পঞ্চগড়ে কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হচ্ছে আলোক ফাঁদ :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
পঞ্চগড়ে ধানক্ষেতে পোকার আক্রমণ ঠেকাতে পরিবেশবান্ধব আলোক ফাঁদ স্থানীয়
কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অতিরিক্ত টাকা খরচ করে কীটনাশক ব্যবহার না
করে কম খরচের এই পদ্ধতিতে উপকৃত হচ্ছেন গ্রামের সাধারণ কৃষকরা।
আলোক ফাঁদ পদ্ধতি অনেক পুরনো হলেও পঞ্চগড় জেলায় নতুন করে এটা চালু হয়েছে। এতে কৃষকরা কীটনাশক ব্যবহার না করে ফসল ফলানোর নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে জমিতে ধানসহ যে কোনো ফসল ফলাতে কৃষকদের অতিরিক্তি টাকা খরচ করে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে না। পঞ্চগড় সদরের মীরগড় ব্লকের বিভিন্ন কৃষি জমিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া গেছে।
এই পদ্ধতিতে কৃষি জমির এক অংশে বিদুৎ অথবা চার্জার লাইটের আলো এবং তার নিচের একটি পাত্রে পানি দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে আলোক ফাঁদ বানানো হচ্ছে। এতে যে জমিতে ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা বেশি, সেই জমিতে পরপর কয়েক দিন ফাঁদ পাতার মাধ্যমে পোকা নিধন করা সম্ভব হচ্ছে।
কমলাপুর এলাকার কৃষক নজরল ইসলাম জানান, এই পদ্ধতিতে সামান্য ডিটারজেন্ট ও পানি মিশিয়ে পোকা দমন করা যায়।
সদর উপজেলার মীরগড় ব্লকের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গুলজার রহমান আনসারী বলেন, যে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই সেখানে টর্চ লাইটের আলো বা অন্য কোনো আলো ফেলে এ ফাঁদ ব্যবহার করা যায়। এতে কৃষকদের যেমন উৎপাদন ব্যয় কমবে, তেমনি বিষমুক্ত ফসল পাবেন সাধারণ মানুষ। এ ফাঁদ ইতিমধ্যে জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
আলোক ফাঁদ পদ্ধতি অনেক পুরনো হলেও পঞ্চগড় জেলায় নতুন করে এটা চালু হয়েছে। এতে কৃষকরা কীটনাশক ব্যবহার না করে ফসল ফলানোর নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে জমিতে ধানসহ যে কোনো ফসল ফলাতে কৃষকদের অতিরিক্তি টাকা খরচ করে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে না। পঞ্চগড় সদরের মীরগড় ব্লকের বিভিন্ন কৃষি জমিতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ভালো ফল পাওয়া গেছে।
এই পদ্ধতিতে কৃষি জমির এক অংশে বিদুৎ অথবা চার্জার লাইটের আলো এবং তার নিচের একটি পাত্রে পানি দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে আলোক ফাঁদ বানানো হচ্ছে। এতে যে জমিতে ক্ষতিকর পোকার সংখ্যা বেশি, সেই জমিতে পরপর কয়েক দিন ফাঁদ পাতার মাধ্যমে পোকা নিধন করা সম্ভব হচ্ছে।
কমলাপুর এলাকার কৃষক নজরল ইসলাম জানান, এই পদ্ধতিতে সামান্য ডিটারজেন্ট ও পানি মিশিয়ে পোকা দমন করা যায়।
সদর উপজেলার মীরগড় ব্লকের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা গুলজার রহমান আনসারী বলেন, যে এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই সেখানে টর্চ লাইটের আলো বা অন্য কোনো আলো ফেলে এ ফাঁদ ব্যবহার করা যায়। এতে কৃষকদের যেমন উৎপাদন ব্যয় কমবে, তেমনি বিষমুক্ত ফসল পাবেন সাধারণ মানুষ। এ ফাঁদ ইতিমধ্যে জেলার প্রত্যন্ত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

No comments:
Post a Comment