পুলিশের অভিজাত বাহিনী র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) রাজনৈতিক ও
অনৈতিকভাবে বিশেষ মহল থেকে প্রভাবিত হচ্ছে। র্যাবের কার্যক্রমে অনেক
ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে।
জনমত জরিপে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলেছে দাবি হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট রাইট্ সোসাইটির ( হারস্ )।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংগঠনটি।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মির্জা ওয়ালিদ হোসেন তার রিখিত বক্তব্যে জানান, জরিপে ১ হাজার ৫৫৩ জন নাগরিক অংশ নিয়েছেন।
জরিপের ফলাফল
কোনো কোনো র্যাব সদস্য রাজনৈতিক ও অনৈতিকভাবে কোনো মহল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে কি- এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাঁ বলেছেন ৬৭০ জন (৪৩.১৪ %), না বলেছেন ২৮৫জন ( ১৮.৩৫%), জানি না বলেছেন ৫১৪ জন ( ৩৩.১৯%) এবং নিরুত্তর ছিলেন ৮৪জন (৫.৪১%)।
র্যাব সদস্য কর্তৃক কোন কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মনে করেন- এম প্রশ্নের উত্তরে ৬৬০ জন (৪২.৫%) বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না। ১৯০ জন (১২.২৩%), বিষয়টি জানেন না ৪৭৬ (৩০.৬৫%) আর নিরুত্তর ছিলেন ২২৭ জন ( ১৪.৬২%)।
সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে র্যাব সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল আচরণ, মানবতা ও ভদ্রতা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ১১৯৮জন (৭৭.১৪%)। ৮৬ জন (৫.৫৪%) বলেছেন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই। ১৩৭ জন (৮.৮২%) বিষয়টি জানেন না আর ১৩২ জন (৮.৫%) এ প্রশ্নের উত্তর দেননি।
র্যাবের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে অবদান রাখছে বলে মত দিয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জন। ১২২ জন বলেছেন অবদান রাখছে না, ২১ জনের বিষয়টি জানা নেই এবং ১০ জন এ সংক্রান্ত উত্তর দেননি।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাব তুলনামূলক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন ৫৮০ জন। ৪৮২ জন বললেন ভূমিকা ইতিবাচক নয়। ৪০৩ জন বলেছেন জানি না আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ৮৮ জন।
র্যাবের বিরম্নদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করেন ৬১৮ জন। চক্রান্ত নেই বলছেন ২৪২ জন, বিষয়টি জানা নেই ৪৭০ জনের, নিররুত্তর ছিলেন ২২৭ জন।
র্যাব থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দিয়েছেন ১৩১০ জন। র্যাবের প্রয়োজন নেই বলেছেন ১০৪ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ প্রশ্নের উত্তর দেননি ৭১ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে ধারনা ১ হাজার ১৭৪ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার পক্ষে ২৩৬ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ১৯ জন। জরিপে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের ৩১২ জন র্যাবকে ভয় পান। ১১০৪ জন ভয় পান না। ভয়ের বিষয়টি জানা নেই ১৭ জনের এবং এ প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি ১২০ জন। র্যাব থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৮৪ জনের বেশি নাগরিক মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হারসের প্রধান উপদেষ্টা শহীদুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান হোছাইন, প্রদীপ সেন, মিডিয়া উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম বাবু, আইন বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট আইয়ুব আহমেদুল্লা প্রমুখ।
জনমত জরিপে এমন তথ্য পাওয়া গেছে বলেছে দাবি হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট রাইট্ সোসাইটির ( হারস্ )।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক সংবাদ সম্মেলনে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করে মানবাধিকার ও পরিবেশ রক্ষা বিষয়ক সংগঠনটি।
সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মির্জা ওয়ালিদ হোসেন তার রিখিত বক্তব্যে জানান, জরিপে ১ হাজার ৫৫৩ জন নাগরিক অংশ নিয়েছেন।
জরিপের ফলাফল
কোনো কোনো র্যাব সদস্য রাজনৈতিক ও অনৈতিকভাবে কোনো মহল দ্বারা প্রভাবিত হচ্ছে কি- এমন প্রশ্নের জবাবে হ্যাঁ বলেছেন ৬৭০ জন (৪৩.১৪ %), না বলেছেন ২৮৫জন ( ১৮.৩৫%), জানি না বলেছেন ৫১৪ জন ( ৩৩.১৯%) এবং নিরুত্তর ছিলেন ৮৪জন (৫.৪১%)।
র্যাব সদস্য কর্তৃক কোন কোন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে মনে করেন- এম প্রশ্নের উত্তরে ৬৬০ জন (৪২.৫%) বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে না। ১৯০ জন (১২.২৩%), বিষয়টি জানেন না ৪৭৬ (৩০.৬৫%) আর নিরুত্তর ছিলেন ২২৭ জন ( ১৪.৬২%)।
সংস্কার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে র্যাব সদস্যদের আরও দায়িত্বশীল আচরণ, মানবতা ও ভদ্রতা সংক্রান্ত প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ১১৯৮জন (৭৭.১৪%)। ৮৬ জন (৫.৫৪%) বলেছেন প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই। ১৩৭ জন (৮.৮২%) বিষয়টি জানেন না আর ১৩২ জন (৮.৫%) এ প্রশ্নের উত্তর দেননি।
র্যাবের কর্মকাণ্ড আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে অবদান রাখছে বলে মত দিয়েছেন ১ হাজার ৪০০ জন। ১২২ জন বলেছেন অবদান রাখছে না, ২১ জনের বিষয়টি জানা নেই এবং ১০ জন এ সংক্রান্ত উত্তর দেননি।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাব তুলনামূলক ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলে মনে করেন ৫৮০ জন। ৪৮২ জন বললেন ভূমিকা ইতিবাচক নয়। ৪০৩ জন বলেছেন জানি না আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ৮৮ জন।
র্যাবের বিরম্নদ্ধে দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করেন ৬১৮ জন। চক্রান্ত নেই বলছেন ২৪২ জন, বিষয়টি জানা নেই ৪৭০ জনের, নিররুত্তর ছিলেন ২২৭ জন।
র্যাব থাকার প্রয়োজন রয়েছে বলে মত দিয়েছেন ১৩১০ জন। র্যাবের প্রয়োজন নেই বলেছেন ১০৪ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ প্রশ্নের উত্তর দেননি ৭১ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে ধারনা ১ হাজার ১৭৪ জন। র্যাব ভেঙে দেয়ার পক্ষে ২৩৬ জন, বিষয়টি জানেন না ৭৬ জন আর এ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে নিরুত্তর ছিলেন ১৯ জন। জরিপে অংশগ্রহণকারী নাগরিকদের ৩১২ জন র্যাবকে ভয় পান। ১১০৪ জন ভয় পান না। ভয়ের বিষয়টি জানা নেই ১৭ জনের এবং এ প্রশ্নের উত্তর দিতে রাজি হননি ১২০ জন। র্যাব থাকার প্রয়োজনীয়তা আছে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীদের শতকরা ৮৪ জনের বেশি নাগরিক মনে করেন।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যে মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, হারসের প্রধান উপদেষ্টা শহীদুল ইসলাম, উপদেষ্টা অধ্যাপক ইমরান হোছাইন, প্রদীপ সেন, মিডিয়া উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আমিনুল ইসলাম বাবু, আইন বিভাগের প্রধান সমন্বয়কারী এডভোকেট আইয়ুব আহমেদুল্লা প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment