Pages

Monday, October 29, 2012

ডেসটিনির দিদারুলের টাকা পাচারের কথা স্বীকার

ডেসটিনির দিদারুলের টাকা পাচারের কথা স্বীকার

ডেসটিনি-২০০০ এর পরিচালক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা দিদারুল আলমকে আট দিনের রিমান্ড শেষে আজ ঢাকার সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। মহানগর হাকিম কেশব রায় ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।   

অন্যদিকে আসামিপক্ষে জামিন চান তার নিয়োজিত আইনজীবী সৈয়দ শাহ আলম। সিএমএম ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার দে  শুনানি শেষে জামিনের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পিপি মোশারফ হোসেন কাজল । তিনি বলেন, আসামি আজ আদালতে বিদেশে টাকা পাচারের বিষয়ে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক  জবানবন্দি দিয়েছেন, তাই তাকে জামিন দেওয়ার কোনো যুক্তি নেই।

আসামিপক্ষের আইজীবী শাহ আলম জবাবে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের আনীত অভিযোগ সঠিক নয়। কারণ এ আসামি ডেসনিটির একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডায়মন্ড বিল্ডার্সেরও নির্বাহী কমকর্তা । তিনি প্রতি মাসে দুই লক্ষ টাকা হিসেবে এ পর্যন্ত ৯২ লক্ষ টাকা বেতন হিসেবে উত্তোলন করেন। তিনি ডেসটিনির একজন কর্মকর্তা মাত্র। 

২০ অক্টোবর শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে মহাখালী ডিওএইচএসে নিজের ব্যবসায়িক কার্যালয় থেকে দিদারকে গ্রেফতার করা হয়।

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের পর পাচারের অভিযোগে গত ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডেসটিনির ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করে দুদক। ওই মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দিদারও আসামি।

অর্থ পাচারের ওই দুই মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল আমীন ও চেয়ারম্যান মো. হোসেন বর্তমানে কারাবন্দি। দুই মামলায় ১৮ দিনের হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে দুদক।

ডেসটিনির প্রেসিডেন্ট ও সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদ এই দুই মামলায় কারাগারে গেলেও পরে উচ্চ আদালত তাকে জামিন দেয়।

No comments:

Post a Comment