Pages

Showing posts with label Rohinga Muslim. Show all posts
Showing posts with label Rohinga Muslim. Show all posts

Thursday, November 8, 2012

বঙ্গোপসাগরে রোহিঙ্গা ট্রলার ডুবি, শতাধিক নিখোঁজ


অন্তত ১০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গেছে বঙ্গোপসাগরে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, বুধবার সকালে এ ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে।



বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড- বিজিবি'র কমান্ডার লে. কর্নের জাহিদ হাসান জানিয়েছেন, কক্সবাজার উপকূলে ডুবে যাওয়ার সময় মালয়েশিয়াগামী ট্রলারটিতে ১১০ জনের বেশি যাত্রী ছিল। স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় ১১ যাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে বলে হাসান জানান। তিনি বলেন, ট্রলারটি অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছিল। উদ্ধারকৃত সবাইকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে অন্তত দু'জন রোহিঙ্গা মুসলমান।



কোস্টগার্ডের অপর কর্মকর্তা লে. বদরুদ্দোজা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহযোগিতায় নিখোঁজ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে উদ্ধার অভিযান চলছে।



মিয়ানমারের উগ্র বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী ও নিরাপত্তা বাহিনীর পাশবিক হামলার মুখে দেশটি থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন রোহিঙ্গা মুসলমানরা। গত ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়া যাওয়ার পথে ১৩৫ রোহিঙ্গাকে নিয়ে আরেকটি ট্রলার ডুবে গিয়েছিল। সে ট্রলারের মাত্র ছয় জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং বাকিদের সলিল সমাধি হয়েছে।



প্রাণ বাঁচাতে নৌকা ও ট্রলারে করে বাংলাদেশ উপকূলে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ঢাকা। জাতিসংঘ বাংলাদেশ সরকারের এ পদক্ষেপের সমালোচনা করলেও ঢাকা বলেছে, এসব শরণার্থী বাংলাদেশের নাগরিক নয় বলে তাদেরকে গ্রহণ করতে পারবে না দেশটি। এ ছাড়া, আগে থেকেই বাংলাদেশে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছেন। বাংলাদেশ বরং রোহিঙ্গা মুসলমানদের ওপর গণহত্যা বন্ধে পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহবান জানিয়েছে।

Wednesday, October 31, 2012

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে ৪২ রোহিঙ্গাকে ফেরত 

 কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বালুখালী, পালংখালী, ঘুমধুম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত দিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ৪২ মিয়ানমারের নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।

জানা গেছে, মিয়ানমারের আরাকান প্রদেশের রাজধানী সিটওয়েসহ আশপাশের এলাকায় নতুন করে জাতিগত সহিংসতা শুরু হওয়ায় বাংলাদেশের সীমান্তের কাছাকাছি ওপারে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এতে গত কয়েক দিন থেকে ঘুমধুম বালুখালী পয়েন্ট দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ বেড়েছে। গত এক সপ্তাহে দেড় শতাধিক রোহিঙ্গাকে আটক করে স্বদেশে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি সদস্যরা।

কক্সবাজারস্থ বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে সতর্ক অবস্থায় রাখার পাশাপাশি সীমান্তে পাহারাও জোরদার করা হয়েছে।

অপরদিকে টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্র্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিজিবি-৪২ টেকনাফস্থ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।

Monday, October 29, 2012

মিয়ানমারে মত প্রকাশের অধিকার

মিয়ানমারে মত প্রকাশের অধিকার

 

মিয়ানমারে এখন অনেকেই প্রার্থনার সময় বলেন, ‘‘এমন মুক্ত হাওয়া ভবিষ্যতেও যেন থাকে৷’’ তাদের এই প্রার্থনা মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে৷

ইয়াঙ্গুনের ঐতিহ্যবাহী শোয়েদগাও বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়ে কোথায় তারা সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাবেন, তা নয়,  অনেকেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন মিয়ানমারের বর্তমান সরকারের প্রতি! কারণ তারা যে এখন কিছুটা হলেও প্রাণ খুলে নিজের সমস্যার কথা বলতে পারছেন, যেটি কিছুদিন আগেও সম্ভব ছিল না। দাবি আদায়ের জন্য মিছিল দূরের কথা, একটু জোরে কোনো সমস্যার কথা কোথাও বলেছেন তো পাকড়াও করবে এসে পুলিশ– এমনই ছিল অবস্থা৷

সে তুলনায় এখন পরিস্থিতি যে অনেক ভালো সে কথা মিয়ানমারের এক নারী চিকিৎসকও মানেন৷ তবে এখনো নিজের নাম প্রকাশ না করার শর্ত দিয়েই তিনি বলেন বদলে যাওয়া অবস্থার কথা৷ এখন যে সাংবাদিকরা অনেক স্বাধীন, কৃষকরা তাদের সমস্যার কথা সম্মিলিতভাবে প্রকাশ্যে জানাতে পারছেন – এর পেছনে ইন্টারনেট, রেডিও, ইউটিউবকে কৃতিত্ব দিলেন তিনি৷

তার মতে, ‘‘আমার মনে হয় লোকজন ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের বাইরে বিশ্বের কোথায় কী কী হচ্ছে তা বিস্তারিতভাবে জানতে পারেন৷ ওভাবে বাইরের খবর জেনে এবং নিজ দেশের অবস্থার সঙ্গে তুলনা করে বুঝতে পারেন যে নিজেরা কেমন আছেন৷ তখন অবস্থা পরিবর্তনের উদ্যোগও আসে৷''

মিয়ানমারে অবশ্য আরব বসন্তের মতো প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কোনো গণজোয়ার আসেনি৷ তারপরও সেখানে সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে উদারতা দেখিয়েছে৷ আগে সাংবাদিকরা স্পর্শকাতর কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করলে প্রচারের আগে সরকারের অনুমতি নিতে হতো ৷ সম্প্রতি সরকার জানিয়েছে,  তার আর দরকার নেই৷
দ্য মিয়ানমার টাইমস-এর এক সাংবাদিক জানালেন, এ ঘোষণার পরও সরকার সংবাদমাধ্যমের ওপর ঠিকই কড়া নজর রাখছে৷ আগে রিপোর্ট জমা দিতে হতো, আপত্তি থাকলে প্রচার করা যেত না৷ কিন্তু এখন প্রচারের পর যদি দেখা যায় যে আপত্তিকর কিছু আছে, তাহলে মামলা ঠুকে দেয়া হয়৷
এ অবস্থাকেও বড় উন্নতি হিসেবেই দেখছেন ওই সাংবাদিক৷ কয়েক বছর আগে সাংবাদিকরা চায়ের দোকানে সরকারের সমালোচনা করলেও ধরে নিয়ে যেত পুলিশ৷ এখন সেখানে তুমুল আড্ডা জমে, সরকারের তীব্র সমালোচনা করলেও গ্রেপ্তার হতে হয় না– এটাই বা কম কিসে! সূত্র: ডয়েচে ভেলে

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে নজর রাখা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
মিয়ানমারের জাতিগত দাঙ্গা-হাঙ্গামা সম্পর্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, ‘আমাদের দেশে রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হয়েছে, সে সমস্যা যেন আর না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে।’

সোমবার সকালে চাঁদপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি শান্ত হয়ে এসেছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেখানে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে আমরা আশা করি, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থা নেবেন মিয়ানমার সরকার। তাদের যে মূল সমস্যা আছে তা খুঁজে বের করে সমাধান করবেন।

তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রত্যাশা মিয়ানমারের কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যেও যাতে সমস্যা না হয়। সবাই যাতে অধিকার ও সম্মান নিয়ে বাঁচতে পারেন।

Sunday, October 28, 2012

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার

টেকনাফ-উখিয়া সীমান্তে বিজিবির টহল জোরদার
 মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে নতুন করে শুরু হওয়া জাতিগত দাঙ্গার সূত্র ধরে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল জোরদার করা হয়েছে। বিশেষত টেকনাফের নাফ নদী থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র উপকূল পর্যন্ত বিজিবির পাশাপাশি কোস্টগার্ডের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার কারণে আরাকানের রোহিঙ্গারা যাতে সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবি এবং কোস্টগার্ডকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।
গত সপ্তাহের রোববার থেকে আরাকানের চকপো, পাত্তরখিল্যা, ম্রো, মিনবাউসহ কয়েক টাউনশিপে নতুন করে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়। এ সময় রোহিঙ্গাদের শত শত বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ হামলা ও লুটপাট করা হয়। এসব হামলায় বাস্তুচ্যুত হয়ে শত শত রোহিঙ্গা ছোট বড় ইঞ্জিন নৌকা করে বাংলাদেশের দিকে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে।
এসব রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য কক্সবাজারের জেলা প্রশাসন, পুলিশ-বিজিবি এবং কোস্টগার্ড সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ নজরদারির ব্যবস্থা করেছে।
বিজিবি টেকনাফের ৪২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাহিদ হাসান রোববার সকালে টেকনাফের নাফনদীর শাহপরীর দ্বীপ পয়েন্ট থেকে সেন্টমার্টিন উপকূল পর্যন্ত নিজেই বিজিবির টহল পরিচালনা করেন।
সন্ধ্যায় তিনি জানান, সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নাফনদীল মোহনা থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের নিয়ে কোনো নৌযানকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় দেখা যায়নি।
তিনি আরো জানান, সাগরপথে কোনোভাবেই যাতে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে বিজিবি এবং কোস্টগার্ড। এ ব্যাপারে টেকনাফে বিজিবির জনবলও বাড়ানো হয়েছে।
অপরদিকে উখিয়ার বালুখালী, ঘুমধুম এবং নাইক্ষ্যংছড়ির তমব্রু সীমান্ত দিয়ে গতকাল ১০ জন এবং আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত ২০ জন রোহিঙ্গাকে অনুপ্রবেশকালে আটক করে মিয়ানমারে ফেরত পাঠিয়েছে বিজিবি।
কক্সবাজারের বিজিবি ১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল খালেকুজ্জামান জানান, অনুপ্রবেশের এ চেষ্টাটি স্বাভাবিক ঘটনা। আরাকানে নতুন করে সহিংসতার পর উখিয়া এবং নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত এলাকা শান্ত থাকলেও বিজিবির টহলদলকে জোরদার রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ প্রয়োজন: জাতিসংঘ

মিয়ানমারে বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে নতুন করে দাঙ্গা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ বলছে, এই সহিংসতায় বাস্তচ্যুত হাজার হাজার মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণসাহায্য দরকার।
মিয়ানমার সরকারের হিসাবেই জুন মাসে দাঙ্গা শুরুর পর থেকে ২০ হাজারের মতো লোক গৃহহীন হয়েছে। তবে জাতিসংঘের হিসাবে গৃহহীনের সংখ্যা অন্ত লাখখানেক, যাদের সিংহভাগই রোহিঙ্গা মুসলিম।

পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্যে সর্বশেষ এই সহিংসতায় আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি বাড়িঘর। শরণার্থীদের বেশির ভাগই আশ্রয় নিয়েছে অস্থায়ী ক্যাম্প, নৌকা, বিভিন্ন দ্বীপ ও পাহাড়ের চূড়ায়।

সরকারি প্রতিনিধি দলের সাথে শনিবার এসব এলাকা সফরে গিয়ে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলছেন যে, তাদের এখন জরুরি  ত্রাণসাহায্য প্রয়োজন।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণবিষয়ক প্রধান আশোক নিগম বলছেন, প্রকৃত শরণার্থীর সংখ্যা সরকারি হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।

কোনো কোনো খবরে বলা হচ্ছে, এদের কেউ কেউ সাগরে ডুবে মারা গেছেন, আবার কেউ কেউ নিখোঁজ।

আশোক নিগম বলেছেন, পরিস্থিতি খুবই গুরুতর এবং তাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কাজটাই এখন সবচে বড় চ্যালেঞ্জ।

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করার পর মিয়ানমারে  জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থার প্রতিনিধি হান্স টেড ফেল্ড বিবিসিকে বলছেন, “জরুরি ভিত্তিতে যা করা দরকার সেটা হচ্ছে তাদের জন্যে খাবার-দাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। তাদের কাছে অন্যান্য সামগ্রীও পৌঁছাতে হবে। কারণ আগুনে তারা সবকিছু হারিয়ে ফেলেছে।”

এদিকে, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্য সরকারের মুখপাত্র দাবি করছেন পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে।
তবে রাজধানী সিতওয়েতে নতুন করে কোনো শরণার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।

এর আগে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের পক্ষ থেকে বলা হয়, সবশেষ এই সহিংসতায় উপকূলীয় চাওপিউ শহরের রোহিঙ্গা মুসলিম-অধ্যুষিত একটি এলাকার পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে। সংস্থাটি স্যাটেলাইট থেকে তোলা ওই এলাকার ছবিও প্রকাশ করেছে।

মিয়ানমারে প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র বিবিসির কাছে ওই ছবির সত্যতা স্বীকার করেছেন।

গত জুন মাস থেকে এই সহিংসতা শুরু হয় যাতে এ পর্যন্ত এক লাখের মতো মানুষ উদ্ধাস্ত হয়েছে। এদের প্রায় সকলেই রোহিঙ্গা মুসলিম।
সরকারও স্বীকার করেছে যে সহিংসতায় ৮০ জনের মতো নিহত হয়েছে।