Pages

Sunday, November 11, 2012

গোপালগঞ্জের পরিচয়ে রাজধানীতে জমি দখলের চেষ্টা, আহত ৭



রাজধানীর মিরপুরের রুপনগর এলাকায় গেপালগঞ্জের লোক পরিচয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে দূর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় সাত জন আহতের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০ টার দিকে রুপনগর আবাসিক এলাকার ২৩ নম্বর সড়কের ২৭ নম্বর প্লটে এ ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষদর্শী ও রুপনগর থানা সূত্র জানায়, রুপনগর আবাসিক এলাকার ২৭ নম্বর প্লটের ভবন নির্মানের জন্য কাজ শুরু করেন মসিউর রহমান। তাদের কাছে গোপালগঞ্জের লোক পরিচয়ে বুলবুল নামের একজন সাত লাখ টাকা চাদা দাবি করেন। তাদের দাবি অনুযাই টাকা না দেয়ায় সকাল ১০ টার দিকে বুলবুল, রাজু, জুয়েল, রানা, জববার, আরমান, সাঈদসহ স্থানীয় চিহ্নিত ৪৫-৫০ জন সন্ত্রাসী জমি দখল করার চেষ্টা চালায়।

এ সময় ওই জমির রক্ষনাবেক্ষনের দ্বায়িত্বে থাকা আবু সাইদ, ফারুক, মোহাম্মদ আলী ও খোকনসহ সাত জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

খবর পেয়ে রুপনগর থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে আসে। তবে অজ্ঞাত কারনে পুলিশ নিষ্কৃয় ভুমিকা পালন করে। সন্ত্রাসীরা নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত প্রায় আড়াই টন লোহার রডসহ অন্য মালামাল লুট করে।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রপলিটন পুলিশের মিরপুর অঞ্চলের উপ-পুলিশ কমিশনার ইমতিয়াজ আহমেদ ঘটনার সত্যতার কথা স্বীকার করে বলেন, “খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে রুপনগর থানা পুলিশ গিয়েছে। ভিকটিমদের মামলা করার জন্য বলা হয়েছে।”

শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ গণতন্ত্রের শহীদকে


দেশের গণতন্ত্র অব্যাহত ও গণতন্ত্র বিরোধীদের রুখে দেয়ার অঙ্গিকারে শ্রদ্ধা-ভালোবাসার মধ্যে দিয়ে পালিত হচ্ছে শহীদ নূর হোসেন দিবস। শনিবার সকালে রাজধানীর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে শহীদ নূর হোসেন চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ঢাকা অবরোধ কর্মসূচিতে রাজধানীর ‘জিরো পয়েন্টে’ পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের কর্মী নূর হোসেন। সেদিন তার বুকে লেখা ছিল ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ পিঠে লেখা ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের নেতৃত্বে দলের পক্ষ থেকে নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন খসরু, উপ-দফতর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় নেতা ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি একেএম এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর নেতৃত্বে বিএনপির শীর্ষ নেতারা ছাড়াও সহযোগী সংগঠন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। জাসদের সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বে ফুল দেয় জাসদ।

ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিকের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

শহীদ নূর হোসেনের সংগঠন যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্র মৈত্রী, যুব মৈত্রী, জাতীয় শ্রমিক লীগ ছাড়াও আওয়ামী লীগ সমর্থিত বিভিন্ন সংগঠন, শহীদ নূর হোসেনের পরিবার, ও সামাজিক সংগঠন শহীদ নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর বলেন, ‘‘আওয়ামী লীগ সব সময় গণতন্ত্রের জন্য কাজ করে গেছে। বর্তমান সরকারের আমলে গণতন্ত্রের সুবাতাস বৈছে। গণতন্ত্র আজ প্রতিষ্ঠিত।’’ স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান সবসময় একই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘নূর হোসেন একটি জীবন্ত পোস্টার। তিনি যে কারণে জীবন দিয়ে গেছেন, তা আজও আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি।’’

Saturday, November 10, 2012

‘ঘরে বসে আয়’-এর নামে প্রতারণার ফাঁদ!



ঘরে বসে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে বিপুল পরিমাণ টাকা উপার্জনের স্বপ্ন দেখিয়েছিল ‘অ্যাফারি ট্র্যাক লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এতে সাড়া দেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা আমিরুল কবির। তাঁর দাবি, নিবন্ধন ফি হিসেবে তিনি সেখানে সাত লাখ টাকা দেন। কিছুদিনের মধ্যেই সব টাকা নিয়ে কার্যালয় বন্ধ করে দিয়ে পালিয়ে যান প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের চাকরিজীবী আমিরুল প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটু সচ্ছলতার আশায় জীবনের সঞ্চিত সব টাকা বিনিয়োগ করেছিলাম। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেছে।’
অ্যাফারি ট্র্যাকের মতো ডোলেন্সার, স্কাইল্যান্সার ও বিডিএস ক্লিক নামের প্রতিষ্ঠানগুলোতে সদস্য হয়ে এখন অনেকই হতাশ।
২০ জনের মতো সদস্য প্রথম আলোর কাছে অভিযোগ করেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকটি যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয় থেকে নিবন্ধন নিয়েছে। ঢাকা সিটি করপোরেশনের রাজস্ব বিভাগ থেকে নিয়েছে ‘ট্রেড লাইসেন্স’। ‘সরকারি অনুমোদন’ হিসেবে দেখিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
জানতে চাইলে যৌথ মূলধনি কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়ের নিবন্ধক বিজন কুমার বৈশ্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠান আবেদন করলে তা নিবন্ধন করতে আমরা আইনগতভাবে বাধ্য। যদি কেউ প্রতারণার আশ্রয় নেয়, তাহলে তা বাতিল করার এখতিয়ার আমাদের নেই।’
ঢাকা সিটি করপোরেশনের (দক্ষিণ) প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান বলেন, লাখ লাখ ট্রেড লাইসেন্সধারীর মধ্যে কে শর্ত অনুযায়ী ব্যবসা করছে, তা তদারক করা কঠিন।
অ্যাফারি ট্র্যাকের কয়েকজন সদস্য জানান, গত জানুয়ারিতে রাজধানীর পান্থপথে একটি ভবনের কার্যালয়ে ‘অ্যাফারি ট্র্যাক লিমিটেডের’ কার্যক্রম শুরু হয়। বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটি বহুধাপ বিপণন পদ্ধতিতে (এমএলএম) আউটসোর্সিংয়ের কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানে একটি নিবন্ধনের মাধ্যমে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে মাসে আয় করা যাবে প্রায় দুই হাজার টাকা। একজন একাধিক নিবন্ধন করতে পারবেন। প্রতি নিবন্ধনের ফি আট হাজার টাকা। প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৫ হাজার নিবন্ধন হয়। প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে গিয়ে টাকা দিয়ে নিবন্ধন করেন অনেকেই। কথা ছিল, প্রতি মাসের অর্জিত টাকা কার্যালয় থেকে দেওয়া হবে। কিন্তু গত জুনে কার্যালয় বন্ধ করে পালিয়ে যান কর্মকর্তারা।
সম্প্রতি রাজধানীর পান্থপথে অ্যাফারি ট্র্যাকের কার্যালয়ে গিয়েও তা বন্ধ পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন জানান, তিন-চার মাস আগে কার্যালয়টি বন্ধ করে কর্মকর্তারা চলে গেছেন। এ ব্যাপারে জানতে যোগাযোগ করা হলে অ্যাফারি ট্র্যাকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইশরাক কবীরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
ভাঙচুর, বিক্ষোভ, মামলা: ইতিমধ্যে ডোলেন্সার, স্কাইল্যান্সার ও বিডিএস ক্লিক নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন সদস্যরা। সদস্যদের অভিযোগ ও মামলার বিবরণ অনুযায়ী, এ প্রতিষ্ঠান তিনটির কর্মকর্তারা প্রায় ৯০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারণার অভিযোগে সম্প্রতি কলাবাগানে স্কাইল্যান্সারের কার্যালয়ে ভাঙচুরও করেছেন সদস্যরা। পুলিশ প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। পরে জামিনে তাঁরা বের হন।
ডোলেন্সার ও বিডিএস ক্লিকের কার্যালয় ছিল ধানমন্ডিতে। ডোলেন্সারের স্বত্বাধিকারী রোকন ইউ আহমেদ টাকা হাতিয়ে নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেছেন বলে সদস্যদের অভিযোগ। এ অভিযোগে চলতি বছরের ২৩ জুলাই থেকে বেশ কয়েক দিন মিরপুরের মধ্য পীরেরবাগে রোকনের শ্বশুরবাড়িও ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন সদস্যরা। সদস্যরা মিরপুর ও ধানমন্ডি থানায় মামলাও করেছেন। একই অভিযোগে বিডিএস ক্লিকের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়। বিডিএসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার আহমেদসহ অন্য কর্মকর্তারা পলাতক।
ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ডোলেন্সার ও বিডিএস ক্লিকের কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
কলাবাগান থানার ওসি এনামুল হক বলেন, শিগগিরই ডোলেন্সারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হবে।
একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবদুল মোমিন বলেন, ‘পরিবার থেকে প্রায় এক লাখ টাকা নিয়ে স্কাইল্যান্সারের সদস্য হয়েছিলাম। এখন পরিবার থেকেও বেশ চাপে আছি।’
সৈয়দপুরের বাসিন্দা মোসাম্মৎ নাজনীন জানান, তাঁর আশ্বাসে প্রায় ৮০০ জন ডোলেন্সারের সদস্য হয়েছিলেন। বিনিয়োগ করা টাকা হারিয়ে একদিকে তিনি যেমন সর্বস্বান্ত, অন্যদিকে সদস্যদের হুমকির মুখে দিশেহারা।
প্রতারণার কৌশল: প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা সরকারি অনুমোদন দেখিয়ে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেন। বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, প্রচারপত্র বা পোস্টারের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের প্রচার চালান। আবার অনেক সময় কর্মকর্তারা নিজেরাই বিভিন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে সদস্য হতে উৎসাহিত করেন। তবে সিটি করপোরেশনের ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরন হিসেবে যা উল্লেখ করা হয়, তা বাস্তবে দেখা যায় না।
অ্যাফারি ট্র্যাকের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্সে ব্যবসার ধরনে সফটওয়্যার আমদানি, রপ্তানি ও সরবরাহকারীর কথা উল্লেখ আছে। কিন্তু কর্মকর্তারা তা না করে বরং আউটসোর্সিংয়ের নামে এমএলএম ব্যবসা শুরু করেন। অন্য অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে একই চিত্র দেখা যায়।
সতর্কতা: অনলাইন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশে অনলাইন আউটসোর্সিং ও এমএলএম নিয়ে কোনো নীতিমালা না থাকায় অনেকেই সহজে প্রতারণার আশ্রয় নিতে পারছেন।
ফ্রিল্যান্সার রাসেল আহমেদ বলেন, আউটসোর্সিং হচ্ছে বাইরের কোনো দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ করে দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা। এ কাজ হতে পারে ওয়েবসাইট উন্নয়ন, গ্রাফিকস ডিজাইন প্রভৃতি। এ ক্ষেত্রে কাউকে অগ্রিম টাকা দিতে হয় না।
ফ্রিল্যান্সার জাকারিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে আউটসোর্সিংয়ের ধারণাটি এতটা স্পষ্ট নয়। আবার অনেকেরই ইন্টারনেট সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা নেই। ফলে অনেকেই না বুঝেই প্রতারিত হচ্ছেন।’

৭৫০ কোটি রুপির নবাব?



চোখ কপালে উঠে যাওয়ারই কথা। ছোটে নবাব সাইফ আলী খান উত্তরাধিকার সূত্রেই নাকি পাচ্ছেন ৭৫০ কোটি রুপির সম্পত্তি। আর তাঁর নিজের আয়ের কথা তো বাদই গেল। ‘সাইফের বাবা পতৌদির নবাব মনসুর আলী খান রেখে গেছেন প্রচুর সম্পত্তি।’ জানিয়েছে এক সূত্র।
বোন সোহা আর সবার সঙ্গে ভাগ করে নিয়েও সাইফের থাকবে অনেক কিছুই। এর মধ্যে আছে বিশাল একটি বাড়ি। সাইফকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, ‘আমার মনে হয় না এই সম্পত্তির এত দাম হবে। সঠিক অঙ্কটা আমি জানি না। তবে শুনে তো বেশিই মনে হচ্ছে। তা পূর্বপুরুষের সম্পত্তি। দামাদামির ঊর্ধ্বে এসব।’
আসল দাম যা-ই হোক। একদম পাক্কা নবাবই বলা যায় তা হলে সাইফকে। জি-নিউজ ব্যুরো।

উচ্চপ্রযুক্তির শৌচাগার!




মানুষের আদিমতম সমস্যাগুলোর মধ্যে শৌচাগার (টয়লেট) একটি। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, পৃথিবীর ২৫০ কোটি মানুষের কাছে এখনো পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা পৌঁছায়নি। এ সমস্যা সমাধানে এগিয়ে এসেছে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন। তাদের লক্ষ্য, মানুষের ঘরে ঘরে উচ্চপ্রযুক্তির এমন শৌচাগার গড়ে তোলা, যা হবে পরিবেশবান্ধব। এতে পরিবেশ দূষিত তো হবেই না, বরং বর্জ্য থেকে পাওয়া গ্যাস অন্য কাজেও ব্যবহার করা যাবে।
সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা না থাকায় যে ধরনের রোগব্যাধি ছড়ায়, তাতে প্রতিবছর ১৫ লাখ শিশুর মৃত্যু ঘটে। এর সঠিক সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন। পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়টি কেবল মানবিক কাজ নয়, বরং এতে আছে ব্যবসার অনেক সুযোগ।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনে উন্নত পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে ৬৬০ কোটি ডলার বাঁচানো যাবে। এতে প্রতি ডলার ব্যয়ে নয়গুণ পর্যন্ত আর্থিক উন্নতি ঘটে। স্বাস্থ্যের উন্নতি হলে উত্পাদনের ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে।
শৌচাগারে পানির ব্যবহারের ইতিহাস অনেক পুরোনো। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীর ইন্দুস ভ্যালি সভ্যতায় এর প্রমাণ পেয়েছেন প্রত্নতাত্ত্বিকেরা। বর্তমান সভ্যতায় শৌচাগারে ফ্ল্যাশ পদ্ধতিতে প্রচুর পানি খরচ হয়, যা মানুষের প্রতিদিনের পানির চাহিদার ১০ গুণ পর্যন্ত হতে পারে। দরিদ্র ও পানির সুবিধাবঞ্চিত দেশগুলোর জন্য এটি মোটেও সুখকর নয়। গুরুত্বপূর্ণ অথচ আকর্ষণহীন এই বিষয়টির সমাধান করতে এগিয়ে এসেছেন বিশ্বের অন্যতম বিজ্ঞানীরা। তাঁরা প্রযুক্তিজ্ঞান ও উদ্ভাবন দিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
২০১১ সালে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে টয়লেটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, টেকসই ও কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য ‘রিইনভেন্ট দ্য টয়লেট চ্যালেঞ্জ’ নামে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এ প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত উদ্ভাবকদের ৩২ লাখ ডলার পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। প্রতিযোগিতার শর্ত ছিল বেশ কঠিন। প্রতিযোগিতায় এমন শৌচাগারের নকশা করতে বলা হয়, যার পরিবেশ হতে হবে জীবাণুমুক্ত, টয়লেট হতে হবে টেকসই, টয়লেট তৈরিতে খরচ হতে হবে কম। পানি, বিদ্যুত্ বা পয়োনিষ্কাশনের সুবিধার আওতার বাইরে থেকে কাজ চালানোর মতো হতে হবে এই শৌচাগারের নকশা।
চলতি বছরের আগস্ট মাসে বিল গেটসের কাছ থেকে শৌচাগারের নকশা করে প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ মার্কিন ডলার পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষক মাইকেল হফম্যান। তাঁর গবেষক দলটি সৌরশক্তিনির্ভর টয়লেটের নকশা করেছে। এ টয়লেটে ব্যবহূত হবে ইলেকট্রোকেমিক্যাল রিঅ্যাক্টর, যা বর্জ্যকে সার ও হাইড্রোজেন গ্যাসে রূপান্তরিত করতে সক্ষম। পরবর্তী সময় বৈদ্যুতিক জ্বালানি হিসেবে পুনরায় ব্যবহার করা যাবে হাইড্রোজেন গ্যাসকে। টয়লেটে ব্যবহূত পানি পরিশোধন প্রক্রিয়ায় আবারও ফ্ল্যাশ হিসেবে বা জমিতে সেচ দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা যাবে। সৌরশক্তির ব্যবহারে টয়লেটে বাতি জ্বলবে এবং সৌরশক্তি ব্যাটারিতে ধরে রাখা যাবে, যা দিনরাত কাজ করবে।
বিল গেটস ফাউন্ডেশনের কাছ থেকে ৬০ হাজার মার্কিন ডলারের দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছেন যুক্তরাজ্যের লাফবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। তাঁরা মানববর্জ্য ব্যবহার করে জ্বালানি কয়লা, পুষ্টিকর পানি তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। তাঁদের উদ্ভাবিত প্রক্রিয়াটি উচ্চচাপে রান্না করার মতো একটি পদ্ধতি, যার নাম ‘কন্টিনিউয়াস হাইড্রোথার্মাল কার্বনাইজেশন’।
শৌচাগারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যুক্ত করার ক্ষেত্রে যে খরচ, তা কি উন্নয়নশীল দেশগুলোর সীমিত আয়ের মানুষের পক্ষে বহন করা সম্ভব? গবেষকেরা জানিয়েছেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যায়ে এখন খরচ অনেক বেশি হলেও পরে খুব অল্প খরচেই এ ধরনের শৌচাগার বসানো যাবে।
লাফবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সোহায়িল খান জানিয়েছেন, পয়োনিষ্কাশনের সুবিধা বাস্তবায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ব্যবসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিল গেটস এ প্রসঙ্গে বলেন, মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ ও শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে উন্নত প্রযুক্তির পয়োনিষ্কাশনের ব্যবস্থা উদ্ভাবন করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

ক্রেডিট কার্ডে কি-বোর্ড, ডিসপ্লে!


এলসিডি ডিসপ্লে ও কি-বোর্ডযুক্ত ক্রেডিট কার্ড তৈরি করছে মাস্টারকার্ড। আগামী বছরের জানুয়ারি মাস থেকে সিঙ্গাপুরে এ কার্ডের ব্যবহার শুরু হবে। পরে অন্যান্য দেশেও আসবে অনলাইনে যোগাযোগ প্রযুক্তি সুবিধার এ কার্ড। খবর বিবিসির।
মাস্টারকার্ডের এ ক্রেডিট কার্ডে রয়েছে টাচ প্রযুক্তির বোতাম, যার মাধ্যমে প্রতিবার আলাদা আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি করা সম্ভব। এ কার্ড ব্যবহারে অনলাইন ব্যাংকিং সহজ হবে। ভবিষ্যতে কার্ডের ডিসপ্লে ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টের তথ্য জানা সম্ভব হবে।
অনলাইন ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে যাবতীয় সমস্যা দূর করতেই এ ক্রেডিট কার্ড তৈরির পরিকল্পনা করেছে মাস্টারকার্ড। এ পদ্ধতিটি প্রচলিত ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ডের চেয়ে বেশি নিরাপদ হবে। মাস্টারকার্ড ছাড়াও একই ধরনের কার্ড তৈরিতে কাজ করছে ভিসা।
এদিকে, স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তির স্মার্টফোন বাজারে এনে তা ক্রেডিট কার্ডের বিকল্প তৈরি করতে আগ্রহী।

সিলেটে গৃহবন্দী চিকিৎসককে উদ্ধার - প্রথম আলো

সিলেটে গৃহবন্দী চিকিৎসককে উদ্ধার - প্রথম আলো

 

আজ শুক্রবার পুলিশ এক ‘গৃহবন্দী’ নারী চিকিৎসককে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছে। ওই চিকিৎসক অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী তাঁকে ঘরে তালাবদ্ধ করে বাইরে পাহারাদার রেখে এক মাস আগে হজে গেছেন। সিলেট নগরের মীরের ময়দান এলাকার কেওয়াপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের তিলপাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক নন্দিতা সিনহা আহমেদ ১৯৮৬ সালে ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ে করেন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হূদরোগ বিশেষজ্ঞ জুলফিকার আহমেদকে। তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। নন্দিতা সিলেটের বেসরকারি হাসপাতাল জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক। নগরের মীরের ময়দান এলাকার কেওয়াপাড়ার নাবিদ ভিলার (পড়শী-২০৯) দ্বিতীয় তলায় তাঁরা থাকতেন।
নন্দিতার ভাই বিজিত সিনহা সিলেট কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন, তাঁর বোনকে নিজ বাড়িতে বন্দী করে রেখে ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে। যেকোনো সময় তিনি মারা যেতে পারেন। এ অভিযোগ পেয়ে বেলা তিনটায় সিলেট কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ মো. মুবাশ্বিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ কেওয়াপাড়ায় ওই বাসায় গেলে তালাবদ্ধ ফটকে নিয়োজিত পাহারাদার বাধা দেন। এ সময় দোতলা থেকে নন্দিতা নিজের পরিচয় দিয়ে তাঁর বন্দী থাকার বিষয়টি পুলিশকে জানান। তাঁকে অনবরত ঘুমের ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে বলে চিৎকার করে বাবার বাড়ি যাওয়ার আকুতি জানান। এ সময় পুলিশ চিকিৎসক জুলফিকারের আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পুলিশের ভাষ্য, আত্মীয়রা এ ব্যাপারে কোনো সহায়তা করতে রাজি হননি। পরে পুলিশ স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল খালিককে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। কাউন্সিলরের মধ্যস্থতায় বিকেল সাড়ে চারটায় নন্দিতাকে ঘরের তালা খুলে মুক্ত করা হয়।
চিকিৎসক নন্দিতা অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী সম্প্রতি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ বিয়ের প্রতিবাদ জানানোয় তাঁকে প্রায় ছয় মাস ধরে মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে।
নন্দিতা প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, বাসার মূল ফটক ও সিঁড়ির ফটকে দুটো তালা দিয়ে শোবার ঘরের দরজায়ও আরেকটি তালা মেরে রাখা ছিল। খাবার দেওয়ার সময় ফটকে নিয়োজিত দুজন পাহারাদার সঙ্গে নিয়ে তাঁর স্বামীর আত্মীয়রা ঘরে ঢুকতেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি জানালা দিয়ে প্রতিবেশী একজনকে তাঁর ভাইয়ের নাম-ঠিকানা দিলে তিন ভাই পুলিশকে নিয়ে বাসায় আসেন। নন্দিতা বলেন, ‘আমি একজন চিকিৎসক। আমার স্বামী আমাকে পরিকল্পিতভাবে মানসিক রোগী বানানোর চেষ্টা করছেন। অযথা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমাকে এক ধরনের ঘোরের মধ্যে রাখা হয়েছিল।’
চিকিৎসক জুলফিকারের ভগ্নিপতি পরিচয়দানকারী আ ন ম জাকির সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জানি না কেন বন্দী করে রাখা হয়েছে। তবে কোনো কারণ নিশ্চয় আছে। না হলে চিকিৎসক দম্পতির ক্ষেত্রে এ ঘটনা ঘটত না।’ জাকির অবশ্য স্বীকার করেন, জুলফিকার হজে গেছেন এবং দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।
ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল খালিক বলেন, ‘দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে ওই পরিবারে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বের বিষয়টি জানি। নন্দিতা আমার কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, তাঁর স্বামী তাঁকে প্রায়ই ঘুমের ওষুধ খাইয়ে নির্যাতন করেন। হজে যাওয়ার আগে এভাবে স্ত্রীকে বাসায় বন্দী করে যাওয়াটা আসলেই একটি অমানবিক ঘটনা।’
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ মো. মুবাশ্বির প্রথম আলোকে জানান, বাসায় থাকা নন্দিতার ছেলেমেয়ের ব্যাপারে তাঁর স্বামী এলে সিদ্ধান্ত হবে। এ ব্যাপারে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তাঁরা (নন্দিতার বাবার পরিবার) চাইলে যেকোনো আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

এখন থেকে পুলিশ আর নীরব থাকবে না

এখন থেকে পুলিশ আর নীরব থাকবে না

 



পুলিশ কয়েক দিন ধরে চরম ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিয়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, পুলিশ আর নীরব থাকবে না।
সারা দেশে যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আজ শুক্রবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে যুবলীগ এ সমাবেশের আয়োজন করে।
সমাবেশের প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যারা দেশের সাধারণ মানুষের ওপর সন্ত্রাস চালাচ্ছে, পুলিশের ওপর হামলা করছে, তাদের দেশের আইন অনুযায়ী দমন করতে হবে।
সাম্প্রদায়িক কোনো শক্তি যেন দেশে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য দেশবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এই সদস্য বলেন, জামায়াত-শিবির বা সাম্প্রদায়িক শক্তির কাউকে দেখলে তাদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করবেন।
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্যই বিএনপি পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও ধ্বংসাত্মক রাজনীতির মদদ দিচ্ছে। সময় এসেছে তাদের রুখে দাঁড়ানোর।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি বলেন, একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলা হচ্ছে, সাংবাদিক মারা যাচ্ছেন কিন্তু পুলিশের ভূমিকা জনগণের কাছে স্পষ্ট নয়। পুলিশের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বাবর বাহিনী কি আবার সক্রিয় হতে শুরু করেছে? সবাইকে এসব ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, সাম্প্রদায়িক শক্তির কোনো স্থান নেই বাংলাদেশে। আর তাই দেশে কোনো অরাজক পরিস্থিতি হলে কঠোর হাতে দমন করতে হবে।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশ
বিকেলে ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সমাবেশেও একই কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, জামায়াত-শিবির নামধারী দুর্বৃত্তদের যেখানে দেখা যাবে, সেখানেই তাদের পাকড়াও করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করুন। প্রতিটি জেলা, থানা, পাড়া ও মহল্লায় ওদের খুঁজে বের করুন।
রাজধানীর রাসেল স্কয়ারে ওই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উত্তরের সভাপতি মোবাশ্বের চৌধুরী। বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আবু কাওছার, সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ প্রমুখ। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল রাসেল স্কয়ার থেকে শুরু করে সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছাড়াও জামায়াত-শিবিরের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মহিলা আওয়ামী লীগ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে।

টেস্টে বাংলাদেশের একযুগ পূর্ণ হবে কাল


২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে ঐতিহাসিক একটি দিন। সে দিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল নেমে ছিল অভিষেক টেস্ট খেলতে। প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। কালও ১০ নভেম্বর, তবে সালটা ২০১২।
টেস্ট ক্রিকেটে দীর্ঘ এক যুগ পূর্ণ হবে কাল। এই সময়ে বাংলাদেশ খেলেছে ৭৩টি টেস্ট ম্যাচ। তাতে জয় ৩টি, হার ৬৩টি আর ড্র হয়েছে ৭টি। ২০১১ সালে খেলা শেষ টেস্টে ছিল প্রতিপক্ষ পাকিস্তান। এক যুগ পার করে ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ খেলতে ৭৪ম টেস্ট
ম্যাচ। তাতে প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সেদিনের সেই বাংলাদেশ আর এই বাংলাদেশ পার্থক্য অনেক। এখনকার দলে আছেন তামিম, সাকিব, মুশফিকরা। আর সেদিন বাংলাদেশ দলের তারকা ছিলেন আকরাম খান, হাবিবুল বাশার। আর নাইমুর রহমান ছিলেন অধিনায়ক। ২০০০ সালের সে দলের
সদস্য আকরাম খান আর হাবিবুল বাশার এখন জাতীয় ক্রিকেট দলের নির্বাচক পদে আসীন। তবে নাইমুর রহমান অতিতে নির্বাচক পদে থাকলেও ক্রিকেট থেকে এখন নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তাই এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে তাদের স্মরণ করা হবে এটাই তো
স্বাভাবিক নিয়ম।

সেদিন ছিল ক্রিকেটার আর আজ নির্বাচক, তাই তাদের স্মৃতিচারণই আজকের ক্রিকেটের সোনালী ভবিষ্যত। ২০০০ সালে অভিষেক টেস্টের স্মৃতিচারণ করতে বলা হলে প্রধান নির্বাচক আকরাম খান বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘তখন ছিলাম ক্রিকেটার আর এখন জাতীয় দলের নির্বাচক। মাঝে অনেকটা সময় পার হয়ে গেছে। আমার কাছে তো মনে হয় এই তো সেদিনের কথা। যখন ভাবি এদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অভিষেক দিনে আমি ছিলাম তখন অন্যরকম একটি অনুভূতি হয়। সেটা বলে বোঝানো যাবে না। ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামছি সে মুহুর্তের কথা কোনো দিন ভুলে যাবার নয়। সেদিনের অভিষেক টেস্টের ভিত্তি থেকেই তো আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেট। দেশের হয়ে প্রথম বার বিশ্বকাপে অংশ নেয়া আর প্রথম টেস্টের সদস্য হওয়া
এটা যে জীবনে কত বড় অর্জন তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ভাবি সেদিন গুলো ছিল আমার ক্যারিয়ারের সোনালী অধ্যায়।’

২০০০ সালে অভিষেক টেস্টের আরেক সদস্য আর বর্তমান নির্বাচক হাবিবুল বাশার স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রথম টেস্ট তো অবশ্যই অন্যরকম। পৃথিবীতে মানুষের কাছে জীবনের প্রথম সব কিছুতেই অন্যরকম একটি বিষয় থাকে। তাই অভিষেক টেস্টে আর আমার প্রথম টেস্টর এক হওয়াতে এর স্বাদ অন্যরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। আর আমি তো অভিষেক টেস্টে তো অনেক যুদ্ধ করে দলে এসেছি। তাই অভিষেক টেস্ট-এর অভিজ্ঞতা আমার কাছে অনেক বড় বিষয়। আমার ক্রিকেট ক্যারিয়ারে স্মরণীয় দিন।’

যতটা এগোনোর কথা ছিল ততটা সম্ভব হয়নি-পাপন



১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ একযুগ পূর্তির পর টেস্ট খেলতে নামবে। আর কাল হচ্ছে সেই পূর্তির ১০ নভেমস্বর। ঠিক এর আগে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বললেন,‘টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে হলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হবে।

২০০০ সালে টেস্ট মর্যাদা পাওয়াকে বাংলাদেশের ক্রিকেটের বিশাল একটি বড় অর্জন স্বীকার করলেও তিনি মনে করেন বার বছরে (এক যুগে) যতটা এগোনোর কথা ছিল ততটা সম্ভব হয়নি। বিসিবি সভাপতি বলেন,‘সীমিত ওভারের ক্রিকেটের জন্য আমরা যতটা সুযোগ-সুবিধা দিতে পেরেছি টেস্ট ক্রিকেটের জন্য ততটা দিতে পারি নি। বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে এগোতে হলে আমাদের দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।

ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি বা টেস্ট যাই হোক না কেন আমাদের মূল ক্রিকেটার কিন্তু প্রায় একই। তাদের বিভিন্ন ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার জন্য প্রচুর খেলা প্রয়োজন। বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচ বাড়লে তাদের এই ফরম্যাটের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার আরো ভালো সুযোগ তৈরি হবে।’

বিসিবি টেস্ট ক্রিকেটে ভালো করতে বয়স ভিত্তিক দল থেকে বড় দৈর্ঘ্যের ম্যাচের সঙ্গে মানিয়ে নেয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সের ক্রিকেটারদের দুই দিনের ম্যাচ খেলে, অনূর্ধ্ব-১৭ থেকে ৩ দিনের ম্যাচ খেলতে পারে, চারদিনের জাতীয় ক্রিকেট লিগ রয়েছে, সামনে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক আরেকটি লিগ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে। এসবই টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের আসন দৃঢ় কববে বলে আমি আমাবাদী।’’

ইউনূস সম্পর্কে মুহিতের বক্তব্য ব্যক্তিগত: হানিফ



শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের করা মন্তব্য আওয়ামী লীগের বক্তব্য নয় বলে জানিয়েছেন দলটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।



ওই বক্তব্য অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত বক্তব্য জানিয়ে তিনি বলেছেন, ড. ইউনূস আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেভাবে সংযুক্ত আছেন, এতে তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভালো ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি যদি সেটা রাখেন, তাহলে বুঝব সত্যিকার অর্থেই তিনি দেশকে ভালোবাসেন।



শুক্রবার কুষ্টিয়ায় পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।



বৃহস্পতিবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশে এত উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু সেটা ইউনূসের কারণে বিশ্বের কোথাও প্রাধান্য পায় না।

শিবির ঠেকাতে রাজপথে একট্রা হচ্ছে সমমনা রাজনৈতিক দল



জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব ঠেকাতে রাজপথে একট্রা হচ্ছে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল, বামপন্থী প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল এবং স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি চিহ্ণিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবে।



আওয়ামী লীগ দলীয় সুত্র জানিয়েছে, স্বাধীনতা পক্ষের সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্রিত করে জোটের পরিধি বাড়ানো হতে পারে। জামায়াত-শিবিরকে এখনই প্রতিরোধ না করতে পারলে দেশের মধ্যে অরাজকতার সৃষ্টি হবে। পরে সামাল দেয়া সম্ভব নাও হতে পারেন ধারণা থেকে জোটের পরিধি বাড়ানো সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। আগামী ১৬ নভেম্বর এ বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।



অন্যদিকে দুই জোটের বাইরে থাকা বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আপাতত জোট গঠন না করলেও স্ব স্ব দলের পক্ষ থেকে জামায়াত-শিবির বিরোধী এবং দ্রুত যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করার অবস্থানে রাজপথে সহঅবস্থানে থাকবে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো।



মানবতাবিরোধী অপরাধে আটক জামায়াত নেতাদের মুক্তির দাবিতে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা এবং গত সোম ও মঙ্গলবার ঢাকাসহ সারাদেশে জামায়াত তাণ্ডব চালায়। জামায়াতের এ তাণ্ডব ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন ধারাবাহিক কর্মসূচি নিয়ে ইতোমধ্যে রাজপথে নেমেছে। দলটি ঘোষণা করেছে যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর‌্যন্ত তারা মাঠ ছাড়বে না। অন্যদিকে স্বাধীনতা বিরোধী ও দেশবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য জামায়াত-শিবিরকে ঠেকাতে স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তিকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আসুন স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হই। যুদ্ধাপরাধীর শেষ আমাদের শুরু।



আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন গুলোও ইতোমধ্যে আটঘাট বেধে নেমে পড়েছে জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব ঠেকাতে।



এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগরে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধে জামায়াত-শিবির যে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে তা প্রতিরোধে স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি একত্রিত হওয়া প্রয়োজন।”



জোটের বাইরে থাকা বামপন্থী দলগুলোকে একত্রিত করা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আগামী ১৬ নভেম্বর দলের কার‌্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।” তিনি জানান, আমরা সব সময়ই চাই স্বাধীনতা পক্ষের সকল শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশবিরোধী শক্তিকে মোকাবেলা এবং ‍যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করে অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে তুলি।



১৪ দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে এখনো আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো কথা হয়নি। তবে আওয়ামী লীগের বাইরে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, কমিউনিস্ট কেন্দ্র, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল,গণআজাদী লীগ আজ অথবা কাল আলাদা বৈঠক করবে বলে তাদের দলীয় সুত্র জানিয়েছে।এর বাইরে গণঐক্য, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(সিপিবি), বাসদ সহ স্বাধীনতা চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনৈতিক দল জামায়াত-শিবিরকে প্রতিহত এবং যুদ্ধাপরাধীর বিচার দ্রুত করার দাবিতে মাঠে নামার পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে।



সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জানান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যখন অগ্রসর হচ্ছে এবং ২-১ জন যুদ্ধাপরাধীর ব্যাপারে রায় ঘোষণার তারিখ যতোই নিকটবর্তী হচ্ছে, ততোই জামায়াত-শিবির মরিয়া হয়ে এ আক্রমণ শুরু করেছে। আমরা জামায়াত-শিবিরের রাষ্ট্রদ্রোহী এ হামলা কঠোর হাতে মোকাবিলার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানাচ্ছি।



বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক ও শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে জামায়াত-শিবির চক্র দেশকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এদের ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। কারণ তারা স্বাধীনতার চেতনা মুছে ফেলতে ষড়য্ন্ত্র করছে।”



ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান মল্লিক বলেন, “জামায়াত শিবিরের এই হামলার ঘটনা প্রমাণ করে এটা দেশের ভিতরে তাদের শক্তির মহড়া। এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে দেশের সকল অসম্প্রদায়িক শক্তিকে এক যোগে কাজ করতে হবে।”



গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “রাজপথে জামায়াত-শিবিরকে সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো একট্রা হয়ে প্রতিহত করা হবে।” আমাদের সব সময়ই আমাদের অবস্থান স্বাধীনতা বিরোধীদের বিপক্ষে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি দলের সাংসদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সরকারি দলের সাংসদের নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যাবসায়ী রিপন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে স্থানীয় সরকার দলীয় সাংসদ কায়সার হাসনাত আব্দুল্লার নাম ভাঙ্গিয়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। তারা নিহতের স্বজন ও মামলার বাদীদের হত্যা করার হুমকি দিচ্ছে। সরকার দলীয় পরিচয় দেয়ায় প্রশাসনের লোকজনও নিরব থাকছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, গত ৭ জুন সকালে ড্রেজার ব্যবসার কাজের জন্য চাঁদা না দেয়ায় কায়সার হাসনাত আব্দুল্লা’র বিশেষ লোক বলে পরিচয় দানকারী জাকির হোসেনসহ ১৫/২০ জন সন্ত্রাসী অস্ত্র দিয়ে ব্যাবসায়ী রিপনকে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহতের বাবা মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাফর আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলা করে। মামলায় হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়ে নিন্ম আদালতে উপস্থিত না হয়ে আসামিরা বাদীকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য প্রকাশ্যে বাদীর বাড়ির পাশে অস্ত্র মোহরা দিয়ে যাচ্ছে। আসামিদের হুমকিতে বাদী পরিবার আতঙ্কিত। এই অবস্থায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

এ প্রসঙ্গে মোবাইলে আলাপকালে সোনারগাঁ থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

‘অমীমাংসিত ইস্যুকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া উচিত’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানী খার সাক্ষাত করেছেন। এসময়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ডি-৮ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণপত্র দেন। শেখ হাসিনা তার এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বলে জানা যায়।



এর আগে দুপুরে তিনি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের এ বৈঠকে দীপু মনি একাত্তরের গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আবারো পাকিস্তানকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের অমীমাংসিত বিষয়গুলো সমাধানের জন্যও আলোচনা করেন। এসময় হিনা রাব্বানী বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কিছু অমীমাংসিত ইস্যু তো রয়েছেই। সেগুলোকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়া উচিত।



পাঁচ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত সফরে শুক্রবার ঢাকায় আসেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার। উন্নয়নশীল সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম আট দেশের জোট ডি-এইটের ইসলামাবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে তিনি ঢাকা এসেছেন।



আগামী ২২ নভেম্বর ইসলামাবাদে ডি-এইটভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সম্মেলন শুরুর কথা রয়েছে। সকাল সোয়া ১০টায় বিশেষ একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাকে অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র সচিব মোহাম্মদ মিজারুল কায়েস। বিকাল ৩টায় ঢাকা ছাড়ার আগে বিরোধীদলীয় নেতা খালেদার সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।




সচিব মিজারুল কায়েস বলেন, ‘একটা বিষয় আপনাদের সবাইকে মনে রাখতে হবে, এটি কোনো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নয়। ডি-৮-এর সম্মেলনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণপত্র দেয়ার জন্য হিনা রাব্বানি খার বাংলাদেশে এসেছেন। কাজেই দ্বিপক্ষীয় কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশ শুধু অমীমাংসিত বিষয়গুলো উত্থাপন করেছে। আমরা সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে চাই।


সকালে হিনা রাব্বানি খার প্রথমবারের মতো ঢাকায় আসেন। সকাল সোয়া ১০টার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির বিশেষ দূত হিসেবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে এক দিনের সফরে হিনা ঢাকায় এসেছেন।

Friday, November 9, 2012

ফেইসবুকারদের জন্য বিনা মূল্যে ইন্টারনেট



যুক্তরাষ্ট্রে কফির দোকানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিনা মূল্যে ওয়াইফাই বা তারহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পেতে যাচ্ছেন ফেইসবুক ব্যবহারকারীরা। এ জন্য কোনো পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হবে না। নিজেদের ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থাকলেই চলবে। নতুন এ সুবিধা চালুর জন্য ওয়াই-ফাই হট স্পট নামে নতুন সেবার পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও শুরু করেছে ফেইসবুক। জানিয়েছে, ডিসকভারি নিউজ। টম ওয়েডিংটন নামের এক সফটওয়্যার নির্মাতা এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।
ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ব্যবহারকারীদের দ্রুত ও সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ করে দিতে প্রাথমিকভাবে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদ্র পরিসরে ওয়াই-ফাই রাউটার স্থাপনের মাধ্যমে সেবাটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফেইসবুক রাউটার বসানো থাকবে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সরাসরি নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিষ্ঠানটির ফেইসবুক পেইজে প্রবেশ করতে পারবেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ফেইসবুক পেইজে ব্যবহারকারীরা কতগুলো লাইক দিয়েছে তা দেখতে পারবেন উক্ত প্রতিষ্ঠান বা দোকান কর্তৃপক্ষ।

পাকিস্তানকে ক্ষমা চাইতে বলবে বাংলাদেশ



মুক্তিযুদ্ধে চালানো গণহত্যার জন্য পাকিস্তানকে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাবে বাংলাদেশ। এ ছাড়া আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসনের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ২৮তম ব্যাচের পররাষ্ট্র বিভাগের কর্মকর্তাদের বিদায় অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীকাল শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খারের সঙ্গে অমীমাংসিত এসব বিষয় আলোচনায় আসবে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠেয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানাতে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানি খার আগামীকাল শুক্রবার ঢাকায় আসছেন। তিনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির বিশেষ দূত হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিমন্ত্রণপত্র হস্তান্তর করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অণু বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গতকাল বুধবার প্রথম আলো ডটকমের কাছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফর নিশ্চিত করেছেন।
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সফরের সময় পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকায় অবস্থানের ব্যাপ্তি হবে প্রায় ১২ ঘণ্টা। এ সময় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে নিমন্ত্রণপত্র দেওয়ার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে হিনা রাব্বানির।
এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরটি এখনো নিশ্চিত নয়। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী না গেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবেন। ১৯ থেকে ২২ নভেম্বর ইসলামাবাদে ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।
বর্তমান সরকারের আমলে হিনা রাব্বানির সফরটি হবে দুই দেশের মধ্যে মন্ত্রী পর্যায়ের উল্লেখযোগ্য সফর। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠকে বসলে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা ও সম্পদের হিস্যার মতো দুই দেশের অমীমাংসিত প্রসঙ্গগুলো আলোচনায় আসবে।

প্রথম টেস্টের জন্য আকরাম খানের বির্তকিত দল ঘোষণা

প্রথম টেস্টের জন্য আকরাম খানের বির্তকিত দল ঘোষণা

হোম সিরিজের আগে বাংলাদেশের তিন দিনের প্রস্ত্ততি ম্যাচটা হলো না। কাল থেকে দুই দিনের একটি প্রস্ত্ততি ম্যাচ বিকেএসপিতে শুরু হবে।

যেহেতু তিন দিনের ম্যাচ দেখা হলো না তাই প্রধান নির্বাচক আকরাম খান টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণা করতে বিলম্ব করলেন না। বুধবার মিরপুরে বিসিবি একাদশের আড়ালে অধিকাংশ ক্রিকেটার যখন অনুশীলনে ব্যস্ত তখন আকরাম খান ১৪ সদস্যের জাতীয় ক্রিকেট দলের ঘোষণা দিলেন।

তবে আকরাম খানের এই ১৪ সদস্যের দলটি নিয়ে যে কেউ দ্বিমত পোষণ করবেন। কারণ টিম বাংলাদেশ বির্তকের বাইরে নির্বাচন হয়নি। দলে নতুন মুখ সোহাগ গাজী। কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে নাজিম উদ্দিনকে নিয়ে।

কারণ আকরাম খানের ১৪ জনের তালিকায় চট্টগ্রামের নাজিম উদ্দিন আছেন। মাত্র ২ টেস্ট খেলা নাজিমউদ্দিন কেন টেস্টের তালিকায়! নাজিমের চেয়ে অভিজ্ঞ একাধিক ব্যাটসম্যান তো নির্বাচকদের হাতেই ছিল। যেমন রকিবুল হাসান, নাজিম নিশ্চয়ই রকিবুল হাসানের চেয়ে অভিজ্ঞ নয়?

এ সব কথা ওঠার কারণ প্রধান নির্বাচক আকরাম খানের মন্তব্য। মিরপুরে দল ঘোষণার পর আকমার খান মিডিয়ার মুখোমুখি হন। কোন পদ্ধতিতে টেস্টের জন্য দল নির্বাচন করা হলো? এমন প্রশ্নের জবাবে আকরাম খান বলেন, ‘প্রস্ত্ততি ম্যাচ হোক সেটা আমরা চেয়েছিলাম। সেটা হয়নি। যেহেতু প্রস্ত্ততি ম্যাচ হয়নি তাই সর্বশেষ টেস্ট ম্যাচে যারা খেলেছে তাদের পারফর্মেন্স আর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই দল তৈরি করা হয়েছে।’

আকরাম খানের বক্তব্যেই প্রশ্ন চলে আসে নাজিম উদ্দিনের জাতীয় দলের হয়ে টেস্টে এমন কোন হাতি-ঘোড়া-বাঘ মেরে রেখেছেন! যে কারণে রকিবুলের মতো পরীক্ষিত ব্যাটসম্যানকে বাদ দিয়ে নিজ এলাকার নাজিমউদ্দিনকে দলে সুযোগ দিলেন! যদিও এই প্রশ্নের জবাব পাওয়া যায়নি।

নতুন মুখ সোগাহ গাজী প্রসঙ্গে আকরাম খান বলেন, ‘সে গত তিন বছর একাডেমী দল আর ‘এ’ দলের হয়ে অনেক সফর করেছে। তার অফ স্পিনটা খুবই ভালো। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের একাধিক বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান তাই এখন সোহাগকে বাংলাদেশের বেশি দরকার। আমরা সোহাগকে বেশি সুযোগ দেব। আর এনামুল হক জুনিয়র বাদ দিয়ে ইলিয়াস সানীকে নেয়া হয়েছে। আসলে এনামুলের বাদ পড়ার কারণ দলে বাঁ-হাতি স্পিনার বেশি। তাই প্রতিযোগিতাও বেশি। তবে সে আমাদের বিবেচনায় আছে। আমরা তাকে ফেলে দেব না। তবে আমাদের বেশি সমস্যা ব্যাটিং নিয়ে। সেটা নিয়েই বেশি চিন্তা। আর রুবেলকে কোচ ও ফিজিও সার্টিফিকেট দিয়েছে তাই তাকে নেয়া হয়েছে। রাজু দ্রুতগতির বোলার তাই শাহদাতের সঙ্গে তাকে রাখা হয়েছে।’

বিসিবি একাদশের ১২ ক্রিকেটার
মুশফিক রহিম (অধিনায়ক), মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ (সহ-অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, শাহরিয়ার নাফীস, জুনায়েদ সিদ্দিকী, সাকিব আল হাসান, নাসির হোসেন, নাজিম উদ্দিন, আবুল হাসান রাজু, শাহদাত হোসেন, রুবেল হোসেন, ইলিয়াস সানী, সোগাহ গাজী ও নাইম ইসলাম।

প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত-শেন জার্গেনসেন

প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত-শেন জার্গেনসেন 

হোম সিরিজে বিসিবি একাদশ প্রস্ত্ততি ম্যাচে মাঠে নামতে না পেরে আজ অনুশীলনের নেমে ছিল। বিসিবি একাদশ নামার কারন মুল দলের তালিকা তখনও প্রকাশ করেননি নির্বাচকরা। তবে দুপুরের পর নির্বাচক আকরাম খান সিরিজের প্রথম টেস্টের জন্য দল ঘোষনা করে দেন।

তখন শেন জার্গেনসেন-র অধীনে চলছে ক্রিকেটারদের অনুশীলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ঢাকায় পা রাখার পর আজই প্রথম ক্রিকেটারা মাঠে নামে অনুশীলনের উদ্দেশ্যে। যে কারনে মিডিয়ার আগ্রহ ছিল দলের পক্ষথেকে কেউ কিছু বলবে। অবশেষে কোচ জার্গেনসেন মুখোমুখি হলেন মিডিয়ার। তিনি বলেন,‘প্রথম টেস্টকে সামনে রেখে আমরা অনুশীলন শুরু করেছি। নির্বাচকদের জন্য দল গঠন করা বেশ কঠিন কাজ ছিল। জাতীয় ক্রিকেট লিগের শেষ দুই ম্যাচ খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত। তা না হলেও এখনো টেস্টের প্রস্ত্ততি নেয়ার জন্য আমাদের হাতে চার দিন রয়েছে। এই চারদিন আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ।’

ঘোষিত জাতীয় দলের নতুন মুখ প্রসঙ্গে কোচ বলেন,‘সোহাগ গাজী খুব ভালো ক্রিকেটার। তার অফস্পিন বেশ কার্যকর, জাতীয় লিগে তার একটি শতকও রয়েছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের টপ অর্ডারে কয়েকজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান থাকায় তিনি বেশ কার্যকর হবেন বলে আশা করছি। দলে দুই-তিন জন তরম্নণ খেলোয়াড় সুযোগ পেয়েছেন। গাজী (সোহাগ), রাজু (আবুল হাসান) এসেছেন। তারা সুযোগ পাওয়ায় আমি খুশী। টেস্ট ম্যাচ ক্রিকেটের সবচেয়ে কঠিনতম। ব্যাটসম্যানদের জন্য টেস্ট ম্যাচ সবসময়ই বড় চ্যালেঞ্জ।’

কন্ডিশন সম্পর্কে জানতে চাইল জার্গেনসেন বলেন,‘এটা আমাদের মাঠ, আমাদের দেশ। এই কন্ডিশন, এই উইকেটের সঙ্গে আমরাই সবচেয়ে ভালো পরিচিত। প্রথম দিনের প্রথম সেশন থেকে আমাদের আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে হবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য সবকিছু প্রথম থেকেই কঠিন করে তুলতে হবে। প্রথম টেস্টের প্রথম সেশন ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই সেশনে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলে নিজেদের চালকের আসনে নিয়ে আসতে হবে।

সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত- সুনীল নারায়ন

সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত- সুনীল নারায়ন

মিরপুরে আজ অতিথি ক্রিকেট দল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় বারের মতো অনুশীলন করেছে। কারন আজ বিকেএসপিতে প্রস্ত্ততি মাঠে গড়ায়নি। প্রসত্মতি ম্যাচ না হওয়াতে মিরপুরেই তারা ছির ব্যসত্ম। এই ব্যসত্ম সময়ের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে অতিথি দলের নতুন সদস্য সুনীল নারায়ন মুখোমুখি হলেন।
তিনি বলেন,‘যে কোনো ক্রিকেটের জন্য মাইন্ডসেট ভীষণ গুরম্নত্বপূর্ণ। অন্য কিছু নিয়ে ভাবছি না, আমি নিজের বোলিং নিয়েই ভাবছি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ পেছনে ফেলে এসেছি। সেই ম্যাচ নিয়ে আর ভাবছি না। এখান আমরা সম্পূর্ণ নতুন দুটি ম্যাচ খেলবো, তার দিকেই আমাদের মনযোগ।
প্রস্ত্ততি ম্যাচ হলে ভালো হত। তা না হলেও আমরা এখানে অনুশীলন করছি, মানসিকভাবে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছি। মিরপুরের উইকেটে খুব বেশি পবির্তন আশা করছি না। উইকেটে বাউন্স পেলে আমার ভালোই লাগবে। টেস্টে ভালো করতে হলে প্রচুর বল করতে হবে, প্রচুর খেলতে হবে।’
সাকিব আল হাসানের প্রসঙ্গে বলতে বলা হলে তিনি বলেন,‘সাকিবের সঙ্গে মাঠের বাইরে বেশ ভালো বন্ধুত্ব। কিন্তু মাঠে দুই জন যার যার দেশের হয়ে খেলবো। তিনি উঁচু মানের একজন ক্রিকেটার। এখনো দলের মিটিংয়ে প্রতিপক্ষ দুর্বলতা-সবলতা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। সেই সময় যখন আসে তখন হয়তো তার ব্যাপারে বলবো।

 

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

সোনারগাঁয়ে হত্যার মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ব্যাবসায়ী রিপন হত্যা মামলার আসামিরা জামিনে মুক্তি পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার দলের লোক পরিচয়ে বাদীকে হত্যার হুমকি দিচ্চে।

গত ৭ জুন সকালে ড্রেজার ব্যবসায়ী রিপন চাঁদা  না দেয়ায় সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লার লোক বলে পরিচয় দানকারী জাকির হোসেনসহ ১৫/২০ জনের সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে হত্যা করে।

হত্যার পর নিহতের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোজ্জাফর আলী বাদী হয়ে সোনারগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে আসামিরা মামলা তুলে নিতে প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে। আসামিদের হুমকিতে বাদীর পরিবার আতংকিত।

এ প্রসঙ্গে মোবাইল ফোনে সোনারগাঁও থানার ওসি হারুন অর রশিদ বলেন, আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।