পরিবেশ সুরক্ষায় নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে মোবাইল ফোনের টাওয়ার স্থাপন :: পরিবেশ :: বার্তা২৪ ডটনেট
যেখানে সেখানে মোবাইল ফোনের টাওয়ার স্থাপন করায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের
ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা৷ পরিবেশ মন্ত্রণালয়ও উদ্বিগ্ন৷ টাওয়ারের
বিকিরণ কিভাবে কমিয়ে আনা যায় তা নিয়ে কাজ শুরু করছেন তারা৷
বাংলাদেশে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের এখন গ্রাহক নয় কোটি ৫৫ লাখ৷ গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে অপারেটরগুলোর বেস টাওয়ার৷ তাই সব মিলিয়ে সারা দেশে টাওয়ারের সংখ্যা এখন ৩০ হাজার৷
কিন্তু এসব টাওয়ারের অধিকাংশই বসানো হচ্ছে বাসা-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ছাদে৷ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য তা ক্ষতিকর বলে এর বিরোধিতা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টাওয়ারের রেডিয়েশেনের ক্ষতির কথা স্বীকার করে তা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে বলে জানান৷
তবে তিনি সঙ্গে এ-ও জানান, এখনো বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের টাওয়ার স্থাপনে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক নয়৷
তিনি জানান, পরিবেশ অধিদফতর টাওয়ারের রেডিয়েশনের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একটি বিস্তারিত জরিপ চালাবে৷
এদিকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ভবনের ছাদ প্রায় টাওয়ারের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে৷ তবে এ ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজউক৷
সংস্থার চেয়ারম্যান মো. নূরুল হুদা জানান, তারাও একটি জরিপ করবেন, দেখবেন এসব টাওয়ার পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের কী ক্ষতি করছে৷ অবশ্য এ বিষয়ে ইতিমধ্যে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে৷ রাজউকের অনুমতি ছাড়া ঢাকায় কোনো ভবনের ছাদে আর মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানো যাবে না৷
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং রাজউক চেয়ারম্যান বলেছেন, তারা দুজনই টাওয়ার স্থাপনে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের পক্ষে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
বাংলাদেশে ছয়টি মোবাইল ফোন অপারেটরের এখন গ্রাহক নয় কোটি ৫৫ লাখ৷ গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে কেন্দ্র থেকে প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে অপারেটরগুলোর বেস টাওয়ার৷ তাই সব মিলিয়ে সারা দেশে টাওয়ারের সংখ্যা এখন ৩০ হাজার৷
কিন্তু এসব টাওয়ারের অধিকাংশই বসানো হচ্ছে বাসা-বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের ছাদে৷ পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য তা ক্ষতিকর বলে এর বিরোধিতা করছেন বিশেষজ্ঞরা৷
পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টাওয়ারের রেডিয়েশেনের ক্ষতির কথা স্বীকার করে তা কমিয়ে আনার পরিকল্পনা আছে বলে জানান৷
তবে তিনি সঙ্গে এ-ও জানান, এখনো বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের টাওয়ার স্থাপনে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নেয়া বাধ্যতামূলক নয়৷
তিনি জানান, পরিবেশ অধিদফতর টাওয়ারের রেডিয়েশনের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে একটি বিস্তারিত জরিপ চালাবে৷
এদিকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন ভবনের ছাদ প্রায় টাওয়ারের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে৷ তবে এ ব্যাপারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে যাচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজউক৷
সংস্থার চেয়ারম্যান মো. নূরুল হুদা জানান, তারাও একটি জরিপ করবেন, দেখবেন এসব টাওয়ার পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের কী ক্ষতি করছে৷ অবশ্য এ বিষয়ে ইতিমধ্যে নতুন বিধিমালা প্রণয়নের কাজও শুরু হয়েছে৷ রাজউকের অনুমতি ছাড়া ঢাকায় কোনো ভবনের ছাদে আর মোবাইল ফোনের টাওয়ার বসানো যাবে না৷
পরিবেশ ও বনমন্ত্রী এবং রাজউক চেয়ারম্যান বলেছেন, তারা দুজনই টাওয়ার স্থাপনে পরিবেশ ও স্বাস্থ্যবান্ধব নীতিমালা প্রণয়নের পক্ষে৷ সূত্র: ডিডব্লিউ
No comments:
Post a Comment