সবধরনের পাকিস্তানি পত্রিকাকে নিষিদ্ধ করেছে আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই
সরকার। কাবুলের অভিযোগ, পত্রিকাগুলো তালেবানদের প্রতি সহানুভূতিশীল।
তালেবান জনগোষ্ঠীকে আশ্রয়প্রদান ছাড়াও আর্থিক মদদ জুড়িয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।
পাক সরকারের মদদেই সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান সত্ত্বেও তালেবানকে নির্মূল করা
সম্ভব হচ্ছে না।
এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এ পত্রিকাগুলো তালেবানের প্রচারে মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। সব পাকিস্তানি পত্রিকার কপিকে বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।
এদিকে, কাবুল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ এই পদক্ষেপে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণ বন্ধের জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই পাক সীমান্ত সংলগ্ন পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহারা, কুনার ও নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান থেকে আসা সব পত্রিকাল কপি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট
এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, পাকিস্তানের এ পত্রিকাগুলো তালেবানের প্রচারে মুখপত্র হিসেবে কাজ করে। সব পাকিস্তানি পত্রিকার কপিকে বাজেয়াপ্ত করার জন্য ইতিমধ্যে পুলিশকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম।
এদিকে, কাবুল কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ এই পদক্ষেপে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশের সীমান্তে পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণ বন্ধের জন্য পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা। এদিকে, এই ঘোষণার পরপরই পাক সীমান্ত সংলগ্ন পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহারা, কুনার ও নুরিস্তান প্রদেশে পাকিস্তান থেকে আসা সব পত্রিকাল কপি বাজেয়াপ্ত করা শুরু করেছে নিরাপত্তা কর্মীরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

No comments:
Post a Comment