সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সদস্য কাশেম হুমায়ুন বলেছেন, “হলমার্ক গ্রুপ রূপসী বাংলা হোটেল শাখা থেকে যে টাকা নিয়েছে, তা কোনো ঋণ নয়, পুরোপুরি জালিয়াতি। ওই টাকা ব্যাংকের আন্তর্জাতিক বিভাগ থেকে নেয়া হয়েছে।”
বৃহস্পতিবার সকালে দুদক কার্ালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
তিনি বলেন, “ব্যাংকের নিয়মানুয়ী বছরে দুই বার ব্যাংক অডিট করার কথা থাকলেও ওই শাখা দেড় বছরে একবারও অডিট হয়নি।”
দুদকের সিনিয়র উপপরিচালক মীর জয়নুল আবদিন শিবলির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি
অনুসন্ধান দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। তারা হলেন: মো. শহীদুল মিয়া ও
কাশেম হুমায়ূন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়।
তবে আজকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান
কাজী বাহারুল ইসলাম অপারগতা প্রকাশ করে সময় চেয়ে আবেদন করেছেন বলে
জানিয়েছে দুদক।
আর সোনালী ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত দুদকে সশরীরে না এসে লিখিত বক্তব্য পাঠিয়েছেন।
দুদক জানায়, হলমার্ক গ্রুপের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের
পরিচালানা পর্ষদের কোনো প্রভাব আছে কিনা তাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার ঋণপত্র জালিয়াতির ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ
পরিচালনা পর্ষদের ১১ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠায় দুদক।
বুধবার পরিচালনা পর্ষদের ছয় সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।

No comments:
Post a Comment