টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী, ঘুমধুম ও নাইক্ষ্যংছড়ি
উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪২ মিয়ানমারের
নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।
জানা গেছে, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী সিটওয়েসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি ওপারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে গত কয়েক দিন থেকে ঘুমধুম বালুখালী পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি সদস্যরা।
কক্সবাজারস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে সতর্ক অবস্থায় রাখার পাশাপাশি সীমান্তে পাহারাও জোরদার করা হয়েছে।
অপরদিকে টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্র্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি-৪২ টেকনাফস্থ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।
জানা গেছে, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী সিটওয়েসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি ওপারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে গত কয়েক দিন থেকে ঘুমধুম বালুখালী পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি সদস্যরা।
কক্সবাজারস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে সতর্ক অবস্থায় রাখার পাশাপাশি সীমান্তে পাহারাও জোরদার করা হয়েছে।
অপরদিকে টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্র্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
বিজিবি-৪২ টেকনাফস্থ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।
No comments:
Post a Comment