ঢাবি চারুকলায় শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম :: শিক্ষাঙ্গন :: বার্তা২৪ ডটনেট
যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার
ইতিহাস বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। চারটি ডিগ্রিতে প্রথম
শ্রেণী পাওয়া প্রার্থীকে বাদ দিয়ে তিনটিতে প্রথম শ্রেণী পাওয়া ও বাইরের
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া
হয়েছে।
গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত পাস হয় বলে সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, গত ৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক পদে দুজন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এতে যোগ্যতা হিসেবে শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু যদি অনার্স ও মাস্টার্সে ডিগ্রিধারী না পাওয়া যায়, তাহলে মাস্টার্সে ডিগ্রি থাকতে হবে। এই দুটি পদের জন্য আবেদন করেন সাতজন। গত শনিবার বাছাই বা সিলেকশন কমিটির সভা ছিল। এই সিলেকশন কমিটিতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচজন। বাছাই শেষে সঞ্জয় চক্রবর্তী ও মাসুদা খাতুন জুঁই শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের জন্য প্রভাষক পদে মনোনীত হয়েছেন বলে শোনা গেলেও মঙ্গলবার রাতে সিন্ডিকেট সভায় তা পাস হয়।
সূত্র মতে, সিন্ডিকেটে পাস হওয়া সঞ্জয় চক্রবর্তী ভারতের শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। কিন্তু মাসুদা আক্তার জুঁইয়ের কোনো অনার্স ডিগ্রি নেই। তিনি প্রাচ্যকলা বিভাগ থেকে তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স করেছেন।
অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সঞ্জয় কুমার দেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সঞ্জয় কুমার শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্র। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ। বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া শর্ত অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে।
এ বিষয়ে বাছাই কমিটির চেয়ারপারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহামদ উত্তেজিতভাবে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘‘চারুকলার বিষয়ে এত ইন্টারেস্ট কেন? এত ফোন কেন?’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘এই নিয়োগে কোনো ধরনের অবিচার বা অনিয়ম করা হয়নি। সঞ্জয় কুমারের জন্য আমারও খারাপ লাগছে। তবে তার নামে মামলা রয়েছে। মামলা তো আর এমনি এমনি হয়নি, এর পিছনে কারণও তো আছে। যা কিছু রটে তা কিছু সত্যও তো বটে।’’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিথ্যা মামলায় সাক্ষী না দেয়ায় সঞ্জয় কুমার দেকে গৌণ আসামি করে মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্ত শেষে ডিবি সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে রিপোর্ট দেয়ার পর তা নিষ্পত্তি হয়ে যায়। গত শনিবার সিলেকশন বোর্ডের আগে তার নামে মামলার উকিল তুষার তালুকদার মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হবে বলে প্রো-ভিসিকে চিঠি দেন। সঞ্জয় কুমার দেকে হয়রানি করার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতা, যিনি জগন্নাথ হলের ছাত্র, তিনি পুনরায় ওই উকিলকে দিয়ে এটি করিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সিলেকশন কমিটি বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই করেই এই নিয়োগের সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেটে শুধু এই নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।’’
গত মঙ্গলবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত পাস হয় বলে সিন্ডিকেট সূত্রে জানা গেছে।
জানা যায়, গত ৪ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগে প্রভাষক পদে দুজন শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। এতে যোগ্যতা হিসেবে শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স থাকার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু যদি অনার্স ও মাস্টার্সে ডিগ্রিধারী না পাওয়া যায়, তাহলে মাস্টার্সে ডিগ্রি থাকতে হবে। এই দুটি পদের জন্য আবেদন করেন সাতজন। গত শনিবার বাছাই বা সিলেকশন কমিটির সভা ছিল। এই সিলেকশন কমিটিতে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন পাঁচজন। বাছাই শেষে সঞ্জয় চক্রবর্তী ও মাসুদা খাতুন জুঁই শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের জন্য প্রভাষক পদে মনোনীত হয়েছেন বলে শোনা গেলেও মঙ্গলবার রাতে সিন্ডিকেট সভায় তা পাস হয়।
সূত্র মতে, সিন্ডিকেটে পাস হওয়া সঞ্জয় চক্রবর্তী ভারতের শান্তিনিকেতন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। কিন্তু মাসুদা আক্তার জুঁইয়ের কোনো অনার্স ডিগ্রি নেই। তিনি প্রাচ্যকলা বিভাগ থেকে তিন বছরের ডিগ্রি কোর্স করেছেন।
অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও সঞ্জয় কুমার দেকে নিয়োগ দেয়া হয়নি। সঞ্জয় কুমার শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের প্রথম ব্যাচের ছাত্র। এছাড়া এসএসসি ও এইচএসসি উভয় পরীক্ষাতেই প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ। বিজ্ঞপ্তিতে দেয়া শর্ত অনুযায়ী যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছে কম যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীকে।
এ বিষয়ে বাছাই কমিটির চেয়ারপারসন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. নাসরিন আহামদ উত্তেজিতভাবে এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘‘চারুকলার বিষয়ে এত ইন্টারেস্ট কেন? এত ফোন কেন?’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘এই নিয়োগে কোনো ধরনের অবিচার বা অনিয়ম করা হয়নি। সঞ্জয় কুমারের জন্য আমারও খারাপ লাগছে। তবে তার নামে মামলা রয়েছে। মামলা তো আর এমনি এমনি হয়নি, এর পিছনে কারণও তো আছে। যা কিছু রটে তা কিছু সত্যও তো বটে।’’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মিথ্যা মামলায় সাক্ষী না দেয়ায় সঞ্জয় কুমার দেকে গৌণ আসামি করে মামলা করা হয়। ওই মামলার তদন্ত শেষে ডিবি সঞ্জয়কে নির্দোষ বলে রিপোর্ট দেয়ার পর তা নিষ্পত্তি হয়ে যায়। গত শনিবার সিলেকশন বোর্ডের আগে তার নামে মামলার উকিল তুষার তালুকদার মামলা পুনরুজ্জীবিত করা হবে বলে প্রো-ভিসিকে চিঠি দেন। সঞ্জয় কুমার দেকে হয়রানি করার জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের এক নেতা, যিনি জগন্নাথ হলের ছাত্র, তিনি পুনরায় ওই উকিলকে দিয়ে এটি করিয়েছেন বলে জানা গেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন বার্তা২৪ ডটনেটকে বলেন, ‘‘সিলেকশন কমিটি বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই করেই এই নিয়োগের সুপারিশ করেছে। সে অনুযায়ী সিন্ডিকেটে শুধু এই নিয়োগ অনুমোদন করা হয়েছে।’’
No comments:
Post a Comment