বাংলাদেশে শুধুমাত্র নারী নির্যাতনের কারণে প্রতিবছর ১৪ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা খরচ হয়। যা বাংলাদেশের জিডিপির প্রায় দুই শতাংশ।
নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।
কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।
নির্যাতিত নারীর চিকিৎসা, বিচার প্রক্রিয়া সম্পাদন, বিচার প্রার্থী, আসামির যাতায়াত, খাবার, প্যানালটি এবং সালিশ আয়োজনে এই টাকা খরচ হয়।
কেয়ার বাংলাদেশের গবেষণায় এ তথ্য উঠে আসে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লেকশোরে ‘কস্ট অফ ভায়োলেন্স এগেইনেস্ট ইউম্যান’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হামিদা হোসেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, “নারী নির্যাতনের কারণে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে অনেক মূল্য দিতে হয়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নির্যতিত নারীর শিশুরা। যার মূল্য তাদের সারা জীবন দিতে হয়। নির্যাতনের সামাজিক মূল্যগুলো হলো, যৌতুক, মানসিক সমস্যা, অপমান, স্কুল থেকে ঝরে পড়া ইত্যাদি। তবে নারী নির্যাতনের কারণে যারা মারা যাচ্ছে তার মূল্য নির্ধারণ করা অসম্ভব।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
তিনি বলেন, “নারী নির্যাতন প্রতিরোধে দেশে পর্যাপ্ত আইন রয়েছে। নারীর প্রতি ব্যক্তিগত, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দারিদ্র্যের কারণে নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে না।”
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধের একটি আইনি ভিত্তি হলো- পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন-২০১০ । আগামী নভেম্বরের মধ্যে এই আইনের বিধিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে তিনি জানান।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন গবেষক ড. কানিজ সিদ্দিকী, ইউএসএইড’র বাংলাদেশের মিশন ডিরেক্টর রিচার্ড গ্রিনে ও মহিলা পরিষদের সভানেত্রী আয়েশা খানম।

No comments:
Post a Comment