আরেক দফা বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। খুচরা পর্যায়ে এই দাম ১৫ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে বাড়ানো হয়েছে ১৬ দশমিক ৯২ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাম নির্ধারণ করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ হোসেন নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেন।
মহাজোট সরকারের আমালে সপ্তমবারের মতো বৃদ্ধি পাওয়া এই মূল্যে পাইকারি পর্যায়ে গণশুনানি নেয়া হলেও খুচরা পর্যায়ে কোনো শুনানি নেয়া হয়নি।
এদিকে বিদ্যুতের মূল্য তালিকার ক্রম (স্লাব) তিনটি থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি কমাতে ‘এনার্জি সাপোর্ট ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে।
নতুন স্লাবগুলো হচ্ছে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট, ৬০১ থেকে উর্ধ্বে।
সর্বশেষ চলতি বছর ২৯ মার্চ পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এ সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ গড়ে ২৮ পয়সা ও ৩০ পয়সা করে বাড়ানো হয়। যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
বিইআরসি’র ঘোষিত মূল্য তালিকা চলতি মাস থেকে কার্যকর হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দাম নির্ধারণ করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইউসুফ হোসেন নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করেন।
মহাজোট সরকারের আমালে সপ্তমবারের মতো বৃদ্ধি পাওয়া এই মূল্যে পাইকারি পর্যায়ে গণশুনানি নেয়া হলেও খুচরা পর্যায়ে কোনো শুনানি নেয়া হয়নি।
এদিকে বিদ্যুতের মূল্য তালিকার ক্রম (স্লাব) তিনটি থেকে বাড়িয়ে ছয়টি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি কমাতে ‘এনার্জি সাপোর্ট ফান্ড’ গঠন করা হয়েছে।
নতুন স্লাবগুলো হচ্ছে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট। ৭৬ থেকে ২০০ ইউনিট, ২০১ থেকে ৩০০ ইউনিট, ৩০১ থেকে ৪০০ ইউনিট, ৪০১ থেকে ৬০০ ইউনিট, ৬০১ থেকে উর্ধ্বে।
সর্বশেষ চলতি বছর ২৯ মার্চ পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। এ সময় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ গড়ে ২৮ পয়সা ও ৩০ পয়সা করে বাড়ানো হয়। যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
বিইআরসি’র ঘোষিত মূল্য তালিকা চলতি মাস থেকে কার্যকর হবে।

No comments:
Post a Comment