বৈশ্বিক উষ্ণতা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে চলতি বছর উত্তর মেরুর বরফ গলার হার
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, আগামী ২০ বছরের মধ্যেই
আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝিতেও আর্কটিক রেঞ্জে ৩৪ লাখ বর্গকিলোমিটার অংশে বরফ দেখা গেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে রাখা রেকর্ড অনুযায়ী এটাই আর্কটিকের বরফ আচ্ছাদিত স্থানের আয়তনের মধ্যে সর্বনিম্ন।
স্যাটেলাইট ইমেজের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্ন্যো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরই উত্তর মহাসাগরের বরফ ঋতুভেদে সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়ে থাকে। বরফ গলে উত্তর মেরুর আয়তন সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে কমে যায়।
তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ দুই সপ্তাহেই আর্কটিকের পাঁচ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরফ গলে গেছে।
তথ্য হতে জানা গেছে, গ্রীষ্ণের শেষে এটিই সর্বোচ্চ বরফ গলার হার। আর উত্তর মেরুর বরফ গলার হারকে বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা মাপার সূচক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এবারের বরফ গলাকে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।
বিজ্ঞানীরা আরো জানান, অবস্থা এ রকম থাকলে এখন থেকে ২০ বছরের মধ্যে আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
চলতি মাসের মাঝামাঝিতেও আর্কটিক রেঞ্জে ৩৪ লাখ বর্গকিলোমিটার অংশে বরফ দেখা গেছে। ১৯৭৯ সাল থেকে রাখা রেকর্ড অনুযায়ী এটাই আর্কটিকের বরফ আচ্ছাদিত স্থানের আয়তনের মধ্যে সর্বনিম্ন।
স্যাটেলাইট ইমেজের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল স্ন্যো অ্যান্ড আইস ডাটা সেন্টার (এনএসআইডিসি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সাধারণত প্রতি বছরই উত্তর মহাসাগরের বরফ ঋতুভেদে সঙ্কুচিত বা প্রসারিত হয়ে থাকে। বরফ গলে উত্তর মেরুর আয়তন সেপ্টেম্বর মাসে সবচেয়ে কমে যায়।
তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী শেষ দুই সপ্তাহেই আর্কটিকের পাঁচ লাখ ১৭ হাজার বর্গকিলোমিটার আয়তনের বরফ গলে গেছে।
তথ্য হতে জানা গেছে, গ্রীষ্ণের শেষে এটিই সর্বোচ্চ বরফ গলার হার। আর উত্তর মেরুর বরফ গলার হারকে বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক উষ্ণতা মাপার সূচক হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তবে এবারের বরফ গলাকে বিজ্ঞানীরা পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা হিসেবে দেখছেন।
বিজ্ঞানীরা আরো জানান, অবস্থা এ রকম থাকলে এখন থেকে ২০ বছরের মধ্যে আর্কটিক সাগরে বরফ আচ্ছাদিত অংশ আর খুঁজে পাওয়া যাবে না।
No comments:
Post a Comment