয়ার পর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হারুন।

পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো সময় পেলো সরকার

পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো সময় পেলো সরকার 

নিম্ন আদালতের বিচারকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আরো এক মাস সময় বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামী ৩ ডিসেম্বর বাস্তবায়ন বিষয়ে আদালতকে অবহিত করতে বলা হয়েছে।
 
রোববার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ এ আদেশ দেয়।
 
গত ১ অক্টোবর আপিল বিভাগ এক মাসের মধ্যে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি-সংক্রান্ত জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আদেশ দেয়। একই সঙ্গে ৪ নভেম্বর শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছিল।
 
এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ১ নভেম্বরের একটি গেজেট আদালতে আজ উপস্থাপন করে। এতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বিচারিক ভাতা ৩০-এর পরিবর্তে ৫০ শতাংশ হারে, পোশাকভাতা বছরপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা ও আপ্যায়ন ভাতা বৃদ্ধির বিষয় উল্লে­খ আছে।
 
এর আগে গত ১৯ জুলাই এ-সংক্রান্ত আদেশ বাস্তবায়ন করে ১ অক্টোবর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে অর্থ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।
 
বিচার বিভাগ পৃথকীকরন সংক্রান্ত ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলার রায়ে বিচারকদের পৃথক বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্যে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিমকোর্ট। এ নির্দেশনার আলোকে ২০০৭ সালের ১৭ জুন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন গঠন করা হয়। এ কমিশন ২০০৮ সালের ১৩ এপ্রিল বিচারকদের আলাদা বেতন কাঠামো নির্ধারণ করে তা বাস্তবায়নের জন্যে সরকারকে সুপারিশ করে। কমিশন একই বছরের ২ জুন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা বেতন স্কেল ও ভাতার বিষয়ে সুপারিশ করে।
 
২০০৯ সালে গঠিত এই পে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের জন্য আদালত এর আগে আইন সচিব, অর্থ সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। এই আদেশ এসেছিল বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সম্পর্কিত মাজদার হোসেন মামলায় সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের ধারাবাহিকতায়। কিন্তু রাষ্ট্রপক্ষ আদেশ বাস্তবায়নে ধারবাহিকভাবে সময় নিয়ে আসছে।
 
রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রোববার একটি গেজেট আদালতে জমা দেন। এতে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের সুপারিশ অনুসারে বিচারিক ভাতা মূল বেতনের ৩০ শতাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ করার কথা বলা হয়। এছাড়া বার্ষিক ৫ হাজার টাকা পোশাক ভাতা এবং আপ্যায়ন ও চৌকি ভাতার কথাও বলা হয় এতে।
ঢাকা মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল শহরে মূল বেতনের শতকরা ৬৫ ভাগ, অন্যান্য জেলার জন্য ৫৫ ভাগ এবং চৌকি আদালতগুলোর জন্য ৫০ ভাগ বাসা ভাড়া দেয়ার কথা বলা হয় কমিশনের সুপারিশে।
 
এছাড়া আপ্যায়ন ভাতা, গৃহকর্মী ভাতা, পোশাক ভাতা, ট্রান্সপোর্ট সুবিধা এবং চৌকি ভাতার কথা উল্লেখ করে কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, অন্য সরকারি চাকরিজীবীরা যেসব সুযোগ সুবিধা পান- বিচারিক সদস্যদের জন্যও তা প্রযোজ্য হবে।

মশিউর সস্পর্কে বিকালে জানাবে ইআরডি: অর্থমন্ত্রী

মশিউর সস্পর্কে বিকালে জানাবে ইআরডি: অর্থমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানের অবস্থান সম্পর্কে আজ বিকালে বিবৃতি দিবে বলে জানিয়েন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত।

রোববার সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং অর্থনৈতিক বিষয় সম্পর্কিত মন্ত্রিসভার কমিটির বেঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের ভাইস  প্রেসিডেন্ট চলতি মাসেই বাংলাদেশে আসবেন। পদ্মা  সেতু প্রকল্পের যে কাজগুলো বাকি আছে, সেগুলো তিনি আসার আগেই শেষ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে সমঝোতার হয়েছে তার কোন ব্যত্যয় ঘটেনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অর্থ বিষয়ক উপদেস্টা ড. মসিউরের বিষয় আজ বিকালে আনুষ্টানিকভাবে  ই আর ডি থেকে জানানো হবে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এ কে  খন্দকার,  প্রবাসি কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্কান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন, বেসাময়িক বিমান পরিবহন ও পযটন মন্ত্রী  মুহাম্মদ ফারুক খান ও বিনিযোগ বোর্ডের নিবাহী চেয়ারম্যান ড. এস এ সামাদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিলের পর সরকারের নানামুখী তৎপরতায় তাদের সিদ্ধামত্ম পরিবর্তন করে।।

অন্য কয়েকটি শর্তের সঙ্গে এ প্রকল্পের ইন্টিগ্রিটি অ্যাডভাইজর মসিউরকে ছুটিতে পাঠানোর কথাও বলেছিল বিশ্ব ব্যাংক।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেন, মসিউর রহমান ছুটিতে গেলে পদ্মা সেতুতে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নের পথ সুগম হবে।

১৭ সেপ্টেম্বর মসিউর ছুটিতে যাওয়ার পরই বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ফিরে আসার কথা জানায়।

গত ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা প্রকল্পে ফেরার ঘোষণা দিলে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, পদ্মা সেতুসহ অর্থ সংক্রামত্ম সরকারি সব ধরনের কর্মকান্ড থেকে মসিউরকে বাদ দেয়া হয়েছে।

এর এক মাসের মাথায় ১ নভেম্বর কাজে যোগ দিয়ে মসিউর জানান, এক মাসের ছুটি শেষে কাজে ফিরেছেন তিনি।

শনিবার তিনি বলেন, ‘‘আমি ছুটি শেষে কাজ যোগ দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে যে সিদ্ধান্ত নিতে বলবেন  সেই মোতাবেক কাজ করব।’’

তবে মসিউরের এক মাস ছুটিতে থাকা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই স্পষ্ট কোনো বক্তব্য আসেনি। তাকে এক মাসের ছুটিতে পাঠানো হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে যে কথা বলা হয়েছিল, সরকারের পক্ষ থেকে তাও স্বীকার করা হয়নি।

আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই

আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই 

 আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা থেকে নির্বাচিত এমপি আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু আর নেই (ইন্না লিল্লাহি...রাজেউন)। রোববার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভুগছিলেন ৭১ বছর বয়সী মুক্তিযোদ্ধা আক্তারুজ্জামান বাবু। 
 
সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রায় এক মাস ধরে। চট্টগ্রাম থেকে চার বার এমপি নির্বাচিত আক্তারুজ্জামান বাবু পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের একজন নেতৃস্থানীয় শিল্পউদ্যোক্তা। আরামিট গ্রুপ ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের  চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

তার ব্যক্তিগত সহকারি বোরহানউদ্দিন মুরাদ জানান, আক্তারুজ্জামান চৌধুরী বাবু স্ত্রী, তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন। পরিবারের সদস্যদের প্রায় সবাই এখন সিঙ্গাপুরে। তারাই ঠিক করবেন, কবে কীভাবে মরদেহ দেশে আনা হবে। এই প্রবীণ নেতার মৃত্যুর খবর পৌঁছালে সকালে চট্টগ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। ১৯৭৭ সাল থেকেই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তিনি। নেতাকর্মীদের অনেকেই বলেছেন, রাজনীতিতে আক্তারুজ্জামান বাবু ছিলেন তাদের অভিভাবকের মতো।

জেলহত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ ডিসেম্বর

জেলহত্যা মামলার আপিল শুনানি ১১ ডিসেম্বর
 জেল খানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল শুনানির জন্য ১১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছে আপিল বিভাগ।
 
রোববার প্রধান বিচারপতি মো. মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ শুনানির এই দিন ধার্য করেন।
 
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রাষ্ট্রপক্ষে শুনানির দিন ধার্য করতে আদালতে আবেদন করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
পরে আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, আপিল বিভাগ এই মামলার চূড়ান্ত শুনানির জন্য আগামী ১১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছে। আশা করি, ওইদিন আমরা শুনানি করতে পারবো।
 
গত ৩১ অক্টোবর ২৫ পৃষ্ঠার সারসংক্ষেপ প্রস্তুত করে এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেন আইনজীবী আনিসুল হক।
 
এরপর ১ নভেম্বর এটর্নি জেনারেলের পক্ষে অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড সুফিয়া খাতুন সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ সারসংক্ষেপ জমা দেন।
 
উল্লেখ্য ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে জেল হত্যা মামলার কার্যক্রম শুরু করে। এরপর বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে অর্থাৎ ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করেন। আদালত তার রায়ে ২০ আসামির মধ্যে ১৫ সাবেক সেনা কর্মকর্তার শাস্তি এবং অপর ৫ জনকে খালাস দেয়। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে পলাতক তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ১২ জনের যাবজ্জীবন দেয়া হয়।
 
আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন রিসালদার মোসলেম উদ্দিন ওরফে হিরন খান, দফাদার মারফত আলী শাহ এবং এলডি দফাদার মোঃ আবুল হাসেম মৃধা।
 
অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হচ্ছেন কর্নেল (অব.) সৈয়দ ফারুক রহমান, কর্নেল (অব.) সৈয়দ শাহরিয়ার রশীদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা, লে. কর্নেল খনদকার আবদুর রশীদ, লে. কর্নেল (অব.) শরিফুল হক ডালিম, লে. কর্নেল (অব.) এমএইচএমবি নূর চৌধুরী, লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ, লে. কর্নেল (অব.) এএম রাশেদ চৌধুরী, মেজর (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) আহাম্মদ শরিফুল হোসেন, ক্যাপ্টেন (অব.) আবদুল মাজেদ, ক্যাপ্টেন (অব্যাহতিপ্রাপ্ত) মোঃ কিসমত হোসেন এবং ক্যাপ্টেন (অব.) নাজমুল হোসেন আনসার।
 
বিএনপি নেতা মরহুম কেএম ওবায়দুর রহমান, জাতীয় পার্টি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, নূরুল ইসলাম মঞ্জুর এবং মেজর (অব.) খায়রুজ্জামানকে বেকুসুর খালাস দেয়া হয়।
 
তবে গত বছরের ২৮ আগস্ট হাইকোর্ট রিসালদার মোসলেমউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে দফাদার মারফত আলী শাহ ও এলডি দফাদার মোঃ আবুল হাসেম মৃধা এবং যাজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত অপর চারজন লে. কর্নেল, সৈয়দ ফারুক রহমান, কর্নেল (অব.) সৈয়দ শাহরিয়ার রশীদ, মেজর (অব.) বজলুল হুদা ও লে. কর্নেল (অব.) একেএম মহিউদ্দিন আহমেদকে মামলা থেকে খালাস দেয় আদালত।
যদিও জেল হত্যা মামলায় হাইকোর্টে অব্যাহতি পাওয়া চারজন সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা ও এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদের ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।
 
হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আপিলের আবেদন (লিভ টু আপিল) করে সরকার।

Sunday, November 4, 2012

এবার প্রেমিকাকে দিয়ে সাংবাদিককে শায়েস্তার হুমকি এসআই লতিফের

এবার প্রেমিকাকে দিয়ে সাংবাদিককে শায়েস্তার হুমকি এসআই লতিফের

  পরকীয়ায় লিপ্ত ভাষানটেক থানার এসআই আব্দুল লতিফ এবার তার প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে সাংবাদিকের নামে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন।

শুক্রবার নয়া দিগন্ত পত্রিকার অপরাধ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু সালেহ আকনকে এ হুমকি দেন তিনি। এসআই লাতিফ মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ গ্রেফতার পরে চাকরি চলে যাওয়া এবং ওপর মহল ম্যানেজ করে চাকরি ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সাংবাদিক সালেহ আকন তথ্য জানতে চাইলে তাকে এ হুমকি দেয়া হয়।

সাংবাদিক আবু সালেহ আকন জানান, এসআই আব্দুল লতিফের কাছে উল্লিখিত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি লাভলিকে দিয়ে নারি নির্যাতন মামলার হুমকি দেন। এসময় এসআই বলেন, ‘‘চাকরি গিয়েছিল আবার ফিরে পেয়েছি। আইজিপিও আমার কিছু করতে পারবে না। আমার কিছু করার ক্ষমতা কারো নেই।’’

জানা যায় এসআই লতিফের প্রেমিকা লাভলিকে দিয়ে তার প্রাক্তন স্বামী আমানুর রহমান ও স্বজনদের নামে একের পর এক মামলা দিচ্ছেন। প্রত্যেক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থাকছেন লতিফ। এমনকি তিনি যখন যে থানায় বদলি হচ্ছেন সেখানেই মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

মিরপুর মডেল থানা ও ভাষানটেক থানা সূত্রে জানা যায়,  আমানুর রহমানের সঙ্গে মনোয়ারা বেগম লাভলীর ২০০৬ সালে বিয়ে হয়। তারা মিরপুর মডেল থানা এলাকার কল্যাণপুরে থাকতেন। এর মধ্যে লাভলীর সঙ্গে এসআই লতিফ পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন। এর জের ধরে  চলতি বছরের মে মাসে স্বামীর সঙ্গে লাভলির ডিভোর্স হয়। এর পর আমানুরের পরিবার ও তার নামে দুটি মামলা করেন লাভলী।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসাই লতিফ। প্রায় দুইমাস আগে এসআই লতিফ ভাষানটেক থানায় বদলি হন। সেখানে ১৫ অক্টবর আমানুর ও তার স্বজনদের নামে মামলা দায়ের করেন লাভলি। এ মামলারও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই লতিফ।

এ ব্যপারে এসআই লতিফ জানান, পরকীয়ার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত করে দেখছি। আপনি যে থানায় বদলি হচ্ছেন সে থানয় মামলা হওয়া এবং এসব মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও আপনি থাকার কারন কী- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো উত্তর দেননি।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে আরো জানা যায়, লাভলি কুসঙ্গে মিশে ও প্রেমিক পুলিশ অফিসারের সহায়তায় মাদক সেবন ও ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। তার পিতা আব্দুর রউফ মেয়েকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে না পেরে ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুর মডেল থানায় মেয়ের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

আরো জানা যায়, এসআই আব্দুল লতিফ এর আগে মোহাম্মদপুর থানায় থাকাকালে ঘুষের টাকাসহ হাতেনাতে ধরা পরেন। তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে ওপর মহলকে ম্যনেজ করে আবার চাকরিতে যোগদেন তিনি।

রোকেয়া হলের সামনে নবজাতকের লাশ

রোকেয়া হলের সামনে নবজাতকের লাশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের সামনে অবস্থিত পিয়ারু ফটোশপ নামে দোকানের সামনে থেকে নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে শাহবাগ থানা পুলিশ।
শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোবাইল টিম খবর পায়। শাহাবাগ থানা পুলিশ নবজাতকটিকে উদ্ধার করে।
প্রক্টর সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রোকেয়া হলের সামনের পিয়ারু ফটোশপের সামনে নবজাতককে কে বা কারা ফেলে রেখে যায়।
প্রক্টর বলেন, এটি বাইরে থেকে কে বা কারা ফেলে রেখে গেছে।
শাহাবাগ থানার কর্বত্যরত কর্মকর্তা (ওসি) নবজাতকটিকে উদ্ধারের কথা স্বীকার বলেন, নবজাতকটির বয়স ১-২ দিন হবে।