Pages

Showing posts with label Mobile. Show all posts
Showing posts with label Mobile. Show all posts

Wednesday, January 30, 2013

মোবাইল হ্যাকিং থেকে সাবধান!

মোবাইল হ্যাকিং থেকে সাবধান!



মোবাইলে টাকা রিচার্জ করার পর ব্যালান্স শূন্য। কোন ফোন করা হয়নি এসএমএস দেয়া হয়নি। তাহলে টাকা কোথায় গেল! কাস্টমার কেয়ারে ফোন করায় জানা গেল আপনার মোবাইল হ্যাকিং করা হয়েছে। হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে আপনার মোবাইলের টাকা অন্য মোবাইলে নেয়া হয়েছে। কোন মোবাইলে নেয়া হয়েছে কিভাবে করা হয়েছে এর কোন প্রমাণ কাস্টমার কেয়ারে নেই। গতকাল ওয়ান ব্যাংক কর্মকর্তা হাসিব খান এভাবেই বর্ণনা করেন তার মোবাইল হ্যাকিংয়ের কথা। মোবাইল ফোন অপারেটর ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার তথ্যমতে, কম্পিউটার হ্যাকিংয়ের ইতিহাস পুরনো। এটা প্রায় সকলের জানা। কিন্তু মোবাইল হ্যাক একেবারেই নতুন একটি আতঙ্ক। নিজের মোবাইল কখন হ্যাকাররা হ্যাক করছে তা টেরও পাওয়া যাচ্ছে না। যাদের মোবাইলে ইন্টারনেট ও ব্লুটুথ ব্যবহার হচ্ছে- তাদের মোবাইল হ্যাক করতে হ্যাকারদের খুব বেশি বেগ পেতে হচ্ছে না। যারা ইন্টারনেট ও ব্লুটুথ ব্যবহার করছেন না- তাদের মোবাইলও হ্যাক করছে হ্যাকাররা। এতে ব্যক্তিগত সব তথ্য কপি করে নিয়ে যাচ্ছে তারা। এমনকি আপনার নিজের নাম্বারটি ব্যবহার করে হ্যাকাররা অনায়াসে কথা বলে যাবে আপনি টেরও পাবেন না। সরজমিনে বিভিন্ন মোবাইলের কাস্টমার কেয়ার ঘুরে দেখা যায় প্রায় হরহামেশায় এই ধরনের অভিযোগ আসে। ফার্মগেটের গ্রামীণফোন কাস্টমার সেন্টারের এক কর্মকর্তা বলেন, মাঝে মাঝে আমাদের কাছে কাস্টমাররা অভিযোগ করে মোবাইলে টাকা রিচার্জ করার পর তা শূন্য হয়ে যায়। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা হেড অফিসে জানাই। পরে অভিযোগটি যাচাই করে দেখা যায়, কখনও গ্রাহকের অজান্তেই বিভিন্ন প্যাকেজ চালু করার জন্য টাকা কাটা হয়। আবার অনেক সময় ক্লোনিং -এর মাধ্যমে টাকা তুলে নেয়া হয়। বিটিআরসির সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোবাইল ফোন হ্যাকিংয়ের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। অপরিচিত কোড(+৯) দিয়ে ফোন কল আসার বহু নজির রয়েছে। বাংলাদেশেও মোবাইল ফোন সিম ক্লোনিং -এর ঝুঁকি খুবই বেশি। এমন হতেই পারে ক্লোনিং কিংবা হ্যাকিংয়ের ঘটনা ঘটছে। কিন্তু বিষয়টি যাচাই না হওয়া এবং সচেতনতার অভাবের কারণে জানা যাচ্ছে না। আগে থেকে সতর্কতা মহল ব্যবস্থা নিলে দেশের কোটি কোটি মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শ্যামল বলেন, আমার নিজের মোবাইল থেকে একবার টাকা রিচার্জ করার পর ব্যালেন্স শূন্য হয়েগিয়েছিল। পরে কাস্টমার কেয়ারে ফোন দেয়ার পর সেখান থেকে কোন সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি। বিটিআরসির এক কর্মকর্তা বলেন, দেশে একই নাম্বারের সিম একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করছে। ক্লোন পদ্ধতিতে এই কাজটি করা হচ্ছে। এটা ধরা কঠিন কাজ না হলেও যন্ত্রপাতির অভাবে কাজটি করা যাচ্ছে না মোবাইল অপারেটরদের কাছে একাধিক অভিযোগ আসে। হ্যাকাররা মোবাইল ফোন সিমকার্ড ক্লোনিংয়ের জন্য ব্যবহার করছেন একটি ইউনিকোড। এই ইউনিকোডটি প্রথমে কলারের হ্যান্ডসেট কিংবা পিসি অথবা সার্ভারে মাদার ফাইল হিসাবে অ্যাকটিভ করা হয়। পরে ওই কোড নাম্বার যে কোন মোবাইল ফোন নাম্বারে প্রবেশ করালেই মোবাইল ফোন নাম্বারটি কপি হয়ে যাচ্ছে। অপরিচিত কোন নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে হ্যাকার নিজের পরিচয় দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট ফোন অপারেটরের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের কর্মী হিসেবে এবং ফোন ব্যবহারকারীকে নেটওয়ার্ক নির্বিঘ্ন আছে কিনা তা যাচাই করতে বিশেষ কোডটি চাপতে অনুরোধ করছে। যিনি কলটি রিসিভ করেছেন তিনি কলারের কথামতো কোড চাপার সঙ্গে তার ফোন নম্বর ক্লোনিং হবে তেমনি তার ফোনের ডাটা কপি হতে শুরু করবে। এমনকি কলটি কেটে দিলেও কপি চলবে। ফোনের পাওয়ার সুইচ বন্ধ করা ছাড়া এই কপি বন্ধ করা সম্ভব না।
তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার বলেন, মোবাইল নিয়ন্ত্রণ কমিশন বিটিআরসি। বহুদিন থেকে মোবাইল হ্যাকিং নিয়ে মানুষ ভোগান্তির মধ্যে থাকলেও বিটিআরসির কোন পদক্ষেপ নেই। শুধুমাত্র মোবাইল হ্যাকিংয়ের বিষয় নয় মোবাইল কোম্পানির আরও অনেক অভিযোগ থাকলেও বিটিআরসির পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেই। মোবাইল অপারেটররা দানবের মতো আচরণ করছে আর বিটিআরসি নীরবে তা সহ্য করছে। তিনি আরও বলেন, আমার কাছে একজন ব্যক্তির অভিযোগ ছিল যার গ্রামীণফোনের সিমের মাধ্যমে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ ডলার সমপরিমাণ টাকা তুলে নিয়েছিল। গ্রামীণফোনের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করলেও গ্রামীণফোনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নাকচ করে দেন।
হ্যাকররা শুধু ফোন করে গ্রাহকদের কোড নাম্বার চাপতে অনুরোধ করছে তাই নয়, তারা ওই কোড নাম্বার ব্যবহার করে কলও করছে। এক্ষেত্রে বিপদ আরও বেশি। এ ধরনের কল রিসিভ করার সঙ্গে সঙ্গে রিসিভারের হ্যান্ডসেটেরে সব তথ্য চলে যাবে হ্যাকারের কাছে। এ সংক্রান্ত একাধিক সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী “#, + কিংবা *” দিয়েই ইউনিকোডের শুরু হয়। এ কারণে এ ধরনের প্রতীক দিয়ে শুরু যে কোন ধরনের কল গ্রহণ না করার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। এছাড়া কেউ ফোন করে গ্রাহকসেবা কর্মী পরিচয় দিলেই তার কথা অনুযায়ী কাজ না করা। সম্প্রতি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতি সংঘের প্রতিষ্ঠান আইটিইউ (ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন)-র কাছে দাবি জানিয়েছে ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে নিতে অনুরোধ জানিয়ে ছিল। বাংলাদেশ, ভারত ও চীনের সঙ্গে আরও কয়েকটি দেশ বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ এই দাবির সঙ্গে একমত ছিল। কিন্তু আইটিইউ ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইন্টারনেটের ওপর নিজ নিজ দেশের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি জানিয়ে দিয়েছে।

Monday, January 14, 2013

বাজার দখল করে নিচ্ছে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন

বাজার দখল করে নিচ্ছে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন


স্মার্টফোনের পথিকৃত্ বলা যায় আইফোনকে। আইফোনের পথ ধরেই স্যামসাং বাজারে এনেছে গ্যালাক্সি এস, গ্যালাক্সি নোট, এইচটিসি এনেছে ওয়ান এক্স। মটোরোলার ড্রয়েড রেজর, এলজি'র অপটিমাস বা নকিয়ার লুমিয়াও বাজারে এসেছে হাই-এন্ড স্মার্টফোন হিসেবেই। অত্যাধুনিক সব সুবিধা নিয়েই এসব স্মার্টফোন বাজারে এসেছে চমকে দিচ্ছে ব্যবহারকারীদের। তবে এসব স্মার্টফোনের মূল্য যখন কয়েকশ ডলার পেরিয়ে যায়, তখন বাজারে একশ ডলারের নিচেও রয়েছে অনেক মডেলের স্মার্টফোন। আর বিক্রিতে এসব স্মার্টফোন এগিয়ে রয়েছে অনেকটাই। ভবিষ্যতের বাজারেও এসব স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোনই রাজত্ব করবে বলেই অনুমান করছে প্রযুক্তি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠানগুলো। এ প্রসঙ্গে প্রযুক্তি বাজার বিশ্লেষক সংস্থা আইএইচএস সাপ্লাইয়ের প্রধান বিশ্লেষক ইয়ান ফগ বিবিসিকে জানিয়েছেন, 'আমরা ধারণা করছি, ২০১৬ সাল নাগাদ হ্যান্ডসেট বাজারের প্রায় ৩১ শতাংই দখল করে নেবে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোনগুলো। মৌলিক সুবিধার স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোন এবং হাই-এন্ড সব স্মার্টফোনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। হাই-এন্ড সব স্মার্টফোনে যেখানে সব ধরনের অত্যাধুনিক সুবিধা মেলে, সেখানে লো-এন্ড স্মার্টফোনে সেই সুবিধাগুলোর সব পাওয়া যায় না। তবে বাজারে এই ধরনের ডিভাইসের প্রচুর চাহিদা রয়েছে।' বাজার বিশ্লেষকদের এই ধারণা সত্যি প্রমাণ করে নকিয়ার গত বছরের শেষ চতুর্ভাগের হিসাব। সম্প্রতি গত বছরের হিসাব প্রকাশ করেছে নকিয়া। আর তাতে দেখা গেছে, গত বছরের শেষ চতুর্ভাগে তাদের লুমিয়া সিরিজের সব স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে সাকুল্যে ৪.৪ মিলিয়ন ইউনিট। একই সময়ে তাদের স্বল্পমূল্যের আশা সিরিজের স্মার্টফোনগুলোর বিক্রি ছিল ১৪ মিলিয়নেরও বেশি। এদিকে লাস ভেগাসের কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক্স শোতেও স্বল্পমূল্যের বেশকিছু স্মার্টফোন প্রদর্শিত হয়েছে। সবমিলিয়ে স্বল্পমূল্যের স্মার্টফোনের বাজার বাড়বে, এটা বলাই যায়।

Wednesday, January 2, 2013

থ্রি-জির গাইডলাইন নিয়ে বিরোধ

থ্রি-জির গাইডলাইন নিয়ে বিরোধ


বেসরকারি অপারেটরদের থ্রি-জি প্রযুক্তি দেয়ার গাইডলাইন নিয়ে বিরোধ দেখা দিয়েছে। গাইডলাইন তৈরির আগে অপারেটরদের মতামত না নেয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক কমিশন (বিটিআরসি) নিজেদের মতো গাইডলাইন তৈরি করে অপারেটরদের কাছে মতামত চায়। বিষয়টি ভালোভাবে মেনে নেয়নি বেসরকারি অপারেটররা। তাদের বক্তব্য গাইডলাইনে এমন কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া আছে যা তাদের ব্যবসার জন্য ইতিবাচক নয়। আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হলে বিষয়টির যৌক্তিক সমাধান হতো। এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে চলতি মাসের মধ্যে অপারেটরদের হাতে থ্রি-জি লাইসেন্স দেয়া এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়লো। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনও চেষ্টা চালানো হচ্ছে। কারণ, গত মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানুয়ারির মধ্যে বেসরকারি মোবাইল অপারেটরদের হাতে থ্রি-জির লাইসেন্স তুলে দেয়ার ঘোষণা দেন। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতও তথ্য-প্রযুক্তি নিয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ওই ঘোষণার সঙ্গে সুর মেলান। এদিকে গত ২৮শে মার্চ থ্রি- জি মোবাইল সার্ভিস লাইসেন্সের খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয় বিটিআরসি। এতে পাঁচটি অপারেটরকে লাইসেন্স দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এগুলো হচ্ছে- বাংলালিংক, গ্রামীণফোন, এয়ারটেল, সিটিসেল ও ওয়ারিদ। বর্তমানে এ সুবিধা পাচ্ছে কেবল সরকার নিয়ন্ত্রিত মোবাইল অপারেটর টেলিটক। অক্টোবরের প্রথম দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থ্রিজির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর আগে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানায়, থ্রি-জিকে জনপ্রিয় করতে অপাটেরগুলোকে বাড়তি সুবিধা দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য খসড়া নীতিমালায় প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে কম দামে থ্রি-জি লাইসেন্স দিতে যাচ্ছে তারা। প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য ‘বিডি মানি’ ১ কোটি ডলার কমানোর প্রস্তাব রয়েছে খসড়া নীতিমালায়। এর আগে থ্রি-জি খসড়া নীতিমালায় প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের জন্য বিডি মানি (ন্যূনতম দর) ৩ কোটি ডলার নির্ধারণ করা হয়। সমপ্রতি টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় থেকে তরঙ্গ মূল্য নির্ধারণের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে তা ২ কোটি ডলার প্রস্তাব করা হয়েছে। এদিকে গাইডলাইনে অন্যতম শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও থ্রি-জি’র সেবা পৌঁছে দিতে হবে। অপরেটররা এ শর্তের সঙ্গে দ্বিমত জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য- থ্রি-জি প্রযুক্তির শুরুর দিকে এটা সম্ভব নয়। কারণ, ওই প্রযুক্তি প্রত্যন্ত অঞ্চলে নিয়ে যেতে ব্যাপক কারিগরি কাজের বিষয় রয়েছে। এটা দ্রুত সম্ভব নয়। আপাতত শহরকেন্দ্রিক থ্রি-জি সেবা পৌঁছানো সম্ভব। অপারেটররা জানান, এখানে ব্যবসারও বিষয় রয়েছে। এভাবে নির্দিষ্ট শর্ত জুড়ে দিলে ব্যবসা করা কঠিন হবে। তারা জানান, ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ পেলে থ্রি-জি সেবাকে ধীরে ধীরে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে। এ প্রসঙ্গে বিটিআরসি জানিয়েছে, থ্রি-জির গাইডলাইন ড্রাফট শেষ। বেসরকারি অপারেটররা বেশ কিছু প্রস্তাব ও সুপারিশ করেছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে। এদিকে গাইডলাইন চূড়ান্ত হওয়ার পর বিটিআরসি নিলামের জন্য প্রস্তুতি নেবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, থ্রি-জি সংযোগ দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারসহ ভিডিও কল করা, মোবাইল ফোনে টেলিভিশন দেখা, ভিডিও স্ট্রিমিং, রিয়েল টাইম গেমিং, অডিও ভিডিও চ্যাটিং সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী হবে। এদিকে টেলিটক এরই মধ্যে তাদের থ্রি-জি সেবার কাজ শুরু করেছে। টেলিটকের এমডি মুজিবুর রহমান জানান, গ্রাহকরা এখন কেবল রাজধানীতে থ্রি-জি সেবা পাচ্ছেন। জানুয়ারিতে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম ও সিলেটে থ্রি-জি সেবা দেয়া হবে। টেলিটক আশা করছে, প্রাথমিক পর্যায়ে রাজধানীর চার লাখ গ্রাহক পাবেন এ সেবা। যদিও দুই মাসে তারা প্রায় এক লাখ থ্রি-জি সিমকার্ড বিক্রি করেছে।

Sunday, December 23, 2012

অ্যাপল, স্যামসাংকে টেক্কা দিতে গুগল'র 'এক্সফোন'

অ্যাপল, স্যামসাংকে টেক্কা দিতে গুগল'র 'এক্সফোন'

স্মার্টফোনের বাজার যেভাবে বিশ্বব্যাপী বেড়ে চলেছে, তাতে করে প্রযুক্তি বিশ্বের সকলেই ঝুঁকে পড়েছে এই স্মার্টফোন উত্পাদনের দিকে। অনলাইন সার্চ জায়ান্ট গুগলও স্মার্টফোনের রাজ্যে প্রবেশ করেছে আগেই। তাদের 'নেক্সাস' সিরিজ দিয়ে ইতোমধ্যেই বাজারে নিজেদের সরব উপস্থিতির প্রমাণ দিয়েছে। আর স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসির মতো ডিভাইসগুলো তৈরিতে সর্বোচ্চ মান নিশ্চিত করতেই তারা সাড়ে ১২ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেয় মটোরোলাকে। তবে গুগল তাদের নেক্সাস স্মার্টফোন দিয়েও আইফোন কিংবা গ্যালাক্সি স্মার্টফোনের সাথে পাল্লা দিয়ে উঠতে পারেনি। তবে হতাশ হওয়ার পাত্র নয় গুগল। আর তাই এবারে তারা স্মার্টফোনের বাজারের দুই জায়ান্ট স্যামসাং আর অ্যাপল'র সাথে বাজারের শীর্ষস্থান দখলে নিয়ে আসতে যাচ্ছে নতুন স্মার্টফোন। আর এই ফোনের কোডনাম রাখা হয়েছে 'এক্স ফোন'। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক সংবাদে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। তারা জানিয়েছে, গুগল'র কিছু কর্তাব্যক্তির কাছেই তারা এই খবর লাভ করেছে। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, গুগল তাদের নতুন 'এক্স ফোন'কে বাজারের যেকোনো স্মার্টফোনের চাইতে ভিন্নরূপে নিয়ে আসতে চায়। আর সে কারণেই আপাতত তারা এই ফোনে চমকপ্রদ সব ফিচার যুক্ত করার জন্য গবেষণায় সময় কাটাচ্ছেন। চমকপ্রদ এসব ফিচারের মধ্যে যেমন নমনীয় ডিসপ্লে যুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে গুগল'র। আবার কিছুদিন আগেই গুগল কিনে নিয়েছে 'ভিউডল' নামের একটি প্রতিষ্ঠান যারা বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইসে কোনো ছবি, ইশারা বা নড়াচড়াকে সনাক্ত করতে সক্ষম। 'এক্স ফোনে' তাই জেশচার রিকগনিশনের মতো ফিচার যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। আসলে আমরা যেভাবে স্মার্টফোনকে দেখে এসেছি, স্মার্টফোনে তার থেকে একেবারেই ভিন্ন একটি অভিজ্ঞতা সবাইকে উপহার দিতেই এই ধরনের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে গুগল এবং মটোরোলা। এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য অবশ্য পাওয়া যায়নি গুগল'র কাছ থেকে। প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, নেক্সাস ফোন গুগল'র জন্য মূলত ছিল একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ। নেক্সাস ফোনের মাধ্যমে তারা হার্ডওয়্যার ডিভাইসে নিজেদের প্রকৃত অবস্থাকে যাচাই করে নিয়েছে। আর এবারে পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুতি নিয়েই তারা আনবে 'এক্স ফোন'। এদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, 'এক্স ফোন' স্মার্টফোনের যাত্রা সফল হলে 'এক্স ট্যাব' কোডনামের ট্যাবলেট পিসি বাজারে নিয়ে আসবে গুগল। গুগল-মটোরোলার এসব যৌথ উদ্যোগ অ্যাপল বা স্যামসাংয়ের জন্য কিছু হলেও চিন্তার কারণ বটে।

Monday, October 29, 2012

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

‘মস্তিষ্ক ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোনের সম্পর্ক আছে’

 “মস্তিষ্কে টিউমার সৃষ্টির সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি যোগসূত্র রয়েছে” বলে রায় দিয়েছেন ইতালির সুপ্রিম কোর্ট ।

 ৬০ বছর বয়সী সাবেক ব্যবসায়ী ইননোসেন্টে মার্কোলিনি এ মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার আরজিতে তিনি বলেন, “দিনে প্রায় ছয় ঘণ্টা করে ১২ বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে তার মস্তিষ্কে টিউমার হয়েছে। ফলে তার মুখমণ্ডল আংশিকভাবে অবশ হয়ে গেছে।”

শুনানির পর ইতালির কোর্ট তার রায়ে বলেন, “মস্তিষ্কে ক্যান্সারের সঙ্গে মোবাইল ফোন ব্যবহারের একটি সম্পর্ক আছে।” ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক অ্যানজিনো জিনো লেভিস আদালতে এ মামলার পক্ষে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি এ রায়কে 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ' হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “বিদ্যুত-চৌম্বকীয় তরঙ্গমালা ও টিউমার হওয়ার মধ্যে সম্পর্কের কথা এ রায়ের মাধ্যমে মেনে নেয়া হলো।”

মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে এ বক্তব্যের বিরোধিতা করে আসছে এবং তাদের বক্তব্য প্রমাণ করার জন্য অনেক গবেষণায় তহবিলের জোগানও দিয়েছে বলে জানান তিনি। অধ্যাপক লেভিস আরো বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহার মস্তিষ্কে টিউমার হওয়ার আশঙ্কা যে বাড়িয়ে দেয়, এ রায়ের মাধ্যমে সে কথাই প্রমাণিত হলো।

নজির সৃষ্টিকারী এ রায়ের পথ ধরে আরো হাজার হাজার মামলা শুরু হতে পারে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর আগে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানের তালিকায় মোবাইল ফোনের নাম লিপিবদ্ধ করেছে। সূত্র: রেডিও তেহরান