ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণ এইডসের ঝুঁকি বাড়ায়। বাংলাদেশ ঝুঁকিপূর্ণ
হলেও সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কারণে এইডস
প্রতিরোধ ও বিস্তার রোধ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশের এ ভূমিকা বিদেশেও
প্রশংসিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে দৈনিক ভোরের কাগজ অফিসে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণে এইডসের ঝুঁকি প্রতিরোধ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিতকরণ কর্মশালায় এ সব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।
বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণার কারণে এইডস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। সে সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।
তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এইডসের সংক্রমণ বেশি থাকায় আমরা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নই। তাই সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদার ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন। আলোচনা করেন ডা. মো. ওহায়িদ, ডা. সাইমুন রাশিন, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. রুপালি শিশির বানু, আনিস আলমগীর, ডা. লীমা রহমান প্রমুখ।
বৃহস্পতিবার সকালে দৈনিক ভোরের কাগজ অফিসে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণের কারণে এইডসের ঝুঁকি প্রতিরোধ বিষয়ে গণমাধ্যমকে অবহিতকরণ কর্মশালায় এ সব কথা বলেন বক্তারা। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালক ছিলেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত।
বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমের ইতিবাচক প্রচারণার কারণে এইডস নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। সে সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোও প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেছে।
তারা বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এইডসের সংক্রমণ বেশি থাকায় আমরা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নই। তাই সামাজিক আন্দোলন আরো জোরদার ও জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ততা আরো বাড়াতে হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন। আলোচনা করেন ডা. মো. ওহায়িদ, ডা. সাইমুন রাশিন, ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, ডা. রুপালি শিশির বানু, আনিস আলমগীর, ডা. লীমা রহমান প্রমুখ।
No comments:
Post a Comment