জার্মানির বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি সিমেন্স ইরানের পারমাণবিক
যন্ত্রপাতি নষ্ট করে দেবার জন্য নাশকতামূলক তৎপরতা চালিয়েছিল অভিযোগ করেছে
ইরান। তবে সিমেন্স এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
ইরানি পার্লামেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আলেদিন বোরুজারদি অভিযোগ করেন, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসুচির জন্য যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছিল, সিমেন্স তার ভেতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছিল।কিন্তু সিমেন্স বলছে, তারা কয়েক দশক ধরে ইরানের সাথে কোনো লেনদেনই করেনি।
ইরানের একজন প্রভাবশালী এমপি আলাদিন বোরুজেরদি শনিবার অভিযোগ করেন, সিমেন্সের তৈরী কিছু যন্ত্রপাতি যেগুলো দেশের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য কেনা হয়েছিল তাতে গোপনে বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, ইরানের বিশ্বাস এই বিস্ফোরকগুলো এমনভাব জুড়ে দেয়া হয় যাতে এগুলো কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং পুরো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বোরুজেরদি আরো বলেন, ইরানি বিশেষজ্ঞদের দক্ষতায় শত্রুর এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা গেছে। তবে সিমেন্সের কোনো না কোনো কারখানাতেই এই বিস্ফোরকগুলো জোড়া হয়েছে এবং জার্মান এই কোম্পানিকে এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।
এদিকে সিমেন্স সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিউনিখ-ভিত্তিক এই জার্মান এই টেকনোলজি জায়ান্ট বলছে, ইরানের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে সিমেন্সের পারমাণবিক প্রযুক্তি বিভাগ ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করছে না।
সিমেন্সের মুখপাত্র আলেক্সান্দার ম্যাকোওয়েতজ বলছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সাথে সিমেন্স’র কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন নেই।
তবে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, যদি ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে সিমেন্সের কোনো ব্যবসা না থেকে থাকে, তাহলে ইরানের কাছ থেকে এই অভিযোগ আসছে কেন?
তবে ইরানে বিবিসি’র সংবাদদাতা বলেন, এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে ইরানের ওই এমপি হয়ত না বুঝেই এই অভিযোগ করছেন। এ প্রশ্নও উঠতে পারে যে ইরান কি তাহলে ঘুরপথে অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিমেন্সের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি কিনছে?
বিবিসির সংবাদদাতা আরো বলছেন, আরো একটি সম্ভাবনার কথা অনেকের মনে আসবে। সেটা হলো, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমা কোন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তারাই যোগসাজস করে, অন্যদের দিয়ে গোপনে ইরানের কাছে সিমেন্সের এই যন্ত্রপাতি বিক্রির ব্যবস্থা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষতি করা যায়।
এর আগে ২০১০ সালেও ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের কম্পিউটার ব্যবস্থায় স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল সিমেন্সের বিরুদ্ধে। তখনও সিমেন্স বলেছিল তারা কিছুই জানে না।
পরে এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে ইসরায়েল এবং মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগের কথা শোনা গিয়েছিল, যদিও সেই রহস্য কখনই উদঘাটিত হয়নি। দু বছর পরে এখন এই নতুন অভিযোগ ওঠার পর সেই রহস্য আরো গভীর হবে সন্দেহ নেই। সূত্র: বিবিসি
ইরানি পার্লামেন্টের নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির প্রধান আলেদিন বোরুজারদি অভিযোগ করেন, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসুচির জন্য যেসব যন্ত্রপাতি কিনেছিল, সিমেন্স তার ভেতরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিস্ফোরক বসিয়ে দিয়েছিল।কিন্তু সিমেন্স বলছে, তারা কয়েক দশক ধরে ইরানের সাথে কোনো লেনদেনই করেনি।
ইরানের একজন প্রভাবশালী এমপি আলাদিন বোরুজেরদি শনিবার অভিযোগ করেন, সিমেন্সের তৈরী কিছু যন্ত্রপাতি যেগুলো দেশের পারমাণবিক প্রকল্পের জন্য কেনা হয়েছিল তাতে গোপনে বিস্ফোরক জুড়ে দেয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, ইরানের বিশ্বাস এই বিস্ফোরকগুলো এমনভাব জুড়ে দেয়া হয় যাতে এগুলো কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং পুরো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বোরুজেরদি আরো বলেন, ইরানি বিশেষজ্ঞদের দক্ষতায় শত্রুর এই চক্রান্ত নস্যাৎ করা গেছে। তবে সিমেন্সের কোনো না কোনো কারখানাতেই এই বিস্ফোরকগুলো জোড়া হয়েছে এবং জার্মান এই কোম্পানিকে এর দায়দায়িত্ব নিতে হবে।
এদিকে সিমেন্স সরাসরি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মিউনিখ-ভিত্তিক এই জার্মান এই টেকনোলজি জায়ান্ট বলছে, ইরানের এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারণ ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে সিমেন্সের পারমাণবিক প্রযুক্তি বিভাগ ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসা করছে না।
সিমেন্সের মুখপাত্র আলেক্সান্দার ম্যাকোওয়েতজ বলছেন, ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সাথে সিমেন্স’র কোনো ব্যবসায়িক লেনদেন নেই।
তবে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, যদি ১৯৭৯ সাল থেকে ইরানের পারমাণবিক প্রকল্পের সঙ্গে সিমেন্সের কোনো ব্যবসা না থেকে থাকে, তাহলে ইরানের কাছ থেকে এই অভিযোগ আসছে কেন?
তবে ইরানে বিবিসি’র সংবাদদাতা বলেন, এমন সম্ভাবনা রয়েছে যে ইরানের ওই এমপি হয়ত না বুঝেই এই অভিযোগ করছেন। এ প্রশ্নও উঠতে পারে যে ইরান কি তাহলে ঘুরপথে অর্থাৎ তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে সিমেন্সের কাছ থেকে যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি কিনছে?
বিবিসির সংবাদদাতা আরো বলছেন, আরো একটি সম্ভাবনার কথা অনেকের মনে আসবে। সেটা হলো, এই পুরো ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমা কোন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগ রয়েছে কিনা? তারাই যোগসাজস করে, অন্যদের দিয়ে গোপনে ইরানের কাছে সিমেন্সের এই যন্ত্রপাতি বিক্রির ব্যবস্থা করছে যাতে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ক্ষতি করা যায়।
এর আগে ২০১০ সালেও ইরান তাদের পারমাণবিক প্রকল্পের কম্পিউটার ব্যবস্থায় স্টাক্সনেট নামে একটি ভাইরাস ছড়ানোর অভিযোগ এনেছিল সিমেন্সের বিরুদ্ধে। তখনও সিমেন্স বলেছিল তারা কিছুই জানে না।
পরে এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে ইসরায়েল এবং মার্কিন গুপ্তচর সংস্থার যোগাযোগের কথা শোনা গিয়েছিল, যদিও সেই রহস্য কখনই উদঘাটিত হয়নি। দু বছর পরে এখন এই নতুন অভিযোগ ওঠার পর সেই রহস্য আরো গভীর হবে সন্দেহ নেই। সূত্র: বিবিসি

No comments:
Post a Comment