জার্মানির ফেডারেল আদালত সম্প্রতি এক মরণাপন্ন রোগীকে আগাম মৃত্যুর অনুমতি
দিয়েছে। অনুমতি দেয়ার সময় আদালত বলেছে, এখন থেকে দেশটির মুমূর্ষু বা
চেতনাহীন কোনো রোগী স্বেচ্ছায় তার আগাম মৃত্যুর আবেদন জানালে চিকিৎসকদের তা
কার্যকর করা অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
জানা যায়, সম্প্রতি বার্লিনের এক হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় থাকা এরিকা কুয়েলমার নামে এক বয়স্ক মহিলার পরিবারকে তার বহিরাংশের কৃত্রিম খাদ্যনালি কেটে মৃত্যু ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন এক আইনজীবী। কিন্তু রোগীর পরিবারের একজন ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করে।
তবে সবকিছু তদন্ত করে জার্মানির ফেডারেল আদালত সেই আইনজীবীকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে রায় দেন। আর সেই সঙ্গে জার্মানিতে যুগান্তকারী আইন হিসেবে রোগীর অনুরোধে পরোক্ষভাবে এই মৃত্যুর পদ্ধতির অনুমোদন দেয়া হয়।
এরিকা কুয়েলমারের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে তার পরিবার জানায়, এরিকা দীর্ঘদিন যাবৎ বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর আগে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তাকে একটি কৃত্রিম নলের মাধ্যমে খাওয়ানো হতো। আর এ অবস্থায় তিনি আর বাঁচতে চান না বলে একাধিকবার জানিয়েছিলেন কুয়েলমার। তবে স্থানীয় প্রশাসন তার এই ইচ্ছা আমলে নেয়নি।
শেষ পর্যন্ত কুয়েলমারের মেয়ে এক আইনজীবীর পরামর্শে তার ভাইয়ের উপস্থিতিতে কাঁচি দিয়ে মায়ের কৃত্রিম খাদ্য নল কেটে দেন। এর দু দিন পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই কুয়েলমারের মৃত্যু হয়। সূত্র: যুগশঙ্খ।
জানা যায়, সম্প্রতি বার্লিনের এক হাসপাতালে অচেতন অবস্থায় থাকা এরিকা কুয়েলমার নামে এক বয়স্ক মহিলার পরিবারকে তার বহিরাংশের কৃত্রিম খাদ্যনালি কেটে মৃত্যু ত্বরান্বিত করার পরামর্শ দেন এক আইনজীবী। কিন্তু রোগীর পরিবারের একজন ওই আইনজীবীর বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা করে।
তবে সবকিছু তদন্ত করে জার্মানির ফেডারেল আদালত সেই আইনজীবীকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে রায় দেন। আর সেই সঙ্গে জার্মানিতে যুগান্তকারী আইন হিসেবে রোগীর অনুরোধে পরোক্ষভাবে এই মৃত্যুর পদ্ধতির অনুমোদন দেয়া হয়।
এরিকা কুয়েলমারের মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে তার পরিবার জানায়, এরিকা দীর্ঘদিন যাবৎ বয়সজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। কিন্তু পাঁচ বছর আগে তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তাকে একটি কৃত্রিম নলের মাধ্যমে খাওয়ানো হতো। আর এ অবস্থায় তিনি আর বাঁচতে চান না বলে একাধিকবার জানিয়েছিলেন কুয়েলমার। তবে স্থানীয় প্রশাসন তার এই ইচ্ছা আমলে নেয়নি।
শেষ পর্যন্ত কুয়েলমারের মেয়ে এক আইনজীবীর পরামর্শে তার ভাইয়ের উপস্থিতিতে কাঁচি দিয়ে মায়ের কৃত্রিম খাদ্য নল কেটে দেন। এর দু দিন পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই কুয়েলমারের মৃত্যু হয়। সূত্র: যুগশঙ্খ।

No comments:
Post a Comment