প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সময় মানুষের আয় বেড়েছে, জিনিসের
দাম কমেছে। আমি রংপুরকে বিভাগ করেছি। রংপুরে বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। ডিজিটাল
বাংলাদেশ গড়তে সব করেছি। আর কি চান? সব কিছুই তো দিয়ে দিলাম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিস্তা সড়ক সেতু উদ্বোধন শেষে লালমনিরহাট কালেক্টরেট মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ’৯৬ সালে তিস্তা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম। বিএনপি এ সেতুর কাজ বন্ধ করে রেখেছিল। আমি ক্ষমতায় এসে মাত্র তিন বছরের মধ্যে এ সেতুর কাজ শেষ করে উদ্বোধন করলাম। সে কারণে আমি আজ সবচেয়ে বেশি আনন্দিত।”
প্রধানমন্ত্রী দেশের উত্তরাঞ্চলে তার সরকারের আমল করা উন্নয়নের বর্ণনা দিয়ে বলেন, “১৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে বুড়িমারী-লালমনিরহাট রেল লাইনের সংস্কার করেছি। ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্থার স্থাপন করলাম। এছাড়া হাতিবান্ধায় ন্যাশনাল সার্ভিস, দ্বিতীয় ধরলা সেতু, তিন বিঘা করিডোর ২৪ ঘণ্টা জন্য মুক্ত করা, নার্সিং কলেজসহ অধিকাংশ উন্নয়ন আমি করেছি।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ উন্নয়নের সরকার। যে কারণে দেশের জনগণ বারবার আমাদের ভোট দেয়। কিন্তু ভোট চোররা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করে আসছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে জাতীয় চার নেতাসহ জাতির পিতার হত্যার বিচার করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি। শেষও করব। কিন্তু এতে বিরোধী দল বাধা সৃষ্টি করছে। তাতে কোনো লাভ হবে না। দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।”
২০ মিনিটের বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সময় দেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। কৃষককে সুদমুক্ত ঋণ দিয়েছি। সারের দাম কমেছে। আওয়ামী লীগ কৃষিবান্ধব সরকার।”
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুজ্জামান শিখর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, রেলমন্ত্রী মজিবুল হক ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
জনসভায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ রংপুর বিভাগের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম জেলার একমাত্র প্রবেশপথ ৭৫০ মিটার দীর্ঘ তিস্তা সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেন।
এছাড়া জনসভাস্থল থেকেই ১৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বুড়িমারী-লালমনিরহাট সংস্কারকৃত ৮৫ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন, ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত লালমনিরহাট ডায়াবেটিক সমিতির বহুতল ভবনের উদ্বোধন করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে তিস্তা সড়ক সেতু উদ্বোধন শেষে লালমনিরহাট কালেক্টরেট মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি ’৯৬ সালে তিস্তা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলাম। বিএনপি এ সেতুর কাজ বন্ধ করে রেখেছিল। আমি ক্ষমতায় এসে মাত্র তিন বছরের মধ্যে এ সেতুর কাজ শেষ করে উদ্বোধন করলাম। সে কারণে আমি আজ সবচেয়ে বেশি আনন্দিত।”
প্রধানমন্ত্রী দেশের উত্তরাঞ্চলে তার সরকারের আমল করা উন্নয়নের বর্ণনা দিয়ে বলেন, “১৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে বুড়িমারী-লালমনিরহাট রেল লাইনের সংস্কার করেছি। ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্থার স্থাপন করলাম। এছাড়া হাতিবান্ধায় ন্যাশনাল সার্ভিস, দ্বিতীয় ধরলা সেতু, তিন বিঘা করিডোর ২৪ ঘণ্টা জন্য মুক্ত করা, নার্সিং কলেজসহ অধিকাংশ উন্নয়ন আমি করেছি।”
তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ উন্নয়নের সরকার। যে কারণে দেশের জনগণ বারবার আমাদের ভোট দেয়। কিন্তু ভোট চোররা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করে আসছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে জাতীয় চার নেতাসহ জাতির পিতার হত্যার বিচার করেছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করেছি। শেষও করব। কিন্তু এতে বিরোধী দল বাধা সৃষ্টি করছে। তাতে কোনো লাভ হবে না। দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে আছে।”
২০ মিনিটের বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের সময় দেশ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। কৃষককে সুদমুক্ত ঋণ দিয়েছি। সারের দাম কমেছে। আওয়ামী লীগ কৃষিবান্ধব সরকার।”
লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বাণিজ্যমন্ত্রী জিএম কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও সাবেক ছাত্রনেতা সাইফুজ্জামান শিখর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক, রেলমন্ত্রী মজিবুল হক ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
জনসভায় সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ রংপুর বিভাগের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১২২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম জেলার একমাত্র প্রবেশপথ ৭৫০ মিটার দীর্ঘ তিস্তা সড়ক সেতুর উদ্বোধন করেন।
এছাড়া জনসভাস্থল থেকেই ১৭১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বুড়িমারী-লালমনিরহাট সংস্কারকৃত ৮৫ কিলোমিটার নতুন রেল লাইন, ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত লালমনিরহাট ডায়াবেটিক সমিতির বহুতল ভবনের উদ্বোধন করেন।

No comments:
Post a Comment