Pages

Friday, September 28, 2012

জলবায়ু পরিবর্তনে ১০ কোটি মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

জলবায়ু পরিবর্তনে ১০ কোটি মানুষ মারা যাওয়ার আশঙ্কা :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিপর্যয় প্রতিরোধ করা না গেলে বিশ্বকে চরম মূল্য দিতে হবে। এর জেরে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করবে। পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী উত্পাদন হ্রাস পেয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি তিন দশমিক দুই শতাংশ কমবে।
 
বুধবার বিশ্বের ২০টি দেশের সরকার অনুমোদিত এক প্রতিবেদনে এসব কথা জানানো হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা ডিএআরএ পরিচালিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে জানানো হয়, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। ফলে পর্বত শীর্ষের বরফটুপিগুলো গলে যাচ্ছে। এতে আবহাওয়া চরম রূপ ধারণ করছে, খরা বৃদ্ধি পাচ্ছে, সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যাচ্ছে। আর এসব কারণে মানুষ ও মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়েছে।
 
প্রতিবেদনটির হিসাব অনুযায়ী, জলবায়ু দূষণ, অনাহার, কার্বননির্ভর অর্থনীতি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট রোগে প্রতিবছর ৫০ লাখ মানুষ মারা যাবে। জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের বর্তমান ধরন অব্যাহত থাকলে উল্লিখিত কারণগুলোতে মানবমৃত্যুর হার ২০৩০ সাল নাগাদ বছর প্রতি ৬০ লাখে পৌঁছে যাবে। এসব মৃত্যুর বেশিরভাগ উন্নয়নশীল দেশগুলোতেই ঘটবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
 
প্রতিবেদনটিতে ২০১০ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের ১৮৪টি দেশে মানুষের জীবন ও অর্থনীতিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হিসাব করা হয়েছে। জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা বিশ্বের ২০টি উন্নয়নশীল দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্পর্কিত একটি ফোরাম ডিএআরএর এ প্রতিবেদনটি অনুমোদন করেছে। সূত্র: রয়টার্স, জিনিউজ।

৩১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

৩১ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে গ্রামীণফোন :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
রেলওয়ে অপটিক্যাল ফাইবার লিজের বিপরীতে বিপুল অংকের ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে দেশের বৃহৎ সেলফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) হিসেবে, চাতুর্যের মাধ্যমে ফাঁকি দেয়া ওই অর্থের পরিমাণ মোট ৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৮ টাকা। প্রাপ্য অর্থ আদায়ে দফায় দফায় নোটিশ দিয়েও দীর্ঘ সাত বছরের এই অর্থ আদায় করতে পারেনি এনবিআর।
 
সবশেষে ভ্যাট ফাঁকি নিয়ে এনবিআর এবং গ্রামীণফোনের মধ্যকার এই দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে আদালতে। গত দুই বছর ধরে মামলাটি আদালতেই ঝুলে আছে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ দিনেও এ বিষয়ের কোনো সমাধান না হওয়ায় ফের বিষয়টি চাঙ্গা করতে যাচ্ছে এনবিআর।
 
এনবিআর এর দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে ফাঁকি দেয়া বিপুল অংকের মূল্য সংযোজিত এই কর আদায়ে সম্প্রতি কাজও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।

এ প্রসঙ্গে এনবিআরের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, কর ফাঁকি বিষয়ে গত মঙ্গলবার গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে চালানের প্রয়োজনীয় দলিলাদি জমা দেয়ার কথা থাকলে তা জমা দেয়নি। এমনকি সময় বাড়ানোর কোনো আবেদনও করেনি।
 
তিনি বলেন, যদিও গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে দলিলাদি পাঠানো হয়েছে বলা হচ্ছে। তবে এখানো তা পাওয়া যায়নি। দলিলাদি পাওয়া গেলে পরবর্তীতে রাজস্ব আদায়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 
এবিষয়ে গ্রামীণফোনের প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা (সিসিও) কাজী মনিরুল বলেন, “আমি খোঁজ না নিয়ে বিস্তারিত বলতে পারেছি  না।”
 
এসময় পুরো বিষয়টি তার কাছে উপস্থাপন করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। তাছাড়া এটি রেল কর্তৃপক্ষের ঘরোয়া সমস্যা এটি। আর সে কারণেই লিজ নবায়নের সময় রেল কর্তৃপক্ষ অযৌক্তিকভাবে ভাড়া বাড়ায় এবং নিজেদের হিসাবের ভিত্তিতে টাকা দাবি করেন। ফলে আমরা আদালতে দ্বারস্থ হয়েছি।”
 
সূত্র মতে,  ১৯৯৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রেলওয়ে ও গ্রামীণফোনের মধ্যে একটি  ভাড়া চুক্তি (লিজ এগ্রিমেন্ট) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মেয়াদকাল ছিল ২০০৪ পর্যন্ত। তখন চুক্তির ইজারা মূল্য ধরা হয় ১২৩ কোটি ৬৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৫৮ টাকা।

প্রসঙ্গত, ভাড়া ও লিজ নেয়া কার্যক্রম ইজারাদার সেবার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মূসক আইনের ৩ ধারা অনুযায়ী ইজারা মূল্যের ওপর মূসক আরোপযোগ্য। এছাড়া সাধারণ আদেশ নং- ২৩/মূসক/৯৭ অনুযায়ী সেবাটি যেহেতু উৎসে মূসকের তালিকাভুক্ত সেহেতু এই সেবার বিপরীতে ইজাদার মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ হারে করসহ মোট ১৮ কোটি ৫৫ লাখ ৯ হাজার ৪৬৩ টাকা ভ্যাট আরোপ করা হয়।
 
আর যথাসময়ে ভ্যাট পরিশোধ না করায় মূসক আইনের ৩৭(৩) ধারা অনুযায়ী, মাসিক দুই শতাংশ হারে জরিমানা করা হয় প্রতিষ্ঠানটিকে। সে হিসেবে গ্রামীণফোনের জরিমানার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২ কোটি ৪২ লাখ। আর ভ্যাট ফাঁকি দেয়া অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩০ কোটি ৯৭ লাখ ৪৫ হাজার ৮৭৮ টাকা।

জানাগেছে, ফাঁকি দেয়া এই অর্থ পরিশোধ করতে ২০০৫ সালের ১৯ জুলাই গ্রামীণফোন বরাবর চূড়ান্ত দাবিনামা জারি করে এনবিআর। কিন্তু দীর্ঘদিন্ওে পাওনা পরিশোধ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে উপরন্তু দাবিকৃত মূসক পরিশোধ করা হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দেয় গ্রামীণফোন।
 
এরপর বিষয়টি প্রায় ধামা চাপা পরে যায়। অবশেষে চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিট (ভ্যাট) থেকে উৎসে মূসক পরিশোধের প্রমাণাদি চাওয়া হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণফোন সাতটি চালানের মাধ্যমে ৩১ কোটি ৯৬ লাখ দেয়া হয়েছে বলে জানায়। এক্ষেত্রে পাওনার চাইতে ৯৯ লাখ ২৪ হাজার ৫৭৮ টাকা বেশি পরিশোধ করা হয়েছে দাবি করায় সন্দেহের সৃষ্টি হয় এনবিআর কর্মকর্তাদের।
 
পরবর্তীতে এনবিআর চালানগুলো বিশ্লেষণ করে দেখতে পায়, সাতটি চালানের মধ্যে দুইটি সাব লিজ সংক্রান্ত চালান। এছাড়া অপর পাঁচটি চালানের ভ্যাট পরিশোধের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। এনবিআরহর দাবিনামার বিপরীতে কোন চালান সংশ্লিষ্ট এবং সুদের ক্ষেত্র্রে কোন চালান প্রযোজ্য তারও উল্লেখ নেই। অথচ গ্রামীণফোন থেকে জানানো হয়েছে ওই সাতটি চালানের মাধ্যমে ভ্যাট পরিশোধ করা হয়।  
 
কিন্তু এই দাবির স্বপক্ষে কোনো দলিল খুঁজে পায়নি এনবিআর। ফলে চলতি বছরের ১৯ জুলাই এ বিষয়ে যথাযথ দালিলিক প্রমাণ পত্র রাজস্ব বোর্ডে জমা দেয়ার জন্য গ্রামীণ ফোনকে সাত দিনের সময় বেধে দিয়ে একটি চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু দুই মাস অতিক্রান্ত হলেও এ বিষয়ে কোনো ব্যাখা দেয়নি গ্রামীণফোন।

সালমান ভক্ত পরিচালক করন জোহর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

সালমান ভক্ত পরিচালক করন জোহর :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পরিচালক করন জোহর আর শাহরুখ খানের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বের বিষয়টি জানে না মুম্বাইয়ে এমন কেউ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তবে এবার করন শাহরুখকে ছেড়ে মন মজিয়েছেন তার অন্যতম শত্রু বলে পরিচিত সালমান খানে। বিষয়টা এমনি যে, করন বলেই দিয়েছেন যে, তিনি সালমানের সঙ্গে কাজ করবার জন্য একরকম মরেই যাচ্ছেন।

মুম্বাইয়ের একটি শীর্ষ দৈনিকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে করন বলেন, “আমি সালমানের খুব বড় ভক্ত। আমি শুধু তার জন্য অপেক্ষই করছি না বরং তার সঙ্গে কাজ করার জন্য প্রায় মরেই যাচ্ছি। শুধু আমি নই আমার অফিসের অনেকেই তার ভক্ত।”

তিনি বলেন, “আমার অফিসের লোকরা এবং ডিরেক্টররা তার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছে। তারা আমাকে বলেছে, সালমানকে আমার ছবিতে সাইন করানোর জন্য সময় নাও ভালো কথা কিন্তু দয়া করে তাকে একদিন অফিসে ডাকো যাতে আমরা তার সঙ্গে কথা বলতে ও ছবি তুলতে পারি।”

এখন দেখার বিষয় হলো জানি দোস্ত কারনের এই সালমান প্রীতিকে শাহরুখ কি চোখে দেখেন।

অবশ্য সম্প্রতি একটি চ্যানেলের রিয়েলিটি শোতে কারন আর সালমানকে একসঙ্গে দেখা গেছে। এ সময় তাদের একে অন্যের সঙ্গ দারুণ উপভোগ করতেও দেখা গেছে।

আর পরপর চার বছর ঈদে ওয়ান্টেড, দাবাঙ, বডিগার্ড আর এক থা টাইগার দিয়ে বক্স অফিস মাত করা চুলবুল খানের বৃহস্পতি যে আরো তুঙ্গে উঠতে চলেছে, তার প্রতি করন জোহরের মতো পরিচালকের আগ্রহ তাই প্রমাণ দেয়। সূত্র: জি.এন

বিতর্কে জড়িয়েছে ‘ও মাই গড’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিতর্কে জড়িয়েছে ‘ও মাই গড’ :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার অভিযোগে বিতর্কে জড়ালো হিন্দি চলচ্চিত্র ‘ও মাই গড’। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন অক্ষয় কুমার। বুধবার চলচ্চিত্রটি নিষিদ্ধের আদেশ চেয়ে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করেছেন প্রণব পান্ডে নামের এক ব্যক্তি।

রিট আবেদনে বলা হয়, ওই সিনেমাটিতে দেখানো হয় সিনেমার একজন অভিনেতা গঙ্গার জলে হুইস্কি মেশাচ্ছেন (গঙ্গার জল ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত পবিত্র।)। অন্য একটি দৃশ্যে আরতিপাত্রে রেখে মাংসে ছ্যাকা দিতে দেখা যায়। ছবির অন্য একটি দৃশ্যে বুঝানো হয় যে, মন্দির থেকে এইডসের মতো রোগ ছড়ায়।

আবেদনে সিনেমার পরিচালক উমেস শুক্লা, অভিনেতা অক্ষয় ও পরেশ রাওয়ালের বিরুদ্ধে মামলা করার দাবি জানান হয়।

মুখ্য মহানগর হাকিম ইন্তেখাব আলম এ বিষয় হজরতগঞ্জ থানার পুলিশের কাছে একটি তদন্ত রিপোর্ট চেয়েছেন। আগামী ৪ আক্টোবর শুনানির পরবর্তী দিন। সূত্র: আইএএনএস।

মরণাপন্ন রোগীর স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার দিল জার্মানি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মরণাপন্ন রোগীর স্বেচ্ছামৃত্যুর অধিকার দিল জার্মানি :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
জার্মানির ফেডারেল আদালত সম্প্রতি এক মরণাপন্ন রোগীকে আগাম মৃত্যুর অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি দেয়ার সময় আদালত বলেছে, এখন থেকে দেশটির মুমূর্ষু বা চেতনাহীন কোনো রোগী স্বেচ্ছায় তার আগাম মৃত্যুর আবেদন জানালে চিকিৎসকদের তা কার‌্যকর করা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।

জানা যায়, সম্প্রতি বার্লিনের এক হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় থাকা এরিকা কুয়েলমার নামে এক বয়স্ক মহিলার পরিবারকে তার বহিরাংশের কৃত্রিম খাদ্যনালি কেটে মৃত্যু ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন এক আইনজীবী। কিন্তু রোগীর পরিবারের একজন ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করে।

তবে সবকিছু তদন্ত করে জার্মানির ফেডারেল আদালত সেই আইনজীবীকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে রায় দেন। আর সেই সঙ্গে জার্মানিতে যুগান্তকারী আইন হিসেবে রোগীর অনুরোধে পরোক্ষভাবে এই মৃত্যুর পদ্ধতির অনুমোদন দেয়া হয়।

এরিকা কুয়েলমারের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে তার পরিবার জানায়, এরিকা দীর্ঘদিন যাবৎ বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর আগে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তাকে একটি কৃত্রিম নলের মাধ্যমে খাওয়ানো হতো। আর এ অবস্থায় তিনি আর বাঁচতে চান না বলে একাধিকবার জানিয়েছিলেন কুয়েলমার। তবে স্থানীয় প্রশাসন তার এই ইচ্ছা আমলে নেয়নি।

শেষ পর্যন্ত কুয়েলমারের মেয়ে এক আইনজীবীর পরামর্শে তার ভাইয়ের উপস্থিতিতে কাঁচি দিয়ে মায়ের কৃত্রিম খাদ্য নল কেটে দেন। এর দু দিন পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই কুয়েলমারের মৃত্যু হয়। সূত্র: যুগশঙ্খ।

মাথা ব্যথায় কলা খান :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

মাথা ব্যথায় কলা খান :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
 একটি কলা খেয়ে সোজা হয়ে কিছু সময় বসে থাকলে মাথাব্যথা কমে। এমনটাই জানিয়েছেন বৃটেনের একদল গবেষক।
 
তাদের মতে শর্করা জাতীয় খাবার দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। কলা একটি শর্করা জাতীয় খাদ্য। তাই কলার মতো শর্করা জাতীয় খাদ্য রক্তের সুগার প্রতিহত করে, ফলে তীব্র মাথাব্যথা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
 
লিভারপুলের এনএইচএস ওয়ালটন সেন্টার ফর নিউরোসায়েন্স অ্যান্ড নিউরোসার্জারির বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক নাইক সিলভার বলেন, বৃটেনে প্রতিদিন একশ’ কোটির বেশি লোক মাথাব্যথায় ভোগেন এবং ব্যথার ওষুধ খান। কিন্তু গত সপ্তাহে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর হেলথ অ্যান্ড ক্লিনিক্যাল এক্সেলেন্স (এনআইসিই) সতর্ক করে দিয়েছে, নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ গ্রহণ করলে তা হিতে বিপরীত হতে পারে এবং দেহে ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে মাথাব্যথা কমার চেয়ে আরো বেড়ে যেতে পারে।
 
মাসে দশ দিন ব্যথানাশক ওষুধ অ্যাসপিরিন, প্যারাসিটামল অথবা ইবুপ্রফেন জাতীয় ওষুধ গ্রহণের ফলে শরীর বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। তাই মাথাব্যথা কমাতে প্রাকৃতিক ফল কলা বিশেষ সাহায্য করতে পারে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: ডেইলি মেইল

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডস ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডস ঝুঁকি বাড়ায় :: স্বাস্থ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডসের ঝুঁকি বাড়ায়। বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে এইডস প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের এ ভূমিকা বিদেশেও প্রশংসিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে দৈনিক ভোরের কাগজ অফিসে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণে এইডসের ঝুঁকি প্রতিরোধ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিতকরণ কর্মশালায় এ সব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।

বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণার কারণে এইডস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। সে সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।

তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এইডসের সংক্রমণ বেশি থাকায় আমরা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নই। তাই সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদার ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন। আলোচনা করেন ডা. মো. ওহায়িদ, ডা. সাইমুন রাশিন, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. রুপালি শিশির বানু, আনিস আলমগীর, ডা. লীমা রহমান প্রমুখ।

প্রয়াত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়কে পাকিস্তানে দাহ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রয়াত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়কে পাকিস্তানে দাহ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট


চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ের পিতা রাজা ত্রিদিব রায়কে (৮০) মৃত্যুর দশ দিন পর পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে দাহ করা হয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পরলোক গমন করেন। তার মৃত্যুর পর চাকমা রাজপরিবার এবং বিশিষ্ট পাহাড়ি নাগরিকদের পক্ষ থেকে মরদেহ বাংলাদেশে নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। সরকার তার মরদেহ বাংলাদেশে আনার অনুমতি দিলেও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতা করায় একটি মহল তার মরদেহ প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়। অন্যদিকে শনিবার পাহাড়ি-বাঙালি সংঘাতের কারণে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় তার মরদেহ বাংলাদেশে আনা হয়নি। অনেকটা ক্ষোভে-অভিমানে চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়ও পাকিস্তান যাননি। তবে রাজমাতা আরতি রায়সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা ধর্মীয় কার্যাবলি সম্পাদন করতে পাকিস্তান গেছেন। সামাজিক ওয়েবসাইট ফেইসবুকে চাকমা রাজা ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় তার পিতার লাশ বাংলাদেশে আনতে না পারায় তার পিতার শুভাকাঙ্ক্ষীসহ সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। পাশাপাশি আগামী ৪ অক্টোবর রাজবাড়িতে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সাবেক চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় ১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রাজা নলিনাক্ষ রায়ের মৃত্যুর পর ১৯৫৪ সালে চাকমা সার্কেলের চিফ নিযুক্ত হন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করেন। এ কারণে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তার বির্তকিত ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ ছেড়ে পাকিস্তান চলে যান। সেখানে তিনি পাকিস্তানের পক্ষে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ কূটনীতিকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে আমৃত্যু ত্রিদিব রায় পাকিস্তানে অবস্থান করেন।

আতাউস সামাদ, গণতন্ত্রের বার্তাবাহক ছিলেন যিনি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদ, গণতন্ত্রের বার্তাবাহক ছিলেন যিনি :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 পঁচাত্তর বছর বয়সে বুধবার রাতে ইন্তেকাল হলো বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক আতাউস সামাদের, ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহের কিশোরগঞ্জের সাতদরিয়া গ্রামে যেই জীবনের শুরু, বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় এক কিংবদন্তির সাফল্য নিয়ে সেই জীবন-অভিযাত্রার সমাপ্তি ঘটলো।

তার সমকালীন বিখ্যাত সাংবাদিকদের একজন; শফিক রেহমান শোকার্ত কন্ঠে এই প্রতিবেদককে জানালেন, সাংবাদিকতার যেই ব্যাপারটি অন্য যে কারো থেকে তাকে উঁচুতে নিয়ে গেছে- তা হলো চরম প্রতিকূল সব পরিস্থিতিতেও গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টা ও মানুষের রাজনৈতিক অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই সংবাদ পরিবেশন করতেন তিনি। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক বার্তাবাহকের দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে ও নিখুঁতভাবে তিনি পালন করেছেন।

বিশেষত, নব্বইয়ের দশকে সামরিক স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদের আমলে যখন দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিলনা- তখন বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে তার কন্ঠস্বরই ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের খবর জানতে নিরুপায় মানুষের একমাত্র ভরসা।

লেখক ও সাংবাদিক আবু সাঈদ খান দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন অন্য এক দিকে। তিনি বার্তা২৪ ডটনেটকে বললেন, আতাউস সামাদ হচ্ছেন বাংলাদেশের সেই কমসংখ্যক প্রথিতযশা সাংবাদিকদের একজন- যারা কিনা একইসঙ্গে সংবাদপত্র, বেতার ও টেলিভিশনে নানা উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব শওকত মাহমুদ বললেন, “তিনি থাকবেন না, কিন্তু বাংলাদেশ চলবে-এটি ভাবতে পারি না। তিনি সব সময় তরুণ সাংবাদিকদের পরামর্শ দিতেন। তিনি ছিলেন একজন সফল সাংবাদিক। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা তার হাত দিয়েই হয়েছিল। সব মিলিয়ে জাতির অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল।”

তরুণ লেখক ও দৈনিক সমকালের সহকারি সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ বললেন, ''তিনি যে কোনো লেখালিখির ব্যাপারে খুবই নিখুঁত হতে প্রাধান্য দিতেন। আমাদের এখানে বা যেকোনো জায়গায় কলাম লিখতেন তিনি- সবখানেই পত্রিকা প্রেসে পাঠানোর আগেও দীর্ঘক্ষণ ফোনে বলতেন যে, কিভাবে তার লেখাটিতে আরো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়।''

তবে দেশের বিদ্যমান আর্থ-রাজনৈতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তার সাম্প্রতিক বছরগুলোর কলামে প্রায়ই হতাশা ও আশঙ্কার কথা থাকতো; এমনটি খেয়াল করেছিলেন তরুণ লেখক ও সাংবাদিক খোমেনী ইহসান। দৈনিক আমার দেশ পাঠকমেলার কেন্দ্রীয় পরিচালক জনাব খোমেনী বললেন, ''একজন কনিষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে তাকে কাছ থেকে দেখেছি বিগত সাড়ে তিন বছর। সারল্য, বিনয় ও রসবোধের সমন্বয়ে ব্যক্তিত্বের অধিকারী আতাউস সামাদ সাহেবের সাংবাদিক জীবনের যেই মহান সফলতা ও বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর মধ্যে তার যে অবস্থান তৈরি হয়েছিল তা মিলিয়ে তার হতাশ হওয়ার কোন কারণই নেই। কিন্তু স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের একজন অসামান্য সৈনিক হিসেবে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তার শেষের দিকের কলামগুলোতে তিনি সেই হতাশাকে চেপে রাখতে পারেন নি। বাংলাদেশের বিরাজমান পরিস্থিতি সব জ্যেষ্ঠ নাগরিককেই হতাশ করে নিশ্চয়।''
 
আতাউস সামাদ তার সাংবাদিকতার সবচেয়ে কর্মমুখর সময়ে; সেই পাকিস্তানি শাসনামল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে সামরিক শাসক এরশাদের স্বৈরশাসনে বিরুপ পরিস্থিতির মধ্যে গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে প্রতিবেদক ও লেখকের ভূমিকা রেখেছেন বেতার ও সংবাদপত্রে, এমনকি ভিনদেশ ভারতেও এক জরুরি অবস্থার কালে নানা প্রতিকূলতার সময়ে তিনি সাহসী সাংবাদিকতা করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ছাত্রাবস্থায় ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তিনি। দৈনিক সংবাদে কাজ শুরু করারও আগে ৫০ এর দশকে 'সচিত্র সন্ধানী'তে কাজ শুরু করার মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম জগতে পা রাখেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৫৯ সালে দৈনিক সংবাদে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশনে কাজ করেছেন তিনি।

সংবাদের পর, আজাদ পাকিস্তান অবজার্ভারে কাজ করেন তিনি। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান অবজারভারের প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ভারতের নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ সংবাদদাতা ছিলেন।

১৯৮২ সাল থেকে টানা এক যুগেরও বেশি সময়ের কর্মক্ষেত্র বিবিসি ছাড়ার পর সাপ্তাহিক 'এখন' নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন তিনি। একইসঙ্গে নম্বইয়ের দশক থেকেই বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও দৈনিকে  কলাম লেখা অব্যাহত রেখেছিলেন। এসব কলামেও গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের রাজনীতির পথ ধরে জাতীয় ঐক্যের কথাই লিখে আসছিলেন বরেণ্য এই লেখক।

সর্বশেষ গত ২০০৪ সাল থেকে দৈনিক আমার দেশের উপদেষ্টা সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। পালন করে আসছিলেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এনটিভি'র প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব।

পেশাদার সাংবাদিকই শুধু নন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি। ১৯৬৯ থেকে ৭০ সাল পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, এছাড়া জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ছিলেন তিনি।

গত বছর বিবিসি'র বাংলা বিভাগের জন্য তিনি লিখেছিলেন তার এই সাংবাদিক জীবনের অভিজ্ঞতার কথা, ''চাপ আর বাধার মধ্যে কাজ করার দুর্ভাগ্য আমার বরাবরের। আমি যখন প্রথম কোন দৈনিক সংবাদপত্রে (সংবাদ) কাজ শুরু করি (১৯৫৯) তখন জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন চলছিল। ১০ বছর শাসন চালিয়ে আইয়ুব খান যখন বিদায় নিলেন তখন তাঁর জায়গা দখল করলেন আরেক সেনাশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান। এ লোক তো যুদ্ধ ও গণহত্যা চালিয়ে দিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার বিশেষ সংবাদদাতার চাকরি নিয়ে গেলাম ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লী। সেখানে থাকতে থাকতেই মিসেস ইন্দিরা গান্ধী প্রধানমন্ত্রীর গদি রক্ষার জন্য ১৯৭৫-এ জারি করলেন জরুরি অবস্থা। সেই সাথে প্রয়োগ করলেন কঠোর সেন্সরশিপ।''

''১৯৭৬-এর আগস্টে যখন দেশে ফিরলাম তখন এখানে চলছে আবারও সামরিক আইনের শাসন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২’র মার্চ পর্যন্ত স্বাভাবিক আইনে দেশ চলছিল, একটা নির্বাচিত সরকারও ছিল দেশে কিন্তু সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদ ক্ষমতা দখল করলেন ঐ মাসে এবং সামরিক শাসন জারি করলেন। তিনি দেশের উপর বসে থাকলেন ১৯৯০-এর ডিসেম্বর পর্যন্ত। আর আমি বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস নিউজ-এর জন্য সংবাদদাতা হিসাবে ঢাকায় কাজ শুরু করি ১৯৮২ সালের অক্টোবর থেকে অর্থাৎ মার্শাল ল’র মধ্যে। অর্থাৎ যুদ্ধ, সেন্সরশিপ, সামরিক শাসন ও অগণতান্ত্রিক জরুরি আইনের শাসনের মধ্যে দিয়ে কেটেছে আমার রিপোর্টার জীবনের প্রায় সবটা সময়।''

বুধবার রাতে রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে রাত নয়টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানালেন, আতাউস সামাদ আর নেই। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে গত কদিন ধরে যখন হাসপাতালে এই কিংবদন্তী সাংবাদিক জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ছিলেন, আরো অনেকের মতো তখন সেখানে বুধবার রাতে ছুটে গিয়েছিলেন তার সমকালের আরেক প্রখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান।

নব্বইয়ের দশকে স্বৈরশাসক এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময়ে বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে যখন আতাউস সামাদের কন্ঠের অপেক্ষায় থাকতো দেশবাসী, তখন একই সঙ্গে অপেক্ষা ছিল শফিক রেহমান সম্পাদিত সাপ্তাহিক যায়যায়দিনের ।

বুধবার রাতে হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে জনাব রেহমান বার্তা২৪ ডটনেটকে বললেন, ''আতাউস সামাদের ব্যাপারে আমি সবকিছুর আগে বলবো শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন একজন নিখুঁত প্রতিবেদক। একটা গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গী থেকে তিনি প্রতিবেদন করতেন, তথ্য ও শৈলীর দিক থেকে সাফল্যের সঙ্গে চেষ্টা করতেন সেই প্রতিবেদনটিকে পূর্ণাঙ্গ করে তুলতে।''

তিনি বলেন, এরশাদের শাসনামলে দেশে আত্মগোপনে থেকেই বিবিসি'র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আতাউস সামাদ এদেশে সাহসী সাংবাদিকতার বিরাট নজির তৈরি করেছেন।

শফিক রেহমান বলেন, ''তারওপর আমাদের এখানে যেটা সাংবাদিকদের মধ্যে দুর্লভ, সেই ইংরেজির ওপর চূড়ান্ত দখল ছিল তার। সাংবাদিকতার ভাষা হিসেবে ইংরেজিতে তিনি দক্ষ ছিলেন।''

জনাব রেহমান বললেন, কলাম লেখক হিসেবে বাংলাদেশে এখন খ্যাতিমান প্রায় সবার মতো আতাউস সামাদও শুরু করেছিলেন সাপ্তাহিক যায়যায়দিন দিয়েই। 'এ কালের বয়ান' ও 'আটলান্টিকের দুই তীরে' নামে দুটি কলামে নিয়মিত লিখতেন তিনি।

স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ব্যাবসায়ীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

স্ত্রীর বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ব্যাবসায়ীর :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দ্বিতীয় স্ত্রী মৌসুমি আক্তার মৌ ও তাদের প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার বাবুল মিলে আল আজাদ মাসুদ নামে ব্যবসায়ীর আড়াই কেটি টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই ব্যবসায়ী।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্র্যাইম রিপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েসনে (ক্র্যাব) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

গার্মেন্টস ব্যবসায়ী মাসুদ জানান, প্রথম স্ত্রীর সন্তান না হওয়ায় তার অনুমতি নিয়ে মৌকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের ছয় বছরের একটি ছেলে ও চার বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। কিন্তু ম্যানেজার বাবুলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরেন মৌ। তারা পরস্পর মিলে ব্যাংকের সই জাল করে ও বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন একাউন্ট থেকে আড়াই কোটি টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। এ ব্যপারে উত্তরা থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, ম্যানেজার বাবুল, মৌসহ অন্যরা কয়েকবার তাকে অপহরণের চেষ্টা চালান ও হত্যার দেন। এ কারণে তিনি ও তার প্রথম স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
 

পদ্মা প্রকল্প নিয়ে স্বাধীন অনুসন্ধান হচ্ছে: দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা প্রকল্প নিয়ে স্বাধীন অনুসন্ধান হচ্ছে: দুদক :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
 বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন কমিশন বলেছে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগের ব্যাপারে আলাদা টিম গঠন করে স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান কাজ চালানো হচ্ছে। এই তদন্তের তথ্য শেয়ারের প্রশ্নে বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়গুলো ঠিক করা হবে বলেও বলা হচ্ছে।
 
একই সঙ্গে কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের আইনের ভেতর থেকেই এই তদন্ত বা সব কিছু করতে হবে।
 
অন্যদিকে দুর্নীতি বিরোধী বেসরকারি সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ শাখা বা টিআইবি বলেছে, বিশ্ব ব্যাংকের বিশেষজ্ঞ দলের সাথে সহায়তার ভিত্তিতে এবং স্বচ্ছভাবে তদন্ত করা হলে তখন তা গ্রহণযোগ্য হবে।
 
দ্বিতীয় দফায় দেয়া বিশ্ব ব্যাংকের বিবৃতিতে পদ্মা সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অর্থায়ন প্রশ্নে বিশ্বব্যাংকের শর্ত ছিল, বিশেষ তদন্ত দল গঠন করে অভিযোগের তদন্ত করতে হবে।
 
একই সঙ্গে এই তদন্তের সব তথ্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত একটি প্যানেলের কাছে দিতে হবে। আর এই প্যানেল গঠন করবে বিশ্ব ব্যাংক।
 
বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান অবশ্য বলেছেন, কমিশন আলাদা টিম গঠন করেই অভিযোগে অনুসন্ধান করছে। এছাড়া তদন্ত টিম এবং আন্তর্জাতিক প্যানেলের কার্যপরিধিও বিশ্ব ব্যাংকের সঙ্গে আগেই ঠিক হয়ে রয়েছে।
 
এরপরও বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল শিগগিরই ঢাকায় আসছে এবং তখন বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।
 
তিনি আরো বলেছেন, ‘তদন্ত, অনুসন্ধান যাই হোক না কেন, তা বাংলাদেশের আইনের আওতায় হতে হবে।’
 
তবে দুর্নীতি বিরোধী বেসরকারি সংস্থা টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, দুর্নীতি দমন কমিশন এখন যেভাবে তদন্ত করছে, তাতে প্রশ্ন বা সন্দেহ থাকতে পারে।
 
তিনি বলেছেন, পদ্মা সেতুর বিষয় ছাড়াও বড় কোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে থেকে দুদক তদন্ত করতে পারবে। এমন অবস্থানের ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছে।
ইফতেখারুজ্জামান মনে করেন, বিশ্বব্যাংকের প্রস্তাব অনুযায়ী আন্তর্জাতিক প্যানেলের সঙ্গে সহায়তার মাধ্যমে তদন্ত হলে, তখন তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে।
 
দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান অবশ্য দাবি করেছেন, তাদের তদন্ত প্রভাব মুক্তভাবে এবং স্বচ্ছ ও স্বাধীনভাবে চলছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রয়োজনে তদন্তের জন্য নতুন টিম গঠনের সুযোগ রয়েছে।
 
অন্যদিকে, যে সব সরকারি কর্মকর্তা বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ছুটিতে পাঠাতে হবে। এটি ছিল বিশ্বব্যাংকের বড় শর্ত। ইতিমধ্যে সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন পদত্যাগ করেছেন। কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তাকেও ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।
 
টিআইবির ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, পদে থেকে তদন্ত প্রভাবিত করার সুযোগ বেশি থাকে। সে কারণে সরিয়ে দেয়ার শর্ত এসেছে। এটা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য বলে তিনি মনে করেন।
 
কিন্তু ইফতেখারুজ্জামান উল্লেখ করেছেন, দুর্নীতি হয়নি বা প্রমাণ হয়নি বলে বিশ্ব ব্যাংক আবার ফিরে এসেছে, এ ধরনের নানান বক্তব্য সরকারের শীর্ষসহ বিভিন্ন পর্যায় থেকে আসছে।
এগুলো ভুল নির্দেশনা দিচ্ছে এবং সে কারণে বিশ্বব্যাংক দ্বিতীয় দফা বিবৃতি দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
 
তিনি বলেছেন, শর্ত পূরণের পাশাপাশি সরকারের আন্তরিকতার বিষয়ও তুলে ধরতে হবে। সূত্র: বিবিসি

প্রেস ক্লাবে আতাউস সামাদের শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রেস ক্লাবে আতাউস সামাদের শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধা :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক আতাউস সামাদের দ্বিতীয় ও শেষ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে। বিকেল সাড়ে তিনটায় এ জানাজায় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, অনুজপ্রতীম সাংবাদিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

গুলশানের আজাদ মসজিদে প্রথম জানাজা শেষে বিকেল তিনটার দিকে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়নতের মঞ্চে। প্রেস ক্লাব নেতারাসহ কয়েকজন সাংবাদিক এ সময় মরহুমকে স্মরণ করে সংক্ষিপ্ত স্মৃতিচারণ করেন।

জানাজা শেষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সাংবাদিক সংগঠনসহ রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের তরফে তার কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এখান থেকে তার মরদেহ দাফনের জন্য আজিমপুর কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হবে।

৭৫ বছর বয়সে গত বুধবার ইন্তেকাল করার আগে বরেণ্য এই সাংবাদিক সর্বশেষ দৈনিক আমার দেশে উপদেষ্টা সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

দৈনিক আমার দেশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তার স্মরণে আগামী তিনদিন পত্রিকাটির কারওয়ান বাজার কার্যালয়ে শোক বই খোলা থাকবে।

ঋণ নয় পুরোপুরি জালিয়াতি: কাশেম হুমায়ুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

ঋণ নয় পুরোপুরি জালিয়াতি: কাশেম হুমায়ুন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য কাশেম হুমায়ুন বলেছেন, “হলমার্ক গ্রুপ রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে যে টাকা নিয়েছে, তা কোনো ঋণ নয়, পুরোপুরি জালিয়াতি। ওই টাকা ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিভাগ থেকে নেয়া হয়েছে।”
 
বৃহস্পতিবার সকালে দুদক কার্ালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
 
তিনি বলেন, “ব্যাংকের নিয়মানুয়ী বছরে দুই বার ব্যাংক অডিট করার কথা থাকলেও ওই শাখা দেড় বছরে একবারও অডিট হয়নি।”
 
দুদকের সিনিয়র উপপরিচালক মীর জয়নুল আবদিন শিবলির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারা হলেন: মো. শহীদুল মিয়া ও কাশেম হুমায়ূন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়।
 
তবে আজকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছে দুদক।
 
আর সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত দুদকে সশরীরে না এসে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন।
 
দুদক জানায়, হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের পরিচালানা পর্ষদের কোনো প্রভাব আছে কিনা তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
  
এর আগে গত মঙ্গলবার ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের ১১ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠায় দুদক।
 
বুধবার পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ দিলেন লাঞ্ছিত এমপি লতিফ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নালিশ দিলেন লাঞ্ছিত এমপি লতিফ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
দ্বিতীয় দফায় দলীয় কর্মীদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে দলের অপর নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে নালিশ করেছেন চট্টগ্রামের সরকারদলীয় সাংসদ ও চেম্বার অব কমার্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট এম এ লতিফ।

নিজের উপর হামলা এবং চেম্বার ভবনের ভাঙচুরের বিচার চেয়ে বিদেশে অবস্থানরত দলীয় প্রধানের কাছেও ফোন করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হামলার ঘটনার পরপরই চেম্বার কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লতিফ। এতে চেম্বারের বর্তমান সভাপতি জাতীয় পার্টি নেতা মোর্শেদ মুরাদ ইব্রাহিম, সহ-সভাপতি মাহবুবুল আলম, চেম্বার পরিচালক ওয়াহিদ সিরাজ স্বপন, মাহফুজুল হক শাহ, সৈয়দ ছগির আহম্মদ, এস এম শফি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত চেম্বার সভাপতি মোর্শেদ মুরাদ জানান, হামলার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে ।

সংবাদ সম্মেলনে লতিফ হামলা এবং ভাঙচুরের জন্য মহিউদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করেছেন। এ সময় পুলিশের নীরব  ভূমিকারও সমালোচনা করেন তিনি।

সাংসদ লতিফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন। সেখানেও তাকে এ ঘটনার বিষয়ে ওয়াকিবহাল করার ব্যবস্থা করেছি।

তিনি বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী আমার বিরুদ্ধে, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগ-যুবলীগের কিছু সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়েছেন। তাদের ব্যবহার করে মহিউদ্দিন দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন  করেছেন।

সমাবেশে হামলার জন্য পুলিশের সমালোচনা করে সাংসদ বলেন, “আমরা যখন শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করছিলাম, তখন দেখেছি কিছু লোক হাতে লাঠি নিয়ে মাথায় লাল হলুদ কাপড় বেঁধে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে। আমরা ব্যবসায়ীরা ভদ্রলোক। পুলিশ আমাদের মতো ভদ্রলোকদের সরে যেতে বলেছে আর লাঠিয়াল বাহিনীকে চেম্বারের সামনে আসার সুযোগ করে দিয়েছে।”

দেশটা আজ মগের মুল্লুক হয়ে গেছে মন্তব্য করে  লতিফ বলেন, মহিউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া মাস্তান বাহিনী ব্যবসায়ীদের উপর কিভাবে হামলা করেছে সেটি সবাই দেখেছেন। তিনি দুটি মামলা করেছেন। আমরা আদালতে সব অভিযোগের জবাব দেব।

এর আগে সকালে চেম্বার ভবনের সামনে ১৪ দলের সমাবেশে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনামুল হক দানু কর্তৃক সাংসদ লতিফকে দলের সব কর্মকাণ্ডে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা প্রসঙ্গে  লতিফ বলেন, “আমাকে অবাঞ্ছিত করার ক্ষমতা  মহিউদ্দিন কিংবা দানুর নেই। প্রধানমন্ত্রী আমাদের দলের সভানেত্রী। সিদ্ধান্ত নেবেন তিনি।”
 

সবার জন্য মাতৃভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রতিমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সবার জন্য মাতৃভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে: প্রতিমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
প্রাথমিক পর্যায়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর শিশুদরে জন্যে মাতৃভাষায় শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে প্রাথমিক ও  গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. মোতাহের হোসেন বলেছেন, ‘‘সকল জাতি গোষ্ঠীর শিশুদের জন্যে প্রাথমিক পর্যায়ে মাতৃভাষা শিক্ষার ব্যবস্থা করা হবে। এটা আমাদের জাতীয় শিক্ষানীতিতেও স্বীকৃত হয়েছে। আর এ কাজে সবার সহযোগিতা দরকার।’’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে গবেষণা ও উন্নয়ন কালেকটিভ এবং ব্র্যাক আয়োজিত ‘অ্যাসেসমেন্ট অব সাপ্লিমেন্টারী  ম্যাটেরিয়ালস্ অব ব্র্যাক এডুকেশন ফর এথনিক চিরড্রেন’ এর গবেষণার সার সংক্ষেপ উপস্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘‘আমাদের একটা ধারণা আছে সরকার একাই সবকিছু করবে। আমাদের এ ধারণার পরিবর্তন হওয়া দরকার। সমাজের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার একা সবকিছু করতে পারবে না। আমাদের সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আমরা সকলের ভোটেই ক্ষতায় এসেছি। সকল জাতিগোষ্ঠীর জন্যেই আমাদের কাজ করতে হবে। কোন একটি নির্দিষ্ট আদিবাসী বা নৃ-গোষ্ঠী নয়; আমাদের সবাইকেই একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।’’

এসময় এতোদিন ধরে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার গতানুগতিক ধারার পরিবর্তন আনা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শ্যামল কান্তি ঘোষ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব(ভারপ্রাপ্ত) এম এম নিয়াজ উদ্দিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক ড. মাহবুব হোসেন ও ব্র্যাকের  এডকেশন প্রোগ্রাম পরিচালক ড. শফিকুল ইসলাম।
 

অতিকথন পদ্মা সেতুর সর্বনাশ আনতে পারে: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

অতিকথন পদ্মা সেতুর সর্বনাশ আনতে পারে: যোগাযোগমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবার আগে এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না। বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে আসছে। এ মুহুর্তে স্পর্শকাতর বিষয় নিয়ে কথা বলতে চাই না। অতিকথন সর্বনাশ ডেকে আনতে পারে।

বৃহস্পতিবার সকালে ফেনী সার্কিট হাউজে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর ভ্রাতাপ্রতিম দলগুলোর নেতাদের  সঙ্গে মত বিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজ আহম্মদ চৌধুরী মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

যোগাযোগমন্ত্রী আরো বলেন, “পদ্মা সেতুর অর্থায়নে বিশ্বব্যাংক ফিরে এসেছে।” এবং বর্তমান সরকারের আমলে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে পুনরায় আশা প্রকাশ করেন। তিনি এ প্রসঙ্গে দলীয় নেতাদের বাকসংযম করার আহবান জানান।

আগামী জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে ওবায়দুর কাদের, “প্রধানমন্ত্রী চাইলে আগাম নির্বাচন হতে পারে। তা না হলে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে।”এ জন্য তিনি নেতাকর্মীদের মানসিক ও সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত থাকার আহবান জানান।

ওবায়দুল কাদের বিরোধিদলের আন্দোলন প্রসঙ্গে বলেন, “জনগণের চাওয়া-পাওয়া আকাশ কুসুম নয়।  আমরা যদি বিদ্যুৎ, আইনশৃঙ্খলা, রাস্তাঘাট ও দ্রব্যমূল্য কাঙ্খিত পর্যায়ে রাখতে পারি তাহলে বিরোধিদলের অন্দোলনে সরকারের কিছু হবে না।”

তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের হুশিয়ার করে বলেন, “সব  উন্নয়ন কাঙ্খিত পর্যায়ে করার পরও যদি কর্মীদের আচরণে মানুষ কষ্ট পায় তবে তারা আমাদের ভোট দেবে না। জনগণ অসন্তুষ্ট হলে সময়মতো ব্যালট পেপারে জবাব দেবে। বিগত সময়ে আমাদের কিছু নেতাকর্মীর আচরণের কারণে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো।”

‘সন্দেহ হলে হানাদার বাহিনী কাউকেই রেহাই দিতো না’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

‘সন্দেহ হলে হানাদার বাহিনী কাউকেই রেহাই দিতো না’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আটক জামায়াত নেতা আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দ্বিতীয় সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দিন জালাল বলেছেন, ৭১’র ২৫ মার্চের পর কিশোর, তরুণ এবং যুবকদের তল্লাশী করা হতো। সন্দেহ শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কেউই তাদের হাতে নিরাপদ ছিল না।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবীরের নেতৃত্বে  ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী মুক্তিযুদ্ধকালে গেরিলা বাহনীর সদস্য জহির উদ্দিন জালাল ওরফে বিচ্চু জালাল (৫৭) আসামিপক্ষের জেরার জবাবে এ কথা বলেন।

আসামিপক্ষের জেরায় এক প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী বলেন, “মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভূক্তি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিভিন্ন সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধাদের ভিন্ন ভিন্ন তালিকা হয়েছে। এখনো মুক্তিযোদ্ধা তালিকা যাচাই-বাছাই চলছে। এই প্রক্রিয়ায় রাজধানীর রমনা এলাকায় ৪৮ জন মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার নাম তালিকাভূক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহর পর্যন্ত ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকা পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক হত্যাযজ্ঞসহ তৎকালীন পরিস্থিতি আমি ঘুরে ঘুরে স্বচক্ষে দেখেছি।”

জেরাকালে সাক্ষী বলেন, ৭১ সালে ২৭ মার্চ সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কার্ফু তুলে নেয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও রাস্তাঘাটে সামরিক বাহনীর লোকেরা অস্ত্র হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল।

তিনি বলেন, কারফিউ শিথিলকালীন সাংবাদিকসহ অন্যান্য লোকদের যেসব এলাকায় হত্যাযজ্ঞ হয়েছিল সেসব এলাকায় ছবি তোলা ও খবর সংগ্রহ করার চেষ্টা করলে পাকসেনা তাদের ধরে ক্যান্টমেন্ট নিয়ে যেত। ওই সময় শাহবাগ রেডিও অফিস, টিএসসি মোড়, রমনা কালি মন্দির এলাকায় সেনা বাহিনীকে টহল দিতে দেখেছি। তবে পরিবাগ শাহ সাহেবের মাজারের পশ্চিমের রেল লাইন এলাকায় সেনা বাহিনী ছিল না।

তিনি বলেন, ২৭ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ঘুরে শত শত মানুষের লাশ আমি স্বচক্ষে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেছি। টিএসসি মোড়ে পাক সেনারা শত শত লোককে থামিয়ে মুসলমান না হিন্দু তা চেক (যাচাই)করতো।

জেরায় এক প্রশ্নের জবাবে জহির উদ্দিন জালাল বলেন, “২৭ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত সার্কিট হাউসের বাসাতেই ছিলাম। তবে পাকিস্তানি দালালদের ভয়ে মাঝে মাঝে লুকিয়ে পুরান ঢাকায় আমার চাচার বাসায় যেতাম। সেখানে আমার চাচার বাসা এবং প্রতিবেশীদের বাসায় অবস্থান পরিবর্তন করে রাত কাটাতাম। দিনে এক বাসায় আবার রাতে আরেক বাসায় লুকিয়ে থাকতাম।”

আসামীপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ মিজানুর রহমান আজ বৃহস্পতিবার তাকে জেরা করেন। জেরা অসমাপ্ত অবস্থায় মামলার কার্যক্রম ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মুলতবি করা হয়েছে।

এর আগে সাক্ষী জহির উদ্দিন জালাল গত ২০ সেপ্টেম্বর মুজাহিদের বিরুদ্ধে জবানবন্দি পেশ করেন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশনের প্রথম সাক্ষী শাহরিয়ার কবীর গত ২৬ আগস্ট জবানবন্দি পেশ করেন। জবানবন্দি শেষে তাকে জেরা শুরু করে আসামিপক্ষ।

গত ২১ জুন মুজাহিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট সাতটি ঘটনায় ৩৪টি অভিযোগে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইব্যুনাল। এর আগে একটি মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মুজাহিদকে গ্রেফতার করা হয়। ওই বছরের ২ আগস্ট এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।

আমরা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি: জাবেদ আলী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আমরা সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি: জাবেদ আলী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
নির্বাচন কমিশনার জাবেদ আলী বলেছেন, “আমরা মিছিল-মিটিং করতে নির্বাচন কমিশনে আসিনি। আমরা এসেছি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে। এ দায়িত্ব কতটা নিখুঁতভাবে পালন করা যায় তা নিয়েও আমরা বসেছি।”

বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজীপুর-৪ উপনির্বাচন সম্পর্কে এ সময় তিনি বলেন, ‘‘শুক্রবার রাত ১২টার মধ্যে নির্বাচনী এলাকা থেকে বহিরাগতদের বের হয়ে যাওয়ার শেষ সময়। সুতরাং এর পর বহিরাগতদের সেখানে অবস্থান না করাই উত্তম। এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে স্থানীয় আইনশৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’’

এ উপনির্বাচনে বিএনপি কোন প্রার্থী দেয়নি। তাই স্থানীয় বিএনপি নেতারা দলীয় ব্যক্তিদের ভোট না দেয়ার জন্য প্রভাবিত করছে বলে সংবাদপত্রে একাধিক প্রতিবেন এসেছে।

এ বিষয়ে কমিশন কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘বিষয়টি আমরাও পত্রপত্রিকায় দেখেছি। কোনো দলেরই এটা করা উচিৎ নয়। ভোটদান গণতান্ত্রিক অধিকার। কাউকে প্রভাবিত করে ভোট দেয়া থেকে বিরত রাখা অন্যায়। এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’’

সরকারি দল মনোনীত প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা দিচ্ছেন ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন বলে গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনের বিষয়ে তিনি বলেন, “এ সংবাদ আমাদের কাছেও এসেছে। কেইসটি নিয়ে দুই একদিনের মধ্যে কমিশন বসবে। কমিশন বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও মত দেন জাবেদ আলী।”

পদ্মা সেতু পর্যটন শিল্প বিকাশে ভূমিকা রাখবে: ফারুক খান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতু পর্যটন শিল্প বিকাশে ভূমিকা রাখবে: ফারুক খান :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী কর্নেল অব. ফারুক খান বলেছেন, “পদ্মা সেতু দেশের পর্যটনশিল্প বিকাশে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে।”

বৃহস্পাতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব পর‌্যটন দিবস-২০১২ উপেলক্ষে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। পর্যটন ও টেকসই জ্বালালি: টেকসই উন্নয়নের নিয়ামকহ শীর্ষক বৈঠকের আয়োজন করে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।

ফারুক খান বলেন, “কালই পর্যটন শিল্পকে বিকাশ হয়ে যাবে এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই। তবে সরকার এ শিল্পের বিকাশে সম্ভব সব ধরণের সুযোগ সুবিধা দিচ্ছে।”

পর‌্যটন শিল্পে সবাইকে উৎসাহিত করতে সরকার সোলার প্যানেল এবং ব্যায়ো-টারবাইনের ওপর থেকে কর প্রত্যাহার করেছে এবং এ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানে স্বীকৃতি স্বরুপ ওটুরিজম অ্যাওয়ার্ডহ প্রদান করা হবে বলেও জানান তিনি।

এই খাতকে আরো আকর্ষণীয় করতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ঋণ দেয়া হচ্ছে। ঋণ পেতে কোনো সমস্যা হলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।”

বেসামরিক বিমানমন্ত্রী বলেন, “সরকার পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া গ্রহণ করছে। ৩০টি বায়োটার্বাইনের মাধ্যমে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।”

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান খান কবির, পর্যটন বোর্ডের চেয়ারম্যান মাকসুদুল হাসান খান, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন সচিব খোরশেদ আলম চৌধুরী প্রমুখ।

সাংবাদিকতায় সাহসের মাইলফলক হয়ে থাকবেন আতাউস সামাদ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সাংবাদিকতায় সাহসের মাইলফলক হয়ে থাকবেন আতাউস সামাদ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
সমতল থেকে হাত দুয়েক উঁচু লাল ইটের কবরটির দেয়ালে সাদা সিরামিকের ফলকে কালো কালিতে লেখা- আবদুস সামাদ, ১ এপ্রিল ১৮৯৯- ৯ মে ১৯৬৬। রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানের এই কবরে মিশে আছে পিতা আবদুস সামাদের জীবনের অবশেষ, এই কবরেই বৃহস্পতিবার বিকেলে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন পুত্র প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক আতাউস সামাদ। নব্বইয়ের দশকে সামরিক স্বৈরশাসক এইচএম এরশাদের আমলে যখন দেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ছিলনা- তখন বিবিসি’র বাংলাদেশ সংবাদদাতা হিসেবে তার কণ্ঠস্বরই ছিল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের খবর জানতে নিরুপায় মানুষের একমাত্র ভরসা। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি জটিলতায় ভুগে বুধবার রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে ইন্তেকাল হয় তার। তার মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়াসহ মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবাদিক সংগঠনগুলো ও নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া দৈনিক আমার দেশের কারওয়া বাজারস্থ কার্যালয়ে আগামী তিনদিন মরহুমের স্মরণে শোকবই খোলা থাকবে। সর্বশেষ তিনি দৈনিক আমার দেশ-এর উপদেষ্টা সম্পাদক ছিলেন। এর আগে ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকায় বিবিসির সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন। পরে কিছুকাল তিনি বেসরকারি টেলিভিশন এনটিভি’র প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বও পালন করেন। এ ছাড়া দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন। গত রাতে ইন্তেকালের পর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা ছিল তার মরদেহ। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার কিছু পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ নিয়ে আসেন বারিধারা আবাসিক এলাকার বাড়িতে। জোহরের নামাজ শেষে তার প্রথম জানাজা হয় গুলশানের আজাদ মসজিদে। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ অংশ নেন। এদিকে জাতীয় প্রেস ক্লাব আঙিনায় তার অপেক্ষায় ছিলেন দীর্ঘদিনের সহকর্মীরাসহ অনুজপ্রতীম সাংবাদিকরা, বেশ কজন মন্ত্রীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তিরা। বেলা আড়াইটার দিকে তার মরদেহ বহনকারী হিমগাড়ি প্রবেশ করে প্রেস ক্লাব চত্বরে। শত শত সাংবাদিকের অংশগ্রহণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বিকেল পৌনে চারটার দিকে শেষ বারের মতো জাতীয় প্রেস ক্লাব আঙিনা ছেড়ে যান আতাউস সামাদ। ক্লাব মিলনায়তনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের তরফে তার মরদেহে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে আলিফ পরিবহনের হিমগাড়িতে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় আজিমপুর কবরস্থানে। বিকেল সোয়া চারটার একটু আগে যখন আতাউস সামাদের মরদেহ কবরে শুইয়ে দিচ্ছিলেন ছেলে আশিকুস সামাদ ও ভাই আতিকুস সামাদসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা, তখন দৈনিক আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহেদ চৌধুরীসহ তার অন্য শোকার্ত সহকর্মীরা তাদের সাহায্য করছিলেন। শহরের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকাও এসময় উপস্থিত ছিলেন। দেশের প্রায় সবকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের ক্যামেরার চোখের সামনে যখন শোকার্ত পরিবার-পরিজন, আত্মীয়, সাংবাদিক সহকর্মীরা ধীরে ধীরে মুঠি মুঠি মাটি দিচ্ছিলেন কবরে তখন সবার মুখে নিচু স্বরে- ‘মিনহা খালাকনাকুম, ওয়া ফিহা নুয়িদিকুম, ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখরা’। অর্থাৎ ‘এই (মাটি) থেকেই তোমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে, এখানে তোমাদের ফিরে আসতে হবে, এবং এখান থেকেই আরো একবার তোমাদের ফিরিয়ে আনা হবে।’ সেই ফেরার অপেক্ষায় এখন বাবা আবদুস সামাদের কবরের মাটিতে ধীরে ধীরে মিশে যাবেন পুত্র আতাউস সামাদ, কিন্তু বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় সাহস ও কর্মদক্ষতার মাইলফলক হিসেবে তিনি সব সংবাদকর্মীর দিশা হয়ে থাকবেন। মরহুমের সমকালীন অপর বিখ্যাত সাংবাদিক শফিক রেহমান গতরাতে বার্তা২৪ ডটনেটকে যেমনটি বলছিলেন, ‘‘সাংবাদিকতার যেই ব্যাপারটি অন্য যে কারো থেকে তাকে উঁচুতে নিয়ে গেছে- তা হলো চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও গণতান্ত্রিক প্রচেষ্টা ও মানুষের রাজনৈতিক অধিকারের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই সংবাদ পরিবেশন করতেন তিনি। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক বার্তাবাহকের দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে ও নিখুঁতভাবে তিনি পালন করেছেন।’’ সাংবাদিকতায় নিবেদিত এক জীবন ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন আতাউস সামাদ। তার স্ত্রী কামরুন নাহার তথ্য অধিদফরের কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নিয়েছেন। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ছাত্রাবস্থায় ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের প্রচার সম্পাদক ছিলেন তিনি। দৈনিক সংবাদে কাজ শুরু করারও আগে ৫০ এর দশকে 'সচিত্র সন্ধানী'তে কাজ শুরুর মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম জগতে পা রাখেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর ১৯৫৯ সালে দৈনিক সংবাদে পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশনে কাজ করেছেন তিনি। সংবাদের পর, আজাদ ও পাকিস্তান অবজার্ভারে কাজ করেন তিনি। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান অবজারভারের প্রধান প্রতিবেদকের দায়িত্ব পালন করেন। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ভারতের নয়া দিল্লিতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) বিশেষ সংবাদদাতা ছিলেন। ১৯৮২’তে যোগ দেন বিবিসিতে। তারপর থেকে জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের সময় তার সাহসী সাংবাদিকতা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক নতুন মাত্রা যোগ করে। এরশাদ-বিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি আত্মগোপনে থেকে বিবিসির জন্য খবর পাঠাতেন। বিবিসিতে তার এমনসব বস্তুনিষ্ঠ প্রতিবেদনের জন্য ১৯৮৭ সালে সামরিক সরকার আতাউস সামাদকে কারাবন্দি করেছিল। ১৯৯৫ পর্যন্ত টানা এক যুগেরও বেশি সময়ের কর্মক্ষেত্র বিবিসি ছাড়ার পর সাপ্তাহিক 'এখন' নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন তিনি। একইসঙ্গে নম্বইয়ের দশক থেকেই বিভিন্ন সাপ্তাহিক ও দৈনিকে  কলাম লেখা অব্যাহত রেখেছিলেন। এসব কলামেও গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের রাজনীতির পথ ধরে জাতীয় ঐক্যের কথাই লিখে আসছিলেন বরেণ্য এই সাংবাদিক।

Thursday, September 27, 2012

রাজাপুরে নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, হুমকিতে দেশী মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

রাজাপুরে নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধন, হুমকিতে দেশী মাছ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় নদীতে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের ঘটনা বেড়েছে। এতে দেশী প্রজাতির অর্ধশতাধিক মাছ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এদিকে বিষ দিয়ে মাছ নিধনের ঘটনা বাড়লেও মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, গত রোববার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের ধানসিঁড়ি ও জাঙ্গালিয়া নদীতে বিষ ঢেলে মাছ শিকার করে দুর্বৃত্তরা। এতে রাতেই নানা প্রজাতির দেশীয় পোনামাছ মরে পানিতে ভেসে ওঠে। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে একইভাবে দুটি নদীতেই বিষ ঢেলে মাছ শিকার করে স্থানীয়রা।
এর আগে সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে উপজেলার বাদুরতলায় বিষখালির শাখানদীতে, মনোহরপুর এলাকার নদীতে, সাতুরিয়া নদী ও চাড়াখালি নদীতে বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারের ঘটনা ঘটেছে।
একের পর এক অবৈধ উপায়ে এভাবে মাছ শিকার করলেও উপজেলা মৎস্য অফিসের কোনো তৎপরতা নেই বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বিষ প্রয়োগে মৎস্য শিকার সম্পূর্ণ অবৈধ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। নদীতে বিষ প্রয়োগে মাছের ডিম থেকে শুরু করে পোনা মাছ পর্যন্ত মরে যায়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফণি ভূষণ পাল জানান, বিষয়টি তার অজানা। এছাড়া বিষ প্রয়োগের সময় হাতেনাতে ধরা না গেলে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব নয়।

চিড়িয়াখানায় ঢুকে বাঘ শিকার! :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

চিড়িয়াখানায় ঢুকে বাঘ শিকার! :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
 নিরাপত্তার বেড়াজালকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কলকাতা চিড়ায়াখানায় ঢুকে বাঘ মেরে গেল চোরা-শিকারিরা। সোমবার রাতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই চোরা-শিকারিরা চিড়িয়াখানার মধ্যে ঢুকে এই অপকর্মটি করে।

জানা যায়, চোরা-শিকারিরা কলকাতা চিড়িয়াখানায় একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে খুব কাছ থেকে পরপর তিনটি গুলি করে হত্যা করে। তারপরে যেমন নির্বিঘ্নে তারা চিড়িয়াখানায় ঢুকেছিল তেমনই বেরিয়েও যায়।

ঘটনার গতিপ্রকৃতি দেখে পুলিশ প্রাথমিক অনুমান করছে যে, এর সঙ্গে চিড়িয়াখানার ভেতরের লোক জড়িত আছে।

এ বিষয়ে পশ্চিবঙ্গের প্রধান মুখ্য বনপাল তথা বন ও পরিবেশ দফতরের প্রধান সচিব বি এস সাজওয়ান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। এরপরই গুলির শব্দ পেয়ে রক্ষীরা তল্লাশিতে নামেন। এ সময় তারা আবিষ্কার করেন খাঁচার মধ্যে অনি নামে এক বাঘিনী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অবশ্য তার চামড়া ও দেহাংশ অক্ষত ছিল।

এ বিষয়ে রাজ্যের উপ-বন সংরক্ষক পি রিংগু জানান, ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই চিড়িয়াখানাতেই অনির জন্ম। বুধবার ময়না তদন্তে দেখা গিয়েছে, তার মাথায় তিনটি বুলেটের ক্ষত রয়েছে।

পুলিশ ও ডাক্তারদের অনুমান, ছোট বোরের রাইফেল ব্যবহার করে বাঘিনীটিকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে।এছাড়া বাঘটির তলপেটের নিচে ধারাল অস্ত্রের আঘাত থাকলেও, দেহাংশ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়নি।

রাজ্যের বন কর্মকর্তাদের মতে, হয়তো পুরুষ বাঘ মারতে গিয়ে ভুলবশত বাঘিনী মেরে ফেলেছিল শিকারিরা। পুরুষ বাঘ মেরে তার পুরুষাঙ্গ চড়া দামে বিক্রি হয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে।

এর আগে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা চিড়িয়াখানায় তিনটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও একটি চিতাবাঘকে বিষ দিয়ে মারা হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি

ব্রাজিলের গুগল প্রধানকে গ্রেফতারের নির্দেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট

ব্রাজিলের গুগল প্রধানকে গ্রেফতারের নির্দেশ :: সাই-টেক :: বার্তা২৪ ডটনেট
  ব্রাজিলে গুগলের প্রধান ফেবিও জোসে সিলভা কোয়েলহোকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির একটি আঞ্চলিক আদালত। মহানবীকে কটাক্ষ করে  আমেরিকায় নির্মিত চলচ্চিত্রটি গুগলের ভিডিও শেয়ারিং সাইট ইউটিউব থেকে বাদ না দেয়ায় দেশটির মাতো গ্রোসো দো সোল রাজ্য আদালতের বিচারক ফেবিও পেরেন তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন।
 
জানা যায়, গত সপ্তাহে আদালত ইউটিউব থেকে ওই বিতর্কিত ভিডিওটি মুছে ফেলতে গুগলকে নির্দেশ দিলেও গুগল তাতে অস্বীকৃতি জানায়। এ বিষয়ে আদালত বলেছে ভিডিওটি রাজ্যের অনুষ্ঠিতব্য মেয়র নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারণায় প্রভাব ফেলছে। যা দেশের নির্বাচন আইন লঙ্ঘনের শামিল।
 
এ বিষয়ে বিশ্বখ্যাত সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানিটি বলেছে, এই ভিডিওটি ইউটিউবে পোস্ট করার জন্য কোম্পানি দায়ী নয়। তাই তারা আদালতের নির্দেশের বিপক্ষে আপিল করবেন।
 
এদিকে ইউটিউবে বিতর্কিত ওই ভিডিওটি নিয়ে ব্রাজিলের মাতো গ্রোসো দো সোল রাজ্যে অনুষ্ঠিতব্য মেয়র নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। মেয়র প্রার্থীরা বলছেন কলঙ্কিত এই ভিডিওটি তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। তারা অবিলম্বে ইসলামবিরোধী ভিডিওটি ইউটিউব থেকে মুছে ফেলার জন্য গুগলকে আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্র: রয়টার্স/বিবিসি

আরাধ্যাই এখন সব, মাতৃত্ব উপভোগ করছি: ঐশ্বর্য :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট

আরাধ্যাই এখন সব, মাতৃত্ব উপভোগ করছি: ঐশ্বর্য :: এন্টারটেইনমেন্ট :: বার্তা২৪ ডটনেট
 সিনেমায় অভিনয় করতে পারছেন না বলে কোনো আফসোস নেই, অকপটে বললেন ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। জানালেন, মাতৃত্ব চুটিয়ে উপভোগ করছেন।

এইডস এবং এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে জাতিসংঘের কর্মসূচি ‘ইউনেডস’-এর নতুন দূত হয়েছেন ভারতের এই অভিনেত্রী। এই কাজের সঙ্গে নিজেকে জড়ানোর পাশাপাশি দশ মাসের ছোট্ট আরাধ্যার সঙ্গে দিনগুলো কী ভাবে কাটছে, সেটাও জানালেন সংবাদমাধ্যমকে।

৩৮ বছরের অভিনেত্রী তথা প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী বললেন, “মা হওয়ার অভিজ্ঞতা এতই স্পেশ্যাল যে ফিল্মের দিনগুলো আর মিস করি না।” আরাধ্যাকে পেয়ে নিজেকে ধন্য মনে করেন। মেয়েই তার বাকি জীবনটা পূর্ণ করে তুলবে, আশা মায়ের।
 
তার কথায়, “মাতৃত্ব আশীর্বাদ। এর তুলনা হয় না।” মাতৃত্বের সংজ্ঞা তিনি জানেন না, “এটা অদ্ভুত, সুন্দর, দারুণ। আমি জানি না মাতৃত্ব বর্ণনার জন্য সঠিক বিশেষণটা কী!”
 
প্রায় দু’বছর হতে চলল তিনি ফিল্ম দুনিয়া থেকে দূরে। মধুর ভান্ডারকরের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘হিরোইন’-এর প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল ঐশ্বর্যারই। যাতে পরে অভিনয় করেন করিনা কাপুর। কিন্তু অ্যাশ মা হতে চলেছেন, এই খবর চাউর হতেই গত বছর ওই ছবির কাজ কিছু দূর এগিয়েও বন্ধ হয়ে যায়। সে সব এখন অতীত।
 
ফিল্ম-কেরিয়ারে ছেদ পড়ায় এতটুকু আক্ষেপ নেই আরাধ্যার মায়ের। কারণ মা হওয়ার পরে ব্যস্ততা বাড়ায়, দিনগুলো এখন অত গুরুত্বপূর্ণ মনে হয় না। তার সাফ কথা, “কী ভাবে সময় চলে যাচ্ছে, টেরই পাচ্ছি না। যেকোনো মা জানেন, এখন দিন বা রাতের খেয়াল থাকে না। দশটা মাস কী ভাবে পেরিয়ে গেল, জানি না। সব সময় মনে হয় মেয়ের সঙ্গে থাকি। ও আমার ছোট্ট পরী।”

ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার সঙ্গেই বচ্চন-বধূ ভাগ করে নিলেন তার সামাজিক দায়িত্বের কথাও। দশ বছর আগে জাতিসংঘের তরফে কাজ করার জন্যআবেদন এসেছিল। তখন আবেদনে সাড়া দেয়া হয়নি। এখন ঐশ্বর্যার বক্তব্য, “আজ মনে হচ্ছে ‘ইউনেডস’-এর কাজ করতে পারব। মা হয়ে ক্যারিয়ার’র বাইরে অনেকটা সময় পেয়েছি। সেটাই কাজে লাগাব।”
 
সেবাকাজের সঙ্গে ফিল্মের বিরোধ নেই বলে মনে করেন তিনি। বিশ্বসুন্দরী হবেন কি না জানতেন না, হতে চেয়েছিলেন ডাক্তার। স্বাস্থ্য পরিষেবা বরাবরই গুরুত্বের বিষয় ঐশ্বর্যার কাছে। ভারতে মহিলা এবং শিশুদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে প্রচুর কাজ দরকার বলে মনে করেন তিনি। বললেন, “ভারতে মহিলারা ক্ষমতাশালী হলেও সামাজিক ভাবে অনেকেই পিছিয়ে।” সূত্র: আনন্দবাজার

পুরুষের দীর্ঘায়ু লাভের রহস্য উন্মোচন!

পুরুষের দীর্ঘায়ু লাভের রহস্য উন্মোচন!
 পুরুষের দীর্ঘায়ু লাভের রহস্য উন্মোচন করেছেন বিজ্ঞানীরা। কোরিয়ার বিজ্ঞানীদের দাবি, পুরুষের ‘সেক্স হরমোন’ দীর্ঘায়ু বা স্বল্পায়ু লাভে প্রভাব ফেলে।
 
কিন্তু তারা বলছেন, যে প্রক্রিয়ায় দীর্ঘায়ু লাভ করা সম্ভব তা অনেক কষ্টকর! তবে কী সেই প্রক্রিয়া? মোগল আমলে মোগল সম্রাটদের হেরেমের নারীদের ফুট-ফরমায়েশ খাটার জন্য একদল লোক নিয়োগ দেয়া হতো। বিশেষ পদ্ধতিতে তাদের পুরুষত্ব নষ্ট করে ফেলা হতো। তাদের বলা হতো খোজা।
 
বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, খোজা পুরুষ অনেক বছর বেশি বাঁচে। সাধারণ পুরুষদের চেয়ে তাদের বেঁচে থাকার হার ১৪ থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বেশি হয়। কোরিয়ার বর্তমান খোজা পুরুষ (যারা ইচ্ছাকৃত বা কুকুরের কামড়ের কারণে পুরুষত্ব হারিয়েছে) ও কয়েক শতাব্দীর খোজাদের ইতিহাস পর্যালোচনা করে তারা এমন সিদ্ধান্তে এসেছেন।
 
অধ্যাপক কিয়োং-জিন মিনের নেতৃত্বে ইনহা ইউনিভার্সিটির একদল বিজ্ঞানী গবেষণাটি সম্পন্ন করেন। সূত্র: ডেইলি মেইল

বিশ্বব্যাংকের নয়া বিবৃতি অর্থায়নে প্রভাব ফেলবে না: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বব্যাংকের নয়া বিবৃতি অর্থায়নে প্রভাব ফেলবে না: অর্থমন্ত্রী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

সিলেট, ২৬ সেপ্টেম্বর: বিশ্বব্যাংকের বিবৃতি পদ্মা সেতুর অর্থায়নে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমাবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, “দুর্ভাগ্যবশত বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বাতিল করেছিল। অর্থায়নের বিষয়ে পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করায় তারা আবার পদ্মায় ফিরেছে।”

পদ্মা সেতু প্রকল্পটি অনেক বড় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “এর বাস্তবায়নে নানা সমস্যা ও জটিলতা আছে।”

মুহিত জানান, আগামী মাসের ১ তারিখে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিরা বাংলাদেশে আসবেন। ফেব্রুয়ারির মধ্যে আনুসাঙ্গিক বড় বড় চুক্তি সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অবস্থানের ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। শর্তপূরণ হলেই কেবল বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করবে।

পরিচালনা পর্ষদ নয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়ী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পরিচালনা পর্ষদ নয়, ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়ী :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  হলমাকের্র ঋণ জালিয়াতিতে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ নয়; ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়ী বলে মন্তব্য করেছে সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদ্য বিদায়ী পরিচালক সুভাস সিংহ রায় ও জান্নাত আরা হেনরী।

বুধবার ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এএসএম নাঈমসহ সদ্য বিদায়ী পরিচালনা পর্ষদের ৫ পরিচালককে তলব করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সুভাষ ও হেনরী ছাড়াও অপর ৩ পরিচালক হলেন কেএম জামান রোমেল, অ্যাডভোকেট সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও আনোয়ার জাহিদ।

সকাল দশটায় সুভাষের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। বেলা ১২টায় তার জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়। হেনরীর জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয় এগারটায়, শেষ হয় দেড়টায়। দুপুর একটা থেকে রোমেল এবং নাঈমের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। রোমেলের জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয় দু`টায়।
দুদকের উপ-পরিচালক জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।

দুই ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সুভাষ সিংহ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘হলমার্ককে যে ঋণ দেওয়া হয়েছে তা হাই রিস্কের ঋণ। এতে আমাদের এখতিয়ার নেই।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্যাংকিং নিয়ম লঙ্ঘন করে সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ হলমার্ক গ্রুপের ঋণ মঞ্জুর করেছে। অডিটে একাধিকবার সর্তক করার পরও ওই বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’’

সরকার শত্রুর সঙ্গে বসবাস করছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘সর্ষের মধ্যে ভূত আছে। এ ভূতকে বের করতে হবে।’’

দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে জান্নাত আরা হেনরী ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে দায়ী করে বলেন, ‘‘আইবিপির (ইনল্যান্ড বিল পার্সেস্ট) মাধ্যমে কাজটি করা হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদকে জানানোর কথা নয়।’’

ম্যানেজমেন্ট এ ব্যাপার পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করেনি বলেও তিনি জানান।

হলমার্ক কেলেঙ্কারির দায়ভার পরিচালনা পর্ষদের ওপর বর্তায় না মন্তব্য করে হেনরী বলেন, ‘‘টোটাল দায়ভার ম্যানেজমেন্টের, আমাদের (পরিচালনা পর্ষদ) কোনো দায়-দায়িত্ব নেই।’’

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রোমেল সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘হলমার্কের তদন্তের বিষয়ে দুদক আমাদের কাছে কিছু তথ্য উপাত্ত জানতে চেয়েছে। আমরা তাদেরকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি।’’

‘‘হলমার্কের কিছু অডিট আপত্তি এসেছিল। কিন্তু ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এটি আমাদের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন না করায় বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি’’ বলেন রোমেল।

“হলমার্কের অনেক রেকর্ডপত্র সঠিক ছিল না” বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘‘রূপসী বাংলা (সাবেক শেরাটন) শাখা বোর্ডের কোনো অনুমোদন ছাড়াই বিপুল পরিমাণ ঋণ দেয় হলমার্ককে।”

হলমার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনায় মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদ্য বিদায়ী ও বর্তমানসহ মোট ১১ পরিচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয় দুদক।

যাদের জিজ্ঞাসাবাদের নোটিশ দেওয়া হয় তারা হচ্ছেন, সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য এবং চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক মো: শহিদুল্লাহ মিঞা, সুভাষ সিংহ রায়, জান্নাত আরা হেনরী, কাশেম হুমায়ূন, মো: আনওয়ার শহীদ, এএসএম নাঈম, কেএম জামান রোমেল, সাইমুম সরওয়ার কমল, সত্যেন্দ্র চন্দ্র ভক্ত ও প্রদীপ কুমার দত্ত।

এদিকে দুপুর সোয়া দুইটায় সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন দুদকের কমিশনার মোঃ বদিউজ্জামান। তিনি বলেন, ‘‘যদি পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে তবে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।’’

সূত্র জানায়, মাত্র চারজন পরিচালক নিয়ে চলছে ব্যাংকটির বর্তমান পর্ষদ। সোনালী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজী বাহারুল ইসলাম, পরিচালক মো: শহিদুল্লাহ মিঞা, এএসএম নাঈম ও প্রদীপ কুমার দত্ত বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। বাকিদের মেয়াদ চলতি মাসের বিভিন্ন সময়ে শেষ হয়ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে হলমার্কসহ ৫টি প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার ৬০৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এর মধ্যে হলমার্ক সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল (সাবেক শেরাটন) শাখা থেকে ২ হাজার ৬৮৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা দেশি-বিদেশি ২৬টি ব্যাংকের ৫৮টি হিসাবে পাচার করে আত্মসাৎ করেছে।

শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত ৪ বাংলাদেশীকে ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

শান্তিরক্ষী মিশনে নিহত ৪ বাংলাদেশীকে ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট জাতিসংঘ মিশনে মৃত্যুবরণকারী চার বাংলাদেশী শান্তিরক্ষীকে সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়েছে। বুধবার সকালে ঢাকা সেনানিবাস অফিসার্স ক্লাবে চার শহীদ পরিবারের মাঝে ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ পদক হস্তান্তর করা হয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জে. মোঃ মইনুল হোসেন এ পদক হস্তান্তর করেন। পদক প্রাপ্তরা হলেন মেজর কে.এম জিয়াউল হক, ক্যাপ্টেন মোঃ ইফতেখার আলম, ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুস সালাম এবং মোঃ ইউনুস মিয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লে. জে. মইনুল ইসলাম বলেন, “জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অবদানের জন্য বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ একটি নীল হেলমেট হিসেবে পরিচিত নাম হয়ে থাকবে। ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমাদের দেশের শান্তিরক্ষীরা গর্বে সঙ্গে কাজ করে আসছে। এছাড়া এ মিশনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, সিরিয়ার মিশনে অনেক দেশই তাদের সৈন্য পাঠায়নি। অথচ আমাদের সেনা কর্মকর্তারা বীরদর্পে পর্যবেক্ষণে গেছেন। এ পর্যন্ত শান্তিরক্ষী মিশনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জাতিসংঘের এ পদক একটি দেশের জন্য গৌরবের বিষয় বলে জানান তিনি। ‘ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড মেডেল’ জাতিসংঘের একটি মরনোত্তর সন্মাননা পদক। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে জীবন উৎসর্গকারী সামরিক পুলিশ এবং বেসামরিক ব্যক্তিবর্গ এ পদক পেয়ে থাকেন। এ পদকটি প্রবর্তন করা হয়েছে জাতিসংঘের ২য় মহাসচিব ড্যাগ হ্যামারস্কল্ড এর নামে। যিনি ১৯৬১ সালে কর্তব্যরত অবস্থায় বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৯৯৮ সালে প্রবর্তনের পর হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বমোট ৭১ জন শহীদ শান্তিরক্ষীকে এ পদক প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৯মে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘আন্তজার্তিক শান্তিরক্ষী দিবস-২০১২’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশী স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের নিকট এ পদক হস্তান্তর করেন।

এইডস সচেতনতায় সবাইকে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

এইডস সচেতনতায় সবাইকে কাজ করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শওকত আলী বলেছেন, নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, কুসংস্কার থেকে মুক্তি, বৈষম্য দূর করা, নারী নির্যাতন বন্ধ ও নারীকে এইডস বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে সমাজের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বুধবার জাতীয় সংসদের আইপিডি সম্মেলন কেন্দ্রে ইউএনএইড’র সহযোগিতায় অনুষ্ঠেয় এক কর্মশালা প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মাজেদা শওকত আলী সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মজিবুর রহমান ফকির ও ইউএনএইডের বাংলাদেশ প্রতিনিধি লিও কেনি বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, ‘‘সমাজে সবচেয়ে বড় সমস্যা সামাজিক সচেতনতার। ফলে সমাজের মানুষের মধ্যে কুসংস্কার বিরাজ করছে। তাই এ কুসংস্কারের ফলে সামাজিক বৈষম্য মানব সমাজের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে।’’

নারীর প্রতি সব ধরনের বৈষম্য দূর করার জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী পুরুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সববিভেদ ও অনৈক্য দূর করতে হবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা একটি উন্নত সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারি।’’

অনুষ্ঠানে নাজমা আক্তার এমপি, নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, এ,বি,এম আনোয়ারুল হক এমপি, ডাঃ মুরাদ হাসান এমপি, সাধনা হালদার এমপি, নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি, ফরিদা আক্তার এমপি, আসমা জেরিন ঝুমু এমপি এবং জিন্নাতুন্নেসা তালুকদার এমপি অংশ নেন।

বিশ্ব শান্তি বিনির্মাণে সব দেশকে দৃঢ় অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ব শান্তি বিনির্মাণে সব দেশকে দৃঢ় অঙ্গীকারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী’র :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেকসই আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রকে শান্তি বিনির্মাণ প্রক্রিয়ায় তাদের আরো দৃঢ় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গীকারের আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দফরের নর্থ লন বিল্ডিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘পিস বিল্ডিং : পিস বিল্ডিং এ ওয়ে ফরোয়ার্ড টুওয়ার্ডস সাসটেইনেবল পিস এ্যান্ড সিকিউরিটি’ শীর্ষক এক উচ্চ পর্যায়ের সভায় প্রদত্ত সভাপতির ভাষণে এ আহ্বান জানান।
 
শেখ হাসিনা স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সমাজে সবচেয়ে কার্যকর ও সাশ্রয়ী সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষে সম্পদের যোগান, জাতীয় সামর্থ এবং প্রতিষ্ঠান বিনির্মাণে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার আরো জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি-মুন, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড, ক্রোএশীয় প্রধানমন্ত্রী জোরান মিলানোভিচ, পূর্ব তিমুরের প্রধানমন্ত্রী জানানা গুসম্যান, জাম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট মাইকেল চিলুফ্যা বক্তৃতা করেন।
 
শেখ হাসিনা বলেন, “৯০ -এর দশকে স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তী সময় জন্ম নেয়া দেশগুলোর অর্ধেকেই কয়েক বছরের মধ্যে সহিংসতায় নিমজ্জিত হয়ে পড়ে। টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে স্থায়ী ভিত্তি প্রদানে তাদের সাহায্য করতে ‘পিস বিল্ডিং কমিশন’ (পিবিসি) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।”

তিনি বলেন, “প্রায় ১৫০ কোটি মানুষ এখনো সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে বসবাস করছে। বিশ্ব উন্নয়ন রিপোর্ট ২০১১ -এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী নিম্নআয়ের দেশগুলো এর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না অথবা সংঘাতের কারণে এমডিজি অর্জন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

শেখ হাসিনা বলেন, “টেকসই শান্তি ও উন্নয়নের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সব সময়ই জাতিসংঘের সকল শান্তি উদ্যোগের পাশে রয়েছে।”
 
তিনি বলেন, “১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত আমরা জাতিসংঘের ৩৭টি শান্তি মিশনে অংশ নিয়েছি। এতে আমাদের এক লাখ ১৩ হাজার ১৮১ জন শান্তিরক্ষী অংশ নেয়। এসময় কর্মরত অবস্থায় ১১৮ জন শান্তিরক্ষী নিহত এবং ১২৫ জন আহত হয়।”
 
তিনি শান্তি স্থাপন প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের যথাযথ ফলোআপ প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অন্যথায়, দেশগুলোতে পুনরায় সংঘাত দেখা দেয়ার আশংকা থাকে, যা ১৯৯৩ সালে এঙ্গোলায় এবং ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় ঘটেছে।
তিনি সংঘাত পরবর্তী দেশগুলোতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সাউথ সাউথ সহযোগিতার এবং পিস বিল্ডিং কমিশনে (পিবিসি) দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততায় সমন্বয় জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
 
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ২০১০ ও ২০১১ সালে পিবিসি’তে ন্যাম ককাসে নেতৃত্ব দেয় এবং জাতিসংঘের শান্তি স্থাপন কৌশল ও নীতিনির্ধারণী কাজে অবদান রাখে।”

শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করার জন্য সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “এটি পিবিসি’র প্রতি আমাদের অঙ্গীকারের স্বীকৃতি। একটি স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বহু প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ শান্তি স্থাপন তহবিলে তার বার্ষিক চাঁদা প্রদান অব্যাহত রেখেছে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যবসা উন্নয়ন, জীবন রক্ষায় সমর্থন প্রদানের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থায় উন্নয়ন, মানবাধিকার, আইএফআই’র সঙ্গে মানবিক তৎপরতায়ও কাজ করছে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি ও সংবিধানের আলোকে শান্তি ও নিরাপত্তায় আমাদের নীতি হচ্ছে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব : কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ -এই নীতি বাংলাদেশকে শান্তি রক্ষার কাজে জাতিসংঘের পাশে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।

পদ্মা সেতুতে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়নি, আবারো বিবৃতি বিশ্বব্যাংকের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

পদ্মা সেতুতে ফেরার সিদ্ধান্ত হয়নি, আবারো বিবৃতি বিশ্বব্যাংকের :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
  পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয়নি বিশ্বব্যাংক, সরকারের শীর্ষস্তরের ব্যক্তিদের দুর্নীতি তদন্তে ও ভবিষ্যতে দুর্নীতি প্রতিরোধে বিশ্বব্যাংকের বাতলানো শর্তগুলো সরকার সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত করার পরই সেতু প্রকল্পটিতে নতুন করে ‘সম্পৃক্ত’ হবে ব্যাংকটি। বুধবার এক বিবৃতিতে আবারো এ কথা জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় ২৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়। গত শুক্রবার দেয়া বিবৃতিতেও একই অবস্থানের কথা জানিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
 
বুধবারের বিবৃতিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, পদ্মা সেতু বিষয়ে গত ২০ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত বিশ্বব্যাংকের বিবৃতিটি বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। তাছাড়া দেশের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তারা সংবাদ মাধ্যমে বিশ্বব্যাংকের বিবৃতির ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছেন।
 
বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের সার্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতিতে বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে বিশ্বব্যাংক উদ্বিগ্ন। আর এর জন্যই আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, এই প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার জন্য নতুন ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনা’ প্রয়োজন, যাতে করে প্রকল্পের ক্রয়সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী ঋণদাতাদের অধিকতর তদারকির সুযোগ থাকে।”
 
দুর্নীতি তদন্ত ও ভবিষ্যতে দুর্নীতি প্রতিরোধে বাংলাদেশ যেই চারটি শর্ত মেনে নিয়েছে, সেগুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়নের পরই এবং সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
 
বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অন্যতম প্রধান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পদ্মা সেতু তৈরিতে গত বছরের প্রথম দিকে বিশ্বব্যাংক, এডিবি (এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক), আইডিবি (ইসলামি ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) ও জাইকা’র (জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি) সঙ্গে ঋণচুক্তি করে সরকার। ২৯১ কোটি ডলারে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ দ্বিতল রেল ও সড়ক সেতু নির্মাণের নকশা ও জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়।
 
কিন্তু প্রকল্পটিতে সরকারের শীর্ষস্তরের ব্যক্তিদের দুর্নীতির ষড়যন্ত্র তদন্তে বাংলাদেশ সরকার যথেষ্ট সহযোগিতা করছে না জানিয়ে গত জুনে প্রকল্পটিতে নিজেদের ১২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি বাতিল করে প্রধান অর্থায়নকারী বিশ্বব্যাংক।
 
পরে বিশ্বব্যাংকের দেয়া চারটি শর্ত বাংলাদেশ সরকার মেনে নিলে গত শুক্রবার একটি বিবৃতি দেয় প্রতিষ্ঠানটি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘‘ব্যাংক এতে রাজি হয়েছে যে, সরকারের দ্বারা সম্মত পদক্ষেপগুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়ন হলে, ব্যাংকের পরিচালনা কর্তৃপক্ষের সমর্থনসহ পদ্মা বহুমুখী সেতুতে আবার নতুন করে সম্পৃক্ত হবে ব্যাংক।’’ (The Bank has agreed that, upon satisfactory implementation of the agreed measures by the Government, and with the support of the Bank's governing bodies, the Bank will engage anew in the Padma Multipurpose Bridge.)
 
তবে বিশ্বব্যাংকের এই বিবৃতি এড়িয়ে দেশের কিছু সংবাদমাধ্যম খবর দেয় যে, পদ্মা সেতু প্রকল্পে ফিরে এসেছে বিশ্বব্যাংক।
 
 
বিশ্বব্যাংকের বুধবারের বিবৃতি
পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন নিয়ে সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি বিশ্বব্যাংক গ্রহণযোগ্য তথ্যপ্রমাণ সহ বার বার বাংলাদেশ সরকারকে জানিয়েছে। এ সব বিষয়ে সরকার কোনো উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ না নেয়ায় বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ বাতিল করে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২ বাংলাদেশ সরকার পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ জানিয়ে কয়েকটি বিষয়ে সরকারের সম্মতি চাওয়া হয়:

(ক) ‘দুর্নীতি বিষয়ক তদন্ত পূর্ণাঙ্গভাবে শেষ না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহভাজন সরকারি কর্মকর্তাদের সরকারি চাকরি থেকে ছুটিতে পাঠানো; (খ) দুর্নীতি দমন কমিশনে (পদ্মা সেতু প্রকল্পের জন্য) বিশেষ ‘ইনক্যুইরি অ্যান্ড প্রসিকিউশন’ টিম গঠন করা; (গ) দুর্নীতি বিষয়ক তদন্তের সব তথ্য উপাত্তে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের প্রবেশ থাকবে, যাতে তারা বিশ্বব্যাংক এবং সহযোগী ঋণদাতাদের সরকারি তদন্তের গ্রহণযোগ্যতা বিষয়ে মতামত দিতে পারেন।

বাংলাদেশের সার্বিক দুর্নীতি পরিস্থিতিতে বিশেষ করে পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুর্নীতি বিষয়ে বিশ্বব্যাংক উদ্বিগ্ন। আর এর জন্যই আমরা বাংলাদেশ সরকারকে সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছি যে, এই প্রকল্পে নতুন করে যুক্ত হওয়ার জন্য নতুন ‘বাস্তবায়ন ব্যবস্থাপনা’ প্রয়োজন, যাতে করে প্রকল্পের ক্রয় সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংক ও সহযোগী ঋণদাতাদের অধিকতর তদারকির সুযোগ থাকে।

কেবল উপরোল্লিখিত সম্মত বিষয়গুলোর সন্তোষজনক বাস্তবায়নের পরই এবং এ বিষয়ে (গৃহীত সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ প্যানেলের পক্ষ থেকে ইতিবাচক প্রতিবেদন পাওয়া সাপেক্ষে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করবে।

একটি পরিচ্ছন্ন পদ্মা ব্রিজ বাংলাদেশের মানুষের ন্যায্য দাবি। আর এ দাবি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা (এ বিবৃতির মাধ্যমে) আবারো বাংলাদেশ সরকারকে অত্যন্ত জোরালোভাবে একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত শুরুর জন্য বলছি এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের সব প্রক্রিয়া এমনভাবে অনুসরণ করার কথা বলছি, যাতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও অধিকতর জবাবদিহিতার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

আতাউস সামাদের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট

আতাউস সামাদের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন :: জাতীয় :: বার্তা২৪ ডটনেট
মরুহম সাংবাদিক আতাউস সামাদ ১৯৩৭ সালের ১৬ নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলায় জন্ম গ্রহণ করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি সাংবাদিকতা শুরু করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে দেশ-বিদেশের বেশ কয়েকটি নামিদামি সংবাদ মাধ্যমে সাংবাদিকতা করেন খ্যাতিমান এই সাংবাদিক। কর্মজীবনে কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেন তিনি।
তৎকালীন পাকিস্তান অবজার্ভার (অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজার্ভার) এর চিফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্বপালন করেন ১৯৬৫ সাল থেকে ৬৯ সাল পর‌্যন্ত। ১৯৬৯ থেকে ৭০ সাল পর‌্যন্ত তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের (ইপিইউজে) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। জাতীয় প্রেসক্লাবের আজীন সদস্য ছিলেন তিনি।
১৯৭২ সাল থেকে ৭৬ সাল পর‌্যন্ত কাজ করেন বাসস’র নয়া দিল্লির বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে। ১৯৮২ থেকে ৯৪ সাল পর‌্যন্ত বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিসের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ছিলেন আতাউস সামাদ।
মৃত্যুর আগ পযন্ত দেশের বহুল প্রচলিত জাতীয় পত্রিকা দৈনিক আমার দেশ’র প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। একইসঙ্গে তিনি ‘সাপ্তাহিক এখন’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন আতাউস সামাদ।

Wednesday, September 26, 2012

আয়কর মেলায় রাজস্ব আয় ৮৩৯ কোটি টাকা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট

আয়কর মেলায় রাজস্ব আয় ৮৩৯ কোটি টাকা :: অর্থ ও বাণিজ্য :: বার্তা২৪ ডটনেট
চলতি বছর আয়কর মেলায় ৮৩৯ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে। আর এক লাখ দুই হাজার মানুষ আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছে।

শনিবার রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ড. নাসিরউদ্দিন আহমেদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “এ বছর মেলায় যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রকৃতপক্ষে রাজস্ব আয় তার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। বেশি সংখ্যক মানুষ আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছে।”

এবার, এনবিআরের উদ্যোগে দেশে তৃতীয়বারের মতো ঢাকাসহ সবক’টি বিভাগীয় শহর এবং ১১টি জেলা শহরে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে একযোগে আয়কর মেলা শুরু হয়।

সপ্তাহব্যাপী এই আয়কর মেলায় প্রতিদিনই মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
 
এ বছর মেলা থেকে নতুন টিআইএন নম্বর নিয়েছেন ১৬ হাজার ৪০২ জন এবং সেবা গ্রহণ করেছে প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মানুষ।
 
যেখানে ২০১১ সালে মেলায় সেবা পেয়েছিল ৭৫ হাজার কর দাতা, রাজস্ব আয় হয়েছিল ৪১৪ কোটি টাকা, আয়কর বিবরণী জমা হয়েছিল ৬২ হাজার ২৭২ জন এবং টিআইএন নম্বর নিয়েছিল ১০ হাজার ৪১ জন।

এ বছর শুধু রাজধানীতে টিআইএন নিয়েছেন নয় হাজার ৫৭৭ জন, আয়কর বিবরণী জমা দিয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৯ জন, আয়কর পরিশোধ করেছে ৬৬৫ কোটি টাকা এবং সেবা গ্রহণ করেছে দুই লাখ ছয় হাজার ২৯জন।