Pages

Wednesday, October 24, 2012

আবারো সাংবাদিক খুন, আন্দোলন জোরদারের আহ্বান নেতাদের :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট

আবারো সাংবাদিক খুন, আন্দোলন জোরদারের আহ্বান নেতাদের :: মিডিয়া :: বার্তা২৪ ডটনেট
 আরেক সাংবাদিক খুন হলেন নরসিংদীতে। নিহত টি এ কাবিদ জয় ছিলেন নরসিংদীর স্থানীয় দৈনিক ‘নরসিংদীর বাণী’র পৌর প্রতিনিধি । মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শহরের শালিধা এলাকায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গুলি করে সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতারা তাদের চলমান আন্দোলন জোরদারে দেশের সব সংবাদকর্মীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মূলত পেশাগত কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে কি না সেটিও পর্যবেক্ষণ করছেন তারা।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, “আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সাগর-রুনিসহ সব সাংবাদিক হত্যার বিচারে আমাদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন অব্যাহত আছে। আর নরসিংদীতে সাংবদিক জয়কে আসলে পেশাগত কারণে নাকি অন্য কোনো কারণে হত্যা করা হয়েছে সেটিও আমরা দেখছি।”

বিএফইউজের মহাসচিব শওকত মাহমুদ বলেন, “এত আন্দোলনের পরও কীভাবে আবারো সাংবদিক খুন হয়, সে ব্যাপারে আমরা উদ্বিগ্ন। আন্দোলন জোরদারে শিগগিরই আমরা (সাংবাদিক নেতারা) সভায় বসব।”

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, “সাংবাদিক হত্যার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠার জন্য এ ব্যাপারে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ নেয়া উচিত। নয়তো আমাদের পেশাগত ঝুঁকি অনেক বেড়ে যাবে। আর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা না থাকলে দেশের গণতন্ত্রও বিপণ্ন হবে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পক্ষ থেকে আন্দোলন জোরদারে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”

২০১০ সালের ১ জুন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতারের সময় পুলিশের কর্তব্যকাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে পত্রিকাটির সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানা পুলিশ মামলা করেছিল। গত রোববার ওই মামলায় জামিনে থাকা সাংবাদিকদের জামিন বাতিলের আবেদন করে পুলিশ। সোমবার শুনানি শেষে আগামী ৩ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আদালত।

সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, “আমার দেশের ওই সাংবাদিকরা সবাই নিয়মিত অফিস করছেন। এ অবস্থায় তাদের স্থায়ী ঠিকানা জানতে পুলিশের এই রিমান্ড আবেদন সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। এটি মুক্ত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠায় এক প্রকার বাধা।”

সাংবাদিকতায় নবাগতদের উদ্দেশে এই সাংবাদিক নেতা বলেন, “এই পেশাটা এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। তারপর এসব হত্যাকাণ্ডে তরুণ সংবাদকর্মীদের মাঝে আতঙ্ক বাড়ছে। তবু হতাশ হওয়া যাবে না। সাহসের সঙ্গে ঝুঁকি মোকাবিলা করে এগিয়ে যেতে হবে।”

গত ১১ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের পর সব সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেয় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন কারণে সাংবাদিকদের বিভক্তি থাকলেও সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতন ইস্যুতে তারা প্রথমবারের মতো এক হয়ে রাজপথে আন্দোলনে নামেন।

No comments:

Post a Comment