এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোন প্রধান
এবারও আদালতে হাজির হননি গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী। পূর্বনির্ধারিত
তারিখ অনুযায়ী মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী টোরে জনসেন ও সাবেক
প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির আদালতে হাজির হবার কথা থাকলেও
আদালতে হাজির না হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে সময় বাড়ানোর প্রার্থনা করেছেন তারা।
কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন অফিসে জরুরি মিটিং থাকার কথা।
এদিকে শুনানির একদিন আগে সোমবার পৃথক দুটি মামলায় জামিন নিয়েছেন গ্রামীণফোনের ৯ শীর্ষ কর্মকর্তা। তবে জামিন নেননি মামলায় অভিযুক্ত অপর গ্র্রামীণফোনের সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টি।
এর আগে শ্রম আইন ভঙ্গ করে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন ঢাকার শ্রম আদালত-১। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রম আদালত-১-এর চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মিয়া মোহাম্মদ শরীফ অভিযুক্তদের সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সাথে ৩০ অক্টোবর বেলা ১২টায় আদালতে হাজির না হলে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।
গ্রেপ্তার এড়াতে গত সোমবার আদালতে এসে জামিন নেন অভিযুক্তরা। সোমবার গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে জনসন ছাড়াও গ্রামীনফোনের পিএনও শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ আবদুল্লাহ, নাঈমুজ্জামান এবং সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকার্তা নাসের ফজলে আযম, সাজ্জাদ হাসিব ও আওলাদ হোসেন জামিন প্রার্থনা করেন বলে জানিয়েছেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী গাজী এম শওকত।
একই সাথে অফিসের জরুরি কাজে মঙ্গলবার আদালতে হাজির হতে না পারার কারণ দেখিয়ে সময় প্রার্থনা করা হয়। আদালত সময় মঞ্জুর করে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
পকর্মী ছাঁটাইয়ে দেশে বিদ্যমান শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ৩০ আগস্ট গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে ইয়ানসেন ও সাবেক প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির বিরুদ্ধে একই আদালতে মামলা করেন চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন। ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় ফের ৩০ অক্টোবর তাদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সেলিম আহসান খান জানান, শ্রম আইনের ১৮৬ ধারার ১ ও ২ উপধারা, ১৯৫ ধারার (ঘ) এবং দণ্ডবিধির ২৯১ ও ৩০৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণফোনের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
এদিকে শুনানির একদিন আগে সোমবার পৃথক দুটি মামলায় জামিন নিয়েছেন গ্রামীণফোনের ৯ শীর্ষ কর্মকর্তা। তবে জামিন নেননি মামলায় অভিযুক্ত অপর গ্র্রামীণফোনের সাবেক প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টি।
এর আগে শ্রম আইন ভঙ্গ করে কর্মী ছাঁটাইয়ের অভিযোগে দায়ের করা ফৌজদারি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন ঢাকার শ্রম আদালত-১। গত ৩০ সেপ্টেম্বর শ্রম আদালত-১-এর চেয়ারম্যান জেলা ও দায়রা জজ মিয়া মোহাম্মদ শরীফ অভিযুক্তদের সশরীরে আদালতে হাজিরের নির্দেশ দেন। একই সাথে ৩০ অক্টোবর বেলা ১২টায় আদালতে হাজির না হলে তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়।
গ্রেপ্তার এড়াতে গত সোমবার আদালতে এসে জামিন নেন অভিযুক্তরা। সোমবার গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে জনসন ছাড়াও গ্রামীনফোনের পিএনও শরীফুল ইসলাম, তাওহীদ আবদুল্লাহ, নাঈমুজ্জামান এবং সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকার্তা নাসের ফজলে আযম, সাজ্জাদ হাসিব ও আওলাদ হোসেন জামিন প্রার্থনা করেন বলে জানিয়েছেন বিবাদী পক্ষের আইনজীবী গাজী এম শওকত।
একই সাথে অফিসের জরুরি কাজে মঙ্গলবার আদালতে হাজির হতে না পারার কারণ দেখিয়ে সময় প্রার্থনা করা হয়। আদালত সময় মঞ্জুর করে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অভিযুক্তদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
পকর্মী ছাঁটাইয়ে দেশে বিদ্যমান শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে গত ৩০ আগস্ট গ্রামীণফোন প্রধান নির্বাহী টোরে ইয়ানসেন ও সাবেক প্রধান মানব সম্পদ কর্মকর্তা হারুন ভাট্টির বিরুদ্ধে একই আদালতে মামলা করেন চাকরিচ্যুত কর্মী রাসুলুল আমিন মুরাদ ও আদিবা জেরিন। ৩ সেপ্টেম্বর মামলাটি নথিভুক্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বর অভিযুক্তরা আদালতে হাজির না হওয়ায় ফের ৩০ অক্টোবর তাদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সেলিম আহসান খান জানান, শ্রম আইনের ১৮৬ ধারার ১ ও ২ উপধারা, ১৯৫ ধারার (ঘ) এবং দণ্ডবিধির ২৯১ ও ৩০৭ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণফোনের আট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
No comments:
Post a Comment