সাম্প্রদায়িক সহিংসতা: মিয়ানমারে কারফিউ :: বিদেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে আরো দুটি শহরে বৌদ্ধ এবং
রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে রাত্রিকালীন
কারফিউ জারি করা হয়েছে।
মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মঙ্গলবার রাতে ওই সাম্প্রদায়িক সংঘাত মিন বায়া ও ম্রাউক নামে দুটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে মঙ্গলবার রাতে ওই সাম্প্রদায়িক সংঘাত মিন বায়া ও ম্রাউক নামে দুটি শহরে ছড়িয়ে পড়ে।
এই শহর দুটিতে আরো পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বিবিসির মিয়ানমার বিভাগ বলছে বুধবারের সহিংসতায় ম্রাউক শহরে অন্তত একজন নিহত হয়েছে।
গত রোববার থেকে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে শুরু হওয়া এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় এখনও পর্যন্ত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি বাড়ি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
গত রোববার থেকে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে শুরু হওয়া এই সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় এখনও পর্যন্ত চারজন নিহত এবং এক হাজারের বেশি বাড়ি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।
রাখাইন রাজ্যের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সহিংসতা চলছে এবং বাড়িঘরে আগুণ ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সেই মুখপাত্র জানান, আগুন নেভানোটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং কর্তৃপক্ষ সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
গত মে মাসে একজন বৌদ্ধ মহিলাকে কয়েকজন মুসলমান ধর্ষণ করেছে, এমন খবরে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।
তারপর থেকেই সেখানে এক ধরনের উত্তেজনা রয়েছে। কিন্তু এবারের সহিংসতা কেন শুরু হলো সেটি পরিষ্কার নয়। যদিও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
তবে এই সহিংসতা এমন এক সময়ে শুরু হলো যার কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
মিয়ানমার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমান এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার দীর্ঘ এক পটভূমি রয়েছে। মিয়ানমারে সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়না।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বর্ণনা করে মিয়ানমার সরকার। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার এ দাবিকে বরাবরই খারিজ করে দিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মতে রোহিঙ্গারা হচ্ছে মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলীয় ভাষা-গত এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু যারা নিগ্রহের শিকার।
গত মে মাসে একজন বৌদ্ধ মহিলাকে কয়েকজন মুসলমান ধর্ষণ করেছে, এমন খবরে বৌদ্ধ এবং রোহিঙ্গা মুসলমানদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়।
তারপর থেকেই সেখানে এক ধরনের উত্তেজনা রয়েছে। কিন্তু এবারের সহিংসতা কেন শুরু হলো সেটি পরিষ্কার নয়। যদিও উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ পরস্পরকে দোষারোপ করছে।
তবে এই সহিংসতা এমন এক সময়ে শুরু হলো যার কয়েক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশের কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দির এবং বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
মিয়ানমার সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমান এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনার দীর্ঘ এক পটভূমি রয়েছে। মিয়ানমারে সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের সে দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দেয়না।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের বাংলাদেশ থেকে আসা অবৈধ অভিবাসী হিসেবে বর্ণনা করে মিয়ানমার সরকার। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমার এ দাবিকে বরাবরই খারিজ করে দিয়ে আসছে।
জাতিসংঘের মতে রোহিঙ্গারা হচ্ছে মিয়ানমার পশ্চিমাঞ্চলীয় ভাষা-গত এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু যারা নিগ্রহের শিকার।
No comments:
Post a Comment