নিরাপত্তার বেড়াজালকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কলকাতা চিড়ায়াখানায় ঢুকে
বাঘ মেরে গেল চোরা-শিকারিরা। সোমবার রাতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেই
চোরা-শিকারিরা চিড়িয়াখানার মধ্যে ঢুকে এই অপকর্মটি করে।
জানা যায়, চোরা-শিকারিরা কলকাতা চিড়িয়াখানায় একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে খুব কাছ থেকে পরপর তিনটি গুলি করে হত্যা করে। তারপরে যেমন নির্বিঘ্নে তারা চিড়িয়াখানায় ঢুকেছিল তেমনই বেরিয়েও যায়।
ঘটনার গতিপ্রকৃতি দেখে পুলিশ প্রাথমিক অনুমান করছে যে, এর সঙ্গে চিড়িয়াখানার ভেতরের লোক জড়িত আছে।
এ বিষয়ে পশ্চিবঙ্গের প্রধান মুখ্য বনপাল তথা বন ও পরিবেশ দফতরের প্রধান সচিব বি এস সাজওয়ান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। এরপরই গুলির শব্দ পেয়ে রক্ষীরা তল্লাশিতে নামেন। এ সময় তারা আবিষ্কার করেন খাঁচার মধ্যে অনি নামে এক বাঘিনী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অবশ্য তার চামড়া ও দেহাংশ অক্ষত ছিল।
এ বিষয়ে রাজ্যের উপ-বন সংরক্ষক পি রিংগু জানান, ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই চিড়িয়াখানাতেই অনির জন্ম। বুধবার ময়না তদন্তে দেখা গিয়েছে, তার মাথায় তিনটি বুলেটের ক্ষত রয়েছে।
পুলিশ ও ডাক্তারদের অনুমান, ছোট বোরের রাইফেল ব্যবহার করে বাঘিনীটিকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে।এছাড়া বাঘটির তলপেটের নিচে ধারাল অস্ত্রের আঘাত থাকলেও, দেহাংশ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
রাজ্যের বন কর্মকর্তাদের মতে, হয়তো পুরুষ বাঘ মারতে গিয়ে ভুলবশত বাঘিনী মেরে ফেলেছিল শিকারিরা। পুরুষ বাঘ মেরে তার পুরুষাঙ্গ চড়া দামে বিক্রি হয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে।
এর আগে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা চিড়িয়াখানায় তিনটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও একটি চিতাবাঘকে বিষ দিয়ে মারা হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি
জানা যায়, চোরা-শিকারিরা কলকাতা চিড়িয়াখানায় একটি রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে খুব কাছ থেকে পরপর তিনটি গুলি করে হত্যা করে। তারপরে যেমন নির্বিঘ্নে তারা চিড়িয়াখানায় ঢুকেছিল তেমনই বেরিয়েও যায়।
ঘটনার গতিপ্রকৃতি দেখে পুলিশ প্রাথমিক অনুমান করছে যে, এর সঙ্গে চিড়িয়াখানার ভেতরের লোক জড়িত আছে।
এ বিষয়ে পশ্চিবঙ্গের প্রধান মুখ্য বনপাল তথা বন ও পরিবেশ দফতরের প্রধান সচিব বি এস সাজওয়ান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে ঘটনাটি ঘটে। এরপরই গুলির শব্দ পেয়ে রক্ষীরা তল্লাশিতে নামেন। এ সময় তারা আবিষ্কার করেন খাঁচার মধ্যে অনি নামে এক বাঘিনী রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। অবশ্য তার চামড়া ও দেহাংশ অক্ষত ছিল।
এ বিষয়ে রাজ্যের উপ-বন সংরক্ষক পি রিংগু জানান, ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর এই চিড়িয়াখানাতেই অনির জন্ম। বুধবার ময়না তদন্তে দেখা গিয়েছে, তার মাথায় তিনটি বুলেটের ক্ষত রয়েছে।
পুলিশ ও ডাক্তারদের অনুমান, ছোট বোরের রাইফেল ব্যবহার করে বাঘিনীটিকে খুব কাছ থেকে গুলি করা হয়েছে।এছাড়া বাঘটির তলপেটের নিচে ধারাল অস্ত্রের আঘাত থাকলেও, দেহাংশ কেটে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
রাজ্যের বন কর্মকর্তাদের মতে, হয়তো পুরুষ বাঘ মারতে গিয়ে ভুলবশত বাঘিনী মেরে ফেলেছিল শিকারিরা। পুরুষ বাঘ মেরে তার পুরুষাঙ্গ চড়া দামে বিক্রি হয় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে।
এর আগে ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কলকাতা চিড়িয়াখানায় তিনটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও একটি চিতাবাঘকে বিষ দিয়ে মারা হয়েছিল। সূত্র: বিবিসি

No comments:
Post a Comment