পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়াই রাজধানীর মিরপুর-১০ গোলচত্বরে ৩০ কাঠা জমিতে ১২তলা
বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করায় শাহ আলী প্লাজা কর্তৃপক্ষকে ২১ লাখ ৩৫
হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া ভবন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
শাহ আলী প্লাজা নামের বিশাল বাণিজ্যিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। এটি মূলত আবাসিক প্লট হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সনে রাজউকের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৩ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় এ ৩০ কাঠা জমি কেনা হয়। তবে কিভাবে মিরপুরের মত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ ঘটনা নগর ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে।
বিশাল এ বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা, পার্কিং বে, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। অথচ ভবনের পরিকল্পনায় এসব কিছুই নেই। তাই তাদের জরিমানা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এ ব্যাপারে অধিদপ্তরের পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী জানান, পরিবেশ ছাড়পত্র গ্রহণ ছাড়া ভবন নির্মাণ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাদের জরিমানা করা হয়েছে।
শাহ আলী প্লাজা নামের বিশাল বাণিজ্যিক ভবনটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে। এটি মূলত আবাসিক প্লট হিসেবে জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের মালিকানায় ছিল। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সনে রাজউকের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক প্লটে রূপান্তর করা হয়।
প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, ১৯৯৩ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকায় এ ৩০ কাঠা জমি কেনা হয়। তবে কিভাবে মিরপুরের মত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এ ধরনের বহুতল বাণিজ্যিক ভবনের অনুমতি দেয়া হয়েছে, তা বোধগম্য নয়। এ ঘটনা নগর ব্যবস্থাপনাকে বিপর্যস্ত করবে।
বিশাল এ বাণিজ্যিক ভবনের জন্য পৃথক স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, সবুজ আচ্ছাদিত এলাকা, পার্কিং বে, রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং ইত্যাদি থাকা আবশ্যক। অথচ ভবনের পরিকল্পনায় এসব কিছুই নেই। তাই তাদের জরিমানা হয়েছে বলে জানানো হয়।
No comments:
Post a Comment