নারায়ণগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ঢল
নারায়ণগঞ্জ: ঈদের ছুটিতে নারায়ণগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে টানা তিন দিন
পর্যটকদের ঢল নেমেছে। নগর জীবনের ছক বাঁধা এক ঘেয়েমি থেকে বের হয়ে ছুটির
অবসাদে প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটানোর জন্য সোনারগাঁ জাদুঘর, বাংলার
তাজমহল ও পানাম সিটিসহ সোনারগাঁয়ের দর্শনীয় স্থানগুলো বিপুল সংখ্যক
দর্শনার্থীর পদচারনায় মূখোর ছিল।
ঈদের ৩য় দিন সোমবার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘর), বাংলার তাজমহল, সোনারগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো এবং রূপগঞ্জের জিন্দা পার্ক, পনড গার্ডেন, রাসেল পার্ক, বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এছাড়া ফতুল্লার পাগলা মেরী এন্ডারসন, হাজীগঞ্জ দূর্গ, বন্দরের সোনাকান্দা দূর্গ। এসব পর্যটন এলাকা দর্শনার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।
লোক কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বর ও বাংলার তাজমহলের ভেতরের সাজ-সজ্জা ছিল এবারের ঈদে পর্যটকদের বাড়তি আর্কষণ। এছাড়া কারুশিল্প ফাউন্ডেশন তিন দিনব্যাপী বাউল গানের আসরসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নির্মিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে ও সোনারগাঁয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চল পেরাব এলাকায় বাংলার তাজ মহলে।
অনেক পর্যটক সোনারগাঁওয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরের লেকে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে নৌকা দিয়ে বেড়ানোর মাধ্যমে এ ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন। শিশু-কিশোররা নাগর-দোলায় দোল খেয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করেছেন।
তাছাড়া দর্শনাথীদের আনন্দ বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। দর্শনার্থীরা তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে উপভোগ করছেন এসব আনন্দ বিনোদন। আগত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরের ভেতর কারুপল্লীতে জামদানী শাড়িসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প সামগ্রী কেনার সুযোগও রয়েছে। ঈদের দিন বন্ধ থাকার পর ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয় সোনারগাঁও জাদুঘর।
সোমবার জাদুঘরে ঘুরতে আসা দর্শনাথীদের চাপে জাদুঘরের আশপাশের সড়ক গুলোতে যানজটের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। তাছাড়া কিছু দর্শনার্থী যানবাহনে বেশি ভাড়া ও খাবারের চড়া মূল্য আদায়ের অভিযোগ করেছেন।
তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত পরিবার পরিজন নিয়ে কিছু সময় আনন্দে কাটানো যাবে এতেই খুশি আগত দর্শনার্থীরা।
এদিকে বাংলার তাজমহলেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে, সারাদেশ থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে তাজমহলে যাওয়ার রাস্তাগুলোতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। যানজটের কবলে পড়ে শত শত পরিবহন যাত্রী ও পর্যটকরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। তবুও এখানে আসা দর্শনাথীদের আনন্দের কোনো কমতি ছিল না।
সোনারগাঁওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসা অনেক দর্শনার্থীরা বলেন, সোনারগাঁওয়ের পর্যটন নগরীগুলোর আশপাশের রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় ও সংস্কার কাজ না করায় প্রতিনিয়ত এখানে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ সবের নিরসন দরকার।
বাংলার তাজমহলের প্রতিষ্ঠাতা, চিত্র পরিচালক, শিল্পপতি আহসান উল্লাযাহ মনি বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, প্রতি বছরই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাংলার তাজমহলে পর্যটকদের ঢল নামে। এ বছরও ঈদুল আজহায় তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
তিনি আরো জানান, তাজমহলের আশপাশে পর্যটকদের বিনোদন বাড়িয়ে দিতে ফিল্ম সিটিসহ আরো নতুন নতুন বিনোদন পার্ক, পিরামিড, হারিকেনের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়, আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ্র গোপ বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, পর্যটকদের ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দিতে কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। পর্যটকদের আনন্দ দিতে তিন দিনব্যাপী বাউল সঙ্গীতসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন ছিল।
আগত পর্যটকরা বাউল গানের আসর উপভোগ করেন। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আজহার দিন থেকে টানা তিন দিন যাবত পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।
ঈদের ৩য় দিন সোমবার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘর), বাংলার তাজমহল, সোনারগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো এবং রূপগঞ্জের জিন্দা পার্ক, পনড গার্ডেন, রাসেল পার্ক, বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
এছাড়া ফতুল্লার পাগলা মেরী এন্ডারসন, হাজীগঞ্জ দূর্গ, বন্দরের সোনাকান্দা দূর্গ। এসব পর্যটন এলাকা দর্শনার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।
লোক কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বর ও বাংলার তাজমহলের ভেতরের সাজ-সজ্জা ছিল এবারের ঈদে পর্যটকদের বাড়তি আর্কষণ। এছাড়া কারুশিল্প ফাউন্ডেশন তিন দিনব্যাপী বাউল গানের আসরসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নির্মিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে ও সোনারগাঁয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চল পেরাব এলাকায় বাংলার তাজ মহলে।
অনেক পর্যটক সোনারগাঁওয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরের লেকে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে নৌকা দিয়ে বেড়ানোর মাধ্যমে এ ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন। শিশু-কিশোররা নাগর-দোলায় দোল খেয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করেছেন।
তাছাড়া দর্শনাথীদের আনন্দ বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। দর্শনার্থীরা তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে উপভোগ করছেন এসব আনন্দ বিনোদন। আগত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরের ভেতর কারুপল্লীতে জামদানী শাড়িসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প সামগ্রী কেনার সুযোগও রয়েছে। ঈদের দিন বন্ধ থাকার পর ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয় সোনারগাঁও জাদুঘর।
সোমবার জাদুঘরে ঘুরতে আসা দর্শনাথীদের চাপে জাদুঘরের আশপাশের সড়ক গুলোতে যানজটের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। তাছাড়া কিছু দর্শনার্থী যানবাহনে বেশি ভাড়া ও খাবারের চড়া মূল্য আদায়ের অভিযোগ করেছেন।
তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত পরিবার পরিজন নিয়ে কিছু সময় আনন্দে কাটানো যাবে এতেই খুশি আগত দর্শনার্থীরা।
এদিকে বাংলার তাজমহলেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে, সারাদেশ থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে তাজমহলে যাওয়ার রাস্তাগুলোতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। যানজটের কবলে পড়ে শত শত পরিবহন যাত্রী ও পর্যটকরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। তবুও এখানে আসা দর্শনাথীদের আনন্দের কোনো কমতি ছিল না।
সোনারগাঁওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসা অনেক দর্শনার্থীরা বলেন, সোনারগাঁওয়ের পর্যটন নগরীগুলোর আশপাশের রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় ও সংস্কার কাজ না করায় প্রতিনিয়ত এখানে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ সবের নিরসন দরকার।
বাংলার তাজমহলের প্রতিষ্ঠাতা, চিত্র পরিচালক, শিল্পপতি আহসান উল্লাযাহ মনি বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, প্রতি বছরই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাংলার তাজমহলে পর্যটকদের ঢল নামে। এ বছরও ঈদুল আজহায় তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।
তিনি আরো জানান, তাজমহলের আশপাশে পর্যটকদের বিনোদন বাড়িয়ে দিতে ফিল্ম সিটিসহ আরো নতুন নতুন বিনোদন পার্ক, পিরামিড, হারিকেনের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়, আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ্র গোপ বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, পর্যটকদের ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দিতে কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। পর্যটকদের আনন্দ দিতে তিন দিনব্যাপী বাউল সঙ্গীতসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন ছিল।
আগত পর্যটকরা বাউল গানের আসর উপভোগ করেন। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আজহার দিন থেকে টানা তিন দিন যাবত পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।