কুড়িগ্রাম বঙ্গসোনাহাটকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা
অবশেষে কুড়িগ্রাম জেলার বঙ্গসোনাহাট শুল্ক স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর
ঘোষণা করেছে সরকার। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থলবন্দর শাখা এ সম্পর্কিত
একটি প্রজ্ঞাপন বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেয়া হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০০১ এর ধারা-৩ মোতাবেক সরকার গত ২০০৯ সালের ১১ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনের অধিনে সোনাহাট শুল্ক স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার জনগণ সোনাহাট স্থলবন্দরের বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সোনাহাট স্থলন্দর ঘোষণা দেয়ায় নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী ও ফুলবাড়ি উপজেলাসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষ উল্লাসিত।
১৯৯৫ সালে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সোনাহাট স্থল শুল্ক স্টেশন স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৯৯৬ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বঙ্গসোনাহাটকে ল্যান্ড পোস্ট হিসাবে ঘোষণা করে।
বঙ্গসোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বানরকুটি সীমান্তে অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ আমলের একটি বাণিজ্যিক বন্দর ও একটি সমৃদ্ধ শহর ছিল।
ব্রিটিশ আমলের বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের আসাম, মিজোরাম, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, অরুণাচল ও মেঘালয় রাজ্যের একমাত্র প্রবেশ দ্বার ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর এ পথগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০০১ এর ধারা-৩ মোতাবেক সরকার গত ২০০৯ সালের ১১ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ঘোষিত প্রজ্ঞাপনের অধিনে সোনাহাট শুল্ক স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে এ এলাকার জনগণ সোনাহাট স্থলবন্দরের বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। সোনাহাট স্থলন্দর ঘোষণা দেয়ায় নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী ও ফুলবাড়ি উপজেলাসহ জেলার সর্বস্তরের মানুষ উল্লাসিত।
১৯৯৫ সালে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সোনাহাট স্থল শুল্ক স্টেশন স্থাপনের প্রজ্ঞাপন জারি করে। ১৯৯৬ সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বঙ্গসোনাহাটকে ল্যান্ড পোস্ট হিসাবে ঘোষণা করে।
বঙ্গসোনাহাট স্থলবন্দরটি কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ৩৫ কিলোমিটার উত্তরে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বানরকুটি সীমান্তে অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ আমলের একটি বাণিজ্যিক বন্দর ও একটি সমৃদ্ধ শহর ছিল।
ব্রিটিশ আমলের বাংলাদেশ ও ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের আসাম, মিজোরাম, মনিপুর, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা, অরুণাচল ও মেঘালয় রাজ্যের একমাত্র প্রবেশ দ্বার ছিল। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর এ পথগুলো বন্ধ হয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment