Pages

Wednesday, October 31, 2012

বন্ধ হয়ে গেল হলমার্কের সব কারখানা

বন্ধ হয়ে গেল হলমার্কের সব কারখানা

 সাভারে হলমার্ক গ্রুপের সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার রাতে লিফলেটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কারখানাগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

হলমার্ক গ্রুপের শ্রমিকসহ স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি ‘হলমার্ক গ্রুপের সকল কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ- আদেশক্রমে কর্তৃপক্ষ’ সম্বলিত একটি লিফলেট বিলি করেন। মুহূর্তের মধ্যে এ খবর হেমায়েতপুরসহ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

তবে মঙ্গলবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরের নন্দখালী এলাকায় হলমার্ক গ্রুপে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষকে কারখানায় খুঁজে পাওয়া যায়নি। কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ থাকায় এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি।

শিল্প পুলিশ সাভার সার্কেলের পরিদর্শক (ওসি) আব্দুল বাতেন জানান, লিফলেট বিলি করে প্রতিষ্ঠানটির সব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলেও কারা বা কী কারণে লিফলেট বিতরণ করেছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মশিউদ্দৌল্লাহ রেজা জানান, কারখানা বন্ধের ব্যাপারে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সব ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্কাবস্থায় রয়েছেন।

আলোচিত ব্যাংক কেলেঙ্কারির নায়ক তানভীর মাহমুদের মালিকানাধীন হলমার্ক গ্রুপের প্রায় ১৫ হাজার শ্রমিক তাদের চলতি মাসের বেতন, ঈদ বোনাস এবং অতিরিক্ত কাজের মজুরির দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছিল। এ নিয়ে দফায় দফায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে শ্রমিকদের আলোচনা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এক পর্যায়ে কারখানাটি ঈদের আগে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। বাসস।

সোনারগাঁয়ে গলিত লাশ উদ্ধার

সোনারগাঁয়ে গলিত লাশ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জে সেলিম মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তির ভাসমান গলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর শীতলক্ষা নদী থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সেলিম মিয়া গত শনিবার রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে দোকানে চা খেতে গিয়ে আর ফেরেনি। পরে তার আত্মীয় স্বজনরা বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুঁজি করেও সন্ধান না পাওয়ায় সোনারগাঁ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

মঙ্গলবার সকালে কাঁচপুর এলাকায় শীতলক্ষা নদীতে তার ভাসমান গলিত লাশ দেখতে পেয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ দুপুরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ জানান, নিহত সেলিম মিয়া মাদকাসক্ত ছিলো। ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসলেই তার মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
 

তাণ্ডব শেষে দুর্বল স্যান্ডি

তাণ্ডব শেষে দুর্বল স্যান্ডি

 যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানা প্রলয়ঙ্করী হারিকেন স্যান্ডি আমেরিকার পূর্বাঞ্চলে আরো অভ্যন্তরে অগ্রসর হওয়ার পথে মঙ্গলবার সকালে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তবে এখনো ঝড়টির প্রভাবে প্রবল বাতাস ও বন্যা দেখা দেওয়ার শংকা রয়েছে।

গ্রিনিচ সময় ০৯০০টায় মায়ামিভিত্তিক জাতীয় হারিকেন কেন্দ্র জানায়, ঘণ্টায় ৬৫ মাইল (১০৫ কিলোমিটার) বেগে দক্ষিণাঞ্চলীয় পেনসিলভেনিয়ার ওপর দিয়ে ঘূর্ণিঝড়টি প্রবাহিত হচ্ছে। পূর্ব উপকূলের বেশ কটি এলাকার ওপর দিয়ে এখনো দমকা বাতাস বইছে।

সোমবার সন্ধ্যায় নিউ জার্সিতে আঘাত হানার কিছু আগে দুর্বল হয়ে মৌসুমী ঝড়ে পরিণত হলেও ব্যাপক তাণ্ডব চালায় স্যান্ডি ।

ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে ঘনবসতিপূর্ণ পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলীয় এলাকায় প্রবল বর্ষণ ও বাতাসের সৃষ্টি হয়। ম্যানহাটানের নিম্নাঞ্চলের একটি বড় এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে গণপরিবহনগুলো স্থবির হয়ে পড়ে এবং লাখ লাখ মানুষকে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় থাকতে হয়।

এ ঘটনায় নিউ ইয়র্ককে দুর্যোগ-আক্রান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। এএফপি।

এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোন প্রধান

এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোন প্রধান

 এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী টোরে জনসেন ও সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির আদালতে হাজির হবার কথা থাকলেও আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সময় বাড়ানোর প্রার্থনা করেছেন তারা। কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অফিসে জরুরি মিটিং থাকার কথা।

এদিকে শুনানির একদিন আগে সোমবার পৃথক দুটি মামলায় জামিন নিয়েছেন গ্রামীণফোনের ৯ শীর্ষ কর্মকর্তা। তবে জামিন নেননি মামলায় অভিযুক্ত অপর গ্র্রামীণফোনের সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টি।

এর আগে শ্রম আইন ভঙ্গ করে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন ঢাকার শ্রম আদালত-১। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রম আদালত-১-এর চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মিয়া মোহাম্মদ শরীফ অভিযুক্তদের সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সাথে ৩০ অক্টোবর বেলা ১২টায় আদালতে হাজির না হলে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।

গ্রেপ্তার এড়াতে গত সোমবার আদালতে এসে জামিন নেন অভিযুক্তরা। সোমবার গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে জনসন ছাড়াও গ্রামীনফোনের পিএনও শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ আবদুল্লাহ, নাঈমুজ্জামান এবং সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকার্তা নাসের ফজলে আযম, সাজ্জাদ হাসিব ও আওলাদ হোসেন জামিন প্রার্থনা করেন বলে জানিয়েছেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী গাজী এম শওকত।

একই সাথে অফিসের জরুরি কাজে মঙ্গলবার আদালতে হাজির হতে না পারার কারণ দেখিয়ে সময় প্রার্থনা করা হয়। আদালত সময় মঞ্জুর করে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

পকর্মী ছাঁটাইয়ে দেশে বিদ্যমান শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ৩০ আগস্ট গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে ইয়ানসেন ও সাবেক প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির বিরুদ্ধে একই আদালতে মামলা করেন চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন। ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় ফের ৩০ অক্টোবর তাদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সেলিম আহসান খান জানান, শ্রম আইনের ১৮৬ ধারার ১ ও ২ উপধারা, ১৯৫ ধারার (ঘ) এবং দণ্ডবিধির ২৯১ ও ৩০৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণফোনের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মোবাইল টাওয়ারের কারণে ক্ষতির বিষয়ে জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

মোবাইল টাওয়ারের কারণে ক্ষতির বিষয়ে জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

 মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলো থেকে ক্ষতিকর তেজষ্ক্রিয়তার ফলে স্বাস্থ্যগত কী ক্ষতি হয় তা আগামী ৩ মাসের মধ্যে জানাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে মোবাইল ফোন টাওয়ারগুলো থেকে ক্ষতিকর তেজষ্ক্রিয়তা নির্গমন বন্ধে প্রশাসনের ব্যর্থতা কেন অবৈধ ঘোষণা করা  হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করা হয়েছে।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত  অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন  হিউম্যান রাইটস্ এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ রিটটি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে বিটিআরসির চেয়ারম্যান, পরিবেশ সচিব, টেলিযোগাযোগ সচিবসহ ৭ জনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়া চার সপ্তাহের মধ্যে তেজস্ক্রিয়তার পরিস্থিতি সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন দিতে আনবিক শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রিটকারী মনজিল মোরশেদ জানান, গত ১৮ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন ইটিভির একুশের চোখ অনুষ্ঠানে প্রচারিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিট করার পরে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন আদালত। শুনানিতে রিটকারী মনজিল মোরেশেদ অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার 


বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার দেশের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জী ও প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের শুভেচ্ছা বার্তা কাছে পৌঁছে দেন।

এ সময় তিনি জানান, ভারতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনগণের সমৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

হাইকমিশনার একই সঙ্গে তার দেশের নেতৃবৃন্দের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের জনগণের সমৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।
 
ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশেষ করে ম্যাক্রো অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও মুদ্রাস্ফীতির হার কম হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন।


বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও হাইকমিশনার ভারতের শিলিগুড়ি থেকে রংপুর হয়ে গ্যাস আমদানি এবং সিলেট ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য মেঘালয়কে সংযুক্ত করে দ্বিতীয় বিদ্যুৎ গ্রিড নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

এছাড়া পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আরো অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে বৈঠকে দু দেশের সীমান্তের জমি বিনিময়ে ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির ভিত্তিতে ঢাকা-দিল্লির মধ্যে স্বাক্ষরিত সীমান্ত প্রোটোকলের বাস্তবায়ন ও ভারতীয় ঋণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর বর্তমান অবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। বাসস

র‌্যাবের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে লিমনের মাকে ডিসির প্রস্তাব!

র‌্যাবের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে লিমনের মাকে ডিসির প্রস্তাব!

র‌্যাবের গুলিতে পঙ্গু ঝালকাঠির রাজাপুরের সাতুরিয়ার কলেজছাত্র লিমনের মাকে র্যাবের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস।

বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগমের সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দেন।

জানা গেছে, গত বুধবার বেলা ১২টায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলামের অফিস কক্ষে লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগমকে ডেকে নিয়ে গোপন বৈঠকের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক এ প্রস্তাব করলেও গণমাধ্যমসহ কাউকে বৈঠকের কথা জানানো নিষেধ ছিল।

কিন্তু সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বৈঠকের ব্যাপারে সোমবার এ তথ্য বেরিয়ে এলে লিমন, কাউখালী নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ বৈঠকের সত্যতা স্বীকার করেন। কিন্তু প্রস্তাবের কথা অস্বীকার করেন।

লিমন ও তার মা হেনোয়ারা বেগম জানান, জেলা প্রশাসক এ কথা কাউকে বলতে নিষেধ করায় তারা কাউকে জানাননি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বুধবার সকাল ১২টায় কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম লিমন ও তা মা হেনোয়ারা বেগমকে তার কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।

তারা সেখানে উপস্থিত হলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ ব্যাপারে লিমন হোসেন বলেন, “আমাদের ডাকার পর ইউএনও সাহেব একজন বড় মেহমান আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান। পরে ডিসি সাহেব আমাদের কুশলাদি জিজ্ঞেস করেন।”

লিমনের মা হেনোয়ারা বেগম বলেন, “ডিসি সাহেব আমাকে মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করেন। আমরা মামলা প্রত্যাহার করলে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলাও প্রত্যাহার করা হবে বলে জানান তিনি। এ সময় ইউএনও সাহেবও মামলা প্রত্যাহারের করার অনুরোধ করেন।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম মামলা প্রত্যাহারের প্রস্তাব করার কথা অস্বীকার করে বলেন, “ওই দিন ছুটি ছিল বলে ডিসি স্যার এখানে এসেছিলেন। লিমনদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেয়ার জন্যই তিনি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।”

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস জানান, তিনি কাউখালি ইউএনওর একটি দাওয়াতে ওই দিন সেখানে গিয়েছিলেন। লিমন ও তার মায়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তবে মামলা তুলে নেয়ার প্রস্তাব বা ওই সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে কথা হয়নি বলে তিনি জানান।

নৌমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ

নৌমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা খারিজ


নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান এবং আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শ্রম ও জনসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইস্রাফিল আলমের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, হুমকি ও মানহানির অভিযোগে ঢাকার আদালতে মামলা করেছিলেন শামীম চৌধুরী নামের এক আইনজীবী। বিকেলে এ মামলটি খারিজ করে দেন ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহিদুল ইসলাম।
 
২৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি চ্যানেল আরটিভির টক শোতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে চোখ তুলে নেওয়ার হুমকি দেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
 
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহিদুল ইসলামের আদালতে মামলার শুনানি হয়। আদালত শুনানি শেষে জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং নথি পর্যালোচনা করে পরে আদেশ দেবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। আদালত তার খারিজ আদেশে উল্লেখ করেন, মামলার বাদীর এ মামলা আনয়ন করার কোনো এখতিয়ার না থাকায় মামলাটি খারিজ করা হলো।
 
উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌসের উপস্থাপনায় সরাসরি একটি টক শোতে ‘ঈদে ঘরে ফেরায় যাত্রীদের দুর্ভোগ’ নিয়ে তর্কে জড়িয়ে পড়েন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম মিয়া।
 
বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে তা চরম আকার ধারণ করে এবং উভয়েই উত্তেজিত হয়ে পড়েন। এ সময় একজন অন্যজনের দিকে হাত তুলে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় করতে থাকেন। উপস্থাপক তাদের থামাতে চাইলেও ব্যর্থ হন। ব্যারিস্টার রফিক এক পর্যায়ে শাজাহান খানকে উদ্দেশ্য করে ‘স্টপ ইট’ বললে, মন্ত্রী শাহজাহান খান তা ‘স্টুপিড’ শুনে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনিও রফিকুল ইসলাম মিয়াকে ‘বেয়াদব’ বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন, ‘হারামজাদা, তোর চোখ তুলে ফেলবো’।
 
এ সময় টক শোতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, গোলাম মাওলা রনি, সাংবাদিক মনির হায়দার, র‌্যাবের মিডিয়া উইংয়ের কমান্ডার সোহায়েল আহমেদ, নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, পূজা কমিটির সভাপতি বাসুদেব ধর প্রমুখ।
 
মামলার আরজিতে বলা হয়, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া একজন স্বনামধন্য আইনজীবী এবং সাবেক মন্ত্রী। তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ এবং হত্যা করার চেষ্টায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার পক্ষে আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়।
 
এ নিয়ে ঢাকার আদালতে বর্তমান সরকারের দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা হলো। ইতিপূর্বে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী  গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্বে একটি মামলা দায়ের করেন। তবে ঐ দিনই মামলাটি খারিজ করে দেন আদালত। এ মামলাটিও দিনের মধ্যেই বাদির এখতিয়ারহীনতায় খারিজ করা হলো।

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত 

 কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী, ঘুমধুম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪২ মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।

জানা গেছে, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী সিটওয়েসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি ওপারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে গত কয়েক দিন থেকে ঘুমধুম বালুখালী পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি সদস্যরা।

কক্সবাজারস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে সতর্ক অবস্থায় রাখার পাশাপাশি সীমান্তে পাহারাও জোরদার করা হয়েছে।

অপরদিকে টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্র্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবি-৪২ টেকনাফস্থ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

 সুনামগঞ্জে বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির বিষয় খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবসস্থা নেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের নিস্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়েছেন আদালত।

এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন  দাসের সমন্বয়ে গঠিত  অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।

জনস্বার্থে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস্ এ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে এ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ রিটটি করেন।

মনজিল মোরশেদ বলেন গত ২৫ অক্টোবর একটি জাতীয় দৈনিকে ‘কাজ না করে বিশ্বব্যাংকের ১৪ কোটি টাকা আত্মসাত’ শিরোনামে প্রকাশিত পত্রিকার কাটিং সংযুক্ত করে রিটটি আদালতে উপস্থপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পরিকল্পনা, অর্থ সচিব ও এলজিআরডি সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি তদন্তে পাঁচ সদস্যের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করতে পরিবেশ ও অর্থ সচিবকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ড. মসিউরকে ডেকেছে দুদক

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ড. মসিউরকে ডেকেছে দুদক

 পদ্মা সেতু দুর্নীতি বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমানকে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) ডাকা হয়েছে।

আগামী ৬ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদে হাজির হওয়ার জন্য আজ মঙ্গলবার তাকে নোটিশ পাঠিয়েছে দুদক।

দুদকের পদ্মা সেতু প্রকল্পে পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান দলের প্রধান ও জ্যেষ্ঠ উপপরিচালক মীর মো. জয়নাল আবেদীনের স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে ৬ নভেম্বর সকাল ১০টায় ড. মসিউরকে দুদকের কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি কানাডার নির্মাণপ্রতিষ্ঠান এসএনসি লাভালিনের স্থানীয় এজেন্ট মো. মোস্তফাকেও দুদকে হাজির হতে নোটিশ দিয়েছে অনুসন্ধান দল।

Tuesday, October 30, 2012

নাফিস ইস্যু: দিস ইস নট আওয়ার ফেস

নাফিস ইস্যু: দিস ইস নট আওয়ার ফেস 
 সপ্তাহ তিনেক আগে এক ভারতীয় বন্ধুকে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের একটি দর্শনীয় স্থানে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সেখানে পঞ্চাশোর্ধ্ব এক আমেরিকান পর্যটকের সঙ্গে পরিচয়। কথায় কথায় ভদ্রলোক আমাদের আদি নিবাস জানতে চেয়ে উত্তরের অপেক্ষা না করেই অনেকটা হিউমার সেন্স মিশিয়ে বললেন, “পাকিস্তানি নও তো!”

দুজনেই একসঙ্গে মাথা নেড়ে না-সূচক উত্তর দিয়ে আমাদের পরিচয় তুলে ধরে আমি তাকে বললাম, পাকিস্তানি হলেই বা ক্ষতি কী! সব পাকিস্তানি তো জঙ্গি নয় কিংবা সব জঙ্গিই তো আর পাকিস্তানি নয়।

‘ভেরি স্মার্ট!’ বলেই আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “তোমাদের বাংলাদেশ তো এখনো বেশ ভালো। আল কায়েদা বা জঙ্গিসম্পৃক্ত কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের খবর আমার নজরে পড়েছে কিনা তা মনে করতে পারছি না।”

ভদ্রলোক আয়ারল্যান্ডে এসেছিলেন নিছক বেড়ানোর জন্য। কথা বলে বোঝা গেল তিনি হাই প্রোফাইল কেউ নন। সাধারণ আমেরিকান নাগরিক। বহু বছর বিদেশযাপনের অভিজ্ঞতা থেকে অন্তত এটা উপলব্ধি করতে পেরেছি, শুধু ওই একজন আমেরিকানই নন, ইউরোপ-আমেরিকাসহ সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষই বাংলাদেশকে ধর্মপ্রিয় ও শান্তি অন্বেষণকারী দেশ হিসেবেই জানতেন। দেশের ভেতরে মাঝে মধ্যে জঙ্গি কার্যক্রম মাথাচাড়া দিয়ে উঠলেও বহির্বিশ্বে বাংলাদেশ ছিল এ বদনাম থেকে অনেকটাই মুক্ত। কিন্তু গত ১৭ অক্টোবরের ঘটনায় বিশ্বদরবারে দেশটির চেহারা ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হলো।

একুশ বছরের বাংলাদেশী তরুণ কাজী মোহাম্মদ রেজওয়ানুল আহসান নাফিস  নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক বোমা মেরে উড়িয়ে দিতে চাইলে এফবিআই (মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা) ও সিটি পুলিশ তাকেহাতে নাতে ধরে ফেলে এবং সারা পৃথিবীর গণমাধ্যমে তা লিড নিউজ আকারে প্রকাশ পায়। এফবিআইর দেয়া তথ্য অনুযায়ী  এ তরুণকে আল কায়েদাসংশ্লিষ্ট এক সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করে প্রচারমাধ্যমে খবরটা প্রকাশ পাওয়ায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে।

নাফিস আল-কায়েদাসংশ্লিষ্ট জঙ্গি কিংবা অন্ধ জিহাদি যাই হোক না কেন সেটা বড়ো কথা নয়, একজন বাংলাদেশী হয়ে সে যে জঘন্যতম হঠকারিতার আশ্রয় নিয়েছে সেটাই সত্যি (যদিও আসলে বোকার মতো এফবিআইর পাতানো ফাঁদেই পা দিয়েছে)। ফেডারেল ব্যাংক উড়িয়ে দেয়ার মতো ঘৃণ্য প্রচেষ্টার খবর বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিটি প্রবাসী বাঙালিকে আজ চরম বিব্রতকর অবস্থার মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে।

পত্রিকায় দেখা গেল, আমেরিকান বাঙালি কমিউনিটিতে বিরাজ করছে চাপা আতঙ্ক ও থমথমে অবস্থা। নাফিসের ঘটনার সংবাদ সম্পর্কে স্কুলের বাঙালি ছেলেমেয়েরা অবহিত কিনা সে বিষয়েও শিক্ষকরা তাদের কাছ থেকে জানতে চাচ্ছেন। এ ধরনের অস্বস্তিকর পরিবেশের মোকাবিলা করা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জন্য বড়ই কষ্টের। আমেরিকার বাঙালি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ধিক্কার ও বিদ্রূপাত্মক শব্দপ্রয়োগের মাধ্যমে বিদেশিরা বাঙালি অস্তিত্বে আঘাত হানছে বলেও খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি আমেরিকাকেন্দ্রিক বলে ওখানকার বাঙালিদের ভয়ানক নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে সত্যি, কিন্তু বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সব বাঙালি অভিবাসীর উপরই এর নেতিবাচক প্রভাব কমবেশি পড়ছে। এমনকি আমাকেও সহকর্মীদের কাছে নাফিসবিষয়ক কিছু কৌতূহলী প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে।    

নাফিসের এ ঘটনা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও মন্দা প্রভাব ফেলার আশঙ্কা রয়েছে। প্রবাসে চাকরির বাজারে স্বকীয় গুণের জন্য বাঙালিদের বেশ সুনাম থাকলেও বর্তমান বৈরী পরিস্থিতিতে তা মলিন হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। অভিবাসী হিসেবে যারা বর্তমানে বেকার, তাদের যেমন চাকরিবাকরি পেতে কষ্ট হবে, তেমনি নতুন করে কর্মসংস্থান নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমানোটাও হবে খুব কঠিন। অনেক অভিবাসী যারা যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে স্থায়ী অধিবাসী বা নাগরিকত্ব অর্জনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়াধীন আছেন, তাও বাধাগ্রস্ত হওয়ার শংকা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্থায়ীকরণের ক্ষেত্রে যে আইনের শিথিলতা বা অবৈধভাবে বসবাসরতদের বৈধকরণের যে অঘোষিত নীতিমালা সেসব থেকেও বাঙালিরা বঞ্চিত হতে পারেন বলে আপাতদৃষ্টিতে ধারণা করা যায়। নতুন করে স্টুডেন্ট ভিসাসহ ট্যুরিস্ট বা বিজনেস যে কোনো ভিসা পেতেই পোহাতে হবে হাজারো অযাচিত ঝামেলা, এতে  সন্দেহ নেই। মোট কথা, বিদেশী রেমিটেন্স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াল নাসিফের এ ঘটনা।

একুশ বছরের নাফিস বুঝেই হোক  বা না বুঝেই হোক এফবিআইয়ের কৌশলী ফাঁদে পা দিয়ে বাঙালির মুখে যে চুনকালি দিয়েছে তা অত সহজে মুছে ফেলার নয়। তারপরও আমাদের হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না। প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনে রাষ্ট্রীয়ভাবে সচেষ্ট ভূমিকা পালন করতে হবে। সত্যি যদি সে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট জঙ্গিবাদের পূজারি হয়ে থাকে তবে সম্প্রতি আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাফিস ইস্যুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতার কথা বলে যে বক্তব্য দিয়েছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই। এতে ভূলুণ্ঠিত ভাবমূর্তি পুরোপুরি ফিরে না পেলেও বিশ্বে অন্তত এতোটুকু প্রতীয়মান হবে যে, নাফিসদের মতো বিপথগামীরা আল-কায়েদার প্রেমে হাবুডুবু খেলেও গোটা দেশ বা জাতি তাদেরকে ধিক্কার জানিয়ে প্রত্যাখ্যান করতে সক্ষম। পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগের একজন মধ্যম সারির নেতা নাফিসের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে একটি বিশেষ দলকে দায়ী করে যে রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন তা অবশ্যই পরিতাজ্য। এ ধরনের একটি স্পর্শকাতর বিষয়কে রাজনীতির চোরাবালিতে গুলিয়ে ফেলা যে মোটেও শোভন নয় তা আমাদের রাজনীতিবিদদের উপলব্ধি করা উচিত।

খবরে প্রকাশ, নাফিস বড়ো ধরনের কোনো নাশকতা ঘটানোর পূর্বপরিকল্পনা  নিয়েই আমেরিকাতে পাড়ি জমায় গত জানুয়ারিতে। এ বিষয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। প্রকৃতপক্ষেই যদি সে ওই হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থের জন্যই দেশ ছেড়ে যেত, তাহলে বাংলাদেশ থেকে কিংবা আমেরিকাতে বসবাসরত শক্তিশালী কোনো নিজস্ব লোকের দক্ষ ও সুপরিকল্পিত হাত তার পেছনে কাজ করত। এফবিআইর পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে ইঁদুরছানার মতো তাকে ধরা পড়তে হতো না। হতে পারে, নাফিস আমেরিকাবিদ্বেষী জিহাদি মনোভাবসম্পন্ন এক তরুণ। দুনিয়া কাঁপানো কোনো ধ্বংসাত্মক কাজ করাও ছিল তার লক্ষ্য। কিন্তু এসব করতে গেলে যে শক্তি-সামর্থ্য, পরিপক্কতা বা মুন্সিয়ানা ও অর্থনৈতিক যোগানের প্রয়োজন তার কি আদৌ কোনোটা ছিল? আজ নিউ ইয়র্কে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক উড়িয়ে দেয়ার প্রচেষ্টায় এক হাজার পাউন্ড ওজনের যে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ভ্যানের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলোর জোগানদাতা কারা তা আমরা সবাই জানি। পত্রিকায় যে দুজন বন্ধুবেশি বাংলা ভাষাভাষী এফবিআই এজেন্টের কথা উঠে এসেছে তারা যদি নাফিসকে নিয়ে ব্যাঙের মতো খেলা না খেলতেন তাহলে হয়তো তাকে এত দ্রুত আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট ঘৃণ্য জঙ্গি অপবাদ নিয়ে বিশ্বদরবারে আত্মপ্রকাশ করতে হতো না। কিংবা চারপাশের অসংখ্য প্রতিকূলতার মুখে পরাস্ত হয়ে অপকর্মের স্পৃহা হারিয়ে আপন মনেই সঠিক পথে ফিরে আসত। আজ নাফিসের আল কায়েদাসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসের খবর বিশ্ব মিডিয়াকে আজান দিয়ে যেভাবে প্রচার করতে হচ্ছে, তখন হয়তো তার কোনো প্রয়োজনই হতো না ।         

ভারতীয় প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটি উপন্যাসের গল্প দিয়ে লেখাটি শেষ করব। বহু বছর আগে পড়া (উপন্যাসটির নাম মনে নেই)। গ্রামের এক মেধাবী তরুণ উচ্চশিক্ষার জন্য কলকাতায় ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হতে আসে। প্রথম দিনেই সাক্ষাৎ মেলে এক নকশাল নেতার। ভর্তিসহ হোস্টেলে সিট পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে দলে টানে। সময়ে-অসময়ে মিছিল-মিটিংয়ে যাবারও তাগাদা দেয়। এভাবে এক পর্যায়ে দলীয় ক্যাডার থেকে সন্ত্রাসীতে পরিণত হয় সে। কোনো এক রাজনৈতিক দাঙ্গায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার সময় তার পা গুলিবিদ্ধ হয়। কেটে ফেলার প্রয়োজন হয় পুরো পা। পঙ্গুত্বের অভিশাপ নিয়ে বারো বছর জেল খেটে অবশেষে ক্রাচে ভর দিয়ে হেঁটে আসে প্রিয়ার কাছে। লেখাপড়া দূরের কথা, বিপন্ন জীবন নিয়ে বেঁচে থাকাটাই যেন তার দায় হয়!  

গল্পের এ তরুণটির মতো নাফিসের জীবনে এরকম অন্ধকার নেমে আসুক তা আমরা কখনো চাই না। আশার কথা, যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ করেছেন বলে খবর বেরিয়েছে। সঠিক তদন্তসাপেক্ষে যদি সে নির্দোষ প্রমাণিত হয় তবে যাদের অপব্যাখ্যা বা ভুল তথ্য পরিবেশনের ফলে তার তথা বাঙালি জাতির গায়ে জঙ্গিবাদের দুর্গন্ধ লেগেছে, তাদেরকে যেমন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর দাবি থাকবে, তেমনি দোষী সাব্যস্ত হলে তারও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হোক তা আমরা চাই।

আমেরিকার সবচেয়ে পুরনো সংগঠন লীগ অফ আমেরিকা ‘সন্ত্রাসী হামলার’ পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, নাফিস আমাদের পরিচয় নয়। দিস ইস নট আওয়ার ফেস। আমি মনে করি সংগঠনটির সাথে সুর মিলিয়ে প্রবাসে বসবাসরত প্রতিটি বাঙালিরই উচিত নিজস্ব অবস্থান থেকে বিদেশীদের কাছে এ বার্তাটি পৌঁছে দেয়া– দিস ইস নট আওয়ার ফেস।    

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ক্রিকেটযুদ্ধ :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ক্রিকেটযুদ্ধ :: স্পোর্টস :: বার্তা২৪ ডটনেট
 এশিয়া কাপ টি২০-তে মঙ্গলবার বাংলাদেশের মেয়েদের ক্রিকেট দলের অগ্নিপরীক্ষা। তারা ক্রীড়াযুদ্ধে মুখোমুখি হচ্ছে শক্তিশালী পাক নারী ক্রিকেট দলের বিপক্ষে।

এশিয়া কাপ টি২০ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ বি গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠে এসেছে। আর মঙ্গলবারের ম্যাচে জয় পেলেই সালমা বাহিনী বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস রচনা করতে সক্ষম হবে। এ দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। অবশ্য এ ম্যাচে প্রতিশোধেরও একটি বিষয় থাকছে। ২০১০ সালে চীনের গুয়াংজুতেই এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ পাকিস্তানের নারী ক্রিকেট দলের বিপক্ষে হেরে সোনা হাতছাড়া করেছিল। সে কারণেই এ ম্যাচটি এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো বিষয়।

২০১১-র নভেম্বরে বাংলাদেশ ক্রিকেটে মেয়েদের দল ওডিআই সার্টিফিকেট পায়। সেই সাফল্যের পর তারা এবারই প্রথম কোনো আমত্মর্জাতিক টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে খেলছে। ম্যাচটা বাংলাদেশের মেয়েদের জন্য খুব সহজ নয়। কারণ প্রতিপক্ষ পাকিস্তান কঠিন দল। ২০১১-র ওডিআই সার্টিফিকেটের মিশনে নিজ মাটিতে সালমার দল পাকিস্তানের বিপক্ষে হেরে ছিল মিরপুরে। তবে ২০১১ থেকে ২০১২, এক বছরে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের বেশ উন্নতি হয়েছে। এর প্রমাণও সালমারা দিয়েছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬২ রানে অলআউট হলে প্রতিপক্ষকে ৫৭ রানে অলআউট করার মধ্যে দিয়ে।

এবার টার্গেট পাকিস্তান। যদি বাংলাদেশ এ ম্যাচে জয়ী হয় তাহলে সালমাদের উন্নতির বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাবে। অবশ্য জয়ের জন্য বাংলাদেশের স্পিনের উপরই নির্ভর করতে হবে। কারণ বাংলাদেশের মেয়েরা এখনো পেস বোলিংয়ে আন্তর্জাতিক মানে পৌঁছুতে পারেনি।

চীনের গুয়াংজুতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১১টার এ ম্যাচের উদ্বোধন হবে।

Monday, October 29, 2012

ডেসটিনির দিদারুলের টাকা পাচারের কথা স্বীকার

ডেসটিনির দিদারুলের টাকা পাচারের কথা স্বীকার

ডেসটিনি-২০০০ এর পরিচালক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা দিদারুল আলমকে আট দিনের রিমান্ড শেষে আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। মহানগর হাকিম কেশব রায় ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।   

অন্যদিকে আসামিপক্ষে জামিন চান তার নিয়োজিত আইনজীবী সৈয়দ শাহ আলম। সিএমএম ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার দে  শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি মোশারফ হোসেন কাজল । তিনি বলেন, আসামি আজ আদালতে বিদেশে টাকা পাচারের বিষয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক  জবানবন্দি দিয়েছেন, তাই তাকে জামিন দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

আসামিপক্ষের আইজীবী শাহ আলম জবাবে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ এ আসামি ডেসনিটির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড বিল্ডার্সেরও নির্বাহী কমকর্তা । তিনি প্রতি মাসে দুই লক্ষ টাকা হিসেবে এ পর্যন্ত ৯২ লক্ষ টাকা বেতন হিসেবে উত্তোলন করেন। তিনি ডেসটিনির একজন কর্মকর্তা মাত্র। 

২০ অক্টোবর শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মহাখালী ডিওএইচএসে নিজের ব্যবসায়িক কার্যালয় থেকে দিদারকে গ্রেফতার করা হয়।

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। ওই মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারও আসামি।

অর্থ পাচারের ওই দুই মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মো. হোসেন বর্তমানে কারাবন্দি। দুই মামলায় ১৮ দিনের হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

ডেসটিনির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এই দুই মামলায় কারাগারে গেলেও পরে উচ্চ আদালত তাকে জামিন দেয়।

দিল্লিতে খালেদা-মনমোহন বৈঠক::পানির হিস্যা দাবি

দিল্লিতে খালেদা-মনমোহন বৈঠক::পানির হিস্যা দাবি

বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। নয়াদিল্লির ৭ রেসকোর্স রোডে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সোমবার দুপুর সাড়ে বারোটায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠককালে ভারতের কাছে অভিন্ন নদীগুলোর পানির হিস্যা
দাবি করেন বেগম খালেদা জিয়া। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয় ছাড়াও আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শমসের মবিন চৌধুরী, উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান ও সাবিহউদ্দিন আহমেদ।

প্রধানমন্ত্রী মনমোহনের সঙ্গে ছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিব শঙ্কর মেনন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পুলক চ্যাটার্জি ও পররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাই।

বৈঠকের পর ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন বেগম খালেদা জিয়া।

আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে ভারতের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন খালেদা জিয়া। এটি হবে কোনো বিদেশী নেতার সঙ্গে নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বৈঠক।

গতকাল রোববার ভারত সরকারের আমন্ত্রণে এক সপ্তাহের সফরে নয়াদিল্লি গেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন। গতকাল বিকেলেই তিনি ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে সীমান্তে হত্যা বন্ধের দাবি জানান তিনি।

ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গেও বৈঠকে মিলিত হবেন তিনি।

সব শেষে আজমির শরিফ জিয়ারত করে ৩ নভেম্বর দেশে ফিরবেন খালেদা জিয়া।

নারায়ণগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ঢল

নারায়ণগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের ঢল

নারায়ণগঞ্জ: ঈদের ছুটিতে নারায়ণগঞ্জের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে টানা তিন দিন পর্যটকদের ঢল নেমেছে। নগর জীবনের ছক বাঁধা এক ঘেয়েমি থেকে বের হয়ে ছুটির অবসাদে প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটানোর জন্য সোনারগাঁ জাদুঘর, বাংলার তাজমহল ও পানাম সিটিসহ সোনারগাঁয়ের দর্শনীয় স্থানগুলো বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর পদচারনায় মূখোর ছিল।

ঈদের ৩য় দিন সোমবার লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন (সোনারগাঁ জাদুঘর), বাংলার তাজমহল, সোনারগাঁওয়ের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো এবং রূপগঞ্জের জিন্দা পার্ক, পনড গার্ডেন, রাসেল পার্ক, বিভিন্ন বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশুদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

এছাড়া ফতুল্লার পাগলা মেরী এন্ডারসন, হাজীগঞ্জ দূর্গ, বন্দরের সোনাকান্দা দূর্গ। এসব পর্যটন এলাকা দর্শনার্থীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়।

লোক কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বর ও বাংলার তাজমহলের ভেতরের সাজ-সজ্জা ছিল এবারের ঈদে পর্যটকদের বাড়তি আর্কষণ। এছাড়া কারুশিল্প ফাউন্ডেশন তিন দিনব্যাপী বাউল গানের আসরসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সংশি¬ষ্ট সূত্রে জানা যায়, এবারের ঈদুল আজহার ছুটিতে সবচেয়ে বেশি পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের নির্মিত বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনে ও সোনারগাঁয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চল পেরাব এলাকায় বাংলার তাজ মহলে।


অনেক পর্যটক সোনারগাঁওয়ে লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরের লেকে প্রিয়জনদের সঙ্গে নিয়ে নৌকা দিয়ে বেড়ানোর মাধ্যমে এ ঈদের আনন্দ উপভোগ করেছেন। শিশু-কিশোররা নাগর-দোলায় দোল খেয়ে ঈদ আনন্দ উপভোগ করেছেন।

তাছাড়া  দর্শনাথীদের আনন্দ বিনোদনের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। দর্শনার্থীরা তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে  উপভোগ করছেন এসব আনন্দ বিনোদন। আগত দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরের ভেতর কারুপল্লীতে জামদানী শাড়িসহ নানা ধরনের হস্তশিল্প সামগ্রী কেনার সুযোগও রয়েছে। ঈদের দিন বন্ধ থাকার পর ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল থেকে দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হয় সোনারগাঁও জাদুঘর।

সোমবার জাদুঘরে ঘুরতে আসা দর্শনাথীদের চাপে জাদুঘরের আশপাশের সড়ক গুলোতে যানজটের সৃষ্টি হতে দেখা যায়। তাছাড়া কিছু দর্শনার্থী যানবাহনে বেশি ভাড়া ও খাবারের চড়া মূল্য আদায়ের অভিযোগ করেছেন।

তবে সবকিছু ছাপিয়ে শেষ পর্যন্ত পরিবার পরিজন নিয়ে কিছু সময় আনন্দে কাটানো যাবে এতেই খুশি আগত দর্শনার্থীরা।

এদিকে বাংলার তাজমহলেও একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে, সারাদেশ থেকে আসা হাজারো দর্শনার্থীর ভিড়ে তাজমহলে যাওয়ার রাস্তাগুলোতে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট। যানজটের কবলে পড়ে শত শত পরিবহন যাত্রী ও পর্যটকরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। তবুও এখানে আসা দর্শনাথীদের আনন্দের কোনো কমতি ছিল না।

সোনারগাঁওয়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে আসা অনেক দর্শনার্থীরা বলেন, সোনারগাঁওয়ের পর্যটন নগরীগুলোর আশপাশের রাস্তাগুলো সরু হওয়ায় ও সংস্কার কাজ না করায় প্রতিনিয়ত এখানে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এ সবের নিরসন দরকার।

বাংলার তাজমহলের প্রতিষ্ঠাতা, চিত্র পরিচালক, শিল্পপতি আহসান উল্লাযাহ মনি বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, প্রতি বছরই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে বাংলার তাজমহলে পর্যটকদের ঢল নামে। এ বছরও ঈদুল আজহায় তার ব্যতিক্রম ঘটেনি।

তিনি আরো জানান, তাজমহলের আশপাশে পর্যটকদের বিনোদন বাড়িয়ে দিতে ফিল্ম সিটিসহ আরো নতুন নতুন বিনোদন পার্ক, পিরামিড, হারিকেনের আদলে বিশ্ববিদ্যালয়, আইফেল টাওয়ার নির্মাণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের পরিচালক রবীন্দ্র গোপ বার্তা২৪ ডটনেটেকে জানান, পর্যটকদের ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দিতে কারুশিল্প ফাউন্ডেশন চত্বরকে সাজানো হয়েছে বর্ণিল সাজে। পর্যটকদের আনন্দ দিতে তিন দিনব্যাপী বাউল সঙ্গীতসহ নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন ছিল।

আগত পর্যটকরা বাউল গানের আসর উপভোগ করেন। প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর ঈদুল আজহার দিন থেকে টানা তিন দিন যাবত পর্যটকদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়।  

যুক্তরাষ্ট্রে ‘স্যান্ডি’ মোকাবিলায় ছয় রাজ্যে জরুরি অবস্থা

যুক্তরাষ্ট্রে ‘স্যান্ডি’ মোকাবিলায় ছয় রাজ্যে জরুরি অবস্থা

 ভয়ংকর হ্যারিকেন স্যান্ডি যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ অবস্থায় দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতির বিষয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

এছাড়া চয়টি অঙ্গরাজ্যে মেরিল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক, পেনসিলভানিয়া, ভার্জিনিয়া, ওয়াশিংটন ডিসি ও নর্থ ক্যারোলাইনায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।


এদিকে হারিকেন স্যান্ডির সম্ভাব্য আঘাত মোকাবিলায় নিউ ইয়র্ক গভর্নর এনড্র কোয়ামো সিটির বাস, রেল বা সাবওয়েসহ সব যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ঘোষণা করেছেন। রোববার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে।

নিউ ইয়র্ক সিটির কর্মকর্তারা হারিকেন স্যান্ডির ভয়াবহতা থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষার জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

নিউইয়র্কের মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ সাংবাদিকদের বলেন, “এটা একটি মারাত্মক ঝড়। প্রস্তুতি নিতে হবে।” ঝড়ের প্রভাবে গত কয়েক দিন মধ্য আটলান্টিকের মার্কিন উপকূল অশান্ত ছিল। ক্যারিবিয়ানে কমপক্ষে ৫৯ জনের প্রাণহানি ঘটিয়ে হারিকেন স্যান্ডি উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ায় সম্ভাব্য ঝড়ের আঘাত মোকাবিলায় শনিবার আমেরিকা সম্ভাব্য সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে।

এ ঝড়ে প্রায় ছয় কোটি মার্কিন নাগরিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে ফেডারেল এমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি।
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে এ ঝড়ের সময় নানা ধরনের দুর্ঘটনায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছে। ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় স্যান্ডিকে ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টর্ম’ নামে ডাকতে শুরু করেছেন আবহাওয়াবিদরা। ঝড়টি ঘণ্টায় ২১ কিলোমিটার বেগে উত্তর-পূর্ব দিকে এগোচ্ছে। এর আশেপাশে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় প্রায় ১২০ কিলোমিটার। লং আইল্যান্ডের অধিকাংশ জায়গা , আটলান্টিক সিটিসহ বেশ কটি গুরুত্বপুর্ণ স্থান থেকে বিকেল চারটার মধ্যে সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নিউ জার্সি, কানেক্টিকাট, বস্টনসহ প্রায় ১০০০ বর্গমাইল এলাকা এলাকা জুড়ে হারিকেন স্যান্ডি ব্যাপক ক্ষতি সাধন করতে পারে বলে এই সাবধানতা নেয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ধেয়ে আসা স্যান্ডির কারণে আগামী ৬ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রচারাভিযানের সময়সূচি বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা, বাদ দিতে হচ্ছে আরো অনেক কর্মসূচিও।

ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের কয়েকটি দেশে আঘাত হানার পর যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম তীরের দিকে এগিয়েছে শীতকালীন ঝড় স্যান্ডি। বর্তমানে প্রচারণা অভিযান চলতে থাকা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা আটটি অঙ্গরাজ্যের দুটি এ ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের মধ্যে পড়েছে।

ওবামার প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মিট রমনি দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রোববার ভার্জিনিয়া প্রচারণা অভিযান বাতিল করেন। পরে ওহাইওর দিকে রওনা দেন তিনি।
ওদিকে, হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ডেমোক্র্যাটিক প্রার্থী বারাক ওবামা ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য সোমবার ভার্জিনিয়া ও মঙ্গলবার কলোরাডোয় প্রচারণা কর্মসূচি বাতিল করেছেন।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও দুর্যোগ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে উপকূলীয় অঙ্গরাজ্য ভার্জিনিয়ায় প্রচারণা কর্মসূচি বাতিল করেছেন। অন্যদিকে, শনিবার আরেক উপকূলীয় অঙ্গরাজ্য মেরিল্যান্ডে আগাম ভোট দেওয়ার জন্য ভোটকেন্দ্রগুলোতে অনেক ভোটারকে ভিড় করতে দেখা যায়। ওহাইও, ফ্লোরিডার মতো গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঙ্গরাজ্য ঘূর্ণিঝড়ে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় এসব এলাকায় দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি ও ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী পরিস্থিতি ৬ নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সাগর-রুনি হত্যার তদন্তকাজ শিগগিরই শেষ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাগর-রুনি হত্যার তদন্তকাজ শিগগিরই শেষ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ‘সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কাজ শিগগিরই শেষ করা হবে।’

সোমবার দুপুরের তিনি চাঁদপুরের কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজের একটি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যথাযথ তদন্তসাপেক্ষে দোষীদের খুঁজে বের করার জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আমি এই বিষয়টি ইতোমধ্যে সাংবাদিকদের জানিয়েছি। অচিরেই এই তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারব।

এর আগে মন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে আলোচনা সভায় অংশ নেন। একই দিন সকালে তিনি নারায়ণপুর ডিগ্রি কলেজের একটি ভবনের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

চার দিনের সফরে গত ২৬ অক্টোবর নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার দুপুরে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে কচুয়া ত্যাগ করেন।

মিয়ানমারে মত প্রকাশের অধিকার

মিয়ানমারে মত প্রকাশের অধিকার

 

মিয়ানমারে এখন অনেকেই প্রার্থনার সময় বলেন, ‘‘এমন মুক্ত হাওয়া ভবিষ্যতেও যেন থাকে৷’’ তাদের এই প্রার্থনা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে৷

ইয়াঙ্গুনের ঐতিহ্যবাহী শোয়েদগাও বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়ে কোথায় তারা সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন, তা নয়,  অনেকেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন মিয়ানমারের বর্তমান সরকারের প্রতি! কারণ তারা যে এখন কিছুটা হলেও প্রাণ খুলে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারছেন, যেটি কিছুদিন আগেও সম্ভব ছিল না। দাবি আদায়ের জন্য মিছিল দূরের কথা, একটু জোরে কোনো সমস্যার কথা কোথাও বলেছেন তো পাকড়াও করবে এসে পুলিশ– এমনই ছিল অবস্থা৷

সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি যে অনেক ভালো সে কথা মিয়ানমারের এক নারী চিকিৎসকও মানেন৷ তবে এখনো নিজের নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়েই তিনি বলেন বদলে যাওয়া অবস্থার কথা৷ এখন যে সাংবাদিকরা অনেক স্বাধীন, কৃষকরা তাদের সমস্যার কথা সম্মিলিতভাবে প্রকাশ্যে জানাতে পারছেন – এর পেছনে ইন্টারনেট, রেডিও, ইউটিউবকে কৃতিত্ব দিলেন তিনি৷

তার মতে, ‘‘আমার মনে হয় লোকজন ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের বাইরে বিশ্বের কোথায় কী কী হচ্ছে তা বিস্তারিতভাবে জানতে পারেন৷ ওভাবে বাইরের খবর জেনে এবং নিজ দেশের অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে বুঝতে পারেন যে নিজেরা কেমন আছেন৷ তখন অবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগও আসে৷''

মিয়ানমারে অবশ্য আরব বসন্তের মতো প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনো গণজোয়ার আসেনি৷ তারপরও সেখানে সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে উদারতা দেখিয়েছে৷ আগে সাংবাদিকরা স্পর্শকাতর কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করলে প্রচারের আগে সরকারের অনুমতি নিতে হতো ৷ সম্প্রতি সরকার জানিয়েছে,  তার আর দরকার নেই৷
দ্য মিয়ানমার টাইমস-এর এক সাংবাদিক জানালেন, এ ঘোষণার পরও সরকার সংবাদমাধ্যমের ওপর ঠিকই কড়া নজর রাখছে৷ আগে রিপোর্ট জমা দিতে হতো, আপত্তি থাকলে প্রচার করা যেত না৷ কিন্তু এখন প্রচারের পর যদি দেখা যায় যে আপত্তিকর কিছু আছে, তাহলে মামলা ঠুকে দেয়া হয়৷
এ অবস্থাকেও বড় উন্নতি হিসেবেই দেখছেন ওই সাংবাদিক৷ কয়েক বছর আগে সাংবাদিকরা চায়ের দোকানে সরকারের সমালোচনা করলেও ধরে নিয়ে যেত পুলিশ৷ এখন সেখানে তুমুল আড্ডা জমে, সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেও গ্রেপ্তার হতে হয় না– এটাই বা কম কিসে! সূত্র: ডয়েচে ভেলে

পুকুরে ডুবে বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট

পুকুরে ডুবে বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু ::

কক্সবাজার শহরে মোহাজেরপাড়ায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসে পুকুরের পানিতে ডুবে মুরছালিম করিম নামে এক বুয়েট শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার দুপুর দুইটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মুরছালিম করিম চট্টগ্রাম অক্সিজেন এলাকার জিল্লুর করিমের ছেলে। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের প্রথম বষের্র শিক্ষার্থী ছিলেন।

এ বিষয়ে মুরছালিমের নানা আব্দুর রাজ্জাক জানান, ঈদের ছুটিতে রোববার সকালে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার বেড়াতে আসেন মুরছালিম। দুপুর দুইটার দিকে পুকুরে গোসল করতে যেয়ে ডুবে যান। পরে আত্মীয়স্বজনরা উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আজ লক্ষ্মীপূজা

আজ লক্ষ্মীপূজা

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ঐশ্বর্যের দেবী লক্ষ্মীর পূজা আজ। এ উপলক্ষে হিন্দু নারীরা উপবাস ব্রত পালন করবেন।


শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা লক্ষ্মীপূজা করে থাকেন। প্রতিটি ঘরে লক্ষ্মী ধন-সম্পদ তথা ঐশ্বর্যের দেবী হিসেবে পূজিত হন।


লক্ষ্মী হলেন হিন্দু সম্প্রদায়ের ধনসম্পদ, ঐশ্বর্য, উন্নতি (আধ্যাত্মিক ও পার্থিক), আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দর্যের দেবী।


দিনটি উপলক্ষে সারা দেশের বিভিন্ন মন্দির ও মণ্ডপের পাশাপাশি হিন্দু সম্প্রদায়ের ঘরে ঘরে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ ও অতিথি আপ্যায়ন করা হবে। পূজা-অর্চনার পাশাপাশি ঘরবাড়ির আঙিনায় আঁকা হবে লক্ষ্মীর পায়ের ছাপের আলপনা। সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রদীপ প্রজ্জলন করা হবে।

রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠ মন্দির, পঞ্চানন্দ শিব মন্দির,গৌতম মন্দির, রাধামাধব বিগ্রহ মন্দির, রাধা গোবিন্দ জিও ঠাকুর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির এবং পুরান ঢাকার শাঁখারিবাজার, তাঁতীবাজার, সূত্রাপুর, ফরাশগঞ্জ, লক্ষ্মীবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘরোয়া পরিবেশে লক্ষ্মীপূজার বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।

 

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন

আজ বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন
সোমবার ২৯ অক্টোবর বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্মদিন। ১৯৪১ সালের এই দিনে তিনি পুরান ঢাকার ১০৯ আগা সাদেক রোডের পৈতৃক বাড়ি ‘মোবারক লজ’-এ জন্মগ্রহণ করেন। মা সৈয়দা মোবারুকুন্নেসা৷ বাবা মৌলবি আব্দুস সামাদ৷ তিনি পেশায় ছিলেন ঢাকা কালেক্টর অফিসের সুপার৷

নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে ছিল তাদের পৈতৃক নিবাস৷ নয় ভাই দুই বোনের পরিবারে জন্ম নেয়া মতিউর ছিলেন অষ্টম৷ ছেলেবেলা থেকেই তিনি সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, দুরন্ত, ডানপিটে৷ ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণীতে তার শিক্ষাজীবন শুরু ৷ ১৯৬০ সালে মতিউর কৃতিত্বের সঙ্গে প্রথম বিভাগে মেট্রিক পাস করলেন ডিস্টিংশনসহ৷ এরপর ১৯৬১ সালের আগস্টের ১৫ তারিখে তিনি রিসালপুরে পাকিস্তানি বিমান বাহিনীর একাডেমিতে ফ্লাইট ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন জিডি পাইলট কোর্সে৷

মতিউর ছিলেন একজন চৌকস ক্যাডেট৷ তার একাগ্রতা, ইচ্ছা আর মেধা দিয়ে তিনি এগিয়ে গেলেন ৷ ১৯৬৭ সালে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হিসেবে পদোন্নতি হয় মতিউর রহমানের৷ ১৯৬৮ সালের ১৯ এপ্রিল বিয়ে করেন এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে মিলি খানকে৷ বিয়ের কয়েকদিন পরেই মতিউর চলে যান পাকিস্তানের চাকলালা বিমানঘাঁটিতে৷ ১৯৬৯ সালের ২৩ এপ্রিল জন্ম হয় এ দম্পতির প্রথম কন্যা মাহিনের৷ শহীদ হওয়ার পর বিজয় দিবসের মাত্র ২ দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর,১৯৭১ জন্ম হয় মতিউরের দ্বিতীয় সস্তান তুহিনের৷

১৯৭১ সালের শুরুতে সারা দেশ যখন উত্তাল, তখন জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মতিউর সপরিবারে দুই মাসের ছুটিতে আসেন ঢাকা৷ ২৫ মার্চের কালরাতে মতিউর ছিলেন রায়পুরের রামনগর গ্রামে৷ তিনি আর স্থির থাকতে পারলেন না৷ পাকিস্তান বিমান বাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট হয়েও অসীম ঝুঁকি ও সাহসিকতার সাথে ভৈরবে একটি ট্রেনিং ক্যাম্প খুললেন৷ যুদ্ধ করতে আসা বাঙালি যুবকদের প্রশিক্ষণ দিতে থাকলেন৷ মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা অস্ত্র দিয়ে গড়ে তুললেন একটি প্রতিরোধ বাহিনী৷ পরে মতিউর ১৯৭১ সালের ৯ মে সপরিবারে করাচি ফিরে যান৷


এদিকে দুই মাসের ছুটিতে এসে চার মাস পেরিয়ে গেছে ততদিনে৷ করাচি পৌঁছে মতিউর লক্ষ করলেন বাঙালি অফিসারদের সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে৷ তাকেও তার নিজের দায়িত্ব না দিয়ে দেয়া হলো ফ্লাইট সেফটি অফিসারের দায়িত্ব৷ মতিউরের চিন্তা তখন কেবল একটি বিমানের৷ তিনি পরিকল্পনা শুরু করেন৷ সহকর্মীদের সাথে স্বাভাবিক ব্যবহার করছেন আর খুঁজছেন সুযোগ৷ পিআইএর একটি বিমান হাইজ্যাকের পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর বাঙালি অফিসারদের ওপর কড়া নজর রাখা শুরু হয়৷ বাঙালি পাইলটদের আকাশে উড্ডয়নের অনুমতি বাতিল করা হয়৷

মতিউর তখন করাচির মশরুর বিমানঘাঁটির বেস ফ্লাইট সেফটি অফিসার৷ এর আগে মতিউর ছিলেন ফ্লাইট ইন্সট্রাকটর৷ ছাত্রদের বিমান চালনার প্রশিক্ষণ দিতেন তিনি৷ তার অনেক পাকিস্তানি ছাত্রের একজন রশিদ মিনহাজ৷ সে পুরাতন ছাত্র৷ মতিউর জানতেন, সে একা আকাশে উড্ডয়নের অনুমতি পাবে৷ তাই তিনি তাকে টার্গেট করেন৷ ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট শুক্রবার৷ ফ্লাইট শিডিউল অনুযায়ী মিনহাজের উড্ডয়ন আজ৷ মতিউর পূর্ব পরিকল্পনামতো অফিসে এসে শিডিউল টাইমে গাড়ি নিয়ে চলে যান রানওয়ের পূর্ব পাশে৷ সামনে পিছনে দুই সিটের প্রশিক্ষণ বিমান টি-৩৩, রশিদ মিনহাজ বিমানের সামনের সিটে বসে স্টার্ট দিয়ে এগিয়ে নিয়ে আসছে৷ এবার মতিউরের পালা৷ মতিউর হাত তুলে বিমান থামালেন৷ হাতের ইশারায় বোঝানোর চেষ্টা করলেন, বিমানের পাখায় সমস্যা৷

রশিদ মিনহাজ বিমানের 'ক্যানোপি' খুলতেই মতিউর তাকে ক্লোরোফর্ম দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে বিমানের পেছনের সিটে লাফিয়ে উঠে বসলেন৷ কিন্তু জ্ঞান হারাবার আগে মিনহাজ বলে ফেললেন, 'আই হ্যাভ বিন হাইজ্যাক্ড৷' ছোট পাহাড়ের আড়ালে থাকায় কেউ দেখতে না পেলেও কনট্রোল টাওয়ার শুনতে পেল তা৷ বিমানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতিউর বিমান নিয়ে ছুটে চললেন৷ রাডারকে ফাঁকি দেবার জন্য নির্ধারিত উচ্চতার চেয়ে অনেক নিচ দিয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন তিনি৷ যদিও ততক্ষণে এফ ৮৬ ও একটি হেলিকপ্টার তাকে ধাওয়া করা শুরু করে কন্ট্রোল টাওয়ারের নির্দেশে৷

বিমানটি যখন ভারতীয় সীমান্তের দিকে যাচ্ছে তখন মিনহাজের জ্ঞান ফিরে আসে এবং সে বাধা দিতে চেষ্টা করে ৷ সীমান্ত থেকে মাত্র দুই মিনিট দূরত্বে সিন্ধু প্রদেশের জিন্দা গ্রামে বালির ঢিবির উপর আছড়ে পড়ে ব্লুবার্ড-১৬৬ ৷ ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট দেশের জন্য শহীদ হন আমাদের এই বীর সন্তান মতিউর৷ মতিউরের বিমান হাইজ্যাকের স্বপ্ন সফল হলো না৷

এরপর মতিউর ও মিনহাজের লাশ উদ্ধার করা হয় এবং কোনো প্রকার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া মসরুর বিমানঘাঁটিতে চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের জন্য নির্ধারিত স্থানে মতিউরের লাশ দাফন করা হয়৷ তাঁর কবরে লেখা হয় 'গাদ্দার' বা বিশ্বাসঘাতক৷ দীর্ঘ ৩৫ বছর পর ২০০৬ সালের ২৫ জুন তার দেহাবশেষ বাংলাদেশে আনা হয়৷ ২৬ জুন মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়৷ দীর্ঘ ৩৫ বছর অবহেলায় থাকলেও মতিউর ফিরে আসেন তার স্বপ্নের স্বাধীন দেশে৷ ঠাঁই পান এ দেশের মাটিতে৷

সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানীর বর্জ্য সরানোর নির্দেশ যোগাযোগমন্ত্রীর

সন্ধ্যার মধ্যে রাজধানীর বর্জ্য সরানোর নির্দেশ যোগাযোগমন্ত্রীর

রাজধানীর রাস্তাঘাট থেকে সন্ধ্যার মধ্যেই কোরবানির পশুবর্জ্য সরিয়ে ফেলতে সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার সকালে পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর তিনি এ নির্দেশ দিলেন ।

কোরবানির বর্জ্যের ফলে রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী হওয়ার বিষয়টি অনেক পুরনো বলে উল্লেখ করে যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে সরকার সাধ্যমতো চেষ্টা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অন্য বছরের চেয়ে এবার তাড়াতাড়ি বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। তবে সিটি করপোরেশন প্রশাসনে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকলে এ কাজ আরো দ্রুত হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শায়েস্তা খাঁ রোডের পাশে স্তূপীকৃত পশুবর্জ্য অপসারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদেরও নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

রাস্তাঘাট থেকে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের অগ্রগতি দেখতে ফুলবাড়িয়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাসস্ট্যান্ড থেকে থেকে লালবাগ এলাকা  পরিদর্শন করেন যোগাযোগমন্ত্রী ।
এছাড়া বাবুবাজার ব্রিজ ও সদরঘাট টার্মিনালও পরিদর্শন করে তিনি।

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে আগুন, আহত ১০

ফতুল্লায় গার্মেন্টসে আগুন, আহত ১০

 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার নয়ামাটি কুতুবাইল এলাকায় একটি রফতানিমুখী পোশাকশিল্প প্রতিষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভানোর সময় ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মীসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট সাত ঘণ্টা চেষ্টার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, ফতুল্লার ইউরো টেক্স লিমিটেড প্রতিষ্ঠানের ডাইং সেকশন থেকে রোববার রাত দুইটায় আগুন লাগে। ডাইং সেকশনে থাকা দাহ্য পদার্থ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তে  আগুন চারদিকে  ছড়িয়ে পড়ে। এতে ডাইং সেকশন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

পরে আগুন এক তলার বিদ্যুতের মোটা ক্যাবল দিয়ে গার্মেন্টসে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এসব ফ্লোরে গার্মেন্টসের বিপুল পরিমাণ শিপমেন্টের মালের কার্টন, কাটিং, ফিনিশিং সেকশন ও গোডাউন ছিল।

ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি ফায়ার স্টেশনের দশটি ইউনিটের শতাধিক কর্মী সাত ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুনে বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক, কাপড় ও মেশিন পুড়ে গেছে। আগুন নেভাতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীসহ দশজন আহত হয়েছেন। আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে মালিকপক্ষ ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি।

এ ব্যাপারে ইউরো টেক্স গার্মেন্টস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শহিদুল ইসলাম জানান, গার্মেন্টস কারখানাটি ইসলামী ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঋণ নিয়েছে। গার্মেন্টসটি প্রায় একশ কোটি টাকার প্রকল্প। আগুনে এর বেশির ভাগই পুড়ে গেছে।


ঢাকা বিভাগের ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. জহিরুল আমিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট প্রায় সাত ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্তসাপেক্ষ ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ বলা যাবে।

টাঙ্গাইলে বাস খাদে, নিহত ১০

টাঙ্গাইলে বাস খাদে, নিহত ১০

 রোববার রাতে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী এলাকায় চারাভাঙ্গা ব্রিজের রেলিং ভেঙে বাস খাদে পড়ে যায়। এতে ১০ জন মারা যান এবং প্রায় ৪০ জন আহত হন।

ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুরের মাদারগঞ্জগামী একটি যাত্রীবাহী বাস রাত একটার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর মহাসড়কের ধনবাড়ীর চারাভাঙ্গা সেতুতে ওঠে। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়।

এতে বাসের চালকসহ ১০ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরো ৪০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ২০ জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১২ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন: মাদারগঞ্জের এলাহি বাজার গ্রামের নাসির (৩৫) ও ধনবাড়ীর বানিয়াজান গ্রামের রফিকুল (৪৫)।
ধনবাড়ী থানার ওসি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা উদ্ধারকাজ শুরু করেন। উদ্ধারকাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে পরে মধুপুর উপজেলার পুলিশ ও দমকলবাহিনীকে ডাকা হয়। পুলিশ ও দমকলবাহিনীর দুটি দল সেখানে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের জাতিগত দাঙ্গা-হাঙ্গামা সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে, সে সমস্যা যেন আর না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে।’

সোমবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আমরা আশা করি, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থা নেবেন মিয়ানমার সরকার। তাদের যে মূল সমস্যা আছে তা খুঁজে বের করে সমাধান করবেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা মিয়ানমারের কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যেও যাতে সমস্যা না হয়। সবাই যাতে অধিকার ও সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারেন।

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি এবং গ্রেফতার

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি এবং গ্রেফতার

ফেসবুকের অর্ধেক মালিকানা দাবি করে ফেঁসে গেছেন ব্রিটেনের এক ব্যবসায়ী। অভিযোগ করে নিজেই জড়িয়ে গেলেন প্রতারণা মামলায়। নিউইয়র্কে বসবাসরত এই ব্যবসায়ীর নাম পল সিগলাই।

মিথ্যা অভিযোগ করে ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে নাজেহাল করার অভিযোগে নিউইয়র্কের ওয়েলেসভিলের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন সিগলাই। এরপর শুক্রবার বিকেলে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

এ সম্পর্কে যুক্তরাজ্যর এটর্নি প্রিট ভারারা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আদালতই সিগাইর পরিণতি ঠিক করবে।  

জানা গেছে, ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে সিগলাইর ফ্যাক্স ব্যবসায়ের প্রোগ্রামিং তৈরি করতে সম্মতি জানিয়েছিলেন ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। তার দাবি, ওই সময় ফেসবুক ধরনের একটি প্রোগ্রামিং নিয়েও কথা হয়েছিল। দুই পৃষ্ঠার একটি চুক্তিও হয়েছিলো। কিন্তু জুকারবার্গ পরে নিজেই এ ব্যবসা শুরু করেছেন। তাই আইনগতভাবে ফেসবুকের  অর্ধেক মালিকানার দাবিদার তিনি। এ বিষয়ে তিনি আদালতে একটি অভিযোগনামা দাখিল করে জুকারবার্গ বরাবর একটি দাবিনামাও পাঠান।

তবে বরাবরই আইডিয়া চুরির এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জুকারবার্গ। তিনি বলেছেন, ওই সময় ফেসবুকের আইডিয়া নিয়ে কোনো কথা হয়নি। তখন যে চুক্তিটি হয়েছিলো তা হচ্ছে স্ট্রিট ম্যাপিং সফটওয়্যার ডেভেলপসেন্ট নিয়ে।

আদালতে দায়েরকৃত অভিযোগনামার সাথে উপস্থাপিত চুক্তিপত্রটিতে জালিয়াতি করে প্রকৃত তথ্য আড়াল করার অপচেষ্টার নজির পেয়েছে বিচারক। চুক্তিপত্রটি যাচাই-বাছাই শেষে আদালতের নির্দেশে সিগলাইকে গ্রেপ্তার করেছে স্থানীয় পুলিশ।


চার সূর্যবিশিষ্ট নতুন গ্রহের সন্ধান

চার সূর্যবিশিষ্ট নতুন গ্রহের সন্ধান

বিজ্ঞানীরা আরো একটি গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন বলে জানা গেছে। নতুন এ গ্রহের আকাশে চারটি সূর্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার নেভাদা অঙ্গরাজ্যের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জ্যোতির্বিদ। চার সূর্যবিশিষ্ট এ ধরনের গ্রহের এই প্রথম সন্ধান পাওয়া গেল।

পৃথিবী থেকে এই গ্রহটির অবস্থান পাঁচ হাজার আলোকবর্ষ দূরে। গ্রহ অনুসন্ধানকারীদের সম্মানার্থে বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন পিএইচ১।

নতুন গ্রহ পিএইচ১ দুটি সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হচ্ছে। এছাড়া কিছু দূরত্বে রয়েছে আরো দুটি নক্ষত্র। পিএইচ থেকে এ দুটি নক্ষত্রের দূরত্ব পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্বের চেয়ে অন্তত এক হাজার গুণ বেশি।

সোমবার নেভাদার ডিভিশন ফর প্লানেটারি সায়েন্স অব দ্য আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বার্ষিক বৈঠকে এ বিষয়ে গবেষণাপত্র জমা উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে এ ধরনের কোনো গ্রহ আবিষ্কৃত হয়নি, যার আকাশে চারটি সূর্য আছে। এর আগে ছয়টি গ্রহ পাওয়া গেছে যাদের আকাশে আছে দুটি করে সূর্য আছে। মার্কিন বিজ্ঞানী কিয়ান জেক এবং রবার্ট গ্যাগলিয়ানো সর্বপ্রথম পিএইচ১-এর সন্ধান পান। পরে তাদের এ দাবিকে সমর্থন করেন হাওয়াইয়ে কর্মরত একদল ব্রিটিশ ও মার্কিন গবেষক।

পৃথিবীর চেয়ে ৬.২ গুণ বড় ব্যাসার্ধ রয়েছে নতুন এ গ্রহের আর নেপচুনের চেয়ে সামান্য বড় পিএইচ১। এর গঠন প্রক্রিয়া এবং জলবায়ুর ক্ষেত্রে এ গ্রহ কী ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে এখন তা খুঁজে দেখবেন বিজ্ঞানীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

সালমানের জন্য চেতন

সালমানের জন্য চেতন

 ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের জনপ্রিয়তম লেখক চেতন ভগত নতুন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন। এবার তার অভিষেক ঘটতে চলেছে রুপোলি জগতে। সালমান খানের আগামী সিনেমা `কিক`-এর চিত্রনাট্য লিখছেন তিনি।

ভগত ছিলেন ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার। তারপর হলেন বেস্টসেলার লেখক।ওখান থেকে এক লাফে চিত্রনাট্যকার। আগের দুই ভূমিকাতেই চেতন অত্যন্ত সফল। লেখক হিসেবে ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের মানেই বদলে দিয়েছেন। তৈরি করেছেন ঝরঝরে ভাষার এক নতুন ঘরানার। তার লেখায় নেই ভাবনাচিন্তার বিশেষ অবকাশ। নেই ব্যাকরণের চোখরাঙানি। তাই ইংরেজিতে বিশেষ বুৎপত্তি না থাকলেও চেতনের লেখা আস্বাদন করা যায়। এ গুণের কারণেই চেতন ভারতে ইংরেজি বইয়ের পাঠকেরসংখ্যাও বাড়িয়েছেন কয়েক গুণ। এমনকি তাকে দেখেই সাহিত্যচর্চা শুরু করেছেন বহু লেখক।

তাই চেতন যখন চিত্রনাট্যকারের ভূমিকায় এলেন, তখন সিনেমায় তার লেখার ম্যাজিক ঠিক কতখানি চলে তা নিয়ে উৎসুক সবাই।

তবে বলিউডের সঙ্গে তার যোগাযোগটা নতুন নয়। এর আগেও তার উপন্যাসটি `ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান` নিয়েই হয়েছে `থ্রি ইডিয়টস`-র মতো দুর্দান্ত ছবি। `ওয়ান নাইট এট কল সেন্টার` অবলম্বনে সালমান খান তৈরি করেছেন ` হেলো`। তার আর এক বেস্টসেলার বই `থ্রি মিসটেকস অব লাইফ`ও পর্দায় প্রকাশের মুখে।

 কিন্তু এগুলোর কোনোটিরই চিত্রনাট্য লেখেননি তিনি। এবারই প্রথম সরাসরি হাত দিলেনি চিত্রনাট্য  তৈরিতে।

সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার পরিচালনায় `কিক`-এর চিত্রনাট্য লেখার সুযোগ পেয়ে তাই বেশ খুশি চেতন। টুইটারে তিনি জানিয়েছেন `কিক্`-এর চিত্রনাট্য লেখার সুযোগ পেয়ে আমি ভীষণ খুশি। চিত্রনাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের এর চেয়ে ভালো মঞ্চ পেতাম না। ছবিটি যেহেতু একটি তেলেগু সিনেমার রিমেক, তাই মূল সুর বজায় রেখে বেশ কিছু পরিবর্তন থাকছে এতে। এই সিনেমাটা নিয়ে আমি খুব আশাবাদী।

 এই সিনেমায় সালমানের ভূমিকা অনেকটা রবিন হুডের মতো। ভালো পরিবারের ভালো ডাকাত। দুষ্টু লোকদের কাছ থেকে টাকা পয়সা কেড়ে নিয়ে গরিবদের মধ্যে বিলিয়ে দেয়। এখন দেখা যাক রবিন হুডের বলিউডি সংস্করণ চেতনের কলমের খোঁচায় কতটা ব্যবসা করতে পারে। সূত্র: ওয়েবসাইট

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

 “মস্তিষ্কে টিউমার সৃষ্টির সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি যোগসূত্র রয়েছে” বলে রায় দিয়েছেন ইতালির সুপ্রিম কোর্ট ।

 ৬০ বছর বয়সী সাবেক ব্যবসায়ী ইননোসেন্টে মার্কোলিনি এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার আরজিতে তিনি বলেন, “দিনে প্রায় ছয় ঘণ্টা করে ১২ বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে তার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে। ফলে তার মুখমণ্ডল আংশিকভাবে অবশ হয়ে গেছে।”

শুনানির পর ইতালির কোর্ট তার রায়ে বলেন, “মস্তিষ্কে ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি সম্পর্ক আছে।” ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অ্যানজিনো জিনো লেভিস আদালতে এ মামলার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি এ রায়কে 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বিদ্যুত-চৌম্বকীয় তরঙ্গমালা ও টিউমার হওয়ার মধ্যে সম্পর্কের কথা এ রায়ের মাধ্যমে মেনে নেয়া হলো।”

মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসছে এবং তাদের বক্তব্য প্রমাণ করার জন্য অনেক গবেষণায় তহবিলের জোগানও দিয়েছে বলে জানান তিনি। অধ্যাপক লেভিস আরো বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহার মস্তিষ্কে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা যে বাড়িয়ে দেয়, এ রায়ের মাধ্যমে সে কথাই প্রমাণিত হলো।

নজির সৃষ্টিকারী এ রায়ের পথ ধরে আরো হাজার হাজার মামলা শুরু হতে পারে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর আগে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের তালিকায় মোবাইল ফোনের নাম লিপিবদ্ধ করেছে। সূত্র: রেডিও তেহরান

দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির আমেজ

দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীতে কোরবানির আমেজ

ঈদের দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীর অনেক অলিগলিতে দেয়া হয়েছে পশু কোরবানি। শহর ঘুরে দেখা যায়, অনেক এলাকাতেই কোরবানির আমেজ কাটেনি এখনও।

গতকাল ঈদের দিনেও বিভিন্ন হাটে কোরবানিকে কেন্দ্র করে বেপারিদের পশু বিক্রি করতে দেখা গেছে।

সকাল থেকেই ধানমন্ডি, আদাবর, মিরপুর, কাফরুল, গাবতলী, পুরান ঢাকার লক্ষ্মীবাজার, তাঁতীবাজার. নয়াটোলা, আরমানীটোলা, সদরঘাট ঘুরে দেখা যায়, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও পশুর কোরবানি দেয়া হচ্ছে।

পুরান ঢাকায় আদি ঐতিহ্য হিসেবেই পশু কোরবানির রেওয়াজ থাকায় রাজধানীর অন্য এলাকার চেয়ে এদিন ঈদের আমেজ ছিল ভিন্ন রকম।

পুরান ঢাকার নাসির মোল্লা আজ রোববার সকালে তার পশু কোরবানি দিয়েছেন। তিনি জানান, “ঈদের দিন পশু কোরবানি দিতে হলে অতিরিক্ত চাপ নিতে হয়। কসাই ও লোকবলের অভাব থাকে। তাই আজ কোরবানি দিয়েছি।”

ধানমন্ডি পাঁচ নম্বরের আফজাল চৌধুরী আজ সকালে তার কেনা পাঁচটি গরুর মধ্যে তিনটি গরু কোরবানি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ ঈদের দিন দুটি গরু কোরবানি করে গরিব-দুখী মানুষদের মাঝে মাংস বণ্টন করেছি। আজ কোরবানি দেয়া গরুর মাংসের অর্ধেক অংশ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বণ্টন করব। নিজেদের জন্য বাকি অর্ধেক রেখে দেব।”

তিনি আরো বলেন, “ ঈদের দিন কোরবানি দেয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য। জবাই দেয়ার জন্য পর্যাপ্ত মানুষ পাওয়া যায় না। তাই ঈদের দ্বিতীয় দিনেই জবাই দেয়াটা সুবিধাজনক।”

সরকার ধর্ম ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো আঘাত পছন্দ করে না: প্রধানমন্ত্রী

সরকার ধর্ম ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো আঘাত পছন্দ করে না: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন ধর্মীয় সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী বলে তার সরকার ধর্ম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো প্রকার আঘাত পছন্দ করে না।
তিনি বলেন, আমরা ধর্ম, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় অনুভূতিতে কোনো ধরনের আঘাত দেখতে চাই না। আমরা চাই সকল ধর্মের মানুষ অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ ধর্ম পালন করবে।
প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে রোববার সকালে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কাল তিনি এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, সম্প্রতি রামু ও উখিয়ায় বৌদ্ধ পল্লীতে হামলার তদন্ত চলছে এবং ওই হামলার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের ধরা হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে ২৯ সেপ্টেম্বর সংঘটিত বর্বরোচিত ওই ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, কোনোভাবেই এটা বিশ্বাস করা যায় না যে এ ধরনের অমানবিক ঘটনাও ঘটতে পারে।
তিনি বলেন, “আমার প্রশ্ন হলো কারা কোন উদ্দেশ্যে এই পৈশাচিক ঘটনা ঘটালো।”
শেখ হাসিনা বলেন, সকল ধর্মেই মানবিক বিষয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। শান্তির বার্তা রয়েছে এবং একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার কথা বলা হয়েছে। তিনি বলেন, “কিন্তু মাঝে মধ্যে আমাদের সমাজে এ ধরনের আত্মঘাতী ঘটনা ঘটে যে পথ ধরে আসে অশান্তি এবং এখানে কোনো ভ্রাতৃত্ববোধ থাকে না।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামে বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলার মধ্যদিয়ে এ দেশের হাজার বছরের ধর্মীয় সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য বিনষ্ট হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমাদের দেশের হাজার বছরের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য রয়েছে। কিন্তু কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বৌদ্ধ মন্দির ও ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে তা বিনষ্ট করা হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী দিলীপ বড়ুয়া, সংঘনায়ক সুদ্ধানন্দ মহাথেরো, সংঘরাজ ধর্মসেন মহাথেরো, বৌদ্ধ ফেডারেশনের সভাপতি বিশ্বপতি বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির মহাসচিব অজিত রঞ্জন বড়–য়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের মহাসচিব ও আওয়ামী লীগ উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য অধ্যাপক কনক কুমার বড়–য়া, বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের সহ-সভাপতি সজল তালুকদার বড়–য়া ও ঢাকা আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মন্দিরের অধ্যক্ষ শ্রীমাত ধর্মমিত্র মহাথেরোও বক্তৃতা করেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়–য়া ও বৌদ্ধ কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্য সুপ্তা ভূষণ বড়ুয়া। সূত্র: বাসস

Sunday, October 28, 2012

আইনশৃঙ্খলায় বাধা দিলে সর্বক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :

আইনশৃঙ্খলায় বাধা দিলে সর্বক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী :
বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ‘যদি কোনো দল বা বিশেষ গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে বাধার সৃষ্টি করে, তাহলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা দিয়ে প্রতিহত করা হবে।’

রোববার চাঁদপুরের কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে যুবলীগের প্রতিনিধি সভা ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,  এই দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তাহলেই এ দেশকে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

তিনি আরো বলেন, দলকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিএনপি-জামায়াতসহ সব অপশক্তির বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে।

কচুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট হেলাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি-সাহিত্যিক বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ শামছুল হক ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল, জেলা যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বিল্লাল।

স্কটল্যান্ডে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্কটল্যান্ডে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর হলেন ড. ইউনূস :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী বাংলাদেশী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান ইউনিভার্সিটির চ্যান্সেলর নিযুক্ত হয়েছেন। শুক্রবার ইউনিভার্সিটির সলটায়ার সেন্টারে জাকজমকপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে এ দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।

ঢাকার ইউনূস সেন্টার গতকাল এক বিবৃতিতে এ খবর জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে প্রায় সাড়ে তিনশ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথি উপস্থিত ছিলেন।  এর আগে নতুন চ্যান্সেলর ড. ইউনূস, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা প্রাতিষ্ঠানিক পোশাক পরে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. ইউনূস বলেন, “চ্যান্সেলর হিসেবে আমি আমার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করব। এর মধ্য দিয়ে তরুণদের সঙ্গে কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি হলো।”

তিনি বলেন, তিনি যা করেছেন তা নতুন কিছু নয় এবং তরুণ প্রজন্ম চেষ্টা করলেই তা করতে পারে।

গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর পামেলা গিলিস একে তার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, “আমার বিশ্বাস ড. ইউনূসের নেতৃত্ব আমাদের প্রতিষ্ঠানকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।”

অনুষ্ঠানে ড. ইউনূসের কন্যা অপেরা গায়িকা মনিকা ইউনূসও ছিলেন। অনুষ্ঠানে তিনি গান পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন স্কটল্যান্ডের শিক্ষামন্ত্রী মাইক রাসেল এবং স্টুডেন্ট প্রেসিডেন্ট কারলা ফাইফে।

এর আগে ২০০৮ সালে মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডি লিট দিয়েছিল এই ইউনিভার্সিটি।

বিবৃতিতে জানা গেছে, গত জুনে মাসে ইউনিভার্সিটির ভাইস-চ্যান্সেলর পামেলা গিলিসের আহ্বানে এর চ্যান্সেলর পদ নিতে সম্মত হন ড. ইউনূস।

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার
 মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে নতুন করে শুরু হওয়া জাতিগত দাঙ্গার সূত্র ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিশেষত টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার কারণে আরাকানের রোহিঙ্গারা যাতে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি এবং কোস্টগার্ডকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
গত সপ্তাহের রোববার থেকে আরাকানের চকপো, পাত্তরখিল্যা, ম্রো, মিনবাউসহ কয়েক টাউনশিপে নতুন করে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। এ সময় রোহিঙ্গাদের শত শত বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ হামলা ও লুটপাট করা হয়। এসব হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়ে শত শত রোহিঙ্গা ছোট বড় ইঞ্জিন নৌকা করে বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে।
এসব রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, পুলিশ-বিজিবি এবং কোস্টগার্ড সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ নজরদারির ব্যবস্থা করেছে।
বিজিবি টেকনাফের ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান রোববার সকালে টেকনাফের নাফনদীর শাহপরীর দ্বীপ পয়েন্ট থেকে সেন্টমার্টিন উপকূল পর্যন্ত নিজেই বিজিবির টহল পরিচালনা করেন।
সন্ধ্যায় তিনি জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নাফনদীল মোহনা থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিয়ে কোনো নৌযানকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়নি।
তিনি আরো জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।
অপরদিকে উখিয়ার বালুখালী, ঘুমধুম এবং নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্ত দিয়ে গতকাল ১০ জন এবং আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশকালে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজারের বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে জোরদার রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

মিয়ানমারে বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে নতুন করে দাঙ্গা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ বলছে, এই সহিংসতায় বাস্তচ্যুত হাজার হাজার মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণসাহায্য দরকার।
মিয়ানমার সরকারের হিসাবেই জুন মাসে দাঙ্গা শুরুর পর থেকে ২০ হাজারের মতো লোক গৃহহীন হয়েছে। তবে জাতিসংঘের হিসাবে গৃহহীনের সংখ্যা অন্ত লাখখানেক, যাদের সিংহভাগই রোহিঙ্গা মুসলিম।

পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সর্বশেষ এই সহিংসতায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বাড়িঘর। শরণার্থীদের বেশির ভাগই আশ্রয় নিয়েছে অস্থায়ী ক্যাম্প, নৌকা, বিভিন্ন দ্বীপ ও পাহাড়ের চূড়ায়।

সরকারি প্রতিনিধি দলের সাথে শনিবার এসব এলাকা সফরে গিয়ে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন যে, তাদের এখন জরুরি  ত্রাণসাহায্য প্রয়োজন।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক প্রধান আশোক নিগম বলছেন, প্রকৃত শরণার্থীর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

কোনো কোনো খবরে বলা হচ্ছে, এদের কেউ কেউ সাগরে ডুবে মারা গেছেন, আবার কেউ কেউ নিখোঁজ।

আশোক নিগম বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর এবং তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজটাই এখন সবচে বড় চ্যালেঞ্জ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করার পর মিয়ানমারে  জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধি হান্স টেড ফেল্ড বিবিসিকে বলছেন, “জরুরি ভিত্তিতে যা করা দরকার সেটা হচ্ছে তাদের জন্যে খাবার-দাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। তাদের কাছে অন্যান্য সামগ্রীও পৌঁছাতে হবে। কারণ আগুনে তারা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে।”

এদিকে, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্য সরকারের মুখপাত্র দাবি করছেন পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে।
তবে রাজধানী সিতওয়েতে নতুন করে কোনো শরণার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবশেষ এই সহিংসতায় উপকূলীয় চাওপিউ শহরের রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত একটি এলাকার পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। সংস্থাটি স্যাটেলাইট থেকে তোলা ওই এলাকার ছবিও প্রকাশ করেছে।

মিয়ানমারে প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র বিবিসির কাছে ওই ছবির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

গত জুন মাস থেকে এই সহিংসতা শুরু হয় যাতে এ পর্যন্ত এক লাখের মতো মানুষ উদ্ধাস্ত হয়েছে। এদের প্রায় সকলেই রোহিঙ্গা মুসলিম।
সরকারও স্বীকার করেছে যে সহিংসতায় ৮০ জনের মতো নিহত হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ চেষ্টা, ৬০ জনকে ফেরত ::

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ চেষ্টা, ৬০ জনকে ফেরত 
 মিয়ানমারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নতুন করে শুরু হওয়া দাঙ্গায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৮২ জন মারা গেছে। এছাড়া অগ্নিসংযোগে অন্তত ২০ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে পড়েছে। সহিংসতায় উপকূলীয় চাওপিউ শহরের রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত একটি এলাকার পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।

দাঙ্গা শুরুর পর থেকেই ট্রলার ও নৌকায় করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে দুর্ভাগ্যতবলিত রোহিঙ্গারা। গত দুই দিনে টেকনাফ ও উখিয়া থেকে ৬০ জনকে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

দেশ টিভির টেকনাফ প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শনিবার গভীর রাতে বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩ হাজার রোহিঙ্গা ৪০টি ট্রলারে করে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি ও কোস্টগার্ডের বাধায় পরে তারা ফিরে যায়।
গত দুই দিনে টেকনাফের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে কমপক্ষে ৬০ জনকে আটক করা হয়েছে। এর পর তাদের ফেরত পাঠানো হয়।

মিয়ানমারে পশ্চিমাঞ্চলে রাখাইন ও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সহিংসতায় হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিন বলেন, মিয়ানমারে নতুন করে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হলেও কোনো রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। সরকারের শীর্ষ মহলের নির্দেশে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ সাগরে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, টেকনাফ ও উখিয়া সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশকে সতর্ক প্রহরায় রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে টেকনাফের নয়াপাড়া ও উখিয়ার কুতুপালং পাহাড়ে প্রায় ৩০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাস করছে। এছাড়া সরকারি পাহাড় দখল করে বসবাস করছে আরো দুই লাখের বেশি রোহিঙ্গা। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন তাদের বাংলাদেশে স্থায়ীভাবে সববাসের সুযোগ করে দিতে সরকারকে চাপ দিয়ে আসছে।
গত মে মাসে একজন বৌদ্ধ নারীকে কয়েকজন মুসলমান ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সহিংসতায় প্রায় ৮০ জন নিহত এবং হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়েছিল।

সে সময় পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও সেখানে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে রোববার থেকে দেশটিতে আবারো জাতিগত সহিংসতা শুরু হয়।সূত্র: বিবিসি ও দেশ টিভি।

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা ::

চামড়ার প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তাদের অভিযোগের তীর ট্যানারি মালিকদের দিকে। মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ট্যানারি মালিকরা সিন্ডিকেট করে চামড়ার দাম কমিয়ে দিয়েছে যাতে তারা বাজার থেকে কম দামে চামড়া কিনতে পারে।

ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর সাইন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে ঈদের দিন ও ঈদের পর দিন চামড়া কেনাবেচা হয়। সেখানে সরেজমিনে গিয়ে এ তথ্য জানা যায়।

এদিকে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা জানান, ট্যানারি মালিকদের কিছু ফড়িয়া আছে। তারা এগুলোর সঙ্গে যুক্ত। তাদের দিয়ে ইচ্ছে করে এগুলো করানো হয়।

এ ব্যাপারে মিরপুর থেকে আসা মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ী আরিফুর রহমান বলেন, অনেক বেশি দামে এলাকা থেকে চামড়া কিনেছি। অথচ এরা যা দাম বলছে তাতে লাভ দূরে থাক, চালানও উঠবে না। তিনি বলেন, আমরা ২ হাজার আড়াই হাজার টাকা দিয়েও চামড়া কিনেছি কিন্তু এখানে সিন্ডিকেট করে গড়ে ১ হাজার ৬০০ টাকার উপড়ে কেউ চামড়ার দাম বলছে না।

এ সময় হাজারীবাগ থেকে চামড়া নিয়ে আসা সাজ্জাদ কবির বলেন, প্রতি বছর আমাদের চামড়া কেনার একটি দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয় কিন্তু এ বছর তা নির্ধারণ করা হয়নি। এর দরুন আমরা আগের বছরের দাম দিয়ে চামড়া কিনেছি।

চামড়ার দাম আছে কিন্তু ট্যানারি মালিকরা ইচ্ছে করে বাজার ফেলছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।


এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ট্যানারি মালিক আদনান করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আদনান রহমান প্রিন্স মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ট্যানারি মালিকদের কোনো সিন্ডিকেট নেই। বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দাম কম। এ কারণে আমরাও দাম দিয়ে চামড়া  কিনতে পারছি না।

তিনি আরো বলেন, না বুঝে কেউ চামড়া কিনলে তাকে ক্ষতি স্বীকার হতে হবে। কারণ এ বছর আমরা আগে থেকেই জানিয়েছি যে, বাজার ভালো হবে না।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত ঋণ না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা চামড়ার মজুদ আগের মতো করতে পারবেন না বলে তিনি মনে করেন। তাই সব কিছু মিলিয়ে চামড়ার বাজার আগের বছরের চেয়ে কিছুটা খারাপ রয়েছে বলে তিনি জানান।
তবে অন্য একটি সূত্র মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা থাকার পরও আমাদের দেশে চামড়ার বাজার ভালো আছে।

গাছের চূড়ায় নারিকেলের অঙ্কুরোদ্গম

গাছের চূড়ায় নারিকেলের অঙ্কুরোদ্গম

 

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় গাছের চূড়াতেই নারিকেলের অঙ্কুরোদগম হয়েছে! এই গাছের মালিক মিরসরাই থানা।
মিরসরাই থানার উত্তর সীমানার নারিকেল গাছগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে অনেক নারিকেল পেকে ঝুলে আছে। কয়েকটি গাছে ৫০ থেকে ১০০টি পর্যন্ত নারিকেল পেকে আছে। এছাড়া গাছগুলো  অযত্নে-অবহেলায় ভুতুড়ে হয়ে আছে।
এই অবহেলার মধ্যে প্রায় ৩০ ফুট দীর্ঘ একটি নারিকেল গাছের চূড়ার একটি নারকেলে অঙ্কুরোদগম হয়েছে। সেখানে চারা হয়ে বেড়ে উঠছে। কিন্তু এই চারার ভবিষ্যৎ কী?

 

ভারতে ৬ মাস কারাভোগের পর ৬ বাংলাদেশীকে ফেরত ::


ভারতে ৬ মাস কারাভোগের পর ৬ বাংলাদেশীকে ফেরত :: 

দীর্ঘ ছয় মাস ভারতে কারাভোগের পর শনিবার রাতে শিশুসহ ছয় বাংলাদেশী নারী-পুরুষকে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় বিএসএফ। বেনাপোল চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান জানান, নড়াইল জেলার শিশুসহ ছয় নারী-পুরুষ ভালো কাজের আশায় দালালের মাধ্যমে ভারতে যান। ভারতের ব্যাঙ্গালোর শহরে যাওয়ার পর সেখানকার পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ব্যাঙ্গালোর সেন্ট্রাল জেলে দীর্ঘ ছয় মাস কারাভোগের পর সাজার মেয়াদ শেষ হলে ভারত সরকার তাদের বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায়। ফেরত আসা নারী পুরুষরা হলেন আজম শিকদার (২৫), রেশমা (২২), মান্নান সরদার (৩৮), সনিয়া (২৫), লামিয়া (৯) ও রাবেয়া (২৫)।

মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা

মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিতে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা

 মহিলা টি-২০ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ওঠেছে পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। শনিবার গ্রুপ এ-তে থাকা পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেট দল ১৪২ রানের বিশাল ব্যবধানে হংকং মহিলা দলকে পরাজিত করে। এর ফলে ২ খেলায় ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে পাকিস্তান। এর আগে এই গ্রুপ থেকে ভারত ২ খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমিফাইনালে উন্নীত হয়।

অপরদিকে গ্রুপ-বি থেকে সেমিফাইনালে ওঠেছে শ্রীলঙ্কা। শনিবার গ্রুপ-বি ম্যাচে শ্রীলঙ্কা ৯ উইকেটে চায়না মহিলা দলকে পরাজিত করে দুই খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সেমির টিকিট পায়। এর আগে এই গ্রুপ থেকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দল দুই খেলার দুটিতে জয়ী হয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে।

শনিবার গুয়াংগং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ-বির ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে পাত্তাই পায়নি চায়না মহিলা ক্রিকেট দল।

টসে জিতে শ্রীলঙ্কা চায়নাকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায়। ক্রিকেট বিশ্বে নতুন দল হিসেবে চায়না অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারে। কারণ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পুরো ২০ ওভার ব্যাট করেছে তারা। লঙ্কান প্রমিলা ক্রিকেটাররা তাদের অলআউট করতে পারেনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে চায়নার সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৫২ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা মাত্র ৫.৩ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ৫৪ রান স্কোরবোর্ডে জমা করলে ৯ উইকেটে জয়ী হয় শ্রীলঙ্কা।

অপরদিকে একই মাঠে গ্রুপ-এ’র ম্যাচে হংকং মহিলা ক্রিকেট দলের বিপক্ষে পাকিস্তান মহিলা ক্রিকেট দল টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে করে ১৫৭ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নামা হংকং মহিলা দল মাত্র ১৫ রানে গুটিয়ে গেলে ১৪২ রানের বড় জয় পায় পাকিস্তান। হংকংয়ের সাতজন ব্যাটসম্যান রানের খাতা খুলতে পারেননি। ১৫ রানের মধ্যে অতিরিক্ত থেকে আসে ৯ রান। বাকি চার ব্যাটসম্যান মিলে করেন ৬ রান।