Pages

Friday, October 26, 2012

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্ব উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট

বিশ্বের উষ্ণায়ন নিয়ে বিতর্ক বহু দিন ধরেই চলছে। এতে নানা মুনির নানা মত। নাসার নেত্বত্ব মনে করে যে, এটা হলো মানুষের বাঁচার জন্য করা কাজকর্মের পরিণাম। কিন্তু এর সঙ্গে একমত নন নাসার অন্যান্য কর্মীরা। ৪৯ জন মহাকাশচারী ও নাসা কর্মী একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন, যাতে তাঁরা বিশ্বের উষ্ণায়নের বিষয়ে মানুষের কাজকর্ম দায়ী বলে স্বীকার করতে চান নি।

অন্যদিকে উষ্ণায়ন যে বিশ্বে আরও চরম হচ্ছে, তাতে মানুষের দোষ নিশ্চয়ই রয়েছে, এরকম মনে করে বিশ্ব বন্যপ্রাণী তহবিলের ‘আবহাওয়া ও শক্তি উত্পাদন’ প্রকল্পের রুশ পরিচালক আলেক্সেই ককোরিন। তার মতে, মানুষের আবহাওয়ার উপরে প্রভাব এখন অন্যান্য কারণকে ছাপিয়ে উঠছে। আশা করব মানবসমাজ আবহাওয়ার উপরে প্রভাব কমাবে।

আলেক্সেই ককোরিন মনে করেন, মানুষ আবহাওয়াকে পাল্টাতে পারে না কিন্তু সেই গ্রিন হাউস এফেক্ট, যা সৌর সক্রিয়তার প্রভাবের সঙ্গে একই রকমের শক্তিশালী, তা মানুষ তৈরি করতে পেরেছে। আর এটাই আবহাওয়া ব্যবস্থাকে টলিয়ে দিয়েছে। এই বিশেষজ্ঞ মনে করেন, কম করে হলেও আগামী অর্ধশতক আমাদের আবহাওয়ার অনিয়মের মধ্যেই বাঁচতে হবে ও তা মানিয়েও নিতে হবে।

কিন্তু মানব সমাজকে শুধু গরমের সঙ্গেই নয়, ঠাণ্ডার সঙ্গেও টক্কর দিতে হবে, যা এখনই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এরকম কথা জোর দিয়ে বলেছেন বিশ্ব নিয়ে বিজ্ঞানের সংযুক্ত সভার সভাপতি ড. নিকোলাই দবরেত্সভ। তার অভিমত, “গত তিন বছরের ঘটনা দেখিয়ে দিয়েছে যে, ভেনিসের খালগুলোতে পানি জমে গিয়েছিল, স্পেনে আঙ্গুর গাছ শীতে জমে গিয়েছিল, আর মস্কো শহর এবং ইউরোপের অনেক জায়গাজুড়েই ছিল শীতল বসন্ত কাল, যা প্রমাণ করেছে যে, সাময়িক ভাবে ঠাণ্ডা হওয়াও শুরু হয়েছে। আর্কটিক অঞ্চলে বরফের সঙ্গেও এই রকম ঘটছে। সব চেয়ে কম বরফ ছিল ২০০৭ সালে, ২০০৮ ছিল সেই রকমই। আর ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে এবং এই বছরের শুরুতে আবার বরফের পরিমাণ বাড়তে শুরু করেছে”।
তবে যখন বিশেষজ্ঞরা এসব বিতর্কে ব্যস্ত, তখন বিশ্বের বেশির ভাগ লোকের জন্য সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় হয়েছে বাস্তব সব প্রশ্ন: খরা ও বন্যা কত বেশি প্রভাব ফেলবে, বন্যা ও ঝঞ্ঝা থেকে জিনিসের দাম কত বাড়বে? কারণ এর সঙ্গে তার খাদ্য উৎপাদনের বিষয়টি গভীরভাবে জড়িত। সূত্র: ওয়েবসাইট।

No comments:

Post a Comment