দেশে প্রতি এক হাজার ৫৭৪ জনের বিপরীতে হাসপাতালে একটি শয্যা থাকলেও এর বেশিরভাগেই থাকে সহিংসতায় আহতরা।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) বার্ষিক স্বাস্থ্য বুলেটিনে বলা হয়, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে সব রোগী ভর্তি হয় তাদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক রোগীই আসেন সহিংসতার শিকার হয়ে।
জেলা সদর হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ১৪ দমমিক ৮৬ শতাংশ এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ রোগীই সহিংসতায় আহত হয়ে ভর্তি হন।
জেলা হাসপাতালে পুরুষ ওয়ার্ডে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং মহিলা ওয়ার্ডে ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং উপজেলায় পুরুষ ওয়ার্ডে ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ এবং নারী ওয়ার্ডে ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশই এই ধরনের রোগী।
আর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সহিংসতায় আহত। এ ধরনের রোগী থাকে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর পরে রয়েছে দুর্ঘটনায় আহত, যা মোট রোগীর ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।
ওই বুলেটিন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ।
এর পরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা আমাদের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
“সহিংসতায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পিছনে কোনো প্রাকৃতিক কারণ নেই। মানুষের কারণেই এমনটা হয়। কিন্তু আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে অন্য রোগের চিকিৎসায় আমরা সম্পদের ব্যবহার করতে পারি। একইসঙ্গে সমাজে শান্তি বিরাজ করে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে যে সব রোগ হয় তার মধ্যে ৬১ শতাংশই অসংক্রামক রোগ।
হাসপাতালের শয্যায় কোন কোন ধরনের রোগী থাকে তা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখা যায়, শয্যার অভাবে অনেক রোগী হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হাজার সাতশ’ শয্যার বিপরীতে একই সময়ে গড়ে দুই হাজার সাতশ’ রোগী ভর্তি থাকে। প্রায় সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিত্র একই রকম।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ূন কবির বলেন, “আমাদের দেখতে হবে, সহিংতায় আহত রোগীর সংখ্যা কিভাবে কমানো যায়। বিপুল সংখ্যার এ ধরনের রোগী সামলাতে আমাদের চিকিৎসকদের ব্যস্ত থাকতে হয়।”
অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক আ স ম আমানউল্লাহ বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে ‘সমাজে সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে’।
“গড়ে ৪০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে সহিংসতার শিকার হন।”
বাংলাদেশে সহিংসতায় হতাহতের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি বছর সহিংসতায় বিশ্বে ১৬ লাখ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। এছাড়া সহিংতার কারণে অনেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক, মানসিক, যৌন ও প্রজনন সমস্যায় ভোগে।
“কিন্তু আমরা এটা প্রতিরোধ করতে পারি,” বলেন অধ্যাপক আমানউল্লাহ।
এক্ষেত্রে শিক্ষক ও স্থানীয় রাজনীতিকদের কাজে লাগিয়ে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
সহিংসতা রোধে স্কুল পর্যায় থেকেই ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন সমাজবিজ্ঞানের এই অধ্যাপক।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) বার্ষিক স্বাস্থ্য বুলেটিনে বলা হয়, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে সব রোগী ভর্তি হয় তাদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বাধিক রোগীই আসেন সহিংসতার শিকার হয়ে।
জেলা সদর হাসপাতালে রোগীদের মধ্যে ১৪ দমমিক ৮৬ শতাংশ এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১২ দশমিক ৬৩ শতাংশ রোগীই সহিংসতায় আহত হয়ে ভর্তি হন।
জেলা হাসপাতালে পুরুষ ওয়ার্ডে ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ এবং মহিলা ওয়ার্ডে ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং উপজেলায় পুরুষ ওয়ার্ডে ১৫ দশমিক ২২ শতাংশ এবং নারী ওয়ার্ডে ১০ দশমিক ৩৬ শতাংশই এই ধরনের রোগী।
আর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সহিংসতায় আহত। এ ধরনের রোগী থাকে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর পরে রয়েছে দুর্ঘটনায় আহত, যা মোট রোগীর ৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।
ওই বুলেটিন প্রকাশ করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ।
এর পরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা আমাদের স্বাস্থ্য খাতের জন্য একটা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
“সহিংসতায় আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার পিছনে কোনো প্রাকৃতিক কারণ নেই। মানুষের কারণেই এমনটা হয়। কিন্তু আমরা এটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে অন্য রোগের চিকিৎসায় আমরা সম্পদের ব্যবহার করতে পারি। একইসঙ্গে সমাজে শান্তি বিরাজ করে।”
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে যে সব রোগ হয় তার মধ্যে ৬১ শতাংশই অসংক্রামক রোগ।
হাসপাতালের শয্যায় কোন কোন ধরনের রোগী থাকে তা বিশ্লেষণ করতে গিয়ে দেখা যায়, শয্যার অভাবে অনেক রোগী হাসপাতালের মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হাজার সাতশ’ শয্যার বিপরীতে একই সময়ে গড়ে দুই হাজার সাতশ’ রোগী ভর্তি থাকে। প্রায় সব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিত্র একই রকম।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ূন কবির বলেন, “আমাদের দেখতে হবে, সহিংতায় আহত রোগীর সংখ্যা কিভাবে কমানো যায়। বিপুল সংখ্যার এ ধরনের রোগী সামলাতে আমাদের চিকিৎসকদের ব্যস্ত থাকতে হয়।”
অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক আ স ম আমানউল্লাহ বলেন, বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে ‘সমাজে সহিংসতার ঘটনা বাড়ছে’।
“গড়ে ৪০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে সহিংসতার শিকার হন।”
বাংলাদেশে সহিংসতায় হতাহতের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি বছর সহিংসতায় বিশ্বে ১৬ লাখ মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। এছাড়া সহিংতার কারণে অনেকে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক, মানসিক, যৌন ও প্রজনন সমস্যায় ভোগে।
“কিন্তু আমরা এটা প্রতিরোধ করতে পারি,” বলেন অধ্যাপক আমানউল্লাহ।
এক্ষেত্রে শিক্ষক ও স্থানীয় রাজনীতিকদের কাজে লাগিয়ে সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করেন তিনি।
সহিংসতা রোধে স্কুল পর্যায় থেকেই ছেলে-মেয়েদের সচেতন করে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন সমাজবিজ্ঞানের এই অধ্যাপক।
No comments:
Post a Comment